<p>সঠিক উত্তর হলো: <strong>লেখাপড়া কর তাহলে গাড়িঘোড়ায় চড়তে পারবে</strong>।</p>
<p>বাক্য রূপান্তরের ক্ষেত্রে জটিল বাক্যের প্রধান বৈশিষ্ট্য হলো এখানে সাপেক্ষ সর্বনাম বা অব্যয়ের ব্যবহার থাকে। জটিল বাক্য চেনার সহজ কিছু উপায় নিচে দেওয়া হলো:</p>
<ul>
<li>জটিল বাক্যে সাধারণত 'যদি... তবে', 'যে... সে', 'যেই... সেই'—এই ধরনের জোড়া শব্দ ব্যবহৃত হয়।</li>
<li>এখানে 'লেখাপড়া কর' (শর্ত) এবং 'গাড়িঘোড়ায় চড়তে পারবে' (ফলাফল)—এই দুটি অংশকে 'তাহলে' অব্যয় দিয়ে যুক্ত করা হয়েছে, যা একটি শর্তাধীন জটিল বাক্য গঠন করেছে।</li>
<li>সহজ কথায়, যখন একটি খণ্ডবাক্য অন্যটির ওপর নির্ভরশীল হয়, তখনই সেটি জটিল বাক্য হয়ে যায়।</li>
</ul>
৯৬০২
'এক সাগর রক্তের বিনিময়ে বাংলার স্বাধীনতা আনল যারা'- এর গীতিকার কে?
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>নজরুল ইসলাম বাবু</strong>।</p>
<p>গানটি সম্পর্কে মনে রাখার সহজ কৌশল:</p>
<ul>
<li>এই কালজয়ী দেশাত্মবোধক গানটি ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধের প্রেক্ষাপটে রচিত।</li>
<li>গানটির গীতিকার হিসেবে <strong>নজরুল ইসলাম বাবু</strong> অত্যন্ত জনপ্রিয় এবং শ্রদ্ধেয় একজন ব্যক্তিত্ব।</li>
<li>গানটির সুরকার ছিলেন আপেল মাহমুদ।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রামের ইতিহাসের সাথে মিশে থাকা এই অমর সৃষ্টির গীতিকার হিসেবে নজরুল ইসলাম বাবুর নামই সবার আগে আসে।</p>
<p>‘সালাম সালাম হাজার সালাম’ গানটির গীতিকার হলেন <strong>গোবিন্দ হালদার</strong>। এটি বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রামের সময়কার অত্যন্ত জনপ্রিয় একটি দেশাত্মবোধক গান।</p>
<p>সহজভাবে মনে রাখার জন্য কিছু তথ্য:</p>
<ul>
<li>এই কালজয়ী গানটির সুরকার ও শিল্পী ছিলেন <strong>আব্দুল জব্বার</strong>।</li>
<li>গানটি ১৯৭১ সালে স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্র থেকে প্রচারিত হয়ে মুক্তিযোদ্ধাদের দারুণভাবে অনুপ্রাণিত করেছিল।</li>
<li>গীতিকার গোবিন্দ হালদার এই গানটি ছাড়াও আরও অনেক জনপ্রিয় দেশাত্মবোধক গানের রচয়িতা হিসেবে পরিচিত।</li>
</ul>
<p>‘অনিল’ শব্দের সঠিক অর্থ হলো <strong>বাতাস</strong>। বাংলা সাহিত্যে বা ব্যাকরণে সমার্থক শব্দ মনে রাখার জন্য একটি সহজ কৌশল হলো শব্দটির উৎস খেয়াল করা।</p>
<ul>
<li>‘অনিল’ শব্দটি মূলত সংস্কৃত থেকে এসেছে, যার আভিধানিক অর্থ হলো বায়ু বা বাতাস।</li>
<li>অনেক সময় আমরা ‘অনল’ (আগুন) এবং ‘অনিল’ (বাতাস) শব্দ দুটির মধ্যে গুলিয়ে ফেলি। এটি মনে রাখার সহজ উপায় হলো: <strong>অনল</strong> মানে আগুন, আর <strong>অনিল</strong> মানে বাতাস।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, যেখানেই ‘অনিল’ শব্দটি দেখবেন, চোখ বন্ধ করে ধরে নেবেন এটি বাতাসের কথা বলছে।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>নীরব</strong>। বিষয়টি খুব সহজ, কারণ ‘নিঝুম’ শব্দটি মূলত কোনো স্থানের গভীর নিস্তব্ধতা বা শান্ত পরিবেশ বোঝাতে ব্যবহার করা হয়।</p>
