<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>সাদৃশ্য</strong>। বিষয়টি খুব সহজ, কারণ বাংলা ব্যাকরণ ও শব্দার্থের বিচারে 'ঔপম্য' শব্দটি মূলত উপমা বা তুলনা করার ভাব প্রকাশ করে।</p>
<ul>
<li>'উপমা' শব্দের অর্থ হলো তুলনা, আর যখন কোনো কিছুর মধ্যে তুলনা বা মিল খুঁজে পাওয়া যায়, তাকেই বলা হয় <strong>সাদৃশ্য</strong>।</li>
<li>সহজ কথায়, দুটি বস্তুর মধ্যে মিল বা একজাতীয়তা বোঝাতেই 'ঔপম্য' শব্দটি ব্যবহৃত হয়।</li>
<li>তাই পরীক্ষার খাতায় এমন প্রশ্ন দেখলে সরাসরি 'সাদৃশ্য' বা 'তুলনা' বোঝায় এমন শব্দটিকে বেছে নেওয়াই বুদ্ধিমানের কাজ।</li>
</ul>
<p>'নিরাকার' শব্দটির সঠিক বিপরীতার্থক শব্দ হলো <strong>সকার</strong>। বিষয়টি খুব সহজভাবে মনে রাখা যায়:</p>
<ul>
<li>'নিরাকার' শব্দটির অর্থ হলো যার কোনো নির্দিষ্ট আকার বা আকৃতি নেই।</li>
<li>অন্যদিকে, 'সকার' শব্দের অর্থ হলো যার আকার বা আকৃতি আছে (স + আকার)।</li>
<li>ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী, 'নি' উপসর্গটি সাধারণত অভাব বা নেতিবাচক অর্থ প্রকাশ করে, আর 'স' উপসর্গটি উপস্থিতি বা ইতিবাচক অর্থ প্রকাশ করে। তাই নিরাকারের বিপরীত হিসেবে সকার শব্দটিই সবচেয়ে উপযুক্ত।</li>
</ul>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>দেব বংশের</strong>। বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ:</p>
<ul>
<li>মধ্যযুগের বিখ্যাত মহাভারত অনুবাদক কাশীরাম দাস ছিলেন বর্ধমান জেলার সিঙ্গি গ্রামের বাসিন্দা।</li>
<li>ঐতিহাসিক তথ্য অনুযায়ী, তিনি কায়স্থ পরিবারের সন্তান ছিলেন এবং তাঁর বংশের পদবি ছিল <strong>দেব</strong>।</li>
<li>তাই সাহিত্যিক ও ঐতিহাসিক মহলে তিনি 'দেব' বংশের কবি হিসেবেই পরিচিত।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, তাঁর পারিবারিক পরিচয় বা বংশের নাম ছিল দেব, যা তাঁর কাব্যচর্চায় এবং পরবর্তীকালের গবেষণায় স্পষ্টভাবে উঠে এসেছে।</p>
বৈষ্ণব পদাবলী রাধা ও কৃষ্ণের আকর্ষণ-বিকর্ষণের বিচিত্র অনুভূতি সম্বলিত এক প্রকার গান
ব্যাখ্যা:
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>অপশন D</strong>। বিষয়টি খুব সহজভাবে মনে রাখা যায় এভাবে:</p>
<ul>
<li><strong>মূল বিষয়:</strong> বৈষ্ণব পদাবলী মূলত রাধা ও কৃষ্ণের প্রেমলীলাকে কেন্দ্র করে রচিত।</li>
<li><strong>অনুভূতির প্রকাশ:</strong> এখানে রাধা ও কৃষ্ণের মিলনের আনন্দ এবং বিরহের যন্ত্রণার যে বিচিত্র অনুভূতি, তা অত্যন্ত চমৎকারভাবে ফুটে উঠেছে।</li>
<li><strong>গানের রূপ:</strong> এই পদগুলো কেবল কবিতা নয়, বরং এগুলো সুর করে গাওয়া হতো বলেই এগুলোকে এক প্রকার বিশেষ 'গান' বা পদ বলা হয়।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, রাধা-কৃষ্ণের প্রেম ও ভক্তির যে আবেগপূর্ণ প্রকাশ, সেটিই বৈষ্ণব পদাবলীর মূল ভিত্তি। তাই রাধা-কৃষ্ণের আকর্ষণ-বিকর্ষণের অনুভূতিই এর প্রধান বৈশিষ্ট্য।</p>
২১৫০
'আপনা মাংসে হরিণা বৈরী'- লাইনটি কোন সাহিত্যের অন্তর্ভুক্ত?
