eProstuti
স্বাগতম শিক্ষার্থী!

অনলাইন কোর্স ও পরীক্ষায় অংশ নিতে লগইন করুন

লগইন / রেজিস্টার
ওয়েবসাইট মেন্যু

এসএসসি ২০২৬ এর রেজাল্ট সবার আগে পেতে এখনই বুকিং করো

বুক করো
MCQ: ৩৪৫১৩ টি
সকল বিষয়
বাংলা
সঠিক উত্তর বাছাই করে আপনার প্রস্তুতি যাচাই করুন
২১৬১

'কাটাকুঞ্জে বসি তুই গাঁথিবি মালিকা দিয়া গেনু ভালে তোর বেদনার টীকা' -এই উদ্ধৃতাংশটি কোন্ কবির রচনা?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
কাজী নজরুল ইসলাম
ব্যাখ্যা:
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>কাজী নজরুল ইসলাম</strong>।</p>

<p>এই বিখ্যাত পঙক্তিটি কাজী নজরুল ইসলামের <strong>'অভিশাপ'</strong> কবিতার অংশ। নজরুল তাঁর বিদ্রোহী ও রোমান্টিক চেতনার সংমিশ্রণে এমন গভীর আবেগময় সব পঙক্তি রচনার জন্য পরিচিত। এই লাইনটি মূলত কবির গভীর বেদনা ও অনুভূতির এক অনন্য প্রকাশ, যা তাঁর কাব্যশৈলীর বৈশিষ্ট্যকে ফুটিয়ে তোলে।</p>

<ul>
<li><strong>কবি:</strong> কাজী নজরুল ইসলাম</li>
<li><strong>কবিতা:</strong> অভিশাপ</li>
<li><strong>মূলভাব:</strong> বিরহ ও বেদনার শৈল্পিক রূপায়ন</li>
</ul>
২১৬২

মর্সিয়া শব্দের অর্থ কি?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
শোক বা আহাজারি
ব্যাখ্যা:
<p>মর্সিয়া শব্দের সঠিক অর্থ হলো <strong>শোক বা আহাজারি</strong>।</p>

<p>বিষয়টি খুব সহজভাবে মনে রাখা যায় এভাবে:</p>

<ul>
<li>আরবি 'মাসা' (masa) ধাতু থেকে 'মর্সিয়া' শব্দটি এসেছে, যার মূল অর্থই হলো বিলাপ করা বা কারো মৃত্যুতে শোক প্রকাশ করা।</li>
<li>ঐতিহাসিকভাবে কারবালার বিয়োগান্তক ঘটনাকে কেন্দ্র করে যে শোকগাথা রচিত হয়, তাকেই মর্সিয়া বলা হয়।</li>
<li>সহজ কথায়, যেখানেই শোকের বহিঃপ্রকাশ বা আহাজারি থাকে, সেখানেই মর্সিয়া শব্দটি ব্যবহৃত হয়।</li>
</ul>
২১৬৩

কোনটি ব্যঙ্গ রচনা?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
ব্রজবিলাস
ব্যাখ্যা:
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>ব্রজবিলাস</strong>। এটি মাইকেল মধুসূদন দত্তের লেখা একটি বিখ্যাত প্রহসন বা ব্যঙ্গাত্মক রচনা।</p>

<p>সহজে মনে রাখার উপায়:</p>
<ul>
<li><strong>ব্রজবিলাস</strong> মূলত তৎকালীন সমাজের কুসংস্কার এবং ভণ্ডামিকে ব্যঙ্গ করে লেখা হয়েছে।</li>
<li>বাকি অপশনগুলো—যেমন <strong>বোধোদয়</strong> বা <strong>বেতাল পঞ্চবিংশতি</strong>—মূলত শিক্ষামূলক বা নীতিমূলক গদ্যগ্রন্থ, এগুলো ব্যঙ্গ রচনা নয়।</li>
<li>পরীক্ষায় মনে রাখার জন্য শুধু মনে রাখুন, মধুসূদনের এই রচনাটি সমাজের অসঙ্গতি নিয়ে লেখা একটি তীক্ষ্ণ <strong>ব্যঙ্গাত্মক</strong> কাজ।</li>
</ul>
২১৬৪

