<p>‘অতিকায়’ শব্দের সঠিক বিপরীত শব্দ হলো <strong>ক্ষুদ্রকায়</strong>। বিষয়টি খুব সহজভাবে বোঝা যায় এভাবে:</p>
<ul>
<li>‘অতিকায়’ শব্দটির অর্থ হলো যার শরীর বা আকার অনেক বিশাল বা বড়।</li>
<li>এর বিপরীত অর্থ প্রকাশ করতে এমন একটি শব্দ প্রয়োজন যা ছোট আকার বা শরীরকে বোঝায়।</li>
<li>‘ক্ষুদ্র’ মানে ছোট এবং ‘কায়’ মানে শরীর বা দেহ। তাই ‘ক্ষুদ্রকায়’ শব্দটি সরাসরি ‘অতিকায়’-এর বিপরীত অর্থ বহন করে।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, বিশাল আকৃতির বিপরীত হলো ছোট আকৃতি, আর সেই কারণেই এখানে সঠিক উত্তরটি হলো <strong>ক্ষুদ্রকায়</strong>।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>বর্ধমান</strong>। বিষয়টি খুব সহজভাবে মনে রাখা যায়:</p>
<ul>
<li>'ক্ষীয়মাণ' শব্দটির অর্থ হলো যা ধীরে ধীরে ক্ষয় হচ্ছে বা কমে যাচ্ছে।</li>
<li>অন্যদিকে, 'বর্ধমান' শব্দটির অর্থ হলো যা ক্রমাগত বৃদ্ধি পাচ্ছে বা বেড়ে চলেছে।</li>
<li>যেহেতু একটি শব্দ কমার কথা বলছে এবং অন্যটি বাড়ার কথা বলছে, তাই এরা একে অপরের বিপরীত।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, ক্ষয় হওয়ার বিপরীত হলো বৃদ্ধি পাওয়া, তাই ক্ষীয়মাণের সঠিক বিপরীত শব্দ হিসেবে <strong>বর্ধমান</strong>-ই সবচেয়ে উপযুক্ত।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>ক্ষুদ্রকায়</strong>। বিষয়টি খুব সহজ, কারণ 'অতিকায়' শব্দটির অর্থ হলো যার শরীর বা আকার অনেক বিশাল। এর বিপরীত অর্থ বোঝাতে এমন একটি শব্দ প্রয়োজন যা ছোট আকারকে নির্দেশ করে।</p>
<ul>
<li><strong>অতিকায়</strong> মানে হলো বিশাল বা অনেক বড় আকৃতির কিছু।</li>
<li>এর বিপরীত হিসেবে <strong>ক্ষুদ্রকায়</strong> শব্দটি একদম নিখুঁত, কারণ 'ক্ষুদ্র' মানেই ছোট এবং 'কায়' মানে শরীর বা আকার।</li>
<li>সহজ কথায়, বিশাল শরীরের বিপরীত হলো ছোট শরীর, তাই এখানে ক্ষুদ্রকায় শব্দটিই সবচেয়ে মানানসই।</li>
</ul>
<p>বৃহস্পতি শব্দটির সঠিক সন্ধি বিচ্ছেদ হলো <strong>বৃহৎ + পতি</strong>। এটি ব্যঞ্জনসন্ধির একটি বিশেষ নিয়মের মাধ্যমে গঠিত হয়েছে। বিষয়টি খুব সহজভাবে মনে রাখতে পারেন:</p>
<ul>
<li>ব্যঞ্জনসন্ধির নিয়ম অনুযায়ী, যদি পদের শেষে <strong>ৎ</strong> থাকে এবং তার পরে <strong>প</strong> বর্ণটি আসে, তবে সন্ধির সময় <strong>ৎ</strong>-এর পরিবর্তে <strong>স</strong> চলে আসে।</li>
<li>এখানে, <strong>বৃহৎ</strong> শব্দের শেষে থাকা <strong>ৎ</strong> এবং <strong>পতি</strong> শব্দের শুরুতে থাকা <strong>প</strong> মিলে সন্ধিবদ্ধ অবস্থায় <strong>স্প</strong> তৈরি করেছে।</li>
