<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>মাইকেল মধুসূদন দত্ত</strong>।</p>
<p>বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ। মাইকেল মধুসূদন দত্ত বাংলা সাহিত্যে প্রহসন রচনার ক্ষেত্রে একজন পথিকৃৎ। তিনি মূলত তৎকালীন সমাজের কুসংস্কার এবং অসংগতি নিয়ে দুটি বিখ্যাত প্রহসন লিখেছিলেন:</p>
<ul>
<li><strong>একেই কি বলে সভ্যতা?</strong></li>
<li><strong>বুড়ো শালিকের ঘাড়ে রোঁ</strong></li>
</ul>
<p>এই দুটি প্রহসনই তাঁর নিজস্ব ব্যঙ্গাত্মক রচনার শৈলীর জন্য বাংলা সাহিত্যে অমর হয়ে আছে। তাই যখনই এই নাটকের নাম আসবে, চোখ বন্ধ করে মাইকেল মধুসূদন দত্তের নাম মনে রাখলেই হবে।</p>
৯১৭
‘একেই কি বলে সভ্যতা’ এটি মধুসূদন দত্তের কি জাতীয় রচনা?
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>প্রহসন</strong>। মাইকেল মধুসূদন দত্তের ‘একেই কি বলে সভ্যতা’ একটি অত্যন্ত জনপ্রিয় সামাজিক প্রহসন।</p>
<p>সহজভাবে মনে রাখার উপায়:</p>
<ul>
<li>মধুসূদন দত্তের এই নাটকটি মূলত তৎকালীন সমাজের কুসংস্কার এবং তথাকথিত শিক্ষিত সমাজের ভণ্ডামিকে ব্যঙ্গ করে লেখা হয়েছে।</li>
<li>যেহেতু এটি সমাজের অসঙ্গতিগুলোকে হাস্যরসের মাধ্যমে ফুটিয়ে তোলে, তাই সাহিত্যিক ভাষায় একে <strong>প্রহসন</strong> বা <strong>Farce</strong> বলা হয়।</li>
<li>মধুসূদন দত্তের আরেকটি বিখ্যাত প্রহসন হলো ‘বুড়ো শালিকের ঘাড়ে রোঁ’।</li>
</ul>
৯১৮
মাইকেল মধুসূদ দত্তের ‘বীরঙ্গনা কাব্য’ কোন ধরনের কাব্য?
<p>মাইকেল মধুসূদন দত্তের <strong>‘বীরঙ্গনা কাব্য’</strong> হলো বাংলা সাহিত্যের প্রথম সার্থক <strong>পত্রকাব্য</strong>। এই কাব্যগ্রন্থটি মূলত ওভিদের ‘হেরোইডস’ (Heroides) কাব্য অবলম্বনে রচিত।</p>
<p>সহজভাবে মনে রাখার উপায়:</p>
<ul>
<li>এই কাব্যে পৌরাণিক নারীরা তাদের প্রিয়জনদের উদ্দেশ্যে পত্র বা চিঠি লিখছেন।</li>
<li>পুরো কাব্যটি ১১টি পত্রের সমন্বয়ে গঠিত, যেখানে নারী চরিত্রের আবেগ ও মানসিক দ্বন্দ্ব চিঠির মাধ্যমে ফুটে উঠেছে।</li>
<li>তাই বিষয়বস্তু ও কাঠামোর দিক থেকে এটি একটি অনন্য <strong>পত্রকাব্য</strong>।</li>
</ul>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>মাইকেল মধুসূদন দত্ত</strong>। বাংলা সাহিত্যে সনেট বা চতুর্দশপদী কবিতার প্রবর্তক হিসেবে তিনিই সবচেয়ে জনপ্রিয় ও স্বীকৃত নাম।</p>
<p>বিষয়টি মনে রাখার সহজ কিছু পয়েন্ট:</p>
<ul>
<li>মাইকেল মধুসূদন দত্ত ইতালীয় কবি পেত্রার্কের সনেট রীতিকে বাংলা সাহিত্যে প্রথম সার্থকভাবে প্রয়োগ করেন।</li>
<li>তার বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ <strong>'চতুর্দশপদী কবিতাবলী'</strong> বাংলা সাহিত্যে সনেটের ভিত্তি স্থাপন করে।</li>
<li>প্রতিটি সনেটে সাধারণত <strong>১৪টি চরণ</strong> থাকে এবং নির্দিষ্ট ছন্দ ও মিলবিন্যাস অনুসরণ করা হয়, যা তিনি বাংলা ভাষায় প্রথম সফলভাবে নিয়ে আসেন।</li>
</ul>
৯২০
মাইকেল মধুসূদন দত্তের দেশপ্রেম প্রবল প্রকাশ ঘটেছে ---
