<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>দ্বিগু সমাস</strong>। বিষয়টি খুব সহজেই বোঝা যায় যদি আমরা সমাসের গঠনটা দেখি:</p>
<ul>
<li><strong>দ্বিগু সমাস</strong> চেনার সবচেয়ে সহজ উপায় হলো এর পূর্বপদটি সবসময় একটি সংখ্যাবাচক শব্দ হয়।</li>
<li>‘শতাব্দী’ শব্দটিকে ভাঙলে আমরা পাই ‘শত অব্দের সমাহার’।</li>
<li>এখানে ‘শত’ একটি সংখ্যা নির্দেশ করছে এবং পুরো শব্দটি দিয়ে একটি সমষ্টি বা সমাহার বোঝানো হচ্ছে।</li>
<li>যেহেতু সমাসবদ্ধ পদটি দিয়ে সমাহার বা সমষ্টি বোঝায় এবং শুরুতে সংখ্যা থাকে, তাই এটি চোখ বন্ধ করে <strong>দ্বিগু সমাস</strong>।</li>
</ul>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>কর্মধারয় সমাস</strong>। বিষয়টি খুব সহজভাবে মনে রাখা যায়:</p>
<ul>
<li>যখন কোনো সমাসে বিশেষ্য বা বিশেষণের সাথে বিশেষ্য বা বিশেষণের মিলনে নতুন কোনো অর্থ তৈরি হয় এবং পরপদের অর্থ প্রধান থাকে, তখন তাকে কর্মধারয় সমাস বলে।</li>
<li>‘যিনি জজ তিনি সাহেব’—এখানে একই ব্যক্তি জজ এবং সাহেব হিসেবে বিশেষিত হচ্ছেন।</li>
<li>যেহেতু এখানে বিশেষণের সাথে বিশেষণের মিলনে একজন ব্যক্তিকে বোঝানো হচ্ছে, তাই এটি <strong>মধ্যপদলোপী কর্মধারয় সমাস</strong> বা সাধারণ কর্মধারয় সমাসের নিয়ম অনুযায়ী গঠিত।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, যখন কোনো বাক্যাংশকে সংক্ষেপে প্রকাশ করতে ‘যিনি... তিনি...’ বা ‘যে... সে...’ এই ধরনের কাঠামো ব্যবহার করা হয়, তখন চোখ বন্ধ করে একে কর্মধারয় সমাস বলে দেওয়া যায়।</p>
<p>‘নির্দয়’ শব্দটির সঠিক সমাস হলো <strong>নঞ বহুব্রীহি সমাস</strong>। বিষয়টি খুব সহজভাবে বোঝা যায় এর ব্যাসবাক্য থেকে:</p>
<ul>
<li>ব্যাসবাক্যটি হলো: <strong>নেই দয়া যার = নির্দয়</strong>।</li>
<li>এখানে ‘নি’ (নাই/না) অব্যয়টি দিয়ে কোনো কিছুর অভাব বা নেতিবাচক অর্থ প্রকাশ করা হয়েছে।</li>
<li>যখন কোনো সমাসে ‘নঞ’ বা না-বাচক অব্যয় শুরুতে বসে অন্য কোনো বিশেষ্য পদকে বোঝায় এবং পুরো পদটি একটি বিশেষণ হিসেবে কাজ করে, তখন তাকে নঞ বহুব্রীহি সমাস বলে।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, যেহেতু এখানে ‘দয়া’র অভাব বা অনুপস্থিতি বোঝাচ্ছে এবং এটি একটি বহুব্রীহি সমাসের বৈশিষ্ট্য বহন করছে, তাই এটি নঞ বহুব্রীহি সমাস।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>কর্মধারয় সমাস</strong>। বিষয়টি খুব সহজভাবে বোঝা যায় নিচের ধাপগুলো দেখলে:</p>
<ul>
<li>যখন কোনো সমাসে বিশেষ্য বা বিশেষণের সাথে বিশেষ্য বা বিশেষণের মিলনে একটি অভিন্ন সত্তা বোঝায়, তখন তাকে কর্মধারয় সমাস বলে।</li>
<li>'যে চালাক সেই চতুর'—এখানে 'চালাক' এবং 'চতুর' উভয়ই বিশেষণ পদ এবং তারা একই ব্যক্তিকে নির্দেশ করছে।</li>
