<p>‘প্রাংশু’ শব্দের সঠিক অর্থ হলো <strong>দীর্ঘকায়</strong>। সহজ কথায়, যার শরীর বা অবয়ব অনেক লম্বা বা দীর্ঘ, তাকেই এক কথায় প্রাংশু বলা হয়।</p>
<p>মনে রাখার সুবিধার্থে:</p>
<ul>
<li><strong>প্রাংশু</strong> = প্র + অংশু (অর্থাৎ যার উচ্চতা বা দৈর্ঘ্য অনেক বেশি)।</li>
<li>বাংলা সাহিত্যে বা বর্ণনায় যখনই কোনো লম্বা বা সুঠাম দেহের অধিকারী কাউকে বোঝানো হয়, তখন এই শব্দটি ব্যবহার করা হয়।</li>
</ul>
<p>সমাসবদ্ধ পদের পরবর্তী অংশকে <strong>পর পদ</strong> বলা হয়। বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ:</p>
<ul>
<li>সমাসবদ্ধ পদে সাধারণত দুটি অংশ থাকে। প্রথম অংশকে বলা হয় <strong>পূর্ব পদ</strong>।</li>
<li>ঠিক তার পরের বা শেষের অংশটিই হলো <strong>পর পদ</strong> (একে উত্তর পদও বলা হয়, তবে ব্যাকরণগতভাবে 'পর পদ' নামটিই বেশি প্রচলিত)।</li>
<li>সহজ কথায়, কোনো সমাসবদ্ধ পদের দ্বিতীয় অংশটিই হলো পর পদ।</li>
</ul>
সোভিয়েত ইউনিয়নে প্রস্তাবিত বাজার অর্থনীতি প্রচলন সম্পন্ন করা
ব্যাখ্যা:
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>সোভিয়েত ইউনিয়নে প্রস্তাবিত বাজার অর্থনীতি প্রচলন সম্পন্ন করা</strong>। বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ:</p>
<ul>
<li>সোভিয়েত ইউনিয়নের তৎকালীন অর্থনীতিকে ঢেলে সাজাতে এবং সমাজতান্ত্রিক ব্যবস্থা থেকে বাজার অর্থনীতির দিকে রূপান্তরের জন্য এই পরিকল্পনাটি নেওয়া হয়েছিল।</li>
<li>এটি মূলত একটি অর্থনৈতিক সংস্কার কর্মসূচি ছিল, যার লক্ষ্য ছিল মাত্র ৫০০ দিনের মধ্যে সোভিয়েত অর্থনীতির আমূল পরিবর্তন আনা।</li>
<li>ইতিহাসে এটি <strong>'৫০০ দিনের প্রোগ্রাম'</strong> বা <strong>'৫০০ ডেইজ প্ল্যান'</strong> নামে পরিচিত, যা মূলত সোভিয়েত ইউনিয়নের অর্থনৈতিক সংকট কাটিয়ে ওঠার একটি সাহসী পদক্ষেপ হিসেবে বিবেচিত হয়।</li>
</ul>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>পুস্তক</strong>। বিষয়টি খুব সহজ, কারণ তদ্ভব শব্দ চেনার একটি দারুণ কৌশল আছে।</p>
<ul>
<li>সংস্কৃত ভাষা থেকে প্রাকৃতের মাধ্যমে পরিবর্তিত হয়ে যে শব্দগুলো বাংলায় এসেছে, সেগুলোকে আমরা তদ্ভব শব্দ বলি।</li>
<li>অন্যদিকে, যেসব শব্দ সরাসরি সংস্কৃত ভাষা থেকে কোনো পরিবর্তন ছাড়াই বাংলায় এসেছে, সেগুলোকে বলা হয় তৎসম শব্দ।</li>
<li><strong>পুস্তক</strong> শব্দটি সরাসরি সংস্কৃত থেকে এসেছে, তাই এটি তৎসম শব্দ, তদ্ভব নয়।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, যে শব্দের বানান বা উচ্চারণ হুবহু সংস্কৃতের মতো, সেগুলোই তৎসম। তাই <strong>পুস্তক</strong> তদ্ভব হওয়ার কোনো সুযোগ নেই।</p>
<p>‘পুষ্পারতি’ শব্দটির সঠিক সন্ধি বিচ্ছেদ হলো <strong>পুষ্প + আরতি</strong>। এটি মূলত স্বরসন্ধির একটি সহজ নিয়ম মেনে চলে। বিষয়টি বোঝার জন্য নিচের ধাপগুলো দেখুন:</p>
<ul>
<li>শব্দটির সন্ধি বিচ্ছেদের সময় আমরা পাই: পুষ্প + আরতি।</li>
