<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>গিয়াস উদ্দিন আজম শাহ</strong>। বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ, কারণ তিনি ছিলেন শিল্প-সাহিত্যের একজন বড় সমঝদার শাসক।</p>
<ul>
<li>গিয়াস উদ্দিন আজম শাহ পারস্যের বিখ্যাত কবি <strong>হাফিজের</strong> সাথে পত্রালাপ করতেন এবং তাকে বাংলায় আসার জন্য আমন্ত্রণ জানিয়েছিলেন।</li>
<li>কবি হাফিজ সরাসরি আসতে না পারলেও, তিনি একটি চমৎকার গজল লিখে পাঠিয়েছিলেন, যা আজও বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসে বেশ পরিচিত।</li>
<li>ইতিহাসে তিনি একজন রুচিশীল ও সংস্কৃতিমনা সুলতান হিসেবেই বেশি সমাদৃত।</li>
</ul>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>প্রশংসা</strong>। বিষয়টি খুব সহজ, কারণ 'ভর্ৎসনা' শব্দের অর্থ হলো কাউকে বকাঝকা করা বা তিরস্কার করা।</p>
<p>সহজভাবে মনে রাখার উপায়:</p>
<ul>
<li><strong>ভর্ৎসনা:</strong> যখন কেউ ভুল করলে তাকে কঠোর ভাষায় সমালোচনা করা হয়।</li>
<li><strong>প্রশংসা:</strong> যখন কেউ ভালো কাজ করলে তার গুণের প্রশংসা করা হয়।</li>
</ul>
<p>যেহেতু ভর্ৎসনা নেতিবাচক এবং প্রশংসা ইতিবাচক, তাই শব্দ দুটির অর্থ একে অপরের বিপরীত।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>গিরি + ঈশ</strong>। সন্ধি বিচ্ছেদের নিয়মটি খুব সহজ, নিচে তা ধাপে ধাপে দেওয়া হলো:</p>
<ul>
<li>সন্ধির নিয়মানুসারে, যখন দুটি হ্রস্ব বা দীর্ঘ স্বরধ্বনি মিলে দীর্ঘ স্বরধ্বনি তৈরি করে, তখন তাকে দীর্ঘ সন্ধি বলে।</li>
<li>এখানে 'গিরি' শব্দের শেষে থাকা হ্রস্ব-ই ($ই$) এবং 'ঈশ' শব্দের শুরুতে থাকা দীর্ঘ-ঈ ($ঈ$) মিলে দীর্ঘ-ঈ ($ঈ$) তৈরি হয়েছে।</li>
<li>সূত্রটি হলো: $ই + ঈ = ঈ$।</li>
<li>তাই, $গিরি + ঈশ = গিরীশ$।</li>
</ul>
<p>মনে রাখবেন, 'ঈশ' শব্দটি সবসময় দীর্ঘ-ঈ ($ঈ$) দিয়ে শুরু হয়, তাই সঠিক সন্ধি বিচ্ছেদে এটি খেয়াল রাখলেই ভুল হওয়ার সম্ভাবনা থাকে না।</p>
৯৫৮৯
যত বড় মুখ নয় তত বড় কথা - এখানে মুখ বলতে কি বোঝাচ্ছে?
