eProstuti
স্বাগতম শিক্ষার্থী!

অনলাইন কোর্স ও পরীক্ষায় অংশ নিতে লগইন করুন

লগইন / রেজিস্টার
ওয়েবসাইট মেন্যু

এসএসসি ২০২৬ এর রেজাল্ট সবার আগে পেতে এখনই বুকিং করো

বুক করো
MCQ: ৩৪৫১৩ টি
সকল বিষয়
বাংলা
সঠিক উত্তর বাছাই করে আপনার প্রস্তুতি যাচাই করুন
১৬৫১

নাটকের কাব্যধর্ম প্রকাশ পেলে তাকে বলে-

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
কাব্যনাট্য
ব্যাখ্যা:
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>কাব্যনাট্য</strong>। বিষয়টি খুব সহজভাবে মনে রাখা যায় এভাবে:</p>

<ul>
<li>যখন কোনো নাটকের সংলাপে বা কাহিনীতে কবিতার মতো ছন্দ, আবেগ এবং অলংকারের প্রাধান্য থাকে, তখন তাকে কাব্যনাট্য বলা হয়।</li>
<li>সহজ কথায়, যে নাটকের মূল ভিত্তিই হলো কাব্যগুণ বা কাব্যধর্ম, সেটিই <strong>কাব্যনাট্য</strong>।</li>
<li>এটি মূলত নাটক এবং কবিতার একটি চমৎকার সংমিশ্রণ, যেখানে নাটকের অভিনয়ের পাশাপাশি ভাষার লালিত্য ও কাব্যিক সৌন্দর্য ফুটে ওঠে।</li>
</ul>
১৬৫২

'কপাল ও কপোল' শব্দ যুগলের অর্থ কি কি ?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
ললাট ও গাল
ব্যাখ্যা:
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>ললাট ও গাল</strong>। বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ:</p>

<ul>
<li><strong>কপাল:</strong> এর অর্থ হলো ললাট বা কপাল, যা আমাদের চোখের উপরের অংশ।</li>
<li><strong>কপোল:</strong> এর অর্থ হলো গাল বা গণ্ডদেশ।</li>
</ul>

<p>সহজ কথায়, কপাল মানে আমাদের কপালই, আর কপোল শব্দটির সাথে 'গ' যুক্ত থাকায় এটি গালকে নির্দেশ করে। এই ছোট পার্থক্যটুকু মনে রাখলেই শব্দ যুগলটি আর ভুল হবে না।</p>
১৬৫৩

নিচের কোনটি নিত্য সমাস?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
গৃহান্তর
ব্যাখ্যা:
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>গৃহান্তর</strong>। নিত্য সমাস চেনার উপায় খুব সহজ, কারণ এখানে সমাসবদ্ধ পদগুলো সাধারণত অন্য কোনো পদের সাহায্য ছাড়াই গঠিত হয় এবং ব্যাসবাক্য করার সময় 'অন্য' বা 'অপর' শব্দটির সাহায্য নিতে হয়।</p>

<p>সহজে মনে রাখার কৌশল:</p>
<ul>
<li><strong>গৃহান্তর</strong> শব্দটির ব্যাসবাক্য করলে হয় <strong>অন্য গৃহ</strong>।</li>
<li>যেসব সমাসে ব্যাসবাক্য করতে গেলে 'অন্য' বা 'অপর' শব্দগুলো ব্যবহার করতে হয়, সেগুলোই মূলত নিত্য সমাস।</li>
<li>নিত্য সমাসে সমস্যমান পদগুলো সবসময় সমাসবদ্ধ হয়েই থাকে, তাই আলাদা করে ব্যাসবাক্য করার প্রয়োজন পড়ে না বললেই চলে।</li>
</ul>

<p>পরীক্ষায় এমন শব্দ দেখলে শুধু খেয়াল করবেন, শব্দটি ভাঙলে 'অন্য' বা 'অপর' জাতীয় অর্থ প্রকাশ পায় কি না। পেলেই চোখ বন্ধ করে সেটি নিত্য সমাস দাগিয়ে দেবেন!</p>
১৬৫৪

