<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>পরি + আলোচনা</strong>। সন্ধি বিচ্ছেদের নিয়মটি খুব সহজভাবে মনে রাখা যায়:</p>
<ul>
<li>বাংলা সন্ধির নিয়ম অনুযায়ী, যখন <strong>ই</strong> বা <strong>ঈ</strong> কারের পর ভিন্ন কোনো স্বরবর্ণ আসে, তখন <strong>ই/ঈ</strong> পরিবর্তিত হয়ে <strong>য</strong>-ফলা বা <strong>য়</strong>-তে রূপ নেয়।</li>
<li>এখানে <strong>পরি</strong> শব্দের শেষে থাকা <strong>ই</strong> কার এবং <strong>আলোচনা</strong> শব্দের শুরুতে থাকা <strong>আ</strong> মিলে <strong>য়া</strong> তৈরি করেছে।</li>
<li>অর্থাৎ, <strong>পরি + আ = পর্য + আ = পর্যালো</strong>।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, <strong>পরি</strong> এর সাথে <strong>আলোচনা</strong> যুক্ত হয়েই শব্দটি <strong>পর্যালোচনা</strong> হয়েছে। তাই এটিই সঠিক সন্ধি বিচ্ছেদ।</p>
<p>‘পর্যালোচনা’ শব্দের সঠিক সন্ধি বিচ্ছেদ হলো <strong>পরি + আলোচনা</strong>। এটি মূলত সন্ধির একটি বিশেষ নিয়ম মেনে চলে। বিষয়টি সহজভাবে বুঝতে নিচের ধাপগুলো খেয়াল করুন:</p>
<ul>
<li>সন্ধির নিয়ম অনুযায়ী, ‘ই’ বা ‘ঈ’ কারের পর যদি ভিন্ন কোনো স্বরবর্ণ থাকে, তবে ‘ই/ঈ’ পরিবর্তিত হয়ে ‘য’ (য-ফলা) হয়ে যায়।</li>
<li>এখানে ‘পরি’ শব্দের শেষে থাকা ‘ই’ কার এবং ‘আলোচনা’ শব্দের শুরুতে থাকা ‘আ’ মিলে ‘য’ (য-ফলা) তৈরি করেছে।</li>
<li>অর্থাৎ: $পরি + আ = পর্য$।</li>
</ul>
<p>এভাবেই ‘পরি’ এবং ‘আলোচনা’ যুক্ত হয়ে ‘পর্যালোচনা’ শব্দটি গঠিত হয়। তাই সঠিক উত্তরটি হলো <strong>পরি + আলোচনা</strong>।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>স্থাবর</strong>। বিষয়টি খুব সহজভাবে মনে রাখা যায়:</p>
<ul>
<li><strong>জঙ্গম</strong> শব্দটির অর্থ হলো যা গতিশীল বা যা এক স্থান থেকে অন্য স্থানে চলাচল করতে পারে।</li>
<li>অন্যদিকে, <strong>স্থাবর</strong> মানে হলো যা স্থির বা যা এক জায়গায় আটকে থাকে, অর্থাৎ যার কোনো গতি নেই।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, গতিশীল বা চলমান কোনো কিছুর বিপরীত অবস্থা বোঝাতে আমরা সবসময় 'স্থাবর' শব্দটি ব্যবহার করি। তাই ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী জঙ্গমের বিপরীত শব্দ হিসেবে এটিই সবচেয়ে উপযুক্ত।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>পর্বত</strong>। কারণটা খুব সহজ—জাতিবাচক বিশেষ্য বলতে এমন কোনো নামকে বোঝায় যা দিয়ে কোনো নির্দিষ্ট ব্যক্তি বা বস্তুকে না বুঝিয়ে বরং পুরো শ্রেণি বা জাতিকে বোঝায়।</p>
<ul>
<li><strong>পর্বত</strong> শব্দটি কোনো একটি নির্দিষ্ট পাহাড়কে না বুঝিয়ে পৃথিবীর সমস্ত পাহাড় বা পর্বতমালাকে সামগ্রিকভাবে নির্দেশ করে।</li>
<li>যেহেতু 'পর্বত' বললে পৃথিবীর যেকোনো পর্বতকেই বোঝানো যায়, তাই এটি একটি সাধারণ নাম বা জাতিবাচক বিশেষ্য।</li>
</ul>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>পৃথিবী</strong>। বিষয়টি মনে রাখা খুবই সহজ।</p>