<li>যেহেতু এখানে বিশেষণের সাথে বিশেষণের মিলনে অভিন্নতা প্রকাশ পেয়েছে, তাই এটি নিশ্চিতভাবে <strong>কর্মধারয় সমাস</strong>।</li>
</ul>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>কর্মধারয়</strong>। বিষয়টি খুব সহজভাবে বোঝা যায় এর ব্যাসবাক্য থেকে।</p>
<p>‘জ্যোৎস্নারাত’ শব্দটির ব্যাসবাক্য করলে হয়: <strong>জ্যোৎস্না যে রাত</strong>।</p>
<ul>
<li>এখানে ‘জ্যোৎস্না’ হলো বিশেষ্য পদ এবং ‘রাত’ হলো বিশেষ্য পদ।</li>
<li>যখন কোনো সমাসে বিশেষ্য ও বিশেষ্য মিলে একটি নতুন অর্থ তৈরি করে এবং পরপদের অর্থ প্রধান থাকে, তখন তাকে কর্মধারয় সমাস বলে।</li>
<li>যেহেতু এখানে রাতকে জ্যোৎস্না দ্বারা বিশেষায়িত করা হচ্ছে, তাই এটি কর্মধারয় সমাসের অন্তর্ভুক্ত।</li>
</ul>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>তৎপুরুষ সমাস</strong>। বিষয়টি খুব সহজভাবে বোঝা যায় এর ব্যাসবাক্য বিশ্লেষণ করলে।</p>
<p>‘এতিমখানা’ শব্দটিকে ভাঙলে আমরা পাই ‘এতিমদের খানা’। এখানে লক্ষ্য করুন:</p>
<ul>
<li>শব্দটির ব্যাসবাক্যে ‘এতিম’ (বিশেষ্য) এবং ‘খানা’ (বিশেষ্য) এর মাঝে ‘দের’ বিভক্তি যুক্ত হয়েছে।</li>
<li>যেহেতু ব্যাসবাক্যে বিভক্তি (এখানে ষষ্ঠী বিভক্তি) স্পষ্ট দেখা যাচ্ছে এবং সমাসবদ্ধ হওয়ার সময় বিভক্তিটি লোপ পেয়েছে, তাই এটি নিয়ম অনুযায়ী <strong>ষষ্ঠী তৎপুরুষ সমাস</strong>।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, যখন কোনো সমাসে পরপদের অর্থ প্রধান থাকে এবং ব্যাসবাক্যে বিভক্তি চিহ্ন ব্যবহার করতে হয়, তখন চোখ বন্ধ করে সেটি তৎপুরুষ সমাস হবে।</p>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>বহুব্রীহি</strong>। বিষয়টি খুব সহজভাবে বোঝা যায় এর ব্যাসবাক্য বিশ্লেষণ করলে।</p>
<ul>
<li>‘গায়ে হলুদ’ শব্দটির ব্যাসবাক্য হলো: <strong>গায়ে হলুদ দেওয়া হয় যে অনুষ্ঠানে</strong>।</li>
<li>এখানে ‘গা’ বা ‘হলুদ’—কোনোটিই প্রধান নয়, বরং এই পুরো শব্দটি দিয়ে একটি বিশেষ <strong>অনুষ্ঠানকে</strong> বোঝানো হচ্ছে।</li>
<li>যে সমাসে সমস্যমান পদগুলোর অর্থ প্রকাশ না পেয়ে অন্য কোনো নতুন অর্থ বা বিষয়কে বোঝায়, তাকেই <strong>বহুব্রীহি সমাস</strong> বলে।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, যখন কোনো শব্দ দিয়ে কোনো ব্যক্তি বা বিশেষ কোনো অনুষ্ঠানকে ইঙ্গিত করা হয়, তখন চোখ বন্ধ করে সেটি বহুব্রীহি সমাস হিসেবে ধরে নেওয়া যায়।</p>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>বহুব্রীহি</strong>। বিষয়টি খুব সহজভাবে বোঝা যায় এর ব্যাসবাক্য বিশ্লেষণ করলে।</p>
<ul>
<li>‘মহাত্মা’ শব্দটির ব্যাসবাক্য হলো: <strong>মহান আত্মা যার</strong>।</li>
<li>এখানে ‘মহান’ বা ‘আত্মা’ কোনোটিই প্রধান নয়, বরং এই বিশেষ গুণসম্পন্ন একজন ব্যক্তিকে (যেমন—গান্ধীজি) বোঝানো হচ্ছে।</li>
