<p>বাংলা সাহিত্যের প্রথম সার্থক মহাকাব্য হলো <strong>মেঘনাদ বধ কাব্য</strong>। মাইকেল মধুসূদন দত্ত ১৮৬১ সালে এটি রচনা করেন। কেন এটি সার্থক মহাকাব্য, তার কারণগুলো নিচে দেওয়া হলো:</p>
<ul>
<li><strong>অমিত্রাক্ষর ছন্দের ব্যবহার:</strong> বাংলা কাব্যে প্রথমবারের মতো ছন্দ ও মিলের প্রথাগত শৃঙ্খল ভেঙে তিনি অমিত্রাক্ষর ছন্দের সফল প্রয়োগ করেন।</li>
<li><strong>মহাকাব্যের বৈশিষ্ট্য:</strong> এতে মহাকাব্যের প্রয়োজনীয় সব উপাদান যেমন—বীরত্ব, ট্র্যাজেডি, স্বর্গ-মর্ত্য-পাতালের বর্ণনা এবং বিশাল পটভূমি নিখুঁতভাবে ফুটে উঠেছে।</li>
<li><strong>নতুন দৃষ্টিভঙ্গি:</strong> প্রচলিত রামায়ণের কাহিনীকে তিনি সম্পূর্ণ নতুন আঙ্গিকে, বিশেষ করে রাবণ ও মেঘনাদকে বীরোচিত মহিমায় উপস্থাপন করেছেন, যা বাংলা সাহিত্যে এক অনন্য সংযোজন।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, গঠনশৈলী এবং বিষয়বস্তুর গভীরতার দিক থেকে এটিই বাংলা সাহিত্যের প্রথম পূর্ণাঙ্গ ও সার্থক মহাকাব্য।</p>
<p>বাংলা সাহিত্যের প্রথম মহাকবি হলেন <strong>মাইকেল মধুসূদন দত্ত</strong>। বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ:</p>
<ul>
<li>বাংলা সাহিত্যে সনেট বা চতুর্দশপদী কবিতার প্রবর্তক তিনিই।</li>
<li>তার অমর সৃষ্টি <strong>'মেঘনাদবধ কাব্য'</strong> বাংলা সাহিত্যের প্রথম সার্থক মহাকাব্য।</li>
<li>মহাকাব্যের সমস্ত বৈশিষ্ট্য যেমন—বিশাল কলেবর, বীরত্বগাথা এবং অলঙ্কারিক ভাষা তিনি বাংলা সাহিত্যে প্রথম সফলভাবে প্রয়োগ করেছিলেন।</li>
</ul>
<p>তাই মহাকাব্যের জনক বা প্রথম মহাকবি হিসেবে মাইকেল মধুসূদন দত্তের নামই সবার আগে আসে।</p>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>মাইকেল মধুসূদন দত্ত</strong>। বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসে এটি একটি মাইলফলক সৃষ্টি করা মহাকাব্য।</p>
<p>সহজভাবে মনে রাখার জন্য নিচের বিষয়গুলো খেয়াল করুন:</p>
<ul>
<li><strong>মাইকেল মধুসূদন দত্ত</strong> ১৮৬১ সালে এই অমর মহাকাব্যটি রচনা করেন।</li>
<li>বাংলা সাহিত্যে অমিত্রাক্ষর ছন্দের প্রবর্তক হিসেবে তিনি এই কাব্যের মাধ্যমেই তার শ্রেষ্ঠত্বের প্রমাণ দেন।</li>
<li>রামায়ণের কাহিনী অবলম্বনে রচিত এই কাব্যে মেঘনাদ চরিত্রটিকে তিনি এক নতুন উচ্চতায় নিয়ে গেছেন, যা বাংলা সাহিত্যে এক অনন্য সংযোজন।</li>
