<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>গগন</strong>। বিষয়টি খুব সহজ, কারণ 'আকাশ' শব্দটির আভিধানিক অর্থ হলো ঊর্ধ্বলোক বা শূন্যস্থান। বাংলা ভাষায় আকাশকে বোঝাতে আমরা যেসব শব্দ ব্যবহার করি, তার মধ্যে 'গগন' অন্যতম একটি বহুল প্রচলিত সমার্থক শব্দ।</p>
<p>সহজে মনে রাখার জন্য নিচের পয়েন্টগুলো খেয়াল করতে পারেন:</p>
<ul>
<li>আকাশের আরও কিছু জনপ্রিয় সমার্থক শব্দ হলো: অম্বর, নভোমণ্ডল, ব্যোম এবং আসমান।</li>
<li>যেহেতু 'গগন' শব্দটি সরাসরি আকাশকে নির্দেশ করে, তাই এটিই এখানে সবচেয়ে উপযুক্ত উত্তর।</li>
</ul>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>গিন্নি</strong>। বিষয়টি খুব সহজভাবে মনে রাখা যায়:</p>
<ul>
<li>সংস্কৃত শব্দ যখন কিছুটা পরিবর্তিত হয়ে বাংলা ভাষায় ব্যবহৃত হয়, তখন তাকে <strong>অর্ধতৎসম</strong> শব্দ বলে।</li>
<li>মূল সংস্কৃত শব্দ 'গৃহিণী' থেকে প্রাকৃতের মাধ্যমে পরিবর্তিত হয়ে বাংলায় এসেছে 'গিন্নি'।</li>
<li>যেহেতু শব্দটি পুরোপুরি সংস্কৃতও নয় (তৎসম), আবার পুরোপুরি খাঁটি বাংলাও (তদ্ভব) নয়, তাই এটি অর্ধতৎসম শব্দের চমৎকার উদাহরণ।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, যেসব শব্দ সংস্কৃত থেকে সামান্য বিকৃত হয়ে বাংলায় এসেছে, সেগুলোর দিকে খেয়াল রাখলেই এমন প্রশ্নের উত্তর খুব দ্রুত দেওয়া সম্ভব।</p>
<p>‘খপোত’ শব্দটির সঠিক অর্থ হলো <strong>পৃথিবী</strong>।</p>
<p>সহজভাবে মনে রাখার উপায়:</p>
<ul>
<li>‘খ’ শব্দের অর্থ হলো আকাশ বা শূন্য।</li>
<li>‘পোত’ শব্দের অর্থ হলো আধার বা যা ধারণ করে।</li>
<li>অর্থাৎ, যা আকাশকে ধারণ করে আছে বা আকাশের নিচে অবস্থিত, সেটিই হলো পৃথিবী।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, মহাকাশের বিশাল শূন্যতার মাঝে আমাদের এই গ্রহটিই হলো একমাত্র আশ্রয়স্থল, তাই একে ‘খপোত’ বলা হয়।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>কুচক্রী মামা</strong>।</p>
<p>বিষয়টা খুব সহজ! মহাভারতের কাহিনীতে শকনি মামা ছিলেন কৌরবদের প্রধান পরামর্শদাতা, যিনি সবসময় কূটকৌশল আর ষড়যন্ত্রের মাধ্যমে পাণ্ডবদের বিপদে ফেলার চেষ্টা করতেন। তাই বাংলা ভাষায় যখনই কেউ খুব বেশি চালাকি বা ষড়যন্ত্রমূলক কাজ করে, তাকে ব্যঙ্গ করে 'শকনি মামা' বলা হয়।</p>
<ul>
<li><strong>শকনি</strong> শব্দের আভিধানিক অর্থই হলো এমন ব্যক্তি, যে কূটবুদ্ধি বা ষড়যন্ত্রের আশ্রয় নেয়।</li>
<li>সহজ কথায়, যে মানুষটি সবসময় আড়ালে থেকে খারাপ বুদ্ধি বা চক্রান্ত করে, তাকেই আমরা <strong>কুচক্রী</strong> বলে থাকি।</li>
</ul>
