<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>অধিকরণে ৭মী</strong>। বিষয়টি খুব সহজভাবে বোঝা যায় এভাবে:</p>
<ul>
<li>কারক নির্ণয়ের সময় খেয়াল করুন, এখানে ‘উদ্যম বিহনে’ বলতে ‘উদ্যমের অভাবে’ বা ‘উদ্যমের ক্ষেত্রে’ বোঝানো হয়েছে।</li>
<li>যখন কোনো কিছু কোনো কিছুর ওপর নির্ভর করে বা কোনো অবস্থায় ঘটে, তখন সেটি <strong>অধিকরণ কারক</strong> হয়।</li>
<li>শব্দের শেষে ‘এ’ বিভক্তি যুক্ত আছে, যা বাংলা ব্যাকরণ অনুযায়ী <strong>৭মী বিভক্তি</strong>।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, কোনো কাজ সম্পন্ন হওয়ার ক্ষেত্র বা অবস্থা বোঝালে তা অধিকরণ কারক হয়। তাই ‘উদ্যম বিহনে’ পদটি অধিকরণে ৭মী বিভক্তির উদাহরণ।</p>
১৭১২
‘আমি কি ডরাই সখি ভিখারী রাঘবে’ - এখানে ‘রাঘবে’ কোন কারকে কোন বিভক্তি?
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>অপাদানে ৭মী</strong>। বিষয়টি খুব সহজভাবে বোঝা যায়:</p>
<ul>
<li>ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী, যখন কোনো কিছু থেকে ভয় পাওয়া বা ভীত হওয়ার অর্থ প্রকাশ পায়, তখন সেটি <strong>অপাদান কারক</strong> হয়।</li>
<li>এখানে ‘রাঘবে’ (রাঘব থেকে) ভয় পাওয়ার কথা বলা হয়েছে, তাই এটি অপাদান কারক।</li>
<li>শব্দটির শেষে ‘এ’ বিভক্তি যুক্ত আছে, আর আমরা জানি শব্দের শেষে ‘এ’, ‘য়’, বা ‘তে’ থাকলে সেটি <strong>৭মী বিভক্তি</strong> হয়।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, ভয় পাওয়ার উৎস বা কারণ বোঝালেই তা অপাদান কারক হয়, আর বিভক্তির চিহ্ন দেখে সহজেই বোঝা যাচ্ছে এটি ৭মী বিভক্তি।</p>
১৭১৩
‘রাতে তারা দেখা যায়’ - এ বাক্যে ‘রাতে’ কোন কারকে কোন বিভক্তি?
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>অধিকরণে ৭মী</strong>। বিষয়টি খুব সহজভাবে বোঝা যায়:</p>
<ul>
<li><strong>অধিকরণ কারক:</strong> ক্রিয়া সম্পাদনের সময় বা স্থানকে অধিকরণ কারক বলে। এখানে ‘রাতে’ শব্দটি সময় নির্দেশ করছে, তাই এটি অধিকরণ।</li>
<li><strong>বিভক্তি নির্ণয়:</strong> ‘রাত’ শব্দের সাথে ‘এ’ বিভক্তি যুক্ত হয়েছে। বাংলা ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী, শব্দের শেষে ‘এ’ বা ‘য়’ বিভক্তি থাকলে তা <strong>৭মী বিভক্তি</strong> হয়।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, যখন কোনো কাজ কোনো নির্দিষ্ট সময়ে ঘটে, তখন সেই সময়ের সাথে ‘এ’ বিভক্তি যুক্ত থাকলে তা সবসময় <strong>অধিকরণে ৭মী</strong> বিভক্তি হিসেবে গণ্য হয়।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>অপাদানে ৭মী</strong>। বিষয়টি খুব সহজভাবে বুঝে নিন:</p>
<ul>
<li><strong>অপাদান কারক:</strong> যখন কোনো কিছু থেকে কোনো কিছু বিচ্যুত, জাত, গৃহীত, আরম্ভ বা উৎপন্ন হয়, তখন তাকে অপাদান কারক বলে। মেঘ থেকে বৃষ্টি উৎপন্ন হয় বা ঝরে পড়ে, তাই এখানে 'মেঘে' শব্দটি অপাদান কারক।</li>
<li><strong>৭মী বিভক্তি:</strong> শব্দের শেষে 'এ', 'য়' বা 'তে' বিভক্তি যুক্ত থাকলে তাকে ৭মী বিভক্তি বলা হয়। এখানে 'মেঘ' শব্দের সাথে 'এ' বিভক্তি যুক্ত হয়ে 'মেঘে' হয়েছে।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, মেঘ থেকে বৃষ্টি উৎপন্ন হচ্ছে বলেই এটি অপাদান এবং শব্দের শেষে 'এ' বিভক্তি থাকায় এটি ৭মী বিভক্তি।</p>
১৭১৫
ধন হইতে সুখ হয় না। এখানে ধন হইতে কোন কারকে কোন বিভক্তি?
