<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>বিষবৃক্ষ</strong>। বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের লেখা এই কালজয়ী উপন্যাসের কেন্দ্রীয় নারী চরিত্র হলো কুন্দনন্দিনী।</p>
<p>বিষয়টি মনে রাখার জন্য একটি সহজ কৌশল অনুসরণ করতে পারেন:</p>
<ul>
<li>উপন্যাসটির নাম <strong>বিষবৃক্ষ</strong>, আর কুন্দনন্দিনীর জীবনের ট্র্যাজেডি বা পরিণতি এই বিষবৃক্ষ উপন্যাসের মূল উপজীব্য।</li>
<li>বঙ্কিমচন্দ্রের অন্যান্য উপন্যাসের চরিত্রগুলোর সাথে গুলিয়ে না ফেলতে কুন্দনন্দিনীকে সরাসরি বিষবৃক্ষের সাথে মনে রাখাই সবচেয়ে কার্যকর উপায়।</li>
</ul>
১০০৭
বাংলা সাহিত্যের কোন ঔপন্যাসিক কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম গ্রাজুয়েট ছিলেন?
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়</strong>। বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ:</p>
<ul>
<li>১৮৫৭ সালে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠিত হওয়ার পর, ১৮৫৮ সালে প্রথম ব্যাচের যে দুজন শিক্ষার্থী স্নাতক (Graduate) ডিগ্রি অর্জন করেছিলেন, তাদের মধ্যে একজন ছিলেন বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়।</li>
<li>বাংলা সাহিত্যের প্রথম সার্থক ঔপন্যাসিক হিসেবে পরিচিত বঙ্কিমচন্দ্র একই সাথে বিশ্ববিদ্যালয়ের ইতিহাসের প্রথম গ্রাজুয়েটদের একজন হওয়ার গৌরব অর্জন করেন।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, ১৮৫৮ সালে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম সমাবর্তনেই তিনি এই কৃতিত্ব অর্জন করেছিলেন, যা তাকে বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসে এক অনন্য উচ্চতায় বসিয়েছে।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>রাজসিংহ</strong>। বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের ঐতিহাসিক উপন্যাস 'রাজসিংহ'-এর অন্যতম প্রধান নারী চরিত্র হলো জেবুন্নেসা।</p>
<p>বিষয়টি মনে রাখার জন্য একটি সহজ কৌশল অনুসরণ করতে পারেন:</p>
<ul>
<li>বঙ্কিমচন্দ্রের ঐতিহাসিক উপন্যাসের কথা বললে প্রথমেই মাথায় আসে <strong>রাজসিংহ</strong>-এর নাম।</li>
<li>এই উপন্যাসে মুঘল সম্রাট আওরঙ্গজেবের কন্যা জেবুন্নেসার বুদ্ধিমত্তা ও ব্যক্তিত্বের দারুণ প্রতিফলন ঘটেছে।</li>
<li>তাই জেবুন্নেসা বললেই সরাসরি <strong>রাজসিংহ</strong> উপন্যাসটিকে মনে রাখবেন।</li>
</ul>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>নাটক</strong>। মাইকেল মধুসূদন দত্তের লেখা <strong>'কৃষ্ণকুমারী'</strong> বাংলা সাহিত্যের প্রথম সার্থক ট্র্যাজেডি বা বিয়োগান্তক নাটক হিসেবে পরিচিত।</p>
<p>সহজে মনে রাখার জন্য কিছু তথ্য:</p>
<ul>
<li>এটি ১৮৬১ সালে প্রকাশিত হয়।</li>
<li>রাজস্থানের ইতিহাসের ওপর ভিত্তি করে এই নাটকটি রচিত হয়েছে।</li>
<li>বাংলা নাটকের ইতিহাসে এটি একটি মাইলফলক, কারণ এতেই প্রথম ট্র্যাজেডির সার্থক রূপ ফুটে ওঠে।</li>
</ul>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়</strong>। বিষয়টি মনে রাখা খুবই সহজ:</p>
<ul>
<li>'কমলাকান্তের দপ্তর' হলো বঙ্কিমচন্দ্রের একটি বিখ্যাত ব্যঙ্গাত্মক ও রম্য রচনার সংকলন।</li>
<li>এই বইয়ের প্রধান চরিত্র 'কমলাকান্ত' একজন আফিমখোর বাঙালি, যার মাধ্যমে লেখক তৎকালীন সমাজ ও রাষ্ট্রব্যবস্থার নানা অসঙ্গতি তুলে ধরেছেন।</li>
<li>বঙ্কিমচন্দ্রের অন্যান্য কালজয়ী উপন্যাসের পাশাপাশি এই বইটি তার লেখনীর বৈচিত্র্য ও তীক্ষ্ণ বুদ্ধির পরিচয় বহন করে।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, কমলাকান্তের চরিত্রটি বঙ্কিমচন্দ্রের সৃষ্টি, তাই এই দপ্তরের রচয়িতাও তিনি।</p>
১০১১
'বাবা কার ক্ষেতে ধান খেয়েছি যে, আমাকে এর ভিতর পুরিলে?' বাক্যটি কার রচনা?
