eProstuti
স্বাগতম শিক্ষার্থী!

অনলাইন কোর্স ও পরীক্ষায় অংশ নিতে লগইন করুন

লগইন / রেজিস্টার
ওয়েবসাইট মেন্যু

এসএসসি ২০২৬ এর রেজাল্ট সবার আগে পেতে এখনই বুকিং করো

বুক করো
MCQ: ৩৪৫১৩ টি
সকল বিষয়
বাংলা
সঠিক উত্তর বাছাই করে আপনার প্রস্তুতি যাচাই করুন
৯১৬

‘একেই কি বলে সভ্যতা? কে লিখেছেন?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
মাইকেল মধুসূদন দত্ত
ব্যাখ্যা:
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>মাইকেল মধুসূদন দত্ত</strong>।</p>

<p>বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ। মাইকেল মধুসূদন দত্ত বাংলা সাহিত্যে প্রহসন রচনার ক্ষেত্রে একজন পথিকৃৎ। তিনি মূলত তৎকালীন সমাজের কুসংস্কার এবং অসংগতি নিয়ে দুটি বিখ্যাত প্রহসন লিখেছিলেন:</p>

<ul>
<li><strong>একেই কি বলে সভ্যতা?</strong></li>
<li><strong>বুড়ো শালিকের ঘাড়ে রোঁ</strong></li>
</ul>

<p>এই দুটি প্রহসনই তাঁর নিজস্ব ব্যঙ্গাত্মক রচনার শৈলীর জন্য বাংলা সাহিত্যে অমর হয়ে আছে। তাই যখনই এই নাটকের নাম আসবে, চোখ বন্ধ করে মাইকেল মধুসূদন দত্তের নাম মনে রাখলেই হবে।</p>
৯১৭

‘একেই কি বলে সভ্যতা’ এটি মধুসূদন দত্তের কি জাতীয় রচনা?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
প্রহসন
ব্যাখ্যা:
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>প্রহসন</strong>। মাইকেল মধুসূদন দত্তের ‘একেই কি বলে সভ্যতা’ একটি অত্যন্ত জনপ্রিয় সামাজিক প্রহসন।</p>

<p>সহজভাবে মনে রাখার উপায়:</p>
<ul>
<li>মধুসূদন দত্তের এই নাটকটি মূলত তৎকালীন সমাজের কুসংস্কার এবং তথাকথিত শিক্ষিত সমাজের ভণ্ডামিকে ব্যঙ্গ করে লেখা হয়েছে।</li>
<li>যেহেতু এটি সমাজের অসঙ্গতিগুলোকে হাস্যরসের মাধ্যমে ফুটিয়ে তোলে, তাই সাহিত্যিক ভাষায় একে <strong>প্রহসন</strong> বা <strong>Farce</strong> বলা হয়।</li>
<li>মধুসূদন দত্তের আরেকটি বিখ্যাত প্রহসন হলো ‘বুড়ো শালিকের ঘাড়ে রোঁ’।</li>
</ul>
৯১৮

মাইকেল মধুসূদ দত্তের ‘বীরঙ্গনা কাব্য’ কোন ধরনের কাব্য?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
পত্রকাব্য
ব্যাখ্যা:
<p>মাইকেল মধুসূদন দত্তের <strong>‘বীরঙ্গনা কাব্য’</strong> হলো বাংলা সাহিত্যের প্রথম সার্থক <strong>পত্রকাব্য</strong>। এই কাব্যগ্রন্থটি মূলত ওভিদের ‘হেরোইডস’ (Heroides) কাব্য অবলম্বনে রচিত।</p>

<p>সহজভাবে মনে রাখার উপায়:</p>
<ul>
<li>এই কাব্যে পৌরাণিক নারীরা তাদের প্রিয়জনদের উদ্দেশ্যে পত্র বা চিঠি লিখছেন।</li>
<li>পুরো কাব্যটি ১১টি পত্রের সমন্বয়ে গঠিত, যেখানে নারী চরিত্রের আবেগ ও মানসিক দ্বন্দ্ব চিঠির মাধ্যমে ফুটে উঠেছে।</li>
<li>তাই বিষয়বস্তু ও কাঠামোর দিক থেকে এটি একটি অনন্য <strong>পত্রকাব্য</strong>।</li>
</ul>
৯১৯

