<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>খেলনা</strong>। বিষয়টি খুব সহজ, কারণ কৃৎ প্রত্যয় মূলত ধাতুর সাথে যুক্ত হয়ে নতুন শব্দ তৈরি করে।</p>
<ul>
<li><strong>খেলনা</strong> শব্দটি বিশ্লেষণ করলে আমরা পাই: খেল্ (ধাতু) + অনা (প্রত্যয়) = খেলনা।</li>
<li>যেহেতু 'খেল্' একটি ক্রিয়াবাচক ধাতু, তাই এই প্রক্রিয়ায় গঠিত শব্দটিকে আমরা কৃৎ প্রত্যয় সাধিত শব্দ বলি।</li>
<li>সহজ কথায়, কোনো কাজের বা ক্রিয়ার মূল অংশের সাথে যখন প্রত্যয় যুক্ত হয়, তখনই তা কৃৎ প্রত্যয় হয়। এখানে 'খেলা' একটি কাজ, তাই এটিই সঠিক উত্তর।</li>
</ul>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>প্রসূন</strong>। কারণটা খুব সহজ—বাকি শব্দগুলো দিয়ে পাখির কথা বোঝানো হয়, কিন্তু প্রসূন মানে হলো ফুল।</p>
<ul>
<li><strong>বিহগ</strong>, <strong>খগ</strong>, <strong>পাখি</strong> এবং <strong>খেচর</strong>—এগুলো সবই পাখির সমার্থক শব্দ।</li>
<li>অন্যদিকে, <strong>প্রসূন</strong> শব্দটি ফুলের সমার্থক, তাই এটি এখানে বেমানান।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, আকাশ দিয়ে যারা উড়ে বেড়ায় তাদের বলা হয় বিহগ বা খেচর, আর প্রসূন হলো গাছের ফুল। তাই সঠিক উত্তরটি হবে প্রসূন।</p>
১৯৫৩
‘মক্তুল হোসেন’ রচয়িতা কবি মুহম্মদ খান কোন জেলার বাসিন্দা?
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>চট্টগ্রাম</strong>। মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যের অন্যতম কবি মুহম্মদ খান চট্টগ্রামের অধিবাসী ছিলেন।</p>
<p>বিষয়টি মনে রাখার জন্য কিছু তথ্য:</p>
<ul>
<li>কবি মুহম্মদ খান সপ্তদশ শতাব্দীর একজন বিশিষ্ট কবি।</li>
<li>তিনি চট্টগ্রামের অধিবাসী ছিলেন বলেই তার কাব্যের ভাষা ও বর্ণনায় তৎকালীন চট্টগ্রামের আঞ্চলিক প্রভাব লক্ষ্য করা যায়।</li>
<li>তার বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ <strong>‘মক্তুল হোসেন’</strong> মূলত কারবালার বিয়োগান্তক কাহিনী নিয়ে রচিত, যা বাংলা সাহিত্যে ‘মসিয়া’ ধারার একটি অনন্য নিদর্শন।</li>
</ul>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>খাসমহল</strong>। বিষয়টি খুব সহজ, কারণ 'খাস' শব্দটি একটি ফারসি শব্দ, যা বাংলা ভাষায় বিদেশী উপসর্গ হিসেবে ব্যবহৃত হয়।</p>
<p>সহজভাবে মনে রাখার উপায়:</p>
<ul>
<li><strong>খাস</strong> একটি বিদেশী (ফারসি) উপসর্গ।</li>
<li>যখন কোনো শব্দের শুরুতে এমন বিদেশী কোনো শব্দ যুক্ত হয়ে নতুন অর্থ তৈরি করে, তখন তাকে বিদেশী উপসর্গযোগে গঠিত শব্দ বলা হয়।</li>
<li>এখানে 'খাস' + 'মহল' মিলে 'খাসমহল' শব্দটি গঠিত হয়েছে, যেখানে 'খাস' অংশটিই বিদেশী উপসর্গের ভূমিকা পালন করছে।</li>
