eProstuti
স্বাগতম শিক্ষার্থী!

অনলাইন কোর্স ও পরীক্ষায় অংশ নিতে লগইন করুন

লগইন / রেজিস্টার
ওয়েবসাইট মেন্যু
MCQ: ৩৪৫১৮ টি
সকল বিষয়
বাংলা
সঠিক উত্তর বাছাই করে আপনার প্রস্তুতি যাচাই করুন
৯৭৫১

ড. অসিতকুমার বন্দ্যোপাধ্যায় বাংলা সাহিত্যের মধ্যযুগকে কয়টি ভাগে ভাগ করেছেন?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
চারটি
ব্যাখ্যা:
<p>ড. অসিতকুমার বন্দ্যোপাধ্যায়ের মতে, বাংলা সাহিত্যের মধ্যযুগকে মোট <strong>চারটি</strong> ভাগে ভাগ করা হয়েছে। সাহিত্যিক বিবর্তন ও সময়কাল বিবেচনায় তিনি এই বিভাজনটি করেছেন।</p>

<p>সহজভাবে মনে রাখার জন্য ভাগগুলো নিচে দেওয়া হলো:</p>

<ul>
<li><strong>প্রথম পর্যায়:</strong> প্রাক-চৈতন্য যুগ (১২০১ - ১৫০৭ খ্রিষ্টাব্দ)।</li>
<li><strong>দ্বিতীয় পর্যায়:</strong> চৈতন্য যুগ (১৫০৭ - ১৬০০ খ্রিষ্টাব্দ)।</li>
<li><strong>তৃতীয় পর্যায়:</strong> চৈতন্য-পরবর্তী যুগ (১৬০১ - ১৭০০ খ্রিষ্টাব্দ)।</li>
<li><strong>চতুর্থ পর্যায়:</strong> যুগসন্ধিক্ষণ বা অবক্ষয়ের যুগ (১৭০১ - ১৮০০ খ্রিষ্টাব্দ)।</li>
</ul>

<p>অর্থাৎ, মধ্যযুগের সামগ্রিক সময়সীমা ১২০১ থেকে ১৮০০ খ্রিষ্টাব্দ পর্যন্ত বিস্তৃত এবং এই দীর্ঘ সময়কে তিনি মোট <strong>৪</strong>টি সুনির্দিষ্ট পর্বে সাজিয়েছেন।</p>
৯৭৫২

ড. মুহম্মদ এনামূল হক মধ্যযুগকে কয়টি ভাগে ভাগ করেছেন?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
তিনটি
ব্যাখ্যা:
<p>ড. মুহম্মদ এনামূল হক বাংলা সাহিত্যের মধ্যযুগকে মূলত <strong>তিনটি</strong> ভাগে ভাগ করেছেন। এই বিভাজনটি মূলত সাহিত্যের বিবর্তন ও সময়কালকে মাথায় রেখে করা হয়েছে।</p>

<p>সহজভাবে মনে রাখার জন্য ভাগগুলো হলো:</p>
<ul>
<li>প্রথম পর্যায়: আদি-মধ্যযুগ</li>
<li>দ্বিতীয় পর্যায়: মধ্য-মধ্যযুগ</li>
<li>তৃতীয় পর্যায়: অন্ত্য-মধ্যযুগ</li>
</ul>

<p>অর্থাৎ, তিনি পুরো মধ্যযুগকে মোট <strong>৩</strong>টি সুনির্দিষ্ট পর্যায়ে বিন্যস্ত করেছেন। এই পদ্ধতিটি বাংলা সাহিত্যের কালক্রম বুঝতে আমাদের দারুণ সাহায্য করে।</p>
৯৭৫৩

মধ্যযুগকে কয়টি উপবিভাগে ভাগ করা যায়?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
তিনটি
ব্যাখ্যা:
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>তিনটি</strong>। ইতিহাসবিদরা সুবিধার জন্য মধ্যযুগকে মূলত তিনটি প্রধান উপবিভাগে ভাগ করেছেন। বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ:</p>

