<p>বাংলা সাহিত্যে প্রথম সনেট রচয়িতা হলেন <strong>মাইকেল মধুসূদন দত্ত</strong>। বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ:</p>
<ul>
<li>মাইকেল মধুসূদন দত্ত ইতালীয় কবি পেত্রার্কের সনেট শৈলীকে বাংলা সাহিত্যে প্রথম সার্থকভাবে নিয়ে আসেন।</li>
<li>তাঁর বিখ্যাত সনেট সংকলন <strong>'চতুর্দশপদী কবিতাবলী'</strong> বাংলা সাহিত্যের প্রথম সনেট গ্রন্থ হিসেবে স্বীকৃত।</li>
<li>তিনি সনেটের গঠনশৈলী অর্থাৎ ১৪টি লাইন এবং নির্দিষ্ট অন্ত্যমিলের নিয়মটি বাংলা কবিতায় প্রথম প্রবর্তন করেন।</li>
</ul>
<p>তাই বাংলা সনেটের জনক বা প্রথম সনেট রচয়িতা হিসেবে তাঁর নামই সবার আগে আসে।</p>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>অদ্বৈত মল্ল বর্মণ</strong>।</p>
<p>বাংলা সাহিত্যের কালজয়ী এই উপন্যাসটি সম্পর্কে মনে রাখার সহজ উপায় হলো:</p>
<ul>
<li><strong>তিতাস একটি নদীর নাম</strong> মূলত জেলে সম্প্রদায়ের জীবনসংগ্রাম নিয়ে লেখা একটি অসাধারণ উপন্যাস।</li>
<li>লেখক <strong>অদ্বৈত মল্ল বর্মণ</strong> নিজেই ব্রাহ্মণবাড়িয়ার তিতাস নদীর পাড়ের মানুষ ছিলেন, তাই তিনি এই অঞ্চলের মানুষের সুখ-দুঃখ ও জীবনধারা খুব কাছ থেকে দেখেছেন।</li>
<li>তার এই বাস্তবধর্মী লেখনীই উপন্যাসটিকে বাংলা সাহিত্যে এক অনন্য উচ্চতায় নিয়ে গেছে।</li>
</ul>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>মেঘনাদ বধ</strong>। এটি বাংলা সাহিত্যের প্রথম সার্থক মহাকাব্য। কেন এটি মহাকাব্য, তা খুব সহজে বোঝা যায়:</p>
<ul>
<li><strong>মহাকাব্যের বৈশিষ্ট্য:</strong> মহাকাব্য হতে হলে তাতে বিশাল কলেবর, বীরত্বগাথা, দেব-দেবীর উপস্থিতি এবং অলৌকিক ঘটনার সংমিশ্রণ থাকতে হয়।</li>
<li><strong>মাইকেল মধুসূদন দত্তের অবদান:</strong> মাইকেল মধুসূদন দত্ত রামায়ণের কাহিনী অবলম্বনে অমিত্রাক্ষর ছন্দে এই কাব্যটি রচনা করেন।</li>
<li><strong>গঠনশৈলী:</strong> এতে মোট ৯টি সর্গ রয়েছে এবং এটি সংস্কৃত মহাকাব্যের আদলে রচিত, যা একে বাংলা সাহিত্যের অনন্য এক মহাকাব্যের মর্যাদা দিয়েছে।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, বিশাল পরিসর এবং বীররসের মহিমান্বিত বর্ণনার কারণেই <strong>মেঘনাদ বধ কাব্য</strong> মহাকাব্যের সকল শর্ত পূরণ করে।</p>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>মধুসূদন দত্ত</strong>।</p>
<p>বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ। বাংলা সাহিত্যে অমিত্রাক্ষর ছন্দের প্রবর্তক হিসেবে পরিচিত মাইকেল মধুসূদন দত্তের প্রথম সার্থক কাব্যগ্রন্থ হলো <strong>'তিলোত্তমা সম্ভব কাব্য'</strong>। ১৮৬০ সালে প্রকাশিত এই কাব্যটি বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসে এক নতুন ধারার সূচনা করেছিল।</p>
<ul>
<li>কাব্যটির নাম: <strong>তিলোত্তমা সম্ভব কাব্য</strong>।</li>