‘সনেট’ কবিতার প্রবর্তক কে?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
মাইকেল মধুসূদন দত্ত
ব্যাখ্যা:
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>মাইকেল মধুসূদন দত্ত</strong>। বাংলা সাহিত্যে সনেট বা চতুর্দশপদী কবিতার প্রবর্তক হিসেবে তিনিই সবচেয়ে জনপ্রিয় ও স্বীকৃত নাম।</p>

<p>বিষয়টি মনে রাখার সহজ কিছু পয়েন্ট:</p>
<ul>
<li>মাইকেল মধুসূদন দত্ত ইতালীয় কবি পেত্রার্কের সনেট রীতিকে বাংলা সাহিত্যে প্রথম সার্থকভাবে প্রয়োগ করেন।</li>
<li>তার বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ <strong>'চতুর্দশপদী কবিতাবলী'</strong> বাংলা সাহিত্যে সনেটের ভিত্তি স্থাপন করে।</li>
<li>প্রতিটি সনেটে সাধারণত <strong>১৪টি চরণ</strong> থাকে এবং নির্দিষ্ট ছন্দ ও মিলবিন্যাস অনুসরণ করা হয়, যা তিনি বাংলা ভাষায় প্রথম সফলভাবে নিয়ে আসেন।</li>
</ul>
৯২০

মাইকেল মধুসূদন দত্তের দেশপ্রেম প্রবল প্রকাশ ঘটেছে ---

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
সনেটে
৯২১

মাইকেল মধুসূদন দত্ত প্রবর্তিত নতুন ছন্দের নাম-

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
অমিত্রাক্ষর
ব্যাখ্যা:
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>অমিত্রাক্ষর</strong>। বিষয়টি খুব সহজ, মাইকেল মধুসূদন দত্ত বাংলা কাব্যে নতুন এক ধারার সূচনা করেছিলেন যা আগে কখনো ছিল না।</p>

<ul>
<li>বাংলা কবিতায় সাধারণত অন্ত্যমিল (ছন্দের শেষে মিল থাকা) বজায় রাখা হতো, কিন্তু মধুসূদন এই প্রথা ভেঙে নতুন এক ছন্দ নিয়ে আসেন।</li>
<li>এই ছন্দে লাইনের শেষে কোনো মিল রাখার বাধ্যবাধকতা নেই, তাই একে বলা হয় <strong>অমিত্রাক্ষর ছন্দ</strong>।</li>
<li>তাঁর বিখ্যাত মহাকাব্য 'মেঘনাদবধ কাব্য' এই ছন্দেই লেখা, যা বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসে এক বৈপ্লবিক পরিবর্তন এনেছিল।</li>
</ul>
৯২২

বাংলা সাহিত্যে অমিত্রাক্ষর ছন্দের প্রবর্তক কে?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
মধুসূদন দত্ত
ব্যাখ্যা:
<p>বাংলা সাহিত্যে অমিত্রাক্ষর ছন্দের প্রবর্তক হলেন <strong>মাইকেল মধুসূদন দত্ত</strong>। বিষয়টি মনে রাখা খুবই সহজ:</p>

<ul>
<li>বাংলা কাব্যে দীর্ঘকাল ধরে পয়ার ছন্দের একচ্ছত্র আধিপত্য ছিল।</li>
<li>মধুসূদন দত্ত ইংরেজি সাহিত্যের ব্ল্যাঙ্ক ভার্স (Blank Verse)-এর আদলে বাংলায় <strong>অমিত্রাক্ষর ছন্দ</strong> প্রবর্তন করেন।</li>
<li>তাঁর বিখ্যাত মহাকাব্য <strong>'মেঘনাদবধ কাব্য'</strong>-এ তিনি প্রথম এই ছন্দের সার্থক ও চমৎকার প্রয়োগ ঘটান, যা বাংলা কবিতার গঠনশৈলীকে চিরতরে বদলে দেয়।</li>
</ul>

<p>সহজ কথায়, বাংলা কবিতায় ছন্দের মুক্তি এবং নতুন ধারার সূচনাকারী হিসেবে মধুসূদন দত্তের নামই সবার আগে আসে।</p>
৯২৩