নিচের কোনটি সংস্কৃত প্রত্যয় যুক্ত শব্দের উদাহরণ ?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
মুক্তি
ব্যাখ্যা:
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>মুক্তি</strong>। বিষয়টি খুব সহজ, কারণ সংস্কৃত ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী ধাতু বা শব্দের সাথে যখন সংস্কৃত প্রত্যয় যুক্ত হয়, তখন তাকে সংস্কৃত প্রত্যয়ান্ত শব্দ বলা হয়।</p>

<ul>
<li><strong>মুক্তি</strong> শব্দটি গঠিত হয়েছে <strong>মুচ্</strong> (ধাতু) + <strong>ক্তি</strong> (প্রত্যয়) যোগে।</li>
<li>এখানে <strong>ক্তি</strong> একটি সংস্কৃত কৃত্ প্রত্যয়, যা ধাতুর সাথে যুক্ত হয়ে বিশেষ্য পদ তৈরি করেছে।</li>
<li>অন্যান্য শব্দের ক্ষেত্রে প্রত্যয়গুলো বাংলা বা তদ্ভব প্রকৃতির হওয়ায় সেগুলো সংস্কৃত প্রত্যয় যুক্ত শব্দের তালিকায় পড়ে না।</li>
</ul>

<p>সহজ কথায়, শব্দের মূল অংশ এবং প্রত্যয়ের উৎস সংস্কৃত হলে সেটিই সংস্কৃত প্রত্যয় যুক্ত শব্দ। তাই <strong>মুক্তি</strong> এখানে নির্ভুল উত্তর।</p>
১৬৫৫

কোন শব্দটি বন শব্দের সমার্থক নয়?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
মারুত
ব্যাখ্যা:
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>মারুত</strong>। বিষয়টি খুব সহজ, কারণ বন বা অরণ্য বোঝাতে আমরা সাধারণত বিপিন, গহন বা কান্তার শব্দগুলো ব্যবহার করে থাকি।</p>

<ul>
<li><strong>মারুত</strong> শব্দের অর্থ হলো বাতাস বা বায়ু, যা বন শব্দের সাথে কোনোভাবেই সম্পর্কিত নয়।</li>
<li>অন্যদিকে, বিপিন, গহন এবং কান্তার—এই তিনটি শব্দই বনের সমার্থক হিসেবে ব্যবহৃত হয়।</li>
</ul>

<p>তাই খুব সহজেই বোঝা যাচ্ছে, তালিকার বাকি শব্দগুলো বনের প্রতিশব্দ হলেও মারুত সম্পূর্ণ আলাদা একটি অর্থ বহন করে।</p>
১৬৫৬

গোরক্ষ বিজয়ের কাহিনীতে চার সিদ্ধার মধ্যে আদর্শচ্যুত হননি কে?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
গোরক্ষনাথ
ব্যাখ্যা:
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>গোরক্ষনাথ</strong>। গোরক্ষ বিজয়ের কাহিনীতে চারজন সিদ্ধার মধ্যে গোরক্ষনাথই একমাত্র ব্যক্তি যিনি তার যোগ সাধনা ও আদর্শে অটল ছিলেন।</p>

<ul>
<li>গোরক্ষনাথ ছিলেন মীননাথের শিষ্য।</li>
<li>কাহিনী অনুযায়ী, মীননাথ যখন নারী ও ভোগবিলাসে মগ্ন হয়ে নিজের যোগ সাধনার পথ থেকে বিচ্যুত হন, তখন গোরক্ষনাথই তাকে সেই মোহ থেকে উদ্ধার করেন।</li>
<li>পুরো কাহিনীতে গোরক্ষনাথের অটল ধৈর্য, গুরুভক্তি এবং যোগীসুলভ কঠোরতা ফুটে উঠেছে, যা তাকে অন্য সিদ্ধাদের থেকে আলাদা করে তোলে।</li>
</ul>

<p>সহজ কথায়, গুরু মীননাথসহ অন্যান্য সিদ্ধারা যখন জাগতিক মোহে জড়িয়ে পড়েছিলেন, তখন গোরক্ষনাথই একমাত্র আদর্শবান সিদ্ধা হিসেবে নিজের অবস্থানে অবিচল ছিলেন।</p>
১৬৫৭