<ul>
<li>যখন চারপাশ একদম শান্ত থাকে এবং কোনো শব্দ শোনা যায় না, তখন আমরা সেই অবস্থাকে ‘নিঝুম’ বলি।</li>
<li>সহজ কথায়, নিঝুম মানেই হলো যেখানে কোনো কোলাহল নেই, অর্থাৎ একদম <strong>নীরব</strong>।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, 'তনু' শব্দের আভিধানিক অর্থ হলো শরীর বা দেহ। বাংলা ভাষায় শরীরের সমার্থক শব্দ হিসেবে 'গা' শব্দটি বহুল ব্যবহৃত হয়। যেমন—আমরা প্রায়ই বলি 'গায়ে জ্বর' বা 'গা ম্যাজম্যাজ করা', যেখানে 'গা' সরাসরি শরীর বা তনুকে নির্দেশ করে। তাই অন্য কোনো জটিলতায় না গিয়ে সরাসরি 'গা' শব্দটিকে তনুর প্রতিশব্দ হিসেবে মনে রাখা সবচেয়ে সহজ।</p>
৯৬০৮
অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্তের 'প্রথম কদমফুল' কোন জাতীয় রচনা?
<p>অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্তের <strong>'প্রথম কদমফুল'</strong> হলো একটি জনপ্রিয় <strong>উপন্যাস</strong>। সাহিত্যিক হিসেবে তিনি তাঁর গদ্যশৈলী এবং বর্ণনার জন্য বিশেষভাবে পরিচিত। এই বইটি তাঁর সৃজনশীল গদ্য রচনার একটি চমৎকার উদাহরণ, যা বাংলা সাহিত্যের পাঠক মহলে উপন্যাস হিসেবেই সুপ্রতিষ্ঠিত।</p>
<ul>
<li><strong>লেখক:</strong> অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত।</li>
<li><strong>ধরন:</strong> উপন্যাস।</li>
<li><strong>বৈশিষ্ট্য:</strong> লেখকের নিজস্ব সাবলীল ভাষা ও জীবনবোধের প্রতিফলন এই উপন্যাসের মূল ভিত্তি।</li>
</ul>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>গর্দভ</strong>। বিষয়টি খুব সহজ, কারণ ‘গর্দভ’ শব্দের অর্থ হলো গাধা, যা ঘোড়ার সমার্থক শব্দ নয়।</p>
<p>সহজভাবে মনে রাখার উপায়:</p>
<ul>
<li><strong>অশ্ব</strong>, <strong>ঘোটক</strong> এবং <strong>তুরগ</strong>—এই শব্দগুলো সরাসরি ঘোড়াকে বোঝায়।</li>
<li>অন্যদিকে, <strong>গর্দভ</strong> শব্দটি দিয়ে গাধাকে বোঝানো হয়, তাই এটি ঘোড়ার সমার্থক শব্দ হওয়ার কোনো সুযোগ নেই।</li>
</ul>
<p>'প্রতিবাদ' শব্দটির সঠিক ব্যাসবাক্য হলো <strong>প্রতি যে বাদ</strong>। এটি একটি প্রাদি সমাসবদ্ধ পদ।</p>
<p>সহজভাবে মনে রাখার উপায়:</p>
<ul>
<li>বাংলা ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী, যখন কোনো শব্দের শুরুতে 'প্রতি' উপসর্গ থাকে এবং তা কোনো কিছুর বিপরীতে বা বিপক্ষে অর্থ প্রকাশ করে, তখন ব্যাসবাক্য করার সময় 'যে' অব্যয়টি যোগ করতে হয়।</li>
<li>এখানে 'বাদ' বা মতের বিপরীতে অবস্থান বোঝাতে 'প্রতি' উপসর্গটি ব্যবহৃত হয়েছে, তাই এর ব্যাসবাক্য হবে <strong>প্রতি যে বাদ</strong>।</li>
</ul>
৯৬১১
অপমান ও অপবাদ শব্দ দুটি 'অপ' উপসর্গটি কোন অর্থে ব্যবহৃত ?
