eProstuti
স্বাগতম শিক্ষার্থী!

অনলাইন কোর্স ও পরীক্ষায় অংশ নিতে লগইন করুন

লগইন / রেজিস্টার
ওয়েবসাইট মেন্যু

এসএসসি ২০২৬ এর রেজাল্ট সবার আগে পেতে এখনই বুকিং করো

বুক করো
MCQ: ৩৪৫১৩ টি
সকল বিষয়
বাংলা
সঠিক উত্তর বাছাই করে আপনার প্রস্তুতি যাচাই করুন
১৩০৬

'রায়নন্দিনী' উপন্যাসটির রচয়িতা কে?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
ইসমাইল হোসেন সিরাজী
ব্যাখ্যা:
<p>‘রায়নন্দিনী’ উপন্যাসটির রচয়িতা হলেন <strong>ইসমাইল হোসেন সিরাজী</strong>। তিনি বাংলা সাহিত্যের একজন বিশিষ্ট মুসলিম সাহিত্যিক ছিলেন।</p>

<p>সহজে মনে রাখার জন্য কিছু তথ্য:</p>
<ul>
<li>ইসমাইল হোসেন সিরাজী মূলত তার ঐতিহাসিক ও রোমান্টিক উপন্যাসের জন্য পরিচিত।</li>
<li>‘রায়নন্দিনী’ তার অন্যতম জনপ্রিয় একটি সৃষ্টি, যা তৎকালীন মুসলিম সমাজ ও সাহিত্যের প্রেক্ষাপটে লেখা।</li>
<li>পরীক্ষায় মনে রাখার জন্য সিরাজীর নামের সাথে ‘রায়নন্দিনী’ শব্দটি একবার মিলিয়ে নিলেই বিষয়টি স্থায়ী হয়ে যাবে।</li>
</ul>
১৩০৭

শিবমন্দির, অমিয়ধারা গ্রন্থগুলোর রচয়িতা কে?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
কায়কোবাদ
ব্যাখ্যা:
<p>শিবমন্দির এবং অমিয়ধারা কাব্যগ্রন্থ দুটির রচয়িতা হলেন মহাকবি <strong>কায়কোবাদ</strong>। বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসে তিনি মূলত তার মহাকাব্য 'মহাশ্মশান'-এর জন্য সবচেয়ে বেশি পরিচিত হলেও, তার কাব্যপ্রতিভার স্বাক্ষর এই গ্রন্থগুলোতেও স্পষ্টভাবে ফুটে উঠেছে।</p>

<p>সহজে মনে রাখার জন্য কিছু তথ্য:</p>
<ul>
<li><strong>কায়কোবাদ</strong> মূলত তার মহাকাব্যিক রচনার জন্য বিখ্যাত।</li>
<li>তার উল্লেখযোগ্য কাব্যগ্রন্থগুলোর মধ্যে <strong>শিবমন্দির</strong> (১৯২২) এবং <strong>অমিয়ধারা</strong> (১৯২৩) অন্যতম।</li>
<li>পরীক্ষায় প্রায়ই তার এই কাব্যগ্রন্থগুলো থেকে প্রশ্ন আসে, তাই কবির নাম ও গ্রন্থের নাম একসাথে মনে রাখা বুদ্ধিমানের কাজ।</li>
</ul>
১৩০৮

ইসমাইল হোসেন সিরাজী জন্মগ্রহণ করেন--

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
1879
ব্যাখ্যা:
<p>ইসমাইল হোসেন সিরাজীর জন্মসাল মনে রাখা খুব সহজ। তিনি ১৮৭৯ সালে সিরাজগঞ্জ জেলার বিন্যাবাড়ি গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। সাহিত্যিক হিসেবে তার পরিচিতি এবং কর্মজীবন বুঝতে হলে এই সালটি মনে রাখা জরুরি।</p>

<ul>
<li><strong>জন্মসাল:</strong> ১৮৭৯</li>
<li><strong>স্থান:</strong> সিরাজগঞ্জ, বাংলাদেশ</li>
</ul>