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>চর্যাপদ</strong>। বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ, কারণ চর্যাপদ হলো বাংলা সাহিত্যের প্রাচীনতম নিদর্শন।</p>
<p>এই লাইনটির অর্থ হলো—হরিণ নিজেই নিজের মাংসের জন্য শত্রু বা বৈরী। চর্যাপদের পদগুলোতে রূপক ও সাংকেতিক ভাষার ব্যবহার প্রচুর, আর এই বিখ্যাত পঙক্তিটি চর্যাপদের ৬ নম্বর পদে পাওয়া যায়, যা রচনা করেছিলেন ভুসুকুপাদ।</p>
<ul>
<li><strong>মূল উৎস:</strong> চর্যাপদ।</li>
<li><strong>রচয়িতা:</strong> ভুসুকুপাদ।</li>
<li><strong>মূল ভাব:</strong> নিজের দোষ বা কর্মই অনেক সময় নিজের বিপদের কারণ হয়ে দাঁড়ায়।</li>
</ul>
<p>পরীক্ষায় এই লাইনটি প্রায়ই আসে, তাই এটি চর্যাপদের একটি অন্যতম প্রধান বৈশিষ্ট্য হিসেবে মনে রাখলে খুব সহজেই উত্তর করা সম্ভব।</p>
২১৫১
‘আকাশে চাঁদ উঠেছে’। এখানে ‘আকাশে’ কোন প্রকারের অধিকরণ?
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>ঐকদেশিক অধিকরণ</strong>। বিষয়টি খুব সহজভাবে বোঝা যায়:</p>
<ul>
<li>অধিকরণ কারক মানেই হলো কোনো স্থান বা সময় বোঝানো।</li>
<li>যখন কোনো বিশাল জায়গার একটি নির্দিষ্ট অংশে বা কোনো একটি বিন্দুতে কিছু ঘটে, তখন তাকে <strong>ঐকদেশিক অধিকরণ</strong> বলে।</li>
<li>পুরো আকাশ বিশাল, কিন্তু চাঁদ আকাশের ঠিক একটি নির্দিষ্ট জায়গায় উঠেছে। তাই পুরো আকাশ না বুঝিয়ে আকাশের একটি অংশকে বোঝানোর কারণেই এটি ঐকদেশিক অধিকরণ।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, বিশাল স্থানের কোনো ক্ষুদ্র অংশে ক্রিয়া সম্পন্ন হলে সেটিই ঐকদেশিক অধিকরণ।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>আবীর</strong>। কারণ, এটি আগুনের কোনো সমার্থক শব্দ নয়।</p>
<p>সহজভাবে মনে রাখার জন্য নিচের বিষয়গুলো খেয়াল করুন:</p>
<ul>
<li><strong>বহ্নি</strong>, <strong>বায়ুসখা</strong> এবং <strong>বৈশ্বানর</strong>—এই শব্দগুলো আগুনের বিভিন্ন নাম বা প্রতিশব্দ হিসেবে ব্যবহৃত হয়।</li>
<li>অন্যদিকে, <strong>আবীর</strong> মূলত রঙিন পাউডার বা গুলালকে বোঝায়, যা সাধারণত উৎসব বা খেলার সময় ব্যবহৃত হয়।</li>
</ul>
<p>তাই আগুনের সমার্থক শব্দের তালিকায় আবীর কোনোভাবেই পড়ে না।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>বৈরাগী</strong>। বিষয়টি খুব সহজ, কারণ 'সন্ন্যাসী' বলতে এমন একজনকে বোঝায় যিনি জাগতিক সব মায়া-মমতা ত্যাগ করে ঈশ্বর বা আধ্যাত্মিক সাধনায় নিজেকে বিলিয়ে দিয়েছেন।</p>
<ul>
<li>'সন্ন্যাসী' শব্দের মূল অর্থ হলো যিনি সংসার ত্যাগ করেছেন।</li>
<li>'বৈরাগী' শব্দের অর্থও ঠিক তাই—যিনি বৈরাগ্য অবলম্বন করেছেন বা সংসারের প্রতি যার কোনো আসক্তি নেই।</li>
<li>সহজ কথায়, যে ব্যক্তি পার্থিব সুখ-স্বাচ্ছন্দ্য ছেড়ে আধ্যাত্মিক পথে চলেন, তাকেই আমরা সন্ন্যাসী বা বৈরাগী বলে থাকি।</li>
</ul>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>জ্বলন্ত</strong>। কৃৎ-প্রত্যয় চেনার সবচেয়ে সহজ উপায় হলো শব্দের মূল অংশটি দেখা।</p>
<ul>