</ul>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>আক্কাসের</strong>। সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহর ‘লালসালু’ উপন্যাসে আক্কাস চরিত্রটি বেশ যৌক্তিক ও প্রগতিশীল। সে গ্রামের মানুষের কুসংস্কার ও অন্ধবিশ্বাসের বিরুদ্ধে কথা বলে।</p>
<p>বিষয়টি খুব সহজভাবে মনে রাখার উপায়:</p>
<ul>
<li>উপন্যাসে আক্কাস গ্রামবাসীর কুসংস্কার ভাঙার চেষ্টা করে।</li>
<li>মজিদের ভণ্ডামি এবং তথাকথিত ‘পীরি’ বা ‘পানি পড়া’র মতো অলৌকিক ক্ষমতার ওপর তার কোনো আস্থা নেই।</li>
<li>সে সরাসরি প্রশ্ন তোলে যে, এসব পানি পড়ায় আদৌ কোনো কাজ হয় কি না।</li>
</ul>
<p>মূলত, আক্কাসের এই সাহসী উক্তিটি উপন্যাসে মজিদের আধিপত্য ও গ্রামের মানুষের অন্ধবিশ্বাসের বিপরীতে তার যুক্তিবাদী মানসিকতার পরিচয় দেয়।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>নীচ</strong>। বিষয়টি খুব সহজ, কারণ বিপরীত শব্দ নির্বাচনের ক্ষেত্রে শব্দের অর্থের গভীরতা ও ব্যাকরণগত সামঞ্জস্য বজায় রাখা জরুরি।</p>
<ul>
<li>'মহৎ' শব্দটি দিয়ে সাধারণত মহান বা উচ্চ গুণসম্পন্ন কোনো ব্যক্তিকে বোঝানো হয়।</li>
<li>এর বিপরীত হিসেবে 'নীচ' শব্দটি সবচেয়ে উপযুক্ত, কারণ এটি চারিত্রিক বা গুণগত নিচতাকে নির্দেশ করে।</li>
<li>অন্যান্য অপশনগুলো (যেমন: নিচে বা নিচু) মূলত অবস্থানের দিক থেকে নিচের দিকে বোঝাতে ব্যবহৃত হয়, যা গুণের বিপরীতার্থক হিসেবে সঠিক নয়।</li>
</ul>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>অপদার্থ</strong>। বাংলা ভাষায় ‘অঘা’ উপসর্গটি সাধারণত কোনো কিছুর অভাব বা অযোগ্যতা বোঝাতে ব্যবহৃত হয়।</p>
<p>সহজভাবে মনে রাখার উপায়:</p>
<ul>
<li>‘অঘা’ শব্দটি যখন কোনো শব্দের শুরুতে বসে, তখন তা নেতিবাচক বা অযোগ্য অর্থ প্রকাশ করে।</li>
<li>‘অঘারাম’ বলতে এমন একজনকে বোঝায় যে কোনো কাজের যোগ্য নয় বা অলস প্রকৃতির।</li>
<li>তাই ব্যাকরণগতভাবে ‘অঘা’ এখানে <strong>অপদার্থ</strong> বা অযোগ্যতার প্রতীক হিসেবে কাজ করছে।</li>
</ul>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>মূল বিষয় অংশকে</strong>। কারণ, একটি চিঠির প্রাণ বা মূল বার্তা যেখানে লেখা হয়, তাকেই পত্রের গর্ভাংশ বা মূল অংশ বলা হয়।</p>
<ul>
<li>চিঠির শুরুতে সম্বোধন থাকে এবং শেষে বিদায়সূচক সম্ভাষণ থাকে।</li>
<li>এর মাঝখানের যে অংশে প্রেরক তার মনের ভাব, তথ্য বা মূল বক্তব্য বিস্তারিতভাবে তুলে ধরেন, সেটিই হলো <strong>গর্ভাংশ</strong>।</li>
<li>সহজ কথায়, চিঠির যে অংশে মূল বিষয়টি আলোচনা করা হয়, সেটিই গর্ভাংশ হিসেবে পরিচিত।</li>
</ul>
<p>'যুগস্রষ্টা নজরুল' গ্রন্থটির রচয়িতা হলেন <strong>খান মুহাম্মদ মঈন উদ্দীন</strong>।</p>
