<p>‘সধবার একাদশী’ প্রহসনটির রচয়িতা হলেন <strong>দীনবন্ধু মিত্র</strong>। বাংলা সাহিত্যে প্রহসন রচনার ক্ষেত্রে তিনি এক অনন্য নাম। এই নাটকটি মূলত তৎকালীন সমাজের অবক্ষয় এবং মদ্যপানের কুফল নিয়ে অত্যন্ত চমৎকার ও ব্যঙ্গাত্মকভাবে লেখা হয়েছে।</p>
<p>সহজভাবে মনে রাখার জন্য নিচের পয়েন্টগুলো খেয়াল করুন:</p>
<ul>
<li><strong>দীনবন্ধু মিত্র</strong> তাঁর তীক্ষ্ণ রসবোধের জন্য পরিচিত, যা এই প্রহসনে ফুটে উঠেছে।</li>
<li>এই নাটকের প্রধান চরিত্র <strong>নিমচাঁদ</strong> বাংলা সাহিত্যের অন্যতম জনপ্রিয় ও স্মরণীয় একটি চরিত্র।</li>
<li>উনিশ শতকের সমাজচিত্র বুঝতে এই প্রহসনটি একটি গুরুত্বপূর্ণ দলিল হিসেবে কাজ করে।</li>
</ul>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>দীনবন্ধু মিত্র</strong>। বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ, কারণ বাংলা নাট্যসাহিত্যের ইতিহাসে 'নীলদর্পণ' একটি মাইলফলক হিসেবে পরিচিত।</p>
<ul>
<li>১৮৬০ সালে নীলকর চাষিদের ওপর হওয়া অমানবিক অত্যাচারের চিত্র তুলে ধরতে দীনবন্ধু মিত্র এই কালজয়ী নাটকটি রচনা করেন।</li>
<li>এটি বাংলা নাটকের ইতিহাসে প্রথম সার্থক সামাজিক নাটক হিসেবে স্বীকৃত।</li>
<li>সহজ কথায়, নীল বিদ্রোহের প্রেক্ষাপটে লেখা এই বিখ্যাত নাটকটির রচয়িতা হিসেবে দীনবন্ধু মিত্রের নামই ইতিহাসে স্থায়ী হয়ে আছে।</li>
</ul>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>ডাক বিভাগে</strong>। বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ, কারণ দীনবন্ধু মিত্র তাঁর কর্মজীবনের একটি বড় সময় ব্রিটিশ ভারতের ডাক বিভাগে অতিবাহিত করেছিলেন।</p>
<ul>
<li>তিনি ১৮৫৫ সালে ডাক বিভাগে পোস্টাল ইন্সপেক্টর হিসেবে কর্মজীবন শুরু করেন।</li>
<li>দীর্ঘদিন এই বিভাগে দায়িত্ব পালন করার সুবাদেই তিনি সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রা ও সমাজব্যবস্থাকে খুব কাছ থেকে দেখার সুযোগ পেয়েছিলেন।</li>
<li>তাঁর বিখ্যাত নাটক <strong>'নীল দর্পণ'</strong> রচনার পেছনেও এই কর্মজীবনের অভিজ্ঞতার বড় ভূমিকা ছিল।</li>
</ul>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>মধুসূদন</strong>। বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ। দীনবন্ধু মিত্রের বিখ্যাত নাটক 'নীলদর্পণ' যখন ইংরেজিতে অনুবাদের প্রয়োজন হয়, তখন এর দায়িত্ব পড়ে মাইকেল মধুসূদন দত্তের ওপর।</p>
<ul>
<li>১৮৬০ সালে নাটকটি প্রকাশিত হওয়ার পর এর গুরুত্ব বুঝে জেমস লং সাহেব এটি অনুবাদের উদ্যোগ নেন।</li>
<li>সেই সময়ে ইংরেজি ভাষায় দক্ষ এবং নাট্যকার হিসেবে পরিচিত <strong>মাইকেল মধুসূদন দত্ত</strong> খুব দ্রুত এই অনুবাদ সম্পন্ন করেন।</li>
<li>এই অনুবাদের কারণেই নাটকটি তৎকালীন ব্রিটিশ সরকারের বিরুদ্ধে ব্যাপক আলোড়ন সৃষ্টি করতে পেরেছিল।</li>
</ul>
<p>তাই পরীক্ষার জন্য মনে রাখবেন, নীলদর্পণের ইংরেজি অনুবাদক হিসেবে মধুসূদনের নামই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।</p>
৯৮০
'Uncle Tom's Cabin'- এর আদলে বাংলা কোন নাটকটি প্রকাশিত হয়?
