<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>দ্বিজ</strong>। বিষয়টি খুব সহজ, শব্দটির গঠন বিশ্লেষণ করলেই এর অর্থ পরিষ্কার হয়ে যায়:</p>
<ul>
<li>এখানে <strong>'দ্বি'</strong> মানে হলো দুই বা দুইবার।</li>
<li><strong>'জ'</strong> মানে হলো যা জন্মায় বা জাত।</li>
<li>অর্থাৎ, যা দুইবার জন্মায় বা যার দুইবার জন্ম হয়েছে, তাকেই এক কথায় বলা হয় <strong>দ্বিজ</strong>।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, পাখি বা ব্রাহ্মণ—যাদের একবার ডিম বা মাতৃগর্ভ থেকে এবং দ্বিতীয়বার উপনয়ন বা অন্য কোনো প্রক্রিয়ায় জন্ম হয়, তাদের বোঝাতে এই শব্দটি ব্যবহার করা হয়। তাই পরীক্ষায় এমন প্রশ্ন এলে চোখ বন্ধ করে <strong>দ্বিজ</strong> দাগিয়ে দেবেন!</p>
<p>‘পুনরায়’-এর সঠিক সন্ধি বিচ্ছেদ হলো <strong>পুনঃ+আয়</strong>। এটি মূলত বিসর্গ সন্ধির একটি চমৎকার উদাহরণ। বিষয়টি মনে রাখার সহজ কৌশলগুলো নিচে দেওয়া হলো:</p>
<ul>
<li>বাংলা ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী, বিসর্গের পর যদি স্বরবর্ণ থাকে, তবে বিসর্গটি অনেক সময় 'র' (রেফ) হিসেবে যুক্ত হয়।</li>
<li>এখানে <strong>পুনঃ</strong> শব্দের বিসর্গটি পরবর্তী শব্দ <strong>আয়</strong>-এর সাথে মিলে গিয়ে 'রা' (র + আ) তৈরি করেছে।</li>
<li>সহজ কথায়, বিসর্গ সন্ধির নিয়ম মেনে <strong>পুনঃ + আয় = পুনরায়</strong> শব্দটি গঠিত হয়েছে।</li>
</ul>
<p>তাই পরীক্ষার খাতায় কনফিউজড না হয়ে সরাসরি <strong>পুনঃ+আয়</strong> অপশনটি বেছে নেবেন।</p>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>ধর্ম বিষয়ক আখ্যান</strong>। বিষয়টি খুব সহজভাবে মনে রাখা যায় এভাবে:</p>
<ul>
<li>মঙ্গল কাব্যের মূল উদ্দেশ্যই ছিল কোনো নির্দিষ্ট দেব-দেবীর মাহাত্ম্য প্রচার করা।</li>
<li>এই কাব্যগুলোতে মূলত লৌকিক দেব-দেবীর পূজা-পার্বণ, তাদের অলৌকিক ক্ষমতা এবং ভক্তদের প্রতি তাদের কৃপা বা দয়া লাভের কাহিনী বর্ণিত হয়েছে।</li>
<li>যেহেতু পুরো কাহিনী আবর্তিত হয় কোনো দেবতার গুণগান বা ধর্মীয় উপাখ্যানকে কেন্দ্র করে, তাই একে সরাসরি <strong>ধর্ম বিষয়ক আখ্যান</strong> বলা হয়।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, মধ্যযুগের কবিরা দেব-দেবীর মহিমা প্রচারের মাধ্যমেই তাদের কাব্য রচনা করতেন, যা তৎকালীন ধর্মীয় বিশ্বাসের একটি বড় অংশ জুড়ে ছিল।</p>
৯৬৮২
প্রমিত বাংলা বানানের নিয়ম অনুসারে নিচের কোন শব্দজোড়ের বানান শুদ্ধ?
