<p>বিজ্ঞান শব্দে ‘বি’ উপসর্গটি <strong>বিশেষ</strong> অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে। বাংলা ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী, ‘বি’ উপসর্গটি অনেক সময় কোনো কিছুর আধিক্য বা বিশেষত্ব বোঝাতে ব্যবহৃত হয়।</p>
<ul>
<li>‘জ্ঞান’ শব্দের আগে ‘বি’ যুক্ত হয়ে এটি ‘বিজ্ঞান’ বা ‘বিশেষ জ্ঞান’ বোঝায়।</li>
<li>এখানে ‘বি’ উপসর্গটি সাধারণ জ্ঞানের চেয়ে আলাদা বা উচ্চতর কোনো বিশেষ জ্ঞানকে নির্দেশ করছে।</li>
<li>সহজ কথায়, যখনই কোনো শব্দের শুরুতে ‘বি’ যুক্ত হয়ে তার অর্থকে আরও গভীর বা নির্দিষ্ট করে তোলে, তখন সেটি <strong>বিশেষ</strong> অর্থ প্রকাশ করে।</li>
</ul>
<p>‘বিচরণ’ শব্দের ‘বি’ উপসর্গটি এখানে <strong>গতি</strong> অর্থ প্রকাশ করছে। ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী, ‘বি’ উপসর্গটি বিভিন্ন অর্থে ব্যবহৃত হতে পারে, তবে ‘বিচরণ’ শব্দটির ক্ষেত্রে এর প্রয়োগটি বেশ সহজ:</p>
<ul>
<li>‘বিচরণ’ শব্দটির মূল অর্থ হলো ঘুরে বেড়ানো বা চলাফেরা করা।</li>
<li>এখানে ‘বি’ উপসর্গটি গতির ভাব বা সঞ্চরণশীলতাকে নির্দেশ করছে।</li>
<li>সহজ কথায়, যখন কোনো কিছু এক স্থান থেকে অন্য স্থানে স্থানান্তরিত হয় বা চলাচলের অবস্থা বোঝায়, তখন ‘বি’ উপসর্গটি <strong>গতি</strong> অর্থে ব্যবহৃত হয়।</li>
</ul>
<p>তাই মনে রাখার সহজ উপায় হলো, যেখানেই চলাফেরা বা গতির কোনো বিষয় আসবে, সেখানে ‘বি’ উপসর্গটি গতি অর্থেই কাজ করবে।</p>
<p>‘চাঁদের হাট’ বাগধারাটির সঠিক অর্থ হলো <strong>প্রিয়জন সমাগম</strong>।</p>
<p>সহজভাবে মনে রাখার উপায়:</p>
<ul>
<li>‘চাঁদের হাট’ বলতে সাধারণত এমন একটি পরিবেশকে বোঝায় যেখানে অনেক প্রিয় মানুষ বা গুণীজন একসাথে মিলিত হন।</li>
<li>যখন অনেকগুলো উজ্জ্বল নক্ষত্র বা প্রিয় মানুষ একই জায়গায় জড়ো হয়, তখন সেই আনন্দঘন মুহূর্তটিকেই আমরা ‘চাঁদের হাট’ বলে থাকি।</li>
<li>তাই পরীক্ষার খাতায় এই প্রশ্নটি দেখলে সরাসরি <strong>প্রিয়জন সমাগম</strong> উত্তরটি বেছে নেবেন।</li>
</ul>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>তোষামোদকারী</strong>।</p>
<p>বাগধারাটি মনে রাখার জন্য খুব সহজ একটি কৌশল আছে:</p>
<ul>
<li>'খয়ের খাঁ' বলতে সাধারণত এমন ব্যক্তিকে বোঝায়, যে সবসময় অন্যের প্রশংসা করে বা নিজের স্বার্থে অন্যের মন জুগিয়ে চলে।</li>
<li>সহজ কথায়, যে ব্যক্তি সবসময় অন্যের গুণগান গায় বা তোষামোদ করে নিজের সুবিধা আদায় করে নেয়, তাকেই আমরা 'খয়ের খাঁ' বলে থাকি।</li>
</ul>
<p>তাই পরীক্ষার খাতায় এই ধরনের প্রশ্ন দেখলে সরাসরি <strong>তোষামোদকারী</strong> অপশনটি বেছে নিতে পারেন। এটি মনে রাখা খুবই সহজ!</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>গণিত খুব জটিল</strong>। বাক্যটি শুদ্ধ হওয়ার কারণ হলো এর গঠন ও শব্দপ্রয়োগ সম্পূর্ণ স্বাভাবিক এবং ব্যাকরণসম্মত।</p>
<ul>
<li>অন্যান্য অপশনগুলোতে শব্দের ব্যবহারে ভুল রয়েছে। যেমন, 'সাবধান পূর্বক' না হয়ে 'সাবধানে' হওয়া উচিত।</li>
<li>'গোপন কথা' বলা হয় না, কারণ কথা গোপন হলে তা এমনিতেই গোপন থাকে।</li>
<li>'সূর্য উদয় হয়েছে' না লিখে শুদ্ধ রূপটি হবে 'সূর্য উদিত হয়েছে'।</li>
