<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>কবিতার কথা</strong>। এটি প্রখ্যাত কবি জীবনানন্দ দাশের লেখা একটি বিখ্যাত প্রবন্ধ সংকলন।</p>
<p>সহজভাবে মনে রাখার উপায়:</p>
<ul>
<li><strong>কবিতার কথা</strong> বইটিতে কবি কবিতার প্রকৃতি, ছন্দ এবং শিল্পকলা নিয়ে গভীর আলোচনা করেছেন, যা মূলত প্রবন্ধের বৈশিষ্ট্য।</li>
<li>অন্যান্য অপশনগুলো মূলত কাব্যগ্রন্থ বা ঐতিহাসিক আখ্যানধর্মী রচনা, তাই সেগুলো প্রবন্ধের অন্তর্ভুক্ত নয়।</li>
</ul>
<p>পরীক্ষায় মনে রাখার জন্য শুধু এইটুকু মাথায় রাখুন: জীবনানন্দ দাশের গদ্য বা প্রবন্ধের বই বললেই সবার আগে <strong>কবিতার কথা</strong>-র নাম আসে।</p>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>জীবনানন্দ দাশ</strong>। বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ, কারণ জীবনানন্দ দাশের কাব্যশৈলী এবং তাঁর সৃষ্ট কাব্যগ্রন্থগুলোর নাম বেশ স্বতন্ত্র।</p>
<ul>
<li>‘সাতটি তারার তিমির’ কাব্যগ্রন্থটি ১৯৪৮ সালে প্রকাশিত হয়।</li>
<li>এটি জীবনানন্দ দাশের অন্যতম প্রধান এবং আলোচিত একটি কাব্যগ্রন্থ।</li>
<li>তাঁর অন্যান্য বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থগুলোর মধ্যে রয়েছে ‘ঝরা পালক’, ‘ধূসর পাণ্ডুলিপি’ এবং ‘বনলতা সেন’।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, আধুনিক বাংলা কবিতার রূপকার হিসেবে জীবনানন্দ দাশের এই অনন্য সৃষ্টিটি তাঁর কাব্যিক ধারার এক গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক।</p>
<p>জীবনানন্দ দাশের জন্মসাল মনে রাখা খুব সহজ। তিনি ১৮৯৯ সালে বরিশালে জন্মগ্রহণ করেন। বাংলা সাহিত্যের এই অন্যতম প্রধান কবির জন্মসালটি মনে রাখার জন্য নিচের তথ্যটি খেয়াল রাখতে পারেন:</p>
<ul>
<li>জীবনানন্দ দাশের জন্ম: <strong>১৮৯৯</strong> সাল।</li>
<li>তিনি ১৮৯৯ সালের ১৭ ফেব্রুয়ারি জন্মগ্রহণ করেন।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, উনিশ শতকের একেবারে শেষ দিকে অর্থাৎ <strong>১৮৯৯</strong> সালেই রূপসী বাংলার এই কবির জন্ম হয়েছিল। এই সালটি মনে রাখলে তার সমসাময়িক অন্যান্য কবিদের জন্মসাল বুঝতেও সুবিধা হয়।</p>
১৩৫৪
'আবার আসিব ফিরে এই ধানসিড়িটির তীরে এই বাংলায়'- এই লাইনটি কোন কবির কবিতায় পাওয়া যায়-
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>জীবনানন্দ দাশ</strong>। এই বিখ্যাত লাইনটি তাঁর লেখা 'আবার আসিব ফিরে' কবিতা থেকে নেওয়া হয়েছে।</p>
<p>বিষয়টা খুব সহজভাবে মনে রাখার জন্য নিচের পয়েন্টগুলো খেয়াল করুন:</p>
<ul>
<li>জীবনানন্দ দাশকে বলা হয় <strong>রূপসী বাংলার কবি</strong>।</li>
<li>তাঁর কবিতায় বাংলার প্রকৃতি, নদী আর ধানসিঁড়ির মতো অনুষঙ্গ বারবার ঘুরে ফিরে আসে।</li>
<li>এই কবিতাটিতে কবি মৃত্যুর পরেও বাংলার রূপমুগ্ধ হয়ে বারবার ফিরে আসার তীব্র আকাঙ্ক্ষা প্রকাশ করেছেন।</li>
</ul>
<p>তাই যখনই 'ধানসিঁড়ি' বা 'বাংলার প্রকৃতি' নিয়ে এমন নস্টালজিক কোনো লাইনের কথা আসবে, চোখ বন্ধ করে জীবনানন্দ দাশকে বেছে নিতে পারেন!</p>
১৩৫৫
'সমস্ত দিনের শেষে শিশিরের শব্দের মতো সন্ধ্যা নামে'- কার লেখা?