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>অপাদানে ৫মী</strong>। বিষয়টি খুব সহজভাবে বোঝা যায়:</p>
<ul>
<li><strong>অপাদান কারক:</strong> যখন কোনো কিছু থেকে বিচ্যুত, গৃহীত, জাত, ভীত বা উৎপন্ন হওয়া বোঝায়, তখন তাকে অপাদান কারক বলে। এখানে 'ধন' থেকে সুখ পাওয়ার কথা বলা হয়েছে, অর্থাৎ ধন এখানে উৎস বা বিচ্যুতি হিসেবে কাজ করছে।</li>
<li><strong>বিভক্তি:</strong> বাংলা ব্যাকরণে 'হইতে', 'থেকে', 'চেয়ে' ইত্যাদি অনুসর্গগুলো সাধারণত <strong>৫মী বিভক্তি</strong> হিসেবে ব্যবহৃত হয়।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, যেহেতু এখানে ধন থেকে সুখের বিচ্যুতি বা উৎস বোঝানো হয়েছে এবং 'হইতে' অনুসর্গটি যুক্ত আছে, তাই এটি নিশ্চিতভাবেই <strong>অপাদানে ৫মী</strong> বিভক্তি।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>অপাদানে ৫মী</strong>। বিষয়টি খুব সহজভাবে এভাবে মনে রাখতে পারেন:</p>
<ul>
<li><strong>অপাদান কারক:</strong> যখন কোনো কিছু থেকে কোনো কিছু বিচ্যুত, গৃহীত, জাত, বা পতিত হয়, তখন তাকে অপাদান কারক বলে। এখানে গাছ থেকে ফলটি আলাদা হয়ে পড়ে যাচ্ছে, তাই এটি অপাদান।</li>
<li><strong>৫মী বিভক্তি:</strong> বাংলা ব্যাকরণে 'হতে', 'থেকে', 'চেয়ে' ইত্যাদি অনুসর্গগুলো সাধারণত ৫মী বিভক্তি হিসেবে গণ্য হয়।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, গাছ থেকে (হতে) ফলটি আলাদা হওয়ার কারণে এটি <strong>অপাদানে ৫মী</strong> বিভক্তি।</p>
১৭১৭
ভাইয়ে ভাইয়ে বেশ মিল - বাক্যে নিম্নরেখ শব্দটি কোন কারকে কোন বিভক্তি?