<p>‘পণ্ডিতমূর্খ’ শব্দটির সঠিক ব্যাসবাক্য হলো <strong>পণ্ডিত হয়েও যিনি মূর্খ</strong>। এটি মূলত একটি কর্মধারয় সমাসের উদাহরণ, যেখানে বিশেষণের সাথে বিশেষ্যের মিলন ঘটেছে।</p>
<p>সহজভাবে মনে রাখার উপায়:</p>
<ul>
<li>এখানে ‘পণ্ডিত’ এবং ‘মূর্খ’ দুটি বিপরীতধর্মী গুণ একই ব্যক্তির মধ্যে বিদ্যমান।</li>
<li>যখন কোনো ব্যক্তি বাইরে থেকে পণ্ডিত মনে হলেও আসলে মূর্খ, তখন তাকে বোঝাতে ‘হয়েও’ অব্যয়টি ব্যবহার করে ব্যাসবাক্যটি গঠন করা হয়।</li>
<li>ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী, এমন বৈপরীত্য বোঝাতে ‘পণ্ডিত হয়েও যিনি মূর্খ’—এই গঠনটিই সবচেয়ে নির্ভুল।</li>
</ul>
<p>বাংলা লিপির স্থায়ী গঠন রূপ মূলত <strong>সেন আমলে</strong> শুরু হয়েছিল। বিষয়টি খুব সহজভাবে বুঝতে নিচের পয়েন্টগুলো খেয়াল করুন:</p>
<ul>
<li>প্রাচীন লিপিগুলো সময়ের সাথে পরিবর্তিত হয়ে সেন আমলে এসে একটি সুনির্দিষ্ট ও স্থায়ী রূপ পেতে শুরু করে।</li>
<li>এই সময়েই বাংলা লিপির বিবর্তনের ধারাটি আধুনিক বাংলা বর্ণমালার কাছাকাছি পৌঁছাতে থাকে।</li>
<li>ইতিহাসবিদদের মতে, সেন রাজাদের শাসনকালেই বাংলা লিপি তার নিজস্ব বৈশিষ্ট্য ও গঠনগত স্থায়িত্ব লাভ করে, যা পরবর্তী সময়ে আরও বিকশিত হয়েছে।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, বাংলা বর্ণমালার যে পরিচিত কাঠামো আমরা আজ দেখি, তার ভিত্তিপ্রস্তর বা স্থায়ী রূপটি সেন আমলের অবদান।</p>
<p>‘পাঠক’ শব্দটির সঠিক প্রকৃতি ও প্রত্যয় হলো <strong>পঠ + ণক</strong>। বিষয়টি খুব সহজভাবে এভাবে বোঝা যায়:</p>
<ul>
<li>সংস্কৃত ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী, যখন কোনো ধাতুর সাথে <strong>ণক</strong> প্রত্যয় যুক্ত হয়, তখন ধাতুর আদি স্বরের বৃদ্ধি ঘটে।</li>
<li>এখানে মূল ধাতু হলো <strong>পঠ</strong>। এর সাথে <strong>ণক</strong> প্রত্যয় যুক্ত হওয়ার সময় ‘পঠ’-এর ‘অ’ কারটি বৃদ্ধি পেয়ে ‘আ’ কারে পরিণত হয়।</li>
<li>ফলে শব্দটি দাঁড়ায়: $পঠ + ণক = পাঠক$।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, ধাতুর সাথে <strong>ণক</strong> প্রত্যয় যোগ করলেই আমরা কর্তা বা বাচক শব্দ তৈরি করতে পারি, যেমন: পঠ + ণক = পাঠক, কারক + ণক = কারক।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>পর্তুগীজ</strong>। বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ, কারণ পর্তুগীজরা যখন আমাদের দেশে এসেছিল, তখন তারা তাদের সংস্কৃতির অনেক কিছু আমাদের ভাষায় রেখে গেছে।</p>
<p>সহজে মনে রাখার জন্য নিচের কৌশলটি দেখতে পারেন:</p>
<ul>
