<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>মোড়ক</strong>। বিষয়টি খুব সহজভাবে বোঝা যায় যদি আমরা শব্দটির গঠন বিশ্লেষণ করি।</p>
<p>কৃৎ প্রত্যয় চেনার সবচেয়ে সহজ উপায় হলো শব্দের মূল বা ধাতুর সাথে প্রত্যয়টি মিলিয়ে দেখা। এখানে:</p>
<ul>
<li><strong>মোড়ক</strong> শব্দটি গঠিত হয়েছে <strong>মুড়্</strong> (ধাতু) + <strong>অক</strong> (প্রত্যয়) যোগে।</li>
<li>যেহেতু <strong>মুড়্</strong> একটি ক্রিয়া বা ধাতু, তাই এর সাথে যুক্ত হওয়া প্রত্যয়টিই হলো কৃৎ প্রত্যয়।</li>
<li>সহজ কথায়, কোনো শব্দের মূল অংশ যদি কোনো কাজ বা ক্রিয়া বোঝায়, তবে সেটিই কৃৎ প্রত্যয় সাধিত শব্দ।</li>
</ul>
<p>তাই ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী, <strong>মোড়ক</strong> শব্দটি কৃৎ প্রত্যয়ের একটি চমৎকার উদাহরণ।</p>
<p>‘পবিত্র’ শব্দের সঠিক সন্ধি বিচ্ছেদ হলো <strong>পো + ইত্র</strong>। এটি মূলত স্বরসন্ধির একটি বিশেষ নিয়ম, যাকে আমরা <strong>অয়াদি সন্ধি</strong> বলে থাকি। বিষয়টি সহজভাবে মনে রাখার কৌশল নিচে দেওয়া হলো:</p>
<ul>
<li>সন্ধির নিয়ম অনুযায়ী, ও-কারের (ো) পরে যদি অন্য কোনো স্বরবর্ণ থাকে, তবে ও-কারটি <strong>অব</strong>-এ রূপান্তরিত হয়।</li>
<li>এখানে, <strong>পো</strong> শব্দের ও-কার এবং পরের <strong>ই</strong> মিলে <strong>অবি</strong> তৈরি করেছে।</li>
<li>পুরো প্রক্রিয়াটি হলো: <strong>পো + ইত্র = প + ও + ই + ত্র = প + অবি + ত্র = পবিত্র</strong>।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, শব্দের শুরুতে <strong>প</strong>-এর সাথে ও-কার থাকলে এবং পরে <strong>ই</strong> থাকলে তা মিলে <strong>পবি</strong> উচ্চারণ তৈরি করে, যা থেকেই পবিত্র শব্দটি গঠিত হয়েছে।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>তীক্ষ্ন দৃষ্টি</strong>।</p>
<p>বিষয়টা খুব সহজ। ‘শ্যেন’ শব্দের অর্থ হলো বাজপাখি। বাজপাখি অনেক ওপর থেকে শিকারের ওপর খুব নিখুঁত ও তীক্ষ্ন নজর রাখতে পারে। এই বিশেষ ক্ষমতার কারণেই কোনো কিছুর ওপর খুব গভীর বা প্রখর নজর দেওয়াকে রূপক অর্থে ‘শ্যেনদৃষ্টি’ বলা হয়। তাই যখনই কোনো বিষয়ে খুব সূক্ষ্ম ও তীক্ষ্ন পর্যবেক্ষণের কথা আসে, তখনই আমরা এই শব্দটি ব্যবহার করি।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>নীর</strong>। বিষয়টি খুব সহজ, কারণ ‘অদিতি’ শব্দের অর্থ হলো পৃথিবী বা ধরিত্রী।</p>
<ul>
<li>‘অদিতি’ শব্দের সমার্থক শব্দগুলো হলো: ক্ষিতি, অবনি, পৃথ্বী, মেদিনী বা বসুন্ধরা।</li>
<li>অন্যদিকে, <strong>নীর</strong> শব্দের অর্থ হলো জল বা পানি।</li>
