<p>সাধু ও চলিত ভাষার মূল পার্থক্য মূলত <strong>ক্রিয়াপদ ও সর্বনাম পদের</strong> রূপগত পরিবর্তনের ওপর ভিত্তি করে তৈরি। বাংলা ভাষার এই দুই রীতিতে বাক্যের গঠনশৈলী আলাদা হওয়ার প্রধান কারণই হলো এই দুটি পদের ব্যবহার।</p>
<ul>
<li><strong>সর্বনাম পদ:</strong> সাধু ভাষায় সর্বনামের রূপ হয় দীর্ঘ (যেমন: তাহার, কাহারা), যা চলিত ভাষায় সংক্ষিপ্ত ও সহজ হয়ে যায় (যেমন: তার, কারা)।</li>
<li><strong>ক্রিয়াপদ:</strong> সাধু ভাষায় ক্রিয়াপদের রূপ থাকে পূর্ণাঙ্গ (যেমন: চলিয়াছে, খাইয়াছি), কিন্তু চলিত ভাষায় তা সংকুচিত হয়ে দ্রুত উচ্চারণের উপযোগী হয় (যেমন: চলছে, খেয়েছি)।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, আপনি যখনই কোনো বাক্যকে সাধু থেকে চলিত রূপান্তর করবেন, দেখবেন সবচেয়ে বড় পরিবর্তনটা ঘটছে এই <strong>ক্রিয়াপদ ও সর্বনামের</strong> ক্ষেত্রেই। তাই ব্যাকরণগতভাবে এই দুটি পদই সাধু ও চলিত রীতির প্রধান পার্থক্যকারী।</p>
৯৬৩২
এক বা একাধিক বর্ণ মিলে কোন অর্থ প্রকাশ করলে তাকে কি বলে?
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>শব্দ</strong>। বিষয়টি খুব সহজ—ভাষার ক্ষুদ্রতম একক হলো বর্ণ, কিন্তু যখন এক বা একাধিক বর্ণ পাশাপাশি বসে একটি নির্দিষ্ট অর্থ প্রকাশ করে, তখনই তাকে আমরা শব্দ বলি।</p>
<p>সহজভাবে মনে রাখার উপায়:</p>
<ul>
<li>বর্ণ বা ধ্বনি হলো ভাষার মূল ভিত্তি।</li>
<li>যখন এই বর্ণগুলো মিলে মনের কোনো ভাব বা অর্থ তৈরি করে, তখন তা <strong>শব্দ</strong> হিসেবে গণ্য হয়।</li>
<li>যেমন: 'ক', 'ল', 'ম'—এই তিনটি বর্ণ মিলে 'কলম' শব্দটি তৈরি হয়েছে, যার একটি নির্দিষ্ট অর্থ আছে।</li>
</ul>
<p>বাংলা লিপির উৎপত্তির মূল উৎস হলো <strong>ব্রাহ্মী লিপি</strong>। বিষয়টি খুব সহজভাবে মনে রাখা যায় এভাবে:</p>
<ul>
<li>প্রাচীন ভারতের প্রায় সব আধুনিক লিপির আদি জননী হলো <strong>ব্রাহ্মী লিপি</strong>।</li>
<li>সময়ের সাথে সাথে ব্রাহ্মী লিপি থেকে কুটিল লিপি এবং পরবর্তীতে বিবর্তনের মাধ্যমে আমাদের আজকের বাংলা লিপির জন্ম হয়েছে।</li>
<li>ইতিহাসের পাতায় এই বিবর্তন ধারাটি বেশ স্পষ্ট, যেখানে ব্রাহ্মী লিপিই হলো সবকিছুর মূল ভিত্তি।</li>
</ul>
<p>তাই কোনো দ্বিধা ছাড়াই বলা যায়, বাংলা লিপির উৎস হলো <strong>ব্রাহ্মী লিপি</strong>।</p>
৯৬৩৪
"তরুলতা সহজেই তরুলতা, পশুপাখি সহজেই পশুপাখি, কিন্তু মানুষ প্রাণপণ চেষ্টায় তবে মানুষ হয়।"- এই কথার মূলভাব কোনটি?