মঙ্গলযুগের সর্বশেষ কবিরনাম কি?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
ভারতচন্দ্র রায়গুণাকর
ব্যাখ্যা:
<p>মঙ্গলকাব্য ধারার সর্বশেষ এবং শ্রেষ্ঠ কবি হলেন <strong>ভারতচন্দ্র রায়গুণাকর</strong>। তাকে 'মঙ্গলযুগের শেষ কবি' বলা হয় কারণ তার হাত ধরেই মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যের সমাপ্তি ঘটে এবং আধুনিক যুগের সূচনা হয়।</p>

<ul>
<li><strong>সময়কাল:</strong> তিনি অষ্টাদশ শতাব্দীর কবি ছিলেন।</li>
<li><strong>প্রধান সৃষ্টি:</strong> তার অমর সৃষ্টি হলো <em>অন্নদামঙ্গল</em> কাব্য।</li>
<li><strong>কেন তিনি অনন্য:</strong> তার কাব্যে মধ্যযুগীয় দেব-দেবীর মাহাত্ম্যের পাশাপাশি বাস্তব জীবনের নিখুঁত চিত্র ফুটে উঠেছে, যা তাকে অন্য সব মঙ্গলকাব্য রচয়িতা থেকে আলাদা করেছে।</li>
</ul>

<p>সহজ কথায়, মঙ্গলকাব্যের দীর্ঘ ধারায় তিনিই ছিলেন শেষ উজ্জ্বল নক্ষত্র, যার লেখনীর মাধ্যমে মধ্যযুগের কাব্যরীতির ইতি ঘটেছিল।</p>
১৬৫৮

মনসামঙ্গলের আদি কবি কে?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
কানাহরি দত্ত
ব্যাখ্যা:
<p>মনসামঙ্গলের আদি কবি হলেন <strong>কানাহরি দত্ত</strong>। বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসে মঙ্গলকাব্যের ধারায় মনসামঙ্গল কাব্যটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।</p>

<p>সহজে মনে রাখার জন্য কিছু তথ্য:</p>
<ul>
<li>মনসামঙ্গলের আদি কবি হিসেবে কানাহরি দত্তের নামই সর্বজনস্বীকৃত।</li>
<li>তিনি মূলত রাঢ় অঞ্চলের কবি ছিলেন।</li>
<li>তার রচিত কাব্যটি মনসা দেবীর মাহাত্ম্য প্রচারের জন্য লেখা হয়েছিল, যা বাংলা সাহিত্যের মধ্যযুগের একটি অমূল্য সম্পদ।</li>
</ul>
১৬৫৯

চণ্ডীমঙ্গলের আদি কবি কে?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
মানিক দত্ত
ব্যাখ্যা:
<p>চণ্ডীমঙ্গলের আদি কবি হলেন <strong>মানিক দত্ত</strong>। বাংলা সাহিত্যের মধ্যযুগের মঙ্গলকাব্য ধারায় চণ্ডীমঙ্গল কাব্যের রচয়িতা হিসেবে তাঁর নামই ঐতিহাসিকভাবে প্রথম পাওয়া যায়।</p>

<p>সহজে মনে রাখার উপায়:</p>
<ul>
<li>চণ্ডীমঙ্গলের আদি কবি হিসেবে মানিক দত্তের নাম সর্বজনস্বীকৃত।</li>
<li>যদিও মুকুন্দরাম চক্রবর্তী এই ধারার সবচেয়ে জনপ্রিয় কবি, কিন্তু ঐতিহাসিকভাবে <strong>মানিক দত্ত</strong>-কেই আদি কবি হিসেবে গণ্য করা হয়।</li>
</ul>
১৬৬০

কোনটি ব্যতিহার বহুব্রীহির উদাহরণ?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
কানাকানি
ব্যাখ্যা:
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>কানাকানি</strong>। ব্যতিহার বহুব্রীহি সমাস চেনার সবচেয়ে সহজ উপায় হলো এর গঠন। যখন কোনো কাজ একে অপরের সাথে বা পারস্পরিকভাবে বোঝায়, তখনই তাকে ব্যতিহার বহুব্রীহি বলে।</p>