নিচের কোনটি মিশ্র শব্দ নয়?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
বেতার
ব্যাখ্যা:
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>বেতার</strong>। বিষয়টি খুব সহজভাবে বোঝা যায় এভাবে:</p>

<ul>
<li><strong>মিশ্র শব্দ</strong> তৈরি হয় দুটি ভিন্ন ভাষার শব্দ মিলে। যেমন: 'হেড' (ইংরেজি) + 'মাস্টার' (ইংরেজি) বা 'হাট' (বাংলা) + 'বাজার' (ফারসি)।</li>
<li>অন্যদিকে, <strong>বেতার</strong> শব্দটি কোনো মিশ্র শব্দ নয়। এটি একটি খাঁটি বাংলা শব্দ, যা 'বে' (ফারসি উপসর্গ) এবং 'তার' (বাংলা শব্দ) যোগে গঠিত হলেও বাংলা ভাষায় এটি একটি একক অর্থবোধক শব্দ হিসেবেই স্বীকৃত।</li>
<li>সহজ কথায়, যে শব্দগুলো দুটি ভিন্ন ভাষার সংমিশ্রণে নতুন কোনো অর্থ তৈরি করে না বরং একটি নির্দিষ্ট বস্তু বা বিষয়কে বোঝায়, সেগুলোকে মিশ্র শব্দ হিসেবে গণ্য করা হয় না।</li>
</ul>
২১৬৫

‘গোকুল’ শব্দের অর্থ কি?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
গরু জাতি
ব্যাখ্যা:
<p>‘গোকুল’ শব্দের সঠিক অর্থ হলো <strong>গরু জাতি</strong> বা গরুর পাল। শব্দটি বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়, ‘গো’ মানে গরু এবং ‘কুল’ মানে বংশ বা সমূহ। তাই একত্রে গোকুল বলতে মূলত গরুর সমষ্টি বা গরুর পালকে বোঝানো হয়।</p>

<ul>
<li><strong>গো</strong> = গরু</li>
<li><strong>কুল</strong> = বংশ বা সমূহ</li>
<li>সুতরাং, <strong>গোকুল</strong> = গরুর পাল বা গরু জাতি।</li>
</ul>

<p>সহজ কথায়, যেখানে অনেক গরু একত্রে থাকে, সেই স্থান বা গরুর বংশকেই গোকুল বলা হয়।</p>
২১৬৬

'সোভিয়েতের দিনগুলি' ভ্রমণকাহিনীটির রচয়িতা কে?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
বেগম সুফিয়া কামাল
ব্যাখ্যা:
<p>'সোভিয়েতের দিনগুলি' ভ্রমণকাহিনীটির রচয়িতা হলেন <strong>বেগম সুফিয়া কামাল</strong>।</p>

<p>বিষয়টি মনে রাখার জন্য একটি সহজ কৌশল অবলম্বন করতে পারেন:</p>

<ul>
<li>বেগম সুফিয়া কামাল তাঁর সোভিয়েত ইউনিয়ন ভ্রমণের অভিজ্ঞতার আলোকে এই চমৎকার ভ্রমণকাহিনীটি লিখেছিলেন।</li>
<li>সাহিত্যিক ও সমাজসেবী হিসেবে তাঁর বিভিন্ন রচনার মধ্যে এটি একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ কাজ, যা আমাদের তৎকালীন সোভিয়েত সমাজ ও জীবনযাত্রা সম্পর্কে ধারণা দেয়।</li>
</ul>

<p>সহজ কথায়, সোভিয়েত ইউনিয়নের স্মৃতি নিয়ে লেখা এই বইটি সুফিয়া কামালের অনন্য সৃষ্টি। তাই সঠিক উত্তরটি হলো <strong>বেগম সুফিয়া কামাল</strong>।</p>
২১৬৭

‘বিশ্বে যা কিছু মহান সৃষ্টি চির কল্যাণকর, অর্ধেক তার করিয়াছে নারী অর্ধেক তার নর।’ কবিতাংশটুকু কোন কবির লেখা?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
কাজী নজরুল ইসলাম
ব্যাখ্যা:
<p>এই বিখ্যাত পঙক্তিটি আমাদের জাতীয় কবি <strong>কাজী নজরুল ইসলাম</strong>-এর লেখা। এটি তাঁর বিখ্যাত <strong>'নারী'</strong> কবিতার অংশ।</p>