<li>যেহেতু প্রশ্নটিতে জানতে চাওয়া হয়েছে কোনটি সমার্থক শব্দ <strong>নয়</strong>, তাই ‘নীর’ শব্দটিই এখানে সঠিক উত্তর।</li>
</ul>
<ul>
<li>‘আল্লাহ’ শব্দের অর্থ সৃষ্টিকর্তা এবং ‘হাফেজ’ শব্দটি আরবি ‘হিফজ’ ধাতু থেকে এসেছে, যার অর্থ হলো রক্ষণাবেক্ষণ করা বা হেফাজত করা।</li>
<li>যখন আমরা কাউকে বিদায় জানানোর সময় ‘আল্লাহ হাফেজ’ বলি, তখন আমরা মূলত আল্লাহর কাছে ওই ব্যক্তির নিরাপত্তা ও সুরক্ষার জন্য প্রার্থনা করি।</li>
<li>এটি বিদায় সম্ভাষণের একটি সুন্দর ও মার্জিত উপায়, যেখানে আমরা আল্লাহর ওপর ভরসা রেখে প্রিয়জনকে বিদায় জানাই।</li>
</ul>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>পৃথিবী থেকে পাঠানো বৃহস্পতির একটি কৃত্রিম উপগ্রহ</strong>। বিষয়টি খুব সহজভাবে মনে রাখা যায় এভাবে:</p>
<ul>
<li>গ্যালিলিও মূলত নাসা (NASA) কর্তৃক প্রেরিত একটি মহাকাশযান, যা বিশেষভাবে বৃহস্পতি গ্রহ এবং এর উপগ্রহগুলো নিয়ে গবেষণার জন্য তৈরি করা হয়েছিল।</li>
<li>এটি ১৯৮৯ সালে উৎক্ষেপণ করা হয় এবং ১৯৯৫ সালে বৃহস্পতির কক্ষপথে পৌঁছায়।</li>
<li>মহাকাশ বিজ্ঞানের ইতিহাসে এটিই প্রথম মহাকাশযান যা বৃহস্পতি গ্রহকে কেন্দ্র করে দীর্ঘ সময় ধরে প্রদক্ষিণ করেছে এবং এর বায়ুমণ্ডল সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পাঠিয়েছে।</li>
</ul>
<p>তাই মহাকাশ গবেষণার ক্ষেত্রে গ্যালিলিও বলতে আমরা বৃহস্পতি গ্রহের উদ্দেশ্যে পাঠানো সেই বিশেষ কৃত্রিম উপগ্রহটিকেই বুঝি।</p>
<p>‘সর্বভুক্ত’ শব্দের সঠিক অর্থ হলো <strong>আগুন</strong>। শব্দটিকে ভাঙলে আমরা পাই ‘সর্ব’ (সবকিছু) + ‘ভুক’ (যে ভক্ষণ বা ভস্ম করে)।</p>
<ul>
<li>আগুন বা অগ্নি সবকিছুকেই পুড়িয়ে ছাই করে ফেলতে পারে, তাই একে ‘সর্বভুক্ত’ বলা হয়।</li>
<li>সহজ কথায়, যা কিছু পায় তা-ই খেয়ে ফেলে বা জ্বালিয়ে দেয় বলেই আগুনের এই নাম।</li>
</ul>
<p>‘আকাল’ শব্দের সঠিক সমার্থক শব্দ হলো <strong>দুর্ভিক্ষ</strong>। সহজ কথায়, যখন কোনো এলাকায় খাদ্যশস্যের তীব্র অভাব দেখা দেয় বা খাবার পাওয়া যায় না, সেই সংকটময় পরিস্থিতিকেই আমরা ‘আকাল’ বা ‘দুর্ভিক্ষ’ বলে থাকি।</p>
<p>মনে রাখার সহজ উপায়:</p>
<ul>
<li>‘আকাল’ শব্দটি মূলত ‘অকাল’ থেকে এসেছে, যার অর্থ হলো এমন সময় যখন ফসল হয় না বা খাবারের টান পড়ে।</li>
<li>বাংলা ভাষায় অভাব বা অনটনের সময়কে বোঝাতে ‘দুর্ভিক্ষ’ শব্দটি সবচেয়ে উপযুক্ত ও প্রচলিত।</li>
</ul>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>পূর্বে</strong>। বিষয়টি খুব সহজ, কারণ উপসর্গের মূল কাজই হলো শব্দের শুরুতে বসে নতুন অর্থ তৈরি করা।</p>
<ul>
<li>উপসর্গ নিজে কোনো স্বাধীন শব্দ নয়, এটি এক ধরনের অব্যয়সূচক শব্দাংশ।</li>
