eProstuti
স্বাগতম শিক্ষার্থী!

অনলাইন কোর্স ও পরীক্ষায় অংশ নিতে লগইন করুন

লগইন / রেজিস্টার
ওয়েবসাইট মেন্যু
MCQ: ৩৪৫১৮ টি
সকল বিষয়
বাংলা
সঠিক উত্তর বাছাই করে আপনার প্রস্তুতি যাচাই করুন
৯৬০১

‘গাড়ি ঘোড়া চড়লে লেখাপড়া কর’ -এই সরল বাক্যটির জটিল রূপ কোনটি?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
লেখাপড়া কর তাহলে গাড়িঘোড়ায় চড়তে পারবে
ব্যাখ্যা:
<p>সঠিক উত্তর হলো: <strong>লেখাপড়া কর তাহলে গাড়িঘোড়ায় চড়তে পারবে</strong>।</p>

<p>বাক্য রূপান্তরের ক্ষেত্রে জটিল বাক্যের প্রধান বৈশিষ্ট্য হলো এখানে সাপেক্ষ সর্বনাম বা অব্যয়ের ব্যবহার থাকে। জটিল বাক্য চেনার সহজ কিছু উপায় নিচে দেওয়া হলো:</p>

<ul>
<li>জটিল বাক্যে সাধারণত 'যদি... তবে', 'যে... সে', 'যেই... সেই'—এই ধরনের জোড়া শব্দ ব্যবহৃত হয়।</li>
<li>এখানে 'লেখাপড়া কর' (শর্ত) এবং 'গাড়িঘোড়ায় চড়তে পারবে' (ফলাফল)—এই দুটি অংশকে 'তাহলে' অব্যয় দিয়ে যুক্ত করা হয়েছে, যা একটি শর্তাধীন জটিল বাক্য গঠন করেছে।</li>
<li>সহজ কথায়, যখন একটি খণ্ডবাক্য অন্যটির ওপর নির্ভরশীল হয়, তখনই সেটি জটিল বাক্য হয়ে যায়।</li>
</ul>
৯৬০২

'এক সাগর রক্তের বিনিময়ে বাংলার স্বাধীনতা আনল যারা'- এর গীতিকার কে?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
নজরুল ইসলাম বাবু
ব্যাখ্যা:
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>নজরুল ইসলাম বাবু</strong>।</p>

<p>গানটি সম্পর্কে মনে রাখার সহজ কৌশল:</p>
<ul>
<li>এই কালজয়ী দেশাত্মবোধক গানটি ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধের প্রেক্ষাপটে রচিত।</li>
<li>গানটির গীতিকার হিসেবে <strong>নজরুল ইসলাম বাবু</strong> অত্যন্ত জনপ্রিয় এবং শ্রদ্ধেয় একজন ব্যক্তিত্ব।</li>
<li>গানটির সুরকার ছিলেন আপেল মাহমুদ।</li>
</ul>

<p>সহজ কথায়, বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রামের ইতিহাসের সাথে মিশে থাকা এই অমর সৃষ্টির গীতিকার হিসেবে নজরুল ইসলাম বাবুর নামই সবার আগে আসে।</p>
৯৬০৩

‘সালাম সালাম হাজার সালাম’-গানটির গীতিকার কে?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
গোবিন্দ হালদার
ব্যাখ্যা:
<p>‘সালাম সালাম হাজার সালাম’ গানটির গীতিকার হলেন <strong>গোবিন্দ হালদার</strong>। এটি বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রামের সময়কার অত্যন্ত জনপ্রিয় একটি দেশাত্মবোধক গান।</p>

<p>সহজভাবে মনে রাখার জন্য কিছু তথ্য:</p>
<ul>
<li>এই কালজয়ী গানটির সুরকার ও শিল্পী ছিলেন <strong>আব্দুল জব্বার</strong>।</li>
<li>গানটি ১৯৭১ সালে স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্র থেকে প্রচারিত হয়ে মুক্তিযোদ্ধাদের দারুণভাবে অনুপ্রাণিত করেছিল।</li>
<li>গীতিকার গোবিন্দ হালদার এই গানটি ছাড়াও আরও অনেক জনপ্রিয় দেশাত্মবোধক গানের রচয়িতা হিসেবে পরিচিত।</li>
</ul>
৯৬০৪