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো: <strong>প্রকৃত মনুষ্যত্ব অর্জনের জন্য যথেষ্ট সাধনার দরকার</strong>। কারণ বিষয়টি খুব সহজ ও যৌক্তিক:</p>
<ul>
<li>তরুলতা বা পশুপাখিরা প্রকৃতির নিয়মেই তাদের সহজাত বৈশিষ্ট্য নিয়ে জন্মায়, তাদের আলাদা করে কিছু হওয়ার চেষ্টা করতে হয় না।</li>
<li>মানুষের ক্ষেত্রে বিষয়টি ভিন্ন; মানুষ জন্মগতভাবে কেবল একটি জীব হিসেবে পৃথিবীতে আসে।</li>
<li>মানুষের মধ্যে যে বিবেক, বুদ্ধি ও নৈতিকতা—অর্থাৎ প্রকৃত 'মনুষ্যত্ব'—তা আপনা-আপনি গড়ে ওঠে না।</li>
<li>এটি অর্জনের জন্য জীবনের প্রতিটি ধাপে সচেতন প্রচেষ্টা, শিক্ষা এবং সাধনার প্রয়োজন হয়।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, মানুষ হিসেবে জন্ম নিলেই মানুষ হওয়া যায় না, বরং নিজের কর্ম ও সাধনার মাধ্যমেই প্রকৃত মানুষ হয়ে উঠতে হয়।</p>
<p>'Campaign' শব্দটির সঠিক পারিভাষিক শব্দ হলো <strong>প্রচারাভিযান</strong>।</p>
<p>বিষয়টি সহজভাবে মনে রাখার জন্য নিচের পয়েন্টগুলো খেয়াল করুন:</p>
<ul>
<li>'Campaign' শব্দটি সাধারণত কোনো নির্দিষ্ট লক্ষ্য অর্জনের জন্য পরিচালিত সুসংগঠিত ও দীর্ঘমেয়াদী কর্মতৎপরতাকে বোঝায়।</li>
<li>'প্রচার' বা 'প্রচারণা' শব্দগুলো সাধারণ অর্থে ব্যবহৃত হলেও, যখন কোনো বিশেষ উদ্দেশ্য নিয়ে পরিকল্পিতভাবে কাজ করা হয়, তখন তাকে <strong>প্রচারাভিযান</strong> বলা হয়।</li>
<li>তাই পারিভাষিক অভিধান অনুযায়ী, 'Campaign'-এর সবচেয়ে যথাযথ ও আনুষ্ঠানিক প্রতিশব্দ হলো <strong>প্রচারাভিযান</strong>।</li>
</ul>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>প্রকাশ করা</strong>।</p>
<p>সহজভাবে মনে রাখার উপায় হলো:</p>
<ul>
<li>'Divulge' শব্দটির মূল অর্থ হলো কোনো গোপন তথ্য বা রহস্য সবার সামনে নিয়ে আসা বা ফাঁস করে দেওয়া।</li>
<li>আমরা যখন কোনো কিছু গোপন না রেখে সবার সামনে তুলে ধরি, তখন তাকেই ইংরেজিতে 'Divulge' বলা হয়।</li>
<li>তাই বাংলা অর্থ হিসেবে 'প্রকাশ করা' শব্দটাই সবচেয়ে মানানসই এবং নির্ভুল।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, কোনো কিছু লুকিয়ে না রেখে জানিয়ে দেওয়া বা প্রকাশ করাই হলো এই শব্দের মূল ভাব।</p>
