eProstuti
স্বাগতম শিক্ষার্থী!

অনলাইন কোর্স ও পরীক্ষায় অংশ নিতে লগইন করুন

লগইন / রেজিস্টার
ওয়েবসাইট মেন্যু

এসএসসি ২০২৬ এর রেজাল্ট সবার আগে পেতে এখনই বুকিং করো

বুক করো
MCQ: ৩৪৫১৩ টি
সকল বিষয়
বাংলা
সঠিক উত্তর বাছাই করে আপনার প্রস্তুতি যাচাই করুন
১৯৫১

বাংলা কৃৎ প্রত্যয় সাধিত শব্দ কোনটি?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
খেলনা
ব্যাখ্যা:
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>খেলনা</strong>। বিষয়টি খুব সহজ, কারণ কৃৎ প্রত্যয় মূলত ধাতুর সাথে যুক্ত হয়ে নতুন শব্দ তৈরি করে।</p>

<ul>
<li><strong>খেলনা</strong> শব্দটি বিশ্লেষণ করলে আমরা পাই: খেল্ (ধাতু) + অনা (প্রত্যয়) = খেলনা।</li>
<li>যেহেতু 'খেল্' একটি ক্রিয়াবাচক ধাতু, তাই এই প্রক্রিয়ায় গঠিত শব্দটিকে আমরা কৃৎ প্রত্যয় সাধিত শব্দ বলি।</li>
<li>সহজ কথায়, কোনো কাজের বা ক্রিয়ার মূল অংশের সাথে যখন প্রত্যয় যুক্ত হয়, তখনই তা কৃৎ প্রত্যয় হয়। এখানে 'খেলা' একটি কাজ, তাই এটিই সঠিক উত্তর।</li>
</ul>
১৯৫২

‘বিহগ’ এর সমার্থক শব্দ নয় কোনটি?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
প্রসূন
ব্যাখ্যা:
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>প্রসূন</strong>। কারণটা খুব সহজ—বাকি শব্দগুলো দিয়ে পাখির কথা বোঝানো হয়, কিন্তু প্রসূন মানে হলো ফুল।</p>

<ul>
<li><strong>বিহগ</strong>, <strong>খগ</strong>, <strong>পাখি</strong> এবং <strong>খেচর</strong>—এগুলো সবই পাখির সমার্থক শব্দ।</li>
<li>অন্যদিকে, <strong>প্রসূন</strong> শব্দটি ফুলের সমার্থক, তাই এটি এখানে বেমানান।</li>
</ul>

<p>সহজ কথায়, আকাশ দিয়ে যারা উড়ে বেড়ায় তাদের বলা হয় বিহগ বা খেচর, আর প্রসূন হলো গাছের ফুল। তাই সঠিক উত্তরটি হবে প্রসূন।</p>
১৯৫৩

‘মক্তুল হোসেন’ রচয়িতা কবি মুহম্মদ খান কোন জেলার বাসিন্দা?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
চট্টগ্রাম
ব্যাখ্যা:
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>চট্টগ্রাম</strong>। মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যের অন্যতম কবি মুহম্মদ খান চট্টগ্রামের অধিবাসী ছিলেন।</p>

<p>বিষয়টি মনে রাখার জন্য কিছু তথ্য:</p>
<ul>
<li>কবি মুহম্মদ খান সপ্তদশ শতাব্দীর একজন বিশিষ্ট কবি।</li>
<li>তিনি চট্টগ্রামের অধিবাসী ছিলেন বলেই তার কাব্যের ভাষা ও বর্ণনায় তৎকালীন চট্টগ্রামের আঞ্চলিক প্রভাব লক্ষ্য করা যায়।</li>
<li>তার বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ <strong>‘মক্তুল হোসেন’</strong> মূলত কারবালার বিয়োগান্তক কাহিনী নিয়ে রচিত, যা বাংলা সাহিত্যে ‘মসিয়া’ ধারার একটি অনন্য নিদর্শন।</li>
</ul>
১৯৫৪

বিদেশী উপসর্গযোগে গঠিত শব্দ কোনটি?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
খাসমহল
ব্যাখ্যা:
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>খাসমহল</strong>। বিষয়টি খুব সহজ, কারণ 'খাস' শব্দটি একটি ফারসি শব্দ, যা বাংলা ভাষায় বিদেশী উপসর্গ হিসেবে ব্যবহৃত হয়।</p>

