eProstuti
স্বাগতম শিক্ষার্থী!

অনলাইন কোর্স ও পরীক্ষায় অংশ নিতে লগইন করুন

লগইন / রেজিস্টার
ওয়েবসাইট মেন্যু

এসএসসি ২০২৬ এর রেজাল্ট সবার আগে পেতে এখনই বুকিং করো

বুক করো
MCQ: ৩৪৫১৩ টি
সকল বিষয়
বাংলা
সঠিক উত্তর বাছাই করে আপনার প্রস্তুতি যাচাই করুন
১৯০৬

'শিব' কোন গানের বিষয়বস্তু?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
গম্ভীরা
ব্যাখ্যা:
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>গম্ভীরা</strong>। এই গানটি মূলত পশ্চিমবঙ্গের মালদহ অঞ্চলের একটি অত্যন্ত জনপ্রিয় লোকসংগীত।</p>

<p>গম্ভীরা গানের পেছনের সহজ বিষয়টি হলো:</p>
<ul>
<li>গম্ভীরা শব্দটি এসেছে 'গম্ভীর' থেকে, যা দেবাদিদেব <strong>শিবের</strong> অপর এক নাম।</li>
<li>এই গানের মূল উৎসই হলো শিবের আরাধনা।</li>
<li>সাধারণত চৈত্র সংক্রান্তির সময় শিবের গাজনের অংশ হিসেবে এই গান গাওয়া হয়, যেখানে শিবকে কেন্দ্র করেই বিভিন্ন সামাজিক ও সমসাময়িক বিষয় হাস্যরসের মাধ্যমে তুলে ধরা হয়।</li>
</ul>

<p>সহজ কথায়, শিবের পূজা ও উৎসবকে কেন্দ্র করেই গম্ভীরা গানের জন্ম ও বিকাশ ঘটেছে।</p>
১৯০৭

‘চপল’-এর বিপরীতার্থক শব্দ

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
গম্ভীর
ব্যাখ্যা:
<p>‘চপল’ শব্দের অর্থ হলো যে খুব চঞ্চল বা অস্থির প্রকৃতির। এর বিপরীত শব্দ হিসেবে <strong>গম্ভীর</strong> সবচেয়ে মানানসই।</p>

<ul>
<li><strong>চপল:</strong> এর মূল বৈশিষ্ট্য হলো অস্থিরতা বা চঞ্চলতা।</li>
<li><strong>গম্ভীর:</strong> এটি চপলের ঠিক উল্টো, যা স্থিরতা, গাম্ভীর্য বা ধীরস্থির স্বভাবকে বোঝায়।</li>
</ul>

<p>সহজ কথায়, যে মানুষ বা বিষয় চঞ্চল নয় বরং শান্ত ও স্থির, তাকেই আমরা গম্ভীর বলি। তাই ব্যাকরণগতভাবে ‘চপল’-এর সঠিক বিপরীতার্থক শব্দ হলো <strong>গম্ভীর</strong>।</p>
১৯০৮

‘গমন’ শব্দের মূল ধাতু কোনটি?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
গম্
ব্যাখ্যা:
<p>‘গমন’ শব্দের সঠিক ধাতু হলো <strong>গম্</strong>। ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী, কোনো শব্দের মূল বা অবিভাজ্য অংশই হলো ধাতু।</p>

<p>সহজে মনে রাখার উপায়:</p>
<ul>
<li>সংস্কৃত ব্যাকরণ অনুযায়ী, ‘গম্’ ধাতুটির সাথে ‘অনট’ প্রত্যয় যুক্ত হয়ে ‘গমন’ শব্দটি গঠিত হয়েছে।</li>
<li>গমন মানে হলো যাওয়া, আর এই যাওয়ার মূল উৎস বা ক্রিয়ামূল হলো <strong>গম্</strong>।</li>
<li>বাংলায় অনেক শব্দের মূল খুঁজে বের করতে হলে সেটিকে ক্রিয়াপদে রূপান্তর করলেই হয়, যেমন: গমন করা থেকে গম্।</li>
</ul>