<li>এখানে প্রথম শব্দের শেষে আছে অ-কার (পুষ্প্ + অ) এবং দ্বিতীয় শব্দের শুরুতে আছে আ-কার।</li>
<li>সন্ধির নিয়ম অনুযায়ী, অ + আ মিলে হয় আ-কার।</li>
<li>অর্থাৎ, $অ + আ = আ$।</li>
</ul>
<p>এই নিয়মেই ‘পুষ্প’ শব্দের অ এবং ‘আরতি’ শব্দের আ মিলে ‘পুষ্পারতি’ শব্দটি গঠিত হয়েছে। তাই সঠিক উত্তরটি হলো <strong>পুষ্প + আরতি</strong>।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>উৎসুক</strong>। কারণ 'আকুল' শব্দটি সাধারণত কোনো কিছুর জন্য তীব্র আকাঙ্ক্ষা বা ব্যাকুলতা বোঝাতে ব্যবহৃত হয়।</p>
<p>সহজভাবে মনে রাখার উপায়:</p>
<ul>
<li>'আকুল' মানে হলো কোনো কিছুর জন্য অস্থির বা ব্যাকুল হয়ে থাকা।</li>
<li>'উৎসুক' শব্দের অর্থও ঠিক একই—কোনো কিছু জানার বা পাওয়ার জন্য তীব্র আগ্রহ বা ব্যাকুলতা।</li>
<li>তাই প্রসঙ্গের বিচারে 'আকুল' এবং 'উৎসুক' একে অপরের সমার্থক হিসেবে ব্যবহৃত হয়।</li>
</ul>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>পুণ্য</strong>। বাংলা বানানের নিয়ম অনুযায়ী, 'প' বর্ণের সাথে যখন 'ণ' যুক্ত হয়, তখন তা সবসময় মূর্ধন্য-ণ (ণ) হয়।</p>
<p>সহজভাবে মনে রাখার উপায়:</p>
<ul>
<li>শব্দের শেষে বা মাঝে 'ণ' ব্যবহারের ক্ষেত্রে সাধারণত তৎসম শব্দের নিয়ম অনুসরণ করা হয়।</li>
<li><strong>পুণ্য</strong> শব্দটি একটি সংস্কৃত বা তৎসম শব্দ, তাই এখানে মূর্ধন্য-ণ (ণ) ব্যবহার করা হয়েছে।</li>
<li>অন্যান্য অপশনগুলোতে বানানের ভুল রয়েছে, কারণ সেগুলোতে দন্ত্য-ন (ন) বা ভুল যুক্তবর্ণ ব্যবহার করা হয়েছে।</li>
</ul>
৯৬৬৯
এবার আমি পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়েছি - বাক্যটি কোন কালের ?
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>পুরোঘটিত বর্তমান</strong>। বিষয়টি খুব সহজভাবে বোঝা যায় ক্রিয়ার রূপ দেখে।</p>
<ul>
<li>যখন কোনো কাজ এইমাত্র শেষ হয়েছে কিন্তু তার রেশ বা ফল এখনো বর্তমান থাকে, তখন তাকে <strong>পুরোঘটিত বর্তমান</strong> কাল বলে।</li>
<li>বাক্যটিতে 'উত্তীর্ণ হয়েছি' অংশটি খেয়াল করুন। এখানে 'হওয়া' ধাতুর সাথে 'আছি' বা 'এছি' বিভক্তি যুক্ত হয়ে বোঝাচ্ছে যে কাজটি কেবলই সম্পন্ন হয়েছে।</li>
<li>সহজ কথায়, কোনো কাজ শেষ হওয়ার ঠিক পরপরই যখন আমরা তা প্রকাশ করি, তখন সেটিই পুরোঘটিত বর্তমান।</li>
</ul>
<p>‘পুরস্কার’-এর সঠিক সন্ধি বিচ্ছেদ হলো <strong>পুরঃ+কার</strong>। এটি মূলত বিসর্গ সন্ধির একটি চমৎকার উদাহরণ। বিষয়টি মনে রাখার সহজ কৌশল নিচে দেওয়া হলো:</p>
<ul>
<li>বাংলা ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী, বিসর্গের (ঃ) পরে যদি ‘ক’ বা ‘প’ থাকে, তবে বিসর্গটি অপরিবর্তিত থাকে অথবা অনেক ক্ষেত্রে ‘স’ (দন্ত্য-স) হিসেবে যুক্ত হয়।</li>
<li>এখানে <strong>পুরঃ</strong> শব্দের বিসর্গের সাথে <strong>কার</strong> যুক্ত হওয়ার সময় বিসর্গটি ‘স’-এ পরিণত হয়েছে।</li>