<p>সহজভাবে মনে রাখার উপায়:</p>
<ul>
<li><strong>খাস</strong> একটি বিদেশী (ফারসি) উপসর্গ।</li>
<li>যখন কোনো শব্দের শুরুতে এমন বিদেশী কোনো শব্দ যুক্ত হয়ে নতুন অর্থ তৈরি করে, তখন তাকে বিদেশী উপসর্গযোগে গঠিত শব্দ বলা হয়।</li>
<li>এখানে 'খাস' + 'মহল' মিলে 'খাসমহল' শব্দটি গঠিত হয়েছে, যেখানে 'খাস' অংশটিই বিদেশী উপসর্গের ভূমিকা পালন করছে।</li>
</ul>
১৯৫৫

কোনটি খাঁটি বাংলা উপসর্গ?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
অজ
১৯৫৬

‘ঠগ পীরের পানি পড়ায় কি কোন কাম হয়? লালসালু উপন্যাসে এ উক্তিটি কার?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
আক্কাসের
ব্যাখ্যা:
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>আক্কাসের</strong>। সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহর ‘লালসালু’ উপন্যাসে আক্কাস চরিত্রটি বেশ যৌক্তিক ও প্রগতিশীল। সে গ্রামের মানুষের কুসংস্কার ও অন্ধবিশ্বাসের বিরুদ্ধে কথা বলে।</p>

<p>বিষয়টি খুব সহজভাবে মনে রাখার উপায়:</p>
<ul>
<li>উপন্যাসে আক্কাস গ্রামবাসীর কুসংস্কার ভাঙার চেষ্টা করে।</li>
<li>মজিদের ভণ্ডামি এবং তথাকথিত ‘পীরি’ বা ‘পানি পড়া’র মতো অলৌকিক ক্ষমতার ওপর তার কোনো আস্থা নেই।</li>
<li>সে সরাসরি প্রশ্ন তোলে যে, এসব পানি পড়ায় আদৌ কোনো কাজ হয় কি না।</li>
</ul>

<p>মূলত, আক্কাসের এই সাহসী উক্তিটি উপন্যাসে মজিদের আধিপত্য ও গ্রামের মানুষের অন্ধবিশ্বাসের বিপরীতে তার যুক্তিবাদী মানসিকতার পরিচয় দেয়।</p>
১৯৫৭

'মহৎ' এর বিপরীতআর্থক শব্দ কোনটি ?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
নীচ
ব্যাখ্যা:
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>নীচ</strong>। বিষয়টি খুব সহজ, কারণ বিপরীত শব্দ নির্বাচনের ক্ষেত্রে শব্দের অর্থের গভীরতা ও ব্যাকরণগত সামঞ্জস্য বজায় রাখা জরুরি।</p>

<ul>
<li>'মহৎ' শব্দটি দিয়ে সাধারণত মহান বা উচ্চ গুণসম্পন্ন কোনো ব্যক্তিকে বোঝানো হয়।</li>
<li>এর বিপরীত হিসেবে 'নীচ' শব্দটি সবচেয়ে উপযুক্ত, কারণ এটি চারিত্রিক বা গুণগত নিচতাকে নির্দেশ করে।</li>
<li>অন্যান্য অপশনগুলো (যেমন: নিচে বা নিচু) মূলত অবস্থানের দিক থেকে নিচের দিকে বোঝাতে ব্যবহৃত হয়, যা গুণের বিপরীতার্থক হিসেবে সঠিক নয়।</li>
</ul>
১৯৫৮

‘অঘারাম’-এর ‘অঘা’ কিঅর্থ প্রকাশ করে?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
অপদার্থ
ব্যাখ্যা:
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>অপদার্থ</strong>। বাংলা ভাষায় ‘অঘা’ উপসর্গটি সাধারণত কোনো কিছুর অভাব বা অযোগ্যতা বোঝাতে ব্যবহৃত হয়।</p>

<p>সহজভাবে মনে রাখার উপায়:</p>
<ul>
<li>‘অঘা’ শব্দটি যখন কোনো শব্দের শুরুতে বসে, তখন তা নেতিবাচক বা অযোগ্য অর্থ প্রকাশ করে।</li>
<li>‘অঘারাম’ বলতে এমন একজনকে বোঝায় যে কোনো কাজের যোগ্য নয় বা অলস প্রকৃতির।</li>
<li>তাই ব্যাকরণগতভাবে ‘অঘা’ এখানে <strong>অপদার্থ</strong> বা অযোগ্যতার প্রতীক হিসেবে কাজ করছে।</li>
</ul>
১৯৫৯

কোন অংশকে পত্রের গর্ভাংশ বলা হয়?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
মূল বিষয় অংশকে
ব্যাখ্যা:
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>মূল বিষয় অংশকে</strong>। কারণ, একটি চিঠির প্রাণ বা মূল বার্তা যেখানে লেখা হয়, তাকেই পত্রের গর্ভাংশ বা মূল অংশ বলা হয়।</p>

