<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>ওষ্ঠ্যবর্ণ</strong>। বিষয়টি মনে রাখা খুবই সহজ। আমরা যখন প-বর্গের বর্ণগুলো (প, ফ, ব, ভ, ম) উচ্চারণ করি, তখন আমাদের দুই ঠোঁট একে অপরের সাথে স্পর্শ করে।</p>
<p>সহজভাবে মনে রাখার উপায়:</p>
<ul>
<li>'ওষ্ঠ' শব্দের অর্থ হলো ঠোঁট।</li>
<li>যেহেতু প-বর্গের বর্ণগুলো উচ্চারণ করতে ঠোঁটের সাহায্য নিতে হয়, তাই এগুলোকে ব্যাকরণের ভাষায় <strong>ওষ্ঠ্যবর্ণ</strong> বলা হয়।</li>
</ul>
<p>পরের বার উচ্চারণ করে দেখুন, প-বর্গ উচ্চারণ করার সময় ঠোঁট না মিলিয়ে কথা বলা অসম্ভব!</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>পথ জানা নাই</strong>। বিষয়টি খুব সহজ, কারণ এটি কোনো উপন্যাস নয়, বরং এটি একটি বিখ্যাত ভ্রমণকাহিনি।</p>
<p>সহজভাবে মনে রাখার জন্য নিচের পয়েন্টগুলো দেখুন:</p>
<ul>
<li><strong>পথ জানা নাই</strong> লিখেছেন প্রখ্যাত লেখক ও ভ্রমণপিপাসু <strong>সৈয়দ মুজতবা আলী</strong>।</li>
<li>এটি মূলত লেখকের বিভিন্ন দেশ ভ্রমণের অভিজ্ঞতার আলোকে লেখা একটি ভ্রমণকাহিনি বা প্রবন্ধ সংকলন।</li>
<li>বাকি অপশনগুলো—যেমন <strong>যাপিত জীবন</strong> (সেলিনা হোসেন), <strong>খোয়াবনামা</strong> (আখতারুজ্জামান ইলিয়াস) এবং <strong>ওল্কার</strong> (আখতারুজ্জামান ইলিয়াস)—এগুলো বাংলা সাহিত্যের জনপ্রিয় উপন্যাস।</li>
</ul>
<p>তাই পরীক্ষার খাতায় কনফিউশন এড়াতে লেখকের রচনার ধরনগুলো একটু খেয়াল রাখলেই এমন প্রশ্ন খুব সহজে সমাধান করা সম্ভব।</p>
১৮৭৮
‘আনারস’ ও ‘চাবি’ শব্দ দুটি বাংলা ভাষা গ্রহণ করেছে-
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>পর্তুগিজ ভাষা হতে</strong>। বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ, কারণ আমাদের দৈনন্দিন জীবনে ব্যবহৃত অনেক বিদেশি শব্দের উৎস পর্তুগিজ।</p>
<p>সহজ কিছু কৌশলে মনে রাখতে পারেন:</p>
<ul>
<li>পর্তুগিজরা যখন বাংলায় বাণিজ্য করতে এসেছিল, তখন তারা তাদের ব্যবহৃত বিভিন্ন নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসের নাম আমাদের ভাষায় রেখে গেছে।</li>
<li><strong>আনারস</strong> এবং <strong>চাবি</strong> ছাড়াও আলমারি, বালতি, সাবান, পাউরুটি—এগুলো সবই পর্তুগিজ শব্দ।</li>
<li>পরীক্ষায় এই শব্দগুলো বারবার আসে, তাই এই তালিকার শব্দগুলো একটু খেয়াল রাখলেই খুব সহজে উত্তর করা সম্ভব।</li>
</ul>
১৮৭৯
‘আনারস’ এবং ‘চাবি’ শব্দ দুটি বাংলা ভাষা গ্রহণ করেছে
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>পর্তুগিজ ভাষা হতে</strong>। বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ, কারণ পর্তুগিজরা যখন আমাদের দেশে এসেছিল, তখন তারা তাদের দৈনন্দিন ব্যবহারের বেশ কিছু শব্দ আমাদের ভাষায় রেখে গেছে।</p>
<p>সহজে মনে রাখার জন্য নিচের তালিকাটি দেখতে পারেন:</p>
<ul>
<li>পর্তুগিজরা বাণিজ্য করতে এসে আমাদের খাবারের তালিকায় যোগ করেছে <strong>আনারস</strong>, <strong>পেঁপে</strong>, <strong>পেয়ারা</strong>-এর মতো ফল।</li>