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়</strong>। এই বিখ্যাত উক্তিটি বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের কালজয়ী উপন্যাস <strong>'কপালকুণ্ডলা'</strong> থেকে নেওয়া হয়েছে।</p>
<p>সহজে মনে রাখার জন্য কিছু বিষয় খেয়াল রাখতে পারেন:</p>
<ul>
<li>বঙ্কিমচন্দ্রের উপন্যাসের ভাষা ও সংলাপগুলো বেশ নাটকীয় এবং গভীর অর্থবহ হয়।</li>
<li>'কপালকুণ্ডলা' উপন্যাসের পটভূমি এবং চরিত্রগুলোর কথোপকথন বাংলা সাহিত্যের অন্যতম শ্রেষ্ঠ নিদর্শন।</li>
<li>পরীক্ষায় এই ধরনের উদ্ধৃতি বা সংলাপগুলো প্রায়ই আসে, তাই উপন্যাসের নামসহ লেখকের নাম মনে রাখা জরুরি।</li>
</ul>
১০১২
বঙ্কীমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের 'বিষবৃক্ষ' উপন্যাসের চরিত্র কোনটি?
<p>বঙ্কীমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের কালজয়ী উপন্যাস 'বিষবৃক্ষ'-এর অন্যতম প্রধান নারী চরিত্র হলো <strong>কুন্দনন্দিনী</strong>। এই উপন্যাসের পুরো কাহিনী আবর্তিত হয়েছে কুন্দনন্দিনীকে কেন্দ্র করেই।</p>
<ul>
<li>উপন্যাসের মূল সংঘাত এবং ট্র্যাজেডির কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছে কুন্দনন্দিনীর চরিত্র।</li>
<li>বঙ্কীমচন্দ্র এই উপন্যাসে বিধবা বিবাহ এবং তৎকালীন সমাজব্যবস্থার জটিলতাকে কুন্দনন্দিনীর জীবনের মাধ্যমে ফুটিয়ে তুলেছেন।</li>
<li>গল্পের নায়ক নগেন্দ্রর জীবনে কুন্দনন্দিনীর আগমনই মূলত 'বিষবৃক্ষ' রোপণের সূচনা করে, যা শেষ পর্যন্ত এক করুণ পরিণতির দিকে এগিয়ে যায়।</li>
</ul>
<p>বাংলা সাহিত্যের প্রথম সার্থক ঐতিহাসিক নাটক হলো <strong>কৃষ্ণকুমারী</strong>। মাইকেল মধুসূদন দত্ত ১৮৬১ সালে এই নাটকটি রচনা করেন।</p>
<p>বিষয়টি মনে রাখার জন্য কিছু সহজ তথ্য:</p>
<ul>
<li><strong>লেখক:</strong> মাইকেল মধুসূদন দত্ত।</li>
<li><strong>প্রেক্ষাপট:</strong> রাজস্থানের ইতিহাস অবলম্বনে এটি রচিত।</li>
<li><strong>গুরুত্ব:</strong> এর আগে বাংলা নাটকে ট্র্যাজেডির অভাব ছিল, মধুসূদন দত্ত এই নাটকের মাধ্যমেই বাংলা সাহিত্যে প্রথম সার্থক ট্র্যাজেডি বা বিয়োগান্তক নাটকের ধারা প্রবর্তন করেন।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, ঐতিহাসিক ঘটনার সাথে ট্র্যাজেডির এক দারুণ সংমিশ্রণই এই নাটকটিকে বাংলা নাট্যসাহিত্যের ইতিহাসে অনন্য করে তুলেছে।</p>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>বিষবৃক্ষ</strong>। বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের সাহিত্যকর্মের মধ্যে এটি অন্যতম জনপ্রিয় একটি উপন্যাস।</p>
<p>সহজভাবে মনে রাখার উপায়:</p>
<ul>
<li><strong>বিষবৃক্ষ</strong> হলো বঙ্কিমচন্দ্রের লেখা প্রথম সার্থক সামাজিক উপন্যাস।</li>
<li>এটি ১৮৭৩ সালে প্রকাশিত হয়।</li>
<li>বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসে এটি একটি মাইলফলক হিসেবে পরিচিত, যা বঙ্কিমচন্দ্রের লেখনশৈলীর এক অনন্য উদাহরণ।</li>
</ul>
১০১৫
‘তুমি অধম, তাই বলিয়া আমি উত্তম হইব না কেন?' প্রবাদটির রচয়িতা কে?