<li>পর্তুগীজরা মূলত খ্রিস্টধর্ম প্রচারের জন্য গির্জা তৈরি করেছিল।</li>
<li>তাই পর্তুগীজ শব্দভাণ্ডারের একটি বড় অংশ জুড়ে আছে ধর্ম ও দৈনন্দিন ব্যবহারের বিভিন্ন শব্দ।</li>
<li><strong>গির্জা</strong> ছাড়াও আলমারি, চাবি, বালতি, সাবান, এবং আনারসের মতো পরিচিত শব্দগুলোও পর্তুগীজ ভাষা থেকে বাংলায় এসেছে।</li>
</ul>
<p>এভাবে শব্দগুলো মনে রাখলে পরীক্ষার হলে খুব দ্রুত সঠিক উত্তরটি চিহ্নিত করা সম্ভব হয়।</p>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>জলধি</strong>। কারণটা খুব সহজ, শব্দ গঠনের নিয়ম অনুযায়ী একে বিশ্লেষণ করলে এর অর্থ দাঁড়ায় ‘জল ধারণ করে যা’ অর্থাৎ সমুদ্র।</p>
<p>সহজ কথায় বিষয়টি এভাবে বুঝে নিন:</p>
<ul>
<li><strong>রূঢ় বা রূঢ়ি শব্দ:</strong> যে শব্দগুলো প্রত্যয় বা উপসর্গ যোগে গঠিত হলেও মূল শব্দের অর্থ হারিয়ে সম্পূর্ণ ভিন্ন কোনো অর্থ প্রকাশ করে, সেগুলোকে রূঢ় শব্দ বলে। যেমন: প্রবীণ, সন্দেশ বা পাঞ্জাবি।</li>
<li><strong>যৌগিক শব্দ:</strong> অন্যদিকে, যে শব্দগুলোর ব্যুৎপত্তিগত অর্থ ও ব্যবহারিক অর্থ একই থাকে, সেগুলোকে যৌগিক শব্দ বলা হয়।</li>
<li><strong>জলধি</strong> শব্দটি বিশ্লেষণ করলে পাওয়া যায়: $জল + ধি = জলধি$। এখানে শব্দের অর্থ ও ব্যুৎপত্তিগত অর্থ একই থাকছে, তাই এটি রূঢ় শব্দ নয়, বরং একটি <strong>যৌগিক শব্দ</strong>।</li>
</ul>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>ফারসি</strong>। বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ:</p>
<ul>
<li>‘খোদা’ শব্দটি মূলত ফারসি ভাষা থেকে এসেছে, যার অর্থ হলো সৃষ্টিকর্তা বা ঈশ্বর।</li>
<li>বাংলা ভাষায় আমরা দৈনন্দিন কথাবার্তায় অনেক ফারসি শব্দ ব্যবহার করি, যার মধ্যে ‘খোদা’ অন্যতম একটি বহুল প্রচলিত শব্দ।</li>
<li>এটি কোনো আরবি বা অন্য ভাষার শব্দ নয়, তাই বিভ্রান্ত হওয়ার সুযোগ নেই।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, ফারসি ভাষা থেকে আগত এই শব্দটি আমাদের সংস্কৃতিতে এতটাই মিশে আছে যে আমরা একে বাংলা শব্দের মতোই ব্যবহার করি।</p>
<p>‘লোকে সিন্ধু’ উপন্যাসটির রচয়িতা হলেন <strong>হাছন রাজা</strong>। এটি মূলত মরমী সাধক হাছন রাজার জীবন ও দর্শনের ওপর ভিত্তি করে রচিত একটি চমৎকার সাহিত্যকর্ম।</p>
<p>সহজভাবে মনে রাখার উপায়:</p>
<ul>
<li>হাছন রাজা ছিলেন একজন বিখ্যাত মরমী কবি ও সাধক।</li>
<li>তার আধ্যাত্মিক চিন্তা এবং জীবনদর্শনকে কেন্দ্র করেই এই উপন্যাসটি লেখা হয়েছে।</li>
<li>সাহিত্যিক ও গবেষকদের মতে, হাছন রাজার জীবনীর ওপর ভিত্তি করে লেখা এই বইটি বাংলা সাহিত্যে বেশ পরিচিত।</li>