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>বিপরীত</strong>। বিষয়টি খুব সহজভাবে মনে রাখা যায়:</p>
<ul>
<li>বাংলা ব্যাকরণে 'অপ' উপসর্গটি যখন কোনো শব্দের আগে বসে, তখন সেটি অনেক সময় মূল শব্দের বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে।</li>
<li>যেমন, 'মান' শব্দের অর্থ সম্মান, কিন্তু তার আগে 'অপ' যুক্ত হয়ে সেটি হয়ে যায় 'অপমান', যা সম্মানের ঠিক বিপরীত।</li>
<li>একইভাবে, 'বাদ' বা কোনো কিছুর প্রচারের বিপরীতে 'অপবাদ' শব্দটি নেতিবাচক বা বিপরীত অর্থ বহন করে।</li>
</ul>
<p>তাই মনে রাখার সহজ কৌশল হলো, যখনই কোনো শব্দের সাথে 'অপ' যুক্ত হয়ে তার মূল অর্থের উল্টো কিছু বোঝাবে, তখনই সেটি <strong>বিপরীত</strong> অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে বলে ধরে নিতে হবে।</p>
<p>‘প্রত্যাবর্তন’ শব্দটির সন্ধি-বিচ্ছেদ হলো <strong>প্রতি + আবর্তন</strong>। এটি খুব সহজেই বোঝা যায় যদি আমরা সন্ধির নিয়মটি খেয়াল করি:</p>
<ul>
<li>এখানে ‘প্রতি’ শব্দের শেষে থাকা <strong>ই</strong>-কার এবং ‘আবর্তন’ শব্দের শুরুতে থাকা <strong>আ</strong> মিলে <strong>যা</strong> (য় + আ) তৈরি হয়েছে।</li>
<li>ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী, ই বা ঈ-কারের পর যদি অন্য কোনো স্বরবর্ণ থাকে, তবে ই/ঈ-কার বদলে <strong>য়</strong> হয়ে যায়।</li>
<li>সেই নিয়মেই: <strong>প্রতি + আবর্তন = প্রত্যাবর্তন</strong>।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, শব্দের গঠন বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়, এখানে <strong>ই + আ = য়া</strong> সন্ধিটি কাজ করেছে। তাই সঠিক উত্তরটি হলো <strong>প্রতি + আবর্তন</strong>।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>প্রতি+উষ</strong>। সন্ধি বিচ্ছেদের নিয়মটি খুব সহজ, একটু খেয়াল করলেই বুঝতে পারবেন:</p>
<ul>
<li>সন্ধির নিয়ম অনুযায়ী, ই-কার বা ঈ-কারের সাথে যদি অন্য কোনো স্বরবর্ণ যুক্ত হয়, তবে ই/ঈ পরিবর্তিত হয়ে <strong>য-ফলা</strong> (য) হয়ে যায়।</li>
<li>এখানে <strong>প্রতি</strong> শব্দের শেষে থাকা 'ই' এবং <strong>উষ</strong> শব্দের শুরুতে থাকা 'উ' মিলে সন্ধি হয়েছে।</li>
<li>সূত্রটি হলো: $ই + উ = য + উ = ্যু$।</li>
<li>তাই, প্রতি + উষ মিলে তৈরি হয়েছে <strong>প্রত্যুষ</strong>।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, শব্দের শুরুতে 'প্র' ঠিক রেখে 'তি' অংশটি ভেঙে 'প্রতি' এবং পরের অংশটি 'উষ' হিসেবে আলাদা করলেই সন্ধিটি মিলে যায়।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>দৃষ্টিকোণ</strong>।</p>
