<p>‘রায়নন্দিনী’ উপন্যাসটির রচয়িতা হলেন <strong>ইসমাইল হোসেন সিরাজী</strong>। তিনি বাংলা সাহিত্যের একজন বিশিষ্ট মুসলিম সাহিত্যিক ছিলেন।</p>
<p>সহজে মনে রাখার জন্য কিছু তথ্য:</p>
<ul>
<li>ইসমাইল হোসেন সিরাজী মূলত তার ঐতিহাসিক ও রোমান্টিক উপন্যাসের জন্য পরিচিত।</li>
<li>‘রায়নন্দিনী’ তার অন্যতম জনপ্রিয় একটি সৃষ্টি, যা তৎকালীন মুসলিম সমাজ ও সাহিত্যের প্রেক্ষাপটে লেখা।</li>
<li>পরীক্ষায় মনে রাখার জন্য সিরাজীর নামের সাথে ‘রায়নন্দিনী’ শব্দটি একবার মিলিয়ে নিলেই বিষয়টি স্থায়ী হয়ে যাবে।</li>
</ul>
<p>শিবমন্দির এবং অমিয়ধারা কাব্যগ্রন্থ দুটির রচয়িতা হলেন মহাকবি <strong>কায়কোবাদ</strong>। বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসে তিনি মূলত তার মহাকাব্য 'মহাশ্মশান'-এর জন্য সবচেয়ে বেশি পরিচিত হলেও, তার কাব্যপ্রতিভার স্বাক্ষর এই গ্রন্থগুলোতেও স্পষ্টভাবে ফুটে উঠেছে।</p>
<p>সহজে মনে রাখার জন্য কিছু তথ্য:</p>
<ul>
<li><strong>কায়কোবাদ</strong> মূলত তার মহাকাব্যিক রচনার জন্য বিখ্যাত।</li>
<li>তার উল্লেখযোগ্য কাব্যগ্রন্থগুলোর মধ্যে <strong>শিবমন্দির</strong> (১৯২২) এবং <strong>অমিয়ধারা</strong> (১৯২৩) অন্যতম।</li>
<li>পরীক্ষায় প্রায়ই তার এই কাব্যগ্রন্থগুলো থেকে প্রশ্ন আসে, তাই কবির নাম ও গ্রন্থের নাম একসাথে মনে রাখা বুদ্ধিমানের কাজ।</li>
</ul>
<p>ইসমাইল হোসেন সিরাজীর জন্মসাল মনে রাখা খুব সহজ। তিনি ১৮৭৯ সালে সিরাজগঞ্জ জেলার বিন্যাবাড়ি গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। সাহিত্যিক হিসেবে তার পরিচিতি এবং কর্মজীবন বুঝতে হলে এই সালটি মনে রাখা জরুরি।</p>
<p>সহজ কথায়, উনিশ শতকের শেষভাগের এই বিখ্যাত সাহিত্যিক ও সমাজ সংস্কারক ১৮৭৯ সালে পৃথিবীতে আসেন। সালটি মনে রাখার জন্য এভাবে ভাবতে পারেন: ১৮৮০ সালের ঠিক এক বছর আগে তার জন্ম হয়েছিল।</p>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>ইসমাইল হোসেন সিরাজী</strong>।</p>
<p>বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ। ইসমাইল হোসেন সিরাজী ছিলেন বাংলা সাহিত্যের একজন প্রখ্যাত মুসলিম জাগরণী কবি। তাঁর সাহিত্যকর্মে দেশপ্রেম ও মুসলিম ঐতিহ্যের প্রতিফলন স্পষ্টভাবে দেখা যায়।</p>
<ul>
<li><strong>অনল প্রবাহ</strong> কাব্যগ্রন্থটি মূলত ১৯০০ সালে প্রকাশিত হয়।</li>
<li>এই কাব্যগ্রন্থটি ব্রিটিশ বিরোধী আন্দোলনের সময় ব্যাপক জনপ্রিয়তা পেয়েছিল।</li>
<li>কবি ইসমাইল হোসেন সিরাজীর এই সাহসী লেখনীর কারণেই তিনি তৎকালীন সময়ে ব্রিটিশ সরকারের রোষানলে পড়েছিলেন এবং তাঁকে কারাবরণও করতে হয়েছিল।</li>
</ul>
<p>তাই, যখনই 'অনল প্রবাহ' কাব্যগ্রন্থের কথা আসবে, মনে রাখবেন এটি কবির অগ্নিঝরা দেশপ্রেমের এক অনন্য নিদর্শন।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>তরঙ্গভঙ্গ</strong>। কারণ, এটি ইসমাইল হোসেন সিরাজীর লেখা কোনো গ্রন্থ নয়। বরং এই বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থটির রচয়িতা হলেন কবি <strong>মোহাম্মদ ওয়াজেদ আলী</strong>।</p>
