<p>‘উষ্ণীষ’ শব্দের সঠিক অর্থ হলো <strong>পাগড়ি</strong>। প্রাচীনকালে রাজন্যবর্গ বা সম্মানিত ব্যক্তিরা তাদের মস্তকে যে বিশেষ ধরনের শিরোভূষণ বা পাগড়ি পরিধান করতেন, তাকেই মূলত উষ্ণীষ বলা হয়।</p>
<p>সহজভাবে মনে রাখার উপায়:</p>
<ul>
<li>সংস্কৃত ও বাংলা সাহিত্যে উষ্ণীষ শব্দটি রাজকীয় বা আভিজাত্যের প্রতীক হিসেবে ব্যবহৃত হয়।</li>
<li>এটি কোনো তাপমাত্রা বা উষ্ণতার সাথে সম্পর্কিত নয়, বরং এটি মাথার ওপর জড়ানো এক ধরণের বিশেষ বস্ত্র বা পাগড়িকে বোঝায়।</li>
</ul>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>মৌমাছির চাষ</strong>। বিষয়টি মনে রাখা খুবই সহজ। বিজ্ঞানের ভাষায় বিভিন্ন চাষাবাদ পদ্ধতির আলাদা আলাদা নাম রয়েছে, যা আমাদের দৈনন্দিন জীবনে কাজে লাগে।</p>
<ul>
<li><strong>এপিকালচার (Apiculture):</strong> এটি মূলত ল্যাটিন শব্দ 'Apis' থেকে এসেছে, যার অর্থ হলো মৌমাছি। তাই মৌমাছি পালন বা মধু সংগ্রহের বৈজ্ঞানিক পদ্ধতিকেই এপিকালচার বলা হয়।</li>
<li>সহজ কথায়, যখন আমরা বাণিজ্যিকভাবে মধু এবং মোম পাওয়ার জন্য মৌমাছির যত্ন নিই, তখন তাকেই এপিকালচার বা মৌমাছি চাষ বলে।</li>
</ul>
<p>পরীক্ষার জন্য মনে রাখার একটি ছোট কৌশল হলো— ইংরেজি শব্দ <strong>'Apiary'</strong> মানেই হলো মৌমাছির খামার। তাই যেখানেই 'এপি' (Api) শব্দটি দেখবেন, বুঝে নেবেন সেটি মৌমাছির সাথেই সম্পর্কিত।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>পাখির ঠোঁট</strong>। বিষয়টি খুব সহজ, কারণ বাংলা ব্যাকরণ ও শব্দভাণ্ডারে 'চঞ্চু' শব্দটি মূলত পাখির ঠোঁট বোঝাতেই ব্যবহৃত হয়।</p>
<ul>
<li>'চঞ্চু' একটি তৎসম শব্দ।</li>
<li>সহজ কথায়, পাখির মুখ বা ঠোঁটকে সাহিত্যিক বা শুদ্ধ ভাষায় <strong>চঞ্চু</strong> বলা হয়।</li>
<li>তাই যেকোনো জায়গায় 'চঞ্চু' শব্দটি দেখলে চোখ বন্ধ করে বুঝে নেবেন এটি পাখির ঠোঁটকে নির্দেশ করছে।</li>
</ul>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>সমিতি</strong>। কারণ সমষ্টিবাচক বিশেষ্য বলতে এমন কিছুকে বোঝায় যা দিয়ে কোনো ব্যক্তি বা বস্তুর অবিভক্ত সমষ্টি বা দলকে বোঝায়।</p>
<ul>
<li><strong>সমিতি</strong> শব্দটি দিয়ে অনেকগুলো মানুষের একটি নির্দিষ্ট দলকে বোঝানো হয়, যা একটি একক সমষ্টি হিসেবে কাজ করে।</li>