<ul>
<li>'সর্বংসহা' শব্দটির অর্থ হলো 'যা সবকিছু সহ্য করতে পারে'।</li>
<li>আমাদের পৃথিবী বা ধরিত্রী অগণিত মানুষের ভার, প্রাকৃতিক দুর্যোগ এবং নানা অত্যাচার নীরবে সহ্য করে টিকে থাকে।</li>
<li>এই অসীম ধৈর্য ও সহ্যক্ষমতার কারণেই পৃথিবীকে কাব্যিক ভাষায় 'সর্বংসহা' বলা হয়।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, পৃথিবীর এই অসীম সহনশীলতার গুণটিই এই শব্দের মূল ভিত্তি।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>পর্বত</strong>। বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ, কারণ 'অদ্রি' শব্দটি মূলত সংস্কৃত থেকে এসেছে যার আক্ষরিক অর্থ হলো যা নড়ে না বা অচল।</p>
<p>সহজভাবে মনে রাখার জন্য নিচের পয়েন্টগুলো খেয়াল করুন:</p>
<ul>
<li>'অদ্রি' শব্দের অর্থ হলো যা স্থির বা অচল।</li>
<li>ভূগোলের ভাষায় পর্বতকে 'অচল' বা 'অটল' বলা হয়, কারণ এটি সহজে স্থান পরিবর্তন করে না।</li>
<li>তাই বাংলা সাহিত্যে পর্বত বোঝাতে অচল, গিরি, শৈল এবং অদ্রি শব্দগুলো সমার্থক হিসেবে ব্যবহৃত হয়।</li>
</ul>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>ইটালিয়ান</strong>। বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ, কারণ ম্যালেরিয়া শব্দটি এসেছে ইটালিয়ান শব্দ <em>'mala aria'</em> থেকে।</p>
<ul>
<li><strong>'Mala'</strong> শব্দের অর্থ হলো খারাপ বা দূষিত।</li>
<li><strong>'Aria'</strong> শব্দের অর্থ হলো বাতাস।</li>
</ul>
<p>প্রাচীনকালে মানুষ মনে করত, দূষিত বাতাসের কারণেই এই রোগটি ছড়ায়। সেই ধারণা থেকেই ইটালিয়ান ভাষায় একে <em>'malaria'</em> বলা হতো, যা পরবর্তীতে বিশ্বজুড়ে ম্যালেরিয়া নামেই পরিচিতি পায়।</p>
৯৭৮৮
‘উকিল’ ও ‘মক্কেল’ শব্দ দুটি বাংলা ভাষা গ্রহণ করছে-
<p>‘উকিল’ এবং ‘মক্কেল’ শব্দ দুটি মূলত <strong>আরবি ভাষা</strong> থেকে বাংলা ভাষায় এসেছে। আমাদের দৈনন্দিন আইনি বা দাপ্তরিক কাজে ব্যবহৃত এই শব্দগুলো আরবি ভাষার শব্দভাণ্ডার থেকে সরাসরি গৃহীত হয়েছে।</p>
<p>সহজে মনে রাখার জন্য কিছু বিষয় খেয়াল রাখতে পারেন:</p>
<ul>
<li>আইন-আদালত সংক্রান্ত অনেক শব্দই আরবি থেকে বাংলায় এসেছে।</li>
<li>‘উকিল’ শব্দটি আরবি ‘ওয়াকিল’ (Wakil) থেকে এসেছে, যার অর্থ প্রতিনিধি বা দায়িত্বপ্রাপ্ত ব্যক্তি।</li>
<li>‘মক্কেল’ শব্দটি আরবি ‘মুওয়াক্কিল’ (Muwakkil) থেকে এসেছে, যার অর্থ যিনি কাউকে প্রতিনিধি হিসেবে নিয়োগ দেন।</li>
</ul>
<p>তাই, এই ধরনের শব্দ দেখলে চোখ বন্ধ করে আরবি ভাষার অপশনটি বেছে নিতে পারেন!</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>পর্তুগিজ</strong>। বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ, কারণ বাংলা ভাষায় ব্যবহৃত অনেক ফলের নামই পর্তুগিজ বণিকদের হাত ধরে আমাদের ভাষায় এসেছে।</p>
<ul>
<li>পর্তুগিজরা যখন বাংলায় বাণিজ্য করতে আসে, তখন তারা তাদের পরিচিত বিভিন্ন ফল ও জিনিসের নাম আমাদের ভাষায় পরিচিত করে তোলে।</li>