<p>তাই মনে রাখবেন, গম্ ধাতুর সাথে প্রত্যয় যোগ করেই গমন শব্দটি তৈরি হয়।</p>
১৯০৯

‘আরোহণ’ শব্দটির বিপরীতার্থক শব্দ-

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
অবরোহণ
ব্যাখ্যা:
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>অবরোহণ</strong>। বিষয়টি খুব সহজভাবে মনে রাখা যায়:</p>

<ul>
<li>‘আরোহণ’ শব্দের অর্থ হলো কোনো কিছুর ওপর ওঠা বা উপরে উঠে যাওয়া।</li>
<li>অন্যদিকে, ‘অবরোহণ’ শব্দের অর্থ হলো নিচে নেমে আসা।</li>
<li>যেহেতু আরোহণ মানে উপরে ওঠা, তাই এর বিপরীত বা উল্টো অবস্থা হবে নিচে নামা, অর্থাৎ অবরোহণ।</li>
</ul>

<p>সহজ কথায়, উপরে ওঠার বিপরীত প্রক্রিয়াটিই হলো অবরোহণ। তাই যেকোনো পরীক্ষায় এই শব্দটি দেখলে মনে রাখবেন—<strong>আরোহণ (উপরে ওঠা) ↔ অবরোহণ (নিচে নামা)</strong>।</p>
১৯১০

‘নীপ’ শব্দের অর্থ কী?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
কদম
ব্যাখ্যা:
<p>‘নীপ’ শব্দের সঠিক অর্থ হলো <strong>কদম</strong>। বাংলা সাহিত্যে এবং প্রকৃতি বর্ণনায় ‘নীপ’ শব্দটি মূলত কদম ফুল বা কদম গাছকে বোঝাতে ব্যবহার করা হয়।</p>

<ul>
<li>সহজ কথায়, বর্ষাকালের পরিচিত ফুল কদমের সংস্কৃত ও কাব্যিক নামই হলো নীপ।</li>
<li>কবিরা বৃষ্টির দিনে কদম ফুলকে বর্ণনা করতে গিয়ে প্রায়ই ‘নীপ’ শব্দটি ব্যবহার করেন।</li>
</ul>
১৯১১

কোনটি রূড়ি শব্দ?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
গবেষণা
ব্যাখ্যা:
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>গবেষণা</strong>।</p>

<p>শব্দতত্ত্বের নিয়ম অনুযায়ী, যে সব শব্দের ব্যুৎপত্তিগত অর্থ ও ব্যবহারিক অর্থ একই, সেগুলোকে রূঢ়ি শব্দ বলে। বিষয়টি সহজে বোঝার উপায় হলো:</p>

<ul>
<li><strong>গবেষণা</strong> শব্দটির গঠন বিশ্লেষণ করলে পাওয়া যায়: <strong>গো + এষণা</strong>।</li>
<li>এর আক্ষরিক বা ব্যুৎপত্তিগত অর্থ হলো 'গরু খোঁজা'।</li>
<li>কিন্তু বর্তমানে শব্দটি কোনো কিছু নিয়ে গভীর অনুসন্ধান বা 'গবেষণা' করা বোঝাতে ব্যবহৃত হয়।</li>
<li>যেহেতু এর মূল অর্থ (গরু খোঁজা) এবং বর্তমান প্রচলিত অর্থ (অনুসন্ধান) সম্পূর্ণ আলাদা, তাই এটি একটি রূঢ়ি শব্দ।</li>
</ul>

<p>সহজ কথায়, যে শব্দগুলো প্রকৃতি ও প্রত্যয় অনুযায়ী গঠিত হলেও তাদের মূল অর্থের সাথে বর্তমান ব্যবহারের কোনো মিল থাকে না, সেগুলোই রূঢ়ি শব্দ।</p>
১৯১২

‘গবেষণা’-এর সন্ধি বিচ্ছেদ কি হবে?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
গো+এষণা
ব্যাখ্যা:
<p>‘গবেষণা’ শব্দটির সঠিক সন্ধি বিচ্ছেদ হলো <strong>গো + এষণা</strong>। এটি মূলত সংস্কৃত ব্যাকরণের <strong>অয়াদি সন্ধি</strong> বা <strong>অয়াগম সন্ধি</strong>-এর একটি চমৎকার উদাহরণ। বিষয়টি সহজভাবে বোঝার জন্য নিচের ধাপগুলো খেয়াল করুন:</p>

