<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>উপপদ তৎপুরুষ</strong>। বিষয়টি খুব সহজে বোঝা যায় যদি আমরা শব্দটিকে ভেঙে দেখি।</p>
<ul>
<li>'হরবোলা' শব্দটির ব্যাসবাক্য করলে হয়: <strong>হর (নানা শব্দ) যে বলে</strong>।</li>
<li>এখানে 'হর' হলো একটি কৃদন্ত পদ এবং 'বলে' হলো কৃৎ প্রত্যয়ান্ত পদ।</li>
<li>ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী, কৃদন্ত পদের সাথে উপপদের যে সমাস হয়, তাকেই <strong>উপপদ তৎপুরুষ</strong> বলে।</li>
<li>সহজ কথায়, যখন কোনো পদের শেষে 'যে' বা 'যিনি' যোগ করে বিশেষ কোনো অর্থ প্রকাশ পায় এবং সেটি কোনো কাজের সাথে যুক্ত থাকে, তখন সেটিই উপপদ তৎপুরুষ সমাস হয়।</li>
</ul>
<p>দ্বন্দ্ব সমাসের বিপরীত সমাস হলো <strong>বহুব্রীহি</strong>। বিষয়টি খুব সহজভাবে মনে রাখা যায় এভাবে:</p>
<ul>
<li><strong>দ্বন্দ্ব সমাসে:</strong> সমস্যমান প্রতিটি পদের অর্থের প্রাধান্য থাকে। যেমন: মা ও বাবা = মা-বাবা (এখানে মা এবং বাবা উভয়েরই গুরুত্ব আছে)।</li>
<li><strong>বহুব্রীহি সমাসে:</strong> সমস্যমান পদের কোনোটির অর্থ না বুঝিয়ে অন্য কোনো নতুন অর্থ বা ব্যক্তিকে বোঝায়। যেমন: বহু ব্রীহি (ধান) যার = বহুব্রীহি (এটি একটি বিশেষ ধরনের গাছ বা ব্যক্তিকে বোঝায়)।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, দ্বন্দ্ব সমাসে পদের অর্থের মিলন ঘটে, আর বহুব্রীহি সমাসে পদের অর্থের বাইরে গিয়ে নতুন কোনো অর্থ প্রকাশ পায়। তাই ব্যাকরণগতভাবে এদের বিপরীতমুখী ধরা হয়।</p>
১৭৪৩
যে সমাসে সমস্যমান পদগুলির পরিবর্তে অন্যপদ প্রধান হয় তাকে কি বলে ?
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>বহুব্রীহি সমাস</strong>। বিষয়টি খুব সহজভাবে মনে রাখা যায় এভাবে:</p>
<ul>
<li>সাধারণত সমাসে পূর্বপদ বা পরপদের অর্থ প্রাধান্য পায়, কিন্তু বহুব্রীহি সমাসের ক্ষেত্রে সমস্যমান পদগুলোর কোনোটিরই অর্থ প্রাধান্য পায় না।</li>
<li>এর পরিবর্তে সম্পূর্ণ নতুন একটি অর্থ বা অন্য কোনো পদ প্রধান হয়ে ওঠে।</li>
<li>উদাহরণ হিসেবে বলা যায়, 'ব্রীহি' (ধান) যার 'বহু' (অনেক), তাকে আমরা বলি 'বহুব্রীহি'। এখানে 'বহু' বা 'ব্রীহি' কোনোটিই মূল নয়, বরং এই শব্দটি দিয়ে একজন 'ধনী ব্যক্তিকে' বোঝানো হচ্ছে।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, যখন সমাসবদ্ধ পদটি অন্য কাউকে বা অন্য কিছুকে নির্দেশ করে, তখনই সেটি <strong>বহুব্রীহি সমাস</strong> হয়।</p>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>অব্যয়ীভাব সমাস</strong>। বিষয়টি খুব সহজভাবে বোঝা যায় যদি আমরা শব্দটির গঠন খেয়াল করি।</p>
