eProstuti
স্বাগতম শিক্ষার্থী!

অনলাইন কোর্স ও পরীক্ষায় অংশ নিতে লগইন করুন

লগইন / রেজিস্টার
ওয়েবসাইট মেন্যু
MCQ: ৩৪৫১৮ টি
সকল বিষয়
বাংলা
সঠিক উত্তর বাছাই করে আপনার প্রস্তুতি যাচাই করুন
৯৫৪১

‘অশোক গুচ্ছ’, ‘গোলাপ গুচ্ছ’, -গ্রন্থদ্বয়ের রচয়িতা কে?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
দেবেন্দ্রনাথ সেন
ব্যাখ্যা:
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>দেবেন্দ্রনাথ সেন</strong>। বাংলা সাহিত্যে তাকে মূলত 'ভ্রমর কবি' হিসেবে চেনা হয়। তার কাব্যগ্রন্থগুলোর নামকরণে একটি বিশেষ বৈশিষ্ট্য লক্ষ্য করা যায়, যা হলো 'গুচ্ছ' শব্দের ব্যবহার।</p>

<p>সহজে মনে রাখার জন্য এই কৌশলটি মাথায় রাখতে পারেন:</p>

<ul>
<li><strong>দেবেন্দ্রনাথ সেন</strong>-এর কাব্যগ্রন্থগুলো চেনার সবচেয়ে সহজ উপায় হলো নামের শেষে <strong>'গুচ্ছ'</strong> শব্দটি থাকা।</li>
<li>তার উল্লেখযোগ্য কাব্যগ্রন্থগুলোর মধ্যে রয়েছে: <strong>‘অশোক গুচ্ছ’</strong>, <strong>‘গোলাপ গুচ্ছ’</strong>, <strong>‘শেফালি গুচ্ছ’</strong> এবং <strong>‘হিমালয় গুচ্ছ’</strong>।</li>
</ul>

<p>পরীক্ষায় যখনই কোনো বইয়ের নামের শেষে ‘গুচ্ছ’ দেখবেন, চোখ বন্ধ করে দেবেন্দ্রনাথ সেনকে উত্তর হিসেবে বেছে নিতে পারেন। এটিই তার রচনার প্রধান পরিচয়!</p>
৯৫৪২

রবীন্দ্রনাথ কার কাব্যকে 'রাজকণ্ঠের মণিমালা' বলে অভিহিত করেছেন?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
বিদ্যাপতির
ব্যাখ্যা:
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>বিদ্যাপতির</strong>। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর বিদ্যাপতিকে অত্যন্ত শ্রদ্ধা করতেন এবং তাঁর কাব্যপ্রতিভায় মুগ্ধ হয়েই তাঁকে এই বিশেষ উপাধিতে ভূষিত করেছিলেন।</p>

<p>বিষয়টি মনে রাখার সহজ উপায়:</p>
<ul>
<li>রবীন্দ্রনাথ বিদ্যাপতির পদাবলির মাধুর্য ও অলংকারে মুগ্ধ ছিলেন।</li>
<li>তিনি বিদ্যাপতিকে বাংলা সাহিত্যের এক উজ্জ্বল নক্ষত্র মনে করতেন, তাই তাঁর কাব্যকে রাজকণ্ঠের মণিমালার সাথে তুলনা করেছেন।</li>
<li>সহজ কথায়, বিদ্যাপতির পদের যে শৈল্পিক সৌন্দর্য, তা যেন রাজকীয় কোনো অলঙ্কারের মতোই মূল্যবান।</li>
</ul>
৯৫৪৩

বৈষ্ণব পদাবলী সংগ্রহ করেছিলেন কে?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
বাবা আউল মনোহর দাস
ব্যাখ্যা:
<p>বৈষ্ণব পদাবলী সংগ্রহের ক্ষেত্রে <strong>বাবা আউল মনোহর দাস</strong>-এর নাম বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য। তিনি মূলত বৈষ্ণব পদাবলির প্রাচীন ও দুষ্প্রাপ্য পদগুলো সংগ্রহ করে সেগুলোকে সংরক্ষণের উদ্যোগ নিয়েছিলেন।</p>

<ul>
<li><strong>বাবা আউল মনোহর দাস</strong> ছিলেন একজন নিষ্ঠাবান বৈষ্ণব সাধক।</li>
<li>তিনি বিভিন্ন স্থান থেকে পদগুলো সংগ্রহ করে একটি পাণ্ডুলিপিতে লিপিবদ্ধ করেন, যা বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।</li>
<li>তার এই সংগ্রহের মাধ্যমেই অনেক প্রাচীন কবির পদ আজ আমাদের কাছে টিকে আছে।</li>
</ul>