<ul>
<li>সন্ধির নিয়ম অনুযায়ী, ও-কার (ও) এর পরে যদি অন্য কোনো স্বরবর্ণ থাকে, তবে ও-কারটি <strong>অব</strong> (অব্ + অ) হয়ে যায়।</li>
<li>এখানে, <strong>গো</strong> শব্দের শেষে থাকা 'ও' এবং <strong>এষণা</strong> শব্দের শুরুতে থাকা 'এ' মিলে 'অব' তৈরি করে।</li>
<li>অর্থাৎ: $গো + এ = গ + অব্ + এ = গবে$।</li>
<li>এভাবেই <strong>গো + এষণা</strong> মিলে তৈরি হয় <strong>গবেষণা</strong>।</li>
</ul>

<p>সহজ কথায়, শব্দের শুরুতে 'ও' থাকলে এবং তার সাথে অন্য স্বরবর্ণ যুক্ত হলে তা 'অব' বা 'গবে' রূপ ধারণ করে। এই নিয়মটি মনে রাখলে এ জাতীয় সন্ধি বিচ্ছেদ করা আপনার জন্য একদম পানির মতো সহজ হয়ে যাবে!</p>
১৯১৩

”গবেষণা”-এর সন্ধি-বিচ্ছেদ কি হবে?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
গো + এষণা
ব্যাখ্যা:
<p>”গবেষণা”-এর সঠিক সন্ধি-বিচ্ছেদ হলো <strong>গো + এষণা</strong>। এটি মূলত সংস্কৃত সন্ধির একটি বিশেষ নিয়ম মেনে চলে। বিষয়টি সহজভাবে বোঝার উপায় হলো:</p>

<ul>
<li>সন্ধির নিয়ম অনুযায়ী, 'ও' কারের পর যদি অন্য কোনো স্বরবর্ণ থাকে, তবে 'ও' কারের পরিবর্তে 'অব' হয়।</li>
<li>এখানে <strong>গো</strong> শব্দের শেষে থাকা 'ও' কার এবং <strong>এষণা</strong> শব্দের শুরুতে থাকা 'এ' মিলে সন্ধিটি তৈরি হয়েছে।</li>
<li>সহজ কথায়: <strong>গো + এষণা = গ + অব + এষণা = গবেষণা</strong>।</li>
</ul>

<p>এই নিয়মটি মনে রাখলে যেকোনো 'অব' যুক্ত সন্ধি খুব সহজেই সমাধান করা সম্ভব।</p>
১৯১৪

দীনবন্ধুর বাল্যনাম কি ছিল?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
গন্ধর্বনারায়ণ
ব্যাখ্যা:
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>গন্ধর্বনারায়ণ</strong>। বিষয়টি মনে রাখা বেশ সহজ। বিখ্যাত নাট্যকার দীনবন্ধু মিত্রের ডাকনাম বা বাল্যনাম ছিল গন্ধর্বনারায়ণ। অনেক সময় পরীক্ষায় কবি বা সাহিত্যিকদের আসল নাম এবং ডাকনাম নিয়ে প্রশ্ন আসে, তাই এই তথ্যটি মনে রাখা জরুরি।</p>

<ul>
<li><strong>মূল নাম:</strong> দীনবন্ধু মিত্র</li>
<li><strong>বাল্যনাম:</strong> গন্ধর্বনারায়ণ</li>
</ul>

<p>সহজ কথায়, তার পারিবারিক বা ডাকনাম হিসেবেই তিনি শৈশবে <strong>গন্ধর্বনারায়ণ</strong> নামে পরিচিত ছিলেন।</p>
১৯১৫

কোনটি প্রতিশব্দ নয় 'লক্ষ্য'

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
জটিল পথ
ব্যাখ্যা:
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>জটিল পথ</strong>। কারণ বিষয়টি বেশ সহজ:</p>

