<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>গুণবাচক</strong>। বিষয়টি একদম সহজ—কোনো ব্যক্তি বা বস্তুর দোষ, গুণ বা স্বভাব বোঝাতে আমরা যে বিশেষণ ব্যবহার করি, তাকেই গুণবাচক বিশেষণ বলে।</p>
<ul>
<li>বাক্যটিতে 'চালাক' শব্দটি দিয়ে ছেলেটির একটি বিশেষ গুণ বা বুদ্ধিমত্তার প্রকাশ পাচ্ছে।</li>
<li>যেহেতু 'চালাক' শব্দটি ছেলেটির একটি চারিত্রিক বৈশিষ্ট্য বা গুণকে নির্দেশ করছে, তাই এটি নিঃসন্দেহে <strong>গুণবাচক বিশেষণ</strong>।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, যখনই কোনো বিশেষ্য পদের ভালো বা মন্দ কোনো বৈশিষ্ট্য প্রকাশ পায়, তখনই তা গুণবাচক বিশেষণের আওতায় পড়ে।</p>
৯৫৭২
ধাতু কিংবা প্রাতিপদিকের সঙ্গে যুক্ত হলে প্রত্যয়ের যে অংশ লোপ হয় , তাকে কি বলে ?
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>ইৎ</strong>। ব্যাকরণের ভাষায় এটি খুব সহজ একটি বিষয়। যখন কোনো প্রত্যয় মূল শব্দের সাথে যুক্ত হয়, তখন সেই প্রত্যয়ের কোনো কোনো বর্ণ বা অংশ উচ্চারিত হয় না বা লোপ পায়। এই লোপ পাওয়া অংশটিকেই বলা হয় <strong>ইৎ</strong>।</p>
<ul>
<li>সহজ কথায়, প্রত্যয়ের যে অংশটি শব্দ গঠনের সময় বাদ পড়ে যায় বা অদৃশ্য হয়ে যায়, তাকেই ব্যাকরণবিদরা <strong>ইৎ</strong> হিসেবে চিহ্নিত করেছেন।</li>
<li>এটি মূলত একটি পরিভাষাগত নাম, যা প্রত্যয় প্রক্রিয়ার সময় বর্ণ লোপের নিয়মকে নির্দেশ করে।</li>
</ul>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>ফারসি</strong>। আমাদের দৈনন্দিন জীবনে ব্যবহৃত অনেক শব্দই ফারসি ভাষা থেকে এসেছে, যার মধ্যে 'চশমা' একটি অন্যতম জনপ্রিয় শব্দ।</p>
<p>সহজভাবে মনে রাখার জন্য নিচের পয়েন্টগুলো খেয়াল করুন:</p>
<ul>
<li>'চশমা' শব্দটি মূলত ফারসি শব্দ <strong>'চশম'</strong> (যার অর্থ চোখ) থেকে এসেছে।</li>
<li>বাংলা ভাষায় ব্যবহৃত অনেক পোশাক, পেশা এবং নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসের নাম ফারসি ভাষা থেকে সরাসরি গৃহীত হয়েছে, যার একটি হলো চশমা।</li>
</ul>
<p>তাই পরীক্ষার জন্য এই শব্দটি ফারসি হিসেবে মনে রাখলে খুব সহজেই উত্তর করতে পারবেন।</p>
<p>‘দারোগা’ শব্দটি একটি <strong>তুর্কি</strong> ভাষার শব্দ। বাংলা ভাষায় এমন কিছু শব্দ আছে যা আমরা প্রতিদিন ব্যবহার করি কিন্তু সেগুলো মূলত তুর্কি ভাষা থেকে এসেছে। মনে রাখার সুবিধার্থে কিছু জনপ্রিয় তুর্কি শব্দের তালিকা নিচে দেওয়া হলো:</p>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>ফারসি</strong>। ‘তারিখ’ শব্দটি মূলত ফারসি ভাষা থেকে বাংলা ভাষায় এসেছে।</p>