<p>সহজ কথায়, উনিশ শতকের শেষভাগের এই বিখ্যাত সাহিত্যিক ও সমাজ সংস্কারক ১৮৭৯ সালে পৃথিবীতে আসেন। সালটি মনে রাখার জন্য এভাবে ভাবতে পারেন: ১৮৮০ সালের ঠিক এক বছর আগে তার জন্ম হয়েছিল।</p>
১৩০৯

'অনল প্রবাহ' কাব্যটি কার?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
ইসমাইল হোসেন সিরাজী
ব্যাখ্যা:
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>ইসমাইল হোসেন সিরাজী</strong>।</p>

<p>বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ। ইসমাইল হোসেন সিরাজী ছিলেন বাংলা সাহিত্যের একজন প্রখ্যাত মুসলিম জাগরণী কবি। তাঁর সাহিত্যকর্মে দেশপ্রেম ও মুসলিম ঐতিহ্যের প্রতিফলন স্পষ্টভাবে দেখা যায়।</p>

<ul>
<li><strong>অনল প্রবাহ</strong> কাব্যগ্রন্থটি মূলত ১৯০০ সালে প্রকাশিত হয়।</li>
<li>এই কাব্যগ্রন্থটি ব্রিটিশ বিরোধী আন্দোলনের সময় ব্যাপক জনপ্রিয়তা পেয়েছিল।</li>
<li>কবি ইসমাইল হোসেন সিরাজীর এই সাহসী লেখনীর কারণেই তিনি তৎকালীন সময়ে ব্রিটিশ সরকারের রোষানলে পড়েছিলেন এবং তাঁকে কারাবরণও করতে হয়েছিল।</li>
</ul>

<p>তাই, যখনই 'অনল প্রবাহ' কাব্যগ্রন্থের কথা আসবে, মনে রাখবেন এটি কবির অগ্নিঝরা দেশপ্রেমের এক অনন্য নিদর্শন।</p>
১৩১০

কোনটি ইসমাইল হোসেন সিরাজী রচিত গ্রন্থ নয়?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
তরঙ্গভঙ্গ
ব্যাখ্যা:
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>তরঙ্গভঙ্গ</strong>। কারণ, এটি ইসমাইল হোসেন সিরাজীর লেখা কোনো গ্রন্থ নয়। বরং এই বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থটির রচয়িতা হলেন কবি <strong>মোহাম্মদ ওয়াজেদ আলী</strong>।</p>

<p>সহজে মনে রাখার জন্য নিচের বিষয়গুলো খেয়াল রাখতে পারেন:</p>
<ul>
<li>ইসমাইল হোসেন সিরাজী মূলত তার জাতীয়তাবাদী ও মুসলিম জাগরণমূলক রচনার জন্য পরিচিত।</li>
<li>তার উল্লেখযোগ্য গ্রন্থগুলোর মধ্যে রয়েছে <strong>অনল প্রবাহ</strong>, <strong>তারা বাঈ</strong> এবং <strong>তুরস্ক বিজয়</strong>।</li>
<li>যেহেতু 'তরঙ্গভঙ্গ' তার তালিকার অন্তর্ভুক্ত নয়, তাই এটিই এখানে সঠিক উত্তর।</li>
</ul>
১৩১১

ড. মুহাম্মদ শহীদুল্লাহর জীবনকাল কোনটি

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
১৮৮৫-১৯৬৯
ব্যাখ্যা:
<p>ড. মুহাম্মদ শহীদুল্লাহর জীবনকাল হলো <strong>১৮৮৫-১৯৬৯</strong>। এটি মনে রাখার জন্য খুব সহজ একটি কৌশল অবলম্বন করতে পারেন:</p>

<ul>
<li>তিনি জন্মগ্রহণ করেন <strong>১৮৮৫</strong> সালের ১০ জুলাই, পশ্চিমবঙ্গের চব্বিশ পরগনা জেলায়।</li>
<li>তিনি মৃত্যুবরণ করেন <strong>১৯৬৯</strong> সালের ১৩ জুলাই, ঢাকায়।</li>
</ul>

<p>সহজ কথায়, তার জন্ম ও মৃত্যু সালটি মনে রাখলে যেকোনো পরীক্ষায় এই প্রশ্নের উত্তর সহজেই দেওয়া সম্ভব। সঠিক সময়কালটি হলো $1885 - 1969$।</p>
১৩১২