<li>এরা যখন কোনো কৃদন্ত বা নাম শব্দের <strong>পূর্বে</strong> যুক্ত হয়, তখন শব্দের অর্থের পরিবর্তন ঘটায় বা নতুন অর্থ তৈরি করে।</li>
<li>সহজ কথায়, শব্দের শুরুতে বসে নতুন শব্দ তৈরির কারিগরই হলো উপসর্গ।</li>
</ul>
<p>উদাহরণস্বরূপ, 'হার' একটি শব্দ। এর আগে 'প্র' উপসর্গ যোগ করলে হয় 'প্রহার', আবার 'আ' যোগ করলে হয় 'আহার'। অর্থাৎ, উপসর্গ সবসময় শব্দের <strong>পূর্বে</strong> বসেই তার রূপ বদলে দেয়।</p>
<p>বাংলা ব্যাকরণ অনুযায়ী বর্ণ মূলত দুই প্রকার। সঠিক উত্তর হলো <strong>স্বর বর্ণ ও ব্যঞ্জন বর্ণ</strong>। বিষয়টি খুব সহজভাবে মনে রাখা যায় এভাবে:</p>
<ul>
<li><strong>স্বর বর্ণ:</strong> যে বর্ণগুলো অন্য কোনো বর্ণের সাহায্য ছাড়াই নিজে নিজে উচ্চারিত হতে পারে, তাদের স্বর বর্ণ বলে। যেমন: অ, আ, ই, ঈ ইত্যাদি।</li>
<li><strong>ব্যঞ্জন বর্ণ:</strong> যে বর্ণগুলো স্বর বর্ণের সাহায্য ছাড়া স্পষ্টভাবে উচ্চারিত হতে পারে না, তাদের ব্যঞ্জন বর্ণ বলে। যেমন: ক, খ, গ ইত্যাদি।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, বাংলা বর্ণমালার মোট বর্ণগুলোকে এই দুই ভাগে ভাগ করেই আমরা আমাদের ভাষা ও উচ্চারণ সম্পন্ন করি।</p>
৯৬৫৮
মহুয়া পালার নদের চাঁদ কোন এলাকার জমিদার-পুত্র ছিলেন?
<p>মহুয়া পালার মূল চরিত্র নদের চাঁদ ছিলেন <strong>বামনকান্দার</strong> জমিদার-পুত্র। লোকগাথা অনুযায়ী, নদের চাঁদ যখন বামনকান্দার জমিদার হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন, তখনই তিনি বেদে দলের মহুয়ার প্রেমে পড়েন।</p>
<ul>
<li>মহুয়া পালাটি মূলত ময়মনসিংহের গীতিকার একটি অংশ।</li>
<li>গল্পের প্রেক্ষাপটে নদের চাঁদের পরিচয় হিসেবে <strong>বামনকান্দার</strong> জমিদার বাড়ির কথা স্পষ্টভাবে উল্লেখ রয়েছে।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, এই পালার কাহিনীতে নদের চাঁদের পরিচয় দিতে গিয়ে কবি দ্বিজ কানাই তাকে বামনকান্দার জমিদার হিসেবেই উপস্থাপন করেছেন।</p>
ডাউনলোড সম্পন্ন হলে ফাইলটি ওপেন করে Install চাপুন।
যদি "Install unknown apps" বা "Unknown sources" অনুমতি চায়, তাহলে সেটি Allow করে আবার ইনস্টল করুন।
ইনস্টল শেষ হলে অ্যাপটি খুলে আপনার অ্যাকাউন্টে লগইন করুন।
অ্যাপের সুবিধা:
সকল লাইভ ক্লাস
রেকর্ডেড ক্লাস
অনলাইন পরীক্ষা
ই-বুক ও নোটিশ
সবকিছু এক জায়গা থেকেই সহজে ব্যবহার করুন!
ব্রাউজারে খুলুন
⚠️ মনে হচ্ছে আপনি এই ওয়েবসাইটটি ফেসবুক বা অন্য কোনো অ্যাপের ভেতরের ব্রাউজার থেকে খুলেছেন।
ভালোভাবে কাজ করার জন্য দয়া করে এটি আপনার মূল ব্রাউজারে (যেমন Chrome) খুলুন।
👉 উপরে থাকা ⋮ বা ••• বাটনে চাপ দিন → তারপর “Open in Browser” সিলেক্ট করুন।