<p>‘প্রৌঢ়’ শব্দটির সঠিক সন্ধি বিচ্ছেদ হলো <strong>প্র + ঊঢ়</strong>। এটি মূলত সংস্কৃত ব্যাকরণের 'প্রাদি' সমাসজাত সন্ধির একটি বিশেষ নিয়ম।</p>
<p>সহজে মনে রাখার জন্য নিচের ধাপগুলো দেখুন:</p>
<ul>
<li>সন্ধির নিয়ম অনুযায়ী, অ-কার বা আ-কারের পর 'ঊ' থাকলে তা মিলে <strong>'ঔ'</strong>-কার হয়ে যায়।</li>
<li>এখানে 'প্র' শব্দের শেষে একটি অ-কার আছে ($প্র = প্ + অ$)।</li>
<li>এর সাথে 'ঊঢ়' যুক্ত হয়ে অ + ঊ মিলে <strong>ঔ</strong>-কার তৈরি করেছে।</li>
<li>অর্থাৎ: $অ + ঊ = ঔ$।</li>
</ul>
<p>এই নিয়মটি অনুসরণ করেই <strong>প্র + ঊঢ় = প্রৌঢ়</strong> শব্দটি গঠিত হয়েছে। এটি একটি নিপাতনে সিদ্ধ সন্ধি, তাই সাধারণ নিয়মের বাইরেও এটি মনে রাখা জরুরি।</p>
<p>‘পৌঢ়’ শব্দটির সন্ধি বিচ্ছেদ হলো <strong>প্র + উড়</strong>। এটি মূলত নিপাতনে সিদ্ধ সন্ধির একটি উদাহরণ। বিষয়টি মনে রাখার সহজ কৌশল হলো:</p>
<ul>
<li>এখানে ‘প্র’ শব্দের শেষে থাকা ‘অ’ এবং ‘উড়’ শব্দের শুরুতে থাকা ‘উ’ মিলে ‘ও’ কার হয়েছে।</li>
<li>সাধারণ নিয়মের বাইরে হওয়ায় এটি <strong>নিপাতনে সিদ্ধ সন্ধি</strong> হিসেবে গণ্য হয়।</li>
<li>সহজ কথায়, সন্ধির নিয়ম অনুযায়ী $অ + উ = ও$ হওয়ার কথা থাকলেও, এখানে শব্দের গঠনটি বিশেষ নিয়মে সম্পন্ন হয়েছে।</li>
</ul>
<p>তাই পরীক্ষার খাতায় সরাসরি <strong>প্র + উড়</strong> মনে রাখলেই আপনার কাজ হয়ে যাবে!</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>প্র</strong>। বাংলা ব্যাকরণে উপসর্গগুলো শব্দের শুরুতে বসে নতুন অর্থ তৈরি করে। 'প্র' উপসর্গটি যখন কোনো শব্দের সাথে যুক্ত হয়, তখন তা অনেক সময় বিশেষ 'খ্যাতি' বা 'উৎকর্ষ' প্রকাশ করে।</p>
<p>সহজে মনে রাখার উপায়:</p>
<ul>
<li>'প্র' উপসর্গটি 'খ্যাতি' বা 'প্রকর্ষ' বোঝাতে ব্যবহৃত হয়।</li>
<li>যেমন: 'খ্যাতি' শব্দের আগে 'প্র' যোগ করলে হয় <strong>প্রখ্যাতি</strong>, যা মূলত বড় ধরনের খ্যাতি বা বিশেষ পরিচিতি বোঝায়।</li>
<li>একইভাবে, 'প্র' উপসর্গটি প্রগতি, প্রভাব বা প্রবলতা বোঝাতেও দারুণ কার্যকর।</li>
</ul>
<p>তাই পরীক্ষার খাতায় 'খ্যাতি' বা 'উৎকর্ষ' জাতীয় অর্থ দেখলে চোখ বন্ধ করে <strong>প্র</strong> উপসর্গটি বেছে নিতে পারেন!</p>