<li>সহজ কথায়, বিসর্গ সন্ধির নিয়ম মেনে <strong>পুরঃ + কার = পুরস্কার</strong> গঠিত হয়েছে।</li>
</ul>
<p>তাই সবসময় মনে রাখবেন, যখনই বিসর্গযুক্ত কোনো শব্দের সাথে ‘কার’ যুক্ত হয়, তখন বিসর্গটি ‘স’ হয়ে শব্দটিকে পূর্ণতা দেয়।</p>
৯৬৭১
পরস্পর অন্বয়যুক্ত দুই বা ততোধিক পদকে এক পদে পরিণত করার নাম-
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>সমাস</strong>। বিষয়টি খুব সহজভাবে মনে রাখা যায় এভাবে:</p>
<ul>
<li><strong>সমাস</strong> শব্দের অর্থই হলো সংক্ষেপণ বা মিলন।</li>
<li>যখন আমরা অনেকগুলো আলাদা পদকে মিলিয়ে একটি নতুন ও সংক্ষিপ্ত পদে রূপান্তর করি, তখন তাকে ব্যাকরণের ভাষায় সমাস বলে।</li>
<li>যেমন: 'সিংহ চিহ্নিত আসন' এই তিনটি পদকে মিলিয়ে আমরা বলি 'সিংহাসন'। এখানে বড় বাক্যটি ছোট হয়ে একটি পদে পরিণত হয়েছে, যা সমাসের কাজ।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, অনেকগুলো শব্দকে জুড়ে দিয়ে একটি বড় শব্দ তৈরি করার প্রক্রিয়াটিই হলো সমাস।</p>
<p>‘তামার বিষ’ বাগধারাটির সঠিক অর্থ হলো <strong>অর্থের কুপ্রভাব</strong>।</p>
<p>বিষয়টা খুব সহজভাবে মনে রাখা যায়:</p>
<ul>
<li>সাধারণত তামা বা ধাতব মুদ্রা থেকে এই বাগধারাটির উৎপত্তি।</li>
<li>যখন কারো কাছে প্রচুর টাকা-পয়সা চলে আসে এবং সেই টাকার দাপটে সে খারাপ পথে পরিচালিত হয় বা তার চরিত্রের পরিবর্তন ঘটে, তখনই তাকে বলা হয় ‘তামার বিষ’।</li>
<li>সহজ কথায়, টাকার নেশা বা অর্থের কারণে মানুষের যে নৈতিক অধঃপতন হয়, তাকেই এই বাগধারা দিয়ে বোঝানো হয়।</li>
</ul>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>ক্ষণকালীন</strong>। বিষয়টি খুব সহজভাবে বোঝা যায় এভাবে:</p>
<ul>
<li>'চিরন্তন' শব্দটির অর্থ হলো যা চিরকাল ধরে চলে আসছে বা যার কোনো শেষ নেই (অবিনশ্বর)।</li>
<li>অন্যদিকে, 'ক্ষণকালীন' শব্দের অর্থ হলো যা খুব অল্প সময়ের জন্য স্থায়ী হয় বা ক্ষণস্থায়ী।</li>
<li>যেহেতু চিরন্তন মানে দীর্ঘস্থায়ী বা অনন্ত, তাই এর বিপরীত হিসেবে খুব অল্প সময় বোঝাতে 'ক্ষণকালীন' শব্দটিই সবচেয়ে উপযুক্ত।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, সময়ের ব্যাপ্তি বা স্থায়িত্বের দিক থেকে এই দুটি শব্দ একে অপরের বিপরীত।</p>
<p>‘রামগরুড়ের ছানা’ বাগধারাটির সঠিক অর্থ হলো <strong>গোমড়ামুখো লোক</strong>।</p>
<p>বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ:</p>
<ul>
<li>সুকুমার রায়ের ছড়ায় আমরা দেখেছি, রামগরুড়ের ছানারা হাসতে ভয় পায়।</li>
<li>যারা সবসময় গম্ভীর হয়ে থাকে বা হাসিখুশি থাকতে চায় না, তাদেরই মজা করে ‘রামগরুড়ের ছানা’ বলা হয়।</li>
<li>তাই যখনই কোনো গম্ভীর বা মুখ গোমড়া করে থাকা মানুষের কথা আসবে, তখনই এই বাগধারাটি ব্যবহার করা হয়।</li>
</ul>
৯৬৭৫
'অনেক প্রাচীন ইতিহাস, প্রাচীন স্মৃতির চূর্ণ অংশ এই সকল ছড়ার মধ্যে বিক্ষিপ্ত হইয়া আসে।' রবীন্দ্রনাথ তাঁর এ উক্তিতে ছড়া বলতে কি বুঝিয়েছেন?