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>কর্তায় ৭মী</strong>। বিষয়টি খুব সহজভাবে এভাবে বোঝা যায়:</p>
<ul>
<li>বাক্যটিতে 'ভাইয়ে ভাইয়ে' বলতে ভাইদের মধ্যে পারস্পরিক মিল বা ক্রিয়া সম্পাদনের কথা বোঝানো হয়েছে।</li>
<li>ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী, যখন কোনো বাক্যে কর্তা বা কর্তার সাথে 'এ', 'য়' বা 'তে' বিভক্তি যুক্ত থাকে এবং তা কোনো কাজের বা ভাবের কর্তা হিসেবে কাজ করে, তখন তাকে <strong>কর্তায় ৭মী</strong> বিভক্তি বলা হয়।</li>
<li>এখানে 'ভাই' শব্দের সাথে 'এ' বিভক্তি যুক্ত হয়ে 'ভাইয়ে' হয়েছে, যা কর্তার ভূমিকায় আছে। তাই এটি নিশ্চিতভাবেই কর্তায় ৭মী বিভক্তি।</li>
</ul>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>কর্মঠ</strong>। বিষয়টি খুব সহজ, কারণ বাংলা ব্যাকরণে এককথায় প্রকাশের ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট কিছু শব্দের অর্থ আগে থেকেই নির্ধারিত থাকে।</p>
<ul>
<li><strong>কর্মঠ</strong> শব্দটির আক্ষরিক অর্থই হলো যে ব্যক্তি কর্ম সম্পাদনে বা কাজ করতে পরিশ্রমী।</li>
<li>বাক্য সংক্ষেপণের নিয়ম অনুযায়ী, যখন কোনো ব্যক্তি তার কাজের প্রতি অত্যন্ত পরিশ্রমী বা দক্ষ হন, তখন তাকে এক কথায় <strong>কর্মঠ</strong> বলা হয়।</li>
</ul>
<p>তাই অন্য কোনো জটিলতায় না গিয়ে সরাসরি মনে রাখতে পারেন যে, পরিশ্রমী কর্মীকে এক কথায় <strong>কর্মঠ</strong> বলাটাই সবচেয়ে উপযুক্ত।</p>
<p>‘অকাল কুষ্মাণ্ড’ বাগধারাটির সঠিক অর্থ হলো <strong>অকর্মা</strong>।</p>
<p>বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ:</p>
<ul>
<li>‘অকাল’ মানে অসময় এবং ‘কুষ্মাণ্ড’ মানে কুমড়া।</li>
<li>অসময়ে জন্মানো কুমড়া যেমন পুষ্ট বা কাজের হয় না, তেমনি যে ব্যক্তি কোনো কাজের যোগ্য নয় বা যার দ্বারা কোনো ভালো কাজ হয় না, তাকেই আমরা ‘অকাল কুষ্মাণ্ড’ বা <strong>অকর্মা</strong> বলে থাকি।</li>
</ul>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>ত্বরিৎকর্মা</strong>।</p>
<p>বিষয়টা খুব সহজ। বাংলা ব্যাকরণে এক কথায় প্রকাশের ক্ষেত্রে শব্দের অর্থ বুঝে নেওয়া জরুরি:</p>
<ul>
<li><strong>ত্বরিৎ</strong> শব্দের অর্থ হলো দ্রুত বা খুব তাড়াতাড়ি।</li>
<li><strong>কর্মা</strong> মানে হলো কাজ করা।</li>
<li>অর্থাৎ, যে ব্যক্তি কোনো কাজ খুব দ্রুত বা অতিশয় তৎপরতার সাথে সম্পন্ন করেন, তাকেই এক কথায় <strong>ত্বরিৎকর্মা</strong> বলা হয়।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, কাজের গতি বা তৎপরতা বোঝাতে এই শব্দটি ব্যবহার করা হয়।</p>
<ul>
<li>দ্বন্দ্ব সমাসের প্রধান বৈশিষ্ট্য হলো এখানে প্রতিটি পদের অর্থই সমানভাবে প্রাধান্য পায়।</li>
<li>‘আলোছায়া’ শব্দটিকে ব্যাসবাক্য করলে হয় <strong>আলো ও ছায়া</strong>।</li>
<li>এখানে ‘আলো’ এবং ‘ছায়া’—উভয় পদেরই আলাদা অস্তিত্ব ও গুরুত্ব রয়েছে।</li>
<li>যেহেতু ব্যাসবাক্যে ‘ও’ অব্যয়টি যুক্ত হয়েছে এবং উভয় পদের অর্থ প্রধান হিসেবে ফুটে উঠেছে, তাই এটি নিঃসন্দেহে দ্বন্দ্ব সমাস।</li>