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>জীবনানন্দ দাশ</strong>।</p>
<p>এই বিখ্যাত পঙ্ক্তিটি জীবনানন্দ দাশের <strong>'বোধ'</strong> নামক কবিতার অংশ। রূপসী বাংলার কবি হিসেবে পরিচিত জীবনানন্দ দাশ তাঁর কবিতায় প্রকৃতির যে মায়াবী ও শান্ত রূপ ফুটিয়ে তুলেছেন, এই লাইনটি তারই এক অনন্য উদাহরণ।</p>
<ul>
<li>কবিতাটির নাম: <strong>বোধ</strong>।</li>
<li>কবি: <strong>জীবনানন্দ দাশ</strong>।</li>
<li>মূলভাব: দিনের কর্মব্যস্ততা শেষে প্রকৃতির নিস্তব্ধতা ও সন্ধ্যার আগমনকে কবি এখানে শিশিরের শব্দের সাথে তুলনা করেছেন, যা অত্যন্ত গভীর ও কাব্যিক।</li>
</ul>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>বেলা শেষের গান</strong>। এটি জীবনানন্দ দাশের কাব্যগ্রন্থ নয়, বরং এটি বিখ্যাত কবি <strong>রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের</strong> একটি কাব্যগ্রন্থ।</p>
<p>সহজে মনে রাখার জন্য নিচের বিষয়গুলো খেয়াল রাখতে পারেন:</p>
<ul>
<li>জীবনানন্দ দাশের উল্লেখযোগ্য কাব্যগ্রন্থগুলো হলো: <em>ঝরা পালক</em>, <em>ধূসর পাণ্ডুলিপি</em>, <em>বনলতা সেন</em>, <em>মহা পৃথিবী</em> এবং <em>সাতটি তারার তিমির</em>।</li>
<li>পরীক্ষায় বিভ্রান্তি এড়াতে কবির নামের সাথে তাঁর বিখ্যাত বইগুলোর একটি ছোট তালিকা মনে রাখলেই এমন প্রশ্নগুলো খুব দ্রুত সমাধান করা সম্ভব।</li>
</ul>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>রূপসী বাংলা</strong>। জীবনানন্দ দাশকে বলা হয় রূপসী বাংলার কবি, কারণ তাঁর কবিতায় বাংলার প্রকৃতি ও রূপের যে বর্ণনা পাওয়া যায়, তা অতুলনীয়।</p>
<p>সহজভাবে মনে রাখার উপায়:</p>
<ul>
<li>জীবনানন্দ দাশের কাব্যগ্রন্থগুলোর মধ্যে <strong>রূপসী বাংলা</strong> সবচেয়ে জনপ্রিয় এবং এটি তাঁর প্রকৃতিপ্রেমের অনন্য দলিল।</li>
<li>তাঁর কাব্যশৈলীতে বাংলার মাঠ, ঘাট, নদী আর প্রকৃতির যে মায়াবী রূপ ফুটে উঠেছে, তার কারণেই এই কাব্যগ্রন্থটি তাঁর পরিচয়ের সাথে মিশে আছে।</li>
</ul>
১৩৫৮
'পাখীর নীড়ের মত চোখ' বাংলা কাব্যে সুন্দরী নারীর চোখের এই অনবদ্য ও অনিন্দ্যসুন্দর উপমার স্রষ্টা কে?
