<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>বিপিন</strong>। অরণ্য শব্দের অর্থ হলো বন বা জঙ্গল। বাংলা সাহিত্যে এবং অভিধানে অরণ্যের সমার্থক শব্দ হিসেবে বিপিন, কানন, অটবী বা বন শব্দগুলো ব্যবহার করা হয়।</p>
<p>সহজে মনে রাখার জন্য কিছু জনপ্রিয় প্রতিশব্দ নিচে দেওয়া হলো:</p>
<ul>
<li><strong>বিপিন</strong></li>
<li>কানন</li>
<li>অটবী</li>
<li>বন</li>
<li>গহন</li>
</ul>
<p>তাই পরীক্ষার খাতায় অরণ্য বা জঙ্গল জাতীয় শব্দ দেখলে চোখ বন্ধ করে <strong>বিপিন</strong>-কে বেছে নিতে পারেন।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>চাঁদ</strong>। তদ্ভব শব্দ চেনার সবচেয়ে সহজ উপায় হলো এর গঠন প্রক্রিয়াটি বোঝা।</p>
<ul>
<li>তদ্ভব শব্দগুলো সংস্কৃত থেকে প্রাকৃতের মাধ্যমে পরিবর্তিত হয়ে বাংলায় এসেছে।</li>
<li>সংস্কৃত শব্দ <strong>চন্দ্র</strong> থেকে প্রাকৃত রূপ <strong>চন্দ</strong> হয়ে বিবর্তনের মাধ্যমে বাংলায় এসেছে <strong>চাঁদ</strong>।</li>
<li>সহজ কথায়, যে শব্দগুলো সময়ের সাথে সাথে রূপ বদলে সহজ ও শ্রুতিমধুর হয়ে গেছে, সেগুলোই তদ্ভব।</li>
</ul>
<p>তাই, <strong>চাঁদ</strong> শব্দটি সংস্কৃত শব্দের বিবর্তিত রূপ হওয়ায় এটি একটি খাঁটি তদ্ভব শব্দ।</p>
<p>‘বিজ্ঞান’ শব্দটিতে থাকা যুক্তবর্ণটি হলো <strong>জ্ঞ</strong>। এটি মূলত দুটি বর্ণের সমন্বয়ে গঠিত। সহজভাবে মনে রাখার কৌশলটি নিচে দেওয়া হলো:</p>
<ul>
<li>‘বিজ্ঞান’ শব্দটি উচ্চারণ করলে আমরা পাই ‘বি-জ্-ঞ-আন’।</li>
<li>এখানে <strong>জ্ঞ</strong> বর্ণটি তৈরি হয়েছে <strong>জ</strong> এবং <strong>ঞ</strong>-এর মিলনে।</li>
<li>অর্থাৎ, গাণিতিক রূপটি হলো: <strong>জ + ঞ = জ্ঞ</strong>।</li>
</ul>
<p>তাই সঠিক উত্তর হলো <strong>জ + ঞ</strong>। এই যুক্তবর্ণটি মনে রাখলে আপনি খুব সহজেই যেকোনো শব্দের ক্ষেত্রে এটি প্রয়োগ করতে পারবেন।</p>
<p>‘গবেষণা’ শব্দের সঠিক সন্ধি-বিচ্ছেদ হলো <strong>গো + এষণা</strong>। এটি মূলত সন্ধির একটি বিশেষ নিয়ম মেনে চলে। বিষয়টি সহজভাবে বোঝার জন্য নিচের ধাপগুলো দেখুন:</p>
<ul>
<li>সন্ধির নিয়ম অনুযায়ী, 'ও' কারের পর যদি অন্য কোনো স্বরবর্ণ থাকে, তবে 'ও' কারের স্থলে 'অব' হয়।</li>
<li>এখানে <strong>গো</strong> শব্দের শেষে 'ও' কার আছে এবং তার সাথে <strong>এষণা</strong> যুক্ত হয়েছে।</li>
<li>নিয়ম অনুযায়ী: $ও + এ = অব + এ = বেষ$।</li>
<li>তাই, <strong>গো + এষণা</strong> মিলে তৈরি হয় <strong>গবেষণা</strong>।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, সন্ধির এই বিশেষ সূত্রটি মনে রাখলেই আপনি যেকোনো সময় এমন শব্দগুলো সহজেই ভেঙে ফেলতে পারবেন।</p>
১৯৪১
‘বিজ্ঞান’ শব্দের ‘জ্ঞ’ কোন বর্ণদ্বয়ের সমন্বয়ে গঠিত?