</ul>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>রামায়ণ</strong>। মাইকেল মধুসূদন দত্তের অমর সৃষ্টি ‘মেঘনাদবধ কাব্য’ মূলত বাল্মীকি রচিত রামায়ণের কাহিনী অবলম্বনে লেখা।</p>
<p>বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ:</p>
<ul>
<li>মূল রামায়ণে রাবণ ও মেঘনাদকে খলনায়ক হিসেবে দেখানো হলেও, মধুসূদন দত্ত এখানে তাদের বীরত্ব ও মানবিক দিকগুলো ফুটিয়ে তুলেছেন।</li>
<li>তিনি রামায়ণের কাহিনীকে ভিত্তি হিসেবে নিলেও, নিজের সৃজনশীলতায় এতে যোগ করেছেন পাশ্চাত্য মহাকাব্যের ধ্রুপদী শৈলী।</li>
<li>তাই কাব্যটির মূল উৎস বা প্রেক্ষাপট হিসেবে সবসময় <strong>রামায়ণ</strong>-কেই ধরা হয়।</li>
</ul>
<p>মাইকেল মধুসূদন দত্তের কালজয়ী মহাকাব্য ‘মেঘনাদ বধ’ কাব্যে মোট সর্গের সংখ্যা হলো <strong>৯টি</strong>।</p>
<p>সহজে মনে রাখার জন্য বিষয়টি এভাবে দেখতে পারেন:</p>
<ul>
<li>মহাকাব্যটি মোট ৯টি সর্গে বিভক্ত।</li>
<li>এর প্রতিটি সর্গের নামকরণ করা হয়েছে ঘটনার গুরুত্ব অনুযায়ী।</li>
<li>পুরো কাব্যটি অমিত্রাক্ষর ছন্দে রচিত, যা বাংলা সাহিত্যে এক নতুন ধারার সূচনা করেছিল।</li>
</ul>
<p>অর্থাৎ, সঠিক উত্তরটি হলো <strong>৯টি</strong>।</p>
৯০৬
মধুসূদন দত্তের ‘মেঘনাদ বধ কাব্য’ প্রকৃতপক্ষে কোন রসের কাব্য?
<p>মধুসূদন দত্তের ‘মেঘনাদ বধ কাব্য’ প্রকৃতপক্ষে <strong>বীররস</strong> প্রধান একটি মহাকাব্য। এর কারণগুলো খুব সহজ:</p>
<ul>
<li>মাইকেল মধুসূদন দত্ত বাংলা সাহিত্যে পাশ্চাত্য মহাকাব্যের আদলে বীরত্বগাথা বা এপিক রীতির প্রবর্তন করেছিলেন।</li>
<li>এই কাব্যে মেঘনাদ, রাবণ এবং লক্ষ্মণের মতো চরিত্রগুলোর যুদ্ধ, বীরত্ব এবং সাহসিকতার বর্ণনা প্রাধান্য পেয়েছে।</li>
<li>যদিও কাব্যের শেষভাগে করুণ রসের ছোঁয়া আছে, কিন্তু সামগ্রিক গঠন, ভাষা এবং মহাকাব্যিক শৈলীর বিচারে এটি মূলত <strong>বীররস</strong>-এর সার্থক উদাহরণ।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, মহাকাব্যের প্রধান বৈশিষ্ট্য হলো বীরত্ব বা শৌর্য-বীর্যের প্রকাশ, যা এই কাব্যের প্রতিটি ছত্রে ফুটে উঠেছে।</p>
<p>বাংলা কাব্যে আধুনিকতার পথিকৃৎ হলেন <strong>মাইকেল মধুসূদন দত্ত</strong>। এর কারণ খুব সহজ:</p>
<ul>
<li>তিনিই প্রথম বাংলা কবিতায় <strong>অমিত্রাক্ষর ছন্দ</strong> (Blank Verse) প্রবর্তন করেন, যা বাংলা কাব্যকে প্রথাগত ছন্দের গণ্ডি থেকে মুক্তি দেয়।</li>
<li>তার বিখ্যাত মহাকাব্য <strong>মেঘনাদবধ কাব্য</strong> বাংলা সাহিত্যে আধুনিকতার এক অনন্য মাইলফলক।</li>