<ul>
<li><strong>প্রারম্ভিক মধ্যযুগ:</strong> এটি সাধারণত ৫০০ থেকে ১০০০ খ্রিস্টাব্দ পর্যন্ত সময়কালকে বোঝায়।</li>
<li><strong>উচ্চ মধ্যযুগ:</strong> এটি ১০০০ থেকে ১৩০০ খ্রিস্টাব্দ পর্যন্ত বিস্তৃত।</li>
<li><strong>পরবর্তী মধ্যযুগ:</strong> এটি ১৩০০ থেকে ১৫০০ খ্রিস্টাব্দ পর্যন্ত সময়কাল।</li>
</ul>

<p>এই তিনটি ধাপের মাধ্যমেই আমরা মধ্যযুগের রাজনৈতিক, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক পরিবর্তনের ধারাগুলো সহজে বুঝতে পারি।</p>
৯৭৫৪

শব্দার্থ অনুসারে বাংলা ভাষার শব্দসমষ্টিকে ভাগ করা যায়-

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
তিন ভাগে
৯৭৫৫

শব্দার্থ অনুসারে বাংলা ভাষার শব্দ সমষ্টিকে ভাগ করা যায়-

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
তিন ভাগে
৯৭৫৬

বাংলা ভাষায় আগত ফারসি শব্দগুলোকে আমরা কয়টি ভাগে ভাগকরতে পারি?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
তিন ভাগে
ব্যাখ্যা:
<p>বাংলা ভাষায় ব্যবহৃত ফারসি শব্দগুলোকে মূলত <strong>তিন ভাগে</strong> ভাগ করা যায়। বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ:</p>

<ul>
<li><strong>ধর্মসংক্রান্ত শব্দ:</strong> যেমন—নামাজ, রোজা, খোদা, ফেরেশতা।</li>
<li><strong>আইন-আদালত সংক্রান্ত শব্দ:</strong> যেমন—উকিল, মোক্তার, জবানবন্দি, তারিখ।</li>
<li><strong>বিবিধ বা অন্যান্য শব্দ:</strong> যেমন—চশমা, দোকান, কারখানা, বাগান।</li>
</ul>

<p>এই তিন ধরনের শ্রেণিবিন্যাসের মাধ্যমেই আমরা বাংলা ভাষায় ফারসি শব্দের প্রভাব ও ব্যবহার সহজে বুঝতে পারি। তাই সঠিক উত্তর হলো <strong>তিন ভাগে</strong>।</p>
৯৭৫৭

বাংলা ভাষার ব্যবহৃত আরবি শব্দগুলোকে কয়ভাগে ভাগ করা যায়?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
তিন ভাগে
ব্যাখ্যা:
<p>বাংলা ভাষায় ব্যবহৃত আরবি শব্দগুলোকে মূলত <strong>তিন ভাগে</strong> ভাগ করা যায়। বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ:</p>

<ul>
<li><strong>ধর্ম সংক্রান্ত শব্দ:</strong> যেমন— আল্লাহ, রসুল, ইসলাম, ইমান, নামাজ, রোজা ইত্যাদি।</li>
<li><strong>প্রশাসনিক ও সংস্কৃতি সংক্রান্ত শব্দ:</strong> যেমন— আদালত, উকিল, মোক্তার, দফতর, তারিখ, কিতাব ইত্যাদি।</li>
<li><strong>অন্যান্য শব্দ:</strong> দৈনন্দিন জীবনে ব্যবহৃত বিভিন্ন শব্দ, যেমন— কলম, দোয়াত, আবাদ, নগদ ইত্যাদি।</li>
</ul>

<p>এই তিন ক্যাটাগরিতে ভাগ করলে আরবি শব্দগুলো মনে রাখা অনেক বেশি সুবিধাজনক হয়। তাই সঠিক উত্তর হলো <strong>তিন ভাগে</strong>।</p>
৯৭৫৮

বাংলা সাহিত্যের যুগকে কয় ভাগে ভাগ করা যায়?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
তিন ভাগে
ব্যাখ্যা:
<p>বাংলা সাহিত্যের বিশাল ইতিহাসকে মূলত <strong>তিনটি</strong> প্রধান যুগে ভাগ করা হয়েছে। বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ:</p>

