eProstuti
স্বাগতম শিক্ষার্থী!

অনলাইন কোর্স ও পরীক্ষায় অংশ নিতে লগইন করুন

লগইন / রেজিস্টার
ওয়েবসাইট মেন্যু

এসএসসি ২০২৬ এর রেজাল্ট সবার আগে পেতে এখনই বুকিং করো

বুক করো
MCQ: ৩৪৫১৩ টি
সকল বিষয়
বাংলা
সঠিক উত্তর বাছাই করে আপনার প্রস্তুতি যাচাই করুন
১৮৯১

কোন দুটি স্বরের মিলিত ধ্বনিতে 'ঐ' ধ্বনি সৃষ্টি হয় ?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
অ + ই
ব্যাখ্যা:
<p>বাংলা বর্ণমালায় 'ঐ' একটি যৌগিক স্বরধ্বনি। এটি উচ্চারণের সময় আমাদের মুখ ও জিহ্বার অবস্থান খেয়াল করলেই বিষয়টি পরিষ্কার হয়ে যায়। মূলত দুটি ভিন্ন স্বরধ্বনি মিলে এই বিশেষ ধ্বনিটি তৈরি হয়।</p>

<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>অ + ই</strong>। এর পেছনের সহজ যুক্তিটি হলো:</p>

<ul>
<li>'ঐ' উচ্চারণ করতে গেলে শুরুতে আমাদের মুখ থেকে <strong>অ</strong> ধ্বনিটি বের হয়।</li>
<li>এর পরপরই জিহ্বার দ্রুত পরিবর্তনের ফলে <strong>ই</strong> ধ্বনিটি যুক্ত হয়।</li>
<li>অর্থাৎ, দ্রুতগতিতে <strong>অ</strong> এবং <strong>ই</strong> উচ্চারণ করলে তা মিলেমিশে <strong>ঐ</strong> ধ্বনিতে রূপ নেয়।</li>
</ul>

<p>সহজ কথায়, সন্ধি বা ধ্বনি পরিবর্তনের নিয়ম অনুযায়ী <strong>অ + ই = ঐ</strong>। এই সূত্রটি মনে রাখলেই আপনি যেকোনো সময় এটি সহজে বের করতে পারবেন।</p>
১৮৯২

বাংলা ভাষায় কোন স্বরধ্বনি উচ্চারণকালে জিহ্বা উচ্চ অবস্থানে থাকে?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
উ
ব্যাখ্যা:
<p>বাংলা ভাষায় স্বরধ্বনি উচ্চারণের সময় জিহ্বার অবস্থানের ওপর ভিত্তি করে এদের শ্রেণিবিভাগ করা হয়। এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>উ</strong>, কারণ এটি একটি উচ্চ স্বরধ্বনি।</p>

<ul>
<li>উচ্চারণের সময় জিহ্বা যখন মুখের তালুর সবচেয়ে কাছাকাছি বা উপরে অবস্থান করে, তখন তাকে উচ্চ স্বরধ্বনি বলে।</li>
<li><strong>উ</strong> উচ্চারণ করার সময় আমাদের জিহ্বা স্বাভাবিকের চেয়ে অনেক উপরে উঠে আসে, তাই একে উচ্চ স্বরধ্বনি বলা হয়।</li>
<li>সহজ কথায়, মুখগহ্বরের সংকীর্ণতার বিচারে <strong>উ</strong> এবং <strong>ই</strong> হলো জিহ্বার উচ্চ অবস্থানের উদাহরণ।</li>
</ul>
১৮৯৩

কোনটি জটিল বাক্য?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
যদিও লোকটি গরিব তথাপি সৎ
ব্যাখ্যা:
<p>সঠিক উত্তর হলো: <strong>যদিও লোকটি গরিব তথাপি সৎ</strong>। এটি একটি জটিল বাক্য হওয়ার কারণ হলো এর গঠনশৈলী।</p>

