<p>‘বাঙ্গালীর ইতিহাস’ বইটির লেখক হলেন <strong>নীহারঞ্জন রায়</strong>। এটি বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস চর্চায় একটি মাইলফলক হিসেবে পরিচিত।</p>
<p>সহজে মনে রাখার উপায়:</p>
<ul>
<li>বইটির নাম <strong>‘বাঙ্গালীর ইতিহাস: আদি পর্ব’</strong>।</li>
<li>এটি বাঙালির নৃতাত্ত্বিক ও সামাজিক ইতিহাসের ওপর লেখা সবচেয়ে প্রামাণ্য এবং বিখ্যাত গ্রন্থ।</li>
<li>লেখক নীহারঞ্জন রায় দীর্ঘ সময় নিয়ে গবেষণা করে এই বিশাল কর্মযজ্ঞ সম্পন্ন করেছিলেন, তাই এটি ইতিহাসপ্রেমীদের কাছে অত্যন্ত নির্ভরযোগ্য একটি নাম।</li>
</ul>
<p>‘আত্মঘাতী বাঙালী’ গ্রন্থটির রচয়িতা হলেন <strong>নীরদচন্দ্র চৌধুরী</strong>।</p>
<p>বিষয়টি মনে রাখার জন্য কিছু সহজ তথ্য:</p>
<ul>
<li>এই বিখ্যাত বইটি মূলত বাঙালি জাতির চারিত্রিক বৈশিষ্ট্য এবং আত্মঘাতী প্রবণতার ওপর ভিত্তি করে লেখা একটি বিশ্লেষণধর্মী রচনা।</li>
<li>নীরদচন্দ্র চৌধুরী তাঁর তীক্ষ্ণ ও সমালোচনামূলক লেখনীর জন্য পরিচিত, আর এই বইটি তাঁর সেই ধারার অন্যতম সেরা কাজ।</li>
<li>পরীক্ষায় প্রায়ই এই প্রশ্নটি আসে, তাই লেখকের নাম এবং বইয়ের শিরোনামটি একসাথে মনে রাখলে ভুল হওয়ার সম্ভাবনা থাকে না।</li>
</ul>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>ইস্তাম্বুল যাত্রী</strong>। ইব্রাহিম খাঁ একজন প্রখ্যাত বাঙালি সাহিত্যিক ও শিক্ষাবিদ ছিলেন, যিনি তাঁর ভ্রমণকাহিনি ও প্রবন্ধের জন্য বিশেষভাবে পরিচিত।</p>
<p>সহজে মনে রাখার উপায়:</p>
<ul>
<li>ইব্রাহিম খাঁ মূলত তাঁর ভ্রমণবৃত্তান্তের জন্য বিখ্যাত।</li>
<li><strong>ইস্তাম্বুল যাত্রী</strong> গ্রন্থটি তাঁর তুরস্ক ভ্রমণের অভিজ্ঞতার আলোকে লেখা একটি চমৎকার ভ্রমণকাহিনি।</li>
<li>পরীক্ষায় প্রায়ই তাঁর এই ভ্রমণকাহিনিটি থেকে প্রশ্ন আসে, তাই নামটা মনে রাখা জরুরি।</li>
</ul>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>প্রিন্সিপাল ইব্রাহীম খাঁ</strong>।</p>
<p>বিষয়টা মনে রাখা খুব সহজ। প্রিন্সিপাল ইব্রাহীম খাঁ বাংলা সাহিত্যের একজন প্রখ্যাত লেখক ও শিক্ষাবিদ ছিলেন। তাঁর ভ্রমণকাহিনিমূলক গ্রন্থগুলোর মধ্যে <strong>‘ইস্তাম্বুল যাত্রীর পত্র’</strong> অত্যন্ত জনপ্রিয়। এটি মূলত তাঁর তুরস্ক ভ্রমণের অভিজ্ঞতার আলোকে লেখা একটি চমৎকার ভ্রমণকাহিনি।</p>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>কাফেলা</strong>। প্রিন্সিপাল ইব্রাহিম খান বাংলা সাহিত্যে একজন বিশিষ্ট নাট্যকার ও শিক্ষাবিদ হিসেবে পরিচিত। তাঁর লেখা অন্যতম জনপ্রিয় নাটক হলো ‘কাফেলা’।</p>
<p>সহজভাবে মনে রাখার জন্য নিচের বিষয়গুলো খেয়াল রাখতে পারেন:</p>
<ul>
<li>প্রিন্সিপাল ইব্রাহিম খানের সাহিত্যকর্মের মধ্যে <strong>কাফেলা</strong>, <strong>আনোয়ার পাশা</strong> এবং <strong>কমলদীঘি</strong> বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য।</li>