<p>বিষয়টি মনে রাখার জন্য একটি সহজ কৌশল অবলম্বন করতে পারেন:</p>
<ul>
<li>খান মুহাম্মদ মঈন উদ্দীন মূলত নজরুল বিষয়ক গবেষণাধর্মী কাজের জন্য বেশ পরিচিত।</li>
<li>সাহিত্যিকদের জীবনী বা তাদের কর্ম নিয়ে যারা কাজ করেন, তাদের মধ্যে মঈন উদ্দীন সাহেব একজন অন্যতম ব্যক্তিত্ব।</li>
<li>পরীক্ষায় প্রায়ই এই প্রশ্নটি আসে, তাই লেখকের নামের সাথে বইটির নাম একবার মিলিয়ে পড়লে সহজেই মনে থাকবে।</li>
</ul>
<p>বাক্য সংকোচনের নিয়ম অনুযায়ী, হাতির বাসস্থানকে এক কথায় বলা হয় <strong>গজগৃহ</strong>।</p>
<p>বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ:</p>
<ul>
<li>সংস্কৃত ভাষায় হাতিকে বলা হয় 'গজ'।</li>
<li>আর কোনো প্রাণীর থাকার জায়গাকে আমরা সাধারণত 'গৃহ' বা আবাস বলি।</li>
<li>তাই 'গজ' এবং 'গৃহ' মিলে তৈরি হয়েছে <strong>গজগৃহ</strong>।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, হাতির জন্য নির্দিষ্ট আবাসস্থল বোঝাতে এই শব্দটিই সবচেয়ে উপযুক্ত এবং শুদ্ধ।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>বুভুক্ষা</strong>। বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ:</p>
<ul>
<li>বাংলা ব্যাকরণে কোনো কিছু করার ইচ্ছাকে এক কথায় প্রকাশ করার সময় নির্দিষ্ট কিছু শব্দ ব্যবহৃত হয়।</li>
<li>'ভোজন' বা খাওয়ার প্রবল ইচ্ছাকেই এক কথায় বলা হয় <strong>বুভুক্ষা</strong>।</li>
<li>সহজ কথায়, ক্ষুধার্ত অবস্থায় খাওয়ার যে তীব্র আকাঙ্ক্ষা তৈরি হয়, সেটিই হলো বুভুক্ষা।</li>
</ul>
<p>তাই যখনই 'ভোজন করার ইচ্ছা' বোঝাবে, চোখ বন্ধ করে <strong>বুভুক্ষা</strong> শব্দটি বেছে নেবেন। এটি মনে রাখার জন্য 'ক্ষুধা' ও 'বুভুক্ষা' শব্দ দুটিকে একসাথে মিলিয়ে মনে রাখতে পারেন।</p>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>খাতা-পত্র</strong>। দ্বন্দ্ব সমাসে যখন দুটি পদের অর্থ প্রায় একই বা কাছাকাছি হয়, তখন তাকে সমার্থক শব্দযোগে দ্বন্দ্ব সমাস বলা হয়।</p>
<ul>
<li>এখানে 'খাতা' এবং 'পত্র' শব্দ দুটি মূলত একই জাতীয় বস্তুকে বোঝায়, যা লেখার কাজে ব্যবহৃত হয়।</li>
<li>ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী, যখন দুটি সমার্থক শব্দ মিলে একটি জোড়া তৈরি করে এবং তাদের মধ্যে 'ও' বা 'এবং' অব্যয়ের লোপ পায়, তখন সেটি সমার্থক দ্বন্দ্ব সমাস হিসেবে গণ্য হয়।</li>
<li>সহজ কথায়, একই ধরনের অর্থ প্রকাশ করে এমন দুটি শব্দ পাশাপাশি বসে যখন একটি নতুন অর্থবহ শব্দ তৈরি করে, তখনই তাকে আমরা সমার্থক দ্বন্দ্ব সমাস বলি।</li>
</ul>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>সংস্কৃত উপসর্গ</strong>। বাংলা ভাষায় মোট ২০টি সংস্কৃত উপসর্গ রয়েছে, যার মধ্যে 'প্র' এবং 'পরা' অন্যতম।</p>