<li>রচয়িতা: <strong>মাইকেল মধুসূদন দত্ত</strong>।</li>
<li>বিশেষত্ব: এটি বাংলা সাহিত্যের প্রথম সার্থক অমিত্রাক্ষর ছন্দের কাব্য।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, মধুসূদন দত্তের নাম শুনলেই 'তিলোত্তমা সম্ভব কাব্য'-এর কথা মাথায় রাখবেন, কারণ এটি তাঁর সাহিত্যিক জীবনের অন্যতম মাইলফলক।</p>
<p>মাইকেল মধুসূধন দত্তের বিখ্যাত প্রহসন হলো <strong>একেই কি বলে সভ্যতা</strong>। উনিশ শতকের সমাজ সংস্কারের প্রেক্ষাপটে লেখা এই নাটকটি তৎকালীন সমাজের কুসংস্কার ও নৈতিক অবক্ষয়কে ব্যঙ্গ করে তৈরি করা হয়েছে।</p>
<ul>
<li>১৮৬০ সালে প্রকাশিত এই প্রহসনটি মধুসূদনের অন্যতম জনপ্রিয় সৃষ্টি।</li>
<li>নাটকটিতে তৎকালীন তরুণ সমাজের উচ্ছৃঙ্খল জীবনযাত্রা এবং সমাজের ভণ্ডামিকে অত্যন্ত তীক্ষ্ণ ও হাস্যরসাত্মকভাবে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে।</li>
<li>মধুসূদনের আরেকটি বিখ্যাত প্রহসন হলো <strong>বুড়ো শালিকের ঘাড়ে রোঁ</strong>, যা প্রায়ই পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, সামাজিক অসঙ্গতি নিয়ে লেখা মধুসূদনের এই নাটকটি বাংলা সাহিত্যের প্রহসন ধারায় একটি মাইলফলক।</p>
৯৫১
'মেঘনাদবধ কাব্যে' যুদ্ধের সময় পশ্চিম দুয়ারে রক্ষ হিসেবে কে ছিল?
<p>মেঘনাদবধ কাব্যে লঙ্কাপুরী রক্ষার জন্য বিভিন্ন দুয়ারে বিভিন্ন বীরকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল। এর মধ্যে পশ্চিম দুয়ারটি রক্ষার দায়িত্বে ছিলেন <strong>বীর নীল</strong>।</p>
<p>বিষয়টি মনে রাখার সহজ উপায়:</p>
<ul>
<li>মাইকেল মধুসূদন দত্তের এই মহাকাব্যে লঙ্কার চারদিকের সুরক্ষা ব্যবস্থা অত্যন্ত সুনিপুণভাবে বর্ণনা করা হয়েছে।</li>
<li>পশ্চিম দিকের রক্ষক হিসেবে <strong>বীর নীল</strong>-এর নামই সুনির্দিষ্টভাবে উল্লেখ রয়েছে।</li>
<li>অন্যান্য অপশনগুলো এই নির্দিষ্ট পদের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়, তাই বিভ্রান্ত হওয়ার সুযোগ নেই।</li>
</ul>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>আবর্তন সন্ধি</strong>। বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ। সনেট বা চতুর্দশপদী কবিতায় সাধারণত দুটি অংশ থাকে—আট চরণের 'অষ্টক' এবং ছয় চরণের 'ষটক'।</p>
<ul>
<li>কবিতার এই দুই অংশের মধ্যে ভাবের যে পরিবর্তন বা মোড় নেওয়া হয়, তাকেই বলা হয় <strong>আবর্তন সন্ধি</strong>।</li>
<li>সহজ কথায়, অষ্টকের ভাব যেখানে শেষ হয় এবং ষটকের নতুন ভাব যেখানে শুরু হয়, সেই সংযোগস্থল বা ফাঁকা অংশটিই হলো আবর্তন সন্ধি।</li>
</ul>
<p>সহজভাবে মনে রাখার জন্য ভাবুন, এটি হলো কবিতার ভাবের দিক থেকে একটি 'টার্নিং পয়েন্ট' বা সন্ধিক্ষণ।</p>
<p>বাংলা সাহিত্যে অমিত্রাক্ষর ছন্দের প্রবর্তক হলেন <strong>মাইকেল মধুসূদন দত্ত</strong>। বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ:</p>