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>অমিত্রাক্ষর</strong>। বিষয়টি খুব সহজ, মাইকেল মধুসূদন দত্ত বাংলা কাব্যে নতুন এক ধারার সূচনা করেছিলেন যা আগে কখনো ছিল না।</p>
<ul>
<li>বাংলা কবিতায় সাধারণত অন্ত্যমিল (ছন্দের শেষে মিল থাকা) বজায় রাখা হতো, কিন্তু মধুসূদন এই প্রথা ভেঙে নতুন এক ছন্দ নিয়ে আসেন।</li>
<li>এই ছন্দে লাইনের শেষে কোনো মিল রাখার বাধ্যবাধকতা নেই, তাই একে বলা হয় <strong>অমিত্রাক্ষর ছন্দ</strong>।</li>
<li>তাঁর বিখ্যাত মহাকাব্য 'মেঘনাদবধ কাব্য' এই ছন্দেই লেখা, যা বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসে এক বৈপ্লবিক পরিবর্তন এনেছিল।</li>
</ul>
<p>বাংলা সাহিত্যে অমিত্রাক্ষর ছন্দের প্রবর্তক হলেন <strong>মাইকেল মধুসূদন দত্ত</strong>। বিষয়টি মনে রাখা খুবই সহজ:</p>
<ul>
<li>বাংলা কাব্যে দীর্ঘকাল ধরে পয়ার ছন্দের একচ্ছত্র আধিপত্য ছিল।</li>
<li>মধুসূদন দত্ত ইংরেজি সাহিত্যের ব্ল্যাঙ্ক ভার্স (Blank Verse)-এর আদলে বাংলায় <strong>অমিত্রাক্ষর ছন্দ</strong> প্রবর্তন করেন।</li>
<li>তাঁর বিখ্যাত মহাকাব্য <strong>'মেঘনাদবধ কাব্য'</strong>-এ তিনি প্রথম এই ছন্দের সার্থক ও চমৎকার প্রয়োগ ঘটান, যা বাংলা কবিতার গঠনশৈলীকে চিরতরে বদলে দেয়।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, বাংলা কবিতায় ছন্দের মুক্তি এবং নতুন ধারার সূচনাকারী হিসেবে মধুসূদন দত্তের নামই সবার আগে আসে।</p>
৯২৩
অমিত্রাক্ষর ছন্দে রচিত মহাকাব্য ‘মেঘনাদ বধ’ এর রচয়িতা কে?
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>মাইকেল মধুসূদন দত্ত</strong>। বিষয়টি মনে রাখা খুবই সহজ:</p>
<ul>
<li>বাংলা সাহিত্যে <strong>অমিত্রাক্ষর ছন্দের</strong> প্রবর্তকই হলেন মাইকেল মধুসূদন দত্ত।</li>
<li>তার অমর সৃষ্টি <strong>'মেঘনাদবধ কাব্য'</strong> বাংলা সাহিত্যের প্রথম সার্থক মহাকাব্য, যা তিনি এই ছন্দেই লিখেছিলেন।</li>
<li>১৮৬১ সালে প্রকাশিত এই মহাকাব্যটি বাংলা কবিতার গঠন ও শৈলীতে এক বৈপ্লবিক পরিবর্তন নিয়ে এসেছিল।</li>
</ul>
<p>তাই যখনই অমিত্রাক্ষর ছন্দ এবং মেঘনাদবধ কাব্যের কথা আসবে, চোখ বন্ধ করে মাইকেল মধুসূদন দত্তের নাম মনে রাখলেই হবে!</p>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>মিল্টন</strong>। জন মিল্টনের অমর মহাকাব্য ‘প্যারাডাইস লস্ট’ (Paradise Lost) ইংরেজি সাহিত্যের অন্যতম শ্রেষ্ঠ সৃষ্টি।</p>
<p>সহজে মনে রাখার জন্য নিচের বিষয়গুলো খেয়াল রাখতে পারেন:</p>
<ul>
<li>এটি মূলত একটি মহাকাব্য যা ১৬৬৭ সালে প্রথম প্রকাশিত হয়।</li>
<li>গল্পটি বাইবেলের আদমের পতন এবং স্বর্গ থেকে শয়তানের বিতাড়িত হওয়ার ঘটনা নিয়ে লেখা।</li>
<li>জন মিল্টন অন্ধ থাকা অবস্থায় তার মেয়ের কাছে এই মহাকাব্যের লাইনগুলো মুখে বলে লিখিয়ে নিয়েছিলেন, যা সাহিত্য ইতিহাসে এক অনন্য ঘটনা।</li>
</ul>
<p>মাইকেল মধুসূদন দত্তের লেখা <strong>‘একেই কি বলে সভ্যতা’</strong> নাটকটি মূলত একটি <strong>প্রহসন</strong>। এই রচনার মূল বৈশিষ্ট্য হলো:</p>