<li>তিনি সনেট বা চতুর্দশপদী কবিতার সার্থক প্রবর্তক, যা বাংলা সাহিত্যে সম্পূর্ণ নতুন এক ধারার সূচনা করেছিল।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, বাংলা কবিতার কাঠামো ও আঙ্গিকে আমূল পরিবর্তন এনে একে বিশ্বমানের আধুনিকতায় উন্নীত করার কৃতিত্ব একমাত্র তাঁরই।</p>
৯০৮
‘দি ক্যাপটিভ লেডি’ (The Captive Lady) কাব্যটি লিখেছেন-
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>মাইকেল মধুসূদন দত্ত</strong>।</p>
<p>বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ। মাইকেল মধুসূদন দত্তের ইংরেজি ভাষায় লেখা প্রথম কাব্যগ্রন্থ হলো <strong>'The Captive Lady'</strong>, যা ১৮৪৯ সালে প্রকাশিত হয়েছিল। এই কাব্যগ্রন্থটি প্রকাশের মাধ্যমেই তিনি সাহিত্য জগতে নিজের প্রতিভার স্বাক্ষর রাখতে শুরু করেন।</p>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>তিলোত্তমা সম্ভব কাব্য</strong>। মাইকেল মধুসূদন দত্ত বাংলা সাহিত্যে প্রথমবার অমিত্রাক্ষর ছন্দের সফল প্রয়োগ করেছিলেন এই কাব্যগ্রন্থটির মাধ্যমেই।</p>
<p>সহজে মনে রাখার জন্য নিচের বিষয়গুলো খেয়াল করুন:</p>
<ul>
<li><strong>তিলোত্তমা সম্ভব কাব্য</strong> ১৮৬০ সালে প্রকাশিত হয়, যা বাংলা সাহিত্যের প্রথম অমিত্রাক্ষর ছন্দে রচিত কাব্য।</li>
<li>মধুসূদন দত্তের এই কাব্যটিই বাংলা কবিতার ছন্দে এক নতুন দিগন্ত উন্মোচন করে, যা পরবর্তীতে তাঁর বিখ্যাত <strong>মেঘনাদবধ কাব্য</strong> রচনার পথ প্রশস্ত করে।</li>
<li>পরীক্ষায় প্রায়ই প্রশ্ন আসে, তাই মনে রাখবেন—অমিত্রাক্ষর ছন্দের প্রথম প্রয়োগ মানেই হলো <strong>তিলোত্তমা সম্ভব কাব্য</strong>।</li>
</ul>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>পত্রকাব্য</strong>। মাইকেল মধুসূদন দত্তের ‘বীরাঙ্গনা’ কাব্যটি মূলত পত্রকাব্য বা পত্রাত্মক কাব্য। এর পেছনের কারণটা খুব সহজ:</p>
<ul>
<li>এই কাব্যের প্রতিটি কবিতা এক একটি পত্র বা চিঠির আকারে লেখা।</li>
<li>এখানে পৌরাণিক নারীরা তাদের মনের কথা, আবেগ ও অভিমান সরাসরি তাদের স্বামী বা প্রেমিকের কাছে চিঠির মাধ্যমে প্রকাশ করেছেন।</li>
<li>বাংলা সাহিত্যে অমিত্রাক্ষর ছন্দে লেখা এটিই প্রথম সার্থক পত্রকাব্য।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, যেহেতু পুরো কাব্যটি চিঠির আদলে সাজানো, তাই একে পত্রকাব্য বলা হয়।</p>
<p>‘কপোতাক্ষ নদ’ হলো একটি সার্থক <strong>সনেট</strong> বা চতুর্দশপদী কবিতা। সনেট চেনার সবচেয়ে সহজ উপায় হলো এর গঠনশৈলী:</p>