<ul>
<li><strong>প্রাচীন যুগ:</strong> এই সময়কাল ধরা হয় $650$ থেকে $1200$ খ্রিস্টাব্দ পর্যন্ত।</li>
<li><strong>মধ্যযুগ:</strong> এই সময়কাল ধরা হয় $1201$ থেকে $1800$ খ্রিস্টাব্দ পর্যন্ত।</li>
<li><strong>আধুনিক যুগ:</strong> $1801$ খ্রিস্টাব্দ থেকে বর্তমান সময় পর্যন্ত এই যুগ চলমান।</li>
</ul>

<p>সহজ কথায়, সাহিত্যের বিবর্তন ও সময়ের পরিবর্তনের ওপর ভিত্তি করেই এই তিনটি বড় ভাগে পুরো ইতিহাসকে সাজানো হয়েছে।</p>
৯৭৫৯

আশ্রিত খণ্ডবাক্য কয় প্রকার?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
তিন প্রকার
ব্যাখ্যা:
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>তিন প্রকার</strong>। আশ্রিত খণ্ডবাক্য মূলত বাক্যের গঠন ও কাজের ওপর ভিত্তি করে তিন ভাগে বিভক্ত। বিষয়টি মনে রাখার সহজ উপায় হলো এদের কাজগুলো খেয়াল করা:</p>

<ul>
<li><strong>বিশেষ্য স্থানীয় আশ্রিত খণ্ডবাক্য:</strong> এটি বাক্যে বিশেষ্যের মতো কাজ করে।</li>
<li><strong>বিশেষণ স্থানীয় আশ্রিত খণ্ডবাক্য:</strong> এটি বাক্যের কোনো বিশেষ্য বা সর্বনামকে বিশেষিত করে।</li>
<li><strong>ক্রিয়া বিশেষণ স্থানীয় আশ্রিত খণ্ডবাক্য:</strong> এটি ক্রিয়া বা বিশেষণকে বিশেষিত করে এবং সময়ের বা কারণের ইঙ্গিত দেয়।</li>
</ul>

<p>সহজ কথায়, একটি জটিল বাক্যের প্রধান খণ্ডবাক্যের ওপর নির্ভরশীল এই তিন ধরনের খণ্ডবাক্যই আমাদের মনের ভাবকে পূর্ণতা দেয়।</p>
৯৭৬০

ড. দীনেশচন্দ্র সেনের উদ্যোগে সংগৃহীত গীতিকাগুলো কয় খণ্ডে প্রকাশিত হয়?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
চার খণ্ডে
ব্যাখ্যা:
<p>ড. দীনেশচন্দ্র সেনের উদ্যোগে সংগৃহীত মৈমনসিংহ গীতিকা ও পূর্ববঙ্গ গীতিকাগুলো মূলত <strong>চার খণ্ডে</strong> প্রকাশিত হয়েছিল। এই সংকলনটি বাংলা সাহিত্যের লোকসংস্কৃতির ইতিহাসে এক অনন্য মাইলফলক।</p>

<p>সহজভাবে মনে রাখার জন্য নিচের তথ্যটি খেয়াল করুন:</p>

<ul>
<li>প্রকাশিত মোট খণ্ড সংখ্যা: <strong>৪</strong></li>
<li>এই চারটি খণ্ডে মূলত মৈমনসিংহ গীতিকা এবং পূর্ববঙ্গ গীতিকার বিভিন্ন পালা ও গাথাগুলো ধারাবাহিকভাবে স্থান পেয়েছে।</li>
</ul>

<p>দীনেশচন্দ্র সেনের এই বিশাল কর্মযজ্ঞের কারণেই গ্রামীণ বাংলার লোকগাথাগুলো আজ বিশ্বদরবারে সমাদৃত। তাই সঠিক উত্তরটি হলো <strong>চার খণ্ডে</strong>।</p>
৯৭৬১

'মৃত্যুকে যে যথার্থরূপে দেখিয়াছে, সে দ্বিজত্ব লাভ করিয়াছে- মিথ্যা হইতে সত্য নব-জন্ম লাভ করিয়াছে।' -উক্তিটি কার?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
মোহিতলাল মজুমদার
ব্যাখ্যা:
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>মোহিতলাল মজুমদার</strong>। সাহিত্য সমালোচনায় মোহিতলাল মজুমদারের গদ্যশৈলী বেশ গভীর এবং দার্শনিক চিন্তাধারা সমৃদ্ধ।</p>