<p>বাংলা উপন্যাসের জনক বা প্রতিষ্ঠাতা পুরুষ হিসেবে আমরা <strong>প্যারীচাঁদ মিত্রকে</strong> চিনি। এর কারণটা খুব সহজ:</p>
<ul>
<li>তিনিই প্রথম বাংলা ভাষায় সার্থক উপন্যাস <strong>'আলালের ঘরের দুলাল'</strong> রচনা করেন।</li>
<li>১৮৫৮ সালে প্রকাশিত এই উপন্যাসটি বাংলা গদ্যের ধারায় এক নতুন যুগের সূচনা করেছিল।</li>
<li>তৎকালীন চলিত ভাষারীতি বা 'আলালী ভাষা' প্রবর্তনের মাধ্যমে তিনি বাংলা সাহিত্যকে সাধারণ মানুষের কাছাকাছি নিয়ে এসেছিলেন।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, বাংলা উপন্যাসের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপনের কৃতিত্ব পুরোপুরি প্যারীচাঁদ মিত্রেরই। তাই বাংলা উপন্যাসের প্রতিষ্ঠাতা বললে আমরা একবাক্যে তাঁর নামই মনে রাখব।</p>
৯৬৪১
বাংলা সাহিত্যের প্রথম উপন্যাস ‘আলালের ঘরের দুলাল’ উপন্যাসটির রচয়িতা কে?
<p>বাংলা সাহিত্যের প্রথম সার্থক উপন্যাস হিসেবে পরিচিত <strong>‘আলালের ঘরের দুলাল’</strong>-এর রচয়িতা হলেন <strong>প্যারীচাঁদ মিত্র</strong>। তিনি ‘টেকচাঁদ ঠাকুর’ ছদ্মনামে এই বিখ্যাত উপন্যাসটি লিখেছিলেন।</p>
<ul>
<li>১৮৫৮ সালে প্রকাশিত এই উপন্যাসটি বাংলা গদ্যের ইতিহাসে এক নতুন ধারার সূচনা করে।</li>
<li>তৎকালীন সমাজের অবক্ষয় ও মানুষের জীবনধারাকে সহজ-সরল চলিত ভাষায় তুলে ধরাই ছিল এর মূল বৈশিষ্ট্য।</li>
<li>বাংলা সাহিত্যে ‘আলালি ভাষা’ বা চলিত ভাষার প্রবর্তক হিসেবে প্যারীচাঁদ মিত্রের নাম বিশেষভাবে স্মরণীয়।</li>
</ul>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>পশুরী</strong>। বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ, কারণ বাংলা ব্যাকরণে পরিমাপবাচক শব্দগুলো নির্দিষ্ট নিয়মে গঠিত হয়।</p>
<ul>
<li>'পাঁচ' সংখ্যাটি এখানে মূল ভিত্তি।</li>
<li>বাংলা ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী, যখন কোনো শব্দ দিয়ে পাঁচ সেরের সমষ্টি বা সমাহার বোঝানো হয়, তখন তাকে এক কথায় <strong>পশুরী</strong> বলা হয়।</li>
<li>এটি মূলত ওজন বা পরিমাপের একটি প্রাচীন একক, যা মনে রাখলে পরীক্ষায় খুব দ্রুত উত্তর দেওয়া সম্ভব।</li>
</ul>
৯৬৪৪
পরীক্ষা শব্দে 'পরি' উপসর্গ কি অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে ?