<p>সহজে মনে রাখার জন্য নিচের বিষয়গুলো খেয়াল রাখতে পারেন:</p>
<ul>
<li>ইসমাইল হোসেন সিরাজী মূলত তার জাতীয়তাবাদী ও মুসলিম জাগরণমূলক রচনার জন্য পরিচিত।</li>
<li>তার উল্লেখযোগ্য গ্রন্থগুলোর মধ্যে রয়েছে <strong>অনল প্রবাহ</strong>, <strong>তারা বাঈ</strong> এবং <strong>তুরস্ক বিজয়</strong>।</li>
<li>যেহেতু 'তরঙ্গভঙ্গ' তার তালিকার অন্তর্ভুক্ত নয়, তাই এটিই এখানে সঠিক উত্তর।</li>
</ul>
<p>ড. মুহাম্মদ শহীদুল্লাহর জীবনকাল হলো <strong>১৮৮৫-১৯৬৯</strong>। এটি মনে রাখার জন্য খুব সহজ একটি কৌশল অবলম্বন করতে পারেন:</p>
<ul>
<li>তিনি জন্মগ্রহণ করেন <strong>১৮৮৫</strong> সালের ১০ জুলাই, পশ্চিমবঙ্গের চব্বিশ পরগনা জেলায়।</li>
<li>তিনি মৃত্যুবরণ করেন <strong>১৯৬৯</strong> সালের ১৩ জুলাই, ঢাকায়।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, তার জন্ম ও মৃত্যু সালটি মনে রাখলে যেকোনো পরীক্ষায় এই প্রশ্নের উত্তর সহজেই দেওয়া সম্ভব। সঠিক সময়কালটি হলো $1885 - 1969$।</p>
<p>ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহর মৃত্যুদিবস হলো <strong>১৯৬৯ সালের ১৩ জুলাই</strong>। বিষয়টি মনে রাখার জন্য একটি সহজ কৌশল অবলম্বন করতে পারেন:</p>
<ul>
<li>তিনি মৃত্যুবরণ করেন ১৯৬৯ সালে।</li>
<li>তার মৃত্যু তারিখটি হলো জুলাই মাসের ১৩ তারিখ।</li>
</ul>
<p>অর্থাৎ, সালটি মনে রাখুন <strong>১৯৬৯</strong> এবং তারিখটি হলো <strong>১৩ জুলাই</strong>। এই সালটি বাংলাদেশের ইতিহাসের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ, তাই এই তারিখটি মনে রাখা বেশ সহজ।</p>
১৩১৩
‘বাংলা ভাষার অভিধান’ সম্পাদনার জন্য ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ বাংলা একাডেমীতে কোন সালে যোগদান করেন?
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>১৯৬০ সালে</strong>। ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ বাংলা একাডেমির অন্যতম প্রধান কাজ ‘বাংলা ভাষার অভিধান’ প্রকল্পের প্রধান সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন এই বছরেই।</p>
<p>সহজে মনে রাখার জন্য নিচের পয়েন্টগুলো খেয়াল করুন:</p>
<ul>
<li>ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহর দীর্ঘ কর্মজীবনের শেষ দিকে তিনি বাংলা একাডেমির সাথে যুক্ত হন।</li>
<li>অভিধান প্রকল্পের কাজ শুরু করার জন্য তিনি <strong>১৯৬০</strong> সালে আনুষ্ঠানিকভাবে যোগদান করেন।</li>
<li>তার এই অসামান্য অবদানের কারণেই বাংলা ভাষার প্রমিত রূপ ও শব্দভাণ্ডার সমৃদ্ধ করার কাজ অনেক দূর এগিয়ে গিয়েছিল।</li>
</ul>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>সুকুমার সেন</strong>। বাংলা ভাষা ও সাহিত্যের ইতিহাস নিয়ে যারা পড়াশোনা করেন, তাদের কাছে এই বইটি একটি আকর গ্রন্থ হিসেবে পরিচিত।</p>
<p>সহজভাবে মনে রাখার জন্য নিচের বিষয়গুলো খেয়াল রাখতে পারেন:</p>
<ul>
<li><strong>সুকুমার সেন</strong> ছিলেন বাংলা ভাষাতত্ত্ব ও সাহিত্যের একজন প্রখ্যাত গবেষক।</li>