<ul>
<li>'আরক্তিম' শব্দটি গঠিত হয়েছে 'আ' উপসর্গ যোগে।</li>
<li>বাংলা ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী, কোনো শব্দের শুরুতে যদি 'আ' উপসর্গ থাকে এবং তা যদি 'ঈষৎ' বা 'সামান্য' অর্থে ব্যবহৃত হয়, তবে সেটি <strong>অব্যয়ীভাব সমাস</strong> হিসেবে গণ্য হয়।</li>
<li>এখানে 'আরক্তিম' মানে হলো 'ঈষৎ রক্তিম' বা সামান্য লালচে।</li>
</ul>
<p>তাই যখনই কোনো শব্দের শুরুতে 'আ' উপসর্গ দেখে সামান্য বা ঈষৎ অর্থ প্রকাশ পাবে, চোখ বন্ধ করে সেটিকে অব্যয়ীভাব সমাস বলে চিহ্নিত করতে পারেন।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>ব্যধিকরণ বহুব্রীহি</strong>। বিষয়টি খুব সহজভাবে বোঝা যায় যদি আমরা ব্যাসবাক্যটির দিকে তাকাই।</p>
<p>'পদ্মানাভ' শব্দটির ব্যাসবাক্য করলে হয়: <strong>পদ্ম নাভিতে যাহার</strong>। এখানে লক্ষ্য করুন:</p>
<ul>
<li>প্রথম অংশ 'পদ্ম' হলো বিশেষ্য পদ।</li>
<li>দ্বিতীয় অংশ 'নাভি'ও একটি বিশেষ্য পদ।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, বহুব্রীহি সমাসে যখন পূর্বপদ এবং পরপদ দুটিই বিশেষ্য হয় এবং তারা একে অপরের সমান বিভক্তিযুক্ত হয় না, তখন তাকে <strong>ব্যধিকরণ বহুব্রীহি</strong> বলা হয়। যেহেতু এখানে 'পদ্ম' এবং 'নাভি' দুটি ভিন্ন বিশেষ্য পদ মিলে তৃতীয় কোনো অর্থ (বিষ্ণু) প্রকাশ করছে, তাই এটি ব্যধিকরণ বহুব্রীহির নিয়ম মেনে চলে।</p>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>উপপদ তৎপুরুষ</strong>। বিষয়টি খুব সহজভাবে মনে রাখার একটি কৌশল আছে:</p>
<ul>
<li>যেসব শব্দের শেষে কৃৎ প্রত্যয়যুক্ত পদ থাকে এবং যা অন্য কোনো পদের অর্থ প্রকাশ করে, তাকে উপপদ তৎপুরুষ সমাস বলে।</li>
<li>'হরবোলা' শব্দটিকে ভাঙলে আমরা পাই: <strong>হর (অন্য) + বলা</strong>।</li>
<li>এখানে 'বলা' অংশটি একটি কৃদন্ত পদ, যা 'হর' পদের সাথে যুক্ত হয়ে একটি বিশেষ অর্থ (যে অন্য কারো কণ্ঠস্বর নকল করে) তৈরি করছে।</li>
<li>সহজ কথায়, যখন কোনো পদের সাথে কৃদন্ত পদের মিলন ঘটে এবং সেটি নতুন কোনো অর্থ প্রকাশ করে, তখনই তা উপপদ তৎপুরুষ হয়।</li>
</ul>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>অব্যয়ীভাব</strong>। বিষয়টি খুব সহজভাবে মনে রাখা যায় এভাবে:</p>
<ul>
<li>যখন কোনো শব্দের শুরুতে <strong>'উপ'</strong>, <strong>'প্রতি'</strong>, <strong>'আ'</strong>, <strong>'অনু'</strong> বা <strong>'হার'</strong>-এর মতো উপসর্গ যুক্ত থাকে এবং সেটি কোনো কিছুর ক্ষুদ্রতা, সাদৃশ্য বা অভাব বোঝায়, তখন সেটি অব্যয়ীভাব সমাস হয়।</li>
