eProstuti
স্বাগতম শিক্ষার্থী!

অনলাইন কোর্স ও পরীক্ষায় অংশ নিতে লগইন করুন

লগইন / রেজিস্টার
ওয়েবসাইট মেন্যু

এসএসসি ২০২৬ এর রেজাল্ট সবার আগে পেতে এখনই বুকিং করো

বুক করো
MCQ: ৩৪৫১৩ টি
সকল বিষয়
বাংলা
সঠিক উত্তর বাছাই করে আপনার প্রস্তুতি যাচাই করুন
৯৩১

কোনটি মাইকেল মধুসূদন দত্ত রচিত নয়?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
সনেট পঞ্চায়েত
ব্যাখ্যা:
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>সনেট পঞ্চায়েত</strong>। কারণ এটি মাইকেল মধুসূদন দত্তের লেখা কোনো গ্রন্থ নয়।</p>

<p>বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ:</p>
<ul>
<li>মাইকেল মধুসূদন দত্ত বাংলা সাহিত্যে সনেট বা চতুর্দশপদী কবিতার প্রবর্তক।</li>
<li>তার বিখ্যাত সনেট সংকলনটির নাম হলো <strong>চতুর্দশপদী কবিতাবলী</strong>।</li>
<li>অন্যদিকে, <strong>সনেট পঞ্চায়েত</strong> নামে তার কোনো রচনা নেই, তাই এটিই এখানে সঠিক উত্তর।</li>
</ul>
৯৩২

মধুসূদনের চতুর্দশপদী কবিতাবলী গ্রন্থে কতগুলো সনেট রয়েছে?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
১০২টি
ব্যাখ্যা:
<p>মাইকেল মধুসূদন দত্তের বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ 'চতুর্দশপদী কবিতাবলী'-তে মোট সনেটের সংখ্যা হলো <strong>১০২টি</strong>।</p>

<p>সহজভাবে মনে রাখার জন্য নিচের তথ্যটি খেয়াল করুন:</p>

<ul>
<li>মধুসূদন দত্ত বাংলা সাহিত্যে সনেট বা চতুর্দশপদী কবিতার প্রবর্তক।</li>
<li>তার এই সংকলনটিতে মোট সনেটের সংখ্যা ঠিক <strong>১০২</strong>।</li>
</ul>

<p>এটি একটি তথ্যভিত্তিক প্রশ্ন, তাই সরাসরি সংখ্যাটি মনে রাখলেই পরীক্ষার জন্য যথেষ্ট।</p>
৯৩৩

মাইকেল মধুসূদন রচিত ‘ওড’ (ode) জাতীয় কাব্য কোনটি?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
ব্রজাঙ্গনা
ব্যাখ্যা:
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>ব্রজাঙ্গনা</strong>। মাইকেল মধুসূদন দত্তের এই কাব্যটি মূলত রাধাকৃষ্ণ লীলা অবলম্বনে রচিত একটি গীতিধর্মী কাব্য বা 'ওড' (Ode)।</p>

<p>সহজে মনে রাখার জন্য কিছু বিষয় খেয়াল রাখতে পারেন:</p>
<ul>
<li><strong>ব্রজাঙ্গনা</strong> কাব্যটি মধুসূদনের বিরহ-বেদনার এক অনন্য প্রকাশ, যা ওড বা গীতি কবিতার বৈশিষ্ট্য বহন করে।</li>
<li>এটি মূলত শ্রীকৃষ্ণের বিরহে রাধার আকুলতাকে কেন্দ্র করে লেখা, যা বাংলা সাহিত্যে একটি সার্থক গীতি-কাব্য হিসেবে স্বীকৃত।</li>
<li>মধুসূদনের অন্যান্য মহাকাব্য বা পত্রকাব্য থেকে এটি গঠনশৈলীতে সম্পূর্ণ আলাদা এবং আবেগঘন।</li>
</ul>
৯৩৪

মাইকেল মধুসূদন দত্ত প্রথম কোন গ্রন্থে অমিত্রাক্ষর ছন্দের ব্যবহার করেন?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
তিলোত্তমাসম্ভব কাব্য
ব্যাখ্যা:
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>তিলোত্তমাসম্ভব কাব্য</strong>। বিষয়টি মনে রাখা খুবই সহজ:</p>