<p>সহজ কথায় জটিল বাক্য চেনার উপায়গুলো হলো:</p>
<ul>
<li>জটিল বাক্যে একটি প্রধান খণ্ডবাক্য থাকে এবং অন্যটি তার ওপর নির্ভরশীল থাকে।</li>
<li>এ ধরনের বাক্যে সাধারণত সাপেক্ষ সর্বনাম বা অব্যয় জোড়া হিসেবে ব্যবহৃত হয়। যেমন: <strong>যদিও...তথাপি</strong>, <strong>যে...সে</strong>, <strong>যদি...তবে</strong>।</li>
<li>এখানে 'যদিও' এবং 'তথাপি' শব্দ দুটি একে অপরের পরিপূরক হিসেবে বসে বাক্যটিকে একটি জটিল কাঠামো দিয়েছে, যা সরল বাক্যের চেয়ে আলাদা।</li>
</ul>
১৮৯৪

'অমৃত' শব্দের বিপরীতার্থক শব্দ কোনটি?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
গরল
ব্যাখ্যা:
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>গরল</strong>। বিষয়টি খুব সহজ, কারণ ব্যাকরণ অনুযায়ী বিপরীত শব্দ নির্বাচনের ক্ষেত্রে শব্দের অর্থের গভীরতা ও সামঞ্জস্য বজায় রাখা জরুরি।</p>

<ul>
<li>'অমৃত' শব্দের আভিধানিক অর্থ হলো সুধা বা যা পান করলে অমরত্ব লাভ করা যায়।</li>
<li>অন্যদিকে, 'গরল' শব্দের অর্থ হলো বিষ বা হলাহল।</li>
<li>যেহেতু অমৃত মানে সুধা, তাই এর সরাসরি বিপরীত বা নেতিবাচক রূপ হিসেবে 'গরল' শব্দটিই সবচেয়ে উপযুক্ত।</li>
</ul>

<p>সহজ কথায়, অমৃতের বিপরীত অবস্থা বা গুণ প্রকাশ করতে বাংলা সাহিত্যে সবসময় <strong>গরল</strong> শব্দটিই ব্যবহৃত হয়।</p>
১৮৯৫

'অমৃত' এর বিপরীতআর্থক শব্দ কোনটি ?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
গরল
ব্যাখ্যা:
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>গরল</strong>। বিষয়টি খুব সহজ, কারণ 'অমৃত' বলতে আমরা সাধারণত সুধা বা যা পান করলে অমরত্ব লাভ হয় এমন কিছুকে বুঝি। এর ঠিক বিপরীত বা উল্টো অর্থ প্রকাশ করে 'গরল', যার অর্থ হলো বিষ।</p>

<p>সহজভাবে মনে রাখার উপায়:</p>
<ul>
<li><strong>অমৃত:</strong> সুধা বা অমৃততুল্য পানীয়।</li>
<li><strong>গরল:</strong> বিষ বা বিষাক্ত কোনো বস্তু।</li>
</ul>

<p>তাই শব্দার্থের বিচারে 'অমৃত' এর বিপরীত শব্দ হিসেবে <strong>গরল</strong>-ই সবচেয়ে উপযুক্ত।</p>
১৮৯৬

খুঁত শব্দের বিপরীত শব্দ কোনটি?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
নিখুঁত
ব্যাখ্যা:
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>নিখুঁত</strong>। বিষয়টি খুব সহজ, কারণ 'খুঁত' মানে হলো কোনো কিছুর ত্রুটি বা অভাব। আর এর বিপরীত শব্দ হিসেবে এমন একটি শব্দ প্রয়োজন যা কোনো ত্রুটিহীন বা সম্পূর্ণ অবস্থাকে বোঝায়।</p>

<ul>
<li>'খুঁত' শব্দটির অর্থ হলো ত্রুটি বা দোষ।</li>
<li>'নি' উপসর্গটি যুক্ত হয়ে 'নিখুঁত' শব্দটি তৈরি হয়েছে, যার অর্থ হলো যার কোনো খুঁত বা ত্রুটি নেই।</li>
<li>তাই ব্যাকরণগতভাবে এবং অর্থের দিক থেকে 'খুঁত'-এর বিপরীত শব্দ হিসেবে 'নিখুঁত' সবচেয়ে উপযুক্ত।</li>
</ul>
১৮৯৭

