<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>সনেট পঞ্চায়েত</strong>। কারণ এটি মাইকেল মধুসূদন দত্তের লেখা কোনো গ্রন্থ নয়।</p>
<p>বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ:</p>
<ul>
<li>মাইকেল মধুসূদন দত্ত বাংলা সাহিত্যে সনেট বা চতুর্দশপদী কবিতার প্রবর্তক।</li>
<li>তার বিখ্যাত সনেট সংকলনটির নাম হলো <strong>চতুর্দশপদী কবিতাবলী</strong>।</li>
<li>অন্যদিকে, <strong>সনেট পঞ্চায়েত</strong> নামে তার কোনো রচনা নেই, তাই এটিই এখানে সঠিক উত্তর।</li>
</ul>
৯৩২
মধুসূদনের চতুর্দশপদী কবিতাবলী গ্রন্থে কতগুলো সনেট রয়েছে?
<p>মাইকেল মধুসূদন দত্তের বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ 'চতুর্দশপদী কবিতাবলী'-তে মোট সনেটের সংখ্যা হলো <strong>১০২টি</strong>।</p>
<p>সহজভাবে মনে রাখার জন্য নিচের তথ্যটি খেয়াল করুন:</p>
<ul>
<li>মধুসূদন দত্ত বাংলা সাহিত্যে সনেট বা চতুর্দশপদী কবিতার প্রবর্তক।</li>
<li>তার এই সংকলনটিতে মোট সনেটের সংখ্যা ঠিক <strong>১০২</strong>।</li>
</ul>
<p>এটি একটি তথ্যভিত্তিক প্রশ্ন, তাই সরাসরি সংখ্যাটি মনে রাখলেই পরীক্ষার জন্য যথেষ্ট।</p>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>ব্রজাঙ্গনা</strong>। মাইকেল মধুসূদন দত্তের এই কাব্যটি মূলত রাধাকৃষ্ণ লীলা অবলম্বনে রচিত একটি গীতিধর্মী কাব্য বা 'ওড' (Ode)।</p>
<p>সহজে মনে রাখার জন্য কিছু বিষয় খেয়াল রাখতে পারেন:</p>
<ul>
<li><strong>ব্রজাঙ্গনা</strong> কাব্যটি মধুসূদনের বিরহ-বেদনার এক অনন্য প্রকাশ, যা ওড বা গীতি কবিতার বৈশিষ্ট্য বহন করে।</li>
<li>এটি মূলত শ্রীকৃষ্ণের বিরহে রাধার আকুলতাকে কেন্দ্র করে লেখা, যা বাংলা সাহিত্যে একটি সার্থক গীতি-কাব্য হিসেবে স্বীকৃত।</li>
<li>মধুসূদনের অন্যান্য মহাকাব্য বা পত্রকাব্য থেকে এটি গঠনশৈলীতে সম্পূর্ণ আলাদা এবং আবেগঘন।</li>
</ul>
৯৩৪
মাইকেল মধুসূদন দত্ত প্রথম কোন গ্রন্থে অমিত্রাক্ষর ছন্দের ব্যবহার করেন?
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>তিলোত্তমাসম্ভব কাব্য</strong>। বিষয়টি মনে রাখা খুবই সহজ:</p>
<ul>
<li>বাংলা সাহিত্যে অমিত্রাক্ষর ছন্দের জনক হলেন মাইকেল মধুসূদন দত্ত।</li>
<li>তিনি তাঁর প্রথম সার্থক কাব্যগ্রন্থ <strong>তিলোত্তমাসম্ভব কাব্য</strong> (১৮৬০) রচনার মাধ্যমেই বাংলা সাহিত্যে প্রথমবারের মতো এই ছন্দের সফল প্রয়োগ ঘটান।</li>
<li>এই কাব্যটি প্রকাশের পরেই বাংলা কবিতার ছন্দ ও শৈলীতে এক বৈপ্লবিক পরিবর্তন আসে, যা পরবর্তীকালে মেঘনাদবধ কাব্যের মতো মহাকাব্য রচনায় পথ প্রশস্ত করে।</li>
</ul>
<p>মাইকেল মধুসূদন দত্তের প্রথম বাংলা কাব্য হলো <strong>তিলোত্তমাসম্ভব</strong>। ১৮৬০ সালে প্রকাশিত এই কাব্যগ্রন্থটি বাংলা সাহিত্যে অমিত্রাক্ষর ছন্দের প্রথম সার্থক প্রয়োগ হিসেবে পরিচিত।</p>
<p>সহজভাবে মনে রাখার উপায়:</p>
<ul>
<li>মধুসূদনের কাব্যচর্চার শুরুতে তিনি পৌরাণিক কাহিনী নিয়ে কাজ শুরু করেন।</li>