<li>কৃৎ-প্রত্যয় মূলত ধাতুর (ক্রিয়াপদ) সাথে যুক্ত হয়।</li>
<li>এখানে <strong>জ্বলন্ত</strong> শব্দটি বিশ্লেষণ করলে পাওয়া যায়: জ্বল্ (ধাতু) + অন্ত (প্রত্যয়)।</li>
<li>যেহেতু 'জ্বল্' একটি ক্রিয়া বা ধাতু, তাই এটি কৃৎ-প্রত্যয় সাধিত শব্দ।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, কোনো শব্দের সাথে যদি ক্রিয়া বা কাজের সম্পর্ক থাকে, তবেই সেটি কৃৎ-প্রত্যয়। এখানে 'জ্বল্' ধাতু থেকে 'জ্বলন্ত' শব্দটি তৈরি হয়েছে, তাই এটিই সঠিক।</p>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>ভাবুক</strong>। বিষয়টি খুব সহজ, কারণ তদ্ধিত প্রত্যয় মূলত বিশেষ্য বা বিশেষণ পদের সাথে যুক্ত হয়, কিন্তু 'ভাবুক' শব্দটি গঠিত হয়েছে ক্রিয়ামূলের সাথে প্রত্যয় যুক্ত হয়ে।</p>
<ul>
<li><strong>ভাবুক</strong> শব্দটি এসেছে 'ভাব' (ধাতু) + 'উক' প্রত্যয় যোগে। যেহেতু 'ভাব' এখানে একটি ক্রিয়ামূল বা ধাতু, তাই এটি কৃৎ প্রত্যয় সাধিত শব্দ।</li>
<li>অন্যদিকে, পঙ্কিল, গরিব এবং বৈজ্ঞানিক শব্দগুলো বিশেষ্য বা বিশেষণ পদের সাথে প্রত্যয় যুক্ত হয়ে গঠিত হয়েছে, যা তদ্ধিত প্রত্যয়ের নিয়ম মেনে চলে।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, ধাতুর সাথে যুক্ত হলে তা কৃৎ প্রত্যয়, আর শব্দের সাথে যুক্ত হলে তা তদ্ধিত প্রত্যয়। যেহেতু <strong>ভাবুক</strong> ধাতুর সাথে যুক্ত, তাই এটি তদ্ধিত প্রত্যয় নয়।</p>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>বেহেশত</strong>। বিষয়টি খুব সহজ, কারণ আমাদের দৈনন্দিন জীবনে ব্যবহৃত অনেক শব্দ অন্য ভাষা থেকে এসেছে।</p>
<ul>
<li><strong>বেহেশত</strong> শব্দটি মূলত ফারসি ভাষা থেকে বাংলা ভাষায় এসেছে।</li>
<li>এর অর্থ হলো স্বর্গ বা জান্নাত।</li>
<li>অন্যদিকে, আল্লাহ, ঈমান এবং হালাল শব্দগুলো সরাসরি আরবি ভাষা থেকে এসেছে।</li>
</ul>
<p>তাই ভাষাগত উৎস বিবেচনায় <strong>বেহেশত</strong> আরবি শব্দ নয়।</p>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>মনসা দেবী</strong>। বাংলা সাহিত্যের মধ্যযুগের অন্যতম প্রধান ধারা হলো মঙ্গলকাব্য, আর এই ধারার একটি বিশেষ শাখা হলো মনসামঙ্গল কাব্য।</p>
<p>সহজভাবে মনে রাখার উপায়:</p>
<ul>
<li>মঙ্গলকাব্যের প্রধান বিষয়বস্তু হলো কোনো লৌকিক দেব-দেবীর মাহাত্ম্য প্রচার করা।</li>
<li>মনসামঙ্গল কাব্যে মূলত সর্পদেবী <strong>মনসা দেবীর</strong> পূজা প্রচার এবং তাঁর অলৌকিক ক্ষমতার কাহিনী বর্ণিত হয়েছে।</li>
<li>চাঁদ সওদাগর ও বেহুলার কাহিনী এই মনসামঙ্গল কাব্যেরই অবিচ্ছেদ্য অংশ, যা মূলত মনসা দেবীর মাহাত্ম্যকে কেন্দ্র করেই গড়ে উঠেছে।</li>
</ul>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>ঈষৎ</strong>। বিষয়টি খুব সহজভাবে মনে রাখা যায়:</p>
<ul>
<li>'আরক্তিম' শব্দটির অর্থ হলো যা কিছুটা লালচে বা হালকা লাল।</li>
<li>বাংলা ব্যাকরণে 'আ' উপসর্গটি যখন কোনো শব্দের শুরুতে যুক্ত হয়, তখন তা অনেক সময় <strong>ঈষৎ</strong> বা সামান্য অর্থে ব্যবহৃত হয়।</li>
<li>যেমন: 'রক্তিম' মানে লাল, আর তার সাথে 'আ' যুক্ত হয়ে 'আরক্তিম' মানে দাঁড়ায় <strong>ঈষৎ</strong> লাল বা হালকা লাল।</li>
