<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>মিথিলা</strong>। ব্রজবুলি আসলে কোনো নির্দিষ্ট অঞ্চলের কথ্য ভাষা নয়, বরং এটি একটি কৃত্রিম কাব্যভাষা।</p>
<p>সহজভাবে মনে রাখার উপায়:</p>
<ul>
<li>মধ্যযুগের কবি বিদ্যাপতি এই ভাষায় পদাবলি রচনা করেছিলেন।</li>
<li>বিদ্যাপতি ছিলেন মিথিলার অধিবাসী, তাই তিনি মৈথিলি ভাষার সাথে ব্রজ ভাষার সংমিশ্রণে এই বিশেষ কাব্যরীতি তৈরি করেন।</li>
<li>পরবর্তীতে বাংলা সাহিত্যের বৈষ্ণব পদাবলিতেও কবিরা এই ভাষাকে অনুকরণ করে প্রচুর পদ রচনা করেছেন।</li>
</ul>
<p>তাই সাহিত্যিক ও ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপটে ব্রজবুলির উৎসস্থল হিসেবে <strong>মিথিলা</strong>-কেই প্রধানত চিহ্নিত করা হয়।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>ক্ষুদ্রার্থে</strong>। বিষয়টি খুব সহজভাবে মনে রাখা যায়:</p>
<ul>
<li>যখন কোনো বড় বা মূল জিনিসের ছোট কোনো অংশ বোঝানো হয়, তখন তাকে <strong>ক্ষুদ্রার্থে</strong> অব্যয়ীভাব সমাস বলা হয়।</li>
<li>যেমন, 'গ্রহ' একটি বিশাল বস্তু, তার ছোট সংস্করণ হলো <strong>উপগ্রহ</strong>।</li>
<li>একইভাবে, 'নদী' অনেক বড় হয়, কিন্তু তার থেকে বেরিয়ে আসা ছোট জলধারাকে বলা হয় <strong>উপনদী</strong>।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, মূল শব্দের আগে 'উপ' যুক্ত হয়ে যখন ছোট বা ক্ষুদ্র কোনো কিছু বোঝায়, তখনই সেটি ক্ষুদ্রার্থে অব্যয়ীভাব সমাস হয়।</p>
<p>‘অনুসৃতি’ শব্দের সঠিক অর্থ হলো <strong>অনুকরণ</strong>। সহজ কথায়, যখন কেউ অন্য কাউকে বা কোনো কিছুকে দেখে হুবহু সেই কাজ বা আচরণ করার চেষ্টা করে, তখন তাকেই অনুসরণ বা অনুকরণ বলা হয়।</p>
<p>বিষয়টি মনে রাখার সহজ উপায়:</p>
<ul>
<li><strong>অনু</strong> উপসর্গটি সাধারণত কোনো কিছুর পরে বা পেছনে থাকাকে বোঝায়।</li>
<li>কারো কাজের পেছনে থেকে বা তাকে দেখে একই কাজ করা মানেই হলো <strong>অনুকরণ</strong> করা।</li>
<li>সাহিত্য বা ব্যাকরণের ভাষায়, কোনো আদর্শ বা মডেলকে সামনে রেখে সেই অনুযায়ী কাজ করাকেই ‘অনুসৃতি’ বা ‘অনুকরণ’ হিসেবে গণ্য করা হয়।</li>
</ul>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>পশুরাজ</strong>। বিষয়টি খুব সহজ, কারণ সিংহকে বনের রাজা বা পশুদের রাজা বলা হয়। তাই বাংলা অভিধানে সিংহ শব্দের সমার্থক হিসেবে 'পশুরাজ' শব্দটি সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত হয়।</p>
<ul>
<li>সিংহ বনের রাজা, তাই একে <strong>পশুরাজ</strong> বলা হয়।</li>