</ul>
<p>'পাগলামি' শব্দটির সন্ধিবিচ্ছেদ করলে আমরা পাই <strong>পাগল + আমি</strong>। এটি মূলত একটি প্রত্যয়জাত শব্দ, যেখানে মূল শব্দের সাথে প্রত্যয় যুক্ত হয়ে নতুন শব্দ তৈরি হয়েছে।</p>
<ul>
<li>এখানে মূল শব্দটি হলো <strong>পাগল</strong>।</li>
<li>এর সাথে <strong>আমি</strong> প্রত্যয়টি যুক্ত হয়ে শব্দটি পূর্ণতা পেয়েছে।</li>
<li>সহজ কথায়, পাগল অবস্থার ভাব বা গুণ বোঝাতে পাগল শব্দের সাথে আমি প্রত্যয় যোগ করে 'পাগলামি' শব্দটি গঠিত হয়েছে।</li>
</ul>
<p>তাই ব্যাকরণগতভাবে সঠিক বিশ্লেষণটি হলো: <strong>পাগল + আমি = পাগলামি</strong>।</p>
<p>‘পাগলামী’ শব্দটির সঠিক সন্ধিবিচ্ছেদ হলো <strong>পাগল + আমি</strong>। বিষয়টি খুব সহজভাবে মনে রাখা যায় এভাবে:</p>
<ul>
<li>বাংলা ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী, বিশেষ্য পদের সাথে 'আমি' প্রত্যয় যুক্ত হয়ে অনেক সময় বিশেষ্য বা ভাববাচক শব্দ তৈরি করে।</li>
<li>এখানে মূল শব্দ হলো <strong>পাগল</strong> এবং এর সাথে <strong>আমি</strong> প্রত্যয়টি যুক্ত হয়ে নতুন শব্দ <strong>পাগলামী</strong> গঠিত হয়েছে।</li>
<li>সহজ কথায়, পাগল হওয়ার যে ভাব বা অবস্থা, তাকেই আমরা এক কথায় পাগলামী বলি। তাই সন্ধি বিচ্ছেদের সময় মূল শব্দ ও প্রত্যয় আলাদা করলে আমরা পাই: <strong>পাগল + আমি</strong>।</li>
</ul>
MCQ পরীক্ষা সেটিংস
বাংলা
eProstuti
সহজ ও দ্রুত ক্লাস করতে অ্যাপটি ইনস্টল করুন
iPhone / iPad এ ইনস্টল করুন
eProstuti
১Safari ব্রাউজারের নিচে থাকা Share ( ) বাটনে চাপ দিন।
২নিচের দিকে স্ক্রোল করে 'Add to Home Screen' ( ) নির্বাচন করুন।
৩উপরে ডানে থাকা 'Add' বাটনে ট্যাপ করুন।
Android এ অ্যাপ ইনস্টল করুন
eProstuti
১Chrome ব্রাউজারের উপরে ডানে থাকা থ্রি-ডট ( ) মেনু চাপুন।
২তালিকায় 'Install app' বা 'Add to Home screen' ( ) এ ট্যাপ করুন।
ডাউনলোড সম্পন্ন হলে ফাইলটি ওপেন করে Install চাপুন।
যদি "Install unknown apps" বা "Unknown sources" অনুমতি চায়, তাহলে সেটি Allow করে আবার ইনস্টল করুন।
ইনস্টল শেষ হলে অ্যাপটি খুলে আপনার অ্যাকাউন্টে লগইন করুন।
অ্যাপের সুবিধা:
সকল লাইভ ক্লাস
রেকর্ডেড ক্লাস
অনলাইন পরীক্ষা
ই-বুক ও নোটিশ
সবকিছু এক জায়গা থেকেই সহজে ব্যবহার করুন!
ব্রাউজারে খুলুন
⚠️ মনে হচ্ছে আপনি এই ওয়েবসাইটটি ফেসবুক বা অন্য কোনো অ্যাপের ভেতরের ব্রাউজার থেকে খুলেছেন।
ভালোভাবে কাজ করার জন্য দয়া করে এটি আপনার মূল ব্রাউজারে (যেমন Chrome) খুলুন।
👉 উপরে থাকা ⋮ বা ••• বাটনে চাপ দিন → তারপর “Open in Browser” সিলেক্ট করুন।