<ul>
<li>এটি উনিশ শতকের সমাজের অবক্ষয় এবং তৎকালীন যুবসমাজের উচ্ছৃঙ্খল জীবনযাত্রাকে ব্যঙ্গ করে লেখা।</li>
<li>হাস্যরসের আড়ালে সমাজের কুসংস্কার ও অসংগতিগুলো এখানে খুব স্পষ্টভাবে তুলে ধরা হয়েছে।</li>
<li>সাহিত্যের ভাষায়, যে নাটকে হাস্যরসাত্মক ঘটনার মাধ্যমে সমাজের দোষ-ত্রুটি ফুটিয়ে তোলা হয়, তাকেই প্রহসন বলা হয়।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, সমাজকে শোধরানোর জন্য ব্যঙ্গাত্মক ও কৌতুকপূর্ণ উপায়ে যে নাটক লেখা হয়, এটি ঠিক সেই ঘরানার একটি কালজয়ী সৃষ্টি।</p>
<p>বাংলা সাহিত্যের প্রথম সার্থক ট্র্যাজেডী নাটক হলো মাইকেল মধুসূদন দত্তের <strong>কৃষ্ণকুমারী</strong>। এর পেছনে মূল কারণগুলো হলো:</p>
<ul>
<li><strong>ট্র্যাজেডীর বৈশিষ্ট্য:</strong> এই নাটকে কাহিনীর পরিণতি অত্যন্ত করুণ এবং গম্ভীর, যা ট্র্যাজেডী নাটকের প্রধান শর্ত।</li>
<li><strong>শৈল্পিক গঠন:</strong> মধুসূদন দত্ত পাশ্চাত্য নাট্যরীতির অনুকরণে এই নাটকে ঘটনার সংহতি এবং চরিত্রের গভীরতা ফুটিয়ে তুলেছেন, যা বাংলা সাহিত্যে এর আগে দেখা যায়নি।</li>
<li><strong>ঐতিহাসিক পটভূমি:</strong> রাজস্থানের ইতিহাসের একটি করুণ কাহিনীকে কেন্দ্র করে নাটকটি রচিত হয়েছে, যেখানে নায়িকার আত্মাহুতির মাধ্যমে কাহিনীর সমাপ্তি ঘটে।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, গঠনশৈলী এবং করুণ রসের সার্থক প্রয়োগের কারণেই <strong>কৃষ্ণকুমারী</strong>-কে বাংলা সাহিত্যের প্রথম সার্থক ট্র্যাজেডী হিসেবে গণ্য করা হয়।</p>
৯২৭
‘কেলিনু শৈবালে ভুলি কমল-কানন’-এখানে ‘কমল-কানন’ শব্দের ব্যাঞ্জনার্থ-
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>বাংলা ভাষা</strong>। মাইকেল মধুসূদন দত্তের ‘বঙ্গভাষা’ সনেটে কবি দেশীয় ভাষার প্রতি অবহেলা করে বিদেশী ভাষার মোহে মগ্ন থাকার ভুলটি তুলে ধরেছেন।</p>
<p>বিষয়টি খুব সহজভাবে এভাবে বোঝা যায়:</p>
<ul>
<li>এখানে <strong>‘কমল-কানন’</strong> বলতে কবি রূপক অর্থে তার নিজের মাতৃভাষা বা <strong>বাংলা ভাষাকে</strong> বুঝিয়েছেন।</li>
<li>কবি যখন বিদেশী ভাষার পেছনে ছুটেছেন, তখন তিনি নিজের মাতৃভাষার সৌন্দর্য ও মাধুর্যকে ভুলে ছিলেন।</li>
<li>তাই ‘কমল-কানন’ বা পদ্মবনের মতো সুন্দর ও আপন সম্পদকে উপেক্ষা করে বিদেশী ভাষার মোহে মজে থাকাকেই কবি এখানে ব্যঞ্জনা বা রূপকের মাধ্যমে ফুটিয়ে তুলেছেন।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, <strong>Blank Verse</strong>-এর বাংলা প্রতিশব্দ হলো <strong>অমিত্রাক্ষর</strong> ছন্দ। মাইকেল মধুসূদন দত্ত বাংলা সাহিত্যে এই ছন্দের প্রবর্তক। এই ছন্দের মূল বৈশিষ্ট্যগুলো নিচে দেওয়া হলো:</p>
<ul>
<li>এই ছন্দে কোনো পঙক্তির শেষে মিল থাকে না।</li>
<li>প্রতিটি চরণের দৈর্ঘ্য সাধারণত ১৪ মাত্রার হয়।</li>
<li>কবিতার ভাব এক লাইন থেকে অন্য লাইনে অনায়াসে প্রবাহিত হয়, যাকে বলা হয় <strong>Enjambment</strong>।</li>