<li>সাহিত্যে বা সাধারণ কথোপকথনে সিংহকে বোঝাতে এই বিশেষ নামটিই সবচেয়ে বেশি মানানসই।</li>
</ul>
<p>'পশ্বধর্ম' শব্দটির সঠিক সন্ধি বিচ্ছেদ হলো <strong>পশু + অধ্ম</strong>। এটি মূলত যণ সন্ধির একটি চমৎকার উদাহরণ। বিষয়টি সহজভাবে বুঝতে নিচের ধাপগুলো দেখুন:</p>
<ul>
<li>সন্ধির নিয়ম অনুযায়ী, যখন 'উ' বা 'ঊ' কারের পর অন্য কোনো স্বরবর্ণ থাকে, তখন 'উ' বা 'ঊ' পরিবর্তিত হয়ে <strong>ব</strong>-এ পরিণত হয়।</li>
<li>এখানে 'পশু' শব্দের শেষে থাকা <strong>উ</strong> এবং 'অধ্ম' শব্দের শুরুতে থাকা <strong>অ</strong> মিলে <strong>ব</strong> তৈরি করেছে।</li>
<li>অর্থাৎ, $উ + অ = ব$।</li>
</ul>
<p>এই নিয়মটি অনুসরণ করেই 'পশু' ও 'অধ্ম' যুক্ত হয়ে 'পশ্বধর্ম' শব্দটি গঠিত হয়েছে।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>কাঁধ</strong>। বাংলা ব্যাকরণ ও শব্দভাণ্ডারে 'অংস' (দন্ত্য-স) শব্দটি মূলত শরীরের একটি অঙ্গকে বোঝাতে ব্যবহৃত হয়।</p>
<p>সহজে মনে রাখার উপায়:</p>
<ul>
<li><strong>অংস</strong> (দন্ত্য-স) = কাঁধ বা স্কন্ধ।</li>
<li><strong>অংশ</strong> (তালব্য-শ) = কোনো কিছুর ভাগ বা অংশবিশেষ।</li>
</ul>
<p>উচ্চারণ প্রায় একই রকম হলেও বানানের পার্থক্যের কারণে এদের অর্থ সম্পূর্ণ আলাদা। তাই পরীক্ষার খাতায় 'অংস' দেখলে চোখ বন্ধ করে 'কাঁধ' দাগিয়ে দেবেন!</p>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>ফারসি</strong>। বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ!</p>
<p>‘মৌলভী’ শব্দটি মূলত ফারসি ভাষা থেকে আমাদের বাংলা ভাষায় এসেছে। এর পেছনের সহজ যুক্তিগুলো হলো:</p>
<ul>
<li>ফারসি ভাষায় ‘মৌলা’ শব্দের অর্থ হলো প্রভু বা অভিভাবক।</li>
<li>এই ‘মৌলা’ শব্দের সাথে ফারসি ‘ঈ’ প্রত্যয় যুক্ত হয়ে ‘মৌলভী’ শব্দটি গঠিত হয়েছে।</li>
<li>সাধারণত ধর্মীয় জ্ঞানসম্পন্ন বা জ্ঞানী ব্যক্তিদের সম্মান জানাতে ফারসি ঐতিহ্যের এই শব্দটি ব্যবহার করা হয়।</li>
</ul>
<p>তাই পরীক্ষার খাতায় ‘মৌলভী’ শব্দ দেখলে চোখ বন্ধ করে <strong>ফারসি</strong> দাগিয়ে দিতে পারেন!</p>
৯৭৭৪
‘তিরিশ বছর ভিজায়ে রেখেছি দুই নয়নের জলে’ পঙক্তিটি কোন কবিতার অন্তর্গত?
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>কবর</strong>। পল্লীকবি জসীমউদ্দীনের লেখা বিখ্যাত 'কবর' কবিতাটি মূলত একটি করুণ ও আবেগঘন আখ্যানকাব্য।</p>
<p>এই পঙক্তিটি মনে রাখার সহজ উপায় হলো:</p>
<ul>
<li>কবিতাটিতে একজন বৃদ্ধ দাদু তার মৃত স্বজনদের কবরের পাশে দাঁড়িয়ে নিজের জীবনের দীর্ঘ প্রতীক্ষা ও বেদনার কথা তুলে ধরেছেন।</li>