<ul>
<li><strong>চৌদ্দ চরণ:</strong> সনেটের প্রতিটি কবিতায় ঠিক ১৪টি লাইন বা চরণ থাকে।</li>
<li><strong>চৌদ্দ মাত্রা:</strong> প্রতিটি লাইনে সাধারণত ১৪টি মাত্রা থাকে।</li>
<li><strong>ভাবের বিন্যাস:</strong> সনেটের প্রথম ৮ লাইনকে বলা হয় ‘অষ্টক’ (যেখানে ভাবের প্রবর্তনা থাকে) এবং পরের ৬ লাইনকে বলা হয় ‘ষটক’ (যেখানে ভাবের পরিণতি ঘটে)।</li>
</ul>
<p>মাইকেল মধুসূদন দত্ত বাংলা সাহিত্যে সনেটের প্রবর্তক। ‘কপোতাক্ষ নদ’ কবিতাটি এই কাঠামোর নিখুঁত উদাহরণ, তাই এটি একটি সনেট। এর গঠনটি হলো: $৮ + ৬ = ১৪$ লাইন।</p>
<p>‘কৃষ্ণকুমারী’ নাটকের সঠিক উত্তর হলো <strong>মাইকেল মধুসূধন দত্ত</strong>।</p>
<p>বিষয়টা মনে রাখা খুব সহজ। বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসে মাইকেল মধুসূধন দত্তকে আধুনিক নাটকের জনক বলা হয়। তাঁর লেখা এই নাটকটি বাংলা সাহিত্যের প্রথম সার্থক ট্র্যাজেডি বা বিয়োগান্তক নাটক হিসেবে পরিচিত।</p>
<ul>
<li><strong>নাটকের নাম:</strong> কৃষ্ণকুমারী</li>
<li><strong>রচয়িতা:</strong> মাইকেল মধুসূধন দত্ত</li>
<li><strong>বিশেষত্ব:</strong> এটি ১৮৬১ সালে প্রকাশিত হয় এবং এটিই বাংলা ভাষার প্রথম মৌলিক ঐতিহাসিক ট্র্যাজেডি।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, রাজস্থানের ইতিহাসের প্রেক্ষাপটে লেখা এই কালজয়ী নাটকটির স্রষ্টা হিসেবে মাইকেল মধুসূধন দত্তের নামই সবার আগে মনে রাখতে হবে।</p>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>মায়াকানন</strong>। মাইকেল মধুসূদন দত্তের সাহিত্যকর্মের তালিকাটি খেয়াল করলে খুব সহজেই এটি মনে রাখা যায়।</p>
<ul>
<li>মধুসূদন দত্তের সর্বশেষ নাটক হলো <strong>মায়াকানন</strong>।</li>
<li>এটি একটি পৌরাণিক নাটক, যা ১৮৭৪ সালে প্রকাশিত হয়।</li>
<li>মধুসূদনের নাট্যসাহিত্যের ধারায় এটি তার শেষ অবদান হিসেবে পরিচিত।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, মধুসূদনের নাটকগুলোর নাম মনে রাখার সময় 'শর্মিষ্ঠা', 'পদ্মাবতী' বা 'কৃষ্ণকুমারী'-র পাশাপাশি <strong>মায়াকানন</strong>-এর নামটিও মনে রাখা জরুরি, কারণ এটি তার শেষ সৃষ্টি।</p>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>প্রহসন</strong>। মাইকেল মধুসূদন দত্তের লেখা ‘বুড়ো শালিকের ঘাড়ে রো’ মূলত একটি সমাজ সচেতনতামূলক ব্যঙ্গাত্মক নাটক বা প্রহসন।</p>
