eProstuti
স্বাগতম শিক্ষার্থী!

অনলাইন কোর্স ও পরীক্ষায় অংশ নিতে লগইন করুন

লগইন / রেজিস্টার
ওয়েবসাইট মেন্যু

এসএসসি ২০২৬ এর রেজাল্ট সবার আগে পেতে এখনই বুকিং করো

বুক করো
MCQ: ৩৪৫১৩ টি
সকল বিষয়
বাংলা
সঠিক উত্তর বাছাই করে আপনার প্রস্তুতি যাচাই করুন
১০২১

বঙ্কিমচন্দ্রের প্রচারধর্মী ত্রয়ী উপন্যাস কোনগুলো?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
আনন্দমঠ, দেবী চৌধুরাণী, সীতারাম
ব্যাখ্যা:
<p>বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের প্রচারধর্মী ত্রয়ী উপন্যাস হলো <strong>আনন্দমঠ, দেবী চৌধুরাণী ও সীতারাম</strong>। এই তিনটি উপন্যাসকে একত্রে 'ত্রয়ী' বলা হয় কারণ এগুলোর মূল উপজীব্য হলো দেশপ্রেম, ধর্মীয় আদর্শ এবং সমাজ সংস্কারের বার্তা।</p>

<ul>
<li><strong>আনন্দমঠ:</strong> এখানে দেশপ্রেম ও সন্ন্যাসী বিদ্রোহের প্রেক্ষাপটে স্বাধীনতার আকাঙ্ক্ষা ফুটে উঠেছে।</li>
<li><strong>দেবী চৌধুরাণী:</strong> এটি মূলত নিষ্কাম কর্মযোগের আদর্শ প্রচারের জন্য লেখা।</li>
<li><strong>সীতারাম:</strong> এই উপন্যাসে ধর্মীয় ও নৈতিক আদর্শের সংঘাত এবং তার উত্তরণের পথ দেখানো হয়েছে।</li>
</ul>

<p>সহজ কথায়, বঙ্কিমচন্দ্র তাঁর এই তিনটি উপন্যাসের মাধ্যমে তৎকালীন বাঙালি সমাজকে একটি সুনির্দিষ্ট আদর্শ ও চেতনায় উদ্বুদ্ধ করতে চেয়েছিলেন, তাই এগুলোকে একত্রে প্রচারধর্মী ত্রয়ী বলা হয়।</p>
১০২২

বঙ্কিমচন্দ্র কোন পত্রিকার সম্পাদক ছিলেন?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
বঙ্গদর্শন
ব্যাখ্যা:
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>বঙ্গদর্শন</strong>। বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের সাহিত্যিক জীবনে এই পত্রিকাটির গুরুত্ব অপরিসীম।</p>

<p>সহজে মনে রাখার জন্য নিচের পয়েন্টগুলো খেয়াল করুন:</p>
<ul>
<li><strong>বঙ্গদর্শন</strong> পত্রিকাটির প্রকাশকাল ১৮৭২ সাল।</li>
<li>বঙ্কিমচন্দ্র নিজেই এই পত্রিকাটির প্রতিষ্ঠাতা ও সম্পাদক ছিলেন।</li>
<li>বাংলা সাহিত্যের বিকাশে এবং বঙ্কিমচন্দ্রের বিখ্যাত উপন্যাসগুলো প্রকাশের ক্ষেত্রে এই পত্রিকার ভূমিকা ছিল সবচেয়ে বেশি।</li>
</ul>

<p>সহজ কথায়, বঙ্কিমচন্দ্রের নাম শুনলেই মাথায় যেন <strong>বঙ্গদর্শন</strong> পত্রিকার কথাটি গেঁথে থাকে, কারণ এই পত্রিকার মাধ্যমেই তিনি বাংলা সাহিত্যে এক নতুন যুগের সূচনা করেছিলেন।</p>
১০২৩

বাংলা ভাষায় প্রথম সার্থক উপন্যাস কোনটি?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
দুর্গেশনন্দিনী
ব্যাখ্যা:
<p>বাংলা সাহিত্যের প্রথম সার্থক উপন্যাস হলো <strong>দুর্গেশনন্দিনী</strong>। বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের হাত ধরে ১৮৬৫ সালে এই উপন্যাসটি প্রকাশিত হয়। এর আগে বাংলা সাহিত্যে উপন্যাসের মতো গদ্য আখ্যান থাকলেও, গঠনশৈলী, চরিত্র চিত্রণ এবং ভাষার শৈল্পিক ব্যবহারের দিক থেকে এটিই ছিল প্রথম পূর্ণাঙ্গ ও সার্থক উপন্যাস।</p>