<ul>
<li>চিঠির শুরুতে সম্বোধন থাকে এবং শেষে বিদায়সূচক সম্ভাষণ থাকে।</li>
<li>এর মাঝখানের যে অংশে প্রেরক তার মনের ভাব, তথ্য বা মূল বক্তব্য বিস্তারিতভাবে তুলে ধরেন, সেটিই হলো <strong>গর্ভাংশ</strong>।</li>
<li>সহজ কথায়, চিঠির যে অংশে মূল বিষয়টি আলোচনা করা হয়, সেটিই গর্ভাংশ হিসেবে পরিচিত।</li>
</ul>
১৯৬০

'যুগস্রষ্টা নজরুল' গ্রন্থটি কার লেখা?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
খান মুহাম্মদ মঈন উদ্দীন
ব্যাখ্যা:
<p>'যুগস্রষ্টা নজরুল' গ্রন্থটির রচয়িতা হলেন <strong>খান মুহাম্মদ মঈন উদ্দীন</strong>।</p>

<p>বিষয়টি মনে রাখার জন্য একটি সহজ কৌশল অবলম্বন করতে পারেন:</p>

<ul>
<li>খান মুহাম্মদ মঈন উদ্দীন মূলত নজরুল বিষয়ক গবেষণাধর্মী কাজের জন্য বেশ পরিচিত।</li>
<li>সাহিত্যিকদের জীবনী বা তাদের কর্ম নিয়ে যারা কাজ করেন, তাদের মধ্যে মঈন উদ্দীন সাহেব একজন অন্যতম ব্যক্তিত্ব।</li>
<li>পরীক্ষায় প্রায়ই এই প্রশ্নটি আসে, তাই লেখকের নামের সাথে বইটির নাম একবার মিলিয়ে পড়লে সহজেই মনে থাকবে।</li>
</ul>
১৯৬১

বাক্য সংকোচনঃ হাতির বাসস্থান

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
গজগৃহ
ব্যাখ্যা:
<p>বাক্য সংকোচনের নিয়ম অনুযায়ী, হাতির বাসস্থানকে এক কথায় বলা হয় <strong>গজগৃহ</strong>।</p>

<p>বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ:</p>
<ul>
<li>সংস্কৃত ভাষায় হাতিকে বলা হয় 'গজ'।</li>
<li>আর কোনো প্রাণীর থাকার জায়গাকে আমরা সাধারণত 'গৃহ' বা আবাস বলি।</li>
<li>তাই 'গজ' এবং 'গৃহ' মিলে তৈরি হয়েছে <strong>গজগৃহ</strong>।</li>
</ul>

<p>সহজ কথায়, হাতির জন্য নির্দিষ্ট আবাসস্থল বোঝাতে এই শব্দটিই সবচেয়ে উপযুক্ত এবং শুদ্ধ।</p>
১৯৬২

'ভোজন করার ইচ্ছা' এক কথায় কি হবে?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
বুভুক্ষা
ব্যাখ্যা:
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>বুভুক্ষা</strong>। বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ:</p>

<ul>
<li>বাংলা ব্যাকরণে কোনো কিছু করার ইচ্ছাকে এক কথায় প্রকাশ করার সময় নির্দিষ্ট কিছু শব্দ ব্যবহৃত হয়।</li>
<li>'ভোজন' বা খাওয়ার প্রবল ইচ্ছাকেই এক কথায় বলা হয় <strong>বুভুক্ষা</strong>।</li>
<li>সহজ কথায়, ক্ষুধার্ত অবস্থায় খাওয়ার যে তীব্র আকাঙ্ক্ষা তৈরি হয়, সেটিই হলো বুভুক্ষা।</li>
</ul>

<p>তাই যখনই 'ভোজন করার ইচ্ছা' বোঝাবে, চোখ বন্ধ করে <strong>বুভুক্ষা</strong> শব্দটি বেছে নেবেন। এটি মনে রাখার জন্য 'ক্ষুধা' ও 'বুভুক্ষা' শব্দ দুটিকে একসাথে মিলিয়ে মনে রাখতে পারেন।</p>
১৯৬৩

নিচের কোনটি সমার্থক শব্দযোগে দ্বন্দ্ব সমাস?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
খাতা-পত্র
ব্যাখ্যা:
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>খাতা-পত্র</strong>। দ্বন্দ্ব সমাসে যখন দুটি পদের অর্থ প্রায় একই বা কাছাকাছি হয়, তখন তাকে সমার্থক শব্দযোগে দ্বন্দ্ব সমাস বলা হয়।</p>