<ul>
<li>বাংলা সাহিত্যে অমিত্রাক্ষর ছন্দের জনক হলেন মাইকেল মধুসূদন দত্ত।</li>
<li>তিনি তাঁর প্রথম সার্থক কাব্যগ্রন্থ <strong>তিলোত্তমাসম্ভব কাব্য</strong> (১৮৬০) রচনার মাধ্যমেই বাংলা সাহিত্যে প্রথমবারের মতো এই ছন্দের সফল প্রয়োগ ঘটান।</li>
<li>এই কাব্যটি প্রকাশের পরেই বাংলা কবিতার ছন্দ ও শৈলীতে এক বৈপ্লবিক পরিবর্তন আসে, যা পরবর্তীকালে মেঘনাদবধ কাব্যের মতো মহাকাব্য রচনায় পথ প্রশস্ত করে।</li>
</ul>
৯৩৫

মাইকেল মধুসূদনের প্রথম বাংলা কাব্য কোনটি?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
তিলোত্তমাসম্ভব
ব্যাখ্যা:
<p>মাইকেল মধুসূদন দত্তের প্রথম বাংলা কাব্য হলো <strong>তিলোত্তমাসম্ভব</strong>। ১৮৬০ সালে প্রকাশিত এই কাব্যগ্রন্থটি বাংলা সাহিত্যে অমিত্রাক্ষর ছন্দের প্রথম সার্থক প্রয়োগ হিসেবে পরিচিত।</p>

<p>সহজভাবে মনে রাখার উপায়:</p>
<ul>
<li>মধুসূদনের কাব্যচর্চার শুরুতে তিনি পৌরাণিক কাহিনী নিয়ে কাজ শুরু করেন।</li>
<li><strong>তিলোত্তমাসম্ভব</strong> কাব্যটিই ছিল তার বাংলা ভাষায় লেখা প্রথম মৌলিক কাব্যগ্রন্থ।</li>
<li>এর মাধ্যমেই তিনি বাংলা কাব্যে নতুন ছন্দ ও শৈলীর সূচনা করেছিলেন, যা পরবর্তীতে তার অন্যান্য বিখ্যাত রচনায় আরও বিকশিত হয়েছে।</li>
</ul>
৯৩৬

মধুসূদনের প্রথম গ্রন্থের নাম কি?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
ক্যাপটিভ লেডী
ব্যাখ্যা:
<p>মধুসূদনের প্রথম প্রকাশিত গ্রন্থের নাম হলো <strong>ক্যাপটিভ লেডী</strong> (The Captive Ladie)। এটি একটি ইংরেজি কাব্যগ্রন্থ, যা ১৮৪৯ সালে প্রকাশিত হয়েছিল।</p>

<p>সহজভাবে মনে রাখার উপায়:</p>
<ul>
<li>মাইকেল মধুসূদন দত্তের সাহিত্যিক জীবনের শুরুতে তিনি ইংরেজি ভাষায় লেখালেখি করতেন।</li>
<li>তার প্রথম কাব্যগ্রন্থ হিসেবে <strong>ক্যাপটিভ লেডী</strong>-ই স্বীকৃত।</li>
<li>পরবর্তীতে তিনি বাংলা সাহিত্যের দিকে মনোনিবেশ করেন এবং বাংলা সনেট ও অমিত্রাক্ষর ছন্দের প্রবর্তক হিসেবে অমর হয়ে আছেন।</li>
</ul>
৯৩৭

কোন বাঙালি সাহিত্যিককে পাশ্চাত্যের মিল্টনের সাথে তুলনা করা হয়?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
মধুসূদন দত্ত
ব্যাখ্যা:
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>মধুসূদন দত্ত</strong>। এর কারণটা খুব সহজ—মাইকেল মধুসূদন দত্ত বাংলা সাহিত্যে অমিত্রাক্ষর ছন্দের প্রবর্তক। তিনি ইংরেজি সাহিত্যের বিখ্যাত মহাকবি জন মিল্টনের অনুকরণে বাংলা সাহিত্যে সনেট ও মহাকাব্য রচনার ধারা প্রবর্তন করেছিলেন।</p>