অমিত্রাক্ষর ছন্দে রচিত মহাকাব্য ‘মেঘনাদ বধ’ এর রচয়িতা কে?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
মাইকেল মধুসূদন দত্ত
ব্যাখ্যা:
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>মাইকেল মধুসূদন দত্ত</strong>। বিষয়টি মনে রাখা খুবই সহজ:</p>

<ul>
<li>বাংলা সাহিত্যে <strong>অমিত্রাক্ষর ছন্দের</strong> প্রবর্তকই হলেন মাইকেল মধুসূদন দত্ত।</li>
<li>তার অমর সৃষ্টি <strong>'মেঘনাদবধ কাব্য'</strong> বাংলা সাহিত্যের প্রথম সার্থক মহাকাব্য, যা তিনি এই ছন্দেই লিখেছিলেন।</li>
<li>১৮৬১ সালে প্রকাশিত এই মহাকাব্যটি বাংলা কবিতার গঠন ও শৈলীতে এক বৈপ্লবিক পরিবর্তন নিয়ে এসেছিল।</li>
</ul>

<p>তাই যখনই অমিত্রাক্ষর ছন্দ এবং মেঘনাদবধ কাব্যের কথা আসবে, চোখ বন্ধ করে মাইকেল মধুসূদন দত্তের নাম মনে রাখলেই হবে!</p>
৯২৪

‘প্যারাডাইস লস্ট’ কার রচনা?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
মিল্টন
ব্যাখ্যা:
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>মিল্টন</strong>। জন মিল্টনের অমর মহাকাব্য ‘প্যারাডাইস লস্ট’ (Paradise Lost) ইংরেজি সাহিত্যের অন্যতম শ্রেষ্ঠ সৃষ্টি।</p>

<p>সহজে মনে রাখার জন্য নিচের বিষয়গুলো খেয়াল রাখতে পারেন:</p>
<ul>
<li>এটি মূলত একটি মহাকাব্য যা ১৬৬৭ সালে প্রথম প্রকাশিত হয়।</li>
<li>গল্পটি বাইবেলের আদমের পতন এবং স্বর্গ থেকে শয়তানের বিতাড়িত হওয়ার ঘটনা নিয়ে লেখা।</li>
<li>জন মিল্টন অন্ধ থাকা অবস্থায় তার মেয়ের কাছে এই মহাকাব্যের লাইনগুলো মুখে বলে লিখিয়ে নিয়েছিলেন, যা সাহিত্য ইতিহাসে এক অনন্য ঘটনা।</li>
</ul>
৯২৫

‘একেই কি বলে সভ্যতা’ বিষয়ের দিক হতে একটি-

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
প্রহসন
ব্যাখ্যা:
<p>মাইকেল মধুসূদন দত্তের লেখা <strong>‘একেই কি বলে সভ্যতা’</strong> নাটকটি মূলত একটি <strong>প্রহসন</strong>। এই রচনার মূল বৈশিষ্ট্য হলো:</p>

<ul>
<li>এটি উনিশ শতকের সমাজের অবক্ষয় এবং তৎকালীন যুবসমাজের উচ্ছৃঙ্খল জীবনযাত্রাকে ব্যঙ্গ করে লেখা।</li>
<li>হাস্যরসের আড়ালে সমাজের কুসংস্কার ও অসংগতিগুলো এখানে খুব স্পষ্টভাবে তুলে ধরা হয়েছে।</li>
<li>সাহিত্যের ভাষায়, যে নাটকে হাস্যরসাত্মক ঘটনার মাধ্যমে সমাজের দোষ-ত্রুটি ফুটিয়ে তোলা হয়, তাকেই প্রহসন বলা হয়।</li>
</ul>

<p>সহজ কথায়, সমাজকে শোধরানোর জন্য ব্যঙ্গাত্মক ও কৌতুকপূর্ণ উপায়ে যে নাটক লেখা হয়, এটি ঠিক সেই ঘরানার একটি কালজয়ী সৃষ্টি।</p>
৯২৬