<p>এই উক্তিটি মনে রাখার জন্য একটি সহজ কৌশল অবলম্বন করতে পারেন:</p>

<ul>
<li>মোহিতলাল মজুমদারের রচনায় প্রায়ই জীবনের গভীর সত্য ও আধ্যাত্মিক উপলব্ধির প্রকাশ ঘটে।</li>
<li>'দ্বিজত্ব' বা 'নব-জন্ম' শব্দগুলো তাঁর প্রবন্ধের বিশেষ বৈশিষ্ট্য, যা তাঁর দার্শনিক দৃষ্টিভঙ্গিকে ফুটিয়ে তোলে।</li>
<li>পরীক্ষায় এই ধরনের উদ্ধৃতি আসলে মনে রাখবেন, জীবন ও মৃত্যুর এমন গূঢ় বিশ্লেষণ মোহিতলাল মজুমদারের প্রবন্ধের একটি অবিচ্ছেদ্য অংশ।</li>
</ul>
৯৭৬২

অর্থ অনুসারে বাংলা শব্দসমূহকে কয় ভাগে ভাগ করা হয়েছে?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
তিন
ব্যাখ্যা:
<p>অর্থ অনুসারে বাংলা শব্দসমূহকে মূলত <strong>তিন</strong> ভাগে ভাগ করা হয়েছে। বিষয়টি মনে রাখা খুবই সহজ, কারণ এই ভাগগুলো আমাদের দৈনন্দিন ব্যবহারের শব্দের অর্থকে সুন্দরভাবে ফুটিয়ে তোলে।</p>

<p>শব্দগুলোর এই তিনটি ভাগ হলো:</p>
<ul>
<li><strong>যৌগিক শব্দ:</strong> যে সব শব্দের ব্যুৎপত্তিগত অর্থ ও ব্যবহারিক অর্থ একই।</li>
<li><strong>রূঢ় বা রূঢ়ি শব্দ:</strong> প্রত্যয় বা উপসর্গ যোগে গঠিত হলেও মূল অর্থ হারিয়ে অন্য কোনো নির্দিষ্ট অর্থ প্রকাশ করে।</li>
<li><strong>যোগরূঢ় শব্দ:</strong> সমাস নিষ্পন্ন যে সব শব্দ সমস্যমান পদগুলোর অর্থ প্রকাশ না করে সম্পূর্ণ ভিন্ন কোনো অর্থ প্রকাশ করে।</li>
</ul>

<p>সহজ কথায়, শব্দের গঠন ও অর্থের গভীরতা অনুযায়ী এই <strong>তিনটি</strong> ধরণই বাংলা ব্যাকরণে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।</p>
৯৭৬৩

অর্থগতভাবে বাংলা ভাষার শব্দ সম্ভারকে কয় ভাগে ভাগ করা যায় ?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
তিন
ব্যাখ্যা:
<p>অর্থগতভাবে বাংলা ভাষার শব্দ সম্ভারকে মূলত <strong>তিন</strong> ভাগে ভাগ করা যায়। বিষয়টি মনে রাখা খুবই সহজ, কারণ এই ভাগগুলো আমাদের দৈনন্দিন ব্যবহারের সাথে সরাসরি যুক্ত। এই তিনটি ভাগ হলো:</p>

<ul>
<li><strong>যৌগিক শব্দ:</strong> যে সব শব্দের উৎপত্তিগত অর্থ ও ব্যবহারিক অর্থ একই।</li>
<li><strong>রূঢ়ি শব্দ:</strong> যে সব শব্দ প্রত্যয় বা উপসর্গ যোগে মূল শব্দের অর্থের অনুগামী না হয়ে অন্য কোনো বিশিষ্ট অর্থ প্রকাশ করে।</li>
<li><strong>যোগরূঢ় শব্দ:</strong> সমাস নিষ্পন্ন যে সব শব্দ সম্পূর্ণভাবে অন্য কোনো অর্থ প্রকাশ করে।</li>
</ul>