<p>সহজে মনে রাখার উপায়:</p>
<ul>
<li>নজরুল ইসলাম সব সময় সাম্য ও সমতার কথা বলতেন।</li>
<li>নারী ও পুরুষের সমান অধিকারের কথা তাঁর লেখায় সবচেয়ে জোরালোভাবে ফুটে উঠেছে।</li>
<li>তাই যখনই নারী-পুরুষের সমতা নিয়ে কোনো শক্তিশালী পঙক্তি দেখবেন, চোখ বন্ধ করে ধরে নেবেন এটি বিদ্রোহী কবি কাজী নজরুল ইসলামেরই সৃষ্টি।</li>
</ul>
২১৬৮

‘হে কবি, নীরব কেন ফাগুন যে এসেছে ধরায়, বসন্তেরে বরিয়া তুমি বলবে না কি তব বন্দনায়? উদ্ধৃতাংশের রচয়িতা কে?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
বেগম সুফিয়া কামাল
ব্যাখ্যা:
<p>এই বিখ্যাত পঙক্তিটির রচয়িতা হলেন <strong>বেগম সুফিয়া কামাল</strong>। তাঁর লেখা <strong>'আজ বসন্ত'</strong> কবিতা থেকে এই অংশটি নেওয়া হয়েছে।</p>

<p>বিষয়টি মনে রাখার জন্য একটি সহজ কৌশল মাথায় রাখতে পারেন:</p>

<ul>
<li>বেগম সুফিয়া কামাল তাঁর কবিতায় প্রকৃতি এবং ঋতুকে খুব মমতার সাথে ফুটিয়ে তুলতেন।</li>
<li>'আজ বসন্ত' কবিতাটি বাংলা সাহিত্যের অন্যতম জনপ্রিয় একটি সৃষ্টি, যেখানে তিনি বসন্তের আগমনে কবির নীরবতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন।</li>
<li>পরীক্ষায় এই লাইনটি প্রায়ই আসে, তাই কবির নাম এবং কবিতার শিরোনামটি একসাথে মনে রাখলে আর ভুল হবে না।</li>
</ul>
২১৬৯

নিচের কোনটি খাঁটি বাংলা উপসর্গের উদাহরণ ?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
কুকথা
ব্যাখ্যা:
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>কুকথা</strong>। বিষয়টি খুব সহজ, কারণ বাংলা ব্যাকরণে খাঁটি বাংলা উপসর্গগুলো নির্দিষ্ট কিছু শব্দের সাথে যুক্ত হয়ে নতুন শব্দ তৈরি করে।</p>

<p>সহজভাবে মনে রাখার উপায়:</p>
<ul>
<li>বাংলা ভাষায় মোট খাঁটি বাংলা উপসর্গের সংখ্যা ২১টি।</li>
<li>এর মধ্যে <strong>'কু'</strong> একটি অত্যন্ত পরিচিত খাঁটি বাংলা উপসর্গ।</li>
<li>যখন 'কু' উপসর্গটি 'কথা' শব্দের আগে যুক্ত হয়, তখন এটি 'কুকথা' শব্দটি গঠন করে, যার অর্থ মন্দ বা খারাপ কথা।</li>
</ul>

<p>অন্যান্য অপশনগুলো মূলত সংস্কৃত বা বিদেশি উপসর্গ থেকে এসেছে, তাই সেগুলো খাঁটি বাংলা উপসর্গের তালিকায় পড়ে না। শুধু মনে রাখবেন, <strong>'কু'</strong> থাকলেই সেটি খাঁটি বাংলা উপসর্গের উদাহরণ হিসেবে গণ্য হবে।</p>
২১৭০

কোন শব্দটি খাঁটি বাংলা উপসর্গযোগে গঠিত?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
অজ পাড়াগাঁ
ব্যাখ্যা:
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>অজ পাড়াগাঁ</strong>। বিষয়টি খুব সহজভাবে মনে রাখা যায়:</p>