<li>তাদের দৈনন্দিন ব্যবহারের প্রয়োজনীয় জিনিসপত্রের নাম হিসেবে আমরা গ্রহণ করেছি <strong>চাবি</strong>, <strong>আলমারি</strong>, <strong>বালতি</strong> এবং <strong>সাবান</strong>।</li>
</ul>
<p>অর্থাৎ, এই শব্দগুলো মূলত পর্তুগিজদের হাত ধরেই বাংলা ভাষায় এসেছে। তাই পরীক্ষার খাতায় এই ধরনের শব্দ দেখলে চোখ বন্ধ করে পর্তুগিজ ভাষা দাগিয়ে দিতে পারেন!</p>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>মণ্ডারী ভাষা</strong>। আমাদের দৈনন্দিন জীবনে ব্যবহৃত অনেক শব্দই এসেছে বিভিন্ন আদিবাসী ভাষা থেকে, যার মধ্যে 'চুলা' একটি অন্যতম শব্দ।</p>
<p>সহজভাবে মনে রাখার উপায়:</p>
<ul>
<li>বাংলা ভাষায় ব্যবহৃত অনেক দেশি শব্দের উৎস হলো অস্ট্রিক বা অস্ট্রো-এশীয় ভাষাগোষ্ঠী।</li>
<li>মণ্ডারী ভাষা মূলত এই অস্ট্রিক ভাষাগোষ্ঠীর অন্তর্ভুক্ত একটি ভাষা।</li>
<li>আমাদের নিত্যপ্রয়োজনীয় গৃহস্থালি সামগ্রী, যেমন—'চুলা', 'কুলা', 'ঝাটা' ইত্যাদি শব্দগুলো মণ্ডারী বা কোল ভাষা থেকে সরাসরি বাংলায় এসেছে।</li>
</ul>
<p>তাই পরীক্ষার খাতায় 'চুলা' শব্দটি দেখলে চোখ বন্ধ করে <strong>মণ্ডারী ভাষা</strong> দাগিয়ে দিতে পারেন!</p>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>ওলন্দাজ</strong>। বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ, কারণ তাস খেলার সাথে সম্পর্কিত অনেক শব্দই আমাদের ভাষায় ওলন্দাজ বা ডাচ ভাষা থেকে এসেছে।</p>
<ul>
<li>তাস খেলার বিভিন্ন টার্ম বা শব্দগুলো মূলত ওলন্দাজ নাবিক ও বণিকদের হাত ধরেই বাংলায় প্রবেশ করেছে।</li>
<li>‘রুইতন’ শব্দটি সেই ওলন্দাজ শব্দভাণ্ডারের একটি অংশ, যা আমরা তাসের একটি ঘর বা চিহ্ন হিসেবে ব্যবহার করি।</li>
<li>পরীক্ষায় মনে রাখার জন্য শুধু মনে রাখুন: তাসের খেলা মানেই ওলন্দাজদের প্রভাব।</li>
</ul>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>জার্মানী</strong>। বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ, কারণ ‘কিন্ডারগার্টেন’ শব্দটি মূলত জার্মান শব্দ <strong>Kindergarten</strong> থেকে এসেছে।</p>
<ul>
<li><strong>Kinder</strong> শব্দের অর্থ হলো শিশু।</li>
<li><strong>Garten</strong> শব্দের অর্থ হলো বাগান।</li>
</ul>
<p>অর্থাৎ, আক্ষরিক অর্থে এর মানে দাঁড়ায় ‘শিশুদের বাগান’। জার্মান শিক্ষাবিদ ফ্রেডরিখ ফ্রোয়েবেল ১৮৪০ সালে প্রথম এই ধারণাটি প্রবর্তন করেন, তাই এটি একটি খাঁটি জার্মান শব্দ।</p>
<p>‘কামিজ’ শব্দটি মূলত <strong>পর্তুগিজ</strong> ভাষা থেকে বাংলা ভাষায় এসেছে। বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ, কারণ আমাদের দৈনন্দিন জীবনে ব্যবহৃত অনেক পোশাক বা নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসের নাম পর্তুগিজ ভাষা থেকে সরাসরি বাংলায় গৃহীত হয়েছে।</p>
<ul>
<li>পর্তুগিজরা দীর্ঘ সময় এ অঞ্চলে অবস্থান করায় তাদের ব্যবহৃত অনেক শব্দ আমাদের ভাষার সাথে মিশে গেছে।</li>
<li>‘কামিজ’ ছাড়াও আলমারি, চাবি, বালতি, সাবান—এই শব্দগুলোও পর্তুগিজ ভাষা থেকে আসা।</li>
</ul>