<ul>
<li>বাংলা কাব্যে দীর্ঘকাল ধরে পয়ার ছন্দের একাধিপত্য ছিল।</li>
<li>মধুসূদন দত্ত ইংরেজি সাহিত্যের আদলে বাংলা কাব্যে প্রথম এই নতুন ছন্দ নিয়ে আসেন।</li>
<li>তাঁর বিখ্যাত মহাকাব্য <strong>'মেঘনাদবধ কাব্য'</strong>-এ তিনি প্রথম সার্থকভাবে অমিত্রাক্ষর ছন্দের প্রয়োগ করেন।</li>
<li>এই ছন্দের প্রধান বৈশিষ্ট্য হলো এতে কোনো অন্ত্যমিল থাকে না, যা কবিতাকে দেয় এক অনন্য গাম্ভীর্য ও মুক্তি।</li>
</ul>
<p>তাই বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসে অমিত্রাক্ষর ছন্দের জনক হিসেবে মাইকেল মধুসূদন দত্তের নামই সবার আগে আসে।</p>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>কৃষ্ণকুমারী</strong>। মাইকেল মধুসূদন দত্তের লেখা নাটকগুলোর মধ্যে এটিই একমাত্র সার্থক ঐতিহাসিক নাটক।</p>
<p>সহজভাবে মনে রাখার উপায়:</p>
<ul>
<li><strong>কৃষ্ণকুমারী</strong> নাটকটি রাজস্থানের ইতিহাসের প্রেক্ষাপটে রচিত, যেখানে মেবারের রাজকন্যা কৃষ্ণকুমারীর আত্মত্যাগের করুণ কাহিনী ফুটে উঠেছে।</li>
<li>মধুসূদনের অন্যান্য নাটকগুলো মূলত পৌরাণিক বা প্রহসনমূলক হলেও, ঐতিহাসিক ঘটনার ওপর ভিত্তি করে লেখা তাঁর একমাত্র মৌলিক নাটক হলো এটি।</li>
</ul>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>পানিপথের তৃতীয় যুদ্ধ</strong>। কবি কায়কোবাদের বিখ্যাত মহাকাব্য 'মহাশ্মশান'-এর মূল উপজীব্য বিষয়ই হলো এই ঐতিহাসিক যুদ্ধটি।</p>
<p>বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ:</p>
<ul>
<li>১৭৬১ সালে সংঘটিত <strong>পানিপথের তৃতীয় যুদ্ধ</strong> ছিল মারাঠা এবং আফগান শাসক আহমদ শাহ আবদালীর মধ্যে।</li>
<li>এই যুদ্ধের ভয়াবহতা, ধ্বংসলীলা এবং করুণ পরিণতির প্রেক্ষাপটেই কবি কায়কোবাদ তার এই মহাকাব্যটি রচনা করেছেন।</li>
<li>বাংলা সাহিত্যে মুসলিম কবিদের রচিত অন্যতম শ্রেষ্ঠ মহাকাব্য হিসেবে এটি পরিচিত, যেখানে যুদ্ধের ভয়াবহতাকে 'মহাশ্মশান' রূপক দিয়ে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে।</li>
</ul>
<p>বাংলা সাহিত্যের আধুনিকতার জনক হলেন <strong>মাইকেল মধুসূদন দত্ত</strong>। এর কারণগুলো খুব সহজ:</p>
<ul>
<li>তিনিই প্রথম বাংলা কাব্যে অমিত্রাক্ষর ছন্দের প্রবর্তন করেন, যা বাংলা কবিতাকে পয়ারের গণ্ডি থেকে মুক্তি দেয়।</li>
<li>বাংলা সাহিত্যে সনেট বা চতুর্দশপদী কবিতার সার্থক রূপকার তিনিই।</li>
<li>তার হাত ধরেই বাংলা নাটকে আধুনিকতার ছোঁয়া লাগে এবং 'শর্মিষ্ঠা'র মতো প্রথম সার্থক আধুনিক নাটকের জন্ম হয়।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, বাংলা সাহিত্যের প্রচলিত ধারা ভেঙে পাশ্চাত্য রীতির আধুনিক ও নতুন আঙ্গিক নিয়ে আসার কারণেই তাকে আধুনিকতার জনক বলা হয়।</p>
৯৫৭
মাইকেল মধুসূদন দত্তের 'বঙ্গভাষা' কবিতাটি কোন ছন্দে রচিত?