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>জীবনানন্দ দাশ</strong>। বাংলা সাহিত্যে উপমার জাদুকর হিসেবে পরিচিত জীবনানন্দ দাশ তাঁর বিখ্যাত <strong>'বনলতা সেন'</strong> কবিতায় এই অনবদ্য উপমাটি ব্যবহার করেছেন।</p>
<p>বিষয়টি মনে রাখার সহজ উপায়:</p>
<ul>
<li>জীবনানন্দ দাশের কবিতায় প্রকৃতি ও নারীর রূপের এক অদ্ভুত মায়াবী বর্ণনা পাওয়া যায়।</li>
<li>'পাখীর নীড়ের মত চোখ'—এই লাইনটি বাংলা সাহিত্যের অন্যতম জনপ্রিয় এবং রোমান্টিক একটি পঙক্তি।</li>
<li>কবিতাটির মূল ভাব হলো দীর্ঘ পথ পাড়ি দিয়ে ক্লান্ত পথিক যখন বনলতা সেনের চোখের দিকে তাকায়, তখন সে এক গভীর প্রশান্তি খুঁজে পায়, যা পাখির নীড়ের মতো নিরাপদ ও স্নিগ্ধ।</li>
</ul>
<p>কাজী নজরুল ইসলামের প্রথম কাব্যগ্রন্থ হলো <strong>অগ্নিবীণা</strong>। এটি ১৯২২ সালে প্রকাশিত হয়। এই কাব্যগ্রন্থটি বাংলা সাহিত্যে এক নতুন ধারার সূচনা করেছিল, কারণ এতে বিদ্রোহী চেতনার বহিঃপ্রকাশ ঘটেছিল অত্যন্ত জোরালোভাবে।</p>
<p>সহজে মনে রাখার জন্য কিছু তথ্য:</p>
<ul>
<li><strong>প্রকাশকাল:</strong> ১৯২২ সাল।</li>
<li><strong>মূল বৈশিষ্ট্য:</strong> এই কাব্যগ্রন্থের প্রথম কবিতা হলো বিখ্যাত <strong>প্রলয়োল্লাস</strong> এবং এর ভেতরেই রয়েছে কালজয়ী কবিতা <strong>বিদ্রোহী</strong>।</li>
<li><strong>গুরুত্ব:</strong> এটি প্রকাশের মাধ্যমেই নজরুল বাংলা সাহিত্যে 'বিদ্রোহী কবি' হিসেবে স্থায়ী আসন করে নেন।</li>
</ul>
১৩৬০
কাজী নজরুল ইসলামের ‘অগ্নিবীণা’ কাব্যটি প্রকাশিত হয়-
<p>কাজী নজরুল ইসলামের কালজয়ী কাব্যগ্রন্থ ‘অগ্নিবীণা’ প্রকাশিত হয় <strong>১৯২২ সালে</strong>। এটি কবির প্রথম প্রকাশিত কাব্যগ্রন্থ, যা বাংলা সাহিত্যে এক নতুন ধারার সূচনা করেছিল।</p>
<p>সহজে মনে রাখার জন্য কিছু তথ্য:</p>
<ul>
<li>প্রকাশকাল: <strong>১৯২২</strong> সাল।</li>
<li>এটি কবির প্রথম কাব্যগ্রন্থ।</li>
<li>এই কাব্যগ্রন্থের প্রথম কবিতা হলো বিখ্যাত <strong>‘প্রলয়োল্লাস’</strong>।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, নজরুল যখন বিদ্রোহী কবি হিসেবে আত্মপ্রকাশ করেন, ঠিক সেই সময়েই অর্থাৎ ১৯২২ সালেই তার এই অমর সৃষ্টিটি পাঠকদের হাতে পৌঁছায়।</p>
১৩৬১
জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের গ্রন্থখানির নাম চিহ্নিত করুন