<li>অর্থাৎ: <strong>বৃহৎ + পতি = বৃহস্পতি</strong>।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, <strong>ৎ + প = স্প</strong>—এই সূত্রটি মনে রাখলেই এমন সন্ধিগুলো খুব সহজে সমাধান করা সম্ভব।</p>
<p>‘বৃষ্টি’ শব্দের সঠিক সন্ধি বিচ্ছেদ হলো <strong>বৃষ্ + তি</strong>। এটি ব্যঞ্জনসন্ধির একটি বিশেষ নিয়ম মেনে চলে। বিষয়টি সহজভাবে বুঝতে নিচের ধাপগুলো খেয়াল করুন:</p>
<ul>
<li>সন্ধির নিয়ম অনুযায়ী, যদি 'ষ্' ধ্বনির পরে 'ত' থাকে, তবে সেই 'ত' পরিবর্তিত হয়ে 'ট' হয়ে যায়।</li>
<li>এখানে <strong>বৃষ্</strong> এর সাথে <strong>তি</strong> যুক্ত হওয়ার সময় নিয়মের খাতিরে 'তি' পরিবর্তিত হয়ে 'টি' তে রূপ নেয়।</li>
<li>ফলে শব্দটির গঠন দাঁড়ায়: <strong>বৃষ্ + তি = বৃষ্টি</strong>।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, ব্যঞ্জনবর্ণের এই পরিবর্তনের কারণেই 'বৃষ্টি' শব্দটি গঠিত হয়েছে। তাই সঠিক উত্তরটি হলো <strong>বৃষ্ + তি</strong>।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>বৃষ্ + তি</strong>। সন্ধি বিচ্ছেদের নিয়ম অনুযায়ী, যখন 'ষ্'-এর সাথে 'ত' যুক্ত হয়, তখন 'ত' পরিবর্তিত হয়ে 'ট' হয়ে যায়। এই নিয়মটি মনে রাখা খুব সহজ:</p>
<ul>
<li>সংস্কৃত ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী, মূর্ধন্য 'ষ'-এর পরে যদি 'ত' থাকে, তবে সেই 'ত' পরিবর্তিত হয়ে 'ট' হয়ে যায়।</li>
<li>অর্থাৎ, সন্ধির সময় আমরা পাই: <strong>বৃষ্ + তি = বৃষ্টি</strong>।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, 'ষ'-এর প্রভাবে 'ত' বর্ণটি 'ট'-এ রূপান্তর ঘটে, তাই সঠিক সন্ধি বিচ্ছেদ হবে <strong>বৃষ্ + তি</strong>।</p>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>বৃন্দাবনে চৈতন্যের ছয় শিষ্য</strong>। বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ। মহাপ্রভু শ্রীচৈতন্যের আদর্শ ও ভক্তিধর্ম প্রচারের জন্য তিনি ছয়জন প্রধান অনুসারীকে বৃন্দাবনে পাঠিয়েছিলেন, যারা ইতিহাসে 'ষড় গোস্বামী' নামে পরিচিত।</p>
<p>সহজে মনে রাখার জন্য এই ছয়জনের নামগুলো দেখে নিতে পারেন:</p>
<ul>
<li>সনাতন গোস্বামী</li>
<li>রূপ গোস্বামী</li>
<li>রঘুনাথ ভট্ট গোস্বামী</li>
<li>জীব গোস্বামী</li>
<li>গোপাল ভট্ট গোস্বামী</li>
<li>রঘুনাথ দাস গোস্বামী</li>
</ul>
<p>এই ছয়জন সাধক বৃন্দাবনে থেকে বৈষ্ণব শাস্ত্র রচনা এবং ভক্তিধর্মের প্রসারে অসামান্য অবদান রেখেছিলেন, তাই তাদের একত্রে <strong>ষড় গোস্বামী</strong> বলা হয়।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>চৈতন্য জীবনী গ্রন্থ</strong>। বিষয়টি খুব সহজভাবে মনে রাখা যায়:</p>
<ul>