<ul>
<li><strong>কানাকানি</strong> শব্দটির অর্থ হলো কানে কানে যে কথা, অর্থাৎ একে অপরের কানে কথা বলা।</li>
<li>এখানে ক্রিয়াপদের পারস্পরিক আদান-প্রদান বা বিনিময় বোঝানো হয়েছে।</li>
<li>সহজ কথায়, যখন কোনো কাজের মধ্যে 'পরস্পর' বা 'একে অপরকে' ভাবটি লুকিয়ে থাকে, সেটিই ব্যতিহার বহুব্রীহি। যেমন: হাতাহাতি, মারামারি বা কানাকানি।</li>
</ul>
১৬৬১

কোনটি ব্যতিহার বহুব্রীহি সমাস এর উদাহরণ?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
কানাকানি
ব্যাখ্যা:
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>কানাকানি</strong>। ব্যতিহার বহুব্রীহি সমাস চেনার সবচেয়ে সহজ উপায় হলো এর গঠন। যখন কোনো ক্রিয়ার পারস্পরিক বিনিময় বা একই কাজ দুইজনের মধ্যে বোঝায়, তখনই তাকে ব্যতিহার বহুব্রীহি বলে।</p>

<ul>
<li><strong>কানাকানি</strong> শব্দটির অর্থ হলো কানে কানে যে কথা, অর্থাৎ একজনের কান থেকে অন্যজনের কানে কথা বিনিময়।</li>
<li>এই সমাসে সাধারণত পূর্বপদে 'আ' এবং উত্তরপদে 'ই' যোগ হয়। যেমন: কান + কান = কানাকানি।</li>
<li>একইভাবে হাতাহাতি (হাতে হাতে যে লড়াই), লাঠালাঠি (লাঠিতে লাঠিতে যে লড়াই) এগুলোও এই সমাসের দারুণ উদাহরণ।</li>
</ul>

<p>সহজ কথায়, যখন কোনো কাজ দুই পক্ষ মিলে একে অপরের সাথে করে, সেটাই ব্যতিহার বহুব্রীহি।</p>
১৬৬২

কোনটি ব্যাতিহার বহুব্রীহি সমাসের উদাহরণ?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
কানাকানি
ব্যাখ্যা:
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>কানাকানি</strong>। ব্যাতিহার বহুব্রীহি সমাস চেনার সবচেয়ে সহজ উপায় হলো এর গঠন। যখন কোনো ক্রিয়া বা কাজের পারস্পরিক আদান-প্রদান বা বিনিময় বোঝায়, তখনই সেটি ব্যাতিহার বহুব্রীহি হয়।</p>

<ul>
<li><strong>কানাকানি</strong> শব্দটির অর্থ হলো কানে কানে যে কথা, অর্থাৎ একজনের কানে অন্যজনের কথা বলার পারস্পরিক কাজ।</li>
<li>এই সমাসে সাধারণত পূর্বপদে 'আ' এবং পরপদে 'ই' যোগ হয়। যেমন: কান + কান = কানাকানি।</li>
<li>একইভাবে হাতাহাতি (হাতে হাতে যে লড়াই), লাঠালাঠি (লাঠিতে লাঠিতে যে লড়াই) এগুলোও একই নিয়মে গঠিত হয়।</li>
</ul>

<p>সহজ কথায়, যেখানে একই কাজের পুনরাবৃত্তি বা একে অপরের সাথে কোনো কাজ করার ভাব থাকে, চোখ বন্ধ করে তাকে ব্যাতিহার বহুব্রীহি হিসেবে চিহ্নিত করা যায়।</p>
১৬৬৩

‘আই’ প্রত্যয় যোগে কোনটি আদর অর্থে ব্যবহৃত হয়?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
কানাই
ব্যাখ্যা:
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>কানাই</strong>।</p>

<p>বাংলা ব্যাকরণে ‘আই’ প্রত্যয়টি বিভিন্ন অর্থে ব্যবহৃত হতে পারে। এখানে ‘কানাই’ শব্দটি মূলত ‘কানু’ শব্দের সাথে ‘আই’ প্রত্যয় যোগে গঠিত হয়েছে। এর পেছনের কারণগুলো হলো:</p>