<li>এখানে <strong>'উপশহর'</strong> শব্দটি বিশ্লেষণ করলে পাওয়া যায় <strong>'শহরের সদৃশ'</strong> বা <strong>'উপ'</strong> (ছোট) শহর।</li>
<li>যেহেতু শব্দের শুরুতে <strong>'উপ'</strong> উপসর্গটি যুক্ত হয়ে একটি নতুন অর্থ তৈরি করেছে, তাই চোখ বন্ধ করে একে অব্যয়ীভাব সমাস বলা যায়।</li>
</ul>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>দ্বিগু সমাস</strong>। বিষয়টি মনে রাখা খুবই সহজ। যখন কোনো সমাসে পূর্বপদটি সংখ্যাবাচক হয় এবং সেটি পরপদের সাথে যুক্ত হয়ে কোনো সমাহার বা সমষ্টি বোঝায়, তখনই তাকে দ্বিগু সমাস বলে।</p>
<p>সহজে চেনার উপায়গুলো হলো:</p>
<ul>
<li>পূর্বপদে অবশ্যই একটি <strong>সংখ্যা</strong> থাকবে (যেমন: ত্রি, চৌ, পঞ্চ)।</li>
<li>সমস্ত পদটি দিয়ে কোনো <strong>সমাহার বা মিলন</strong> বোঝাবে।</li>
<li>উদাহরণ হিসেবে বলা যায়, <strong>ত্রিভুজ</strong> (তিন ভুজের সমাহার) বা <strong>চৌরাস্তা</strong> (চার রাস্তার সমাহার)।</li>
</ul>
<p>অর্থাৎ, যেখানেই সংখ্যার সাথে সমষ্টির সম্পর্ক দেখবেন, চোখ বন্ধ করে সেটাকে দ্বিগু সমাস হিসেবে ধরে নিতে পারেন!</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>কর্মধারয়</strong>। বিষয়টি খুব সহজভাবে বোঝা যায় যদি আমরা ব্যাসবাক্যটির দিকে খেয়াল করি।</p>
<ul>
<li>যখন কোনো সমাসে বিশেষ্য ও বিশেষণের মিলনে নতুন কোনো অর্থ তৈরি হয় এবং পরপদের অর্থ প্রধান থাকে, তখন তাকে কর্মধারয় সমাস বলে।</li>
<li>এখানে 'খাস' শব্দটি একটি বিশেষণ যা 'মহল' (বিশেষ্য) পদের গুণ বা বৈশিষ্ট্য প্রকাশ করছে।</li>
<li>ব্যাসবাক্যটি হলো: <strong>খাস যে মহল = খাসমহল</strong>।</li>
<li>যেহেতু এখানে বিশেষণের সাথে বিশেষ্যের সম্পর্ক তৈরি হয়েছে এবং পরপদ 'মহল' প্রাধান্য পেয়েছে, তাই এটি নিশ্চিতভাবেই কর্মধারয় সমাস।</li>
</ul>
উপপদ তৎপুরুষ সমাস :যে পদের পরবর্তী ক্রিয়ামূল এর সাথে কৃৎ প্রত্যয় যুক্ত হয় সে পদকে উপপদ বলে। আর কৃদন্ত পদের সাথে উপপদের যে সমাস হয় তাকে বলে উপপদ তৎপুরুষ সমাস। যেমন:আকাশে চরে যা - খেচর।
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>তৎপুরুষ</strong>। সমাসটি চেনার উপায় খুব সহজ:</p>
<ul>
<li>'ন্যায়সঙ্গত' শব্দটিকে ভাঙলে আমরা পাই 'ন্যায় দ্বারা সঙ্গত'।</li>
<li>এখানে 'দ্বারা' হলো একটি বিভক্তি (তৃতীয়া বিভক্তি)।</li>