<ul>
<li>মধুসূদন দত্তের বিখ্যাত মহাকাব্য <strong>মেঘনাদবধ কাব্য</strong>-এর গঠনশৈলী এবং তাঁর কাব্যপ্রতিভার গভীরতা পাশ্চাত্যের মহাকবি মিল্টনের সাথে তুলনীয়।</li>
<li>পাশ্চাত্য সাহিত্যের ধ্রুপদী ধারার সাথে বাংলা সাহিত্যের মেলবন্ধন ঘটানোর কারণেই তাঁকে বাংলা সাহিত্যের <strong>'মিল্টন'</strong> হিসেবে অভিহিত করা হয়।</li>
</ul>
৯৩৮

সনেটের জনক-

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
ইটালির পেত্রার্ক
ব্যাখ্যা:
<p>সনেটের জনক হিসেবে পরিচিত হলেন <strong>ইটালির পেত্রার্ক</strong>। বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ:</p>

<ul>
<li>সনেট বা চতুর্দশপদী কবিতার উদ্ভব হয়েছিল ইটালিতে।</li>
<li>ইতালীয় কবি <strong>ফ্রান্সেস্কো পেত্রার্ক</strong> সনেটের গঠনশৈলী ও নিয়মকানুনকে সুসংহত করেন।</li>
<li>তার নামানুসারেই এই ধরনের সনেটকে 'পেত্রার্কান সনেট' বলা হয়, তাই তাকেই সনেটের জনক বলা হয়।</li>
</ul>

<p>সহজ কথায়, সনেটের আদি জন্মস্থান এবং এর কাঠামোগত রূপকার হিসেবে পেত্রার্কের নামই ইতিহাসের পাতায় সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।</p>
৯৩৯

‘বীরাঙ্গনা’ কোন ছন্দে রচিত?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
অমিত্রাক্ষর
ব্যাখ্যা:
<p>মাইকেল মধুসূদন দত্তের ‘বীরাঙ্গনা’ কাব্যটি মূলত <strong>অমিত্রাক্ষর</strong> ছন্দে রচিত। এই ছন্দটি বাংলা সাহিত্যে মধুসূদনের এক অনন্য উদ্ভাবন। এর বিশেষত্বগুলো নিচে দেওয়া হলো:</p>

<ul>
<li>এই ছন্দে কোনো পঙক্তির শেষে মিল বা অন্ত্যমিল থাকে না।</li>
<li>প্রতিটি চরণের দৈর্ঘ্য ইচ্ছামতো ছোট বা বড় করা যায়, যা কবিতাকে গদ্যের মতো সাবলীল গতি দেয়।</li>
<li>এটি মূলত ইংরেজি ‘ব্ল্যাঙ্ক ভার্স’ (Blank Verse)-এর আদলে তৈরি, যেখানে ভাবের প্রবাহ এক লাইন থেকে অন্য লাইনে অনায়াসে বয়ে চলে।</li>
</ul>

<p>সহজ কথায়, অন্ত্যমিলের বাধ্যবাধকতা না থাকায় কবি এখানে তাঁর মনের ভাবকে অনেক বেশি নাটকীয় ও শক্তিশালীভাবে প্রকাশ করতে পেরেছেন।</p>
৯৪০

সনেটের প্রথম আট পঙ্ক্তিকে কি বলে?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
অষ্টক্
ব্যাখ্যা:
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>অষ্টক</strong>। সনেট বা চতুর্দশপদী কবিতার গঠনশৈলী বেশ সুনির্দিষ্ট। এর প্রথম আট পঙ্ক্তি বা লাইনকে বলা হয় <strong>অষ্টক</strong> (Octave)।</p>

<p>সহজভাবে মনে রাখার উপায়:</p>
<ul>
<li>সনেটের মোট লাইন সংখ্যা <strong>১৪</strong>।</li>
<li>প্রথম ৮ লাইনের অংশকে বলা হয় <strong>অষ্টক</strong>।</li>
<li>পরবর্তী ৬ লাইনের অংশকে বলা হয় <strong>ষট্‌ক</strong>।</li>
</ul>