<p>তাই পরীক্ষার খাতায় যখনই ‘কামিজ’ শব্দটি দেখবেন, চোখ বন্ধ করে <strong>পর্তুগিজ</strong> দাগিয়ে দেবেন!</p>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>ফরাসি</strong>। বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ, কারণ আমাদের দৈনন্দিন জীবনে ব্যবহৃত বেশ কিছু বিদেশি শব্দ সরাসরি ফরাসি ভাষা থেকে এসেছে।</p>
<ul>
<li>'রেস্তোরা' শব্দটি মূলত ফরাসি শব্দ <strong>'Restaurant'</strong> থেকে এসেছে।</li>
<li>বাংলা ভাষায় আমরা যেসব বিদেশি শব্দ ব্যবহার করি, তার মধ্যে ফরাসি শব্দগুলো বেশ পরিচিত।</li>
<li>সহজ ট্রিক হিসেবে মনে রাখতে পারেন, খাবার বা বিলাসিতা সংক্রান্ত অনেক আধুনিক শব্দই ফরাসি ভাষা থেকে বাংলায় এসেছে।</li>
</ul>
<p>তাই পরীক্ষার খাতায় 'রেস্তোরা' দেখলে চোখ বন্ধ করে <strong>ফরাসি</strong> দাগিয়ে দেবেন!</p>
<p>বাংলা ভাষায় ব্যবহৃত অনেক বিদেশি শব্দের উৎস মনে রাখা কিছুটা কঠিন মনে হতে পারে, তবে কিছু শব্দের ক্ষেত্রে সহজ কৌশল অবলম্বন করা যায়। 'রেস্তোরাঁ' শব্দটি মূলত ফরাসি ভাষা থেকে সরাসরি বাংলায় এসেছে। এর পেছনের কারণ ও মনে রাখার উপায়গুলো হলো:</p>
<ul>
<li><strong>উৎপত্তি:</strong> ফরাসি শব্দ <em>restaurant</em> থেকে এই শব্দের উৎপত্তি, যার অর্থ হলো যা শক্তি পুনরুদ্ধার করে।</li>
<li><strong>সহজ কৌশল:</strong> খাবার বা বিলাসিতা সংক্রান্ত অনেক আধুনিক শব্দই ফরাসি ভাষা থেকে এসেছে। তাই 'রেস্তোরাঁ' শব্দটি দেখলে সহজেই ধরে নিতে পারেন এটি ফরাসি ভাষার অবদান।</li>
</ul>
<p>এভাবে শব্দগুলোর উৎস মনে রাখলে পরীক্ষায় খুব দ্রুত উত্তর করা সম্ভব হয়।</p>
<p>‘বাংলার লোকসংস্কৃতি’ প্রবন্ধগ্রন্থটির রচয়িতা হলেন <strong>ওয়াকিল আহমদ</strong>।</p>
<p>বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ। ড. ওয়াকিল আহমদ বাংলা লোকসংস্কৃতি ও লোকসাহিত্য নিয়ে দীর্ঘ সময় ধরে গবেষণা করেছেন। তার এই গ্রন্থটি লোকসংস্কৃতির ওপর লেখা অন্যতম মৌলিক ও প্রামাণ্য কাজ হিসেবে স্বীকৃত। তাই যখনই এই বইটির নাম আসবে, সরাসরি ওয়াকিল আহমদের নাম মনে রাখলেই চলবে।</p>
<p>মনসামঙ্গলের কবি হিসেবে ওপরের তিনজনই বিখ্যাত। বাংলা সাহিত্যের মধ্যযুগে মঙ্গলকাব্য ধারার অন্যতম প্রধান শাখা হলো মনসামঙ্গল। এই কাব্যধারাকে জনপ্রিয় করে তুলতে একাধিক কবি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছেন।</p>
<ul>
<li><strong>বিজয় গুপ্ত:</strong> তিনি মনসামঙ্গলের সবচেয়ে জনপ্রিয় কবি, যার কাব্যের নাম 'পদ্মপুরাণ'।</li>
<li><strong>কেতকাদাস ক্ষেমানন্দ:</strong> তাঁর লেখা মনসামঙ্গল কাব্যটি অত্যন্ত সুললিত এবং জনপ্রিয়।</li>
<li><strong>বিপ্রদাস পিপিলাই:</strong> তিনি 'মনসাবিজয়' কাব্যের রচয়িতা, যা মনসামঙ্গল ধারার একটি প্রাচীন ও গুরুত্বপূর্ণ নিদর্শন।</li>
</ul>
<p>তাই সঠিক উত্তর হলো <strong>ওপরের তিনজনই</strong>, কারণ তাঁরা প্রত্যেকেই মনসামঙ্গল কাব্য রচনায় বিশেষ অবদান রেখেছেন।</p>