ড.মুহম্মদ শহীদুল্লাহর মৃত্যুদিবস কোনটি?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
১৯৬৯ সালের ১৩ জুলাই
ব্যাখ্যা:
<p>ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহর মৃত্যুদিবস হলো <strong>১৯৬৯ সালের ১৩ জুলাই</strong>। বিষয়টি মনে রাখার জন্য একটি সহজ কৌশল অবলম্বন করতে পারেন:</p>

<ul>
<li>তিনি মৃত্যুবরণ করেন ১৯৬৯ সালে।</li>
<li>তার মৃত্যু তারিখটি হলো জুলাই মাসের ১৩ তারিখ।</li>
</ul>

<p>অর্থাৎ, সালটি মনে রাখুন <strong>১৯৬৯</strong> এবং তারিখটি হলো <strong>১৩ জুলাই</strong>। এই সালটি বাংলাদেশের ইতিহাসের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ, তাই এই তারিখটি মনে রাখা বেশ সহজ।</p>
১৩১৩

‘বাংলা ভাষার অভিধান’ সম্পাদনার জন্য ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ বাংলা একাডেমীতে কোন সালে যোগদান করেন?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
১৯৬০ সালে
ব্যাখ্যা:
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>১৯৬০ সালে</strong>। ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ বাংলা একাডেমির অন্যতম প্রধান কাজ ‘বাংলা ভাষার অভিধান’ প্রকল্পের প্রধান সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন এই বছরেই।</p>

<p>সহজে মনে রাখার জন্য নিচের পয়েন্টগুলো খেয়াল করুন:</p>
<ul>
<li>ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহর দীর্ঘ কর্মজীবনের শেষ দিকে তিনি বাংলা একাডেমির সাথে যুক্ত হন।</li>
<li>অভিধান প্রকল্পের কাজ শুরু করার জন্য তিনি <strong>১৯৬০</strong> সালে আনুষ্ঠানিকভাবে যোগদান করেন।</li>
<li>তার এই অসামান্য অবদানের কারণেই বাংলা ভাষার প্রমিত রূপ ও শব্দভাণ্ডার সমৃদ্ধ করার কাজ অনেক দূর এগিয়ে গিয়েছিল।</li>
</ul>
১৩১৪

‘বাংলা ভাষার ইতিবৃত্ত’ বইটি রচনা করেন-

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
সুকুমার সেন
ব্যাখ্যা:
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>সুকুমার সেন</strong>। বাংলা ভাষা ও সাহিত্যের ইতিহাস নিয়ে যারা পড়াশোনা করেন, তাদের কাছে এই বইটি একটি আকর গ্রন্থ হিসেবে পরিচিত।</p>

<p>সহজভাবে মনে রাখার জন্য নিচের বিষয়গুলো খেয়াল রাখতে পারেন:</p>

<ul>
<li><strong>সুকুমার সেন</strong> ছিলেন বাংলা ভাষাতত্ত্ব ও সাহিত্যের একজন প্রখ্যাত গবেষক।</li>
<li>তার লেখা <strong>‘বাংলা ভাষার ইতিবৃত্ত’</strong> বইটি মূলত বাংলা ভাষার উৎপত্তি, বিবর্তন এবং এর গঠনশৈলী নিয়ে লেখা একটি অত্যন্ত নির্ভরযোগ্য ও তথ্যবহুল বই।</li>
<li>বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস বা ভাষাতত্ত্বের যেকোনো পরীক্ষায় এই বইটি থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে, তাই লেখকের নাম মনে রাখাটা বেশ জরুরি।</li>
</ul>
১৩১৫

‘বাঙ্গালা ভাষার ইতিবৃত্ত’ কার রচনা?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
মুহম্মদ শহীদুল্লাহ
ব্যাখ্যা:
<p>‘বাঙ্গালা ভাষার ইতিবৃত্ত’ গ্রন্থটির রচয়িতা হলেন <strong>ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ</strong>। ভাষা ও ভাষাতত্ত্ব নিয়ে গবেষণার ক্ষেত্রে এটি তাঁর অন্যতম শ্রেষ্ঠ কাজ।</p>