<li>অন্যদিকে, <strong>গণিত খুব জটিল</strong> বাক্যটিতে কোনো বাহুল্য বা ভুল নেই, তাই এটিই শুদ্ধ।</li>
</ul>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>চাঁদ</strong>। বিষয়টি খুব সহজ, কারণ তদ্ভব শব্দ বলতে আমরা সেই শব্দগুলোকে বুঝি যেগুলো সংস্কৃত থেকে প্রাকৃতের মাধ্যমে পরিবর্তিত হয়ে বাংলা ভাষায় এসেছে।</p>
<ul>
<li>সংস্কৃত শব্দ <strong>চন্দ্র</strong> পরিবর্তিত হয়ে প্রাকৃত ভাষায় হয় <strong>চন্দ</strong>।</li>
<li>সেই <strong>চন্দ</strong> থেকেই বিবর্তিত হয়ে বাংলায় এসেছে <strong>চাঁদ</strong>।</li>
<li>যেহেতু এটি সরাসরি সংস্কৃত থেকে না এসে রূপ পরিবর্তনের মাধ্যমে এসেছে, তাই এটি একটি খাঁটি তদ্ভব শব্দ।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, যেসব শব্দের উৎস সংস্কৃত হলেও সময়ের সাথে সাথে উচ্চারণের পরিবর্তনের ফলে রূপ বদলে গেছে, সেগুলোই তদ্ভব। চাঁদ শব্দটি এই নিয়মের একদম নিখুঁত উদাহরণ।</p>
১৯২৯
নিচের কোন উপন্যাসটির রচয়িতা মানিক বন্দ্যোপাধ্যায় নয়?
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>গণদেবতা</strong>। বিষয়টি খুব সহজ, কারণ মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়ের সাহিত্যকর্মের তালিকায় এই উপন্যাসটি নেই।</p>
<ul>
<li><strong>গণদেবতা</strong> উপন্যাসটির রচয়িতা হলেন প্রখ্যাত কথাসাহিত্যিক <strong>তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়</strong>।</li>
<li>মানিক বন্দ্যোপাধ্যায় মূলত তাঁর মনস্তাত্ত্বিক ও বাস্তববাদী উপন্যাসের জন্য পরিচিত, যেমন—<em>পদ্মানদীর মাঝি</em> বা <em>পুতুলনাচের ইতিকথা</em>।</li>
<li>অন্যদিকে, <em>গণদেবতা</em> তারাশঙ্করের কালজয়ী সৃষ্টি, যা রাঢ় বাংলার গ্রামীণ সমাজ ও পরিবর্তনের প্রেক্ষাপটে লেখা।</li>
</ul>
<p>তাই মনে রাখার সহজ উপায় হলো, গ্রামীণ জীবনের মহাকাব্যিক চিত্রায়ণে তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়ের নামই সবার আগে আসে, মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়ের নয়।</p>
<p>‘গন্তব্য’ শব্দের সঠিক সন্ধি বিচ্ছেদ হলো <strong>গম্+তব্য</strong>। এটি মূলত ব্যঞ্জনসন্ধির একটি নিয়ম মেনে গঠিত হয়েছে। বিষয়টি খুব সহজে মনে রাখার উপায় হলো:</p>
<ul>
<li>সংস্কৃত ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী, পদের শেষে যদি <strong>ম্</strong> থাকে এবং তার সাথে <strong>ত</strong>-বর্গীয় কোনো বর্ণ যুক্ত হয়, তবে সেই <strong>ম্</strong>-টি অনুস্বার (ং) বা পরবর্তী বর্ণের বর্গের নাসিক্য বর্ণে পরিণত হয়।</li>
<li>এখানে <strong>গম্</strong> ধাতুর সাথে <strong>তব্য</strong> প্রত্যয় যুক্ত হওয়ার সময় <strong>ম্</strong> বর্ণটি <strong>ত</strong>-বর্গের নাসিক্য বর্ণ অর্থাৎ <strong>ন</strong>-এ পরিবর্তিত হয়েছে।</li>
<li>ফলে শব্দটি দাঁড়িয়েছে: $গম্ + তব্য = গন্তব্য$।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, সন্ধির সময় পদের মূল রূপটি ঠিক রেখে নিয়ম অনুযায়ী বর্ণ পরিবর্তন করলেই সঠিক উত্তরটি পাওয়া যায়।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>সাজাহান</strong>। কারণ এটি দ্বিজেন্দ্রলাল রায়ের লেখা একটি অত্যন্ত জনপ্রিয় ঐতিহাসিক নাটক।</p>
<p>সহজে মনে রাখার উপায়:</p>