<p>সহজভাবে মনে রাখার উপায়:</p>
<ul>
<li>এই শিল্পকর্মটিতে তৎকালীন সমাজের ভণ্ডামি এবং কুসংস্কারকে হাস্যরসের মাধ্যমে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে।</li>
<li>যেহেতু এতে সমাজের অসঙ্গতিগুলোকে ব্যঙ্গ করে ছোট আকারে উপস্থাপন করা হয়েছে, তাই সাহিত্যিক ভাষায় একে <strong>প্রহসন</strong> বলা হয়।</li>
<li>মধুসূদন দত্তের প্রহসনগুলোর মধ্যে এটি অন্যতম জনপ্রিয় একটি কাজ, যা মূলত সমাজের অন্ধকার দিকগুলো নিয়ে মজা করে আমাদের সচেতন করে।</li>
</ul>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>মাইকেল মধুসূদন দত্ত</strong>।</p>
<p>বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ। মাইকেল মধুসূদন দত্ত বাংলা সাহিত্যে প্রহসন রচনার ক্ষেত্রে একজন পথিকৃৎ। তাঁর লেখা দুটি বিখ্যাত প্রহসন হলো:</p>
<ul>
<li><strong>‘একেই কি বলে সভ্যতা?’</strong></li>
<li><strong>‘বুড়ো শালিকের ঘাড়ে রো’</strong></li>
</ul>
<p>এই প্রহসনগুলোতে তিনি তৎকালীন সমাজের কুসংস্কার এবং ভণ্ডামিকে অত্যন্ত তীক্ষ্ণ ও হাস্যরসাত্মক ভাষায় ফুটিয়ে তুলেছেন। তাই যখনই ‘বুড়ো শালিকের ঘাড়ে রো’-এর কথা আসবে, চোখ বন্ধ করে মাইকেল মধুসূদন দত্তের নাম মনে রাখলেই হবে!</p>
MCQ পরীক্ষা সেটিংস
বাংলা
eProstuti
সহজ ও দ্রুত ক্লাস করতে অ্যাপটি ইনস্টল করুন
iPhone / iPad এ ইনস্টল করুন
eProstuti
১Safari ব্রাউজারের নিচে থাকা Share ( ) বাটনে চাপ দিন।
২নিচের দিকে স্ক্রোল করে 'Add to Home Screen' ( ) নির্বাচন করুন।
৩উপরে ডানে থাকা 'Add' বাটনে ট্যাপ করুন।
Android এ অ্যাপ ইনস্টল করুন
eProstuti
১Chrome ব্রাউজারের উপরে ডানে থাকা থ্রি-ডট ( ) মেনু চাপুন।
২তালিকায় 'Install app' বা 'Add to Home screen' ( ) এ ট্যাপ করুন।
ডাউনলোড সম্পন্ন হলে ফাইলটি ওপেন করে Install চাপুন।
যদি "Install unknown apps" বা "Unknown sources" অনুমতি চায়, তাহলে সেটি Allow করে আবার ইনস্টল করুন।
ইনস্টল শেষ হলে অ্যাপটি খুলে আপনার অ্যাকাউন্টে লগইন করুন।
অ্যাপের সুবিধা:
সকল লাইভ ক্লাস
রেকর্ডেড ক্লাস
অনলাইন পরীক্ষা
ই-বুক ও নোটিশ
সবকিছু এক জায়গা থেকেই সহজে ব্যবহার করুন!
ব্রাউজারে খুলুন
⚠️ মনে হচ্ছে আপনি এই ওয়েবসাইটটি ফেসবুক বা অন্য কোনো অ্যাপের ভেতরের ব্রাউজার থেকে খুলেছেন।
ভালোভাবে কাজ করার জন্য দয়া করে এটি আপনার মূল ব্রাউজারে (যেমন Chrome) খুলুন।
👉 উপরে থাকা ⋮ বা ••• বাটনে চাপ দিন → তারপর “Open in Browser” সিলেক্ট করুন।