<li>'তিরিশ বছর ভিজায়ে রেখেছি দুই নয়নের জলে'—এই লাইনটি দিয়ে দাদু তার প্রিয়জনদের হারানোর পর দীর্ঘ তিন দশকের অশ্রুসজল স্মৃতির গভীরতা প্রকাশ করেছেন।</li>
<li>পুরো কবিতাটি জুড়ে কবরের চারপাশের পরিবেশ এবং দাদুর একাকীত্বের যে বর্ণনা দেওয়া হয়েছে, তার সাথে এই পঙক্তিটি সরাসরি মিলে যায়।</li>
</ul>
<p>রংপুর থেকে ‘মানিক রাজার গান’ সংগ্রহ করেছিলেন <strong>জর্জ গ্রিয়ার্সন</strong>। বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ, কারণ লোকসাহিত্য সংগ্রহের ক্ষেত্রে তাঁর অবদান অনন্য।</p>
<ul>
<li><strong>জর্জ গ্রিয়ার্সন</strong> মূলত ভাষাতাত্ত্বিক গবেষণার জন্য বিখ্যাত হলেও, তিনি বাংলার বিভিন্ন অঞ্চলের লোকগাথা ও লোকসংগীত সংগ্রহের কাজে অগ্রণী ভূমিকা পালন করেছিলেন।</li>
<li>রংপুর অঞ্চলের লোকসংস্কৃতির ওপর তাঁর গভীর আগ্রহ ছিল, যার ফলস্বরূপ তিনি এই বিখ্যাত গানটি সংগ্রহ করতে সক্ষম হন।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, লোকসাহিত্যের এই বিশেষ সংগ্রহটি তাঁর নামেই ইতিহাসের পাতায় স্থায়ী হয়ে আছে। তাই সঠিক উত্তরটি হলো <strong>জর্জ গ্রিয়ার্সন</strong>।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>অর্ক</strong>। বিষয়টি খুব সহজ, কারণ বাংলা ব্যাকরণে 'অর্ক' শব্দটি সূর্যের একটি অত্যন্ত পরিচিত ও প্রচলিত সমার্থক শব্দ।</p>
<p>সহজে মনে রাখার জন্য কিছু কৌশল:</p>
<ul>
<li>সূর্যকে আমরা অনেক নামে ডাকি, যেমন—রবি, দিনমণি, ভাস্কর এবং <strong>অর্ক</strong>।</li>
<li>অন্যান্য শব্দগুলো যেমন—অর্ণব (সমুদ্র), প্রসূন (ফুল) বা পল্লব (কচি পাতা) সম্পূর্ণ ভিন্ন অর্থ বহন করে।</li>
<li>তাই পরীক্ষার খাতায় 'অর্ক' দেখলেই চোখ বন্ধ করে দাগিয়ে দিতে পারেন, কারণ এটি সরাসরি সূর্যকে নির্দেশ করে।</li>
</ul>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>পল মিশ্রিত অন্ন</strong>। বিষয়টি খুব সহজ, কারণ এটি একটি মধ্যপদলোপী কর্মধারয় সমাস।</p>
<ul>
<li>'পলান্ন' শব্দটির অর্থ হলো মাংস দিয়ে রান্না করা অন্ন বা পোলাও।</li>
<li>সমাস করার সময় যখন মাঝখানের পদ বা ব্যাখ্যাকারী অংশটি লোপ পায়, তখন তাকে মধ্যপদলোপী কর্মধারয় সমাস বলে।</li>
<li>এখানে 'পল' (মাংস) এবং 'অন্ন'-এর মাঝে 'মিশ্রিত' শব্দটি ব্যাসবাক্যে স্পষ্টভাবে উল্লেখ থাকে, যা সমাসবদ্ধ হওয়ার সময় হারিয়ে যায়।</li>
</ul>
<p>তাই ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী, পল বা মাংস মিশ্রিত অন্নই হলো এর সঠিক ব্যাসবাক্য।</p>
৯৭৭৮
ছায়াপথ তার নিজ অক্ষকে কেন্দ্র করে ঘুরে আসতে যে সময় লাগে তাকে কি বলে?