<ul>
<li>এখানে 'খাতা' এবং 'পত্র' শব্দ দুটি মূলত একই জাতীয় বস্তুকে বোঝায়, যা লেখার কাজে ব্যবহৃত হয়।</li>
<li>ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী, যখন দুটি সমার্থক শব্দ মিলে একটি জোড়া তৈরি করে এবং তাদের মধ্যে 'ও' বা 'এবং' অব্যয়ের লোপ পায়, তখন সেটি সমার্থক দ্বন্দ্ব সমাস হিসেবে গণ্য হয়।</li>
<li>সহজ কথায়, একই ধরনের অর্থ প্রকাশ করে এমন দুটি শব্দ পাশাপাশি বসে যখন একটি নতুন অর্থবহ শব্দ তৈরি করে, তখনই তাকে আমরা সমার্থক দ্বন্দ্ব সমাস বলি।</li>
</ul>
১৯৬৪

প্র, পরা - কোন ধরনের উপসর্গ?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
সংস্কৃত উপসর্গ
ব্যাখ্যা:
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>সংস্কৃত উপসর্গ</strong>। বাংলা ভাষায় মোট ২০টি সংস্কৃত উপসর্গ রয়েছে, যার মধ্যে 'প্র' এবং 'পরা' অন্যতম।</p>

<p>সহজে মনে রাখার জন্য এই ছোট কৌশলটি খেয়াল করুন:</p>
<ul>
<li>সংস্কৃত উপসর্গগুলো মূলত তৎসম শব্দের সাথে যুক্ত হয়।</li>
<li>'প্র', 'পরা', 'অপ', 'সম', 'নি', 'অনু', 'অব', 'নির', 'দুর', 'বি', 'অধি', 'সু', 'উৎ', 'পরি', 'প্রতি', 'অতি', 'অপি', 'অভি', 'উপ', 'আ' — এই ২০টি উপসর্গ মুখস্থ রাখলে যেকোনো পরীক্ষায় খুব দ্রুত উত্তর দেওয়া সম্ভব।</li>
<li>যেহেতু 'প্র' এবং 'পরা' এই তালিকার অন্তর্ভুক্ত, তাই এগুলো নিঃসন্দেহে সংস্কৃত উপসর্গ।</li>
</ul>
১৯৬৫

‘নিখুঁত’ শব্দের নি উপসর্গ কোন প্রকারের -

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
খাঁটি বাংলা
ব্যাখ্যা:
<p>‘নিখুঁত’ শব্দটিতে ব্যবহৃত ‘নি’ উপসর্গটি হলো <strong>খাঁটি বাংলা</strong> উপসর্গ। বাংলা ভাষায় ব্যবহৃত উপসর্গগুলোকে মূলত তিন ভাগে ভাগ করা হয়—তৎসম, খাঁটি বাংলা ও বিদেশী।</p>

<ul>
<li>‘নিখুঁত’ শব্দটি গঠিত হয়েছে ‘নি’ (উপসর্গ) + ‘খুঁত’ (মূল শব্দ) যোগে।</li>
<li>এখানে ‘নি’ উপসর্গটি অভাব বা বিশেষ অর্থে খাঁটি বাংলা শব্দ তৈরিতে ব্যবহৃত হয়েছে।</li>
<li>বাংলা ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী, যেসব উপসর্গ বাংলা শব্দের সাথে যুক্ত হয়ে নতুন শব্দ গঠন করে, তাদের খাঁটি বাংলা উপসর্গ বলা হয়।</li>
</ul>

<p>সহজ কথায়, ‘নি’ উপসর্গটি যখন কোনো খাঁটি বাংলা শব্দের আগে বসে তার অর্থ পরিবর্তন করে, তখন সেটি খাঁটি বাংলা উপসর্গের মর্যাদা পায়। তাই এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>খাঁটি বাংলা</strong>।</p>
Support
Curiosity AI Assistant
24/7 লাইভ
eProstuti ডেটাবেস ও অটোমেশন ইঞ্জিন
এআই চ্যাট WhatsApp Messenger Instagram
👋 আসসালামু আলাইকুম শিক্ষার্থী !

আমি eProstuti Curiosity AI। আমাদের সকল লাইভ কোর্স, মডেল টেস্ট, ই-বুক, নোটিশ এবং পেমেন্ট সংক্রান্ত তথ্য নিমেষেই জানতে পারবেন।

দ্রুত উত্তরের জন্য নিচের টপিক চাপুন অথবা নিচে লিখুন:

উত্তরের তথ্য বিশ্লেষণ করা হচ্ছে...
eProstuti AI সহকারী
সার্বক্ষণিক সহায়তায় প্রস্তুত
লগইন আবশ্যক

ব্যক্তিগত সহায়তা এবং আপনার কোর্স, পরীক্ষা ও পেমেন্ট হিস্ট্রি দেখতে অ্যাকাউন্টে লগইন করুন।

* চ্যাটবট সরাসরি অ্যাকাউন্ট তৈরি বা লগইন করতে পারে না।