<li>বাংলা সাহিত্যে 'কড়চা' শব্দটি মূলত ভ্রমণবৃত্তান্ত বা দিনলিপি বোঝাতে ব্যবহৃত হলেও, মধ্যযুগের বৈষ্ণব সাহিত্যে এটি বিশেষভাবে <strong>চৈতন্যদেবের জীবনী</strong> বা তাঁর জীবনের বিভিন্ন ঘটনার বিবরণ সংবলিত গ্রন্থকে নির্দেশ করে।</li>
<li>সহজ কথায়, চৈতন্যদেবের জীবনের নানা ঘটনা বা ভ্রমণকাহিনি যখন ডায়েরির মতো করে লেখা হয়, তখন তাকেই 'কড়চা' বলা হয়।</li>
<li>তাই পরীক্ষার খাতায় বা সাহিত্যের আলোচনায় 'কড়চা' বলতে সরাসরি <strong>চৈতন্য জীবনী গ্রন্থ</strong>কেই বোঝানো হয়।</li>
</ul>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>মুরারিগুপ্ত</strong>। বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ, কারণ শ্রী চৈতন্যের সমসাময়িক ভক্তদের মধ্যে তিনিই প্রথম তাঁর জীবন ও লীলা নিয়ে সংস্কৃত ভাষায় <strong>'শ্রীকৃষ্ণচৈতন্যচরিতামৃত'</strong> নামক বিখ্যাত কড়চা বা জীবনীগ্রন্থটি রচনা করেছিলেন।</p>
<p>সহজভাবে মনে রাখার উপায়:</p>
<ul>
<li>শ্রী চৈতন্যের অত্যন্ত ঘনিষ্ঠ ও অন্তরঙ্গ ভক্ত ছিলেন মুরারিগুপ্ত।</li>
<li>তিনি চৈতন্যদেবের অলৌকিক লীলাগুলো প্রত্যক্ষ করেছিলেন, তাই তাঁর লেখাটিই চৈতন্য জীবনী সাহিত্যের আদি উৎস হিসেবে গণ্য হয়।</li>
<li>অন্যান্য জীবনীকাররা পরবর্তীতে তাঁর এই কড়চার ওপর ভিত্তি করেই বিস্তারিত গ্রন্থ রচনা করেছিলেন।</li>
</ul>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>বর্ধমান</strong>। বিষয়টি খুব সহজ— ‘ক্ষীয়মাণ’ শব্দটির অর্থ হলো যা ধীরে ধীরে কমে যাচ্ছে বা ক্ষয় হচ্ছে। এর ঠিক উল্টো বা বিপরীত অবস্থা হলো যা ক্রমশ বড় হচ্ছে বা বেড়ে চলছে।</p>
<ul>
<li><strong>ক্ষীয়মাণ:</strong> যা ক্ষয়প্রাপ্ত হচ্ছে বা কমে যাচ্ছে।</li>
<li><strong>বর্ধমান:</strong> যা ক্রমাগত বৃদ্ধি পাচ্ছে বা বেড়ে চলেছে।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, কোনো কিছু কমে যাওয়ার বিপরীত হলো বেড়ে যাওয়া, তাই ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী ‘ক্ষীয়মাণ’-এর সঠিক বিপরীত শব্দ হিসেবে ‘বর্ধমান’ সবচেয়ে মানানসই।</p>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>বর্ধমান</strong>। বিষয়টি খুব সহজভাবে মনে রাখা যায়:</p>
<ul>
<li>‘ক্ষীয়মান’ শব্দটি এসেছে ‘ক্ষয়’ থেকে, যার অর্থ হলো যা ধীরে ধীরে কমে যাচ্ছে বা হ্রাস পাচ্ছে।</li>
<li>এর বিপরীত শব্দ হিসেবে আমাদের এমন একটি শব্দ প্রয়োজন যা ‘বেড়ে যাওয়া’ বা ‘বৃদ্ধি পাওয়া’ বোঝায়।</li>
<li><strong>বর্ধমান</strong> শব্দটির অর্থ হলো যা ক্রমাগত বৃদ্ধি পাচ্ছে বা বেড়ে চলেছে।</li>
</ul>
<p>তাই ব্যাকরণগত দিক থেকে ‘ক্ষীয়মান’ (হ্রাস পাওয়া) এর ঠিক উল্টো অর্থ প্রকাশ করে <strong>বর্ধমান</strong>।</p>