<p>‘বিজ্ঞান’ শব্দে ব্যবহৃত ‘জ্ঞ’ যুক্তবর্ণটি মূলত দুটি বর্ণের সমন্বয়ে গঠিত। এটি মনে রাখা খুব সহজ:</p>
<ul>
<li>প্রথম বর্ণটি হলো <strong>জ</strong>।</li>
<li>দ্বিতীয় বর্ণটি হলো <strong>ঞ</strong>।</li>
</ul>
<p>অর্থাৎ, <strong>জ + ঞ = জ্ঞ</strong>। উচ্চারণের সময় আমরা অনেক সময় একে ‘গ্য’ বা ‘জ্ঞ’ হিসেবে উচ্চারণ করলেও, ব্যাকরণ অনুযায়ী এটি এই দুটি বর্ণের যোগফল। তাই সঠিক উত্তর হলো <strong>জ + ঞ</strong>।</p>
<p>বাংলা ভাষার উদ্ভব নিয়ে ভাষাবিদদের মধ্যে মতভেদ থাকলেও, অধিকাংশ বিশেষজ্ঞের মতে বাংলা ভাষার জন্মকাল হলো <strong>খ্রিস্টীয় দশম শতকের কাছাকাছি সময়</strong>। এর পেছনের সহজ যুক্তিগুলো হলো:</p>
<ul>
<li>বাংলা ভাষার আদি নিদর্শন হিসেবে পরিচিত <strong>চর্যাপদ</strong>-এর রচনাকাল ধরা হয় খ্রিস্টীয় ৯৫০ থেকে ১২০০ অব্দের মধ্যে।</li>
<li>প্রাকৃত ও অপভ্রংশ ভাষার বিবর্তনের ধারায় দশম শতকের দিকেই বাংলা তার নিজস্ব রূপ ও বৈশিষ্ট্য স্পষ্ট করতে শুরু করে।</li>
<li>ভাষাতাত্ত্বিক বিশ্লেষণে দেখা যায়, এই সময়েই মাগধী প্রাকৃত থেকে বাংলা ভাষার স্বতন্ত্র অস্তিত্ব গড়ে ওঠে।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, চর্যাপদের ভাষার গঠন বিশ্লেষণ করলেই বোঝা যায় যে, দশম শতকের দিকেই বাংলা ভাষা একটি পূর্ণাঙ্গ রূপ পাওয়ার পথে এগিয়ে গিয়েছিল।</p>
<p>বাংলা ভাষার উদ্ভব নিয়ে ভাষাবিদদের মধ্যে মতভেদ থাকলেও, অধিকাংশ বিশেষজ্ঞের মতে বাংলা ভাষার জন্মকাল হলো <strong>সপ্তম খ্রিস্টাব্দ</strong>। এই সময়টি মূলত প্রাচীন ভারতীয় আর্য ভাষার শেষ ধাপ 'অপভ্রংশ' থেকে বাংলা ভাষার রূপান্তরের সূচনালগ্ন হিসেবে বিবেচিত হয়।</p>
<p>বিষয়টি মনে রাখার সহজ উপায় হলো:</p>
<ul>
<li>বাংলা ভাষার আদি নিদর্শন <strong>চর্যাপদ</strong> রচনার অনেক আগে থেকেই এর মৌখিক রূপ গড়ে উঠেছিল।</li>
<li>ভাষাতাত্ত্বিক বিবর্তনের ধারা অনুযায়ী, খ্রিস্টীয় সপ্তম শতকের দিকেই প্রাকৃত ও অপভ্রংশ ভাষার রূপ পরিবর্তিত হয়ে বাংলা ভাষার স্বতন্ত্র বৈশিষ্ট্যগুলো স্পষ্ট হতে শুরু করে।</li>
<li>তাই ঐতিহাসিক ও ভাষাতাত্ত্বিক বিচারে <strong>সপ্তম খ্রিস্টাব্দ</strong>-কেই বাংলা ভাষার উৎপত্তিকাল হিসেবে ধরা হয়।</li>
</ul>
<p>প্রাকৃত ভাষার সঠিক সময়কাল হলো <strong>খ্রি.পূ. ৬০০ থেকে ৬০০ খ্রিস্টাব্দ</strong> পর্যন্ত। বিষয়টি মনে রাখার জন্য নিচের ধাপগুলো খেয়াল করো:</p>
<ul>
<li>বৈদিক ও সংস্কৃত ভাষার পরবর্তী ধাপ হিসেবে প্রাকৃত ভাষার উদ্ভব ঘটে।</li>
<li>এই সময়কালটি মূলত প্রাচীন ভারতীয় আর্য ভাষার মধ্যবর্তী পর্যায় হিসেবে পরিচিত।</li>