‘সরল' শব্দের বিপরীতার্থক নয় নিচের কোনটি?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
গরল
ব্যাখ্যা:
<p>‘সরল’ শব্দের অর্থ হলো যা সোজা বা সহজ। এর বিপরীত শব্দগুলো সাধারণত এমন কিছু বোঝায় যা প্যাঁচানো বা কঠিন। এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>গরল</strong>, কারণ এর সাথে সরল শব্দের কোনো সম্পর্ক নেই।</p>

<ul>
<li><strong>সরল</strong> মানে হলো সোজা বা সহজ।</li>
<li>অন্যদিকে, <strong>গরল</strong> শব্দের অর্থ হলো বিষ বা হলাহল।</li>
<li>যেহেতু বিষ বা গরল কোনোভাবেই সরলতার বিপরীত নয়, তাই এটিই সঠিক উত্তর।</li>
</ul>

<p>সহজ কথায়, বাকি অপশনগুলো (কুটিল, জটিল, বক্র) সরল শব্দের বিপরীত অর্থ প্রকাশ করলেও, <strong>গরল</strong> সম্পূর্ণ ভিন্ন একটি শব্দ। তাই এটিই এখানে সঠিক উত্তর হিসেবে গণ্য হবে।</p>
১৮৯৮

‘আদিষ্ট’ শব্দের বিপরীত শব্দ কোনটি?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
নিষিদ্ধ
ব্যাখ্যা:
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>নিষিদ্ধ</strong>। বিষয়টি খুব সহজভাবে মনে রাখা যায়:</p>

<ul>
<li>‘আদিষ্ট’ শব্দের অর্থ হলো যা করার জন্য আদেশ দেওয়া হয়েছে বা যা অনুমোদিত।</li>
<li>এর বিপরীত বা উল্টো অর্থ বোঝাতে আমরা এমন শব্দ খুঁজি যা কোনো কিছু করতে মানা করা বা বারণ করা বোঝায়।</li>
<li>সেই হিসেবে, ‘আদিষ্ট’ (অনুমোদিত) এর ঠিক বিপরীত অবস্থা হলো <strong>নিষিদ্ধ</strong>, যার অর্থ হলো যা করা নিষেধ বা বারণ।</li>
</ul>

<p>সহজ কথায়, আদেশের উল্টো হলো নিষেধাজ্ঞা, তাই সঠিক উত্তরটি হবে নিষিদ্ধ।</p>
১৮৯৯

নিচের কোনটি প্রতিপদিক শবদর

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
কলম
ব্যাখ্যা:
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>কলম</strong>। ব্যাকরণের ভাষায় প্রতিপদিক বলতে বোঝায় বিভক্তিহীন নাম শব্দকে। অর্থাৎ, যে শব্দের সাথে কোনো বিভক্তি যুক্ত নেই এবং যা মূল শব্দ হিসেবে ব্যবহৃত হয়, সেটিই প্রতিপদিক।</p>

<ul>
<li><strong>কলম</strong> শব্দটির সাথে কোনো বিভক্তি (যেমন: -এ, -কে, -এর) যুক্ত নেই।</li>
<li>এটি একটি মৌলিক শব্দ যা বাক্যে ব্যবহারের সময় বিভক্তি গ্রহণ করে নতুন রূপ ধারণ করতে পারে।</li>
<li>অন্যান্য অপশনগুলোর দিকে তাকালে দেখা যায়, সেগুলোতে প্রত্যয় বা উপসর্গ যুক্ত থাকায় সেগুলো সরাসরি প্রতিপদিক হিসেবে গণ্য হয় না।</li>
</ul>

<p>সহজ কথায়, কোনো শব্দের মূল রূপটিই হলো প্রতিপদিক, আর এখানে <strong>কলম</strong> হলো সেই মূল শব্দ।</p>
১৯০০