<p>সহজভাবে মনে রাখার উপায়:</p>
<ul>
<li>বাংলা ভাষায় ব্যবহৃত অনেক শব্দই ফারসি থেকে এসেছে, যার মধ্যে সময় বা দিনপঞ্জি সংক্রান্ত শব্দগুলো অন্যতম।</li>
<li>‘তারিখ’ শব্দটি ফারসি শব্দ 'তারীখ' (Tarikh) থেকে উদ্ভূত, যা বাংলা ভাষায় একইভাবে ব্যবহৃত হয়ে আসছে।</li>
<li>পরীক্ষায় মনে রাখার জন্য এটি একটি সাধারণ শব্দভাণ্ডারের অংশ হিসেবে ধরে নিতে পারেন।</li>
</ul>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>তুর্কি</strong>। বাংলা ভাষায় ব্যবহৃত অনেক শব্দই বিদেশি ভাষা থেকে এসেছে, যার মধ্যে ‘দারোগা’ একটি অন্যতম শব্দ।</p>
<p>বিষয়টি মনে রাখার জন্য একটি সহজ কৌশল অনুসরণ করতে পারেন:</p>
<ul>
<li>বাংলায় ব্যবহৃত তুর্কি শব্দগুলো মনে রাখার জন্য একটি ছোট তালিকা মাথায় রাখা ভালো। যেমন: <strong>দারোগা</strong>, চাকর, বাবুর্চি, বেগম, তোপ, এবং বারুদ।</li>
<li>এই শব্দগুলো আমাদের দৈনন্দিন জীবনে এতটাই মিশে গেছে যে আমরা অনেক সময় এগুলোকে খাঁটি বাংলা শব্দ মনে করি, কিন্তু আসলে এগুলোর উৎস হলো তুর্কি ভাষা।</li>
</ul>
<p>তাই পরীক্ষার খাতায় ‘দারোগা’ শব্দটি দেখলেই চোখ বন্ধ করে তুর্কি ভাষা দাগিয়ে দেবেন!</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>গুজব</strong>। বিষয়টি খুব সহজ, কারণ বাকি শব্দগুলোর অর্থ প্রায় একই রকম।</p>
<ul>
<li><strong>সন্দেশ</strong>, <strong>সংবাদ</strong> এবং <strong>বার্তা</strong>—এই তিনটি শব্দই কোনো নির্দিষ্ট তথ্য বা খবরের আদান-প্রদানকে বোঝায়।</li>
<li>অন্যদিকে, <strong>গুজব</strong> হলো এমন একটি কথা যার কোনো সত্যতা বা ভিত্তি নেই। এটি ভিত্তিহীন বা বানোয়াট তথ্য, তাই এটি অন্য শব্দগুলোর সাথে অর্থের দিক থেকে মেলে না।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, প্রথম তিনটি শব্দ সত্য সংবাদের সাথে যুক্ত, আর গুজব হলো মিথ্যা বা ভিত্তিহীন প্রচার।</p>
<p>সহজ কথায়, ‘গীতা’ শব্দের শেষের ‘আ’ ধ্বনি এবং ‘অঞ্জলি’ শব্দের শুরুর ‘অ’ ধ্বনি মিলে দীর্ঘ ‘আ’ ধ্বনি তৈরি করেছে, যা মূল শব্দের সাথে মিলে গিয়ে ‘গীতাঞ্জলি’ গঠন করেছে।</p>
৯৫৮০
'ইউসুফ-জুলেখা' কাব্যে কোন ধর্মগ্রন্থের নৈতিক উপাখ্যান বিধৃত হয়েছে?