<li>ইতিহাসের পাতায় এই দীর্ঘ ১২০০ বছরের সময়সীমা (খ্রি.পূ. $600$ থেকে $600$ খ্রিস্টাব্দ) প্রাকৃত ভাষার বিকাশের যুগ হিসেবে স্বীকৃত।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, বৌদ্ধ ও জৈন ধর্মের ধর্মগ্রন্থগুলো এই সময়েই প্রাকৃত ভাষায় রচিত হয়েছিল, যা এই সময়কালকে চিহ্নিত করার সবচেয়ে বড় প্রমাণ।</p>
<p>‘বন্ধন’ শব্দটির অর্থ হলো কোনো কিছু আটকে রাখা বা সীমাবদ্ধ করে ফেলা। এর বিপরীত শব্দ হিসেবে ‘মুক্তি’ সবচেয়ে উপযুক্ত, কারণ মুক্তি মানে হলো সব ধরনের সীমাবদ্ধতা বা বাধা থেকে বেরিয়ে আসা বা স্বাধীন হওয়া।</p>
<ul>
<li><strong>বন্ধন:</strong> কোনো কিছু আটকে রাখা বা সীমাবদ্ধতা।</li>
<li><strong>মুক্তি:</strong> সব ধরনের বাধা বা শৃঙ্খল থেকে স্বাধীনতা।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, যেখানে আটকে থাকার বিপরীত অবস্থা বোঝাতে হয়, সেখানেই আমরা ‘মুক্তি’ শব্দটি ব্যবহার করি। তাই এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>মুক্তি</strong>।</p>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>কর্ণফুলী</strong>। এই উপন্যাসটি লিখেছেন প্রখ্যাত কথাসাহিত্যিক অদ্বৈত মল্লবর্মণ।</p>
<p>কেন এটি সঠিক উত্তর, তা খুব সহজে বুঝে নিন:</p>
<ul>
<li><strong>কর্ণফুলী</strong> উপন্যাসে মূলত চট্টগ্রামের বেদে সম্প্রদায়ের জীবনযাত্রা, তাদের সংগ্রাম এবং নদীকেন্দ্রিক সংস্কৃতির নিখুঁত চিত্র ফুটে উঠেছে।</li>
<li>উপজাতীয় বা প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর জীবনধারাকে উপন্যাসের মূল উপজীব্য করার ক্ষেত্রে এটি বাংলা সাহিত্যের একটি অনন্য সৃষ্টি।</li>
<li>সহজ কথায়, নদী ও পাহাড়ের কোল ঘেঁষে বেঁচে থাকা মানুষের সুখ-দুঃখের গল্পই এই উপন্যাসের প্রাণ।</li>
</ul>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>আগুনপাখি</strong>। হাসান আজিজুল হকের সাহিত্যকর্মের মধ্যে এটি অন্যতম শ্রেষ্ঠ একটি উপন্যাস।</p>
<p>সহজভাবে মনে রাখার উপায়:</p>
<ul>
<li>হাসান আজিজুল হক মূলত তার গভীর জীবনবোধ ও দেশভাগের যন্ত্রণাকে কেন্দ্র করে লেখাগুলোর জন্য বিখ্যাত।</li>
<li><strong>আগুনপাখি</strong> উপন্যাসটি দেশভাগের প্রেক্ষাপটে রচিত একটি কালজয়ী সৃষ্টি, যেখানে তিনি একজন নারীর জবানিতে সেই সময়ের অস্থিরতা ও পরিবর্তনের গল্প তুলে ধরেছেন।</li>
<li>পরীক্ষার জন্য মনে রাখা সহজ: হাসান আজিজুল হক মানেই তার শক্তিশালী গদ্যশৈলী, আর <strong>আগুনপাখি</strong> তার সেই মুন্সিয়ানার এক অনন্য উদাহরণ।</li>