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>নীলদর্পণ</strong>। বিষয়টি খুব সহজভাবে মনে রাখা যায়:</p>
<ul>
<li>বিখ্যাত আমেরিকান লেখিকা হ্যারিয়েট বিচার স্টো-এর লেখা <strong>'Uncle Tom's Cabin'</strong> উপন্যাসে দাসপ্রথার অমানবিক চিত্র ফুটে উঠেছিল।</li>
<li>ঠিক একইভাবে, দীনবন্ধু মিত্রের <strong>'নীলদর্পণ'</strong> নাটকে নীলকর সাহেবদের হাতে বাংলার কৃষকদের ওপর চালানো অকথ্য নির্যাতনের বাস্তব চিত্র তুলে ধরা হয়েছে।</li>
<li>মূলত সামাজিক শোষণের বিরুদ্ধে প্রতিবাদের ভাষা এবং জনমত তৈরির ক্ষেত্রে 'নীলদর্পণ' নাটকটি 'Uncle Tom's Cabin'-এর মতোই শক্তিশালী ভূমিকা পালন করেছিল।</li>
</ul>
<p>দীনবন্ধু মিত্র মূলত বাংলা সাহিত্যের একজন বিখ্যাত নাট্যকার। তিনি তাঁর শক্তিশালী লেখনীর মাধ্যমে তৎকালীন সমাজের বাস্তব চিত্র তুলে ধরেছেন।</p>
<ul>
<li>তাঁর সবচেয়ে আলোচিত ও কালজয়ী সৃষ্টি হলো <strong>'নীলদর্পণ'</strong> নাটক।</li>
<li>এই নাটকটি বাংলা নাট্যসাহিত্যের ইতিহাসে এক নতুন ধারার সূচনা করেছিল।</li>
<li>তিনি মূলত সামাজিক ও বাস্তবধর্মী নাটক রচনার জন্য পরিচিত, তাই সঠিক উত্তর হলো <strong>নাটক</strong>।</li>
</ul>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>দীনবন্ধু মিত্র</strong>।</p>
<p>বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ। দীনবন্ধু মিত্র বাংলা নাট্যসাহিত্যের একজন দিকপাল। তাঁর বিখ্যাত কিছু নাটকের তালিকা মাথায় রাখলে এমন প্রশ্ন খুব সহজেই সমাধান করা যায়:</p>
<ul>
<li>তাঁর সবচেয়ে আলোচিত নাটক হলো <strong>নীল দর্পণ</strong>।</li>
<li>এর পাশাপাশি <strong>জামাই বারিক</strong>, <strong>সধবার একাদশী</strong> এবং <strong>লীলাবতী</strong> নাটকগুলোও তাঁর অনবদ্য সৃষ্টি।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, সামাজিক প্রহসন বা নাটক হিসেবে 'জামাই বারিক' নামটি দীনবন্ধু মিত্রের নামেই বিশেষভাবে পরিচিত। তাই পরীক্ষার হলে এই নামগুলো একসাথে মনে রাখলে আর ভুল হওয়ার সুযোগ নেই!</p>
<p>সমগ্র পবিত্র কোরআনের প্রথম বাংলা অনুবাদক হলেন <strong>ভাই গিরীশচন্দ্র সেন</strong>। বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ:</p>
<ul>
<li>তিনি ১৮৮১ থেকে ১৮৮৬ সালের মধ্যে দীর্ঘ প্রচেষ্টায় এই অনুবাদ সম্পন্ন করেন।</li>
<li>বাংলা ভাষায় কোরআন শরীফের পূর্ণাঙ্গ অনুবাদের ক্ষেত্রে এটিই ছিল প্রথম এবং ঐতিহাসিক পদক্ষেপ।</li>
<li>তার এই কাজের মাধ্যমেই বাংলাভাষী সাধারণ মানুষের কাছে কোরআনের বাণী সহজবোধ্য হয়ে ওঠে।</li>
</ul>
<p>তাই সঠিক উত্তর হলো <strong>ভাই গিরীশচন্দ্র সেন</strong>।</p>
৯৮৪
বাংলা ভাষায় কোরান শরীফ-এরঅনুবাদক ‘গিরিশচন্দ্র সেন’ কোন ধর্মের অনুসারী ছিলেন?