<li>পরীক্ষায় প্রায়ই তাঁর নাট্যকর্ম থেকে প্রশ্ন আসে, তাই এই নামগুলো মনে রাখলে খুব সহজেই উত্তর করা সম্ভব।</li>
</ul>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>কুচবরণ কন্যে</strong>। কারণ এটি ইব্রাহিম খাঁর লেখা কোনো গ্রন্থ নয়। মূলত, <strong>কুচবরণ কন্যে</strong> হলো প্রখ্যাত কথাসাহিত্যিক <strong>শওকত ওসমানের</strong> লেখা একটি জনপ্রিয় উপন্যাস।</p>
<p>সহজভাবে মনে রাখার জন্য নিচের তথ্যগুলো দেখে নিতে পারেন:</p>
<ul>
<li>ইব্রাহিম খাঁ একজন বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ ও সাহিত্যিক ছিলেন।</li>
<li>তার উল্লেখযোগ্য গ্রন্থগুলোর মধ্যে রয়েছে <strong>আনোয়ার পাশা</strong>, <strong>ইস্তাম্বুল যাত্রীর পত্র</strong> এবং <strong>সোনার শিকল</strong>।</li>
<li>যেহেতু প্রশ্নটি কোনটি তার গ্রন্থ নয় তা জানতে চেয়েছে, তাই এখানে সঠিক উত্তরটি হলো <strong>কুচবরণ কন্যে</strong>।</li>
</ul>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>উর্বশী ও আর্টেমিস</strong>। বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ, কারণ ইব্রাহীম খাঁ মূলত তাঁর ঐতিহাসিক ও ভ্রমণ বিষয়ক রচনার জন্য পরিচিত।</p>
<ul>
<li><strong>ইস্তাম্বুল যাত্রীর পত্র</strong>, <strong>আনোয়ার পাশা</strong> এবং <strong>সোনার শিকল</strong>—এই তিনটিই ইব্রাহীম খাঁর অত্যন্ত জনপ্রিয় ও মৌলিক গ্রন্থ।</li>
<li>অন্যদিকে, <strong>উর্বশী ও আর্টেমিস</strong> কোনোভাবেই ইব্রাহীম খাঁর লেখা নয়। এটি মূলত কবি ও সাহিত্যিক <strong>বুদ্ধদেব বসুর</strong> একটি বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ।</li>
</ul>
<p>তাই পরীক্ষার খাতায় কনফিউশন এড়াতে ইব্রাহীম খাঁর বিখ্যাত বইগুলোর নামের সাথে বুদ্ধদেব বসুর এই কাব্যগ্রন্থটি আলাদা করে মনে রাখলেই চলবে।</p>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>ইব্রাহিম খাঁ</strong>।</p>
<p>বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ। বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস ঘাঁটলে দেখা যায়, ইব্রাহিম খাঁ তাঁর সৃজনশীল লেখনীর মাধ্যমে বেশ কিছু ঐতিহাসিক ও জীবনধর্মী নাটক উপহার দিয়েছেন। তাঁর অন্যতম উল্লেখযোগ্য একটি সৃষ্টি হলো এই <strong>'আনোয়ার পাশা'</strong> নাটকটি।</p>
<ul>
<li><strong>লেখক:</strong> ইব্রাহিম খাঁ</li>
<li><strong>সাহিত্যের ধরন:</strong> ঐতিহাসিক নাটক</li>
</ul>
<p>পরীক্ষার জন্য এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ তথ্য, তাই লেখকের নামের সাথে নাটকের নামটি একবার মিলিয়ে মনে রাখলেই বিষয়টি একদম পরিষ্কার হয়ে যাবে।</p>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়</strong>। বাংলা সাহিত্যের কালজয়ী এই উপন্যাসটি নিয়ে কিছু সহজ তথ্য মনে রাখলে বিষয়টি একদম পরিষ্কার হয়ে যাবে:</p>
<ul>
<li>বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের লেখা এই উপন্যাসটি বাংলা সাহিত্যের অন্যতম শ্রেষ্ঠ সৃষ্টি।</li>