<li>‘পেয়ারা’ শব্দটিও ঠিক সেভাবেই পর্তুগিজ ভাষা থেকে সরাসরি বাংলায় এসেছে।</li>
<li>একইভাবে, পর্তুগিজ থেকে আসা আরও কিছু পরিচিত শব্দ হলো: <strong>আনারস</strong>, <strong>পাউরুটি</strong>, <strong>সাবান</strong> এবং <strong>বালতি</strong>।</li>
</ul>
<p>তাই পরীক্ষার খাতায় ‘পেয়ারা’ দেখলে চোখ বন্ধ করে <strong>পর্তুগিজ</strong> দাগিয়ে দেবেন!</p>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>পর্তুগিজ</strong>। বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ, কারণ আমাদের দৈনন্দিন জীবনে ব্যবহৃত অনেক শব্দই পর্তুগিজ ভাষা থেকে এসেছে।</p>
<ul>
<li>বাংলা ভাষায় ব্যবহৃত অনেক বিদেশি শব্দের উৎস হিসেবে পর্তুগিজদের বড় অবদান রয়েছে।</li>
<li>ইতিহাসের পাতায় তাকালে দেখা যায়, পর্তুগিজরা যখন বাংলায় বাণিজ্য করতে আসে, তখন তাদের ব্যবহৃত অনেক শব্দ আমাদের ভাষার সাথে মিশে যায়।</li>
<li>'ইংরেজি' শব্দটি মূলত পর্তুগিজ শব্দ <strong>'Ingles'</strong> থেকে এসেছে, যা কালক্রমে বাংলা ভাষায় 'ইংরেজি' হিসেবে পরিচিতি পেয়েছে।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, পর্তুগিজদের দীর্ঘদিনের বাণিজ্যিক সম্পর্কের কারণেই এই শব্দটি আমাদের শব্দভাণ্ডারে স্থায়ী জায়গা করে নিয়েছে।</p>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>ওলন্দাজ</strong>। বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ, কারণ আমাদের দৈনন্দিন জীবনে ব্যবহৃত তাস খেলার অনেক পরিভাষা ওলন্দাজ ভাষা থেকে এসেছে।</p>
<ul>
<li>তাসের খেলায় 'তুরুপ' বা 'ট্রাম্প' (Trump) শব্দটি মূলত ওলন্দাজ শব্দ <strong>'Troef'</strong> থেকে এসেছে।</li>
<li>বাংলা ভাষায় ওলন্দাজদের প্রভাব খুব বেশি না থাকলেও, তাস খেলার এই বিশেষ শব্দটি ওলন্দাজ বণিকদের হাত ধরেই আমাদের ভাষায় স্থায়ী জায়গা করে নিয়েছে।</li>
</ul>
<p>তাই পরীক্ষার খাতায় 'তুরুপ' শব্দটি দেখলে চোখ বন্ধ করে <strong>ওলন্দাজ</strong> দাগিয়ে দিতে পারেন!</p>
<p>বাংলা ভাষায় ব্যবহৃত অনেক শব্দই আমাদের দৈনন্দিন জীবনের অবিচ্ছেদ্য অংশ, যার মধ্যে 'তারিখ' একটি অন্যতম শব্দ। এটি মূলত ফারসি ভাষা থেকে বাংলায় এসেছে। মনে রাখার জন্য একটি সহজ কৌশল হলো:</p>
<ul>
<li>ফারসি ভাষা থেকে আসা শব্দগুলো সাধারণত প্রশাসনিক বা দাপ্তরিক কাজে বেশি ব্যবহৃত হয়।</li>
<li>'তারিখ' শব্দটি ফারসি 'তারিখ' (Tarikh) থেকেই সরাসরি বাংলায় গৃহীত হয়েছে, যার অর্থ দিন বা সময়কাল।</li>
</ul>
<p>তাই পরীক্ষার খাতায় বা সাধারণ জ্ঞানে এই ধরনের শব্দ দেখলে মনে রাখবেন, এটি ফারসি ভাষার একটি চমৎকার উপহার।</p>
<p>‘অক্ষির সমীপে’ এর সঠিক সংক্ষেপণ হলো <strong>সমক্ষ</strong>। ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী, কোনো কিছুর সামনে বা চোখের সামনে বোঝাতে ‘সমক্ষ’ শব্দটি ব্যবহৃত হয়। এটি মনে রাখার সবচেয়ে সহজ উপায় হলো:</p>
<ul>
<li><strong>অক্ষি</strong> শব্দের অর্থ হলো চোখ।</li>