<p>চর্যাপদ প্রথম প্রকাশিত হওয়ার বিষয়টি বেশ সহজ। ১৯১৬ সালে হরপ্রসাদ শাস্ত্রী নেপালের রাজদরবার থেকে পুঁথিটি আবিষ্কার করার পর, এটি আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশিত হয় <strong>বঙ্গীয় সাহিত্য পরিষদ</strong> থেকে।</p>
<p>সহজভাবে মনে রাখার জন্য নিচের ধাপগুলো দেখুন:</p>
<ul>
<li><strong>আবিষ্কারক:</strong> মহামহোপাধ্যায় হরপ্রসাদ শাস্ত্রী।</li>
<li><strong>সাল:</strong> ১৯১৬ খ্রিস্টাব্দ।</li>
<li><strong>প্রকাশক:</strong> বঙ্গীয় সাহিত্য পরিষদ।</li>
</ul>
<p>অর্থাৎ, পুঁথিটি নেপাল থেকে উদ্ধার করা হলেও, এর প্রথম মুদ্রণ বা প্রকাশনার কাজটি সম্পন্ন হয়েছিল <strong>বঙ্গীয় সাহিত্য পরিষদ</strong> থেকেই। তাই সঠিক উত্তর হলো অপশন C।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>অত্যধিক</strong>। সন্ধির নিয়ম অনুযায়ী বিষয়টি খুব সহজ:</p>
<ul>
<li>'অতি' শব্দের শেষে থাকা <strong>ই-কার</strong> (ি) এবং 'অধিক' শব্দের শুরুতে থাকা <strong>অ</strong> মিলে <strong>য-ফলা</strong> (্য) তৈরি করে।</li>
<li>অর্থাৎ, $ই + অ = য$।</li>
<li>এই নিয়মটি অনুসরণ করলে আমরা পাই: $অতি + অধিক = অত্যধিক$।</li>
</ul>
<p>বানানের ক্ষেত্রে খেয়াল রাখবেন, 'অত্যধিক' শব্দে কোনো বাড়তি আকার বা ও-কার যুক্ত হয় না। তাই এটিই শুদ্ধ রূপ।</p>
<p>বাংলা বর্ণমালায় <strong>ঐ</strong> এবং <strong>ঔ</strong>-কে যৌগিক স্বরবর্ণ বলা হয়। এগুলোকে যৌগিক বলার কারণ হলো, এগুলো একক কোনো ধ্বনি নয়, বরং দুটি স্বরধ্বনির মিলনে তৈরি হয়েছে। বিষয়টি মনে রাখার সহজ উপায় হলো:</p>
<ul>
<li><strong>ঐ</strong> তৈরি হয়েছে: $অ + ই$</li>
<li><strong>ঔ</strong> তৈরি হয়েছে: $অ + উ$</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, যখন দুটি স্বরধ্বনি মিলে একটি নতুন ধ্বনি তৈরি করে, তখন তাকে যৌগিক স্বর বা যৌগিক বর্ণ বলে। তাই সঠিক উত্তর হলো <strong>ঐ, ঔ</strong>।</p>
MCQ পরীক্ষা সেটিংস
বাংলা
eProstuti
সহজ ও দ্রুত ক্লাস করতে অ্যাপটি ইনস্টল করুন
iPhone / iPad এ ইনস্টল করুন
eProstuti
১Safari ব্রাউজারের নিচে থাকা Share ( ) বাটনে চাপ দিন।
২নিচের দিকে স্ক্রোল করে 'Add to Home Screen' ( ) নির্বাচন করুন।
৩উপরে ডানে থাকা 'Add' বাটনে ট্যাপ করুন।
Android এ অ্যাপ ইনস্টল করুন
eProstuti
১Chrome ব্রাউজারের উপরে ডানে থাকা থ্রি-ডট ( ) মেনু চাপুন।
২তালিকায় 'Install app' বা 'Add to Home screen' ( ) এ ট্যাপ করুন।
ডাউনলোড সম্পন্ন হলে ফাইলটি ওপেন করে Install চাপুন।
যদি "Install unknown apps" বা "Unknown sources" অনুমতি চায়, তাহলে সেটি Allow করে আবার ইনস্টল করুন।
ইনস্টল শেষ হলে অ্যাপটি খুলে আপনার অ্যাকাউন্টে লগইন করুন।
অ্যাপের সুবিধা:
সকল লাইভ ক্লাস
রেকর্ডেড ক্লাস
অনলাইন পরীক্ষা
ই-বুক ও নোটিশ
সবকিছু এক জায়গা থেকেই সহজে ব্যবহার করুন!
ব্রাউজারে খুলুন
⚠️ মনে হচ্ছে আপনি এই ওয়েবসাইটটি ফেসবুক বা অন্য কোনো অ্যাপের ভেতরের ব্রাউজার থেকে খুলেছেন।
ভালোভাবে কাজ করার জন্য দয়া করে এটি আপনার মূল ব্রাউজারে (যেমন Chrome) খুলুন।
👉 উপরে থাকা ⋮ বা ••• বাটনে চাপ দিন → তারপর “Open in Browser” সিলেক্ট করুন।