<li><strong>তিলোত্তমাসম্ভব</strong> কাব্যটিই ছিল তার বাংলা ভাষায় লেখা প্রথম মৌলিক কাব্যগ্রন্থ।</li>
<li>এর মাধ্যমেই তিনি বাংলা কাব্যে নতুন ছন্দ ও শৈলীর সূচনা করেছিলেন, যা পরবর্তীতে তার অন্যান্য বিখ্যাত রচনায় আরও বিকশিত হয়েছে।</li>
</ul>
<p>মধুসূদনের প্রথম প্রকাশিত গ্রন্থের নাম হলো <strong>ক্যাপটিভ লেডী</strong> (The Captive Ladie)। এটি একটি ইংরেজি কাব্যগ্রন্থ, যা ১৮৪৯ সালে প্রকাশিত হয়েছিল।</p>
<p>সহজভাবে মনে রাখার উপায়:</p>
<ul>
<li>মাইকেল মধুসূদন দত্তের সাহিত্যিক জীবনের শুরুতে তিনি ইংরেজি ভাষায় লেখালেখি করতেন।</li>
<li>তার প্রথম কাব্যগ্রন্থ হিসেবে <strong>ক্যাপটিভ লেডী</strong>-ই স্বীকৃত।</li>
<li>পরবর্তীতে তিনি বাংলা সাহিত্যের দিকে মনোনিবেশ করেন এবং বাংলা সনেট ও অমিত্রাক্ষর ছন্দের প্রবর্তক হিসেবে অমর হয়ে আছেন।</li>
</ul>
৯৩৭
কোন বাঙালি সাহিত্যিককে পাশ্চাত্যের মিল্টনের সাথে তুলনা করা হয়?
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>মধুসূদন দত্ত</strong>। এর কারণটা খুব সহজ—মাইকেল মধুসূদন দত্ত বাংলা সাহিত্যে অমিত্রাক্ষর ছন্দের প্রবর্তক। তিনি ইংরেজি সাহিত্যের বিখ্যাত মহাকবি জন মিল্টনের অনুকরণে বাংলা সাহিত্যে সনেট ও মহাকাব্য রচনার ধারা প্রবর্তন করেছিলেন।</p>
<ul>
<li>মধুসূদন দত্তের বিখ্যাত মহাকাব্য <strong>মেঘনাদবধ কাব্য</strong>-এর গঠনশৈলী এবং তাঁর কাব্যপ্রতিভার গভীরতা পাশ্চাত্যের মহাকবি মিল্টনের সাথে তুলনীয়।</li>
<li>পাশ্চাত্য সাহিত্যের ধ্রুপদী ধারার সাথে বাংলা সাহিত্যের মেলবন্ধন ঘটানোর কারণেই তাঁকে বাংলা সাহিত্যের <strong>'মিল্টন'</strong> হিসেবে অভিহিত করা হয়।</li>
</ul>
<p>সনেটের জনক হিসেবে পরিচিত হলেন <strong>ইটালির পেত্রার্ক</strong>। বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ:</p>
<ul>
<li>সনেট বা চতুর্দশপদী কবিতার উদ্ভব হয়েছিল ইটালিতে।</li>
<li>ইতালীয় কবি <strong>ফ্রান্সেস্কো পেত্রার্ক</strong> সনেটের গঠনশৈলী ও নিয়মকানুনকে সুসংহত করেন।</li>
<li>তার নামানুসারেই এই ধরনের সনেটকে 'পেত্রার্কান সনেট' বলা হয়, তাই তাকেই সনেটের জনক বলা হয়।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, সনেটের আদি জন্মস্থান এবং এর কাঠামোগত রূপকার হিসেবে পেত্রার্কের নামই ইতিহাসের পাতায় সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।</p>
<p>মাইকেল মধুসূদন দত্তের ‘বীরাঙ্গনা’ কাব্যটি মূলত <strong>অমিত্রাক্ষর</strong> ছন্দে রচিত। এই ছন্দটি বাংলা সাহিত্যে মধুসূদনের এক অনন্য উদ্ভাবন। এর বিশেষত্বগুলো নিচে দেওয়া হলো:</p>
<ul>
<li>এই ছন্দে কোনো পঙক্তির শেষে মিল বা অন্ত্যমিল থাকে না।</li>
<li>প্রতিটি চরণের দৈর্ঘ্য ইচ্ছামতো ছোট বা বড় করা যায়, যা কবিতাকে গদ্যের মতো সাবলীল গতি দেয়।</li>