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>ব্রাহ্ম ধর্ম</strong>। বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ।</p>
<ul>
<li>গিরিশচন্দ্র সেন ছিলেন একজন বিখ্যাত বাঙালি অনুবাদক এবং সমাজ সংস্কারক।</li>
<li>তিনি কেশবচন্দ্র সেনের আদর্শে অনুপ্রাণিত হয়ে <strong>ব্রাহ্ম ধর্মে</strong> দীক্ষিত হয়েছিলেন।</li>
<li>তার এই ধর্মীয় বিশ্বাসের কারণেই তিনি বিভিন্ন ধর্মের মূল বাণী সাধারণ মানুষের কাছে পৌঁছে দেওয়ার জন্য নিরলস কাজ করেছেন, যার অন্যতম বড় নিদর্শন হলো বাংলা ভাষায় কোরান শরীফের প্রথম পূর্ণাঙ্গ অনুবাদ।</li>
</ul>
৯৮৫
তাজকেরাতুল আওলিয়া অবলম্বেনে ‘তাপসমালা’ কে রচনা করেন?
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>গিরিশচন্দ্র সেন</strong>। বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ, কারণ তিনি বাংলা সাহিত্যে অনুবাদক হিসেবে অত্যন্ত পরিচিত একজন ব্যক্তিত্ব।</p>
<ul>
<li>ফারসি ভাষায় রচিত বিখ্যাত সুফি সাধকদের জীবনীগ্রন্থ <strong>'তাজকেরাতুল আওলিয়া'</strong>-এর ভাবানুবাদ করে তিনি বাংলা ভাষায় <strong>'তাপসমালা'</strong> নামে প্রকাশ করেন।</li>
<li>গিরিশচন্দ্র সেন মূলত ধর্মীয় ও আধ্যাত্মিক গ্রন্থ অনুবাদের জন্য বিখ্যাত, তাই এই কালজয়ী কাজটি তাঁর হাত দিয়েই সম্পন্ন হয়েছে।</li>
</ul>
<p>বাংলা সাহিত্যের প্রথম সার্থক ঔপন্যাসিক হলেন <strong>বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়</strong>। এর কারণটা খুব সহজ:</p>
<ul>
<li>বাংলা উপন্যাসের ধারায় বঙ্কিমচন্দ্রই প্রথম যিনি শিল্পসম্মত ও সার্থক উপন্যাসের ভিত্তি স্থাপন করেছিলেন।</li>
<li>তার লেখা <strong>'দুর্গেশনন্দিনী'</strong> (১৮৬৫) বাংলা সাহিত্যের প্রথম সার্থক উপন্যাস হিসেবে স্বীকৃত।</li>
<li>তিনিই প্রথম বাংলা উপন্যাসে আধুনিক গঠনশৈলী, চরিত্রচিত্রণ এবং ভাষার চমৎকার প্রয়োগ ঘটিয়েছিলেন, যা তাকে বাংলা সাহিত্যের 'সার্থক ঔপন্যাসিক' হিসেবে অনন্য উচ্চতায় বসিয়েছে।</li>
</ul>
দুর্গেশনন্দিনী সাহিত্যসম্রাট বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় রচিত প্রথম উপন্যাস। এটি বাংলা সাহিত্যের প্রথম সার্থক উপন্যাস। ১৮৬৫ সালের মার্চ মাসে এই উপন্যাসটি প্রকাশিত হয়। দুর্গেশনন্দিনী বঙ্কিমচন্দ্রের চব্বিশ থেকে ছাব্বিশ বছর বয়সের রচনা। এই উপন্যাস প্রকাশিত হওয়ার পর বাংলা কথাসাহিত্যের ধারায় এক নতুন যুগ প্রবর্তিত হয়।
৯৮৮
বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় রচিত প্রথম উপন্যাস কোনটি?