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>লোকসাহিত্যের ছড়া</strong>। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর তাঁর বিভিন্ন প্রবন্ধে লোকসাহিত্যের গুরুত্ব বোঝাতে গিয়ে এই কথাটি বলেছেন। এর পেছনের কারণটা খুব সহজ:</p>
<ul>
<li>লোকসাহিত্যের ছড়াগুলো কোনো নির্দিষ্ট লেখকের লেখা নয়, বরং এগুলো প্রজন্মের পর প্রজন্ম ধরে মানুষের মুখে মুখে চলে এসেছে।</li>
<li>এই ছড়াগুলোর ভেতরেই লুকিয়ে থাকে আমাদের গ্রামীণ জনজীবনের হাজার বছরের পুরোনো ইতিহাস, সংস্কার এবং হারিয়ে যাওয়া স্মৃতির টুকরো।</li>
<li>রবীন্দ্রনাথ মনে করতেন, উচ্চমার্গের সাহিত্যের চেয়েও এই সাধারণ ছড়াগুলোর মধ্যে জাতির আসল পরিচয় এবং প্রাচীন ঐতিহ্যের ছাপ অনেক বেশি স্পষ্ট।</li>
</ul>
<p>তাই তিনি ছড়াকে কেবল শিশুদের বিনোদন হিসেবে না দেখে, বরং ইতিহাসের এক অমূল্য আকর হিসেবে বিবেচনা করেছেন।</p>
MCQ পরীক্ষা সেটিংস
বাংলা
eProstuti
সহজ ও দ্রুত ক্লাস করতে অ্যাপটি ইনস্টল করুন
iPhone / iPad এ ইনস্টল করুন
eProstuti
১Safari ব্রাউজারের নিচে থাকা Share ( ) বাটনে চাপ দিন।
২নিচের দিকে স্ক্রোল করে 'Add to Home Screen' ( ) নির্বাচন করুন।
৩উপরে ডানে থাকা 'Add' বাটনে ট্যাপ করুন।
Android এ অ্যাপ ইনস্টল করুন
eProstuti
১Chrome ব্রাউজারের উপরে ডানে থাকা থ্রি-ডট ( ) মেনু চাপুন।
২তালিকায় 'Install app' বা 'Add to Home screen' ( ) এ ট্যাপ করুন।
ডাউনলোড সম্পন্ন হলে ফাইলটি ওপেন করে Install চাপুন।
যদি "Install unknown apps" বা "Unknown sources" অনুমতি চায়, তাহলে সেটি Allow করে আবার ইনস্টল করুন।
ইনস্টল শেষ হলে অ্যাপটি খুলে আপনার অ্যাকাউন্টে লগইন করুন।
অ্যাপের সুবিধা:
সকল লাইভ ক্লাস
রেকর্ডেড ক্লাস
অনলাইন পরীক্ষা
ই-বুক ও নোটিশ
সবকিছু এক জায়গা থেকেই সহজে ব্যবহার করুন!
ব্রাউজারে খুলুন
⚠️ মনে হচ্ছে আপনি এই ওয়েবসাইটটি ফেসবুক বা অন্য কোনো অ্যাপের ভেতরের ব্রাউজার থেকে খুলেছেন।
ভালোভাবে কাজ করার জন্য দয়া করে এটি আপনার মূল ব্রাউজারে (যেমন Chrome) খুলুন।
👉 উপরে থাকা ⋮ বা ••• বাটনে চাপ দিন → তারপর “Open in Browser” সিলেক্ট করুন।