<li>যেহেতু সমাসবদ্ধ পদে বিভক্তির লোপ পেয়েছে এবং পরপদের অর্থ প্রধানভাবে প্রকাশ পেয়েছে, তাই এটি <strong>তৃতীয়া তৎপুরুষ সমাস</strong>।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, যখনই কোনো শব্দকে ভাঙলে মাঝখানে 'দ্বারা', 'দিয়ে' বা 'কর্তৃক' জাতীয় বিভক্তি চলে আসে, চোখ বন্ধ করে সেটাকে তৎপুরুষ সমাস হিসেবে ধরে নিতে পারেন।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>বহুব্রীহি</strong>। বিষয়টি খুব সহজভাবে বোঝা যায় যদি আমরা শব্দটির ব্যাসবাক্য খেয়াল করি।</p>
<ul>
<li><strong>অনাদি</strong> শব্দটির ব্যাসবাক্য হলো: <strong>ন আদি যার</strong>।</li>
<li>যে সমাসে ব্যাসবাক্যের শেষে 'যার', 'যাহার' বা 'যিনি' থাকে এবং সমস্ত পদটি অন্য কোনো অর্থ প্রকাশ করে, সেটিই মূলত বহুব্রীহি সমাস।</li>
<li>এখানে 'ন' বা না-বাচক অব্যয় থাকলেও এটি নঞ তৎপুরুষ নয়, কারণ এটি কোনো বিশেষ ব্যক্তি বা বস্তুকে (যার আদি নেই এমন কিছু) নির্দেশ করছে।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, যখন কোনো সমাসবদ্ধ পদ তার নিজের অর্থ প্রকাশ না করে অন্য কোনো বিশেষ অর্থ বোঝায়, তখন চোখ বন্ধ করে সেটিকে <strong>বহুব্রীহি</strong> সমাস হিসেবে চিহ্নিত করা যায়।</p>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>কর্মধারয়</strong> সমাস। বিষয়টি খুব সহজভাবে মনে রাখা যায় এভাবে:</p>
<ul>
<li>কর্মধারয় সমাসে সাধারণত বিশেষ্য ও বিশেষণ পদের মিলন ঘটে এবং এখানে পরপদের অর্থই প্রাধান্য পায়।</li>
<li>সহজ কথায়, যখন কোনো সমাসে পূর্বপদ ও পরপদের মধ্যে তুলনা বা গুণ বোঝানো হয় এবং মূল গুরুত্বটা পরপদের ওপর থাকে, তখনই সেটি কর্মধারয় হয়।</li>
<li>উদাহরণস্বরূপ, 'নীল যে আকাশ = নীলাকাশ'—এখানে 'আকাশ' পদটিই প্রধান, তাই এটি কর্মধারয় সমাস।</li>
</ul>
<p>সহজ ট্রিক হলো, যদি দেখেন সমাসবদ্ধ পদে পরের অংশটিই মূল বিষয়বস্তু বা বিশেষ্য হিসেবে কাজ করছে, তবে চোখ বন্ধ করে সেটিকে কর্মধারয় হিসেবে চিহ্নিত করতে পারেন।</p>
ডাউনলোড সম্পন্ন হলে ফাইলটি ওপেন করে Install চাপুন।
যদি "Install unknown apps" বা "Unknown sources" অনুমতি চায়, তাহলে সেটি Allow করে আবার ইনস্টল করুন।
ইনস্টল শেষ হলে অ্যাপটি খুলে আপনার অ্যাকাউন্টে লগইন করুন।
অ্যাপের সুবিধা:
সকল লাইভ ক্লাস
রেকর্ডেড ক্লাস
অনলাইন পরীক্ষা
ই-বুক ও নোটিশ
সবকিছু এক জায়গা থেকেই সহজে ব্যবহার করুন!
ব্রাউজারে খুলুন
⚠️ মনে হচ্ছে আপনি এই ওয়েবসাইটটি ফেসবুক বা অন্য কোনো অ্যাপের ভেতরের ব্রাউজার থেকে খুলেছেন।
ভালোভাবে কাজ করার জন্য দয়া করে এটি আপনার মূল ব্রাউজারে (যেমন Chrome) খুলুন।
👉 উপরে থাকা ⋮ বা ••• বাটনে চাপ দিন → তারপর “Open in Browser” সিলেক্ট করুন।