‘অনিল’ শব্দের অর্থ -

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
বাতাস
ব্যাখ্যা:
<p>‘অনিল’ শব্দের সঠিক অর্থ হলো <strong>বাতাস</strong>। বাংলা সাহিত্যে বা ব্যাকরণে সমার্থক শব্দ মনে রাখার জন্য একটি সহজ কৌশল হলো শব্দটির উৎস খেয়াল করা।</p>

<ul>
<li>‘অনিল’ শব্দটি মূলত সংস্কৃত থেকে এসেছে, যার আভিধানিক অর্থ হলো বায়ু বা বাতাস।</li>
<li>অনেক সময় আমরা ‘অনল’ (আগুন) এবং ‘অনিল’ (বাতাস) শব্দ দুটির মধ্যে গুলিয়ে ফেলি। এটি মনে রাখার সহজ উপায় হলো: <strong>অনল</strong> মানে আগুন, আর <strong>অনিল</strong> মানে বাতাস।</li>
</ul>

<p>সহজ কথায়, যেখানেই ‘অনিল’ শব্দটি দেখবেন, চোখ বন্ধ করে ধরে নেবেন এটি বাতাসের কথা বলছে।</p>
৯৬০৫

‘নিঝুম’ শব্দের অর্থ কী?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
নীরব
ব্যাখ্যা:
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>নীরব</strong>। বিষয়টি খুব সহজ, কারণ ‘নিঝুম’ শব্দটি মূলত কোনো স্থানের গভীর নিস্তব্ধতা বা শান্ত পরিবেশ বোঝাতে ব্যবহার করা হয়।</p>

<ul>
<li>যখন চারপাশ একদম শান্ত থাকে এবং কোনো শব্দ শোনা যায় না, তখন আমরা সেই অবস্থাকে ‘নিঝুম’ বলি।</li>
<li>সহজ কথায়, নিঝুম মানেই হলো যেখানে কোনো কোলাহল নেই, অর্থাৎ একদম <strong>নীরব</strong>।</li>
</ul>
৯৬০৬

‘গায়ক’ -এর সন্ধি বিচ্ছেদ কোনটি?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
গৈ + অক
ব্যাখ্যা:
<p>‘গায়ক’ শব্দের সঠিক সন্ধি বিচ্ছেদ হলো <strong>গৈ + অক</strong>। বিষয়টি খুব সহজভাবে মনে রাখার জন্য নিচের নিয়মটি দেখুন:</p>

<ul>
<li>বাংলা ব্যাকরণের অয়াদি সন্ধির নিয়ম অনুযায়ী, এ-কার বা ঐ-কারের পর যদি অন্য কোনো স্বরধ্বনি থাকে, তবে এ-কারের জায়গায় 'অয়' এবং ঐ-কারের জায়গায় 'আয়' হয়।</li>
<li>এখানে 'গায়ক' শব্দটিকে ভাঙলে আমরা পাই: গৈ + অক।</li>
<li>অর্থাৎ, <strong>ঐ + অ = আয়</strong>।</li>
<li>এই নিয়মটি অনুসরণ করলে: গ + (ঐ + অ) + ক = গ + আয় + ক = গায়ক।</li>
</ul>

<p>সহজ কথায়, শব্দের শুরুতে 'আয়' ধ্বনি থাকলে সেখানে সবসময় <strong>ঐ-কার</strong> ব্যবহার করতে হয়। তাই গৈ + অক মিলে গায়ক হয়।</p>
৯৬০৭

তনু বলা হয় কোনটিকে?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
গা
ব্যাখ্যা:
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>গা</strong>।</p>