<ul>
<li><strong>লেখক:</strong> বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়।</li>
<li><strong>প্রকাশকাল:</strong> ১৮৬৫ সাল।</li>
<li><strong>গুরুত্ব:</strong> এটি বাংলা সাহিত্যে রোমান্টিক ধারার উপন্যাসের সূচনা করে এবং বাংলা গদ্যকে এক নতুন উচ্চতায় নিয়ে যায়।</li>
</ul>

<p>সহজ কথায়, উপন্যাসের যে আধুনিক কাঠামো আমরা দেখি, তার ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপিত হয়েছিল এই বইটির মাধ্যমেই। তাই একেই বাংলা সাহিত্যের প্রথম সার্থক উপন্যাস হিসেবে গণ্য করা হয়।</p>
১০২৪

প্রথম প্রকৃত বাংলা উপন্যাস কোনটি?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
দুর্গেশনন্দিনী
ব্যাখ্যা:
<p>বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসে প্রথম সার্থক ও প্রকৃত উপন্যাস হলো বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের <strong>দুর্গেশনন্দিনী</strong>। ১৮৬৫ সালে এটি প্রকাশিত হয়। এর আগে বাংলা ভাষায় উপন্যাস লেখার চেষ্টা হলেও, গঠনশৈলী, চরিত্র চিত্রণ এবং কাহিনি বিন্যাসের দিক থেকে এটিই প্রথম পূর্ণাঙ্গ উপন্যাসের মর্যাদা পায়।</p>

<ul>
<li><strong>লেখক:</strong> বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়।</li>
<li><strong>প্রকাশকাল:</strong> ১৮৬৫ সাল।</li>
<li><strong>গুরুত্ব:</strong> বাংলা সাহিত্যে আধুনিক উপন্যাসের ধারার সূচনা হয় এই গ্রন্থটির মাধ্যমেই।</li>
</ul>

<p>সহজ কথায়, বাংলা উপন্যাসের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপনের কৃতিত্ব এই <strong>দুর্গেশনন্দিনী</strong>-র। তাই সাহিত্যিক বিচারে এটিই প্রথম প্রকৃত বাংলা উপন্যাস।</p>
১০২৫

'মৃণালিনী' কার রচনা?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
ব্যাখ্যা:
<p>'মৃণালিনী' উপন্যাসটির রচয়িতা হলেন <strong>বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়</strong>। এটি তাঁর লেখা অন্যতম জনপ্রিয় একটি ঐতিহাসিক উপন্যাস।</p>

<p>সহজে মনে রাখার জন্য কিছু তথ্য:</p>
<ul>
<li>বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়কে বাংলা সাহিত্যের <strong>'সুকৌশলী ঔপন্যাসিক'</strong> বলা হয়।</li>
<li>তাঁর লেখা অন্যান্য বিখ্যাত উপন্যাসের মধ্যে রয়েছে <strong>'কপালকুণ্ডলা'</strong>, <strong>'বিষবৃক্ষ'</strong> এবং <strong>'আনন্দমঠ'</strong>।</li>
<li>'মৃণালিনী' উপন্যাসটি মূলত ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপটে রচিত, যা তৎকালীন বাংলা সাহিত্যের ধারায় এক নতুন মাত্রা যোগ করেছিল।</li>
</ul>
১০২৬

মীর মশাররফ হোসেনের জীবনকাল কোনটি?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
১৮৪৭-১৯১২
ব্যাখ্যা:
<p>মীর মশাররফ হোসেনের জীবনকাল হলো <strong>১৮৪৭-১৯১২</strong>। বাংলা সাহিত্যের এই কালজয়ী লেখকের জন্ম ও মৃত্যু সাল মনে রাখার জন্য নিচের সহজ বিষয়টি খেয়াল রাখতে পারেন:</p>

<ul>
<li><strong>জন্ম:</strong> ১৮৪৭ সালের ১৩ নভেম্বর কুষ্টিয়া জেলার কুমারখালীতে।</li>
<li><strong>মৃত্যু:</strong> ১৯১২ সালের ১৯ ডিসেম্বর রাজবাড়ী জেলার পদমদীতে।</li>
</ul>