<p>প্রমিত বাংলা বানানের নিয়ম অনুযায়ী সঠিক উত্তর হলো <strong>পিপীলিকা, নির্নিমেষ</strong>। এই বানান দুটি কেন সঠিক, তা নিচে সহজভাবে দেওয়া হলো:</p>
<ul>
<li><strong>পিপীলিকা:</strong> এই শব্দটিতে দুটি দীর্ঘ-ই (ঈ) কার ব্যবহৃত হয়। শব্দের শুরুতে 'পি' এবং মাঝের 'লী' উভয় ক্ষেত্রেই দীর্ঘ-ই কার বসবে। এটি একটি সংস্কৃত তৎসম শব্দ, তাই এর বানানে দীর্ঘ-ই কারের ব্যবহারই ব্যাকরণসম্মত।</li>
<li><strong>নির্নিমেষ:</strong> এই শব্দটির অর্থ হলো পলকহীন বা একদৃষ্টে তাকিয়ে থাকা। এখানে 'নির্' উপসর্গের সাথে 'নিমেষ' যুক্ত হয়েছে। বানানের ক্ষেত্রে 'ম' এর সাথে মূর্ধন্য-ষ (ষ) যুক্ত হবে, দন্ত্য-স (স) নয়। তাই 'নির্নিমেষ' বানানটিই শুদ্ধ।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, শব্দগুলোর মূল রূপ মনে রাখলে এবং তৎসম শব্দের বানানের নিয়ম অনুসরণ করলে এই বানানগুলো মনে রাখা খুব সহজ!</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>মর্মান্তিক</strong>। শব্দটি শুনলে মনে হতে পারে এর অর্থ হয়তো অন্য কিছু, কিন্তু বাংলা ব্যাকরণ ও শব্দভাণ্ডারের নিয়ম অনুযায়ী এর অর্থ বেশ গভীর।</p>
<ul>
<li>'অরুন্তদ' শব্দটির সন্ধি বিচ্ছেদ করলে পাওয়া যায়: <strong>অরু + তুদ</strong>।</li>
<li>এখানে 'অরু' মানে হলো ক্ষত বা ঘা এবং 'তুদ' মানে হলো যা খোঁচা দেয় বা আঘাত করে।</li>
<li>সহজ কথায়, যা হৃদয়ে বা ক্ষতে নতুন করে আঘাত করে বা অত্যন্ত বেদনাদায়ক, তাকেই আমরা <strong>মর্মান্তিক</strong> বলে থাকি।</li>
</ul>
<p>তাই পরীক্ষার খাতায় এই শব্দটি দেখলে সরাসরি 'মর্মান্তিক' বা 'ব্যথাদায়ক' অর্থটি মনে রাখলেই চলবে।</p>
<p>‘পিত্রালয়’ শব্দের সঠিক সন্ধি বিচ্ছেদ হলো <strong>পিতৃ+আলয়</strong>। বিষয়টি খুব সহজভাবে মনে রাখার জন্য নিচের ধাপগুলো খেয়াল করুন:</p>
<ul>
<li>সন্ধির নিয়ম অনুযায়ী, ঋ-কার বা ঋ-এর পর যদি অ বা আ থাকে, তবে ঋ-কারটি <strong>র</strong>-এ পরিণত হয়।</li>
<li>এখানে, <strong>পিতৃ</strong> শব্দের শেষে থাকা ঋ-কার এবং <strong>আলয়</strong> শব্দের শুরুর <strong>আ</strong> মিলে <strong>রা</strong> তৈরি করেছে।</li>
<li>অর্থাৎ, $ঋ + আ = রা$।</li>
<li>এই নিয়মেই <strong>পিতৃ + আলয়</strong> মিলে <strong>পিত্রালয়</strong> শব্দটি গঠিত হয়েছে।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, ঋ-কারের সাথে আ যুক্ত হয়েই এখানে ‘রা’ কারের সৃষ্টি হয়েছে, তাই সঠিক উত্তরটি হবে <strong>পিতৃ+আলয়</strong>।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>জনক</strong>। বিষয়টি খুব সহজ, কারণ 'পিতা' বলতে আমরা সাধারণত আমাদের জন্মদাতাকে বুঝি। বাংলা ব্যাকরণ ও শব্দভাণ্ডারে 'জনক' শব্দটি সরাসরি পিতার সমার্থক হিসেবে ব্যবহৃত হয়।</p>
<ul>
<li><strong>জনক:</strong> যিনি জন্ম দিয়েছেন বা পিতা।</li>
<li>সহজ কথায়, পিতা এবং জনক একই ব্যক্তিকে নির্দেশ করে, তাই এটিই সঠিক সমার্থক শব্দ।</li>
</ul>
<p>‘পিতা’ শব্দটির সাথে ‘ইক’ প্রত্যয় যুক্ত হয়ে ‘পৈত্রিক’ শব্দটি গঠিত হয়েছে। এটি মূলত একটি সংস্কৃত তদ্ধিত প্রত্যয়ের নিয়ম। বিষয়টি সহজে বোঝার জন্য নিচের ধাপগুলো দেখুন:</p>
<ul>
<li>শব্দের শুরুতে যদি ‘প’ বা ‘প’ কার থাকে, তবে ‘ইক’ প্রত্যয় যুক্ত হওয়ার সময় সেটি ‘পৈ’ কারে রূপান্তরিত হয়।</li>
<li>এখানে মূল শব্দ ‘পিতা’ এর সাথে ‘ইক’ প্রত্যয় যুক্ত হয়ে আদি স্বরের পরিবর্তনের মাধ্যমে ‘পৈ’ তৈরি হয়েছে।</li>
