<p>সহজ কথায়, <strong>'বাইশা'</strong> শব্দটি এসেছে 'বাইশ' সংখ্যা থেকে। মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যে মনসামঙ্গল কাব্যকে কেন্দ্র করে এই বিশেষ নামকরণটি করা হয়েছে। এর পেছনের কারণটি নিচে দেওয়া হলো:</p>
<ul>
<li>মনসামঙ্গল কাব্য কোনো একক কবির লেখা নয়, বরং দীর্ঘ সময় ধরে অনেক কবি এটি রচনা করেছেন।</li>
<li>গবেষকদের মতে, মনসামঙ্গল কাব্যের কাহিনী ও বিষয়বস্তু নিয়ে ছোট-বড় মিলিয়ে মোট <strong>বাইশ জন</strong> কবি কাব্য রচনা করেছিলেন।</li>
<li>এই বাইশ জন কবির সম্মিলিত প্রচেষ্টাকেই সাহিত্যিক পরিভাষায় <strong>'বাইশা'</strong> বলা হয়।</li>
</ul>
<p>তাই মনে রাখা খুব সহজ—যেখানে <strong>বাইশ জন</strong> কবির কথা বলা হয়েছে, সেটাই সঠিক উত্তর।</p>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>অন্নদামঙ্গল</strong>। বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ, কারণ কবি ভারতচন্দ্র রায়গুণাকর তাঁর বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ 'অন্নদামঙ্গল'-কে তিনটি খণ্ডে ভাগ করেছিলেন। এর মধ্যে দ্বিতীয় খণ্ডটিই হলো 'বিদ্যাসুন্দর' পালা।</p>
<ul>
<li><strong>অন্নদামঙ্গল</strong> কাব্যটি মূলত তিনটি প্রধান অংশে বিভক্ত: অন্নদামঙ্গল, বিদ্যাসুন্দর এবং মানসিংহ।</li>
<li>কবি ভারতচন্দ্র এই কাব্যের মাধ্যমেই বিদ্যা ও সুন্দরের প্রেমকাহিনিকে অমর করে রেখেছেন।</li>
<li>তাই যখনই বিদ্যাসুন্দর নিয়ে প্রশ্ন আসবে, চোখ বন্ধ করে <strong>অন্নদামঙ্গল</strong> কাব্যটির কথা মনে রাখবেন।</li>
</ul>
<p>মধ্যযুগে বাংলা সাহিত্যের শ্রেষ্ঠ কবি হিসেবে গণ্য করা হয় <strong>ভারতচন্দ্র রায়গুণাকরকে</strong>। এর কারণগুলো খুব সহজ:</p>
<ul>
<li>ভারতচন্দ্র ছিলেন মধ্যযুগের সর্বশেষ এবং সবচেয়ে প্রতিভাবান কবি, যার লেখনীতে বাংলা ভাষা এক নতুন উচ্চতায় পৌঁছেছিল।</li>
<li>তার বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ <strong>'অন্নদামঙ্গল'</strong>-এর ভাষা ও ছন্দের কারুকাজ তৎকালীন সময়ে অতুলনীয় ছিল।</li>
<li>তিনি সংস্কৃত ও ফারসি শব্দের এক চমৎকার মিশ্রণ ঘটিয়ে বাংলা কাব্যকে আধুনিকতার দিকে এগিয়ে নিয়েছিলেন, যা তাকে অন্য সব কবি থেকে আলাদা করে তুলেছে।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, তার কাব্যশৈলী এবং ভাষার ওপর অসাধারণ দখলই তাকে মধ্যযুগের শ্রেষ্ঠ কবির মর্যাদা দিয়েছে।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>বড়ু চণ্ডিদাস</strong>। ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহর মতে বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসে চণ্ডীদাস নামের একাধিক কবি থাকলেও, তাদের মধ্যে সবচেয়ে প্রাচীন হলেন বড়ু চণ্ডিদাস।</p>
<p>বিষয়টি মনে রাখার সহজ উপায়:</p>
<ul>
<li>ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহর গবেষণায় 'শ্রীকৃষ্ণকীর্তন' কাব্যের রচয়িতাকেই তিনি প্রাচীনতম চণ্ডীদাস হিসেবে চিহ্নিত করেছেন।</li>
<li>এই কাব্যের ভণিতায় কবির নামের সাথে <strong>'বড়ু'</strong> উপাধিটি যুক্ত আছে।</li>
<li>তাই ভাষাতাত্ত্বিক ও ঐতিহাসিক বিচারে তিনি অন্য সব চণ্ডীদাসদের চেয়ে বয়োজ্যেষ্ঠ বা প্রাচীন।</li>