<p>সহজ কথায়, 'তনু' শব্দের আভিধানিক অর্থ হলো শরীর বা দেহ। বাংলা ভাষায় শরীরের সমার্থক শব্দ হিসেবে 'গা' শব্দটি বহুল ব্যবহৃত হয়। যেমন—আমরা প্রায়ই বলি 'গায়ে জ্বর' বা 'গা ম্যাজম্যাজ করা', যেখানে 'গা' সরাসরি শরীর বা তনুকে নির্দেশ করে। তাই অন্য কোনো জটিলতায় না গিয়ে সরাসরি 'গা' শব্দটিকে তনুর প্রতিশব্দ হিসেবে মনে রাখা সবচেয়ে সহজ।</p>
৯৬০৮

অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্তের 'প্রথম কদমফুল' কোন জাতীয় রচনা?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
উপন্যাস
ব্যাখ্যা:
<p>অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্তের <strong>'প্রথম কদমফুল'</strong> হলো একটি জনপ্রিয় <strong>উপন্যাস</strong>। সাহিত্যিক হিসেবে তিনি তাঁর গদ্যশৈলী এবং বর্ণনার জন্য বিশেষভাবে পরিচিত। এই বইটি তাঁর সৃজনশীল গদ্য রচনার একটি চমৎকার উদাহরণ, যা বাংলা সাহিত্যের পাঠক মহলে উপন্যাস হিসেবেই সুপ্রতিষ্ঠিত।</p>

<ul>
<li><strong>লেখক:</strong> অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত।</li>
<li><strong>ধরন:</strong> উপন্যাস।</li>
<li><strong>বৈশিষ্ট্য:</strong> লেখকের নিজস্ব সাবলীল ভাষা ও জীবনবোধের প্রতিফলন এই উপন্যাসের মূল ভিত্তি।</li>
</ul>
৯৬০৯

‘ঘোড়া’-এর সমার্থক শব্দ নয় কোনটি?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
গর্দভ
ব্যাখ্যা:
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>গর্দভ</strong>। বিষয়টি খুব সহজ, কারণ ‘গর্দভ’ শব্দের অর্থ হলো গাধা, যা ঘোড়ার সমার্থক শব্দ নয়।</p>

<p>সহজভাবে মনে রাখার উপায়:</p>
<ul>
<li><strong>অশ্ব</strong>, <strong>ঘোটক</strong> এবং <strong>তুরগ</strong>—এই শব্দগুলো সরাসরি ঘোড়াকে বোঝায়।</li>
<li>অন্যদিকে, <strong>গর্দভ</strong> শব্দটি দিয়ে গাধাকে বোঝানো হয়, তাই এটি ঘোড়ার সমার্থক শব্দ হওয়ার কোনো সুযোগ নেই।</li>
</ul>
৯৬১০

'প্রতিবাদ' এর সঠিক ব্যাসবাক্য কোনটি ?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
প্রতি যে বাদ
ব্যাখ্যা:
<p>'প্রতিবাদ' শব্দটির সঠিক ব্যাসবাক্য হলো <strong>প্রতি যে বাদ</strong>। এটি একটি প্রাদি সমাসবদ্ধ পদ।</p>

<p>সহজভাবে মনে রাখার উপায়:</p>
<ul>
<li>বাংলা ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী, যখন কোনো শব্দের শুরুতে 'প্রতি' উপসর্গ থাকে এবং তা কোনো কিছুর বিপরীতে বা বিপক্ষে অর্থ প্রকাশ করে, তখন ব্যাসবাক্য করার সময় 'যে' অব্যয়টি যোগ করতে হয়।</li>
<li>এখানে 'বাদ' বা মতের বিপরীতে অবস্থান বোঝাতে 'প্রতি' উপসর্গটি ব্যবহৃত হয়েছে, তাই এর ব্যাসবাক্য হবে <strong>প্রতি যে বাদ</strong>।</li>
</ul>
৯৬১১

অপমান ও অপবাদ শব্দ দুটি 'অপ' উপসর্গটি কোন অর্থে ব্যবহৃত ?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
বিপরীত
ব্যাখ্যা:
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>বিপরীত</strong>। বিষয়টি খুব সহজভাবে মনে রাখা যায়:</p>