<li>অর্থাৎ, হিসাবটি হলো: <strong>পিতা + ইক = পৈত্রিক</strong>।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, ‘ইক’ প্রত্যয় যোগ করার সময় শব্দের শুরুর স্বরবর্ণে যে পরিবর্তন আসে, তার কারণেই ‘পিতা’ শব্দটি ‘পৈত্রিক’ রূপ ধারণ করে।</p>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>পিতা + ইক</strong>। ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী, শব্দের শেষে 'ইক' প্রত্যয় যুক্ত হলে শব্দের আদি স্বরের পরিবর্তন ঘটে, যাকে বলা হয় গুণ বা বৃদ্ধি। এই ক্ষেত্রে বিষয়টি খুব সহজ:</p>
<ul>
<li>মূল শব্দ 'পিতা' এর সাথে 'ইক' প্রত্যয় যুক্ত হয়।</li>
<li>নিয়ম অনুযায়ী, শব্দের শুরুতে 'প' এর সাথে থাকা 'ই' কারটি 'ঐ' কারে রূপান্তরিত হয়।</li>
<li>ফলে শব্দটি দাঁড়ায়: $পিতা + ইক = পৈতৃক$।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, শব্দের শুরুতে 'অ' থাকলে 'আ', 'ই' বা 'এ' থাকলে 'ঐ' এবং 'উ' বা 'ও' থাকলে 'ঔ' হয়ে যায়। তাই 'পিতা' থেকে 'পৈতৃক' শব্দটি গঠিত হয়েছে।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>বচন</strong>। বিষয়টি খুব সহজ, কারণ ব্যাকরণগতভাবে 'কথা' এবং 'বচন' শব্দ দুটি প্রায় একই অর্থ প্রকাশ করে।</p>
<ul>
<li>'কথা' বলতে আমরা সাধারণত কোনো উক্তি বা বাক্যকে বুঝি।</li>
<li>'বচন' শব্দটিও ঠিক একই অর্থে, অর্থাৎ কোনো কিছু বলা বা উক্তি বোঝাতে ব্যবহৃত হয়।</li>
<li>সহজ কথায়, যখন আমরা কোনো কিছু বলি, তখন সেটি যেমন 'কথা', তেমনি ব্যাকরণের ভাষায় তাকে 'বচন' হিসেবেও অভিহিত করা যায়।</li>
</ul>
<p>তাই শব্দার্থের বিচারে এখানে <strong>বচন</strong>-ই সবচেয়ে উপযুক্ত শব্দ।</p>
<p>'কুল' শব্দটির অর্থ হলো বংশ বা গোত্র। এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর হলো <strong>যুথ</strong>।</p>
<p>সহজভাবে মনে রাখার উপায়:</p>
<ul>
<li>'কুল' বলতে সাধারণত কোনো বংশ বা গোষ্ঠীকে বোঝানো হয়।</li>
<li>'যুথ' শব্দটির অর্থ হলো দল বা গোষ্ঠী।</li>
<li>যেহেতু 'কুল' এবং 'যুথ' উভয়ই একটি নির্দিষ্ট গোষ্ঠী বা সমষ্টিকে নির্দেশ করে, তাই এখানে 'যুথ' শব্দটিই সঠিক প্রতিশব্দ হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে।</li>
</ul>
MCQ পরীক্ষা সেটিংস
বাংলা
eProstuti
সহজ ও দ্রুত ক্লাস করতে অ্যাপটি ইনস্টল করুন
iPhone / iPad এ ইনস্টল করুন
eProstuti
১Safari ব্রাউজারের নিচে থাকা Share ( ) বাটনে চাপ দিন।
২নিচের দিকে স্ক্রোল করে 'Add to Home Screen' ( ) নির্বাচন করুন।
৩উপরে ডানে থাকা 'Add' বাটনে ট্যাপ করুন।
Android এ অ্যাপ ইনস্টল করুন
eProstuti
১Chrome ব্রাউজারের উপরে ডানে থাকা থ্রি-ডট ( ) মেনু চাপুন।
২তালিকায় 'Install app' বা 'Add to Home screen' ( ) এ ট্যাপ করুন।
ডাউনলোড সম্পন্ন হলে ফাইলটি ওপেন করে Install চাপুন।
যদি "Install unknown apps" বা "Unknown sources" অনুমতি চায়, তাহলে সেটি Allow করে আবার ইনস্টল করুন।
ইনস্টল শেষ হলে অ্যাপটি খুলে আপনার অ্যাকাউন্টে লগইন করুন।
অ্যাপের সুবিধা:
সকল লাইভ ক্লাস
রেকর্ডেড ক্লাস
অনলাইন পরীক্ষা
ই-বুক ও নোটিশ
সবকিছু এক জায়গা থেকেই সহজে ব্যবহার করুন!
ব্রাউজারে খুলুন
⚠️ মনে হচ্ছে আপনি এই ওয়েবসাইটটি ফেসবুক বা অন্য কোনো অ্যাপের ভেতরের ব্রাউজার থেকে খুলেছেন।
ভালোভাবে কাজ করার জন্য দয়া করে এটি আপনার মূল ব্রাউজারে (যেমন Chrome) খুলুন।
👉 উপরে থাকা ⋮ বা ••• বাটনে চাপ দিন → তারপর “Open in Browser” সিলেক্ট করুন।