</ul>
<p>সহজ করে মনে রাখার উপায় হলো, যেখানে অন্ত্যমিল বা শেষের মিল নেই, সেটিই হলো অমিত্রাক্ষর ছন্দ।</p>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>অমিত্রাক্ষর ছন্দ</strong>। মাইকেল মধুসূদন দত্ত বাংলা সাহিত্যে এই ছন্দের প্রবর্তক।</p>
<p>বিষয়টা খুব সহজভাবে মনে রাখতে পারেন:</p>
<ul>
<li><strong>অমিত্রাক্ষর ছন্দ</strong> হলো এমন এক ছন্দ যেখানে পঙক্তির শেষে মিল থাকে না।</li>
<li>মধুসূদন দত্ত ইংরেজি 'ব্ল্যাঙ্ক ভার্স' (Blank Verse)-এর অনুকরণে বাংলায় এই ছন্দের প্রচলন করেন।</li>
<li>তাঁর বিখ্যাত মহাকাব্য <strong>‘মেঘনাদবধ কাব্য’</strong> পুরোপুরি এই অমিত্রাক্ষর ছন্দেই লেখা, যা বাংলা কবিতার গঠনশৈলীতে এক বৈপ্লবিক পরিবর্তন এনেছিল।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, মিলহীন এই ছন্দই মধুসূদনের কাব্যশৈলীর প্রধান বৈশিষ্ট্য।</p>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>১৮৬১ সালে</strong>। মাইকেল মধুসূদন দত্তের অমর সৃষ্টি ‘মেঘনাদবধ’ কাব্যটি বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসে এক মাইলফলক হিসেবে পরিচিত।</p>
<p>সহজে মনে রাখার জন্য নিচের ধাপগুলো দেখুন:</p>
<ul>
<li>বাংলা সাহিত্যের আধুনিক ধারার অন্যতম শ্রেষ্ঠ এই মহাকাব্যটি দুই খণ্ডে প্রকাশিত হয়েছিল।</li>
<li>প্রথম খণ্ড প্রকাশিত হয় ১৮৬১ সালের শুরুতে এবং দ্বিতীয় খণ্ডটি একই বছরের শেষের দিকে প্রকাশিত হয়।</li>
<li>তাই সামগ্রিকভাবে কাব্যগ্রন্থটির প্রকাশের বছর হিসেবে <strong>১৮৬১</strong> সালকেই ধরা হয়।</li>
</ul>
<p>মধুসূদনের এই কালজয়ী রচনার সময়কাল মনে রাখা খুব সহজ, কারণ এই একই বছরে তিনি তাঁর বিখ্যাত ‘ব্রজাঙ্গনা কাব্য’-ও রচনা করেছিলেন।</p>
MCQ পরীক্ষা সেটিংস
বাংলা
eProstuti
সহজ ও দ্রুত ক্লাস করতে অ্যাপটি ইনস্টল করুন
iPhone / iPad এ ইনস্টল করুন
eProstuti
১Safari ব্রাউজারের নিচে থাকা Share ( ) বাটনে চাপ দিন।
২নিচের দিকে স্ক্রোল করে 'Add to Home Screen' ( ) নির্বাচন করুন।
৩উপরে ডানে থাকা 'Add' বাটনে ট্যাপ করুন।
Android এ অ্যাপ ইনস্টল করুন
eProstuti
১Chrome ব্রাউজারের উপরে ডানে থাকা থ্রি-ডট ( ) মেনু চাপুন।
২তালিকায় 'Install app' বা 'Add to Home screen' ( ) এ ট্যাপ করুন।
ডাউনলোড সম্পন্ন হলে ফাইলটি ওপেন করে Install চাপুন।
যদি "Install unknown apps" বা "Unknown sources" অনুমতি চায়, তাহলে সেটি Allow করে আবার ইনস্টল করুন।
ইনস্টল শেষ হলে অ্যাপটি খুলে আপনার অ্যাকাউন্টে লগইন করুন।
অ্যাপের সুবিধা:
সকল লাইভ ক্লাস
রেকর্ডেড ক্লাস
অনলাইন পরীক্ষা
ই-বুক ও নোটিশ
সবকিছু এক জায়গা থেকেই সহজে ব্যবহার করুন!
ব্রাউজারে খুলুন
⚠️ মনে হচ্ছে আপনি এই ওয়েবসাইটটি ফেসবুক বা অন্য কোনো অ্যাপের ভেতরের ব্রাউজার থেকে খুলেছেন।
ভালোভাবে কাজ করার জন্য দয়া করে এটি আপনার মূল ব্রাউজারে (যেমন Chrome) খুলুন।
👉 উপরে থাকা ⋮ বা ••• বাটনে চাপ দিন → তারপর “Open in Browser” সিলেক্ট করুন।