<ul>
<li>বাংলা ব্যাকরণে 'অপ' উপসর্গটি যখন কোনো শব্দের আগে বসে, তখন সেটি অনেক সময় মূল শব্দের বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে।</li>
<li>যেমন, 'মান' শব্দের অর্থ সম্মান, কিন্তু তার আগে 'অপ' যুক্ত হয়ে সেটি হয়ে যায় 'অপমান', যা সম্মানের ঠিক বিপরীত।</li>
<li>একইভাবে, 'বাদ' বা কোনো কিছুর প্রচারের বিপরীতে 'অপবাদ' শব্দটি নেতিবাচক বা বিপরীত অর্থ বহন করে।</li>
</ul>

<p>তাই মনে রাখার সহজ কৌশল হলো, যখনই কোনো শব্দের সাথে 'অপ' যুক্ত হয়ে তার মূল অর্থের উল্টো কিছু বোঝাবে, তখনই সেটি <strong>বিপরীত</strong> অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে বলে ধরে নিতে হবে।</p>
৯৬১২

‘প্রত্যাবর্তন' শব্দের সন্ধি-বিচ্ছেদ -

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
প্রতি + আবর্তন
ব্যাখ্যা:
<p>‘প্রত্যাবর্তন’ শব্দটির সন্ধি-বিচ্ছেদ হলো <strong>প্রতি + আবর্তন</strong>। এটি খুব সহজেই বোঝা যায় যদি আমরা সন্ধির নিয়মটি খেয়াল করি:</p>

<ul>
<li>এখানে ‘প্রতি’ শব্দের শেষে থাকা <strong>ই</strong>-কার এবং ‘আবর্তন’ শব্দের শুরুতে থাকা <strong>আ</strong> মিলে <strong>যা</strong> (য় + আ) তৈরি হয়েছে।</li>
<li>ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী, ই বা ঈ-কারের পর যদি অন্য কোনো স্বরবর্ণ থাকে, তবে ই/ঈ-কার বদলে <strong>য়</strong> হয়ে যায়।</li>
<li>সেই নিয়মেই: <strong>প্রতি + আবর্তন = প্রত্যাবর্তন</strong>।</li>
</ul>

<p>সহজ কথায়, শব্দের গঠন বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়, এখানে <strong>ই + আ = য়া</strong> সন্ধিটি কাজ করেছে। তাই সঠিক উত্তরটি হলো <strong>প্রতি + আবর্তন</strong>।</p>
৯৬১৩

প্রত্যুষ শব্দের সঠিক সন্ধি-বিচ্ছেদ কোনটি?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
প্রতি+উষ
ব্যাখ্যা:
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>প্রতি+উষ</strong>। সন্ধি বিচ্ছেদের নিয়মটি খুব সহজ, একটু খেয়াল করলেই বুঝতে পারবেন:</p>

<ul>
<li>সন্ধির নিয়ম অনুযায়ী, ই-কার বা ঈ-কারের সাথে যদি অন্য কোনো স্বরবর্ণ যুক্ত হয়, তবে ই/ঈ পরিবর্তিত হয়ে <strong>য-ফলা</strong> (য) হয়ে যায়।</li>
<li>এখানে <strong>প্রতি</strong> শব্দের শেষে থাকা 'ই' এবং <strong>উষ</strong> শব্দের শুরুতে থাকা 'উ' মিলে সন্ধি হয়েছে।</li>
<li>সূত্রটি হলো: $ই + উ = য + উ = ্যু$।</li>
<li>তাই, প্রতি + উষ মিলে তৈরি হয়েছে <strong>প্রত্যুষ</strong>।</li>
</ul>

<p>সহজ কথায়, শব্দের শুরুতে 'প্র' ঠিক রেখে 'তি' অংশটি ভেঙে 'প্রতি' এবং পরের অংশটি 'উষ' হিসেবে আলাদা করলেই সন্ধিটি মিলে যায়।</p>
৯৬১৪