<li>তার লেখা <strong>‘বাংলা ভাষার ইতিবৃত্ত’</strong> বইটি মূলত বাংলা ভাষার উৎপত্তি, বিবর্তন এবং এর গঠনশৈলী নিয়ে লেখা একটি অত্যন্ত নির্ভরযোগ্য ও তথ্যবহুল বই।</li>
<li>বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস বা ভাষাতত্ত্বের যেকোনো পরীক্ষায় এই বইটি থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে, তাই লেখকের নাম মনে রাখাটা বেশ জরুরি।</li>
</ul>
<p>‘বাঙ্গালা ভাষার ইতিবৃত্ত’ গ্রন্থটির রচয়িতা হলেন <strong>ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ</strong>। ভাষা ও ভাষাতত্ত্ব নিয়ে গবেষণার ক্ষেত্রে এটি তাঁর অন্যতম শ্রেষ্ঠ কাজ।</p>
<p>সহজভাবে মনে রাখার জন্য নিচের পয়েন্টগুলো খেয়াল করুন:</p>
<ul>
<li><strong>ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ</strong> ছিলেন বাংলা ভাষার একজন প্রখ্যাত ভাষাবিদ ও পণ্ডিত।</li>
<li>বাংলা ভাষার উৎপত্তি ও ক্রমবিকাশ নিয়ে তাঁর গভীর গবেষণার ফসল হলো এই বইটি।</li>
<li>পরীক্ষায় প্রায়ই প্রশ্ন আসে, তাই মনে রাখবেন—ভাষাতত্ত্বের মৌলিক আলোচনার জন্য এটি একটি আকর গ্রন্থ।</li>
</ul>
১৩১৬
ডঃ মোহাম্মদ শহীদুল্লাহ প্রধানত কোন ধরনের ব্যক্তিত্ব ছিলেন?
<p>ডঃ মোহাম্মদ শহীদুল্লাহর নাম শুনলেই আমাদের চোখের সামনে ভেসে ওঠে বাংলা ভাষার একজন অপ্রতিদ্বন্দ্বী পণ্ডিতের ছবি। তিনি মূলত একজন <strong>ভাষাতত্ত্ববিদ</strong> হিসেবেই বিশ্বজুড়ে সমাদৃত।</p>
<p>এর কারণগুলো খুব সহজ:</p>
<ul>
<li>তিনি বাংলা ভাষার উৎপত্তি ও ক্রমবিকাশ নিয়ে গভীর গবেষণা করেছিলেন।</li>
<li>বাংলা ভাষার ব্যাকরণ এবং অভিধান প্রণয়নে তার অবদান অতুলনীয়।</li>
<li>তিনি বহু ভাষাবিদ ছিলেন এবং ভাষাবিজ্ঞানের জটিল বিষয়গুলোকে সহজভাবে উপস্থাপন করতে পারতেন।</li>
</ul>
<p>তাই সাহিত্য বা ইতিহাসের চেয়েও তার মূল পরিচয় হলো তিনি একজন অসাধারণ ভাষাতত্ত্ববিদ।</p>
১৩১৭
'আঞ্চলিক ভাষার অভিধান' ও 'বাংলা ভাষার ইতিবৃত্ত' গ্রন্থদ্বয়ের রচয়িতা কে?
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>মুহম্মদ শহীদুল্লাহ</strong>। এই বিখ্যাত গ্রন্থ দুটি মনে রাখার জন্য একটি সহজ কৌশল অবলম্বন করতে পারেন:</p>
<ul>
<li><strong>আঞ্চলিক ভাষার অভিধান:</strong> ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহর দীর্ঘদিনের গবেষণার ফসল এই অভিধানটি, যা বাংলা ভাষার আঞ্চলিক শব্দভাণ্ডারকে সমৃদ্ধ করেছে।</li>
<li><strong>বাংলা ভাষার ইতিবৃত্ত:</strong> বাংলা ভাষার উৎপত্তি ও ক্রমবিকাশের ইতিহাস জানতে এই বইটি একটি মৌলিক ও নির্ভরযোগ্য আকর গ্রন্থ।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, ভাষাতত্ত্বের এই গুরুত্বপূর্ণ কাজগুলো ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহর অসামান্য পাণ্ডিত্যের পরিচয় বহন করে। তাই যখনই এই দুটি বইয়ের নাম দেখবেন, চোখ বন্ধ করে ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহর নাম মনে রাখবেন।</p>