বাংলা সাহিত্যের প্রথম সার্থক ট্র্যাজেডী নাটক-

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
কৃষ্ণকুমারী
ব্যাখ্যা:
<p>বাংলা সাহিত্যের প্রথম সার্থক ট্র্যাজেডী নাটক হলো মাইকেল মধুসূদন দত্তের <strong>কৃষ্ণকুমারী</strong>। এর পেছনে মূল কারণগুলো হলো:</p>

<ul>
<li><strong>ট্র্যাজেডীর বৈশিষ্ট্য:</strong> এই নাটকে কাহিনীর পরিণতি অত্যন্ত করুণ এবং গম্ভীর, যা ট্র্যাজেডী নাটকের প্রধান শর্ত।</li>
<li><strong>শৈল্পিক গঠন:</strong> মধুসূদন দত্ত পাশ্চাত্য নাট্যরীতির অনুকরণে এই নাটকে ঘটনার সংহতি এবং চরিত্রের গভীরতা ফুটিয়ে তুলেছেন, যা বাংলা সাহিত্যে এর আগে দেখা যায়নি।</li>
<li><strong>ঐতিহাসিক পটভূমি:</strong> রাজস্থানের ইতিহাসের একটি করুণ কাহিনীকে কেন্দ্র করে নাটকটি রচিত হয়েছে, যেখানে নায়িকার আত্মাহুতির মাধ্যমে কাহিনীর সমাপ্তি ঘটে।</li>
</ul>

<p>সহজ কথায়, গঠনশৈলী এবং করুণ রসের সার্থক প্রয়োগের কারণেই <strong>কৃষ্ণকুমারী</strong>-কে বাংলা সাহিত্যের প্রথম সার্থক ট্র্যাজেডী হিসেবে গণ্য করা হয়।</p>
৯২৭

‘কেলিনু শৈবালে ভুলি কমল-কানন’-এখানে ‘কমল-কানন’ শব্দের ব্যাঞ্জনার্থ-

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
বাংলা ভাষা
ব্যাখ্যা:
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>বাংলা ভাষা</strong>। মাইকেল মধুসূদন দত্তের ‘বঙ্গভাষা’ সনেটে কবি দেশীয় ভাষার প্রতি অবহেলা করে বিদেশী ভাষার মোহে মগ্ন থাকার ভুলটি তুলে ধরেছেন।</p>

<p>বিষয়টি খুব সহজভাবে এভাবে বোঝা যায়:</p>
<ul>
<li>এখানে <strong>‘কমল-কানন’</strong> বলতে কবি রূপক অর্থে তার নিজের মাতৃভাষা বা <strong>বাংলা ভাষাকে</strong> বুঝিয়েছেন।</li>
<li>কবি যখন বিদেশী ভাষার পেছনে ছুটেছেন, তখন তিনি নিজের মাতৃভাষার সৌন্দর্য ও মাধুর্যকে ভুলে ছিলেন।</li>
<li>তাই ‘কমল-কানন’ বা পদ্মবনের মতো সুন্দর ও আপন সম্পদকে উপেক্ষা করে বিদেশী ভাষার মোহে মজে থাকাকেই কবি এখানে ব্যঞ্জনা বা রূপকের মাধ্যমে ফুটিয়ে তুলেছেন।</li>
</ul>
৯২৮

Blank Verse অর্থ-

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
অমিত্রাক্ষর
ব্যাখ্যা:
<p>সহজ কথায়, <strong>Blank Verse</strong>-এর বাংলা প্রতিশব্দ হলো <strong>অমিত্রাক্ষর</strong> ছন্দ। মাইকেল মধুসূদন দত্ত বাংলা সাহিত্যে এই ছন্দের প্রবর্তক। এই ছন্দের মূল বৈশিষ্ট্যগুলো নিচে দেওয়া হলো:</p>

<ul>
<li>এই ছন্দে কোনো পঙক্তির শেষে মিল থাকে না।</li>
<li>প্রতিটি চরণের দৈর্ঘ্য সাধারণত ১৪ মাত্রার হয়।</li>
<li>কবিতার ভাব এক লাইন থেকে অন্য লাইনে অনায়াসে প্রবাহিত হয়, যাকে বলা হয় <strong>Enjambment</strong>।</li>
</ul>

<p>সহজ করে মনে রাখার উপায় হলো, যেখানে অন্ত্যমিল বা শেষের মিল নেই, সেটিই হলো অমিত্রাক্ষর ছন্দ।</p>
৯২৯