<li><strong>সমীপে</strong> শব্দের অর্থ হলো কাছে বা সামনে।</li>
<li>তাই চোখের সামনে বা অক্ষির সমীপে যা থাকে, তাকে এক কথায় বলা হয় <strong>সমক্ষ</strong>।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, যখনই কোনো শব্দে ‘অক্ষি’ এবং ‘সমীপে’ একসাথে থাকে, তখন চোখ বন্ধ করে ‘সমক্ষ’ উত্তরটি বেছে নিতে পারেন। এটি একটি বহুল ব্যবহৃত পারিভাষিক শব্দ যা প্রায়ই বিভিন্ন পরীক্ষায় এসে থাকে।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>ভবলীলা সাঙ্গ</strong>। বিষয়টি খুব সহজ, কারণ 'পটল তোলা' বাগধারাটির আক্ষরিক অর্থ হলো মারা যাওয়া বা মৃত্যুবরণ করা।</p>
<p>সহজভাবে মনে রাখার উপায়:</p>
<ul>
<li>'পটল তোলা' এবং 'ভবলীলা সাঙ্গ'—উভয়ই মৃত্যুর সমার্থক বাগধারা।</li>
<li>'ভবলীলা' বলতে এই পৃথিবীর জীবনকে বোঝায়, আর 'সাঙ্গ' হওয়া মানে শেষ হয়ে যাওয়া।</li>
<li>তাই যখনই কোনো ব্যক্তি মারা যান, তখন আমরা রূপক অর্থে এই বাগধারাগুলো ব্যবহার করি।</li>
</ul>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>যে ব্যক্তি পরিশ্রমী, সে সুখী হয়</strong>। কারণ জটিল বাক্য চেনার সবচেয়ে সহজ উপায় হলো এর গঠন।</p>
<ul>
<li>জটিল বাক্যে একটি প্রধান খণ্ডবাক্যের ওপর অন্য একটি আশ্রিত খণ্ডবাক্য নির্ভর করে।</li>
<li>এই বাক্যে <strong>'যে... সে'</strong> সাপেক্ষ সর্বনামের ব্যবহার রয়েছে, যা জটিল বাক্যের প্রধান বৈশিষ্ট্য।</li>
<li>এখানে 'যে ব্যক্তি পরিশ্রমী' অংশটি একটি আশ্রিত খণ্ডবাক্য, যা 'সে সুখী হয়' প্রধান খণ্ডবাক্যের ওপর নির্ভর করছে।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, যে বাক্যে একটি সাপেক্ষ ভাব থাকে এবং একটি অংশ অন্যটির ওপর নির্ভরশীল হয়, সেটিই জটিল বাক্য।</p>
MCQ পরীক্ষা সেটিংস
বাংলা
eProstuti
সহজ ও দ্রুত ক্লাস করতে অ্যাপটি ইনস্টল করুন
iPhone / iPad এ ইনস্টল করুন
eProstuti
১Safari ব্রাউজারের নিচে থাকা Share ( ) বাটনে চাপ দিন।
২নিচের দিকে স্ক্রোল করে 'Add to Home Screen' ( ) নির্বাচন করুন।
৩উপরে ডানে থাকা 'Add' বাটনে ট্যাপ করুন।
Android এ অ্যাপ ইনস্টল করুন
eProstuti
১Chrome ব্রাউজারের উপরে ডানে থাকা থ্রি-ডট ( ) মেনু চাপুন।
২তালিকায় 'Install app' বা 'Add to Home screen' ( ) এ ট্যাপ করুন।
ডাউনলোড সম্পন্ন হলে ফাইলটি ওপেন করে Install চাপুন।
যদি "Install unknown apps" বা "Unknown sources" অনুমতি চায়, তাহলে সেটি Allow করে আবার ইনস্টল করুন।
ইনস্টল শেষ হলে অ্যাপটি খুলে আপনার অ্যাকাউন্টে লগইন করুন।
অ্যাপের সুবিধা:
সকল লাইভ ক্লাস
রেকর্ডেড ক্লাস
অনলাইন পরীক্ষা
ই-বুক ও নোটিশ
সবকিছু এক জায়গা থেকেই সহজে ব্যবহার করুন!
ব্রাউজারে খুলুন
⚠️ মনে হচ্ছে আপনি এই ওয়েবসাইটটি ফেসবুক বা অন্য কোনো অ্যাপের ভেতরের ব্রাউজার থেকে খুলেছেন।
ভালোভাবে কাজ করার জন্য দয়া করে এটি আপনার মূল ব্রাউজারে (যেমন Chrome) খুলুন।
👉 উপরে থাকা ⋮ বা ••• বাটনে চাপ দিন → তারপর “Open in Browser” সিলেক্ট করুন।