<p>সহজ কথায়, উনবিংশ শতাব্দীর মাঝামাঝি সময়ে তাঁর জন্ম এবং বিংশ শতাব্দীর শুরুর দিকে তিনি মৃত্যুবরণ করেন। এই সময়কালটি মনে রাখলে পরীক্ষার খাতায় সহজেই সঠিক উত্তরটি দাগানো সম্ভব।</p>
১০২৭

বাংলা সাহিত্যে প্রথম উল্লেখযোগ্য মুসলমান সাহিত্যিক কে?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
মীর মশাররফ হোসেন
ব্যাখ্যা:
<p>বাংলা সাহিত্যে প্রথম উল্লেখযোগ্য মুসলমান সাহিত্যিক হলেন <strong>মীর মশাররফ হোসেন</strong>। এর কারণ হলো:</p>

<ul>
<li>উনিশ শতকের শেষভাগে যখন বাংলা সাহিত্যে মুসলিম লেখকদের পদচারণা ছিল খুবই সীমিত, তখন তিনি তার শক্তিশালী লেখনীর মাধ্যমে নিজেকে অনন্য উচ্চতায় নিয়ে যান।</li>
<li>তার বিখ্যাত উপন্যাস <strong>'বিষাদ সিন্ধু'</strong> বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসে এক মাইলফলক, যা তাকে বাংলা সাহিত্যের প্রথম সার্থক ও উল্লেখযোগ্য মুসলিম ঔপন্যাসিক হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করে।</li>
<li>তিনি গদ্য, নাটক এবং প্রবন্ধের মাধ্যমে বাংলা ভাষাকে সমৃদ্ধ করেছেন, যা তৎকালীন সময়ে একজন মুসলিম লেখকের জন্য ছিল অত্যন্ত সাহসী ও যুগান্তকারী পদক্ষেপ।</li>
</ul>
১০২৮

বাংলা সাহিত্যের প্রথম মুসলিম ঔপন্যাসিকের নাম কি?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
মীর মশাররফ হোসেন
ব্যাখ্যা:
<p>বাংলা সাহিত্যের প্রথম মুসলিম ঔপন্যাসিক হলেন <strong>মীর মশাররফ হোসেন</strong>। বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ:</p>

<ul>
<li>মীর মশাররফ হোসেনকে বাংলা গদ্য ও উপন্যাসের ধারায় একজন পথিকৃৎ হিসেবে গণ্য করা হয়।</li>
<li>তার বিখ্যাত উপন্যাস <strong>'বিষাদ সিন্ধু'</strong> বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসে এক অনন্য মাইলফলক।</li>
<li>তিনিই প্রথম মুসলিম সাহিত্যিক যিনি বাংলা উপন্যাসের ক্ষেত্রে সার্থক ও শক্তিশালী ভিত্তি স্থাপন করেছিলেন।</li>
</ul>

<p>তাই সাহিত্যিক ইতিহাসের এই তথ্যটি মনে রাখলে যেকোনো পরীক্ষায় খুব সহজেই উত্তরটি দাগিয়ে ফেলা সম্ভব।</p>
১০২৯

বাংলা সাহিত্যের প্রথম মুসলিম নাট্যকার কে?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
মীর মোশাররফ হোসেন
ব্যাখ্যা:
<p>বাংলা সাহিত্যের প্রথম মুসলিম নাট্যকার হলেন <strong>মীর মোশাররফ হোসেন</strong>। বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ, কারণ তিনি বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসে একজন পথিকৃৎ হিসেবে পরিচিত।</p>

<ul>
<li>১৮৭৩ সালে তার লেখা <strong>'বসন্তকুমারী'</strong> নাটকটি বাংলা সাহিত্যের প্রথম মুসলিম রচিত নাটক হিসেবে স্বীকৃত।</li>
<li>তিনি কেবল নাট্যকারই ছিলেন না, বরং বাংলা গদ্য ও উপন্যাসেও তার অবদান অনস্বীকার্য।</li>
<li>তার বিখ্যাত উপন্যাস <strong>'বিষাদ সিন্ধু'</strong> তাকে বাংলা সাহিত্যে অমর করে রেখেছে।</li>
</ul>

<p>তাই যখনই প্রথম মুসলিম নাট্যকারের কথা আসবে, চোখ বন্ধ করে <strong>মীর মোশাররফ হোসেন</strong>-এর নামটাই মনে রাখবেন!</p>
১০৩০