<p>অষ্টক অংশে সাধারণত কবিতার মূল ভাব বা সমস্যার অবতারণা করা হয়, যা পরে ষট্‌ক অংশে গিয়ে সমাধান বা পরিণতি পায়।</p>
৯৪১

চতুর্দশপদী কবিতায় কতটি পঙ্ক্তি থাকে?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
চৌদ্দটি
ব্যাখ্যা:
<p>চতুর্দশপদী কবিতার মূল বৈশিষ্ট্যই হলো এর গঠন। নাম থেকেই বোঝা যায়, এটি একটি নির্দিষ্ট সংখ্যার পঙ্ক্তি বা লাইন দিয়ে তৈরি। এর সহজ হিসাবটি হলো:</p>

<ul>
<li>চতুর্দশ মানে হলো <strong>১৪</strong>।</li>
<li>একটি সনেট বা চতুর্দশপদী কবিতায় সবসময় <strong>১৪টি</strong> পঙ্ক্তি বা চরণ থাকে।</li>
<li>এই ১৪টি পঙ্ক্তি সাধারণত একটি অষ্টক (৮ লাইন) এবং একটি ষটক (৬ লাইন) — এই দুই ভাগে বিভক্ত থাকে।</li>
</ul>

<p>তাই সঠিক উত্তর হলো <strong>চৌদ্দটি</strong>। এটি মনে রাখা খুব সহজ, কারণ নামের মধ্যেই এর উত্তর লুকিয়ে আছে!</p>
৯৪২

সনেটের শেষ ছয় পঙক্তিকে কি বলে?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
ষটক্
ব্যাখ্যা:
<p>সনেটের শেষ ছয় পঙক্তিকে <strong>ষটক্</strong> বলা হয়। বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ:</p>

<ul>
<li>সনেট সাধারণত ১৪ পঙক্তির একটি কবিতা।</li>
<li>এর প্রথম আট পঙক্তিকে বলা হয় <strong>অষ্টক</strong>।</li>
<li>বাকি ছয় পঙক্তিকে বলা হয় <strong>ষটক্</strong>।</li>
</ul>

<p>সহজ কথায়, সনেটের গঠনবিন্যাস হলো $৮ + ৬ = ১৪$ পঙক্তি। তাই শেষ ছয় পঙক্তির অংশটিই হলো ষটক্।</p>
৯৪৩

কোন কবিকে জাগরণের কবি বলা হয়?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
মধুসূদন দত্ত
ব্যাখ্যা:
<p>বাংলা সাহিত্যে মাইকেল মধুসূদন দত্তকে <strong>জাগরণের কবি</strong> বলা হয়। এর কারণ হলো তিনি বাংলা কাব্যে আধুনিকতার সূচনা করেছিলেন। তার আগে বাংলা সাহিত্যে যে সনাতন ধারার কাব্যচর্চা ছিল, তিনি তা ভেঙে নতুন আঙ্গিক ও ভাবনার প্রবর্তন করেন।</p>

<ul>
<li><strong>অমিত্রাক্ষর ছন্দ:</strong> তিনি বাংলা কবিতায় প্রথম সার্থকভাবে অমিত্রাক্ষর ছন্দের ব্যবহার করেন, যা ছিল এক বৈপ্লবিক পরিবর্তন।</li>
<li><strong>সনেট:</strong> বাংলা সাহিত্যে সনেট বা চতুর্দশপদী কবিতার প্রবর্তন করে তিনি আমাদের কাব্যভাণ্ডারকে বিশ্বমানের করে তুলেছিলেন।</li>
<li><strong>মহাকাব্য:</strong> তার রচিত 'মেঘনাদবধ কাব্য' বাংলা সাহিত্যের প্রথম সার্থক মহাকাব্য, যা বাংলা ভাষাকে এক নতুন উচ্চতায় নিয়ে যায়।</li>
</ul>

<p>সহজ কথায়, বাংলা সাহিত্যের গতানুগতিক ধারা থেকে বেরিয়ে এসে আধুনিক ও বিশ্বজনীন রূপ দেওয়ার কারণেই তাকে নবজাগরণের বা জাগরণের কবি বলা হয়।</p>
৯৪৪