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়</strong>। বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ:</p>
<ul>
<li>এই বিখ্যাত উক্তিটি বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের কালজয়ী উপন্যাস <strong>'কপালকুণ্ডলা'</strong> থেকে নেওয়া হয়েছে।</li>
<li>উপন্যাসের প্রধান চরিত্র কপালকুণ্ডলা যখন নবকুমারকে এই কথাটি বলে, তখন থেকেই এটি বাংলা সাহিত্যের অন্যতম জনপ্রিয় প্রবাদে পরিণত হয়।</li>
<li>বঙ্কিমচন্দ্রের রচনার ভাষা ও গভীরতা চেনার জন্য এই উক্তিটি একটি দারুণ উদাহরণ।</li>
</ul>
<p>'ললিতা তথা মানস' আখ্যান কাব্যটির রচয়িতা হলেন <strong>বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়</strong>। এটি মূলত তার সাহিত্যিক জীবনের শুরুর দিকের একটি রচনা।</p>
<p>সহজভাবে মনে রাখার উপায়:</p>
<ul>
<li>বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় মূলত তার উপন্যাসের জন্য বিখ্যাত হলেও, তার সাহিত্যিক যাত্রার শুরুতে তিনি কাব্যচর্চাও করেছিলেন।</li>
<li>'ললিতা' এবং 'মানস'—এই দুটি কাব্যগ্রন্থ একত্রে 'ললিতা তথা মানস' নামে পরিচিত।</li>
<li>সাহিত্যিক হিসেবে তার বহুমুখী প্রতিভার পরিচয় পাওয়া যায় এই কাব্যগ্রন্থটির মাধ্যমে।</li>
</ul>
<p>বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের প্রথম উপন্যাস হলো <strong>Rajmohans wife</strong>। অনেকেই ভুল করে দুর্গেশনন্দিনীকে প্রথম উপন্যাস মনে করেন, কিন্তু সেটি ছিল তাঁর প্রথম <strong>বাংলা</strong> উপন্যাস।</p>
<p>সহজভাবে মনে রাখার উপায়:</p>
<ul>
<li><strong>Rajmohans wife</strong>: এটি ১৮৬৪ সালে প্রকাশিত বঙ্কিমচন্দ্রের লেখা প্রথম উপন্যাস, যা মূলত ইংরেজি ভাষায় রচিত।</li>
<li><strong>দুর্গেশনন্দিনী</strong>: এটি ১৮৬৫ সালে প্রকাশিত হয় এবং এটি তাঁর প্রথম বাংলা ভাষায় লেখা উপন্যাস।</li>
</ul>
<p>তাই পরীক্ষার প্রশ্নে যদি শুধু 'প্রথম উপন্যাস' জানতে চাওয়া হয়, তবে চোখ বন্ধ করে <strong>Rajmohans wife</strong>-কেই বেছে নিতে হবে।</p>
<p>বাংলা সাহিত্যের অমর কথাশিল্পী বঙ্কীমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের উপন্যাসের সংখ্যা নিয়ে অনেকের মনেই দ্বিধা থাকে, তবে সাহিত্যিক গবেষণায় এটি এখন সুনিশ্চিত যে তিনি মোট <strong>চৌদ্দটি</strong> উপন্যাস রচনা করেছেন।</p>
<p>সহজে মনে রাখার জন্য এই সংখ্যাটি মাথায় রাখতে পারেন:</p>
<ul>
<li>বঙ্কীমচন্দ্রের প্রথম উপন্যাস হলো <strong>'দুর্গেশনন্দিনী'</strong> (১৮৬৫)।</li>
<li>তাঁর শেষ উপন্যাস হলো <strong>'সীতারাম'</strong> (১৮৮৭)।</li>
<li>এই দীর্ঘ সাহিত্যিক জীবনে তিনি সব মিলিয়ে মোট <strong>১৪টি</strong> উপন্যাস উপহার দিয়েছেন।</li>
</ul>
<p>তাই সঠিক উত্তর হলো <strong>চৌদ্দটি</strong>। এই সংখ্যাটি মনে রাখলে যেকোনো প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় সহজেই উত্তর দিতে পারবেন।</p>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>আনন্দমঠ</strong>। বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের এই উপন্যাসটি মূলত দেশপ্রেমের ওপর ভিত্তি করে লেখা। এর পেছনের কারণগুলো খুব সহজ:</p>