<p>শব্দটির ব্যুৎপত্তিগত অর্থ বিশ্লেষণ করলে বিষয়টি খুব সহজে বোঝা যায়:</p>
<ul>
<li>'অপাঙ্গ' শব্দটি মূলত 'অপ' (নিকট বা পার্শ্ব) এবং 'অঙ্গ' (চোখ বা অংশ) এর সমন্বয়ে গঠিত।</li>
<li>সহজ কথায়, চোখের কোণ বা চোখের প্রান্তভাগকে বোঝাতে এই শব্দটি ব্যবহৃত হয়।</li>
<li>বাংলা সাহিত্যে বা ব্যাকরণে যখন কোনো বিষয়ের সূক্ষ্ম বা আড়চোখে দেখার ভঙ্গি বোঝানো হয়, তখন 'অপাঙ্গ' শব্দটিকে <strong>দৃষ্টিকোণ</strong> বা দৃষ্টির বিশেষ ভঙ্গি হিসেবে গণ্য করা হয়।</li>
</ul>
<p>তাই মনে রাখার সহজ উপায় হলো—চোখের কোণ দিয়ে কোনো কিছুর দিকে তাকানো বা বিশেষ কোনো দৃষ্টিভঙ্গিই হলো অপাঙ্গ।</p>
<p>'প্রত্যেক' শব্দটির সঠিক সন্ধি বিচ্ছেদ হলো <strong>প্রতি + এক</strong>। এটি মূলত ই-কারান্ত সন্ধির একটি নিয়ম। বিষয়টি খুব সহজে মনে রাখার জন্য নিচের ধাপগুলো খেয়াল করুন:</p>
<ul>
<li>সন্ধির নিয়মে, শব্দের শুরুতে যদি 'প্রতি' থাকে এবং তার সাথে 'এ' কার যুক্ত কোনো শব্দ যোগ হয়, তবে 'ই' এবং 'এ' মিলে 'য' ফলা (্য) তৈরি করে।</li>
<li>এখানে, <strong>প্রতি</strong> শব্দের শেষে থাকা 'ই' এবং <strong>এক</strong> শব্দের শুরুতে থাকা 'এ' মিলে 'য়ে' বা '্য' কারে পরিণত হয়েছে।</li>
<li>সহজ কথায়: $ই + এ = ্য$।</li>
</ul>
<p>তাই, <strong>প্রতি + এক</strong> যুক্ত হয়ে শব্দটি হয়ে যায় <strong>প্রত্যেক</strong>।</p>
MCQ পরীক্ষা সেটিংস
বাংলা
eProstuti
সহজ ও দ্রুত ক্লাস করতে অ্যাপটি ইনস্টল করুন
iPhone / iPad এ ইনস্টল করুন
eProstuti
১Safari ব্রাউজারের নিচে থাকা Share ( ) বাটনে চাপ দিন।
২নিচের দিকে স্ক্রোল করে 'Add to Home Screen' ( ) নির্বাচন করুন।
৩উপরে ডানে থাকা 'Add' বাটনে ট্যাপ করুন।
Android এ অ্যাপ ইনস্টল করুন
eProstuti
১Chrome ব্রাউজারের উপরে ডানে থাকা থ্রি-ডট ( ) মেনু চাপুন।
২তালিকায় 'Install app' বা 'Add to Home screen' ( ) এ ট্যাপ করুন।
ডাউনলোড সম্পন্ন হলে ফাইলটি ওপেন করে Install চাপুন।
যদি "Install unknown apps" বা "Unknown sources" অনুমতি চায়, তাহলে সেটি Allow করে আবার ইনস্টল করুন।
ইনস্টল শেষ হলে অ্যাপটি খুলে আপনার অ্যাকাউন্টে লগইন করুন।
অ্যাপের সুবিধা:
সকল লাইভ ক্লাস
রেকর্ডেড ক্লাস
অনলাইন পরীক্ষা
ই-বুক ও নোটিশ
সবকিছু এক জায়গা থেকেই সহজে ব্যবহার করুন!
ব্রাউজারে খুলুন
⚠️ মনে হচ্ছে আপনি এই ওয়েবসাইটটি ফেসবুক বা অন্য কোনো অ্যাপের ভেতরের ব্রাউজার থেকে খুলেছেন।
ভালোভাবে কাজ করার জন্য দয়া করে এটি আপনার মূল ব্রাউজারে (যেমন Chrome) খুলুন।
👉 উপরে থাকা ⋮ বা ••• বাটনে চাপ দিন → তারপর “Open in Browser” সিলেক্ট করুন।