বাংলা সাহিত্যে প্রথম মুসলিম নাট্যকার রচিত নাট্যগ্রন্থ কোনটি?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
বসন্ত কুমারী
ব্যাখ্যা:
<p>বাংলা সাহিত্যে প্রথম মুসলিম নাট্যকার হিসেবে পরিচিত মীর মশাররফ হোসেন। তাঁর রচিত <strong>'বসন্ত কুমারী'</strong> নাটকটিই বাংলা সাহিত্যের প্রথম মুসলিম নাট্যকার রচিত নাট্যগ্রন্থ। এটি ১৮৭৩ সালে প্রকাশিত হয়।</p>

<p>সহজভাবে মনে রাখার কৌশল:</p>
<ul>
<li>নাট্যকার: মীর মশাররফ হোসেন।</li>
<li>প্রকাশকাল: ১৮৭৩ সাল।</li>
<li>এটি বাংলা নাটকের ইতিহাসে একটি মাইলফলক, কারণ এর মাধ্যমেই মুসলিম নাট্যকারদের নাট্যচর্চার সূচনা ঘটে।</li>
</ul>
১০৩১

‘বসন্তকুমারী' নাটক রচনা করেছেন-

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
মীর মশাররফ হোসেন
ব্যাখ্যা:
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>মীর মশাররফ হোসেন</strong>।</p>

<p>বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ। মীর মশাররফ হোসেনের সাহিত্যকর্মের তালিকা দেখলে দেখা যায় যে, তিনি ১৮৭৩ সালে এই নাটকটি রচনা করেছিলেন। এটি তাঁর লেখা প্রথম নাটক। মনে রাখার জন্য নিচের পয়েন্টগুলো খেয়াল করতে পারেন:</p>

<ul>
<li><strong>মীর মশাররফ হোসেন</strong> বাংলা সাহিত্যের একজন শক্তিশালী গদ্যশিল্পী।</li>
<li>তাঁর বিখ্যাত উপন্যাস 'বিষাদ সিন্ধু'র পাশাপাশি তিনি বেশ কিছু নাটকও লিখেছেন।</li>
<li>'বসন্তকুমারী' নাটকটি তাঁর সাহিত্যিক জীবনের শুরুর দিকের একটি উল্লেখযোগ্য কাজ।</li>
</ul>

<p>সহজ কথায়, বাংলা নাটকের ইতিহাসে মীর মশাররফ হোসেনের নাম এলেই 'বসন্তকুমারী' নাটকটির কথা মাথায় রাখবেন।</p>
১০৩২

মীর মশাররফ হোসেন লিখিত নিচের রচনাগুলোর মধ্যে কোনটি নাটক?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
জমিদার দর্পণ
ব্যাখ্যা:
<p>মীর মশাররফ হোসেনের লেখা নাটক হলো <strong>জমিদার দর্পণ</strong>। এটি মূলত একটি সামাজিক নাটক, যেখানে তৎকালীন জমিদারদের অত্যাচার ও অবিচারের চিত্র ফুটে উঠেছে।</p>

<p>সহজভাবে মনে রাখার কৌশল:</p>
<ul>
<li>মীর মশাররফ হোসেনের সাহিত্যকর্মের মধ্যে <strong>জমিদার দর্পণ</strong>-ই একমাত্র পূর্ণাঙ্গ নাটক হিসেবে স্বীকৃত।</li>
<li>অন্যান্য অপশনগুলোর মধ্যে <em>বিষাদ সিন্ধু</em> একটি ঐতিহাসিক উপন্যাস, <em>উদাসীন পথিকের মনের কথা</em> একটি আত্মজৈবনিক উপন্যাস এবং <em>রত্নাবতী</em> তার রচিত প্রথম গদ্যগ্রন্থ।</li>
<li>তাই নাটকের নাম মনে রাখতে চাইলে সরাসরি <strong>জমিদার দর্পণ</strong>-কে মাথায় রাখুন।</li>
</ul>
১০৩৩

‘জমিদার দর্পন’ কার লেখা?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
মীর মশাররফ হোসেন
ব্যাখ্যা:
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>মীর মশাররফ হোসেন</strong>।</p>

<p>বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ। মীর মশাররফ হোসেনের সাহিত্যকর্মের মধ্যে <strong>'জমিদার দর্পন'</strong> একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ নাটক। এটি মূলত ১৮৭৩ সালে প্রকাশিত হয়। এই নাটকটি তৎকালীন সমাজের জমিদারদের অত্যাচার এবং সাধারণ মানুষের ওপর তাদের অমানবিক নির্যাতনের এক বাস্তব চিত্র তুলে ধরে।</p>