<li>১৯২৯ সালে প্রকাশিত এই উপন্যাসে গ্রামীণ জীবনের সহজ-সরল চিত্র এবং অপু ও দুর্গার শৈশব অত্যন্ত নিপুণভাবে ফুটে উঠেছে।</li>
<li>এটি মূলত একটি আত্মজীবনীমূলক উপন্যাস, যা লেখককে বাংলা সাহিত্যে অমর করে রেখেছে।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, ‘পথের পাঁচালী’ বললেই আমাদের চোখের সামনে ভেসে ওঠে বিভূতিভূষণের সেই মায়াবী গ্রামীণ প্রকৃতি ও অপুর শৈশবের কথা। তাই এই নামটির সাথে উপন্যাসটির নাম ওতপ্রোতভাবে জড়িয়ে আছে।</p>
<p>‘অপরাজিত’ উপন্যাসের সঠিক উত্তর হলো <strong>বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়</strong>। এই বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ:</p>
<ul>
<li>বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিখ্যাত উপন্যাস ‘পথের পাঁচালী’-এর পরবর্তী অংশই হলো ‘অপরাজিত’।</li>
<li>অপু চরিত্রটিকে কেন্দ্র করে গড়ে ওঠা এই উপন্যাসটি বাংলা সাহিত্যের অন্যতম শ্রেষ্ঠ সৃষ্টি।</li>
<li>সহজ কথায়, অপুর জীবনের বড় হওয়ার গল্প মানেই বিভূতিভূষণের এই কালজয়ী উপন্যাস।</li>
</ul>
<p>তাই পরীক্ষার খাতায় ‘অপরাজিত’ দেখলেই চোখ বন্ধ করে বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের নাম মনে রাখবেন!</p>
১৩৩১
বিভূতিভূষন বন্দ্যোপাধ্যায় রচিত 'পথের পাঁচালী' একটি----
<p>বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের কালজয়ী সৃষ্টি 'পথের পাঁচালী' বাংলা সাহিত্যের অন্যতম শ্রেষ্ঠ একটি উপন্যাস। এই বিষয়টি মনে রাখার জন্য কিছু সহজ পয়েন্ট দেখে নিতে পারেন:</p>
<ul>
<li>এটি মূলত অপু ও দুর্গার শৈশব এবং তাদের বেড়ে ওঠার গল্প নিয়ে লেখা একটি দীর্ঘ আখ্যান।</li>
<li>যেহেতু এতে কোনো নির্দিষ্ট ঘটনার চেয়ে চরিত্রের জীবনপ্রবাহ এবং পারিপার্শ্বিক বর্ণনা বিস্তারিতভাবে ফুটে উঠেছে, তাই এটি একটি ধ্রুপদী উপন্যাস হিসেবে স্বীকৃত।</li>
<li>বাংলা সাহিত্যে বাস্তববাদী ধারার উপন্যাস হিসেবে এটি বিশ্বজুড়ে সমাদৃত।</li>
</ul>
<p>বিভূতিভূষণের 'পথের পাঁচালী' উপন্যাসের মূল উপজীব্য হলো <strong>প্রকৃতি ও মানুষ</strong>। এর কারণ খুব সহজ:</p>
<ul>
<li>এই উপন্যাসে গ্রামীণ বাংলার নিসর্গ বা প্রকৃতি কোনো জড় পটভূমি নয়, বরং এটি গল্পের একটি জীবন্ত চরিত্র।</li>
<li>অপু ও দুর্গার বেড়ে ওঠার সাথে সাথে বাংলার প্রকৃতি যেভাবে তাদের জীবনকে প্রভাবিত করে, তা এখানে দারুণভাবে ফুটে উঠেছে।</li>
<li>মানুষের আবেগ, স্বপ্ন এবং প্রকৃতির সাথে তাদের গভীর মিতালিই এই উপন্যাসের প্রাণ।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, এখানে মানুষের জীবনের সুখ-দুঃখের সাথে প্রকৃতির যে অবিচ্ছেদ্য সম্পর্ক, সেটাই লেখক চমৎকারভাবে তুলে ধরেছেন। তাই প্রকৃতি ও মানুষই এই কালজয়ী উপন্যাসের মূল ভিত্তি।</p>