</ul>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>বিদ্যাপতি</strong>। বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ, কারণ মধ্যযুগের বাংলা ও মৈথিলি সাহিত্যের ইতিহাসে বিদ্যাপতি তাঁর কালজয়ী সৃষ্টির জন্য বিশেষভাবে পরিচিত।</p>
<ul>
<li><strong>কীর্তিলতা</strong> মূলত একটি ঐতিহাসিক কাব্যগ্রন্থ, যা বিদ্যাপতি তাঁর পৃষ্ঠপোষক রাজা কীর্তিসিংহের বীরত্বগাথা নিয়ে রচনা করেছিলেন।</li>
<li>এই গ্রন্থটি মূলত 'অবহট্ঠ' ভাষায় লেখা, যা তৎকালীন সময়ে বিদ্যাপতির পাণ্ডিত্যের অন্যতম বড় প্রমাণ।</li>
<li>সহজ কথায়, বিদ্যাপতির সাহিত্যিক পরিচয়ের সাথে 'কীর্তিলতা' নামটি ওতপ্রোতভাবে জড়িয়ে আছে, তাই এটি মনে রাখা খুব একটা কঠিন নয়।</li>
</ul>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>চণ্ডীদাস</strong>। মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যে বৈষ্ণব পদাবলির অন্যতম প্রধান কবি চণ্ডীদাস এই বিখ্যাত পঙ্ক্তিটি লিখেছিলেন।</p>
<p>বিষয়টা মনে রাখা খুব সহজ:</p>
<ul>
<li>এই লাইনটি মূলত চণ্ডীদাসের <strong>'শ্রীকৃষ্ণকীর্তন'</strong> বা তার পদাবলির মানবিক দর্শনের পরিচয় বহন করে।</li>
<li>সাহিত্যের ইতিহাসে মানবতাবাদ বা মানুষের মর্যাদাকে শ্রেষ্ঠ স্থান দেওয়ার ক্ষেত্রে চণ্ডীদাসের এই উক্তিটি একটি মাইলফলক হিসেবে পরিচিত।</li>
<li>পরীক্ষায় এই প্রশ্নটি প্রায়ই আসে, তাই কবির নাম এবং পঙ্ক্তিটি একসাথে মনে রাখলে খুব দ্রুত উত্তর দেওয়া সম্ভব।</li>
</ul>
৯৪৮৭
বাসলী (বাশুলী) চরণে চণ্ডীদাস এই গান গাইলেন' এখানে 'বাসলী' কে?
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>বিশালাক্ষ্ণী দেবী</strong>। বিষয়টি খুব সহজভাবে মনে রাখা যায়:</p>
<ul>
<li>কবি চণ্ডীদাস তাঁর পদাবলিতে যে দেবীর বন্দনা করেছেন, তিনি হলেন বাসলী বা বাশুলী দেবী।</li>
<li>লোকবিশ্বাস ও ঐতিহাসিক তথ্য অনুযায়ী, এই <strong>বাসলী দেবী</strong> আসলে দেবী <strong>বিশালাক্ষ্ণী</strong>-এরই একটি রূপ।</li>
<li>চণ্ডীদাসের কাব্যে ভণিতার মাধ্যমে আমরা জানতে পারি যে, তিনি এই দেবীর পরম ভক্ত ছিলেন এবং তাঁরই আরাধনা করতেন।</li>
</ul>
<p>তাই সাহিত্যের ইতিহাসে বাসলী দেবী বলতে বিশালাক্ষ্ণী দেবীকেই বোঝানো হয়।</p>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>চণ্ডালিকা</strong>। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের সাহিত্যকর্মের বিশাল ভাণ্ডারে এটি একটি অত্যন্ত জনপ্রিয় নৃত্যনাট্য বা গীতিনাট্য।</p>
<p>সহজে মনে রাখার উপায়:</p>
<ul>
<li>রবীন্দ্রনাথের নাটকগুলো চেনার জন্য কিছু বিখ্যাত নাম মাথায় রাখা জরুরি, যেমন: <strong>রক্তকরবী</strong>, <strong>বিসর্জন</strong>, <strong>ডাকঘর</strong> এবং <strong>চণ্ডালিকা</strong>।</li>
<li>'চণ্ডালিকা' নাটকটি মূলত বৌদ্ধধর্মের প্রেক্ষাপটে রচিত একটি মানবিক আবেদনের গল্প, যা রবীন্দ্রনাথের নাট্যশৈলীর এক অনন্য নিদর্শন।</li>
<li>পরীক্ষায় রবীন্দ্রনাথের নাটক থেকে প্রশ্ন আসলে এই নামগুলো বারবার ঘুরেফিরে আসে, তাই এই তালিকাটি মনে রাখলে খুব দ্রুত উত্তর দেওয়া সম্ভব।</li>
</ul>
৯৪৮৯
মুনীর চৌধুরী কোন কারাগারে বসে 'কবর' নাটক রচনা করেন?