<li>এটি মূলত ইংরেজি ‘ব্ল্যাঙ্ক ভার্স’ (Blank Verse)-এর আদলে তৈরি, যেখানে ভাবের প্রবাহ এক লাইন থেকে অন্য লাইনে অনায়াসে বয়ে চলে।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, অন্ত্যমিলের বাধ্যবাধকতা না থাকায় কবি এখানে তাঁর মনের ভাবকে অনেক বেশি নাটকীয় ও শক্তিশালীভাবে প্রকাশ করতে পেরেছেন।</p>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>অষ্টক</strong>। সনেট বা চতুর্দশপদী কবিতার গঠনশৈলী বেশ সুনির্দিষ্ট। এর প্রথম আট পঙ্ক্তি বা লাইনকে বলা হয় <strong>অষ্টক</strong> (Octave)।</p>
<p>সহজভাবে মনে রাখার উপায়:</p>
<ul>
<li>সনেটের মোট লাইন সংখ্যা <strong>১৪</strong>।</li>
<li>প্রথম ৮ লাইনের অংশকে বলা হয় <strong>অষ্টক</strong>।</li>
<li>পরবর্তী ৬ লাইনের অংশকে বলা হয় <strong>ষট্ক</strong>।</li>
</ul>
<p>অষ্টক অংশে সাধারণত কবিতার মূল ভাব বা সমস্যার অবতারণা করা হয়, যা পরে ষট্ক অংশে গিয়ে সমাধান বা পরিণতি পায়।</p>
<p>চতুর্দশপদী কবিতার মূল বৈশিষ্ট্যই হলো এর গঠন। নাম থেকেই বোঝা যায়, এটি একটি নির্দিষ্ট সংখ্যার পঙ্ক্তি বা লাইন দিয়ে তৈরি। এর সহজ হিসাবটি হলো:</p>
<ul>
<li>চতুর্দশ মানে হলো <strong>১৪</strong>।</li>
<li>একটি সনেট বা চতুর্দশপদী কবিতায় সবসময় <strong>১৪টি</strong> পঙ্ক্তি বা চরণ থাকে।</li>
<li>এই ১৪টি পঙ্ক্তি সাধারণত একটি অষ্টক (৮ লাইন) এবং একটি ষটক (৬ লাইন) — এই দুই ভাগে বিভক্ত থাকে।</li>
</ul>
<p>তাই সঠিক উত্তর হলো <strong>চৌদ্দটি</strong>। এটি মনে রাখা খুব সহজ, কারণ নামের মধ্যেই এর উত্তর লুকিয়ে আছে!</p>
<p>সনেটের শেষ ছয় পঙক্তিকে <strong>ষটক্</strong> বলা হয়। বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ:</p>
<ul>
<li>সনেট সাধারণত ১৪ পঙক্তির একটি কবিতা।</li>
<li>এর প্রথম আট পঙক্তিকে বলা হয় <strong>অষ্টক</strong>।</li>
<li>বাকি ছয় পঙক্তিকে বলা হয় <strong>ষটক্</strong>।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, সনেটের গঠনবিন্যাস হলো $৮ + ৬ = ১৪$ পঙক্তি। তাই শেষ ছয় পঙক্তির অংশটিই হলো ষটক্।</p>
<p>বাংলা সাহিত্যে মাইকেল মধুসূদন দত্তকে <strong>জাগরণের কবি</strong> বলা হয়। এর কারণ হলো তিনি বাংলা কাব্যে আধুনিকতার সূচনা করেছিলেন। তার আগে বাংলা সাহিত্যে যে সনাতন ধারার কাব্যচর্চা ছিল, তিনি তা ভেঙে নতুন আঙ্গিক ও ভাবনার প্রবর্তন করেন।</p>
<ul>
<li><strong>অমিত্রাক্ষর ছন্দ:</strong> তিনি বাংলা কবিতায় প্রথম সার্থকভাবে অমিত্রাক্ষর ছন্দের ব্যবহার করেন, যা ছিল এক বৈপ্লবিক পরিবর্তন।</li>
<li><strong>সনেট:</strong> বাংলা সাহিত্যে সনেট বা চতুর্দশপদী কবিতার প্রবর্তন করে তিনি আমাদের কাব্যভাণ্ডারকে বিশ্বমানের করে তুলেছিলেন।</li>
<li><strong>মহাকাব্য:</strong> তার রচিত 'মেঘনাদবধ কাব্য' বাংলা সাহিত্যের প্রথম সার্থক মহাকাব্য, যা বাংলা ভাষাকে এক নতুন উচ্চতায় নিয়ে যায়।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, বাংলা সাহিত্যের গতানুগতিক ধারা থেকে বেরিয়ে এসে আধুনিক ও বিশ্বজনীন রূপ দেওয়ার কারণেই তাকে নবজাগরণের বা জাগরণের কবি বলা হয়।</p>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>চতুর্দশপদী কবিতা</strong>। বিষয়টি খুব সহজ, কারণ সনেট বা Sonnet শব্দটির গঠনশৈলীই এমন যে এটি নির্দিষ্ট নিয়ম মেনে চলে।</p>