<p>ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহর শিশুতোষ গ্রন্থ হলো <strong>শেষ নবীর সন্ধানে</strong>। এটি মূলত ছোটদের উপযোগী করে লেখা একটি চমৎকার বই।</p>
<p>সহজভাবে মনে রাখার উপায়:</p>
<ul>
<li>ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহর সাহিত্যকর্মের তালিকায় <strong>শেষ নবীর সন্ধানে</strong> গ্রন্থটি বিশেষভাবে শিশুদের জন্য রচিত।</li>
<li>তার অন্যান্য গবেষণাধর্মী বা ভাষাতাত্ত্বিক কাজের ভিড়ে এটি একটি ব্যতিক্রমী ও সহজবোধ্য শিশুতোষ রচনা হিসেবে পরিচিত।</li>
</ul>
<p>এস ওয়াজেদ আলীর বিখ্যাত প্রবন্ধগ্রন্থ হলো <strong>ভবিষ্যতের বাঙালি</strong>। তিনি মূলত একজন প্রাবন্ধিক ও গল্পকার হিসেবে পরিচিত, যিনি বাঙালি মুসলমান সমাজের মননশীলতা ও আধুনিকতা নিয়ে অনেক কাজ করেছেন।</p>
<p>সহজে মনে রাখার জন্য কিছু তথ্য:</p>
<ul>
<li><strong>ভবিষ্যতের বাঙালি</strong> গ্রন্থটি এস ওয়াজেদ আলীর চিন্তাধারার এক অনন্য প্রতিফলন।</li>
<li>তিনি তাঁর লেখায় বাঙালির অতীত ঐতিহ্য এবং ভবিষ্যতের পথচলা নিয়ে চমৎকার বিশ্লেষণ তুলে ধরেছেন।</li>
<li>সাহিত্যিক হিসেবে তাঁর নিজস্ব একটি স্বতন্ত্র ধারা ছিল, যা এই বইটিতে স্পষ্টভাবে ফুটে উঠেছে।</li>
</ul>
<p>‘ভবিষ্যতের বাঙালি’ গ্রন্থটির রচয়িতা হলেন <strong>এস ওয়াজেদ আলী</strong>।</p>
<p>বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ। এস ওয়াজেদ আলী মূলত বাঙালি জাতিসত্তা, তাদের অতীত ঐতিহ্য এবং ভবিষ্যৎ সম্ভাবনা নিয়ে অনেক চিন্তাশীল প্রবন্ধ ও গ্রন্থ রচনা করেছেন। তাঁর লেখালেখির মূল উপজীব্যই ছিল বাঙালি সংস্কৃতির বিকাশ ও আধুনিকায়ন। তাই ‘ভবিষ্যতের বাঙালি’ শিরোনামের এই গুরুত্বপূর্ণ বইটি তাঁরই অনন্য সৃষ্টি।</p>
<ul>
<li><strong>লেখক:</strong> এস ওয়াজেদ আলী</li>
<li><strong>বিষয়বস্তু:</strong> বাঙালি জাতির উত্তরণ ও ভবিষ্যৎ রূপরেখা</li>
</ul>
MCQ পরীক্ষা সেটিংস
বাংলা
eProstuti
সহজ ও দ্রুত ক্লাস করতে অ্যাপটি ইনস্টল করুন
iPhone / iPad এ ইনস্টল করুন
eProstuti
১Safari ব্রাউজারের নিচে থাকা Share ( ) বাটনে চাপ দিন।
২নিচের দিকে স্ক্রোল করে 'Add to Home Screen' ( ) নির্বাচন করুন।
৩উপরে ডানে থাকা 'Add' বাটনে ট্যাপ করুন।
Android এ অ্যাপ ইনস্টল করুন
eProstuti
১Chrome ব্রাউজারের উপরে ডানে থাকা থ্রি-ডট ( ) মেনু চাপুন।
২তালিকায় 'Install app' বা 'Add to Home screen' ( ) এ ট্যাপ করুন।
ডাউনলোড সম্পন্ন হলে ফাইলটি ওপেন করে Install চাপুন।
যদি "Install unknown apps" বা "Unknown sources" অনুমতি চায়, তাহলে সেটি Allow করে আবার ইনস্টল করুন।
ইনস্টল শেষ হলে অ্যাপটি খুলে আপনার অ্যাকাউন্টে লগইন করুন।
অ্যাপের সুবিধা:
সকল লাইভ ক্লাস
রেকর্ডেড ক্লাস
অনলাইন পরীক্ষা
ই-বুক ও নোটিশ
সবকিছু এক জায়গা থেকেই সহজে ব্যবহার করুন!
ব্রাউজারে খুলুন
⚠️ মনে হচ্ছে আপনি এই ওয়েবসাইটটি ফেসবুক বা অন্য কোনো অ্যাপের ভেতরের ব্রাউজার থেকে খুলেছেন।
ভালোভাবে কাজ করার জন্য দয়া করে এটি আপনার মূল ব্রাউজারে (যেমন Chrome) খুলুন।
👉 উপরে থাকা ⋮ বা ••• বাটনে চাপ দিন → তারপর “Open in Browser” সিলেক্ট করুন।