<ul>
<li><strong>বন্দে মাতরম</strong> সংগীতটি এই উপন্যাসেরই একটি অংশ, যা পরবর্তীতে ভারতের জাতীয় সংগীত হিসেবে স্বীকৃতি পেয়েছে।</li>
<li>উপন্যাসটি সন্ন্যাসী বিদ্রোহের প্রেক্ষাপটে লেখা, যেখানে দেশমাতৃকার প্রতি গভীর ভালোবাসা ও আত্মত্যাগের চিত্র ফুটে উঠেছে।</li>
<li>এটি বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসে দেশাত্মবোধক উপন্যাসের মধ্যে সবচেয়ে প্রভাবশালী ও জনপ্রিয় একটি কাজ।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, দেশপ্রেম এবং স্বাধীনতার চেতনার কথা বললে বঙ্কিমচন্দ্রের <strong>আনন্দমঠ</strong>-এর নাম সবার আগে আসে।</p>
<p>'বিজ্ঞান রহস্য' গ্রন্থটির রচয়িতা হলেন <strong>বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়</strong>।</p>
<p>বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় মূলত তাঁর উপন্যাসের জন্য বিখ্যাত হলেও, তিনি বিজ্ঞান বিষয়ক প্রবন্ধ লেখাতেও বেশ আগ্রহী ছিলেন। তাঁর এই বইটি মূলত বিভিন্ন বিজ্ঞানভিত্তিক প্রবন্ধের সংকলন। মনে রাখার সুবিধার্থে কিছু বিষয় খেয়াল রাখতে পারেন:</p>
<ul>
<li>বঙ্কিমচন্দ্র ১৮৭৫ সালে 'বিজ্ঞান রহস্য' বইটি প্রকাশ করেন।</li>
<li>এই বইটিতে তিনি মহাকাশ, পৃথিবী এবং প্রকৃতির বিভিন্ন রহস্যময় বিষয়কে সহজ ও সাবলীল ভাষায় সাধারণ পাঠকের সামনে তুলে ধরেছেন।</li>
<li>বাংলা সাহিত্যে বিজ্ঞানকে জনপ্রিয় করার ক্ষেত্রে বঙ্কিমচন্দ্রের এই প্রয়াসটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।</li>
</ul>
MCQ পরীক্ষা সেটিংস
বাংলা
eProstuti
সহজ ও দ্রুত ক্লাস করতে অ্যাপটি ইনস্টল করুন
iPhone / iPad এ ইনস্টল করুন
eProstuti
১Safari ব্রাউজারের নিচে থাকা Share ( ) বাটনে চাপ দিন।
২নিচের দিকে স্ক্রোল করে 'Add to Home Screen' ( ) নির্বাচন করুন।
৩উপরে ডানে থাকা 'Add' বাটনে ট্যাপ করুন।
Android এ অ্যাপ ইনস্টল করুন
eProstuti
১Chrome ব্রাউজারের উপরে ডানে থাকা থ্রি-ডট ( ) মেনু চাপুন।
২তালিকায় 'Install app' বা 'Add to Home screen' ( ) এ ট্যাপ করুন।
ডাউনলোড সম্পন্ন হলে ফাইলটি ওপেন করে Install চাপুন।
যদি "Install unknown apps" বা "Unknown sources" অনুমতি চায়, তাহলে সেটি Allow করে আবার ইনস্টল করুন।
ইনস্টল শেষ হলে অ্যাপটি খুলে আপনার অ্যাকাউন্টে লগইন করুন।
অ্যাপের সুবিধা:
সকল লাইভ ক্লাস
রেকর্ডেড ক্লাস
অনলাইন পরীক্ষা
ই-বুক ও নোটিশ
সবকিছু এক জায়গা থেকেই সহজে ব্যবহার করুন!
ব্রাউজারে খুলুন
⚠️ মনে হচ্ছে আপনি এই ওয়েবসাইটটি ফেসবুক বা অন্য কোনো অ্যাপের ভেতরের ব্রাউজার থেকে খুলেছেন।
ভালোভাবে কাজ করার জন্য দয়া করে এটি আপনার মূল ব্রাউজারে (যেমন Chrome) খুলুন।
👉 উপরে থাকা ⋮ বা ••• বাটনে চাপ দিন → তারপর “Open in Browser” সিলেক্ট করুন।