<p>সহজ কথায়, শব্দের অর্থের এই তিনটি ভিন্নধর্মী বৈশিষ্ট্যের কারণেই এদের এভাবে শ্রেণিবিভাগ করা হয়েছে।</p>
৯৭৬৪

পদ কত প্রকার?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
পাঁচ
ব্যাখ্যা:
<p>বাংলা ব্যাকরণ অনুযায়ী সঠিক উত্তর হলো <strong>পাঁচ</strong>। বিষয়টি মনে রাখা খুবই সহজ, কারণ বাক্যে ব্যবহৃত প্রতিটি শব্দের একটি নির্দিষ্ট ভূমিকা থাকে। পদকে মূলত এই পাঁচটি ভাগে ভাগ করা হয়েছে:</p>

<ul>
<li><strong>বিশেষ্য:</strong> কোনো কিছুর নাম বোঝাতে।</li>
<li><strong>সর্বনাম:</strong> বিশেষ্যের পরিবর্তে যা বসে।</li>
<li><strong>বিশেষণ:</strong> দোষ, গুণ বা অবস্থা বোঝাতে।</li>
<li><strong>অব্যয়:</strong> যার কোনো পরিবর্তন হয় না।</li>
<li><strong>ক্রিয়া:</strong> কোনো কাজ করা বা হওয়া বোঝাতে।</li>
</ul>

<p>সহজ কথায়, বাক্যের গঠন ও কাজ অনুযায়ী এই পাঁচটি পদই আমাদের ভাষার মূল ভিত্তি হিসেবে কাজ করে।</p>
৯৭৬৫

প্রকৃতপক্ষে মঙ্গলকাব্যগুলোকে কয় শ্রেণীতে ভাগ করা যায়?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
দুই
ব্যাখ্যা:
<p>প্রকৃতপক্ষে মঙ্গলকাব্যগুলোকে প্রধানত <strong>দুই</strong> শ্রেণীতে ভাগ করা যায়। এই বিভাজনটি মূলত বিষয়বস্তু এবং দেবদেবীর মাহাত্ম্য প্রচারের ওপর ভিত্তি করে করা হয়েছে।</p>

<ul>
<li><strong>দেবখন্ড বা পৌরাণিক মঙ্গলকাব্য:</strong> যেখানে প্রধানত শিব ও চণ্ডীর মতো দেবদেবীর কাহিনী প্রাধান্য পায়।</li>
<li><strong>লৌকিক বা মানবকেন্দ্রিক মঙ্গলকাব্য:</strong> যেখানে সাধারণ মানুষের জীবন, লৌকিক দেবদেবী যেমন মনসা বা ধর্মঠাকুরের মাহাত্ম্য বর্ণিত হয়েছে।</li>
</ul>

<p>সহজ কথায়, বিষয়বস্তুর এই ভিন্নতার কারণেই মঙ্গলকাব্যকে মূলত দুটি ধারায় ভাগ করা হয়।</p>
Support
Curiosity AI Assistant
24/7 লাইভ
eProstuti ডেটাবেস ও অটোমেশন ইঞ্জিন
এআই চ্যাট WhatsApp Messenger Instagram
👋 আসসালামু আলাইকুম শিক্ষার্থী !

আমি eProstuti Curiosity AI। আমাদের সকল লাইভ কোর্স, মডেল টেস্ট, ই-বুক, নোটিশ এবং পেমেন্ট সংক্রান্ত তথ্য নিমেষেই জানতে পারবেন।

দ্রুত উত্তরের জন্য নিচের টপিক চাপুন অথবা নিচে লিখুন:

উত্তরের তথ্য বিশ্লেষণ করা হচ্ছে...
eProstuti AI সহকারী
সার্বক্ষণিক সহায়তায় প্রস্তুত
লগইন আবশ্যক

ব্যক্তিগত সহায়তা এবং আপনার কোর্স, পরীক্ষা ও পেমেন্ট হিস্ট্রি দেখতে অ্যাকাউন্টে লগইন করুন।

* চ্যাটবট সরাসরি অ্যাকাউন্ট তৈরি বা লগইন করতে পারে না।