<ul>
<li>'লক্ষ্য' শব্দের অর্থ হলো কোনো নির্দিষ্ট গন্তব্য, উদ্দেশ্য বা যেখানে পৌঁছাতে চাই।</li>
<li>অন্যদিকে, <strong>অভীষ্ট</strong>, <strong>মনজিল</strong> এবং <strong>গন্তব্য</strong>—এই তিনটি শব্দই 'লক্ষ্য' বা 'উদ্দেশ্য' বোঝাতে ব্যবহৃত হয়।</li>
<li>কিন্তু <strong>জটিল পথ</strong> বলতে কোনো কঠিন বা প্যাঁচানো রাস্তাকে বোঝায়, যা 'লক্ষ্য' শব্দের অর্থের সাথে কোনোভাবেই সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়।</li>
</ul>

<p>তাই খুব সহজেই বোঝা যাচ্ছে যে, এখানে অসামঞ্জস্যপূর্ণ শব্দটি হলো জটিল পথ।</p>
১৯১৬

শুদ্ধ শব্দগুচ্ছ কোনটি?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
গণনা, গণিকা, শোণিত
ব্যাখ্যা:
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>গণনা, গণিকা, শোণিত</strong>। বাংলা বানানের নিয়ম অনুযায়ী এই শব্দগুলো এভাবে লিখলেই শুদ্ধ হয়। বিষয়টি মনে রাখার জন্য নিচের পয়েন্টগুলো খেয়াল করুন:</p>

<ul>
<li><strong>গণনা:</strong> 'গণ' শব্দের সাথে 'না' যুক্ত হয়ে শব্দটি গঠিত হয়, তাই এখানে মূর্ধন্য-ণ (ণ) ব্যবহৃত হয়।</li>
<li><strong>গণিকা:</strong> এটি একটি সংস্কৃত শব্দ, যেখানে নিয়ম অনুযায়ী 'ণ' ব্যবহার করা হয়।</li>
<li><strong>শোণিত:</strong> 'শোণিত' শব্দের বানানে সবসময় মূর্ধন্য-ণ (ণ) বসে, দন্ত্য-ন (ন) ব্যবহার করলে বানানটি ভুল হয়ে যায়।</li>
</ul>

<p>সহজ কথায়, এই শব্দগুলোতে তৎসম শব্দের নিয়ম মেনে মূর্ধন্য-ণ-এর ব্যবহার নিশ্চিত করতে হয়। তাই এই তিনটি শব্দই মূর্ধন্য-ণ দিয়ে লেখা শুদ্ধ।</p>
১৯১৭

'চম্পুকাব্য' কি?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
গদ্যপদ্য মিশ্রিত কাব্য
ব্যাখ্যা:
<p>সহজ কথায়, <strong>চম্পুকাব্য</strong> হলো এমন এক ধরনের সাহিত্য যেখানে গদ্য এবং পদ্যের দারুণ এক সংমিশ্রণ দেখা যায়। অর্থাৎ, পুরো রচনায় গদ্যের বর্ণনার পাশাপাশি কবিতার ছন্দও সমানভাবে বিদ্যমান থাকে।</p>

<p>বিষয়টি মনে রাখার সহজ উপায়:</p>
<ul>
<li><strong>গদ্য + পদ্য = চম্পুকাব্য</strong></li>
<li>সংস্কৃত অলঙ্কার শাস্ত্র অনুযায়ী, যে কাব্য গদ্য ও পদ্যের সমন্বয়ে গঠিত হয়, তাকেই চম্পুকাব্য বলা হয়।</li>
</ul>

<p>তাই সঠিক উত্তর হলো <strong>গদ্যপদ্য মিশ্রিত কাব্য</strong>। এটি মূলত সাহিত্যের একটি বিশেষ শৈলী, যা পড়ার সময় গদ্যের সাবলীলতা এবং পদ্যের মাধুর্য—দুটোই একসাথে পাওয়া যায়।</p>
১৯১৮

মিশ্র শিল্প কোনটি?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
নাটক
ব্যাখ্যা:
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>নাটক</strong>। কারণ নাটককে বলা হয় মিশ্র শিল্প বা সমন্বিত শিল্প। এর পেছনে খুব সহজ একটি যুক্তি আছে:</p>