</ul>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>কি মারটাই না মারল</strong>। বিষয়টি খুব সহজ, একটু খেয়াল করলেই বুঝতে পারবে:</p>
<ul>
<li><strong>সমধাতুজ কর্ম</strong> চেনার সবচেয়ে সহজ উপায় হলো—ক্রিয়াপদটি যে ধাতু থেকে তৈরি হয়েছে, কর্মপদটিও ঠিক সেই একই ধাতু থেকে আসবে।</li>
<li>এখানে 'মারল' হলো ক্রিয়াপদ এবং 'মার' হলো কর্মপদ।</li>
<li>লক্ষ করো, 'মার' এবং 'মারল'—উভয়ই <strong>'মার'</strong> ধাতু থেকে উৎপন্ন হয়েছে।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, যখন বাক্যের কর্ম এবং ক্রিয়া একই ধাতু থেকে আসে, তখনই তাকে সমধাতুজ কর্ম বলে। তাই এই বাক্যটিই সঠিক উদাহরণ।</p>
১৯৫০
‘ছেলেরা মাঠে বল খেলে’ - এখানে করণ কারক প্রকাশ করে কোনটি?
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>বল</strong>। কারণটা খুব সহজ—বাক্যে কর্তা যার সাহায্যে বা যা দিয়ে কোনো কাজ সম্পন্ন করেন, তাকেই করণ কারক বলে।</p>
<ul>
<li>এখানে ছেলেরা খেলার কাজটি সম্পন্ন করছে <strong>বল</strong> নামক বস্তুটির সাহায্যে।</li>
<li>যেহেতু বল এখানে খেলার মাধ্যম বা উপকরণ হিসেবে কাজ করছে, তাই এটিই করণ কারক।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, কোনো কিছু দিয়ে বা কোনো কিছুর মাধ্যমে কাজ করা বোঝালে সেটিই করণ কারক। তাই এখানে <strong>বল</strong> শব্দটিই সঠিক।</p>
MCQ পরীক্ষা সেটিংস
বাংলা
eProstuti
সহজ ও দ্রুত ক্লাস করতে অ্যাপটি ইনস্টল করুন
iPhone / iPad এ ইনস্টল করুন
eProstuti
১Safari ব্রাউজারের নিচে থাকা Share ( ) বাটনে চাপ দিন।
২নিচের দিকে স্ক্রোল করে 'Add to Home Screen' ( ) নির্বাচন করুন।
৩উপরে ডানে থাকা 'Add' বাটনে ট্যাপ করুন।
Android এ অ্যাপ ইনস্টল করুন
eProstuti
১Chrome ব্রাউজারের উপরে ডানে থাকা থ্রি-ডট ( ) মেনু চাপুন।
২তালিকায় 'Install app' বা 'Add to Home screen' ( ) এ ট্যাপ করুন।
ডাউনলোড সম্পন্ন হলে ফাইলটি ওপেন করে Install চাপুন।
যদি "Install unknown apps" বা "Unknown sources" অনুমতি চায়, তাহলে সেটি Allow করে আবার ইনস্টল করুন।
ইনস্টল শেষ হলে অ্যাপটি খুলে আপনার অ্যাকাউন্টে লগইন করুন।
অ্যাপের সুবিধা:
সকল লাইভ ক্লাস
রেকর্ডেড ক্লাস
অনলাইন পরীক্ষা
ই-বুক ও নোটিশ
সবকিছু এক জায়গা থেকেই সহজে ব্যবহার করুন!
ব্রাউজারে খুলুন
⚠️ মনে হচ্ছে আপনি এই ওয়েবসাইটটি ফেসবুক বা অন্য কোনো অ্যাপের ভেতরের ব্রাউজার থেকে খুলেছেন।
ভালোভাবে কাজ করার জন্য দয়া করে এটি আপনার মূল ব্রাউজারে (যেমন Chrome) খুলুন।
👉 উপরে থাকা ⋮ বা ••• বাটনে চাপ দিন → তারপর “Open in Browser” সিলেক্ট করুন।