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>ত্রিফলা</strong>। বিষয়টি খুব সহজ, কারণ দ্বিগু সমাস চেনার সবচেয়ে বড় উপায় হলো এর গঠন।</p>
<ul>
<li>দ্বিগু সমাস সবসময় সংখ্যাবাচক শব্দ দিয়ে শুরু হয় এবং এটি কোনো সমাহার বা সমষ্টি বোঝায়।</li>
<li><strong>ত্রিফলা</strong> শব্দটি ভাঙলে আমরা পাই: ত্রি (তিন) ফলের সমাহার।</li>
<li>যেহেতু এখানে শুরুতে 'ত্রি' বা সংখ্যাবাচক শব্দ আছে এবং এটি তিনটি ফলের সমষ্টি বোঝাচ্ছে, তাই এটি নির্দ্বিধায় দ্বিগু সমাস।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, যেখানেই সংখ্যার সাথে কোনো বিশেষ্য পদের মিলন ঘটে এবং সমষ্টি বোঝায়, সেটিই দ্বিগু সমাস।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>কলেছাঁটা</strong>। অলুক তৎপুরুষ সমাস চেনার সবচেয়ে সহজ উপায় হলো, সমাসবদ্ধ হওয়ার পরেও যদি পূর্বপদের বিভক্তি (যেমন: -এ, -য়, -তে) লোভ না পায় বা থেকে যায়, তবে তাকে অলুক সমাস বলে।</p>
<ul>
<li><strong>কলেছাঁটা</strong> শব্দটির ব্যাসবাক্য করলে হয়: কলে ছাঁটা।</li>
<li>এখানে 'কল' শব্দের সাথে 'এ' বিভক্তি যুক্ত আছে।</li>
<li>সমাস হওয়ার পরেও এই 'এ' বিভক্তিটি অপরিবর্তিত রয়ে গেছে, তাই এটি অলুক তৎপুরুষ সমাস।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, যে সমাসে বিভক্তি চিহ্নটি গায়ে লেগেই থাকে, সেটাই অলুক সমাস।</p>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>গায়েহলুদ</strong>। বিষয়টি খুব সহজভাবে মনে রাখা যায় এভাবে:</p>
<ul>
<li><strong>অলুক তৎপুরুষ</strong> সমাসে বিভক্তি লোভ পায় না। অর্থাৎ, সমাস হওয়ার পরেও পূর্বপদের বিভক্তিটি অপরিবর্তিত থাকে।</li>
<li>'গায়েহলুদ' শব্দটিকে ভাঙলে আমরা পাই <strong>গায়ে + হলুদ</strong>।</li>
<li>এখানে 'গায়ে' শব্দের শেষে <strong>'এ'</strong> বিভক্তিটি যুক্ত আছে, যা সমাস হওয়ার পরেও গায়েব হয়নি বা লোভ পায়নি।</li>
<li>যেহেতু বিভক্তিটি এখনো স্পষ্ট দেখা যাচ্ছে, তাই এটি অলুক তৎপুরুষ সমাসের একটি নিখুঁত উদাহরণ।</li>
</ul>
<p>অলুক তৎপুরুষ সমাস চেনার উপায় খুব সহজ। যে সমাসে বিভক্তি লোভ পায় না, তাকেই অলুক তৎপুরুষ বলে। বিষয়টি এভাবে খেয়াল করো:</p>
<ul>
<li><strong>মুখে ভাত</strong> শব্দটির ব্যাসবাক্য করলে হয়: <strong>মুখে ভাত</strong>।</li>
<li>এখানে 'মুখে' শব্দের সাথে 'এ' বিভক্তি যুক্ত আছে।</li>
<li>সমাস হওয়ার পরেও এই 'এ' বিভক্তিটি কিন্তু হারিয়ে যায়নি, বরং আগের মতোই রয়ে গেছে।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, ব্যাসবাক্যে যে বিভক্তি থাকে, সমস্ত পদেও যদি সেই বিভক্তিটি অক্ষুণ্ণ থাকে, তবেই সেটি অলুক তৎপুরুষ সমাস। তাই এখানে 'মুখে' বিভক্তিটি স্পষ্ট থাকায় এটি অলুক তৎপুরুষের নিখুঁত উদাহরণ।</p>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>গায়ক</strong>। বিষয়টি খুব সহজ, কারণ যৌগিক শব্দ চেনার একটি দারুণ কৌশল আছে।</p>
<p>যৌগিক শব্দ হলো সেই সব শব্দ, যাদের প্রকৃতি ও প্রত্যয় বিশ্লেষণ করলে মূল শব্দের অর্থের সাথে মিল থাকে। অর্থাৎ, শব্দটির অর্থ তার অংশগুলোর অর্থের সমষ্টির মতোই হয়।</p>
<ul>
<li><strong>গায়ক</strong> শব্দটি বিশ্লেষণ করলে পাওয়া যায়: <strong>গৈ + অক</strong>।</li>
