<p>‘প্রতীক্ষা’ শব্দের সঠিক সন্ধি বিচ্ছেদ হলো <strong>প্রতি + ঈক্ষা</strong>। বিষয়টি খুব সহজভাবে মনে রাখার জন্য নিচের নিয়মটি খেয়াল করুন:</p>
<ul>
<li>সন্ধির নিয়মানুসারে, ‘ই’ বা ‘ঈ’ কারের পর যদি ‘ই’ বা ‘ঈ’ থাকে, তবে উভয় মিলে দীর্ঘ ‘ঈ’ (ঈ) হয়।</li>
<li>এখানে, <strong>প্রতি</strong> শব্দের শেষে থাকা ‘ই’ এবং <strong>ঈক্ষা</strong> শব্দের শুরুতে থাকা ‘ঈ’ মিলে দীর্ঘ ‘ঈ’ তৈরি করেছে।</li>
<li>অর্থাৎ: $ই + ঈ = ঈ$।</li>
</ul>
<p>তাই সন্ধি করার সময় ‘ঈক্ষা’ বানানে অবশ্যই দীর্ঘ ‘ঈ’ ব্যবহার করতে হয়, কারণ এটি একটি শুদ্ধ শব্দ। এই ছোট ট্রিকটি মনে রাখলে যেকোনো সন্ধি বিচ্ছেদ খুব সহজেই সমাধান করা সম্ভব!</p>
<p>‘ব্যাঙের সর্দি’ বাগধারাটির সঠিক অর্থ হলো <strong>অসম্ভব ঘটনা</strong>।</p>
<p>বিষয়টা খুব সহজভাবে চিন্তা করো:</p>
<ul>
<li>বাস্তবে ব্যাঙের সর্দি লাগা কোনোভাবেই সম্ভব নয়।</li>
<li>যে ঘটনা ঘটার কোনো সম্ভাবনা নেই বা যা একেবারেই অবাস্তব, তাকেই আমরা ব্যঙ্গ করে ‘ব্যাঙের সর্দি’ বলে থাকি।</li>
<li>তাই যখনই কোনো অসম্ভব বা অলীক বিষয় বোঝাতে হয়, তখন এই বাগধারাটি ব্যবহার করা হয়।</li>
</ul>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>আগাছা</strong>। বিষয়টি খুব সহজ, কারণ এখানে 'আ' একটি খাঁটি বাংলা উপসর্গ।</p>
<p>সহজভাবে মনে রাখার উপায়:</p>
<ul>
<li>বাংলা উপসর্গগুলো সাধারণত শব্দের শুরুতে বসে নতুন অর্থ তৈরি করে।</li>
<li>এখানে 'গাছা' মূল শব্দের আগে 'আ' যুক্ত হয়ে 'আগাছা' শব্দটি গঠিত হয়েছে।</li>
<li>'আ' হলো বাংলা ব্যাকরণের একটি পরিচিত উপসর্গ, যা অভাব বা বক্রতা বোঝাতে ব্যবহৃত হয়।</li>
</ul>
<p>অন্যান্য অপশনগুলোতে সংস্কৃত উপসর্গ ব্যবহৃত হয়েছে, তাই সেগুলো বাংলা উপসর্গের অন্তর্ভুক্ত নয়।</p>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>প্র + ছদ</strong>। এটি ব্যঞ্জনসন্ধির একটি চমৎকার নিয়ম। বিষয়টি খুব সহজে মনে রাখা যায়:</p>
<ul>
<li>বাংলা ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী, স্বরবর্ণের পর যদি <strong>'ছ'</strong> থাকে, তবে সেই <strong>'ছ'</strong>-এর আগে একটি <strong>'চ'</strong> যুক্ত হয়ে যায়।</li>
<li>এখানে <strong>প্র</strong> শব্দের শেষে একটি অ-কার আছে, আর তার সাথে যুক্ত হয়েছে <strong>ছদ</strong>।</li>
<li>নিয়ম মেনে <strong>ছ</strong>-এর আগে একটি <strong>চ</strong> চলে আসায় শব্দটি হয়ে গেছে <strong>প্রচ্ছদ</strong>।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, <strong>প্র + ছদ = প্রচ্ছদ</strong>। এই একই নিয়মে <strong>আ + ছাদন = আচ্ছাদন</strong> বা <strong>বি + ছেদ = বিচ্ছেদ</strong> শব্দগুলোও তৈরি হয়।</p>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>প্রজ্জলিত</strong>। বিষয়টি খুব সহজ, একটু খেয়াল করলেই বুঝতে পারবেন:</p>
<ul>
<li>‘অগ্নি’ বা আগুনের সমার্থক শব্দগুলো সাধারণত আগুনকে সরাসরি নির্দেশ করে, যেমন: পাবক, বৈশ্বানর বা সর্বশুচি।</li>
<li>অন্যদিকে, <strong>প্রজ্জলিত</strong> শব্দটি কোনো বিশেষ্য নয়, এটি একটি বিশেষণ বা অবস্থা বোঝায়। এর অর্থ হলো যা ‘জ্বলছে’ বা ‘জ্বলন্ত’।</li>
<li>সহজ কথায়, আগুন একটি বস্তু বা সত্তা, আর প্রজ্জলিত হলো আগুনের একটি অবস্থা। তাই এটি আগুনের সমার্থক শব্দ হিসেবে গণ্য হয় না।</li>
</ul>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>সংক্ষিপ্ত করা</strong>। ইংরেজি শব্দ <strong>Curtail</strong> এর আভিধানিক অর্থ হলো কোনো কিছু কমিয়ে ফেলা বা কাটছাঁট করা।</p>