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>কুরআন ও বাইবেল</strong>। বিষয়টি আসলে বেশ সহজ। ‘ইউসুফ-জুলেখা’ কাব্যটি মূলত হযরত ইউসুফ (আ.)-এর জীবনের সেই বিখ্যাত ও শিক্ষণীয় ঘটনার ওপর ভিত্তি করে রচিত, যা পবিত্র কুরআন এবং বাইবেল—উভয় ধর্মগ্রন্থেই অত্যন্ত গুরুত্বের সাথে বর্ণিত হয়েছে।</p>
<ul>
<li><strong>কুরআন:</strong> কুরআনের ১২ নম্বর সূরাটি সম্পূর্ণভাবে হযরত ইউসুফ (আ.)-এর জীবনকাহিনী নিয়ে নাযিল হয়েছে, যাকে 'আহসানুল কাসাস' বা উত্তম কাহিনী বলা হয়।</li>
<li><strong>বাইবেল:</strong> বাইবেলের ওল্ড টেস্টামেন্টের 'জেনেসিস' (Genesis) অধ্যায়েও ইউসুফ (আ.)-এর জীবনের এই নৈতিক উপাখ্যানটি বিস্তারিতভাবে পাওয়া যায়।</li>
</ul>
<p>মূলত এই দুই ধর্মগ্রন্থের বর্ণনার সমন্বয়েই মধ্যযুগের কবিরা বাংলা সাহিত্যে ‘ইউসুফ-জুলেখা’ কাব্যধারাটি সমৃদ্ধ করেছেন। তাই এই কাব্যের মূল উৎস হিসেবে কুরআন ও বাইবেল উভয়কেই বিবেচনা করা হয়।</p>
<p>বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসে জীবনী সাহিত্যের ধারাটি মূলত শ্রীচৈতন্যের জীবনকে কেন্দ্র করেই গড়ে উঠেছে। তাই বাংলা ভাষার প্রথম জীবনী সাহিত্য হিসেবে <strong>শ্রীচৈতন্যদেবকে</strong> নিয়ে রচিত কাব্যগুলোকেই গণ্য করা হয়।</p>
<ul>
<li><strong>শ্রীচৈতন্যভাগবত</strong> এবং <strong>শ্রীচৈতন্যচরিতামৃত</strong> হলো এই ধারার সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য নিদর্শন।</li>
<li>মধ্যযুগে কোনো ব্যক্তির জীবনকে উপজীব্য করে কাব্য রচনার যে ধারা শুরু হয়েছিল, তার পথিকৃৎ হলো এই চৈতনী জীবনী কাব্যগুলো।</li>
<li>সহজ কথায়, শ্রীচৈতন্যের অলৌকিক জীবন ও ভক্তিবাদের প্রচারই বাংলা জীবনী সাহিত্যের ভিত্তি স্থাপন করেছে।</li>
</ul>
৯৫৮২
হিন্দুধর্মের পবিত্র ধর্মগ্রন্থ ‘ভাগবৎ’ বাংলায় অনুবাদ করেন কে?
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>মালাধর বসু</strong>। বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ, কারণ বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসে তিনি একজন অগ্রগণ্য অনুবাদক হিসেবে পরিচিত।</p>
<ul>
<li><strong>শ্রীকৃষ্ণবিজয়:</strong> মালাধর বসু সুলতান রুকনুদ্দিন বারবক শাহের আদেশে ভাগবতের দশম ও একাদশ স্কন্ধের ভাবানুবাদ করেন, যা 'শ্রীকৃষ্ণবিজয়' নামে পরিচিত।</li>
<li><strong>ঐতিহাসিক গুরুত্ব:</strong> এটি বাংলা ভাষায় রচিত প্রথম সপ্রমাণিত কাব্যগ্রন্থ, যার রচনাকাল আনুমানিক ১৪৭৩ থেকে ১৪৮০ খ্রিস্টাব্দের মধ্যে।</li>
<li><strong>সহজ মনে রাখার উপায়:</strong> ভাগবতের মূল কাহিনীকে বাংলায় সহজভাবে সাধারণ মানুষের কাছে পৌঁছে দেওয়ার কৃতিত্ব মূলত মালাধর বসুরই।</li>
</ul>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>রত্নি</strong>। বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ, কারণ আমাদের শরীরের অঙ্গপ্রত্যঙ্গের পরিমাপের জন্য প্রাচীনকাল থেকেই কিছু নির্দিষ্ট পরিভাষা ব্যবহৃত হয়ে আসছে।</p>
<ul>
<li>কনুই থেকে কব্জি পর্যন্ত হাতের অংশটুকুকে পরিমাপের একক হিসেবে <strong>রত্নি</strong> বলা হয়।</li>
<li>এটি মূলত প্রাচীন পরিমাপ পদ্ধতির একটি অংশ, যা হাত দিয়ে কোনো কিছুর দৈর্ঘ্য মাপার সময় ব্যবহৃত হতো।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, কনুই থেকে আঙুলের ডগা বা কব্জি পর্যন্ত এই নির্দিষ্ট দৈর্ঘ্যটিই হলো <strong>রত্নি</strong>।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>অবনী</strong>। কারণটি বেশ সহজ:</p>
<ul>
<li>‘পর্বত’ শব্দের সমার্থক শব্দগুলো হলো অচল, পাহাড়, গিরি, শৈল, ভূধর ইত্যাদি। এগুলো সবই পাহাড় বা পর্বতকে বোঝায়।</li>
<li>অন্যদিকে, <strong>অবনী</strong> শব্দের অর্থ হলো পৃথিবী বা বসুন্ধরা।</li>
<li>যেহেতু অবনী দিয়ে পৃথিবীকে বোঝানো হয়, তাই এটি কোনোভাবেই পর্বত শব্দের সমার্থক হতে পারে না।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, অচল, পাহাড় বা গিরি হলো পাহাড়ের নাম, আর অবনী হলো পৃথিবীর নাম। তাই অবনীই এখানে সঠিক উত্তর।</p>
৯৫৮৫
শাহ মুহম্মদ সগীর ‘ইউসুফ জোলেখা’ রচনা করেন কার শাসনামলে?