<p>বাংলা ব্যাকরণে 'পরি' উপসর্গটি বিভিন্ন অর্থে ব্যবহৃত হয়। 'পরীক্ষা' শব্দটি বিশ্লেষণ করলে পাওয়া যায়: <strong>পরি + ঈক্ষা = পরীক্ষা</strong>। এখানে 'পরি' উপসর্গটি 'সম্যকরূপে' বা 'ভালোভাবে' কোনো কিছু পর্যবেক্ষণ করা বা যাচাই করা অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে।</p>
<p>সহজভাবে মনে রাখার উপায়:</p>
<ul>
<li><strong>পরি</strong> উপসর্গটি যখন কোনো কাজের গভীরতা বা পূর্ণতা বোঝায়, তখন তা <strong>সম্যকরূপে</strong> অর্থ প্রকাশ করে।</li>
<li>পরীক্ষা মানেই হলো কোনো বিষয়কে খুঁটিনাটি বা ভালোভাবে যাচাই করে দেখা, তাই এখানে 'সম্যকরূপে' অর্থটিই সবচেয়ে উপযুক্ত।</li>
</ul>
৯৬৪৫
‘শিশুরাজ্যে এই মেয়েটি একট ছোটখাট বর্গির উপদ্রব বলিলে হয়’। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের কোন গল্পের সংলাপ?
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>সমাপ্তি</strong>। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের এই বিখ্যাত গল্পটির কেন্দ্রীয় চরিত্র মৃন্ময়ী। মৃন্ময়ীর চঞ্চল, দুরন্ত এবং বাঁধনহারা স্বভাবকে বোঝাতেই লেখক তাকে 'ছোটখাট বর্গির উপদ্রব' বলে বর্ণনা করেছেন।</p>
<ul>
<li>গল্পের শুরু থেকেই মৃন্ময়ীর দুরন্তপনা ও ছেলেদের মতো খেলাধুলায় মেতে থাকার বিষয়টি ফুটে উঠেছে।</li>
<li>তার এই চঞ্চলতাকে লেখক অত্যন্ত সহজ ও সাবলীলভাবে 'বর্গির উপদ্রব'-এর সাথে তুলনা করেছেন, যা চরিত্রটির প্রাণবন্ত রূপকে আমাদের চোখের সামনে তুলে ধরে।</li>
</ul>
MCQ পরীক্ষা সেটিংস
বাংলা
eProstuti
সহজ ও দ্রুত ক্লাস করতে অ্যাপটি ইনস্টল করুন
iPhone / iPad এ ইনস্টল করুন
eProstuti
১Safari ব্রাউজারের নিচে থাকা Share ( ) বাটনে চাপ দিন।
২নিচের দিকে স্ক্রোল করে 'Add to Home Screen' ( ) নির্বাচন করুন।
৩উপরে ডানে থাকা 'Add' বাটনে ট্যাপ করুন।
Android এ অ্যাপ ইনস্টল করুন
eProstuti
১Chrome ব্রাউজারের উপরে ডানে থাকা থ্রি-ডট ( ) মেনু চাপুন।
২তালিকায় 'Install app' বা 'Add to Home screen' ( ) এ ট্যাপ করুন।
ডাউনলোড সম্পন্ন হলে ফাইলটি ওপেন করে Install চাপুন।
যদি "Install unknown apps" বা "Unknown sources" অনুমতি চায়, তাহলে সেটি Allow করে আবার ইনস্টল করুন।
ইনস্টল শেষ হলে অ্যাপটি খুলে আপনার অ্যাকাউন্টে লগইন করুন।
অ্যাপের সুবিধা:
সকল লাইভ ক্লাস
রেকর্ডেড ক্লাস
অনলাইন পরীক্ষা
ই-বুক ও নোটিশ
সবকিছু এক জায়গা থেকেই সহজে ব্যবহার করুন!
ব্রাউজারে খুলুন
⚠️ মনে হচ্ছে আপনি এই ওয়েবসাইটটি ফেসবুক বা অন্য কোনো অ্যাপের ভেতরের ব্রাউজার থেকে খুলেছেন।
ভালোভাবে কাজ করার জন্য দয়া করে এটি আপনার মূল ব্রাউজারে (যেমন Chrome) খুলুন।
👉 উপরে থাকা ⋮ বা ••• বাটনে চাপ দিন → তারপর “Open in Browser” সিলেক্ট করুন।