<ul>
<li>নাটক কেবল সাহিত্যের একটি শাখা নয়, এটি একই সাথে সাহিত্য, অভিনয়, সংগীত, নৃত্য এবং চিত্রকলার এক অপূর্ব মিলনস্থল।</li>
<li>মঞ্চে যখন একটি নাটক প্রদর্শিত হয়, তখন সেখানে লেখকের সংলাপের পাশাপাশি অভিনেতার অঙ্গভঙ্গি, আবহ সংগীত এবং মঞ্চসজ্জার সমন্বয় ঘটে।</li>
<li>একাধিক শিল্পমাধ্যমের সংমিশ্রণে এটি পূর্ণতা পায় বলেই একে 'মিশ্র শিল্প' বলা হয়।</li>
</ul>

<p>সহজ কথায়, যে শিল্পকলায় সাহিত্যের সাথে দৃশ্য ও শ্রাব্য মাধ্যমের সমন্বয় থাকে, সেটিই নাটক।</p>
১৯১৯

'ঘোটক' শব্দটির অর্থ কি ?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
ঘোড়া
ব্যাখ্যা:
<p>'ঘোটক' শব্দটির সঠিক অর্থ হলো <strong>ঘোড়া</strong>।</p>

<p>সহজভাবে মনে রাখার উপায়:</p>
<ul>
<li>বাংলা ভাষায় অনেক সময় তৎসম বা সংস্কৃত শব্দ সরাসরি ব্যবহৃত হয়। 'ঘোটক' হলো ঘোড়ার একটি সংস্কৃত প্রতিশব্দ।</li>
<li>আমরা প্রায়ই বিভিন্ন সাহিত্য বা কবিতায় ঘোড়াকে বোঝাতে এই শব্দটি ব্যবহার হতে দেখি।</li>
<li>তাই যখনই কোথাও 'ঘোটক' শব্দটি দেখবেন, চোখ বন্ধ করে ধরে নেবেন এটি <strong>ঘোড়া</strong>-কেই নির্দেশ করছে।</li>
</ul>
১৯২০

অহ্ন শব্দের বিপরীত শব্দ -

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
রাত্রি
ব্যাখ্যা:
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>রাত্রি</strong>। বিষয়টি খুব সহজ, কারণ 'অহ্ন' শব্দের আক্ষরিক অর্থ হলো দিন বা দিবস।</p>

<p>সহজভাবে মনে রাখার উপায়:</p>
<ul>
<li>'অহ্ন' মানে হলো দিনের একটি নির্দিষ্ট সময় বা দিন।</li>
<li>দিনের বিপরীত হিসেবে আমরা সবসময় রাত বা রাত্রিকে বুঝি।</li>
<li>তাই ব্যাকরণগতভাবে 'অহ্ন' শব্দের বিপরীত শব্দ হিসেবে 'রাত্রি' সবচেয়ে উপযুক্ত।</li>
</ul>
Support
Curiosity AI Assistant
24/7 লাইভ
eProstuti ডেটাবেস ও অটোমেশন ইঞ্জিন
এআই চ্যাট WhatsApp Messenger Instagram
👋 আসসালামু আলাইকুম শিক্ষার্থী !

আমি eProstuti Curiosity AI। আমাদের সকল লাইভ কোর্স, মডেল টেস্ট, ই-বুক, নোটিশ এবং পেমেন্ট সংক্রান্ত তথ্য নিমেষেই জানতে পারবেন।

দ্রুত উত্তরের জন্য নিচের টপিক চাপুন অথবা নিচে লিখুন:

উত্তরের তথ্য বিশ্লেষণ করা হচ্ছে...
eProstuti AI সহকারী
সার্বক্ষণিক সহায়তায় প্রস্তুত
লগইন আবশ্যক

ব্যক্তিগত সহায়তা এবং আপনার কোর্স, পরীক্ষা ও পেমেন্ট হিস্ট্রি দেখতে অ্যাকাউন্টে লগইন করুন।

* চ্যাটবট সরাসরি অ্যাকাউন্ট তৈরি বা লগইন করতে পারে না।