সনেটকে বাংলায় কি বলা হয়?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
চতুর্দশপদী কবিতা
ব্যাখ্যা:
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>চতুর্দশপদী কবিতা</strong>। বিষয়টি খুব সহজ, কারণ সনেট বা Sonnet শব্দটির গঠনশৈলীই এমন যে এটি নির্দিষ্ট নিয়ম মেনে চলে।</p>

<ul>
<li>সনেট মূলত ১৪টি চরণের একটি কবিতা।</li>
<li>বাংলা ভাষায় এই ১৪টি চরণের কাঠামোকে বোঝাতে <strong>'চতুর্দশপদী'</strong> শব্দটি ব্যবহার করা হয়।</li>
<li>মাইকেল মধুসূদন দত্ত বাংলা সাহিত্যে এই সনেট বা চতুর্দশপদী কবিতার প্রবর্তন করেন, যেখানে প্রতিটি চরণের মাত্রা ও মিলের একটি সুনির্দিষ্ট বিন্যাস থাকে।</li>
</ul>

<p>সহজ কথায়, যেহেতু সনেটের লাইন সংখ্যা সবসময় <strong>১৪</strong>, তাই একে বাংলায় <strong>চতুর্দশপদী কবিতা</strong> বলা হয়।</p>
৯৪৫

বাংলা কাব্য সাহিত্যের আধুনিকতার জনক-

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
মধুসূদন দত্ত
ব্যাখ্যা:
<p>বাংলা কাব্য সাহিত্যে আধুনিকতার জনক হলেন <strong>মাইকেল মধুসূদন দত্ত</strong>। কারণ, তিনি বাংলা কবিতায় প্রথম সনেট বা চতুর্দশপদী কবিতার প্রবর্তন করেন এবং অমিত্রাক্ষর ছন্দের সফল প্রয়োগ ঘটান।</p>

<p>সহজভাবে মনে রাখার কিছু কারণ:</p>
<ul>
<li><strong>নতুন ধারার প্রবর্তক:</strong> তিনি বাংলা সাহিত্যে পাশ্চাত্যের কাব্যরীতির সার্থক সমন্বয় ঘটিয়েছিলেন।</li>
<li><strong>অমিত্রাক্ষর ছন্দ:</strong> বাংলা কাব্যে পয়ারের একঘেয়েমি ভেঙে তিনি মুক্ত ছন্দের বা অমিত্রাক্ষর ছন্দের প্রবর্তন করেন, যা বাংলা কবিতাকে আধুনিক রূপ দেয়।</li>
<li><strong>মহাকাব্য:</strong> তার লেখা <strong>মেঘনাদবধ কাব্য</strong> বাংলা সাহিত্যের প্রথম সার্থক মহাকাব্য, যা বাংলা কাব্যকে বিশ্বসাহিত্যের মানে উন্নীত করেছে।</li>
</ul>

<p>তাই বাংলা কাব্য সাহিত্যের আধুনিকতার কথা উঠলেই মাইকেল মধুসূদন দত্তের নাম সবার আগে আসে।</p>
Support
Curiosity AI Assistant
24/7 লাইভ
eProstuti ডেটাবেস ও অটোমেশন ইঞ্জিন
এআই চ্যাট WhatsApp Messenger Instagram
👋 আসসালামু আলাইকুম শিক্ষার্থী !

আমি eProstuti Curiosity AI। আমাদের সকল লাইভ কোর্স, মডেল টেস্ট, ই-বুক, নোটিশ এবং পেমেন্ট সংক্রান্ত তথ্য নিমেষেই জানতে পারবেন।

দ্রুত উত্তরের জন্য নিচের টপিক চাপুন অথবা নিচে লিখুন:

উত্তরের তথ্য বিশ্লেষণ করা হচ্ছে...
eProstuti AI সহকারী
সার্বক্ষণিক সহায়তায় প্রস্তুত
লগইন আবশ্যক

ব্যক্তিগত সহায়তা এবং আপনার কোর্স, পরীক্ষা ও পেমেন্ট হিস্ট্রি দেখতে অ্যাকাউন্টে লগইন করুন।

* চ্যাটবট সরাসরি অ্যাকাউন্ট তৈরি বা লগইন করতে পারে না।