<ul>
<li>বাংলা ব্যাকরণে <strong>অজ</strong> একটি খাঁটি বাংলা উপসর্গ।</li>
<li>যখন কোনো শব্দের আগে 'অজ' যুক্ত হয়ে সেটির অর্থকে আরও জোরালো বা বিশেষায়িত করে, তখন তাকে খাঁটি বাংলা উপসর্গযোগে গঠিত শব্দ বলা হয়।</li>
<li>এখানে 'পাড়াগাঁ' শব্দের শুরুতে 'অজ' যুক্ত হয়ে 'অজ পাড়াগাঁ' শব্দটি তৈরি হয়েছে, যা একটি খাঁটি বাংলা শব্দ।</li>
</ul>

<p>অন্যান্য অপশনগুলো খেয়াল করলে দেখবেন, সেগুলোতে হয় সংস্কৃত অথবা বিদেশি ভাষার উপসর্গ ব্যবহৃত হয়েছে, তাই সেগুলো সঠিক নয়।</p>
২১৭১

বিভুঁই, বিফল, বিপথ-এ শব্দগুলোতে নিচের কোন উপসর্গটির প্রয়োগ ঘটেছে?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
বি উপসর্গ
ব্যাখ্যা:
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>বি উপসর্গ</strong>। বিষয়টি খুব সহজ, একটু খেয়াল করলেই বুঝতে পারবেন:</p>

<ul>
<li><strong>বি</strong> একটি খাঁটি বাংলা উপসর্গ।</li>
<li>যখন কোনো শব্দের শুরুতে <strong>বি</strong> যুক্ত হয়ে বিশেষ কোনো অর্থ প্রকাশ করে, তখন তাকে আমরা উপসর্গ হিসেবে ধরি।</li>
<li>যেমন: <strong>বি</strong> + ভূঁই = বিভুঁই (অন্য দেশ), <strong>বি</strong> + ফল = বিফল (যা সফল নয়), <strong>বি</strong> + পথ = বিপথ (ভুল পথ)।</li>
</ul>

<p>সহজ কথায়, এই শব্দগুলোর মূল অংশের আগে <strong>বি</strong> যুক্ত হয়ে নতুন অর্থ তৈরি করেছে, তাই এখানে <strong>বি উপসর্গ</strong> ব্যবহৃত হয়েছে।</p>
২১৭২

‘বৃহস্পতি’ একটি সন্ধিবদ্ধ শব্দ। এর সন্ধিবিচ্ছেদ করলে পাওয়া যায়-

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
বৃহৎ+পতি
ব্যাখ্যা:
<p>‘বৃহস্পতি’ শব্দটির সঠিক সন্ধিবিচ্ছেদ হলো <strong>বৃহৎ + পতি</strong>। এটি মূলত ব্যঞ্জনসন্ধির একটি বিশেষ নিয়ম মেনে চলে। বিষয়টি খুব সহজভাবে মনে রাখা যায় এভাবে:</p>

<ul>
<li>সংস্কৃত ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী, যদি ‘ৎ’ বা ‘দ্’-এর পরে ‘প’ থাকে, তবে সন্ধির সময় ‘ৎ’ বা ‘দ্’ স্থানে ‘স্’ (দন্ত্য-স) চলে আসে।</li>
<li>এখানে <strong>বৃহৎ</strong> শব্দের শেষে থাকা ‘ৎ’-এর সাথে <strong>পতি</strong> শব্দের ‘প’-এর মিলন ঘটেছে।</li>
<li>নিয়ম অনুযায়ী, এই ‘ৎ’ পরিবর্তিত হয়ে ‘স্’ হয়ে যায়, ফলে শব্দটি দাঁড়ায়: <strong>বৃহৎ + পতি = বৃহস্পতি</strong>।</li>
</ul>

<p>সহজ কথায়, সন্ধি করার সময় ‘ৎ’ বর্ণটি ‘স্’ বর্ণে রূপান্তরিত হয়ে শব্দটিকে পূর্ণতা দেয়।</p>
২১৭৩

'বৃহস্পতি' - এর সন্ধিবিচ্ছেদ কোনটি?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
বৃহঃ + পতি
ব্যাখ্যা:
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>বৃহঃ + পতি</strong>। সন্ধির নিয়ম অনুযায়ী এটি একটি বিসর্গ সন্ধির উদাহরণ।</p>