<p>সহজ কথায়, বৈষ্ণব পদাবলিকে হারিয়ে যাওয়ার হাত থেকে রক্ষা করতে এবং সেগুলোকে একত্রিত করতে তিনি যে পরিশ্রম করেছিলেন, তা বাংলা সাহিত্যের জন্য এক বড় প্রাপ্তি।</p>
৯৫৪৪

বাংলায় একছত্র কবিতা না লিখে কে বাংলার কবি হয়েছিলেন?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
বিদ্যাপতি
ব্যাখ্যা:
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>বিদ্যাপতি</strong>। বিষয়টি বেশ মজার, কারণ বিদ্যাপতি মূলত মৈথিলি ভাষার কবি ছিলেন। তিনি বাংলা ভাষায় কোনো কবিতা লেখেননি, কিন্তু তাঁর কবিতার ভাষা ও ভাবধারা তৎকালীন বাংলা সাহিত্যের ওপর এতটাই গভীর প্রভাব ফেলেছিল যে, তাঁকে বাংলা সাহিত্যের একজন প্রধান কবি হিসেবে গণ্য করা হয়।</p>

<p>সহজ কথায় মনে রাখার উপায়:</p>
<ul>
<li><strong>মৈথিলি ভাষা:</strong> বিদ্যাপতি তাঁর বিখ্যাত পদাবলিগুলো মূলত মৈথিলি ও অবহট্‌ঠ ভাষায় লিখেছিলেন।</li>
<li><strong>প্রভাব:</strong> তাঁর লেখা 'ব্রজবুলি' ভাষার পদগুলো বাঙালি কবিদের এতটাই অনুপ্রাণিত করেছিল যে, পরবর্তীকালে অনেক কবি তাঁর অনুকরণে কবিতা লিখেছেন।</li>
<li><strong>স্বীকৃতি:</strong> বাংলা ভাষায় সরাসরি না লিখলেও, বাংলা সাহিত্যের বৈষ্ণব পদাবলির ইতিহাসে তিনি এক অপরিহার্য নাম।</li>
</ul>
৯৫৪৫

কোন কবি নরহরি সরকারের আদেশে 'চৈতন্যমঙ্গল' রচনা করেন?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
কবি লোচন দাস
ব্যাখ্যা:
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>কবি লোচন দাস</strong>। বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ:</p>

<ul>
<li>শ্রীচৈতন্যের জীবনী নিয়ে রচিত অন্যতম প্রধান গ্রন্থ হলো <strong>'চৈতন্যমঙ্গল'</strong>।</li>
<li>কবি লোচন দাস ছিলেন শ্রীখণ্ডের অধিবাসী এবং তিনি নরহরি সরকারের পরম ভক্ত ও শিষ্য ছিলেন।</li>
<li>গুরু নরহরি সরকারের বিশেষ অনুরোধ বা আদেশেই তিনি এই বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থটি রচনা করেছিলেন।</li>
</ul>

<p>সহজ কথায়, নরহরি সরকারের প্রতি গভীর শ্রদ্ধাবোধ থেকেই লোচন দাস এই মহাকাব্যটি লিখেছিলেন, যা বাংলা সাহিত্যের মধ্যযুগের ইতিহাসে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।</p>
৯৫৪৬

‘সই কেমনে ধরিব হিয়া আমার বুঁধূয়া আন বাড়ি যায় আমরি আঙিনা দিয়া” কার রচনা

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
চণ্ডীদাস
ব্যাখ্যা:
<p>এই বিখ্যাত পদটির রচয়িতা হলেন <strong>চণ্ডীদাস</strong>। মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যের বৈষ্ণব পদাবলীতে চণ্ডীদাসের পদগুলো তার সহজ-সরল ভাষা এবং গভীর আবেগের জন্য বিশেষভাবে পরিচিত।</p>

<p>সহজে মনে রাখার উপায়:</p>
<ul>
<li>চণ্ডীদাসের পদাবলীতে রাধা-কৃষ্ণের প্রেমের আকুতি এবং বিরহের সুর খুব স্পষ্টভাবে ফুটে ওঠে।</li>
<li>এই নির্দিষ্ট পদটি চণ্ডীদাসের 'পূর্বরাগ' পর্যায়ের একটি অন্যতম শ্রেষ্ঠ নিদর্শন।</li>
<li>সাহিত্যিকদের শৈলী অনুযায়ী, এমন করুণ ও মধুর পঙক্তিগুলো মূলত চণ্ডীদাসের লেখনীর বৈশিষ্ট্য।</li>
</ul>
৯৫৪৭