<li>এখানে 'গৈ' ধাতু বা মূল অংশটি 'গান করা' অর্থ প্রকাশ করে এবং 'অক' প্রত্যয়টি 'কর্তা' বা 'যে করে' এমন অর্থ বোঝায়।</li>
<li>সহজ কথায়, যে গান করে সেই হলো গায়ক। যেহেতু শব্দের গঠন এবং অর্থ একে অপরের সাথে সরাসরি মিলে যাচ্ছে, তাই এটি একটি যৌগিক শব্দ।</li>
</ul>
<p>অন্যান্য শব্দের ক্ষেত্রে অর্থের পরিবর্তন ঘটে বা বিশেষ কোনো উৎস থেকে আসে, কিন্তু <strong>গায়ক</strong> শব্দটির অর্থ তার গঠনের মাধ্যমেই স্পষ্টভাবে বোঝা যায়।</p>
<p>লোকসাহিত্যের প্রাচীনতম নিদর্শন হলো <strong>ছড়া</strong>। এর কারণ খুব সহজ—মানুষের মুখে মুখে প্রচলিত সাহিত্যের মধ্যে ছড়াই সবচেয়ে আদিম ও সহজ রূপ।</p>
<ul>
<li><strong>মৌখিক ঐতিহ্য:</strong> ছড়া মূলত মানুষের দৈনন্দিন জীবনের আনন্দ, বেদনা এবং অভিজ্ঞতার সহজ প্রকাশ, যা কোনো লিখিত রূপ ছাড়াই প্রজন্মের পর প্রজন্ম টিকে আছে।</li>
<li><strong>সহজ গঠন:</strong> ছড়ার ছন্দ ও তাল খুব সহজ হওয়ায় এটি মনে রাখা ও মুখে মুখে ছড়িয়ে দেওয়া সবচেয়ে সুবিধাজনক ছিল।</li>
<li><strong>ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট:</strong> লোকসাহিত্যের অন্যান্য শাখার তুলনায় ছড়ার গঠনশৈলী ও বিষয়বস্তু অনেক বেশি প্রাচীন, যা আদিম মানুষের জীবনবোধের সাথে সরাসরি যুক্ত।</li>
</ul>
<p>তাই লোকসাহিত্যের ধারায় ছড়াকেই সবচেয়ে পুরনো বা প্রাচীনতম নিদর্শন হিসেবে গণ্য করা হয়।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>গাড়িবান্দারা</strong>। বিষয়টি খুব সহজ, কারণ মধ্যপদলোপী কর্মধারয় সমাসে ব্যাসবাক্যের মাঝখানের পদটি লোপ পায়।</p>
<ul>
<li><strong>গাড়িবান্দারা</strong> শব্দটির ব্যাসবাক্য করলে দাঁড়ায়: <strong>গাড়ি বান্দা (বা তৈরি) করে যে</strong>।</li>
<li>এখানে ব্যাসবাক্যের মাঝখানের <strong>'তৈরি'</strong> বা <strong>'বান্দা'</strong> জাতীয় অংশটি সমস্ত পদে এসে লোপ পেয়েছে।</li>
<li>যেহেতু মাঝখানের পদটি হারিয়ে গিয়ে নতুন একটি শব্দ তৈরি হয়েছে, তাই এটি মধ্যপদলোপী কর্মধারয় সমাসের একদম নিখুঁত উদাহরণ।</li>
</ul>
MCQ পরীক্ষা সেটিংস
বাংলা
eProstuti
সহজ ও দ্রুত ক্লাস করতে অ্যাপটি ইনস্টল করুন
iPhone / iPad এ ইনস্টল করুন
eProstuti
১Safari ব্রাউজারের নিচে থাকা Share ( ) বাটনে চাপ দিন।
২নিচের দিকে স্ক্রোল করে 'Add to Home Screen' ( ) নির্বাচন করুন।
৩উপরে ডানে থাকা 'Add' বাটনে ট্যাপ করুন।
Android এ অ্যাপ ইনস্টল করুন
eProstuti
১Chrome ব্রাউজারের উপরে ডানে থাকা থ্রি-ডট ( ) মেনু চাপুন।
২তালিকায় 'Install app' বা 'Add to Home screen' ( ) এ ট্যাপ করুন।
ডাউনলোড সম্পন্ন হলে ফাইলটি ওপেন করে Install চাপুন।
যদি "Install unknown apps" বা "Unknown sources" অনুমতি চায়, তাহলে সেটি Allow করে আবার ইনস্টল করুন।
ইনস্টল শেষ হলে অ্যাপটি খুলে আপনার অ্যাকাউন্টে লগইন করুন।
অ্যাপের সুবিধা:
সকল লাইভ ক্লাস
রেকর্ডেড ক্লাস
অনলাইন পরীক্ষা
ই-বুক ও নোটিশ
সবকিছু এক জায়গা থেকেই সহজে ব্যবহার করুন!
ব্রাউজারে খুলুন
⚠️ মনে হচ্ছে আপনি এই ওয়েবসাইটটি ফেসবুক বা অন্য কোনো অ্যাপের ভেতরের ব্রাউজার থেকে খুলেছেন।
ভালোভাবে কাজ করার জন্য দয়া করে এটি আপনার মূল ব্রাউজারে (যেমন Chrome) খুলুন।
👉 উপরে থাকা ⋮ বা ••• বাটনে চাপ দিন → তারপর “Open in Browser” সিলেক্ট করুন।