<p>সহজভাবে মনে রাখার জন্য নিচের পয়েন্টগুলো খেয়াল করুন:</p>
<ul>
<li><strong>ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ</strong> ছিলেন বাংলা ভাষার একজন প্রখ্যাত ভাষাবিদ ও পণ্ডিত।</li>
<li>বাংলা ভাষার উৎপত্তি ও ক্রমবিকাশ নিয়ে তাঁর গভীর গবেষণার ফসল হলো এই বইটি।</li>
<li>পরীক্ষায় প্রায়ই প্রশ্ন আসে, তাই মনে রাখবেন—ভাষাতত্ত্বের মৌলিক আলোচনার জন্য এটি একটি আকর গ্রন্থ।</li>
</ul>
১৩১৬

ডঃ মোহাম্মদ শহীদুল্লাহ প্রধানত কোন ধরনের ব্যক্তিত্ব ছিলেন?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
ভাষাতত্ত্ববিদ
ব্যাখ্যা:
<p>ডঃ মোহাম্মদ শহীদুল্লাহর নাম শুনলেই আমাদের চোখের সামনে ভেসে ওঠে বাংলা ভাষার একজন অপ্রতিদ্বন্দ্বী পণ্ডিতের ছবি। তিনি মূলত একজন <strong>ভাষাতত্ত্ববিদ</strong> হিসেবেই বিশ্বজুড়ে সমাদৃত।</p>

<p>এর কারণগুলো খুব সহজ:</p>
<ul>
<li>তিনি বাংলা ভাষার উৎপত্তি ও ক্রমবিকাশ নিয়ে গভীর গবেষণা করেছিলেন।</li>
<li>বাংলা ভাষার ব্যাকরণ এবং অভিধান প্রণয়নে তার অবদান অতুলনীয়।</li>
<li>তিনি বহু ভাষাবিদ ছিলেন এবং ভাষাবিজ্ঞানের জটিল বিষয়গুলোকে সহজভাবে উপস্থাপন করতে পারতেন।</li>
</ul>

<p>তাই সাহিত্য বা ইতিহাসের চেয়েও তার মূল পরিচয় হলো তিনি একজন অসাধারণ ভাষাতত্ত্ববিদ।</p>
১৩১৭

'আঞ্চলিক ভাষার অভিধান' ও 'বাংলা ভাষার ইতিবৃত্ত' গ্রন্থদ্বয়ের রচয়িতা কে?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
মুহম্মদ শহীদুল্লাহ
ব্যাখ্যা:
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>মুহম্মদ শহীদুল্লাহ</strong>। এই বিখ্যাত গ্রন্থ দুটি মনে রাখার জন্য একটি সহজ কৌশল অবলম্বন করতে পারেন:</p>

<ul>
<li><strong>আঞ্চলিক ভাষার অভিধান:</strong> ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহর দীর্ঘদিনের গবেষণার ফসল এই অভিধানটি, যা বাংলা ভাষার আঞ্চলিক শব্দভাণ্ডারকে সমৃদ্ধ করেছে।</li>
<li><strong>বাংলা ভাষার ইতিবৃত্ত:</strong> বাংলা ভাষার উৎপত্তি ও ক্রমবিকাশের ইতিহাস জানতে এই বইটি একটি মৌলিক ও নির্ভরযোগ্য আকর গ্রন্থ।</li>
</ul>

<p>সহজ কথায়, ভাষাতত্ত্বের এই গুরুত্বপূর্ণ কাজগুলো ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহর অসামান্য পাণ্ডিত্যের পরিচয় বহন করে। তাই যখনই এই দুটি বইয়ের নাম দেখবেন, চোখ বন্ধ করে ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহর নাম মনে রাখবেন।</p>
১৩১৮

ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহর শিশুতোষ গ্রন্থ কোনটি?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
শেষ নবীর সন্ধানে
ব্যাখ্যা:
<p>ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহর শিশুতোষ গ্রন্থ হলো <strong>শেষ নবীর সন্ধানে</strong>। এটি মূলত ছোটদের উপযোগী করে লেখা একটি চমৎকার বই।</p>