‘সই কে শুনাইল শ্যাম নামে’ পদটির রচয়িতা কে?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
চণ্ডীদাস
ব্যাখ্যা:
<p>‘সই কে শুনাইল শ্যাম নামে’ পদটির রচয়িতা হলেন <strong>চণ্ডীদাস</strong>। এটি বাংলা সাহিত্যের মধ্যযুগের পদাবলি সাহিত্যের একটি অত্যন্ত জনপ্রিয় ও কালজয়ী পদ।</p>

<p>সহজভাবে মনে রাখার উপায়:</p>
<ul>
<li>এই পদটি মূলত রাধাকৃষ্ণের প্রেমলীলা নিয়ে রচিত, যা চণ্ডীদাসের পদাবলির অন্যতম প্রধান বৈশিষ্ট্য।</li>
<li>সাহিত্যিক ও গবেষকদের মতে, এই পদের ভাব ও ভাষার শৈলী চণ্ডীদাসের কাব্যরীতির সাথে হুবহু মিলে যায়।</li>
<li>বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসে বৈষ্ণব পদাবলির আদি কবি হিসেবে চণ্ডীদাস এই ধরনের আবেগঘন পদের জন্য বিশেষভাবে পরিচিত।</li>
</ul>
৯৫৪৮

“ধনধান্য পুষ্পে ভরা” দেশাত্মবোধক গানটির রচয়িতা কে?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
দ্বিজেন্দ্রলাল রায়
ব্যাখ্যা:
<p>এই বিখ্যাত দেশাত্মবোধক গানটির রচয়িতা হলেন <strong>দ্বিজেন্দ্রলাল রায়</strong>। গানটি মূলত তাঁর লেখা 'শাহজাহান' নাটকের অন্তর্ভুক্ত।</p>

<p>সহজভাবে মনে রাখার উপায়:</p>
<ul>
<li>গানটির মূল সুর ও ভাবধারা দ্বিজেন্দ্রলাল রায়ের দেশপ্রেমমূলক রচনার অন্যতম বৈশিষ্ট্য।</li>
<li>বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসে দেশাত্মবোধক গানের ক্ষেত্রে তাঁর অবদান অনস্বীকার্য, তাই এই গানটির নাম শুনলেই তাঁর কথা মনে রাখা সবচেয়ে সহজ।</li>
</ul>
৯৫৪৯

নাথ সাহিত্যের প্রধান নিদর্শন কোনটি?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
ময়নামতি ও গোপীচন্দ্রের আখ্যান
ব্যাখ্যা:
<p>নাথ সাহিত্যের প্রধান ও সবচেয়ে জনপ্রিয় নিদর্শন হলো <strong>ময়নামতি ও গোপীচন্দ্রের আখ্যান</strong>। এই সাহিত্য মূলত নাথ ধর্মের যোগী বা সিদ্ধাচার্যদের জীবন ও দর্শনের ওপর ভিত্তি করে গড়ে উঠেছে।</p>

<p>সহজভাবে মনে রাখার জন্য নিচের বিষয়গুলো খেয়াল করুন:</p>
<ul>
<li><strong>ময়নামতি</strong> ছিলেন রাজা গোপীচন্দ্রের মা, যিনি ছিলেন একজন অত্যন্ত প্রভাবশালী যোগিনী।</li>
<li>গোপীচন্দ্রের সন্ন্যাস গ্রহণের কাহিনীই এই আখ্যানের মূল কেন্দ্রবিন্দু।</li>
<li>বাংলা লোকসাহিত্যে এই কাহিনীটি <strong>গোপীচন্দ্রের গান</strong> বা <strong>ময়নামতির গান</strong> নামেও পরিচিত, যা নাথ সাহিত্যের ঐতিহ্যের প্রধান ধারক।</li>
</ul>

<p>তাই পরীক্ষার প্রশ্নে নাথ সাহিত্যের কথা থাকলে চোখ বন্ধ করে <strong>ময়নামতি ও গোপীচন্দ্রের আখ্যান</strong>-কেই সঠিক উত্তর হিসেবে বেছে নেবেন।</p>
৯৫৫০

‘হাসির গল্পকার’ কাকে বলা হয়?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
রাজশেখর বসু
ব্যাখ্যা:
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>রাজশেখর বসু</strong>। বাংলা সাহিত্যে তাকে ‘হাসির গল্পকার’ হিসেবে অভিহিত করার কারণ খুব সহজ:</p>