<ul>
<li>বাংলা ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী, বিসর্গের পর যদি 'প' বা 'ফ' থাকে, তবে বিসর্গটি অনেক সময় অপরিবর্তিত থাকে।</li>
<li>সেই নিয়ম মেনেই <strong>বৃহঃ</strong> এর সাথে <strong>পতি</strong> যুক্ত হয়ে <strong>বৃহস্পতি</strong> শব্দটি গঠিত হয়েছে।</li>
<li>সহজ কথায়, এখানে বিসর্গটি লোপ না পেয়ে বা পরিবর্তিত না হয়ে সরাসরি যুক্ত হয়েছে, যা সন্ধির একটি বিশেষ নিয়ম।</li>
</ul>
২১৭৪

সন্ধিঘটিত কোন শব্দটি শুদ্ধ?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
আদ্যান্ত
ব্যাখ্যা:
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>আদ্যান্ত</strong>। সন্ধি বিচ্ছেদের নিয়ম অনুযায়ী শব্দটি গঠিত হয়েছে এভাবে:</p>

<ul>
<li>আদি + অন্ত = আদ্যান্ত</li>
<li>এখানে 'আদি' শব্দের শেষ বর্ণ 'ই' এবং 'অন্ত' শব্দের শুরুর বর্ণ 'অ'-এর মিলনে 'য' (য-ফলা) তৈরি হয়েছে, যা একটি শুদ্ধ সন্ধি।</li>
</ul>

<p>সহজ কথায়, সন্ধির নিয়ম মেনে আদি ও অন্তের মিলন ঘটিয়ে শব্দটি সঠিকভাবে গঠন করা হয়েছে বলেই এটি শুদ্ধ।</p>
২১৭৫

‘গণ্ডগ্রাম’ -এর সমার্থক কি?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
অতি ক্ষুদ্র গ্রাম
ব্যাখ্যা:
<p>‘গণ্ডগ্রাম’ শব্দটির সঠিক অর্থ হলো <strong>অতি ক্ষুদ্র গ্রাম</strong>। বাংলা ভাষায় ‘গণ্ড’ শব্দটি অনেক সময় ছোট বা ক্ষুদ্র কোনো কিছুর পরিমাপ বোঝাতে ব্যবহৃত হয়। তাই যখন কোনো গ্রাম আয়তনে বা লোকসংখ্যায় খুব ছোট হয়, তখন তাকে এক কথায় ‘গণ্ডগ্রাম’ বলা হয়।</p>

<p>সহজভাবে মনে রাখার উপায়:</p>
<ul>
<li><strong>গণ্ড</strong> = ক্ষুদ্র বা ছোট অংশ।</li>
<li><strong>গ্রাম</strong> = জনবসতি।</li>
<li>অর্থাৎ, যে গ্রামটি আকারে বেশ ছোট, সেটিই হলো <strong>গণ্ডগ্রাম</strong>।</li>
</ul>
Support
Curiosity AI Assistant
24/7 লাইভ
eProstuti ডেটাবেস ও অটোমেশন ইঞ্জিন
এআই চ্যাট WhatsApp Messenger Instagram
👋 আসসালামু আলাইকুম শিক্ষার্থী !

আমি eProstuti Curiosity AI। আমাদের সকল লাইভ কোর্স, মডেল টেস্ট, ই-বুক, নোটিশ এবং পেমেন্ট সংক্রান্ত তথ্য নিমেষেই জানতে পারবেন।

দ্রুত উত্তরের জন্য নিচের টপিক চাপুন অথবা নিচে লিখুন:

উত্তরের তথ্য বিশ্লেষণ করা হচ্ছে...
eProstuti AI সহকারী
সার্বক্ষণিক সহায়তায় প্রস্তুত
লগইন আবশ্যক

ব্যক্তিগত সহায়তা এবং আপনার কোর্স, পরীক্ষা ও পেমেন্ট হিস্ট্রি দেখতে অ্যাকাউন্টে লগইন করুন।

* চ্যাটবট সরাসরি অ্যাকাউন্ট তৈরি বা লগইন করতে পারে না।