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগার</strong>।</p>
<p>মুনীর চৌধুরীর বিখ্যাত নাটক 'কবর' রচনার পেছনের ঘটনাটি বেশ চমকপ্রদ। ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনের সময় তিনি যখন ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে বন্দি ছিলেন, তখন মাত্র কয়েক ঘণ্টার ব্যবধানে তিনি এই কালজয়ী নাটকটি লিখে শেষ করেন।</p>
<ul>
<li><strong>সময়কাল:</strong> ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলন।</li>
<li><strong>স্থান:</strong> ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগার।</li>
<li><strong>মূল তথ্য:</strong> কারাবন্দি থাকা অবস্থায় ভাষা শহীদদের স্মরণে তিনি এই নাটকটি রচনা করেন, যা বাংলা নাট্যসাহিত্যে এক অনন্য সংযোজন।</li>
</ul>
<p>সাবিরিদ খান মধ্যযুগের একজন বিশিষ্ট কবি ছিলেন, যিনি মূলত চট্টগ্রামের অধিবাসী হিসেবে পরিচিত। তার সাহিত্যকর্ম এবং ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়, তিনি তৎকালীন চট্টগ্রাম অঞ্চলের কাব্যচর্চায় গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখেছিলেন। তাই ঐতিহাসিক তথ্যানুযায়ী তার জন্মস্থান বা আবাসস্থল হিসেবে চট্টগ্রামকেই ধরা হয়।</p>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>বরিশাল</strong>। মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যের অন্যতম শ্রেষ্ঠ কবি বিজয়গুপ্তের জন্মস্থান নিয়ে ইতিহাসবিদদের মধ্যে কিছুটা মতভেদ থাকলেও, অধিকাংশের মতে তিনি বর্তমান বরিশাল জেলার আগৈলঝাড়া উপজেলার গৈলা গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন।</p>
<p>সহজভাবে মনে রাখার জন্য কিছু তথ্য:</p>
<ul>
<li>বিজয়গুপ্ত ছিলেন মনসামঙ্গল কাব্যের অন্যতম জনপ্রিয় রচয়িতা।</li>
<li>তিনি হোসেন শাহের শাসনামলে কাব্য রচনা করেছিলেন।</li>
<li>তার জন্মস্থান হিসেবে বরিশালের গৈলা গ্রামটি ঐতিহাসিকভাবে স্বীকৃত।</li>
</ul>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>মরুৎ</strong>। বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ, কারণ 'মরুৎ' শব্দটি সরাসরি বায়ু বা বাতাসের সমার্থক হিসেবে ব্যবহৃত হয়।</p>
<p>সহজে মনে রাখার জন্য নিচের বিষয়গুলো খেয়াল করতে পারেন:</p>
<ul>
<li>'মরুৎ' শব্দের অর্থ হলো বাতাস বা বায়ু।</li>
<li>সাহিত্যে বা কাব্যিক ভাষায় বায়ুকে বোঝাতে প্রায়ই 'মরুৎ' শব্দটি ব্যবহার করা হয়।</li>