<li>অন্যান্য অপশনগুলো (মানুষ, ফুল, পাখি) দিয়ে কোনো নির্দিষ্ট দলকে না বুঝিয়ে বরং সাধারণ জাতি বা শ্রেণিবাচক বিশেষ্যকে বোঝায়।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, যখন কোনো শব্দ দিয়ে আলাদা আলাদা কাউকে না বুঝিয়ে বরং পুরো দল বা গোষ্ঠীকে একত্রে বোঝানো হয়, তখনই সেটি সমষ্টিবাচক বিশেষ্য হয়। তাই এখানে <strong>সমিতি</strong>-ই সঠিক।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>হাতি</strong>। পৌরাণিক কাহিনী অনুযায়ী, দেবরাজ ইন্দ্রের বাহন বা বিশেষ হাতিকে বলা হয় ঐরাবত।</p>
<p>সহজে মনে রাখার জন্য কিছু তথ্য:</p>
<ul>
<li>সংস্কৃত ভাষায় 'ঐরাবত' শব্দটির উৎপত্তি হয়েছে 'ইরাবতী' থেকে, যার অর্থ সমুদ্র বা জল।</li>
<li>যেহেতু হাতি জল ছিটিয়ে খেলতে পছন্দ করে এবং বিশাল আকৃতির হয়, তাই প্রাচীন সাহিত্যে হাতিকে ঐরাবত নামে অভিহিত করা হয়েছে।</li>
<li>বাংলা সাহিত্যে বা কবিতায় যখনই ঐরাবতের কথা আসবে, চোখ বন্ধ করে ধরে নেবেন এটি একটি <strong>হাতি</strong> বা গজের কথা বলা হচ্ছে।</li>
</ul>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>পাখি</strong>। বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ।</p>
<ul>
<li>সংস্কৃত ব্যাকরণ অনুযায়ী, 'খ' মানে হলো আকাশ এবং 'গ' মানে হলো গমনকারী।</li>
<li>অর্থাৎ, যে আকাশে বিচরণ করে বা উড়ে বেড়ায়, তাকেই এক কথায় বলা হয় 'খগ'।</li>
<li>এই যুক্তিতেই 'খগ' শব্দের অর্থ হলো <strong>পাখি</strong>।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, আকাশে ওড়ে বলেই পাখিকে আমরা 'খগ' বলে থাকি।</p>
<p>'পাকড়াও' শব্দটির সঠিক প্রকৃতি ও প্রত্যয় হলো <strong>পাকড় + আও</strong>। বিষয়টি খুব সহজভাবে এভাবে বোঝা যায়:</p>
<ul>
<li>এখানে <strong>পাকড়</strong> হলো মূল ধাতু বা প্রকৃতি, যা কোনো কিছু ধরার বা আয়ত্তে আনার অর্থ প্রকাশ করে।</li>
<li>এর সাথে <strong>আও</strong> প্রত্যয়টি যুক্ত হয়ে নতুন একটি শব্দ গঠন করেছে।</li>
<li>বাংলা ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী, ধাতুর সাথে প্রত্যয় যুক্ত হয়েই সাধারণত ক্রিয়াবাচক শব্দ তৈরি হয়। তাই এখানে পাকড় ধাতুর সাথে আও প্রত্যয় যোগ করলেই সঠিক শব্দটি পাওয়া যায়।</li>
</ul>
<p>মর্সিয়া ধারার হিন্দু কবি হলেন <strong>রাধারমন গোপ</strong>। বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ:</p>
<ul>
<li>মর্সিয়া মূলত ইসলামি শোকগাথা বা কারবালার বিয়োগান্তক কাহিনী নিয়ে রচিত সাহিত্য।</li>
<li>সাধারণত মুসলিম কবিরাই এই ধারার সাহিত্য রচনা করতেন।</li>