</ul>
<p>তাই যেকোনো শব্দের শুরুতে 'আ' যুক্ত হয়ে যদি সামান্য বা হালকা বোঝায়, তবে সেটি 'ঈষৎ' অর্থ প্রকাশ করে।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>হাভাতে</strong>। বিষয়টি খুব সহজ, কারণ বাংলা ব্যাকরণে শব্দের গঠন বুঝতে পারলে উত্তর বের করা পানির মতো সহজ।</p>
<ul>
<li><strong>হাভাতে</strong> শব্দটি গঠিত হয়েছে 'হা' উপসর্গ এবং 'ভাতে' মূল শব্দের সমন্বয়ে।</li>
<li>এখানে 'হা' একটি খাঁটি বাংলা উপসর্গ, যার অর্থ হলো অভাব বা হীনতা।</li>
<li>যেহেতু 'হাভাতে' শব্দটিতে বাংলা উপসর্গ ব্যবহৃত হয়েছে, তাই এটিই সঠিক উত্তর।</li>
</ul>
<p>অন্যান্য অপশনগুলোর দিকে তাকালে দেখবেন, সেখানে সংস্কৃত বা ফারসি উপসর্গের ব্যবহার রয়েছে, যা বাংলা উপসর্গের নিয়মের মধ্যে পড়ে না। তাই পরীক্ষার খাতায় এমন প্রশ্ন দেখলে শুধু উপসর্গের উৎসটি খেয়াল করলেই চলবে!</p>
২১৬০
মধুসূদন কার অনুরোধে 'একেই কি বলে সভ্যতা' ও 'বুড় শালিকের ঘাড়ে রোঁ' প্রহসন দুটি রচনা করেন?
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>জমিদার সিংহ ভ্রাতাদের</strong> অনুরোধে। মাইকেল মধুসূদন দত্ত যখন বাংলা নাট্যসাহিত্যে নতুন কিছু করার কথা ভাবছিলেন, তখন বেলগাছিয়া নাট্যশালার উদ্যোক্তা <strong>জমিদার প্রতাপচন্দ্র সিংহ</strong> ও <strong>ঈশানচন্দ্র সিংহ</strong> তাকে বাংলা প্রহসন রচনার জন্য বিশেষভাবে উৎসাহিত করেন।</p>
<p>তাদের অনুরোধেই মধুসূদন খুব অল্প সময়ের মধ্যে এই দুটি কালজয়ী প্রহসন লিখেছিলেন:</p>
<ul>
<li><strong>একেই কি বলে সভ্যতা</strong></li>
<li><strong>বুড় শালিকের ঘাড়ে রোঁ</strong></li>
</ul>
<p>মূলত তৎকালীন সমাজের কুসংস্কার ও অসংগতিগুলোকে ব্যঙ্গাত্মকভাবে ফুটিয়ে তোলার জন্যই সিংহ ভ্রাতারা তাকে এই কাজে অনুপ্রাণিত করেছিলেন।</p>
MCQ পরীক্ষা সেটিংস
বাংলা
eProstuti
সহজ ও দ্রুত ক্লাস করতে অ্যাপটি ইনস্টল করুন
iPhone / iPad এ ইনস্টল করুন
eProstuti
১Safari ব্রাউজারের নিচে থাকা Share ( ) বাটনে চাপ দিন।
২নিচের দিকে স্ক্রোল করে 'Add to Home Screen' ( ) নির্বাচন করুন।
৩উপরে ডানে থাকা 'Add' বাটনে ট্যাপ করুন।
Android এ অ্যাপ ইনস্টল করুন
eProstuti
১Chrome ব্রাউজারের উপরে ডানে থাকা থ্রি-ডট ( ) মেনু চাপুন।
২তালিকায় 'Install app' বা 'Add to Home screen' ( ) এ ট্যাপ করুন।
ডাউনলোড সম্পন্ন হলে ফাইলটি ওপেন করে Install চাপুন।
যদি "Install unknown apps" বা "Unknown sources" অনুমতি চায়, তাহলে সেটি Allow করে আবার ইনস্টল করুন।
ইনস্টল শেষ হলে অ্যাপটি খুলে আপনার অ্যাকাউন্টে লগইন করুন।
অ্যাপের সুবিধা:
সকল লাইভ ক্লাস
রেকর্ডেড ক্লাস
অনলাইন পরীক্ষা
ই-বুক ও নোটিশ
সবকিছু এক জায়গা থেকেই সহজে ব্যবহার করুন!
ব্রাউজারে খুলুন
⚠️ মনে হচ্ছে আপনি এই ওয়েবসাইটটি ফেসবুক বা অন্য কোনো অ্যাপের ভেতরের ব্রাউজার থেকে খুলেছেন।
ভালোভাবে কাজ করার জন্য দয়া করে এটি আপনার মূল ব্রাউজারে (যেমন Chrome) খুলুন।
👉 উপরে থাকা ⋮ বা ••• বাটনে চাপ দিন → তারপর “Open in Browser” সিলেক্ট করুন।