<p>কবি গোলাম মোস্তফা বাংলা সাহিত্যের একজন উজ্জ্বল নক্ষত্র। তিনি <strong>১৯৬৪ খ্রিস্টাব্দের ১৩ অক্টোবর</strong> মৃত্যুবরণ করেন। এই তারিখটি মনে রাখার জন্য একটি সহজ কৌশল অবলম্বন করতে পারেন:</p>
<ul>
<li>তার মৃত্যু সালটি হলো <strong>১৯৬৪</strong>।</li>
<li>মাসের তারিখটি হলো <strong>১৩ অক্টোবর</strong>।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, মনে রাখুন তিনি অক্টোবরের ১৩ তারিখে বিদায় নিয়েছেন এবং সালটি ছিল ১৯৬৪। এই তথ্যটি সাহিত্যিকদের জীবনী মনে রাখার তালিকায় বেশ গুরুত্বপূর্ণ।</p>
<p>‘বিশ্বনবী’ গ্রন্থের রচয়িতা হলেন <strong>গোলাম মোস্তফা</strong>। এটি বাংলা সাহিত্যের একটি অত্যন্ত জনপ্রিয় এবং কালজয়ী জীবনীগ্রন্থ।</p>
<ul>
<li>গোলাম মোস্তফা তাঁর সাবলীল ও হৃদয়স্পর্শী ভাষায় মহানবী (সা.)-এর জীবনচরিত এই গ্রন্থে তুলে ধরেছেন।</li>
<li>সাহিত্যিক ও শিক্ষাবিদ হিসেবে তিনি এই গ্রন্থটির মাধ্যমে বাংলাভাষী পাঠকদের কাছে ইসলামের ইতিহাস ও মহানবীর আদর্শকে সহজভাবে উপস্থাপন করেছেন।</li>
<li>বইটির সহজবোধ্য ভাষা এবং চমৎকার বর্ণনাভঙ্গির কারণে এটি প্রকাশের পর থেকেই পাঠকদের কাছে ব্যাপক সমাদৃত হয়েছে।</li>
</ul>
<p>‘বনি আদম’ কাব্যগ্রন্থটির রচয়িতা হলেন <strong>গোলাম মোস্তফা</strong>। তিনি বাংলা সাহিত্যের একজন বিশিষ্ট কবি ও লেখক, যিনি মূলত তাঁর কাব্যপ্রতিভার জন্য পরিচিত।</p>
<p>সহজে মনে রাখার জন্য কিছু তথ্য:</p>
<ul>
<li><strong>গোলাম মোস্তফা</strong> তাঁর কাব্যিক ভাষার জন্য বিশেষভাবে সমাদৃত।</li>
<li>‘বনি আদম’ তাঁর অন্যতম উল্লেখযোগ্য সাহিত্যকর্ম।</li>
<li>পরীক্ষায় প্রায়ই এই ধরনের মৌলিক কাব্যগ্রন্থের নাম জানতে চাওয়া হয়, তাই কবির নামের সাথে বইটির নাম মিলিয়ে মনে রাখা বুদ্ধিমানের কাজ।</li>
</ul>
MCQ পরীক্ষা সেটিংস
বাংলা
eProstuti
সহজ ও দ্রুত ক্লাস করতে অ্যাপটি ইনস্টল করুন
iPhone / iPad এ ইনস্টল করুন
eProstuti
১Safari ব্রাউজারের নিচে থাকা Share ( ) বাটনে চাপ দিন।
২নিচের দিকে স্ক্রোল করে 'Add to Home Screen' ( ) নির্বাচন করুন।
৩উপরে ডানে থাকা 'Add' বাটনে ট্যাপ করুন।
Android এ অ্যাপ ইনস্টল করুন
eProstuti
১Chrome ব্রাউজারের উপরে ডানে থাকা থ্রি-ডট ( ) মেনু চাপুন।
২তালিকায় 'Install app' বা 'Add to Home screen' ( ) এ ট্যাপ করুন।
ডাউনলোড সম্পন্ন হলে ফাইলটি ওপেন করে Install চাপুন।
যদি "Install unknown apps" বা "Unknown sources" অনুমতি চায়, তাহলে সেটি Allow করে আবার ইনস্টল করুন।
ইনস্টল শেষ হলে অ্যাপটি খুলে আপনার অ্যাকাউন্টে লগইন করুন।
অ্যাপের সুবিধা:
সকল লাইভ ক্লাস
রেকর্ডেড ক্লাস
অনলাইন পরীক্ষা
ই-বুক ও নোটিশ
সবকিছু এক জায়গা থেকেই সহজে ব্যবহার করুন!
ব্রাউজারে খুলুন
⚠️ মনে হচ্ছে আপনি এই ওয়েবসাইটটি ফেসবুক বা অন্য কোনো অ্যাপের ভেতরের ব্রাউজার থেকে খুলেছেন।
ভালোভাবে কাজ করার জন্য দয়া করে এটি আপনার মূল ব্রাউজারে (যেমন Chrome) খুলুন।
👉 উপরে থাকা ⋮ বা ••• বাটনে চাপ দিন → তারপর “Open in Browser” সিলেক্ট করুন।