<li>যে সমাসে সমস্যমান পদগুলোর কোনোটির অর্থ না বুঝিয়ে অন্য কোনো ব্যক্তি বা বস্তুকে বোঝায়, তাকেই <strong>বহুব্রীহি সমাস</strong> বলে।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, যখনই দেখবেন কোনো শব্দ দিয়ে অন্য কাউকে বা কোনো বিশেষ ব্যক্তিকে ইঙ্গিত করা হচ্ছে, চোখ বন্ধ করে সেটি বহুব্রীহি সমাস দাগিয়ে দেবেন!</p>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>কর্মধারয় সমাস</strong>। বিষয়টি খুব সহজভাবে বোঝা যায় এর ব্যাসবাক্য বিশ্লেষণ করলে।</p>
<p>‘মহানবী’ শব্দটির ব্যাসবাক্য হলো: <strong>মহান যে নবী</strong>। এখানে লক্ষ্য করুন:</p>
<ul>
<li>‘মহান’ পদটি এখানে বিশেষণ হিসেবে কাজ করছে এবং ‘নবী’ হলো বিশেষ্য।</li>
<li>যখন কোনো সমাসে বিশেষণ বা বিশেষণভাবাপন্ন পদের সাথে বিশেষ্য বা বিশেষ্যভাবাপন্ন পদের সমাস হয় এবং পরপদের অর্থ প্রধানভাবে বোঝায়, তখন তাকে <strong>কর্মধারয় সমাস</strong> বলে।</li>
<li>যেহেতু এখানে নবীকে ‘মহান’ বিশেষণে বিশেষিত করা হয়েছে, তাই এটি কর্মধারয় সমাসের নিয়ম অনুযায়ী গঠিত।</li>
</ul>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>কর্মধারয়</strong>। বিষয়টি খুব সহজভাবে বোঝা যায় যদি আমরা শব্দটির ব্যাসবাক্য খেয়াল করি।</p>
<p>‘জজসাহেব’ শব্দটির ব্যাসবাক্য করলে হয়— <strong>যিনি জজ তিনিই সাহেব</strong>। এখানে লক্ষ্য করুন:</p>
<ul>
<li>বিশেষ্য ও বিশেষণের মিলনে যখন একই ব্যক্তি বা বস্তুকে বোঝানো হয়, তখন সেটি কর্মধারয় সমাস হয়।</li>
<li>এখানে 'জজ' এবং 'সাহেব' উভয় পদই একই ব্যক্তিকে নির্দেশ করছে।</li>
<li>যেহেতু এখানে বিশেষ্যের সাথে বিশেষ্যের বা বিশেষণের সাথে বিশেষ্যের অভেদ কল্পনা করা হয়েছে, তাই এটি সাধারণ কর্মধারয় সমাসের অন্তর্ভুক্ত।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, যখন কোনো ব্যক্তি বা বস্তুর দুটি গুণ বা পরিচয় একই সাথে প্রকাশ পায়, তখন চোখ বন্ধ করে সেটিকে কর্মধারয় সমাস হিসেবে চিহ্নিত করা যায়।</p>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>তৎপুরুষ সমাস</strong>। বিষয়টি খুব সহজভাবে বোঝা যায় নিচের ধাপগুলো অনুসরণ করলে:</p>
<ul>
<li>সমাস নির্ণয়ের সময় প্রথমে ব্যাসবাক্যটি লক্ষ্য করুন: ‘দুঃখকে প্রাপ্ত’।</li>
<li>এখানে ‘দুঃখ’ শব্দের সাথে ‘কে’ বিভক্তি যুক্ত আছে।</li>
<li>আমরা জানি, যে সমাসে পূর্বপদের বিভক্তি (যেমন: কে, রে, দ্বারা, দিয়া, হইতে, চেয়ে) লোপ পায় এবং পরপদের অর্থ প্রধানভাবে বোঝায়, তাকেই <strong>তৎপুরুষ সমাস</strong> বলে।</li>
<li>যেহেতু এখানে ‘কে’ বিভক্তিটি লোপ পেয়ে ‘দুঃখপ্রাপ্ত’ শব্দটি গঠিত হয়েছে, তাই এটি নিঃসন্দেহে দ্বিতীয় তৎপুরুষ সমাসের উদাহরণ।</li>
</ul>
<p>‘অর্ধচন্দ্র’ শব্দটির সঠিক সমাস হলো <strong>বহুব্রীহি</strong>। এটি বোঝার জন্য খুব সহজ একটি কৌশল আছে:</p>