<p>সহজভাবে মনে রাখার উপায়:</p>
<ul>
<li>ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহর সাহিত্যকর্মের তালিকায় <strong>শেষ নবীর সন্ধানে</strong> গ্রন্থটি বিশেষভাবে শিশুদের জন্য রচিত।</li>
<li>তার অন্যান্য গবেষণাধর্মী বা ভাষাতাত্ত্বিক কাজের ভিড়ে এটি একটি ব্যতিক্রমী ও সহজবোধ্য শিশুতোষ রচনা হিসেবে পরিচিত।</li>
</ul>
১৩১৯

কোন গ্রন্থটির রচয়িতা এস ওয়াজেদ আলী?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
ভবিষ্যতের বাঙালি
ব্যাখ্যা:
<p>এস ওয়াজেদ আলীর বিখ্যাত প্রবন্ধগ্রন্থ হলো <strong>ভবিষ্যতের বাঙালি</strong>। তিনি মূলত একজন প্রাবন্ধিক ও গল্পকার হিসেবে পরিচিত, যিনি বাঙালি মুসলমান সমাজের মননশীলতা ও আধুনিকতা নিয়ে অনেক কাজ করেছেন।</p>

<p>সহজে মনে রাখার জন্য কিছু তথ্য:</p>
<ul>
<li><strong>ভবিষ্যতের বাঙালি</strong> গ্রন্থটি এস ওয়াজেদ আলীর চিন্তাধারার এক অনন্য প্রতিফলন।</li>
<li>তিনি তাঁর লেখায় বাঙালির অতীত ঐতিহ্য এবং ভবিষ্যতের পথচলা নিয়ে চমৎকার বিশ্লেষণ তুলে ধরেছেন।</li>
<li>সাহিত্যিক হিসেবে তাঁর নিজস্ব একটি স্বতন্ত্র ধারা ছিল, যা এই বইটিতে স্পষ্টভাবে ফুটে উঠেছে।</li>
</ul>
১৩২০

‘ভবিষ্যতের বাঙালি’ গ্রন্থটির রচয়িতা কে?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
এস ওয়াজেদ আলী
ব্যাখ্যা:
<p>‘ভবিষ্যতের বাঙালি’ গ্রন্থটির রচয়িতা হলেন <strong>এস ওয়াজেদ আলী</strong>।</p>

<p>বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ। এস ওয়াজেদ আলী মূলত বাঙালি জাতিসত্তা, তাদের অতীত ঐতিহ্য এবং ভবিষ্যৎ সম্ভাবনা নিয়ে অনেক চিন্তাশীল প্রবন্ধ ও গ্রন্থ রচনা করেছেন। তাঁর লেখালেখির মূল উপজীব্যই ছিল বাঙালি সংস্কৃতির বিকাশ ও আধুনিকায়ন। তাই ‘ভবিষ্যতের বাঙালি’ শিরোনামের এই গুরুত্বপূর্ণ বইটি তাঁরই অনন্য সৃষ্টি।</p>

<ul>
<li><strong>লেখক:</strong> এস ওয়াজেদ আলী</li>
<li><strong>বিষয়বস্তু:</strong> বাঙালি জাতির উত্তরণ ও ভবিষ্যৎ রূপরেখা</li>
</ul>
Support
Curiosity AI Assistant
24/7 লাইভ
eProstuti ডেটাবেস ও অটোমেশন ইঞ্জিন
এআই চ্যাট WhatsApp Messenger Instagram
👋 আসসালামু আলাইকুম শিক্ষার্থী !

আমি eProstuti Curiosity AI। আমাদের সকল লাইভ কোর্স, মডেল টেস্ট, ই-বুক, নোটিশ এবং পেমেন্ট সংক্রান্ত তথ্য নিমেষেই জানতে পারবেন।

দ্রুত উত্তরের জন্য নিচের টপিক চাপুন অথবা নিচে লিখুন:

উত্তরের তথ্য বিশ্লেষণ করা হচ্ছে...
eProstuti AI সহকারী
সার্বক্ষণিক সহায়তায় প্রস্তুত
লগইন আবশ্যক

ব্যক্তিগত সহায়তা এবং আপনার কোর্স, পরীক্ষা ও পেমেন্ট হিস্ট্রি দেখতে অ্যাকাউন্টে লগইন করুন।

* চ্যাটবট সরাসরি অ্যাকাউন্ট তৈরি বা লগইন করতে পারে না।