</ul>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>ব্যতিহার বহুব্রীহি সমাস</strong>। বিষয়টি খুব সহজভাবে মনে রাখা যায় এভাবে:</p>
<ul>
<li>যখন কোনো সমাসে একই বিশেষ্য পদের পারস্পরিক ক্রিয়া বা বিনিময় বোঝায়, তখন তাকে ব্যতিহার বহুব্রীহি সমাস বলে।</li>
<li>‘লাঠালাঠি’ শব্দটির ব্যাসবাক্য হলো <strong>লাঠিতে লাঠিতে যে লড়াই</strong>।</li>
<li>এখানে লাঠির সাথে লাঠির লড়াই বা পারস্পরিক ক্রিয়া বোঝানো হচ্ছে, তাই এটি ব্যতিহার বহুব্রীহি।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, যখনই দেখবেন কোনো শব্দে পারস্পরিক কাজের ভাব প্রকাশ পাচ্ছে (যেমন: হাতাহাতি, কানাকানি, মারামারি), চোখ বন্ধ করে সেটাকে ব্যতিহার বহুব্রীহি দাগিয়ে দেবেন!</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>নিত্য সমাস</strong>। বিষয়টি খুব সহজভাবে মনে রাখা যায়:</p>
<ul>
<li>যেসব সমাসে সমস্যমান পদগুলো নিত্যকাল সমাসবদ্ধ অবস্থায় থাকে এবং ব্যাসবাক্য করার প্রয়োজন হয় না বা ব্যাসবাক্য করতে গেলে অন্য পদের সাহায্য নিতে হয়, তাদের নিত্য সমাস বলে।</li>
<li>‘কালসাপ’ শব্দটির ব্যাসবাক্য করলে দাঁড়ায় ‘কাল যে সাপ’। এখানে ‘কাল’ ও ‘সাপ’ পদ দুটি মিলে একটি বিশেষ অর্থ প্রকাশ করছে যা নিত্য সমাসের নিয়ম মেনে চলে।</li>
<li>সহজ কথায়, যেসব শব্দ সবসময় সমাসবদ্ধ রূপেই ব্যবহৃত হয় এবং যাদের ব্যাসবাক্য সাধারণত ‘অন্য’ বা ‘যে’ যোগ করে করতে হয়, সেগুলোই নিত্য সমাস।</li>
</ul>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>নিত্য সমাস</strong>। বিষয়টি খুব সহজ, কারণ নিত্য সমাসের মূল বৈশিষ্ট্যই হলো এর কোনো ব্যাসবাক্য হয় না।</p>
<p>সহজভাবে মনে রাখার উপায়:</p>
<ul>
<li>নিত্য সমাসে সমস্যমান পদগুলো সবসময় একসাথেই থাকে।</li>
<li>এদের অর্থ প্রকাশ করতে হলে অন্য কোনো পদের সাহায্য নিতে হয় বা ব্যাসবাক্য গঠন করতে গেলে অন্য শব্দের প্রয়োজন পড়ে।</li>
<li>যেমন: 'গ্রামান্তর' এর ব্যাসবাক্য করতে গেলে আমাদের বলতে হয় 'অন্য গ্রাম'। অর্থাৎ, মূল পদের ভেতরে ব্যাসবাক্যটি লুকিয়ে থাকে না বা সরাসরি তৈরি করা যায় না।</li>
</ul>
<p>তাই যখনই দেখবেন কোনো সমাসে ব্যাসবাক্য হয় না, চোখ বন্ধ করে সেটাকে <strong>নিত্য সমাস</strong> হিসেবে চিহ্নিত করবেন।</p>
ডাউনলোড সম্পন্ন হলে ফাইলটি ওপেন করে Install চাপুন।
যদি "Install unknown apps" বা "Unknown sources" অনুমতি চায়, তাহলে সেটি Allow করে আবার ইনস্টল করুন।
ইনস্টল শেষ হলে অ্যাপটি খুলে আপনার অ্যাকাউন্টে লগইন করুন।
অ্যাপের সুবিধা:
সকল লাইভ ক্লাস
রেকর্ডেড ক্লাস
অনলাইন পরীক্ষা
ই-বুক ও নোটিশ
সবকিছু এক জায়গা থেকেই সহজে ব্যবহার করুন!
ব্রাউজারে খুলুন
⚠️ মনে হচ্ছে আপনি এই ওয়েবসাইটটি ফেসবুক বা অন্য কোনো অ্যাপের ভেতরের ব্রাউজার থেকে খুলেছেন।
ভালোভাবে কাজ করার জন্য দয়া করে এটি আপনার মূল ব্রাউজারে (যেমন Chrome) খুলুন।
👉 উপরে থাকা ⋮ বা ••• বাটনে চাপ দিন → তারপর “Open in Browser” সিলেক্ট করুন।