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>অগ্নিবীণা</strong>। এটি কাজী নজরুল ইসলামের প্রথম প্রকাশিত কাব্যগ্রন্থ, যা ১৯২২ সালে প্রকাশিত হয়।</p>
<p>সহজভাবে মনে রাখার উপায়:</p>
<ul>
<li><strong>অগ্নিবীণা</strong> কাব্যগ্রন্থটি বাংলা সাহিত্যে এক নতুন ধারার সূচনা করেছিল।</li>
<li>এই গ্রন্থের বিখ্যাত কবিতাগুলোর মধ্যে রয়েছে 'বিদ্রোহী', 'প্রলয়োল্লাস' এবং 'আগমনী'।</li>
<li>নজরুলের বিদ্রোহী সত্তার পরিচয় এই গ্রন্থেই সবচেয়ে স্পষ্টভাবে ফুটে উঠেছে, তাই এটি তাঁর অমর সৃষ্টি হিসেবে পরিচিত।</li>
</ul>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>প্রলয়োল্লাস</strong>। কাজী নজরুল ইসলামের বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ 'অগ্নিবীণা' নিয়ে অনেকেরই একটু বিভ্রান্তি থাকে, তবে বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ:</p>
<ul>
<li>'অগ্নিবীণা' কাব্যগ্রন্থটি ১৯২২ সালে প্রকাশিত হয়।</li>
<li>এই কাব্যগ্রন্থের একেবারে প্রথম কবিতা হিসেবে স্থান পেয়েছে <strong>প্রলয়োল্লাস</strong>।</li>
<li>পুরো কাব্যগ্রন্থটি মূলত পরাধীনতার শৃঙ্খল ভাঙার এক অদম্য স্পৃহা নিয়ে লেখা, আর 'প্রলয়োল্লাস' কবিতাটি সেই ধ্বংসের মধ্য দিয়ে নতুন সৃষ্টির বারতা নিয়ে শুরু হয়।</li>
</ul>
<p>তাই পরীক্ষার জন্য মনে রাখবেন, অগ্নিবীণার প্রথম কবিতা মানেই হলো প্রলয়োল্লাস।</p>
১৩৬৩
The poem 'Bidrohi' was written by:/ ‘বিদ্রোহী’ কবিতার কবি কে?
<p>‘বিদ্রোহী’ কবিতার রচয়িতা হলেন <strong>কাজী নজরুল ইসলাম</strong>। বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসে এটি একটি মাইলফলক সৃষ্টি করা কবিতা। কেন তিনি এই কবিতার জন্য বিখ্যাত, তা খুব সহজে বোঝা যায়:</p>
<ul>
<li><strong>বিদ্রোহী চেতনা:</strong> ১৯২১ সালে লেখা এই কবিতায় কবি অন্যায়ের বিরুদ্ধে গর্জে ওঠার এক অনন্য ভাষা তৈরি করেছেন।</li>
<li><strong>অনন্য শৈলী:</strong> কবিতার প্রতিটি ছত্রে কবির যে তেজ ও সাহসিকতা ফুটে উঠেছে, তা তৎকালীন বাংলা সাহিত্যে ছিল একেবারেই নতুন।</li>
<li><strong>জাতীয় কবি:</strong> এই কবিতার কারণেই তিনি বাংলা সাহিত্যে ‘বিদ্রোহী কবি’ হিসেবে চিরস্থায়ী আসন করে নিয়েছেন।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, বাংলা সাহিত্যে বিদ্রোহ ও প্রতিবাদের কথা বললেই সবার আগে কাজী নজরুল ইসলামের এই অমর সৃষ্টিটির নাম চলে আসে।</p>
১৩৬৪
বিদ্রোহী কবিতাটি কাজী নজরুল ইসলামের কোন কাব্যগ্রন্থের অন্তর্গত?