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>কসমিক ইয়ার</strong>। বিষয়টি খুব সহজভাবে মনে রাখা যায়:</p>
<ul>
<li>আমাদের সূর্য বা সৌরজগৎ ছায়াপথের কেন্দ্রকে কেন্দ্র করে বিশাল এক কক্ষপথে ঘুরছে।</li>
<li>এই বিশাল পথ একবার ঘুরে আসতে সূর্যের প্রায় <strong>২২ কোটি ৫০ লক্ষ</strong> বছর সময় লাগে।</li>
<li>মহাজাগতিক এই বিশাল সময়কালকেই বিজ্ঞানের ভাষায় বলা হয় <strong>কসমিক ইয়ার</strong> বা মহাজাগতিক বছর।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, পৃথিবী সূর্যের চারদিকে ঘুরলে যেমন এক বছর হয়, তেমনি পুরো সৌরজগৎ যখন ছায়াপথের কেন্দ্রকে একবার প্রদক্ষিণ করে, তখন তাকেই আমরা কসমিক ইয়ার বলি।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>পলান্ন</strong>। বিষয়টি খুব সহজ, কারণ মধ্যপদলোপী কর্মধারয় সমাসে ব্যাসবাক্যের মাঝখানের পদটি লোভ পায় বা হারিয়ে যায়।</p>
<p>সহজভাবে বুঝতে নিচের ধাপগুলো দেখুন:</p>
<ul>
<li>প্রথমে শব্দটির ব্যাসবাক্য করলে দাঁড়ায়: <strong>পল মিশ্রিত অন্ন</strong>।</li>
<li>এখানে লক্ষ্য করুন, মাঝখানের <strong>'মিশ্রিত'</strong> শব্দটি লোভ পেয়ে বা বাদ পড়ে তৈরি হয়েছে <strong>'পলান্ন'</strong>।</li>
<li>যেহেতু ব্যাসবাক্যের মাঝখানের পদটি হারিয়ে গিয়ে নতুন শব্দ তৈরি হয়েছে, তাই এটি মধ্যপদলোপী কর্মধারয় সমাসের একটি আদর্শ উদাহরণ।</li>
</ul>
<p>পর্যালোচনা শব্দের সঠিক সন্ধি বিচ্ছেদ হলো <strong>পরি + আলোচনা</strong>। বিষয়টি খুব সহজভাবে মনে রাখা যায় এভাবে:</p>
<ul>
<li>সন্ধির নিয়ম অনুযায়ী, ই-কার (ি) বা ঈ-কারের পর যদি ভিন্ন স্বরবর্ণ থাকে, তবে ই/ঈ পরিবর্তিত হয়ে <strong>য-ফলা</strong> বা <strong>য</strong> হয়ে যায়।</li>
<li>এখানে 'পরি' শব্দের শেষে থাকা 'ই' এবং 'আলোচনা' শব্দের শুরুতে থাকা 'আ' মিলে সন্ধি তৈরি করেছে।</li>
<li>সূত্রটি হলো: $ই + আ = যা$।</li>
<li>তাই, $পরি + আলোচনা = পর্যালোচনা$।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, শব্দের শুরুতে 'পর্য' থাকলে সাধারণত সেখানে 'পরি' উপসর্গটি কাজ করে। এই ছোট ট্রিকটি মনে রাখলে যেকোনো পরীক্ষায় এমন সন্ধি সহজেই সমাধান করা সম্ভব।</p>
MCQ পরীক্ষা সেটিংস
বাংলা
eProstuti
সহজ ও দ্রুত ক্লাস করতে অ্যাপটি ইনস্টল করুন
iPhone / iPad এ ইনস্টল করুন
eProstuti
১Safari ব্রাউজারের নিচে থাকা Share ( ) বাটনে চাপ দিন।
২নিচের দিকে স্ক্রোল করে 'Add to Home Screen' ( ) নির্বাচন করুন।
৩উপরে ডানে থাকা 'Add' বাটনে ট্যাপ করুন।
Android এ অ্যাপ ইনস্টল করুন
eProstuti
১Chrome ব্রাউজারের উপরে ডানে থাকা থ্রি-ডট ( ) মেনু চাপুন।
২তালিকায় 'Install app' বা 'Add to Home screen' ( ) এ ট্যাপ করুন।
ডাউনলোড সম্পন্ন হলে ফাইলটি ওপেন করে Install চাপুন।
যদি "Install unknown apps" বা "Unknown sources" অনুমতি চায়, তাহলে সেটি Allow করে আবার ইনস্টল করুন।
ইনস্টল শেষ হলে অ্যাপটি খুলে আপনার অ্যাকাউন্টে লগইন করুন।
অ্যাপের সুবিধা:
সকল লাইভ ক্লাস
রেকর্ডেড ক্লাস
অনলাইন পরীক্ষা
ই-বুক ও নোটিশ
সবকিছু এক জায়গা থেকেই সহজে ব্যবহার করুন!
ব্রাউজারে খুলুন
⚠️ মনে হচ্ছে আপনি এই ওয়েবসাইটটি ফেসবুক বা অন্য কোনো অ্যাপের ভেতরের ব্রাউজার থেকে খুলেছেন।
ভালোভাবে কাজ করার জন্য দয়া করে এটি আপনার মূল ব্রাউজারে (যেমন Chrome) খুলুন।
👉 উপরে থাকা ⋮ বা ••• বাটনে চাপ দিন → তারপর “Open in Browser” সিলেক্ট করুন।