<ul>
<li>‘অর্ধচন্দ্র’ শব্দটির আক্ষরিক অর্থ হলো অর্ধেক চাঁদ। কিন্তু সমাসবদ্ধ অবস্থায় এটি বিশেষ কোনো অর্থ প্রকাশ করে।</li>
<li>বাংলা ব্যাকরণ অনুযায়ী, যখন কোনো সমাসবদ্ধ পদ তার নিজের অর্থ প্রকাশ না করে অন্য কোনো অর্থ (যেমন: গলা ধাক্কা দেওয়া) প্রকাশ করে, তখন তাকে বহুব্রীহি সমাস বলে।</li>
<li>এখানে ‘অর্ধচন্দ্র’ বলতে কোনো চাঁদকে বোঝানো হচ্ছে না, বরং এটি একটি বাগধারা হিসেবে ব্যবহৃত হয়। তাই এটি <strong>সমানাধিকরণ বহুব্রীহি</strong> সমাসের অন্তর্ভুক্ত।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, যখনই কোনো শব্দ আক্ষরিক অর্থের বাইরে গিয়ে নতুন কোনো বিশেষ অর্থ তৈরি করে, চোখ বন্ধ করে সেটিকে বহুব্রীহি সমাস হিসেবে ধরে নিতে পারেন।</p>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>অব্যয়ীভাব</strong>। এই সমাসটি চেনার সবচেয়ে সহজ উপায় হলো শব্দের শুরুতে থাকা উপসর্গ বা অব্যয়টি খেয়াল করা।</p>
<ul>
<li>এখানে 'উপশহর' শব্দটি গঠিত হয়েছে 'উপ' + 'শহর' যোগে।</li>
<li>বাংলা ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী, যখন কোনো শব্দের শুরুতে <strong>উপ</strong>, <strong>প্রতি</strong>, <strong>আ</strong>, <strong>অনু</strong> বা <strong>প্রতি</strong>-এর মতো উপসর্গ যুক্ত হয়ে ক্ষুদ্রতা, সাদৃশ্য বা অভাব বোঝায়, তখন সেটি চোখ বন্ধ করে <strong>অব্যয়ীভাব সমাস</strong> হয়।</li>
<li>এখানে 'উপ' উপসর্গটি 'শহর'-এর ক্ষুদ্রতা বা ছোট শহর বোঝাচ্ছে, তাই এটি অব্যয়ীভাব সমাসের চমৎকার উদাহরণ।</li>
</ul>
MCQ পরীক্ষা সেটিংস
বাংলা
eProstuti
সহজ ও দ্রুত ক্লাস করতে অ্যাপটি ইনস্টল করুন
iPhone / iPad এ ইনস্টল করুন
eProstuti
১Safari ব্রাউজারের নিচে থাকা Share ( ) বাটনে চাপ দিন।
২নিচের দিকে স্ক্রোল করে 'Add to Home Screen' ( ) নির্বাচন করুন।
৩উপরে ডানে থাকা 'Add' বাটনে ট্যাপ করুন।
Android এ অ্যাপ ইনস্টল করুন
eProstuti
১Chrome ব্রাউজারের উপরে ডানে থাকা থ্রি-ডট ( ) মেনু চাপুন।
২তালিকায় 'Install app' বা 'Add to Home screen' ( ) এ ট্যাপ করুন।
ডাউনলোড সম্পন্ন হলে ফাইলটি ওপেন করে Install চাপুন।
যদি "Install unknown apps" বা "Unknown sources" অনুমতি চায়, তাহলে সেটি Allow করে আবার ইনস্টল করুন।
ইনস্টল শেষ হলে অ্যাপটি খুলে আপনার অ্যাকাউন্টে লগইন করুন।
অ্যাপের সুবিধা:
সকল লাইভ ক্লাস
রেকর্ডেড ক্লাস
অনলাইন পরীক্ষা
ই-বুক ও নোটিশ
সবকিছু এক জায়গা থেকেই সহজে ব্যবহার করুন!
ব্রাউজারে খুলুন
⚠️ মনে হচ্ছে আপনি এই ওয়েবসাইটটি ফেসবুক বা অন্য কোনো অ্যাপের ভেতরের ব্রাউজার থেকে খুলেছেন।
ভালোভাবে কাজ করার জন্য দয়া করে এটি আপনার মূল ব্রাউজারে (যেমন Chrome) খুলুন।
👉 উপরে থাকা ⋮ বা ••• বাটনে চাপ দিন → তারপর “Open in Browser” সিলেক্ট করুন।