<p>সহজভাবে মনে রাখার জন্য নিচের বিষয়গুলো খেয়াল করুন:</p>
<ul>
<li><strong>Curtail</strong> শব্দটি মূলত কোনো কাজ বা সময়সীমা কমিয়ে ফেলার ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয়।</li>
<li>যেমন, কোনো লম্বা মিটিং বা খরচ কমিয়ে ফেলাকে ইংরেজিতে বলা হয় <strong>to curtail expenses</strong> বা <strong>to curtail a meeting</strong>।</li>
<li>তাই এর অর্থ দাঁড়ায় কোনো কিছুকে আগের চেয়ে ছোট বা সংক্ষিপ্ত করে ফেলা।</li>
</ul>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>জ্ঞাপনপত্র</strong>। কোনো বিশেষ তথ্য, ঘোষণা বা বার্তা খুব দ্রুত ও আনুষ্ঠানিকভাবে মানুষের কাছে পৌঁছে দেওয়ার জন্য বা জানানোর জন্য 'Hand out' শব্দটির পরিভাষা হিসেবে <strong>জ্ঞাপনপত্র</strong> ব্যবহার করা হয়। বিষয়টি মনে রাখার সহজ উপায় হলো, এটি মূলত কোনো কিছু "জ্ঞাপন" বা প্রকাশ করার কাজে ব্যবহৃত হয়।</p>
<p>‘অতিশয়’ বা আধিক্য বোঝাতে ‘পরা’ উপসর্গটি ব্যবহৃত হয়। এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>পরাবাস্তবে-পরা</strong>, কারণ বিষয়টি খুব সহজ:</p>
<ul>
<li>‘পরা’ উপসর্গটি সাধারণত বিপরীত বা আধিক্য বোঝাতে ব্যবহৃত হয়।</li>
<li>‘পরাবাস্তব’ শব্দটি বিশ্লেষণ করলে পাওয়া যায়: পরা + বাস্তব।</li>
<li>এখানে ‘পরা’ উপসর্গটি ‘বাস্তব’ শব্দের সাথে যুক্ত হয়ে সাধারণ বাস্তবতার চেয়েও বেশি বা অতিশয় কিছু বোঝাতে ব্যবহৃত হয়েছে।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, যখন কোনো কিছু স্বাভাবিকের চেয়ে বেশি বা অতিশয় মাত্রায় বোঝানো হয়, তখন সেখানে ‘পরা’ উপসর্গটি চমৎকারভাবে কাজ করে।</p>
<p>‘প্রবীণ’ শব্দটির বুৎপত্তিগত বা শাব্দিক অর্থ হলো <strong>প্রকৃষ্টরূপে বীণা বাজাতে পারেন যিনি</strong>। বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ:</p>
<ul>
<li>এখানে ‘প্র’ উপসর্গটি ‘প্রকৃষ্ট’ বা ‘উৎকৃষ্ট’ অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে।</li>
<li>‘বীণ’ শব্দটি এসেছে ‘বীণা’ থেকে।</li>
<li>অর্থাৎ, যিনি বীণা বাদনে অত্যন্ত দক্ষ বা পারদর্শী, তাকেই ব্যাকরণগতভাবে ‘প্রবীণ’ বলা হয়।</li>
</ul>
<p>যদিও বর্তমানে আমরা ‘প্রবীণ’ বলতে বয়োজ্যেষ্ঠ বা অভিজ্ঞ ব্যক্তিকে বুঝি, কিন্তু বুৎপত্তিগত দিক থেকে এর মূল অর্থটি সংগীত বা বীণা বাদনের দক্ষতার সাথেই যুক্ত।</p>
MCQ পরীক্ষা সেটিংস
বাংলা
eProstuti
সহজ ও দ্রুত ক্লাস করতে অ্যাপটি ইনস্টল করুন
iPhone / iPad এ ইনস্টল করুন
eProstuti
১Safari ব্রাউজারের নিচে থাকা Share ( ) বাটনে চাপ দিন।
২নিচের দিকে স্ক্রোল করে 'Add to Home Screen' ( ) নির্বাচন করুন।
৩উপরে ডানে থাকা 'Add' বাটনে ট্যাপ করুন।
Android এ অ্যাপ ইনস্টল করুন
eProstuti
১Chrome ব্রাউজারের উপরে ডানে থাকা থ্রি-ডট ( ) মেনু চাপুন।
২তালিকায় 'Install app' বা 'Add to Home screen' ( ) এ ট্যাপ করুন।
ডাউনলোড সম্পন্ন হলে ফাইলটি ওপেন করে Install চাপুন।
যদি "Install unknown apps" বা "Unknown sources" অনুমতি চায়, তাহলে সেটি Allow করে আবার ইনস্টল করুন।
ইনস্টল শেষ হলে অ্যাপটি খুলে আপনার অ্যাকাউন্টে লগইন করুন।
অ্যাপের সুবিধা:
সকল লাইভ ক্লাস
রেকর্ডেড ক্লাস
অনলাইন পরীক্ষা
ই-বুক ও নোটিশ
সবকিছু এক জায়গা থেকেই সহজে ব্যবহার করুন!
ব্রাউজারে খুলুন
⚠️ মনে হচ্ছে আপনি এই ওয়েবসাইটটি ফেসবুক বা অন্য কোনো অ্যাপের ভেতরের ব্রাউজার থেকে খুলেছেন।
ভালোভাবে কাজ করার জন্য দয়া করে এটি আপনার মূল ব্রাউজারে (যেমন Chrome) খুলুন।
👉 উপরে থাকা ⋮ বা ••• বাটনে চাপ দিন → তারপর “Open in Browser” সিলেক্ট করুন।