<p>বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের প্রথম উপন্যাস হলো <strong>দুর্গেশনন্দিনী</strong>। ১৮৬৫ সালে প্রকাশিত এই উপন্যাসটি বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসে এক নতুন যুগের সূচনা করেছিল।</p>
<p>সহজে মনে রাখার উপায়:</p>
<ul>
<li>বঙ্কিমচন্দ্রের সাহিত্যিক জীবনের শুরুটা হয়েছিল এই উপন্যাসটি দিয়েই।</li>
<li>এটি বাংলা ভাষায় রচিত প্রথম সার্থক রোমান্টিক উপন্যাস হিসেবে স্বীকৃত।</li>
<li>বাংলা সাহিত্যের পাঠকদের কাছে এটি একটি মাইলফলক, তাই বঙ্কিমচন্দ্রের নাম শুনলেই সবার আগে <strong>দুর্গেশনন্দিনী</strong>-র কথা মনে রাখা সবচেয়ে সহজ।</li>
</ul>
<p>‘দুর্গেশনন্দিনী’ শব্দটির অর্থ হলো <strong>দুর্গ প্রধানের কন্যা</strong>। বিষয়টি খুব সহজভাবে বোঝা যায় যদি আমরা শব্দটিকে ভেঙে দেখি:</p>
<ul>
<li>এখানে <strong>‘দুর্গেশ’</strong> বলতে বোঝায় দুর্গের অধিপতি বা দুর্গ প্রধানকে।</li>
<li>আর <strong>‘নন্দিনী’</strong> শব্দের অর্থ হলো কন্যা বা মেয়ে।</li>
</ul>
<p>তাই সন্ধি বা সমাস বিচারে ‘দুর্গেশ’ ও ‘নন্দিনী’ মিলে তৈরি হয়েছে ‘দুর্গেশনন্দিনী’, যার অর্থ দাঁড়ায় দুর্গ প্রধানের কন্যা। বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের বিখ্যাত উপন্যাসের নাম হিসেবেও আমরা এই শব্দটি নিয়মিত শুনে থাকি।</p>
৯৯০
বাংলা সাহিত্যের অনবদ্য উপন্যাস ‘কপালকুণ্ডলা’ এর রচয়িতা কে?
<p>বাংলা সাহিত্যের কালজয়ী উপন্যাস <strong>‘কপালকুণ্ডলা’</strong>-এর রচয়িতা হলেন <strong>বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়</strong>। ১৮৬৬ সালে প্রকাশিত এই উপন্যাসটি বাংলা সাহিত্যের রোমান্টিক ধারার এক অনন্য সৃষ্টি।</p>
<p>সহজভাবে মনে রাখার কিছু কৌশল:</p>
<ul>
<li>বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়কে বলা হয় <strong>'বঙ্গদর্শন'</strong> পত্রিকার প্রতিষ্ঠাতা এবং বাংলা উপন্যাসের জনক।</li>
<li>তার লেখা ‘কপালকুণ্ডলা’ উপন্যাসের বিখ্যাত উক্তি <strong>"পথিক, তুমি কি পথ হারাইয়াছ?"</strong> আজও পাঠকদের মুখে মুখে ফেরে।</li>
<li>এটি মূলত একটি রোমান্টিক ঘরানার উপন্যাস, যেখানে সমুদ্রতীরবর্তী পটভূমিতে কপালকুণ্ডলা চরিত্রটি অত্যন্ত নিপুণভাবে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে।</li>
</ul>
MCQ পরীক্ষা সেটিংস
বাংলা
eProstuti
সহজ ও দ্রুত ক্লাস করতে অ্যাপটি ইনস্টল করুন
iPhone / iPad এ ইনস্টল করুন
eProstuti
১Safari ব্রাউজারের নিচে থাকা Share ( ) বাটনে চাপ দিন।
২নিচের দিকে স্ক্রোল করে 'Add to Home Screen' ( ) নির্বাচন করুন।
৩উপরে ডানে থাকা 'Add' বাটনে ট্যাপ করুন।
Android এ অ্যাপ ইনস্টল করুন
eProstuti
১Chrome ব্রাউজারের উপরে ডানে থাকা থ্রি-ডট ( ) মেনু চাপুন।
২তালিকায় 'Install app' বা 'Add to Home screen' ( ) এ ট্যাপ করুন।
ডাউনলোড সম্পন্ন হলে ফাইলটি ওপেন করে Install চাপুন।
যদি "Install unknown apps" বা "Unknown sources" অনুমতি চায়, তাহলে সেটি Allow করে আবার ইনস্টল করুন।
ইনস্টল শেষ হলে অ্যাপটি খুলে আপনার অ্যাকাউন্টে লগইন করুন।
অ্যাপের সুবিধা:
সকল লাইভ ক্লাস
রেকর্ডেড ক্লাস
অনলাইন পরীক্ষা
ই-বুক ও নোটিশ
সবকিছু এক জায়গা থেকেই সহজে ব্যবহার করুন!
ব্রাউজারে খুলুন
⚠️ মনে হচ্ছে আপনি এই ওয়েবসাইটটি ফেসবুক বা অন্য কোনো অ্যাপের ভেতরের ব্রাউজার থেকে খুলেছেন।
ভালোভাবে কাজ করার জন্য দয়া করে এটি আপনার মূল ব্রাউজারে (যেমন Chrome) খুলুন।
👉 উপরে থাকা ⋮ বা ••• বাটনে চাপ দিন → তারপর “Open in Browser” সিলেক্ট করুন।