মাইকেল মধুসূদন দত্তের ‘মেঘনাদবধ কাব্য’ কোন্ ছন্দে রচিত?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
অমিত্রাক্ষর ছন্দ
ব্যাখ্যা:
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>অমিত্রাক্ষর ছন্দ</strong>। মাইকেল মধুসূদন দত্ত বাংলা সাহিত্যে এই ছন্দের প্রবর্তক।</p>

<p>বিষয়টা খুব সহজভাবে মনে রাখতে পারেন:</p>

<ul>
<li><strong>অমিত্রাক্ষর ছন্দ</strong> হলো এমন এক ছন্দ যেখানে পঙক্তির শেষে মিল থাকে না।</li>
<li>মধুসূদন দত্ত ইংরেজি 'ব্ল্যাঙ্ক ভার্স' (Blank Verse)-এর অনুকরণে বাংলায় এই ছন্দের প্রচলন করেন।</li>
<li>তাঁর বিখ্যাত মহাকাব্য <strong>‘মেঘনাদবধ কাব্য’</strong> পুরোপুরি এই অমিত্রাক্ষর ছন্দেই লেখা, যা বাংলা কবিতার গঠনশৈলীতে এক বৈপ্লবিক পরিবর্তন এনেছিল।</li>
</ul>

<p>সহজ কথায়, মিলহীন এই ছন্দই মধুসূদনের কাব্যশৈলীর প্রধান বৈশিষ্ট্য।</p>
৯৩০

‘মেঘনাদবধ’ কাব্য কত সালে প্রকাশিত হয়?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
১৮৬১ সালে
ব্যাখ্যা:
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>১৮৬১ সালে</strong>। মাইকেল মধুসূদন দত্তের অমর সৃষ্টি ‘মেঘনাদবধ’ কাব্যটি বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসে এক মাইলফলক হিসেবে পরিচিত।</p>

<p>সহজে মনে রাখার জন্য নিচের ধাপগুলো দেখুন:</p>
<ul>
<li>বাংলা সাহিত্যের আধুনিক ধারার অন্যতম শ্রেষ্ঠ এই মহাকাব্যটি দুই খণ্ডে প্রকাশিত হয়েছিল।</li>
<li>প্রথম খণ্ড প্রকাশিত হয় ১৮৬১ সালের শুরুতে এবং দ্বিতীয় খণ্ডটি একই বছরের শেষের দিকে প্রকাশিত হয়।</li>
<li>তাই সামগ্রিকভাবে কাব্যগ্রন্থটির প্রকাশের বছর হিসেবে <strong>১৮৬১</strong> সালকেই ধরা হয়।</li>
</ul>

<p>মধুসূদনের এই কালজয়ী রচনার সময়কাল মনে রাখা খুব সহজ, কারণ এই একই বছরে তিনি তাঁর বিখ্যাত ‘ব্রজাঙ্গনা কাব্য’-ও রচনা করেছিলেন।</p>
Support
Curiosity AI Assistant
24/7 লাইভ
eProstuti ডেটাবেস ও অটোমেশন ইঞ্জিন
এআই চ্যাট WhatsApp Messenger Instagram
👋 আসসালামু আলাইকুম শিক্ষার্থী !

আমি eProstuti Curiosity AI। আমাদের সকল লাইভ কোর্স, মডেল টেস্ট, ই-বুক, নোটিশ এবং পেমেন্ট সংক্রান্ত তথ্য নিমেষেই জানতে পারবেন।

দ্রুত উত্তরের জন্য নিচের টপিক চাপুন অথবা নিচে লিখুন:

উত্তরের তথ্য বিশ্লেষণ করা হচ্ছে...
eProstuti AI সহকারী
সার্বক্ষণিক সহায়তায় প্রস্তুত
লগইন আবশ্যক

ব্যক্তিগত সহায়তা এবং আপনার কোর্স, পরীক্ষা ও পেমেন্ট হিস্ট্রি দেখতে অ্যাকাউন্টে লগইন করুন।

* চ্যাটবট সরাসরি অ্যাকাউন্ট তৈরি বা লগইন করতে পারে না।