'অপাঙ্গ' শব্দের অর্থ--

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
দৃষ্টিকোণ
ব্যাখ্যা:
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>দৃষ্টিকোণ</strong>।</p>

<p>শব্দটির ব্যুৎপত্তিগত অর্থ বিশ্লেষণ করলে বিষয়টি খুব সহজে বোঝা যায়:</p>

<ul>
<li>'অপাঙ্গ' শব্দটি মূলত 'অপ' (নিকট বা পার্শ্ব) এবং 'অঙ্গ' (চোখ বা অংশ) এর সমন্বয়ে গঠিত।</li>
<li>সহজ কথায়, চোখের কোণ বা চোখের প্রান্তভাগকে বোঝাতে এই শব্দটি ব্যবহৃত হয়।</li>
<li>বাংলা সাহিত্যে বা ব্যাকরণে যখন কোনো বিষয়ের সূক্ষ্ম বা আড়চোখে দেখার ভঙ্গি বোঝানো হয়, তখন 'অপাঙ্গ' শব্দটিকে <strong>দৃষ্টিকোণ</strong> বা দৃষ্টির বিশেষ ভঙ্গি হিসেবে গণ্য করা হয়।</li>
</ul>

<p>তাই মনে রাখার সহজ উপায় হলো—চোখের কোণ দিয়ে কোনো কিছুর দিকে তাকানো বা বিশেষ কোনো দৃষ্টিভঙ্গিই হলো অপাঙ্গ।</p>
৯৬১৫

'প্রত্যেক' এর সন্ধি বিচ্ছেদ -

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
প্রতি + এক
ব্যাখ্যা:
<p>'প্রত্যেক' শব্দটির সঠিক সন্ধি বিচ্ছেদ হলো <strong>প্রতি + এক</strong>। এটি মূলত ই-কারান্ত সন্ধির একটি নিয়ম। বিষয়টি খুব সহজে মনে রাখার জন্য নিচের ধাপগুলো খেয়াল করুন:</p>

<ul>
<li>সন্ধির নিয়মে, শব্দের শুরুতে যদি 'প্রতি' থাকে এবং তার সাথে 'এ' কার যুক্ত কোনো শব্দ যোগ হয়, তবে 'ই' এবং 'এ' মিলে 'য' ফলা (্য) তৈরি করে।</li>
<li>এখানে, <strong>প্রতি</strong> শব্দের শেষে থাকা 'ই' এবং <strong>এক</strong> শব্দের শুরুতে থাকা 'এ' মিলে 'য়ে' বা '্য' কারে পরিণত হয়েছে।</li>
<li>সহজ কথায়: $ই + এ = ্য$।</li>
</ul>

<p>তাই, <strong>প্রতি + এক</strong> যুক্ত হয়ে শব্দটি হয়ে যায় <strong>প্রত্যেক</strong>।</p>
Support
Curiosity AI Assistant
24/7 লাইভ
eProstuti ডেটাবেস ও অটোমেশন ইঞ্জিন
এআই চ্যাট WhatsApp Messenger Instagram
👋 আসসালামু আলাইকুম শিক্ষার্থী !

আমি eProstuti Curiosity AI। আমাদের সকল লাইভ কোর্স, মডেল টেস্ট, ই-বুক, নোটিশ এবং পেমেন্ট সংক্রান্ত তথ্য নিমেষেই জানতে পারবেন।

দ্রুত উত্তরের জন্য নিচের টপিক চাপুন অথবা নিচে লিখুন:

উত্তরের তথ্য বিশ্লেষণ করা হচ্ছে...
eProstuti AI সহকারী
সার্বক্ষণিক সহায়তায় প্রস্তুত
লগইন আবশ্যক

ব্যক্তিগত সহায়তা এবং আপনার কোর্স, পরীক্ষা ও পেমেন্ট হিস্ট্রি দেখতে অ্যাকাউন্টে লগইন করুন।

* চ্যাটবট সরাসরি অ্যাকাউন্ট তৈরি বা লগইন করতে পারে না।