<ul>
<li>নাট্যকার: মীর মশাররফ হোসেন।</li>
<li>প্রকাশকাল: ১৮৭৩ সাল।</li>
<li>মূল উপজীব্য: তৎকালীন জমিদার শ্রেণির শোষণ ও নিপীড়নের চিত্র।</li>
</ul>

<p>পরীক্ষায় মনে রাখার জন্য শুধু এইটুকু মাথায় রাখুন যে, সামাজিক অবিচারের বিরুদ্ধে মীর মশাররফ হোসেনের বলিষ্ঠ লেখনীর একটি অন্যতম নিদর্শন হলো এই নাটকটি।</p>
১০৩৪

মীর মশাররফ হোসেনের নাটক কোনটি

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
বেহুলা গীতাভিনয়
ব্যাখ্যা:
<p>মীর মশাররফ হোসেনের লেখা নাটক হলো <strong>বেহুলা গীতাভিনয়</strong>। এটি ১৮৮৯ সালে প্রকাশিত হয়। মীর মশাররফ হোসেন বাংলা সাহিত্যের একজন শক্তিশালী লেখক, যিনি মূলত তার কালজয়ী উপন্যাস 'বিষাদ সিন্ধু'-এর জন্য সবচেয়ে বেশি পরিচিত। তবে নাটক রচনার ক্ষেত্রেও তিনি বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ কাজ রেখে গেছেন, যার মধ্যে 'বেহুলা গীতাভিনয়' অন্যতম।</p>

<ul>
<li><strong>লেখক:</strong> মীর মশাররফ হোসেন।</li>
<li><strong>নাটকের নাম:</strong> বেহুলা গীতাভিনয়।</li>
<li><strong>বৈশিষ্ট্য:</strong> এটি একটি পৌরাণিক কাহিনী অবলম্বনে রচিত নাটক, যা তৎকালীন সময়ে বেশ জনপ্রিয়তা পেয়েছিল।</li>
</ul>
১০৩৫

‘বিষাদ সিন্ধু’ কার রচনা?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
মীর মশাররফ হোসেন
ব্যাখ্যা:
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>মীর মশাররফ হোসেন</strong>।</p>

<p>বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসে ‘বিষাদ সিন্ধু’ একটি কালজয়ী নাম। এটি মনে রাখার জন্য নিচের সহজ বিষয়টি খেয়াল রাখতে পারেন:</p>

<ul>
<li><strong>মীর মশাররফ হোসেন</strong> ছিলেন বাংলা সাহিত্যের প্রথম সফল ঔপন্যাসিক।</li>
<li>কারবালার ঐতিহাসিক বিয়োগান্তক ঘটনা নিয়ে তিনি এই অমর উপন্যাসটি রচনা করেন।</li>
<li>বাংলা গদ্যের ইতিহাসে এটি একটি মাইলফলক, যা তিনটি খণ্ডে (মহরম পর্ব, উদ্ধার পর্ব ও এজিদ বধ পর্ব) বিভক্ত।</li>
</ul>

<p>সহজ কথায়, কারবালার করুণ কাহিনী এবং মীর মশাররফ হোসেনের নাম একে অপরের পরিপূরক হিসেবে মনে রাখলে বিষয়টি আর কখনোই ভুলবেন না।</p>
Support
Curiosity AI Assistant
24/7 লাইভ
eProstuti ডেটাবেস ও অটোমেশন ইঞ্জিন
এআই চ্যাট WhatsApp Messenger Instagram
👋 আসসালামু আলাইকুম শিক্ষার্থী !

আমি eProstuti Curiosity AI। আমাদের সকল লাইভ কোর্স, মডেল টেস্ট, ই-বুক, নোটিশ এবং পেমেন্ট সংক্রান্ত তথ্য নিমেষেই জানতে পারবেন।

দ্রুত উত্তরের জন্য নিচের টপিক চাপুন অথবা নিচে লিখুন:

উত্তরের তথ্য বিশ্লেষণ করা হচ্ছে...
eProstuti AI সহকারী
সার্বক্ষণিক সহায়তায় প্রস্তুত
লগইন আবশ্যক

ব্যক্তিগত সহায়তা এবং আপনার কোর্স, পরীক্ষা ও পেমেন্ট হিস্ট্রি দেখতে অ্যাকাউন্টে লগইন করুন।

* চ্যাটবট সরাসরি অ্যাকাউন্ট তৈরি বা লগইন করতে পারে না।