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>অগ্নিবীণা</strong>। বিষয়টি মনে রাখা খুবই সহজ!</p>
<p>কাজী নজরুল ইসলামের প্রথম কাব্যগ্রন্থ হলো <strong>অগ্নিবীণা</strong>। এই কাব্যগ্রন্থটি ১৯২২ সালে প্রকাশিত হয়। এর প্রথম কবিতা হিসেবেই স্থান পেয়েছে কালজয়ী সৃষ্টি <strong>'বিদ্রোহী'</strong>। মূলত এই কাব্যগ্রন্থের মাধ্যমেই নজরুল বাংলা সাহিত্যে 'বিদ্রোহী কবি' হিসেবে পরিচিতি পান। তাই যখনই 'বিদ্রোহী' কবিতার কথা আসবে, চোখ বন্ধ করে <strong>অগ্নিবীণা</strong> কাব্যগ্রন্থটির কথা মনে রাখবেন।</p>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>বিষের বাঁশি</strong>। এটি বিদ্রোহী কবি কাজী নজরুল ইসলামের লেখা একটি বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ।</p>
<p>সহজে মনে রাখার জন্য কিছু বিষয় মাথায় রাখতে পারেন:</p>
<ul>
<li><strong>বিষের বাঁশি</strong> ১৯২৪ সালে প্রকাশিত হয়, যা মূলত ব্রিটিশবিরোধী চেতনার এক অনন্য সৃষ্টি।</li>
<li>নজরুলের কাব্যগ্রন্থ চেনার সহজ উপায় হলো এর নামের মধ্যে থাকা দ্রোহ বা বিপ্লবের ছাপ।</li>
<li>পরীক্ষায় প্রায়ই এই গ্রন্থটি থেকে প্রশ্ন আসে, তাই এটি নজরুলের অন্যতম প্রধান সৃষ্টি হিসেবে মনে রাখা জরুরি।</li>
</ul>
MCQ পরীক্ষা সেটিংস
বাংলা
eProstuti
সহজ ও দ্রুত ক্লাস করতে অ্যাপটি ইনস্টল করুন
iPhone / iPad এ ইনস্টল করুন
eProstuti
১Safari ব্রাউজারের নিচে থাকা Share ( ) বাটনে চাপ দিন।
২নিচের দিকে স্ক্রোল করে 'Add to Home Screen' ( ) নির্বাচন করুন।
৩উপরে ডানে থাকা 'Add' বাটনে ট্যাপ করুন।
Android এ অ্যাপ ইনস্টল করুন
eProstuti
১Chrome ব্রাউজারের উপরে ডানে থাকা থ্রি-ডট ( ) মেনু চাপুন।
২তালিকায় 'Install app' বা 'Add to Home screen' ( ) এ ট্যাপ করুন।
ডাউনলোড সম্পন্ন হলে ফাইলটি ওপেন করে Install চাপুন।
যদি "Install unknown apps" বা "Unknown sources" অনুমতি চায়, তাহলে সেটি Allow করে আবার ইনস্টল করুন।
ইনস্টল শেষ হলে অ্যাপটি খুলে আপনার অ্যাকাউন্টে লগইন করুন।
অ্যাপের সুবিধা:
সকল লাইভ ক্লাস
রেকর্ডেড ক্লাস
অনলাইন পরীক্ষা
ই-বুক ও নোটিশ
সবকিছু এক জায়গা থেকেই সহজে ব্যবহার করুন!
ব্রাউজারে খুলুন
⚠️ মনে হচ্ছে আপনি এই ওয়েবসাইটটি ফেসবুক বা অন্য কোনো অ্যাপের ভেতরের ব্রাউজার থেকে খুলেছেন।
ভালোভাবে কাজ করার জন্য দয়া করে এটি আপনার মূল ব্রাউজারে (যেমন Chrome) খুলুন।
👉 উপরে থাকা ⋮ বা ••• বাটনে চাপ দিন → তারপর “Open in Browser” সিলেক্ট করুন।