<p>‘বর্ষীয়ান’ শব্দটির সঠিক প্রকৃতি ও প্রত্যয় হলো <strong>বৃদ্ধ + ঈয়স</strong>। এটি মূলত সংস্কৃত ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী গঠিত একটি শব্দ। বিষয়টি সহজে মনে রাখার জন্য নিচের ধাপগুলো খেয়াল করুন:</p>
<ul>
<li>সংস্কৃত ব্যাকরণে ‘বৃদ্ধ’ শব্দের সাথে <strong>ঈয়সুন্</strong> প্রত্যয় যুক্ত হয়ে ‘বর্ষীয়ান’ শব্দটি গঠিত হয়।</li>
<li>এখানে ‘বৃদ্ধ’ শব্দের ‘ঋ’ কারটি ‘অর’ হয়ে যায় এবং ‘ঈয়সুন্’ প্রত্যয়ের ‘ঈয়স’ অংশটি অবশিষ্ট থাকে।</li>
<li>সহজ কথায়, মূল শব্দ <strong>বৃদ্ধ</strong> এবং প্রত্যয় হিসেবে যুক্ত হয়েছে <strong>ঈয়স</strong>।</li>
</ul>
<p>পরীক্ষায় মনে রাখার সহজ কৌশল হলো, ‘বর্ষীয়ান’ শব্দের শেষে ‘ঈয়স’ ধ্বনিটি স্পষ্ট শোনা যায়, তাই এটিই এর সঠিক প্রত্যয়।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>বৃত্তি বা উপজীবিকা</strong>। বিষয়টি খুব সহজভাবে মনে রাখা যায়:</p>
<ul>
<li>তদ্ধিত প্রত্যয়ের ক্ষেত্রে যখন কোনো শব্দের সাথে প্রত্যয় যুক্ত হয়ে সেই ব্যক্তির পেশা বা জীবিকা অর্জনের মাধ্যমকে বোঝায়, তখন তাকে বৃত্তি বা উপজীবিকা অর্থে তদ্ধিত প্রত্যয় বলা হয়।</li>
<li>যেমন: <strong>ঘর</strong> যে ছায় বা তৈরি করে সে হলো <strong>ঘরামী</strong>, অর্থাৎ এটি তার পেশা বা বৃত্তি।</li>
<li>একইভাবে, মাছ ধরা বা বিক্রি করা যাদের পেশা, তাদের <strong>মেছে</strong> বলা হয়।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, যে শব্দগুলো দিয়ে কোনো ব্যক্তির কাজ বা উপার্জনের উপায় প্রকাশ পায়, সেগুলোই এই শ্রেণির অন্তর্ভুক্ত।</p>
MCQ পরীক্ষা সেটিংস
বাংলা
eProstuti
সহজ ও দ্রুত ক্লাস করতে অ্যাপটি ইনস্টল করুন
iPhone / iPad এ ইনস্টল করুন
eProstuti
১Safari ব্রাউজারের নিচে থাকা Share ( ) বাটনে চাপ দিন।
২নিচের দিকে স্ক্রোল করে 'Add to Home Screen' ( ) নির্বাচন করুন।
৩উপরে ডানে থাকা 'Add' বাটনে ট্যাপ করুন।
Android এ অ্যাপ ইনস্টল করুন
eProstuti
১Chrome ব্রাউজারের উপরে ডানে থাকা থ্রি-ডট ( ) মেনু চাপুন।
২তালিকায় 'Install app' বা 'Add to Home screen' ( ) এ ট্যাপ করুন।
ডাউনলোড সম্পন্ন হলে ফাইলটি ওপেন করে Install চাপুন।
যদি "Install unknown apps" বা "Unknown sources" অনুমতি চায়, তাহলে সেটি Allow করে আবার ইনস্টল করুন।
ইনস্টল শেষ হলে অ্যাপটি খুলে আপনার অ্যাকাউন্টে লগইন করুন।
অ্যাপের সুবিধা:
সকল লাইভ ক্লাস
রেকর্ডেড ক্লাস
অনলাইন পরীক্ষা
ই-বুক ও নোটিশ
সবকিছু এক জায়গা থেকেই সহজে ব্যবহার করুন!
ব্রাউজারে খুলুন
⚠️ মনে হচ্ছে আপনি এই ওয়েবসাইটটি ফেসবুক বা অন্য কোনো অ্যাপের ভেতরের ব্রাউজার থেকে খুলেছেন।
ভালোভাবে কাজ করার জন্য দয়া করে এটি আপনার মূল ব্রাউজারে (যেমন Chrome) খুলুন।
👉 উপরে থাকা ⋮ বা ••• বাটনে চাপ দিন → তারপর “Open in Browser” সিলেক্ট করুন।