<li>তবে ব্যতিক্রম হিসেবে <strong>রাধারমন গোপ</strong> এই ধারায় পদচারণা করে এক অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, মর্সিয়া সাহিত্যের ধারায় হিন্দু কবিদের মধ্যে রাধারমন গোপের নামই সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য এবং এটিই সঠিক উত্তর।</p>
<p>ভাষার বিচারে একটি সার্থক বাক্যের প্রধানত <strong>তিনটি</strong> গুণ থাকা আবশ্যক। এই তিনটি গুণ হলো আকাঙ্ক্ষা, আসত্তি এবং যোগ্যতা।</p>
<ul>
<li><strong>আকাঙ্ক্ষা:</strong> বাক্যের এক পদ শোনার পর অন্য পদ শোনার যে ইচ্ছা, তা-ই আকাঙ্ক্ষা।</li>
<li><strong>আসত্তি:</strong> বাক্যের অর্থ পরিষ্কারভাবে বোঝার জন্য পদগুলোকে সঠিক জায়গায় বসানোই হলো আসত্তি।</li>
<li><strong>যোগ্যতা:</strong> বাক্যের অন্তর্গত পদগুলোর মধ্যে অর্থের সংগতি ও ভাবের মিল থাকাকে যোগ্যতা বলে।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, এই তিনটি গুণের সমন্বয়েই একটি বাক্য পূর্ণতা পায় এবং অর্থবহ হয়ে ওঠে। তাই সঠিক উত্তর হলো <strong>তিনটি</strong>।</p>
৯৭৪৬
বাংলা ভাষার শব্দ সম্ভারকে কয়টি ভাগে ভাগ করা হয়েছে?
<p>একটি পত্রের প্রধান অংশ হলো <strong>দুইটি</strong>। বিষয়টি খুব সহজভাবে মনে রাখা যায়:</p>
<ul>
<li><strong>পত্রের কাঠামো বা গঠন:</strong> একটি আদর্শ চিঠির মূল কাঠামো দুটি প্রধান ভাগে বিভক্ত।</li>
<li><strong>প্রথম অংশ:</strong> পত্রের উপরের অংশ বা শিরোনাম, যেখানে প্রেরক ও প্রাপকের ঠিকানা এবং তারিখ থাকে।</li>
<li><strong>দ্বিতীয় অংশ:</strong> পত্রের মূল বক্তব্য বা বডি, যেখানে মূল বিষয়টি বিস্তারিত আলোচনা করা হয়।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, চিঠির বাইরের খাম বা ঠিকানার অংশ এবং ভেতরের মূল বার্তার অংশ—এই দুই মিলেই একটি পূর্ণাঙ্গ পত্র গঠিত হয়।</p>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>দুটি</strong>। ধর্মমঙ্গল কাব্য মূলত দুটি প্রধান কাহিনীর সমন্বয়ে গঠিত। বিষয়টিকে সহজভাবে এভাবে মনে রাখতে পারেন:</p>
<ul>
<li>প্রথম অংশটি হলো <strong>লাউসেনের কাহিনী</strong>, যা কাব্যের মূল উপজীব্য।</li>
<li>দ্বিতীয় অংশটি হলো <strong>হারু দত্ত বা ইছাই ঘোষের কাহিনী</strong>, যা কাহিনীকে পূর্ণতা দেয়।</li>
</ul>
<p>এই দুটি কাহিনীকে কেন্দ্র করেই ধর্মঠাকুরের মাহাত্ম্য প্রচারের উদ্দেশ্যে পুরো কাব্যটি রচিত হয়েছে। তাই সাহিত্যের ইতিহাসে ধর্মমঙ্গল কাব্য বলতে এই দুটি কাহিনীর মেলবন্ধনকেই বোঝানো হয়।</p>
৯৭৪৯
বাংলাদেশ থেকে সংগৃহীত লোকগীতিকাগুলোকে কয়টি ভাগে ভাগ করা হয়েছে?