<p>সহজে মনে রাখার জন্য এই ছোট কৌশলটি খেয়াল করুন:</p>
<ul>
<li>সংস্কৃত উপসর্গগুলো মূলত তৎসম শব্দের সাথে যুক্ত হয়।</li>
<li>'প্র', 'পরা', 'অপ', 'সম', 'নি', 'অনু', 'অব', 'নির', 'দুর', 'বি', 'অধি', 'সু', 'উৎ', 'পরি', 'প্রতি', 'অতি', 'অপি', 'অভি', 'উপ', 'আ' — এই ২০টি উপসর্গ মুখস্থ রাখলে যেকোনো পরীক্ষায় খুব দ্রুত উত্তর দেওয়া সম্ভব।</li>
<li>যেহেতু 'প্র' এবং 'পরা' এই তালিকার অন্তর্ভুক্ত, তাই এগুলো নিঃসন্দেহে সংস্কৃত উপসর্গ।</li>
</ul>
<p>‘নিখুঁত’ শব্দটিতে ব্যবহৃত ‘নি’ উপসর্গটি হলো <strong>খাঁটি বাংলা</strong> উপসর্গ। বাংলা ভাষায় ব্যবহৃত উপসর্গগুলোকে মূলত তিন ভাগে ভাগ করা হয়—তৎসম, খাঁটি বাংলা ও বিদেশী।</p>
<ul>
<li>‘নিখুঁত’ শব্দটি গঠিত হয়েছে ‘নি’ (উপসর্গ) + ‘খুঁত’ (মূল শব্দ) যোগে।</li>
<li>এখানে ‘নি’ উপসর্গটি অভাব বা বিশেষ অর্থে খাঁটি বাংলা শব্দ তৈরিতে ব্যবহৃত হয়েছে।</li>
<li>বাংলা ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী, যেসব উপসর্গ বাংলা শব্দের সাথে যুক্ত হয়ে নতুন শব্দ গঠন করে, তাদের খাঁটি বাংলা উপসর্গ বলা হয়।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, ‘নি’ উপসর্গটি যখন কোনো খাঁটি বাংলা শব্দের আগে বসে তার অর্থ পরিবর্তন করে, তখন সেটি খাঁটি বাংলা উপসর্গের মর্যাদা পায়। তাই এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>খাঁটি বাংলা</strong>।</p>
MCQ পরীক্ষা সেটিংস
বাংলা
eProstuti
সহজ ও দ্রুত ক্লাস করতে অ্যাপটি ইনস্টল করুন
iPhone / iPad এ ইনস্টল করুন
eProstuti
১Safari ব্রাউজারের নিচে থাকা Share ( ) বাটনে চাপ দিন।
২নিচের দিকে স্ক্রোল করে 'Add to Home Screen' ( ) নির্বাচন করুন।
৩উপরে ডানে থাকা 'Add' বাটনে ট্যাপ করুন।
Android এ অ্যাপ ইনস্টল করুন
eProstuti
১Chrome ব্রাউজারের উপরে ডানে থাকা থ্রি-ডট ( ) মেনু চাপুন।
২তালিকায় 'Install app' বা 'Add to Home screen' ( ) এ ট্যাপ করুন।
ডাউনলোড সম্পন্ন হলে ফাইলটি ওপেন করে Install চাপুন।
যদি "Install unknown apps" বা "Unknown sources" অনুমতি চায়, তাহলে সেটি Allow করে আবার ইনস্টল করুন।
ইনস্টল শেষ হলে অ্যাপটি খুলে আপনার অ্যাকাউন্টে লগইন করুন।
অ্যাপের সুবিধা:
সকল লাইভ ক্লাস
রেকর্ডেড ক্লাস
অনলাইন পরীক্ষা
ই-বুক ও নোটিশ
সবকিছু এক জায়গা থেকেই সহজে ব্যবহার করুন!
ব্রাউজারে খুলুন
⚠️ মনে হচ্ছে আপনি এই ওয়েবসাইটটি ফেসবুক বা অন্য কোনো অ্যাপের ভেতরের ব্রাউজার থেকে খুলেছেন।
ভালোভাবে কাজ করার জন্য দয়া করে এটি আপনার মূল ব্রাউজারে (যেমন Chrome) খুলুন।
👉 উপরে থাকা ⋮ বা ••• বাটনে চাপ দিন → তারপর “Open in Browser” সিলেক্ট করুন।