<ul>
<li>তিনি তার লেখনীতে অত্যন্ত সূক্ষ্ম রসবোধ এবং বুদ্ধিবৃত্তিক হাস্যরস ফুটিয়ে তুলতেন।</li>
<li>তার লেখা ‘গড্ডলিকা’, ‘কজ্জলী’ বা ‘হনুমানের স্বপ্ন’র মতো গল্পগুলোতে সমাজের নানা অসঙ্গতিকে তিনি দারুণ মজার ছলে তুলে ধরেছেন।</li>
<li>তার হাস্যরসের ধরন ছিল মার্জিত এবং গভীর, যা তাকে বাংলা সাহিত্যের অনন্য এক উচ্চতায় নিয়ে গেছে।</li>
</ul>

<p>সহজ কথায়, তার গল্পের ভাষা ও উপস্থাপনার ভঙ্গি পাঠকদের যেমন হাসায়, তেমনি চিন্তার খোরাকও দেয়। তাই তাকেই বাংলা সাহিত্যের শ্রেষ্ঠ হাসির গল্পকার হিসেবে গণ্য করা হয়।</p>
৯৫৫১

শব্দের অর্থ নির্ণয় করুন। প্রত্যুৎপন্নমতি

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
উপস্থি বুদ্ধি আছে যার
ব্যাখ্যা:
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>উপস্থিত বুদ্ধি আছে যার</strong>। শব্দটির গঠন বিশ্লেষণ করলে বিষয়টি খুব সহজে বোঝা যায়:</p>

<ul>
<li><strong>প্রত্যুৎপন্নমতি</strong> শব্দটি মূলত ‘প্রতি + উৎ + পন্ন + মতি’—এই সন্ধি ও প্রত্যয়ের সমন্বয়ে গঠিত।</li>
<li>এর আক্ষরিক অর্থ হলো—যার বুদ্ধি তাৎক্ষণিকভাবে বা দ্রুত কোনো সমস্যার সমাধান খুঁজে বের করতে পারে।</li>
<li>সহজ কথায়, কোনো বিপদে বা জটিল পরিস্থিতিতে ঘাবড়ে না গিয়ে যে ব্যক্তি তাৎক্ষণিক বুদ্ধি খাটিয়ে সঠিক সিদ্ধান্ত নিতে পারে, তাকেই এক কথায় <strong>প্রত্যুৎপন্নমতি</strong> বলা হয়।</li>
</ul>

<p>তাই পরীক্ষার খাতায় বা বাস্তব জীবনে যখনই এই শব্দটি দেখবেন, মনে রাখবেন এটি মূলত দ্রুত সিদ্ধান্ত নেওয়ার বা উপস্থিত বুদ্ধির ক্ষমতার সাথে সম্পর্কিত।</p>
৯৫৫২

ভূ-পৃষ্ঠের সৌরদীপ্ত ও অন্ধকারাচ্ছন্ন অংশের সংযোগ স্থলকে কি বলে?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
ছায়াবৃত্ত
ব্যাখ্যা:
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>ছায়াবৃত্ত</strong>। বিষয়টি একদম সহজভাবে বোঝা যায় এভাবে:</p>

<ul>
<li>পৃথিবী গোল এবং এটি সূর্যের আলোয় আলোকিত হয়।</li>
<li>পৃথিবীর যে অংশ সূর্যের দিকে থাকে সেখানে দিন হয়, আর বিপরীত দিকে থাকে রাত।</li>
<li>এই আলোকিত এবং অন্ধকার অংশের মাঝখানে যে কাল্পনিক রেখা বা বৃত্তাকার সীমানা তৈরি হয়, সেটিই হলো <strong>ছায়াবৃত্ত</strong>।</li>
<li>সহজ কথায়, এটি পৃথিবীর সেই অংশ যা দিন ও রাতকে আলাদা করে রাখে।</li>
</ul>
৯৫৫৩

নিচের কোনটি সমার্থক নয়?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
গোঁফ খেজুরে-কাছা ঢিলা
ব্যাখ্যা:
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>গোঁফ খেজুরে-কাছা ঢিলা</strong>। কারণ এই দুটি বাগধারার অর্থ সম্পূর্ণ আলাদা।</p>

<ul>
<li><strong>গোঁফ খেজুরে</strong> বাগধারাটির অর্থ হলো অত্যন্ত অলস ব্যক্তি।</li>
<li>অন্যদিকে, <strong>কাছা ঢিলা</strong> বাগধারাটির অর্থ হলো অসাবধান বা অসতর্ক ব্যক্তি।</li>
</ul>