<ul>
<li>সনেট মূলত ১৪টি চরণের একটি কবিতা।</li>
<li>বাংলা ভাষায় এই ১৪টি চরণের কাঠামোকে বোঝাতে <strong>'চতুর্দশপদী'</strong> শব্দটি ব্যবহার করা হয়।</li>
<li>মাইকেল মধুসূদন দত্ত বাংলা সাহিত্যে এই সনেট বা চতুর্দশপদী কবিতার প্রবর্তন করেন, যেখানে প্রতিটি চরণের মাত্রা ও মিলের একটি সুনির্দিষ্ট বিন্যাস থাকে।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, যেহেতু সনেটের লাইন সংখ্যা সবসময় <strong>১৪</strong>, তাই একে বাংলায় <strong>চতুর্দশপদী কবিতা</strong> বলা হয়।</p>
<p>বাংলা কাব্য সাহিত্যে আধুনিকতার জনক হলেন <strong>মাইকেল মধুসূদন দত্ত</strong>। কারণ, তিনি বাংলা কবিতায় প্রথম সনেট বা চতুর্দশপদী কবিতার প্রবর্তন করেন এবং অমিত্রাক্ষর ছন্দের সফল প্রয়োগ ঘটান।</p>
<p>সহজভাবে মনে রাখার কিছু কারণ:</p>
<ul>
<li><strong>নতুন ধারার প্রবর্তক:</strong> তিনি বাংলা সাহিত্যে পাশ্চাত্যের কাব্যরীতির সার্থক সমন্বয় ঘটিয়েছিলেন।</li>
<li><strong>অমিত্রাক্ষর ছন্দ:</strong> বাংলা কাব্যে পয়ারের একঘেয়েমি ভেঙে তিনি মুক্ত ছন্দের বা অমিত্রাক্ষর ছন্দের প্রবর্তন করেন, যা বাংলা কবিতাকে আধুনিক রূপ দেয়।</li>
<li><strong>মহাকাব্য:</strong> তার লেখা <strong>মেঘনাদবধ কাব্য</strong> বাংলা সাহিত্যের প্রথম সার্থক মহাকাব্য, যা বাংলা কাব্যকে বিশ্বসাহিত্যের মানে উন্নীত করেছে।</li>
</ul>
<p>তাই বাংলা কাব্য সাহিত্যের আধুনিকতার কথা উঠলেই মাইকেল মধুসূদন দত্তের নাম সবার আগে আসে।</p>
MCQ পরীক্ষা সেটিংস
বাংলা
eProstuti
সহজ ও দ্রুত ক্লাস করতে অ্যাপটি ইনস্টল করুন
iPhone / iPad এ ইনস্টল করুন
eProstuti
১Safari ব্রাউজারের নিচে থাকা Share ( ) বাটনে চাপ দিন।
২নিচের দিকে স্ক্রোল করে 'Add to Home Screen' ( ) নির্বাচন করুন।
৩উপরে ডানে থাকা 'Add' বাটনে ট্যাপ করুন।
Android এ অ্যাপ ইনস্টল করুন
eProstuti
১Chrome ব্রাউজারের উপরে ডানে থাকা থ্রি-ডট ( ) মেনু চাপুন।
২তালিকায় 'Install app' বা 'Add to Home screen' ( ) এ ট্যাপ করুন।
ডাউনলোড সম্পন্ন হলে ফাইলটি ওপেন করে Install চাপুন।
যদি "Install unknown apps" বা "Unknown sources" অনুমতি চায়, তাহলে সেটি Allow করে আবার ইনস্টল করুন।
ইনস্টল শেষ হলে অ্যাপটি খুলে আপনার অ্যাকাউন্টে লগইন করুন।
অ্যাপের সুবিধা:
সকল লাইভ ক্লাস
রেকর্ডেড ক্লাস
অনলাইন পরীক্ষা
ই-বুক ও নোটিশ
সবকিছু এক জায়গা থেকেই সহজে ব্যবহার করুন!
ব্রাউজারে খুলুন
⚠️ মনে হচ্ছে আপনি এই ওয়েবসাইটটি ফেসবুক বা অন্য কোনো অ্যাপের ভেতরের ব্রাউজার থেকে খুলেছেন।
ভালোভাবে কাজ করার জন্য দয়া করে এটি আপনার মূল ব্রাউজারে (যেমন Chrome) খুলুন।
👉 উপরে থাকা ⋮ বা ••• বাটনে চাপ দিন → তারপর “Open in Browser” সিলেক্ট করুন।