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>গিয়াসউদ্দিন আজম শাহ</strong>। বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ:</p>
<ul>
<li>মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যের অন্যতম শ্রেষ্ঠ নিদর্শন 'ইউসুফ জোলেখা' কাব্যটি কবি <strong>শাহ মুহম্মদ সগীর</strong> রচনা করেন।</li>
<li>কবি তাঁর কাব্যে তৎকালীন সুলতান <strong>গিয়াসউদ্দিন আজম শাহ</strong>-এর ভূয়সী প্রশংসা করেছেন।</li>
<li>ঐতিহাসিকদের মতে, সুলতানের রাজত্বকাল ছিল বাংলা সাহিত্যের পৃষ্ঠপোষকতার জন্য এক স্বর্ণযুগ, আর সেই সুবাদেই কবি এই কাব্যটি তাঁর শাসনামলে সম্পন্ন করেন।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, সুলতানের উদার পৃষ্ঠপোষকতা ও সাহিত্যপ্রেমের কারণেই শাহ মুহম্মদ সগীর এই অমর কাব্যটি রচনা করার প্রেরণা পেয়েছিলেন।</p>
MCQ পরীক্ষা সেটিংস
বাংলা
eProstuti
সহজ ও দ্রুত ক্লাস করতে অ্যাপটি ইনস্টল করুন
iPhone / iPad এ ইনস্টল করুন
eProstuti
১Safari ব্রাউজারের নিচে থাকা Share ( ) বাটনে চাপ দিন।
২নিচের দিকে স্ক্রোল করে 'Add to Home Screen' ( ) নির্বাচন করুন।
৩উপরে ডানে থাকা 'Add' বাটনে ট্যাপ করুন।
Android এ অ্যাপ ইনস্টল করুন
eProstuti
১Chrome ব্রাউজারের উপরে ডানে থাকা থ্রি-ডট ( ) মেনু চাপুন।
২তালিকায় 'Install app' বা 'Add to Home screen' ( ) এ ট্যাপ করুন।
ডাউনলোড সম্পন্ন হলে ফাইলটি ওপেন করে Install চাপুন।
যদি "Install unknown apps" বা "Unknown sources" অনুমতি চায়, তাহলে সেটি Allow করে আবার ইনস্টল করুন।
ইনস্টল শেষ হলে অ্যাপটি খুলে আপনার অ্যাকাউন্টে লগইন করুন।
অ্যাপের সুবিধা:
সকল লাইভ ক্লাস
রেকর্ডেড ক্লাস
অনলাইন পরীক্ষা
ই-বুক ও নোটিশ
সবকিছু এক জায়গা থেকেই সহজে ব্যবহার করুন!
ব্রাউজারে খুলুন
⚠️ মনে হচ্ছে আপনি এই ওয়েবসাইটটি ফেসবুক বা অন্য কোনো অ্যাপের ভেতরের ব্রাউজার থেকে খুলেছেন।
ভালোভাবে কাজ করার জন্য দয়া করে এটি আপনার মূল ব্রাউজারে (যেমন Chrome) খুলুন।
👉 উপরে থাকা ⋮ বা ••• বাটনে চাপ দিন → তারপর “Open in Browser” সিলেক্ট করুন।