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>অক্ষরবৃত্ত</strong>। মাইকেল মধুসূদন দত্তের 'বঙ্গভাষা' সনেট বা চতুর্দশপদী কবিতাটি মূলত অক্ষরবৃত্ত ছন্দের একটি চমৎকার উদাহরণ। এর কারণগুলো খুব সহজ:</p>
<ul>
<li>এই ছন্দে প্রতিটি চরণের অক্ষর সংখ্যা এবং বিন্যাস একটি নির্দিষ্ট নিয়ম মেনে চলে।</li>
<li>অক্ষরবৃত্ত ছন্দের প্রধান বৈশিষ্ট্য হলো এর ধীর ও গম্ভীর লয়, যা সনেটের মতো ভাবগম্ভীর কবিতার জন্য সবচেয়ে উপযোগী।</li>
<li>কবিতাটির প্রতিটি পঙক্তি ৮+৬ মাত্রার বিন্যাসে সাজানো, যা অক্ষরবৃত্ত ছন্দেরই বৈশিষ্ট্য।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, এই ছন্দের গঠনশৈলী এবং শব্দের উচ্চারণরীতি বিশ্লেষণ করলেই বোঝা যায় এটি অক্ষরবৃত্তের নিখুঁত ছাঁচে তৈরি।</p>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>নীলদর্পণ</strong>। বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ, কারণ বাংলা নাট্যসাহিত্যের ইতিহাসে এটি একটি মাইলফলক।</p>
<ul>
<li>দীনবন্ধু মিত্রের লেখা বিখ্যাত নাটক <strong>নীলদর্পণ</strong> ১৮৬০ সালে ঢাকা থেকে প্রকাশিত হয়েছিল।</li>
<li>তৎকালীন নীলকরদের অত্যাচারের বিরুদ্ধে এটি ছিল এক শক্তিশালী প্রতিবাদ।</li>
<li>ঢাকা থেকে প্রকাশিত প্রথম মুদ্রিত গ্রন্থ হিসেবে এটি বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসে বিশেষ গুরুত্ব বহন করে।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, নীল চাষিদের ওপর নির্যাতনের বাস্তব চিত্র তুলে ধরার জন্যই এই নাটকটি ঢাকা থেকে প্রকাশের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছিল, যা পরবর্তীতে ব্যাপক আলোড়ন সৃষ্টি করে।</p>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>ঢাকা</strong>। বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ, কারণ দীনবন্ধু মিত্রের লেখা বিখ্যাত নাটক ‘নীলদর্পণ’ ১৮৬০ সালে তৎকালীন ঢাকার একটি ছাপাখানা থেকেই প্রথম প্রকাশিত হয়েছিল।</p>
<ul>
<li>নাটকটি প্রকাশের স্থান হিসেবে <strong>ঢাকা</strong> শহর ঐতিহাসিকভাবে স্বীকৃত।</li>
<li>এটি নীলকর সাহেবদের অত্যাচারের বিরুদ্ধে একটি শক্তিশালী প্রতিবাদ ছিল, যা ঢাকা থেকে প্রকাশিত হয়ে সারা বাংলায় আলোড়ন সৃষ্টি করে।</li>
</ul>
<p>নীলদর্পণ নাটকটি প্রথম মঞ্চস্থ হওয়ার বিষয়টি বেশ চমকপ্রদ। এটি ১৮৭২ সালে ঢাকার পোগোজ স্কুলে প্রথম মঞ্চস্থ হয়েছিল। এই নাটকটি তৎকালীন নীলকর সাহেবদের অত্যাচারের বিরুদ্ধে এক শক্তিশালী প্রতিবাদ ছিল।</p>
<p>সহজ কথায় মনে রাখার উপায় হলো, যদিও নাটকটি কলকাতায় ছাপা হয়েছিল, কিন্তু এর প্রথম সফল মঞ্চায়ন হয়েছিল ঢাকায়। তাই সঠিক উত্তরটি হলো <strong>ঢাকা</strong>।</p>
MCQ পরীক্ষা সেটিংস
বাংলা
eProstuti
সহজ ও দ্রুত ক্লাস করতে অ্যাপটি ইনস্টল করুন
iPhone / iPad এ ইনস্টল করুন
eProstuti
১Safari ব্রাউজারের নিচে থাকা Share ( ) বাটনে চাপ দিন।
২নিচের দিকে স্ক্রোল করে 'Add to Home Screen' ( ) নির্বাচন করুন।
৩উপরে ডানে থাকা 'Add' বাটনে ট্যাপ করুন।
Android এ অ্যাপ ইনস্টল করুন
eProstuti
১Chrome ব্রাউজারের উপরে ডানে থাকা থ্রি-ডট ( ) মেনু চাপুন।
২তালিকায় 'Install app' বা 'Add to Home screen' ( ) এ ট্যাপ করুন।
ডাউনলোড সম্পন্ন হলে ফাইলটি ওপেন করে Install চাপুন।
যদি "Install unknown apps" বা "Unknown sources" অনুমতি চায়, তাহলে সেটি Allow করে আবার ইনস্টল করুন।
ইনস্টল শেষ হলে অ্যাপটি খুলে আপনার অ্যাকাউন্টে লগইন করুন।
অ্যাপের সুবিধা:
সকল লাইভ ক্লাস
রেকর্ডেড ক্লাস
অনলাইন পরীক্ষা
ই-বুক ও নোটিশ
সবকিছু এক জায়গা থেকেই সহজে ব্যবহার করুন!
ব্রাউজারে খুলুন
⚠️ মনে হচ্ছে আপনি এই ওয়েবসাইটটি ফেসবুক বা অন্য কোনো অ্যাপের ভেতরের ব্রাউজার থেকে খুলেছেন।
ভালোভাবে কাজ করার জন্য দয়া করে এটি আপনার মূল ব্রাউজারে (যেমন Chrome) খুলুন।
👉 উপরে থাকা ⋮ বা ••• বাটনে চাপ দিন → তারপর “Open in Browser” সিলেক্ট করুন।