<p>যেহেতু এই দুটির অর্থের মধ্যে কোনো মিল নেই, তাই এরা একে অপরের সমার্থক নয়। বাকি অপশনগুলোর বাগধারাগুলো সমার্থক হওয়ায় সেগুলো এখানে সঠিক উত্তর নয়।</p>
৯৫৫৪

‘গবাক্ষ’ শব্দটির কোনটি সঠিক সন্ধি বিচ্ছেদ?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
গো+অক্ষ
ব্যাখ্যা:
<p>‘গবাক্ষ’ শব্দটির সঠিক সন্ধি বিচ্ছেদ হলো <strong>গো + অক্ষ</strong>। এটি মূলত একটি নিপাতনে সিদ্ধ সন্ধি। বিষয়টি সহজে মনে রাখার জন্য নিচের ধাপগুলো খেয়াল করুন:</p>

<ul>
<li>সন্ধির নিয়ম অনুযায়ী, ও-কারের পর অন্য স্বরবর্ণ থাকলে ও-কার স্থলে 'অব' হয়।</li>
<li>এখানে <strong>গো</strong> শব্দের ও-কার এবং <strong>অক্ষ</strong> শব্দের অ মিলে 'অব' ধ্বনির সৃষ্টি হয়েছে।</li>
<li>অর্থাৎ: $গো + অক্ষ = গ + অব + অক্ষ = গবাক্ষ$।</li>
</ul>

<p>সহজ কথায়, ও-কারের সাথে অ-এর মিলনে এখানে 'অব' যুক্ত হয়ে শব্দটি গঠিত হয়েছে। তাই সঠিক উত্তরটি হলো <strong>গো + অক্ষ</strong>।</p>
৯৫৫৫

গবাক্ষ' শব্দের সন্ধি-বিচ্ছেদ কোনটি?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
গো+অক্ষ
ব্যাখ্যা:
<p>‘গবাক্ষ’ শব্দের সঠিক সন্ধি-বিচ্ছেদ হলো <strong>গো + অক্ষ</strong>। এটি মূলত একটি নিপাতনে সিদ্ধ সন্ধি, তাই সাধারণ সন্ধির নিয়মের চেয়ে একটু আলাদাভাবে কাজ করে।</p>

<p>বিষয়টি সহজে মনে রাখার জন্য নিচের ধাপগুলো খেয়াল করুন:</p>

<ul>
<li>এখানে সন্ধির নিয়মে <strong>ও</strong>-কারের পরে অন্য স্বরবর্ণ থাকলে <strong>ও</strong> পরিবর্তিত হয়ে <strong>অব</strong> হয়ে যায়।</li>
<li>অর্থাৎ, <strong>গো + অক্ষ</strong> মিলে হয় <strong>গব + অক্ষ</strong>।</li>
<li>সবশেষে <strong>গব + অক্ষ</strong> যুক্ত হয়ে তৈরি হয় <strong>গবাক্ষ</strong>।</li>
</ul>

<p>সহজ কথায়, নিপাতনে সিদ্ধ হওয়ার কারণে এখানে <strong>গো</strong>-এর সাথে <strong>অক্ষ</strong> যুক্ত হয়েই শব্দটি গঠিত হয়েছে।</p>
Support
Curiosity AI Assistant
24/7 লাইভ
eProstuti ডেটাবেস ও অটোমেশন ইঞ্জিন
এআই চ্যাট WhatsApp Messenger Instagram
👋 আসসালামু আলাইকুম শিক্ষার্থী !

আমি eProstuti Curiosity AI। আমাদের সকল লাইভ কোর্স, মডেল টেস্ট, ই-বুক, নোটিশ এবং পেমেন্ট সংক্রান্ত তথ্য নিমেষেই জানতে পারবেন।

দ্রুত উত্তরের জন্য নিচের টপিক চাপুন অথবা নিচে লিখুন:

উত্তরের তথ্য বিশ্লেষণ করা হচ্ছে...
eProstuti AI সহকারী
সার্বক্ষণিক সহায়তায় প্রস্তুত
লগইন আবশ্যক

ব্যক্তিগত সহায়তা এবং আপনার কোর্স, পরীক্ষা ও পেমেন্ট হিস্ট্রি দেখতে অ্যাকাউন্টে লগইন করুন।

* চ্যাটবট সরাসরি অ্যাকাউন্ট তৈরি বা লগইন করতে পারে না।