<ul>
<li>‘কানু’ একটি নাম, আর তার সাথে ‘আই’ প্রত্যয় যুক্ত হয়ে এটি আদর বা স্নেহবাচক অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে।</li>
<li>সাধারণত ছোট বা প্রিয় কাউকে আদর করে ডাকার সময় নামের শেষে এমন প্রত্যয় যোগ করা হয়, যা শব্দটিকে আরও আপন ও শ্রুতিমধুর করে তোলে।</li>
<li>অন্যান্য ক্ষেত্রে ‘আই’ প্রত্যয় স্থান বা জাত বোঝাতে ব্যবহৃত হলেও, এখানে এটি একান্তই আদর বা ভালোবাসার প্রকাশ ঘটাচ্ছে।</li>
</ul>
১৬৬৪

কোন শব্দ প্রত্যয় অবজ্ঞার্থে ব্যবহৃত হয়েছে?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
কেষ্টা
ব্যাখ্যা:
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>কেষ্টা</strong>। বাংলা ব্যাকরণে অনেক সময় নামের শেষে বিশেষ প্রত্যয় যোগ করে কাউকে ছোট বা তুচ্ছ করে বোঝানো হয়, যাকে আমরা 'অবজ্ঞার্থ' বলি।</p>

<p>বিষয়টি খুব সহজভাবে এভাবে মনে রাখতে পারেন:</p>
<ul>
<li>মূল নাম 'কৃষ্ণ' থেকে 'কেষ্টা' শব্দটি তৈরি হয়েছে।</li>
<li>এখানে নামের শেষে 'টা' প্রত্যয়টি যুক্ত হয়ে ব্যক্তিটিকে অবজ্ঞা বা তাচ্ছিল্য করার অর্থ প্রকাশ করছে।</li>
<li>সাধারণত ঘনিষ্ঠতা বা অসম্মান বোঝাতে নামের সাথে এমন প্রত্যয় যোগ করা হয়, যা ব্যাকরণের ভাষায় অবজ্ঞার্থ হিসেবে গণ্য।</li>
</ul>
১৬৬৫

‘মনসামঙ্গল’ কাব্যের আদিকবি কে?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
কানা হরিদত্ত
ব্যাখ্যা:
<p>‘মনসামঙ্গল’ কাব্যের আদিকবি হলেন <strong>কানা হরিদত্ত</strong>। বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসে মনসামঙ্গল কাব্যের ধারায় তাঁর নামই সবার আগে পাওয়া যায়।</p>

<p>সহজভাবে মনে রাখার জন্য নিচের পয়েন্টগুলো খেয়াল করুন:</p>
<ul>
<li>মনসামঙ্গল কাব্যের আদি কবি হিসেবে ঐতিহাসিকভাবে <strong>কানা হরিদত্তের</strong> নাম স্বীকৃত।</li>
<li>যদিও তাঁর লেখা কোনো পুঁথি বর্তমানে পাওয়া যায়নি, তবে পরবর্তী অনেক কবি তাঁদের কাব্যে কানা হরিদত্তের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে তাঁকে আদিকবি হিসেবে উল্লেখ করেছেন।</li>
<li>এই তথ্যটি বাংলা সাহিত্যের মধ্যযুগের ইতিহাসের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ, যা প্রায়ই বিভিন্ন প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এসে থাকে।</li>
</ul>
Support
Curiosity AI Assistant
24/7 লাইভ
eProstuti ডেটাবেস ও অটোমেশন ইঞ্জিন
এআই চ্যাট WhatsApp Messenger Instagram
👋 আসসালামু আলাইকুম শিক্ষার্থী !

আমি eProstuti Curiosity AI। আমাদের সকল লাইভ কোর্স, মডেল টেস্ট, ই-বুক, নোটিশ এবং পেমেন্ট সংক্রান্ত তথ্য নিমেষেই জানতে পারবেন।

দ্রুত উত্তরের জন্য নিচের টপিক চাপুন অথবা নিচে লিখুন:

উত্তরের তথ্য বিশ্লেষণ করা হচ্ছে...
eProstuti AI সহকারী
সার্বক্ষণিক সহায়তায় প্রস্তুত
লগইন আবশ্যক

ব্যক্তিগত সহায়তা এবং আপনার কোর্স, পরীক্ষা ও পেমেন্ট হিস্ট্রি দেখতে অ্যাকাউন্টে লগইন করুন।

* চ্যাটবট সরাসরি অ্যাকাউন্ট তৈরি বা লগইন করতে পারে না।