<p>বাংলাদেশ থেকে সংগৃহীত লোকগীতিকাগুলোকে প্রধানত <strong>তিনটি</strong> ভাগে ভাগ করা হয়েছে। এই ভাগগুলো হলো: মৈমনসিংহ গীতিকা, পূর্ববঙ্গ গীতিকা এবং নাথগীতিকা।</p>
<ul>
<li><strong>মৈমনসিংহ গীতিকা:</strong> এটি মূলত ময়মনসিংহ অঞ্চলের লোকগাথা নিয়ে গঠিত।</li>
<li><strong>পূর্ববঙ্গ গীতিকা:</strong> বৃহত্তর পূর্ববঙ্গ বা বর্তমান বাংলাদেশের বিভিন্ন অঞ্চলের লোকগাথা এর অন্তর্ভুক্ত।</li>
<li><strong>নাথগীতিকা:</strong> এটি নাথধর্ম ও যোগী সম্প্রদায়ের জীবনদর্শন ও কাহিনী অবলম্বনে রচিত।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, লোকসাহিত্যের এই বিশাল ভাণ্ডারকে বিষয়বস্তু ও ভৌগোলিক বৈশিষ্ট্যের ভিত্তিতে এই <strong>৩টি</strong> শ্রেণিতেই বিন্যস্ত করা হয়েছে।</p>
৯৭৫০
ড. সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায় বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস কে কয়টি যুগে ভাগ করেছেন?
<p>ড. সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায়ের মতে বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসকে মোট <strong>পাঁচটি</strong> যুগে ভাগ করা হয়েছে। বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ, কারণ তিনি বাংলা ভাষার বিবর্তন ও সাহিত্যের ধারাকে বিশ্লেষণ করে এই বিভাজনটি করেছেন।</p>
<p>সহজ কথায়, সাহিত্যের গতিপ্রকৃতি এবং সময়ের পরিবর্তনের ওপর ভিত্তি করেই তিনি এই পাঁচটি পর্যায় নির্ধারণ করেছেন। তাই সঠিক উত্তর হলো <strong>পাঁচটি</strong>।</p>
MCQ পরীক্ষা সেটিংস
বাংলা
eProstuti
সহজ ও দ্রুত ক্লাস করতে অ্যাপটি ইনস্টল করুন
iPhone / iPad এ ইনস্টল করুন
eProstuti
১Safari ব্রাউজারের নিচে থাকা Share ( ) বাটনে চাপ দিন।
২নিচের দিকে স্ক্রোল করে 'Add to Home Screen' ( ) নির্বাচন করুন।
৩উপরে ডানে থাকা 'Add' বাটনে ট্যাপ করুন।
Android এ অ্যাপ ইনস্টল করুন
eProstuti
১Chrome ব্রাউজারের উপরে ডানে থাকা থ্রি-ডট ( ) মেনু চাপুন।
২তালিকায় 'Install app' বা 'Add to Home screen' ( ) এ ট্যাপ করুন।
ডাউনলোড সম্পন্ন হলে ফাইলটি ওপেন করে Install চাপুন।
যদি "Install unknown apps" বা "Unknown sources" অনুমতি চায়, তাহলে সেটি Allow করে আবার ইনস্টল করুন।
ইনস্টল শেষ হলে অ্যাপটি খুলে আপনার অ্যাকাউন্টে লগইন করুন।
অ্যাপের সুবিধা:
সকল লাইভ ক্লাস
রেকর্ডেড ক্লাস
অনলাইন পরীক্ষা
ই-বুক ও নোটিশ
সবকিছু এক জায়গা থেকেই সহজে ব্যবহার করুন!
ব্রাউজারে খুলুন
⚠️ মনে হচ্ছে আপনি এই ওয়েবসাইটটি ফেসবুক বা অন্য কোনো অ্যাপের ভেতরের ব্রাউজার থেকে খুলেছেন।
ভালোভাবে কাজ করার জন্য দয়া করে এটি আপনার মূল ব্রাউজারে (যেমন Chrome) খুলুন।
👉 উপরে থাকা ⋮ বা ••• বাটনে চাপ দিন → তারপর “Open in Browser” সিলেক্ট করুন।