কোনটি খাঁটি বাংলা উপসর্গ?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
অজানা
ব্যাখ্যা:
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>অজানা</strong>। কারণটি বেশ সহজ:</p>

<ul>
<li>বাংলা ভাষায় ব্যবহৃত উপসর্গগুলোকে তিন ভাগে ভাগ করা হয়েছে: খাঁটি বাংলা, সংস্কৃত এবং বিদেশি।</li>
<li><strong>অ</strong> হলো একটি খাঁটি বাংলা উপসর্গ, যা শব্দের শুরুতে বসে নতুন অর্থ তৈরি করে। যেমন: <strong>অ</strong> + জানা = অজানা।</li>
<li>অন্যান্য অপশনগুলোর মধ্যে 'বে', 'আ' (আভাসে), এবং 'গর' উপসর্গগুলো মূলত বিদেশি বা ফারসি উৎস থেকে এসেছে।</li>
</ul>

<p>সহজ কথায়, শব্দের শুরুতে <strong>অ</strong> যুক্ত হয়ে যখন কোনো নতুন শব্দ গঠিত হয়, তখন সেটি খাঁটি বাংলা উপসর্গের নিয়ম মেনে চলে। তাই এখানে <strong>অজানা</strong>-ই সঠিক উত্তর।</p>
১৯০১

কোনটি খাঁটি বাংলা উপসর্গ সাধিত শব্দ ?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
ইতিহাস
ব্যাখ্যা:
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>গরমিল</strong>। বিষয়টি খুব সহজ, কারণ বাংলা উপসর্গ চেনার জন্য আমাদের শুধু শব্দের গঠনটা একটু খেয়াল করতে হয়।</p>

<ul>
<li><strong>গরমিল</strong> শব্দটি গঠিত হয়েছে 'গর' + 'মিল' যোগে।</li>
<li>এখানে 'গর' একটি খাঁটি বাংলা উপসর্গ, যা বিশেষ অর্থে ব্যবহৃত হয়।</li>
<li>অন্যদিকে, ইতিহাস, অনুবাদ এবং অভিযান—এই শব্দগুলো সংস্কৃত বা তৎসম উপসর্গ (যেমন: অতি, অনু, অভি) দিয়ে গঠিত।</li>
</ul>

<p>তাই খুব সহজেই বোঝা যায় যে, খাঁটি বাংলা উপসর্গ দিয়ে তৈরি একমাত্র শব্দ হলো <strong>গরমিল</strong>।</p>
১৯০২

‘গরল’ শব্দের বিপরীত শব্দ কি?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
অমৃত
ব্যাখ্যা:
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>অমৃত</strong>। বিষয়টি খুব সহজ, কারণ ‘গরল’ শব্দের আক্ষরিক অর্থ হলো বিষ। আর বিষের ঠিক বিপরীত বা উল্টো জিনিসটি হলো অমৃত, যা পান করলে অমরত্ব লাভ করা যায়।</p>

<p>সহজভাবে মনে রাখার উপায়:</p>
<ul>
<li><strong>গরল</strong> = বিষ বা হলাহল।</li>
<li><strong>অমৃত</strong> = সুধা বা যা খেলে মৃত্যু হয় না।</li>
</ul>

<p>তাই শব্দার্থের দিক থেকে ‘গরল’ ও ‘অমৃত’ একে অপরের বিপরীত শব্দ হিসেবে ব্যবহৃত হয়।</p>
১৯০৩

কোনগুলো বিদেশী উপসর্গ?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
গর, মিল
ব্যাখ্যা:
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>গর, মিল</strong>। কারণ এগুলো মূলত ফারসি ভাষা থেকে বাংলা ভাষায় এসেছে, তাই এগুলোকে বিদেশী উপসর্গ বলা হয়।</p>