<li>অন্যান্য অপশনগুলো (যেমন: চঞ্চলা, ক্ষণপ্রভা) মূলত বিদ্যুতের সমার্থক শব্দ, তাই সেগুলো এখানে প্রযোজ্য নয়।</li>
</ul>
<p>তাই পরীক্ষার খাতায় বায়ু বা বাতাস সংক্রান্ত কোনো প্রশ্ন থাকলে চোখ বন্ধ করে <strong>মরুৎ</strong> বেছে নিতে পারেন!</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>অশান্তি</strong>। বিষয়টি খুব সহজ, কারণ কোনো শব্দের বিপরীত শব্দ বের করার সময় আমাদের মূল শব্দের অর্থ বুঝতে হয়।</p>
<ul>
<li>'প্রশান্তি' শব্দের অর্থ হলো মনের গভীর শান্তি বা স্থির অবস্থা।</li>
<li>এর ঠিক উল্টো বা বিপরীত অবস্থা হলো মনের অস্থিরতা বা অশান্তি।</li>
<li>তাই ব্যাকরণগতভাবে এবং অর্থগত দিক থেকে 'প্রশান্তি'-এর সঠিক বিপরীত শব্দ হলো <strong>অশান্তি</strong>।</li>
</ul>
<p>‘ব্যাঙের আধুলি’ বাগধারাটির সঠিক অর্থ হলো <strong>সামান্য সম্পদ</strong>।</p>
<p>বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ। আমরা জানি, ব্যাঙের কোনো সম্পদ বা টাকা-পয়সা থাকার কথা নয়। তাই যদি কখনো ব্যাঙের কাছে কোনো আধুলি বা সামান্য কিছু পাওয়া যায়, তবে সেটাকে খুব নগণ্য বা সামান্য সম্পদ হিসেবেই গণ্য করা হয়। অর্থাৎ, যখন কোনো কিছুর মূল্য বা পরিমাণ খুবই কম বোঝাতে হয়, তখন আমরা এই বাগধারাটি ব্যবহার করি।</p>
MCQ পরীক্ষা সেটিংস
বাংলা
eProstuti
সহজ ও দ্রুত ক্লাস করতে অ্যাপটি ইনস্টল করুন
iPhone / iPad এ ইনস্টল করুন
eProstuti
১Safari ব্রাউজারের নিচে থাকা Share ( ) বাটনে চাপ দিন।
২নিচের দিকে স্ক্রোল করে 'Add to Home Screen' ( ) নির্বাচন করুন।
৩উপরে ডানে থাকা 'Add' বাটনে ট্যাপ করুন।
Android এ অ্যাপ ইনস্টল করুন
eProstuti
১Chrome ব্রাউজারের উপরে ডানে থাকা থ্রি-ডট ( ) মেনু চাপুন।
২তালিকায় 'Install app' বা 'Add to Home screen' ( ) এ ট্যাপ করুন।
ডাউনলোড সম্পন্ন হলে ফাইলটি ওপেন করে Install চাপুন।
যদি "Install unknown apps" বা "Unknown sources" অনুমতি চায়, তাহলে সেটি Allow করে আবার ইনস্টল করুন।
ইনস্টল শেষ হলে অ্যাপটি খুলে আপনার অ্যাকাউন্টে লগইন করুন।
অ্যাপের সুবিধা:
সকল লাইভ ক্লাস
রেকর্ডেড ক্লাস
অনলাইন পরীক্ষা
ই-বুক ও নোটিশ
সবকিছু এক জায়গা থেকেই সহজে ব্যবহার করুন!
ব্রাউজারে খুলুন
⚠️ মনে হচ্ছে আপনি এই ওয়েবসাইটটি ফেসবুক বা অন্য কোনো অ্যাপের ভেতরের ব্রাউজার থেকে খুলেছেন।
ভালোভাবে কাজ করার জন্য দয়া করে এটি আপনার মূল ব্রাউজারে (যেমন Chrome) খুলুন।
👉 উপরে থাকা ⋮ বা ••• বাটনে চাপ দিন → তারপর “Open in Browser” সিলেক্ট করুন।