<ul>
<li><strong>সাজাহান</strong> নাটকটি মুঘল সম্রাট শাহজাহানের জীবনের করুণ কাহিনী নিয়ে রচিত।</li>
<li>বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসে এটি একটি ধ্রুপদী বা ক্লাসিক নাটক হিসেবে পরিচিত।</li>
<li>অন্যান্য অপশনগুলোর মধ্যে 'দত্তা' ও 'পল্লীসমাজ' শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের উপন্যাস এবং 'গড্ডলিকা' পরশুরামের লেখা একটি রম্যরচনার সংকলন।</li>
</ul>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>গঞ্জ</strong>। বাংলা ভাষায় এমন কিছু শব্দ আছে যা সরাসরি আমাদের আদিবাসী বা অস্ট্রিক জনগোষ্ঠীর ভাষা থেকে এসেছে, এগুলোই মূলত দেশি শব্দ।</p>
<p>সহজে মনে রাখার উপায়:</p>
<ul>
<li><strong>গঞ্জ</strong> শব্দটি একটি খাঁটি দেশি শব্দ।</li>
<li>বাংলা ব্যাকরণে যেসব শব্দের মূল উৎস খুঁজে পাওয়া যায় না বা আমাদের দেশীয় ভাষা থেকে সরাসরি গৃহীত হয়েছে, সেগুলোকে দেশি শব্দ বলা হয়।</li>
<li>এরকম আরও কিছু পরিচিত উদাহরণ হলো: কুলা, ডাব, টোপর, ঝোল, পেট ইত্যাদি।</li>
</ul>
<p>পরীক্ষায় দেশি শব্দ চেনার সবচেয়ে ভালো উপায় হলো শব্দগুলোর গঠন লক্ষ্য করা, যা সাধারণত সংস্কৃত বা বিদেশি ভাষার নিয়মের বাইরে থাকে।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>গঞ্জ</strong>। বিষয়টি খুব সহজ, কারণ গঞ্জ শব্দটি মূলত একটি দেশি শব্দ।</p>
<ul>
<li><strong>গঞ্জ</strong> শব্দটি বাংলা ভাষার নিজস্ব শব্দভাণ্ডার বা দেশি শব্দের অন্তর্ভুক্ত।</li>
<li>অন্যদিকে, সাদা, পানি এবং রুমাল—এই শব্দগুলো বিদেশি ভাষা থেকে বাংলায় এসেছে।</li>
<li>সহজ কথায়, যে শব্দগুলোর মূল উৎস খুঁজে পাওয়া যায় না এবং যা প্রাচীনকাল থেকেই এ অঞ্চলের মানুষের মুখে প্রচলিত, সেগুলোই দেশি শব্দ। গঞ্জ ঠিক তেমনই একটি শব্দ।</li>
</ul>
<p>‘গঙ্গোর্মি’ শব্দটির সঠিক সন্ধি বিচ্ছেদ হলো <strong>গঙ্গা + ঊর্মি</strong>। এটি মূলত স্বরসন্ধির একটি নিয়ম মেনে চলে। বিষয়টি খুব সহজভাবে এভাবে মনে রাখতে পারেন:</p>
<ul>
<li>এখানে সন্ধির নিয়মটি হলো: আ + ঊ = ও।</li>
<li>শব্দটির প্রথম অংশের শেষে আছে ‘আ’ কার (গঙ্গ<strong>া</strong>) এবং দ্বিতীয় অংশের শুরুতে আছে দীর্ঘ ‘ঊ’ (<strong>ঊ</strong>র্মি)।</li>
<li>এই দুই মিলে তৈরি হয়েছে ‘ও’ কার (গঙ্গ<strong>ো</strong>র্মি)।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, যখনই কোনো শব্দের মাঝে ‘ও’ কার থাকে, তখন সন্ধি বিচ্ছেদের সময় খেয়াল করবেন সেখানে ‘আ’ এবং ‘ঊ’ এর মিলন ঘটেছে কি না। তাই সঠিক রূপটি হবে:</p>
ডাউনলোড সম্পন্ন হলে ফাইলটি ওপেন করে Install চাপুন।
যদি "Install unknown apps" বা "Unknown sources" অনুমতি চায়, তাহলে সেটি Allow করে আবার ইনস্টল করুন।
ইনস্টল শেষ হলে অ্যাপটি খুলে আপনার অ্যাকাউন্টে লগইন করুন।
অ্যাপের সুবিধা:
সকল লাইভ ক্লাস
রেকর্ডেড ক্লাস
অনলাইন পরীক্ষা
ই-বুক ও নোটিশ
সবকিছু এক জায়গা থেকেই সহজে ব্যবহার করুন!
ব্রাউজারে খুলুন
⚠️ মনে হচ্ছে আপনি এই ওয়েবসাইটটি ফেসবুক বা অন্য কোনো অ্যাপের ভেতরের ব্রাউজার থেকে খুলেছেন।
ভালোভাবে কাজ করার জন্য দয়া করে এটি আপনার মূল ব্রাউজারে (যেমন Chrome) খুলুন।
👉 উপরে থাকা ⋮ বা ••• বাটনে চাপ দিন → তারপর “Open in Browser” সিলেক্ট করুন।