<p>সহজভাবে মনে রাখার উপায়:</p>
<ul>
<li><strong>গর</strong> (যেমন: গরহাজির) এবং <strong>মিল</strong> (যেমন: মিলতাল) শব্দগুলো বাংলা ব্যাকরণে বিদেশী বা ফারসি উপসর্গ হিসেবে পরিচিত।</li>
<li>বাংলা ভাষায় ব্যবহৃত বিদেশী উপসর্গগুলো মূলত আরবি, ফারসি ও ইংরেজি ভাষা থেকে এসেছে, যা শব্দের শুরুতে বসে নতুন অর্থ তৈরি করে।</li>
</ul>
১৯০৪

কোনটি ইংরেজি উপসর্গ ?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
ফুল
ব্যাখ্যা:
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>ফুল</strong>। বাংলা ভাষায় ব্যবহৃত ইংরেজি উপসর্গগুলোর মধ্যে 'ফুল' অন্যতম। এটি মূলত ইংরেজি শব্দ 'Full' থেকে এসেছে, যার অর্থ 'পূর্ণ'।</p>

<p>সহজে মনে রাখার জন্য কিছু উদাহরণ দেখে নিতে পারেন:</p>
<ul>
<li><strong>ফুল</strong>হাতা (Full sleeve)</li>
<li><strong>ফুল</strong>বাবু (Full babu)</li>
<li><strong>ফুল</strong>শার্ট (Full shirt)</li>
</ul>

<p>এখানে 'ফুল' শব্দটি বিশেষণের মতো কাজ করে শব্দের শুরুতে বসে তার অর্থকে পূর্ণতা দেয়। তাই এটি একটি খাঁটি ইংরেজি উপসর্গ।</p>
১৯০৫

ইউনেস্কো বাংলার কোন গানকে বিমূর্ত ঐতিহ্য ঘোষণা করে?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
বাউল
ব্যাখ্যা:
<p>ইউনেস্কোর বিমূর্ত সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের তালিকায় স্থান পাওয়া বাংলার গানটি হলো <strong>বাউল গান</strong>। ২০০৫ সালে ইউনেস্কো বাউল গানকে 'Masterpiece of the Oral and Intangible Heritage of Humanity' হিসেবে স্বীকৃতি দেয়।</p>

<p>এর পেছনের কারণগুলো খুব সহজ:</p>
<ul>
<li>বাউল গান কেবল একটি সংগীত নয়, এটি একটি গভীর আধ্যাত্মিক দর্শন ও জীবনধারা।</li>
<li>এই গানের সুর, কথা এবং পরিবেশনার ভঙ্গি শত শত বছর ধরে বাংলার লোকসংস্কৃতির অবিচ্ছেদ্য অংশ হয়ে আছে।</li>
<li>বাউলদের এই অনন্য সংগীতশৈলী ও বাদ্যযন্ত্রের ব্যবহার বিশ্বজুড়ে এক বিশেষ সাংস্কৃতিক গুরুত্ব বহন করে, যা ইউনেস্কোর এই স্বীকৃতির মূল ভিত্তি।</li>
</ul>
Support
Curiosity AI Assistant
24/7 লাইভ
eProstuti ডেটাবেস ও অটোমেশন ইঞ্জিন
এআই চ্যাট WhatsApp Messenger Instagram
👋 আসসালামু আলাইকুম শিক্ষার্থী !

আমি eProstuti Curiosity AI। আমাদের সকল লাইভ কোর্স, মডেল টেস্ট, ই-বুক, নোটিশ এবং পেমেন্ট সংক্রান্ত তথ্য নিমেষেই জানতে পারবেন।

দ্রুত উত্তরের জন্য নিচের টপিক চাপুন অথবা নিচে লিখুন:

উত্তরের তথ্য বিশ্লেষণ করা হচ্ছে...
eProstuti AI সহকারী
সার্বক্ষণিক সহায়তায় প্রস্তুত
লগইন আবশ্যক

ব্যক্তিগত সহায়তা এবং আপনার কোর্স, পরীক্ষা ও পেমেন্ট হিস্ট্রি দেখতে অ্যাকাউন্টে লগইন করুন।

* চ্যাটবট সরাসরি অ্যাকাউন্ট তৈরি বা লগইন করতে পারে না।