<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>সাধিত</strong>। বিষয়টি খুব সহজ, কারণ বাংলা ভাষায় উপসর্গের প্রধানত তিনটি বিভাগ রয়েছে। এই বিভাগগুলো হলো:</p>
<ul>
<li><strong>সংস্কৃত উপসর্গ:</strong> যা তৎসম শব্দের আগে বসে।</li>
<li><strong>বাংলা বা খাঁটি বাংলা উপসর্গ:</strong> যা দেশি শব্দের আগে বসে।</li>
<li><strong>বিদেশি উপসর্গ:</strong> যা আরবি, ফারসি বা ইংরেজি শব্দের আগে বসে।</li>
</ul>
<p>অন্যদিকে, <strong>সাধিত</strong> শব্দটি কোনো উপসর্গের বিভাগ নয়, বরং এটি শব্দের একটি গঠনগত রূপ মাত্র। তাই উপসর্গের তালিকার সাথে এর কোনো সম্পর্ক নেই।</p>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>বিদেশী</strong>। বিষয়টি খুব সহজ, একটু খেয়াল করলেই বুঝতে পারবেন:</p>
<ul>
<li>'বর' একটি ফারসি শব্দ, যা বাংলা ভাষায় উপসর্গ হিসেবে ব্যবহৃত হয়।</li>
<li>এটি মূলত কোনো শব্দের আগে বসে সেই শব্দের অর্থ পরিবর্তন করে বা নতুন অর্থ তৈরি করে।</li>
<li>যেমন: 'বর' + 'খাস্ত' = 'বরখাস্ত', 'বর' + 'খেলাপ' = 'বরখেলাপ'।</li>
<li>যেহেতু 'বর' শব্দটি ফারসি ভাষা থেকে এসেছে, তাই ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী এটি <strong>বিদেশী উপসর্গ</strong> হিসেবে গণ্য হয়।</li>
</ul>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>সাধিত</strong>। বিষয়টি খুব সহজ, কারণ বাংলা ভাষায় উপসর্গ মূলত তিনটি প্রধান উৎস থেকে এসেছে। এই উৎসগুলো হলো:</p>
<ul>
<li><strong>সংস্কৃত উপসর্গ:</strong> যা তৎসম শব্দের আগে বসে।</li>
<li><strong>বাংলা বা খাঁটি বাংলা উপসর্গ:</strong> যা দেশি শব্দের সাথে ব্যবহৃত হয়।</li>
<li><strong>বিদেশি উপসর্গ:</strong> যা ফারসি, আরবি বা ইংরেজি শব্দ থেকে এসেছে।</li>
</ul>
<p>অন্যদিকে, <strong>সাধিত</strong> কোনো উপসর্গের বিভাগ নয়; বরং এটি শব্দের একটি গঠনগত রূপ। অর্থাৎ, যে শব্দগুলো উপসর্গ, প্রত্যয় বা সমাসের মাধ্যমে নতুন করে তৈরি হয়, সেগুলোকে সাধিত শব্দ বলা হয়। তাই উপসর্গের শ্রেণিবিন্যাসে 'সাধিত' শব্দটি কোনোভাবেই খাপ খায় না।</p>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>তৎসম শব্দ</strong>। বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ, কারণ বাংলা ব্যাকরণের নত্ব ও ষত্ব বিধান মূলত সংস্কৃত বা তৎসম শব্দের ক্ষেত্রেই প্রযোজ্য।</p>
<p>সহজ কিছু পয়েন্ট মনে রাখলেই হবে:</p>
<ul>
<li>বাংলা ভাষায় যেসব শব্দ সরাসরি সংস্কৃত থেকে এসেছে, সেগুলোকে আমরা <strong>তৎসম শব্দ</strong> বলি।</li>
<li>সংস্কৃত ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী এই শব্দগুলোতে স্বভাবতই <strong>‘ণ’</strong> এবং <strong>‘ষ’</strong>-এর ব্যবহার দেখা যায়।</li>
<li>দেশি, বিদেশি বা অর্ধ-তৎসম শব্দে সাধারণত নত্ব ও ষত্ব বিধানের নিয়ম খাটে না, তাই সেখানে ‘ণ’ বা ‘ষ’ ব্যবহারের বাধ্যবাধকতা নেই।</li>
</ul>
<p>তাই যখনই কোনো শব্দে ‘ণ’ বা ‘ষ’ দেখবেন, চোখ বন্ধ করে ধরে নিতে পারেন সেটি একটি তৎসম শব্দ!</p>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>মিশ্র শব্দ</strong>। বিষয়টি খুব সহজ, কারণ এই শব্দটি দুটি ভিন্ন ভাষার শব্দের মিলনে গঠিত হয়েছে।</p>
<ul>
<li><strong>খ্রিস্ট</strong> শব্দটি ইংরেজি (Christ) ভাষা থেকে এসেছে।</li>
<li><strong>অব্দ</strong> শব্দটি সংস্কৃত ভাষা থেকে এসেছে।</li>
<li>যখন দুটি ভিন্ন ভাষার শব্দ মিলে একটি নতুন শব্দ তৈরি হয়, তখন তাকে ব্যাকরণের ভাষায় <strong>মিশ্র শব্দ</strong> বলা হয়।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, ইংরেজি ও সংস্কৃতের এমন মেলবন্ধনের কারণেই ‘খ্রিস্টাব্দ’ একটি মিশ্র শব্দ।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>সংস্কৃত থেকে উদ্ভূত</strong>। বিষয়টি খুব সহজভাবে মনে রাখা যায়:</p>
<ul>
<li>'তদ্ভব' শব্দটির সন্ধি বিচ্ছেদ করলে পাওয়া যায় <strong>তৎ + ভব</strong>।</li>
<li>এখানে 'তৎ' মানে হলো 'সংস্কৃত' এবং 'ভব' মানে হলো 'উৎপন্ন বা জাত'।</li>
<li>সহজ কথায়, যেসব শব্দ সংস্কৃত ভাষা থেকে বিবর্তিত হয়ে প্রাকৃতের মাধ্যমে পরিবর্তিত হয়ে বাংলা ভাষায় এসেছে, তাদেরই তদ্ভব শব্দ বলা হয়।</li>
</ul>
<p>যেমন: সংস্কৃত শব্দ <strong>হস্ত</strong> থেকে প্রাকৃত হয়ে বাংলায় এসেছে <strong>হাত</strong>। অর্থাৎ, সংস্কৃত থেকে উদ্ভূত হওয়াই হলো তদ্ভব শব্দের মূল পরিচয়।</p>
<p>‘চলনসই’ শব্দটির সঠিক উত্তর হলো <strong>বিদেশি তদ্ধিত প্রত্যয়</strong>। বিষয়টি খুব সহজভাবে এভাবে মনে রাখতে পারেন:</p>
<ul>
<li>‘সই’ শব্দটি মূলত ফারসি ভাষা থেকে এসেছে, যার অর্থ হলো ‘উপযোগী’ বা ‘মানানসই’।</li>
<li>বাংলা ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী, যখন কোনো বিদেশি শব্দ মূল শব্দের সাথে যুক্ত হয়ে নতুন শব্দ তৈরি করে, তখন তাকে <strong>বিদেশি তদ্ধিত প্রত্যয়</strong> বলা হয়।</li>
<li>এখানে ‘চলন’ একটি ক্রিয়াবাচক শব্দ এবং এর সাথে বিদেশি ‘সই’ প্রত্যয়টি যুক্ত হয়ে একটি বিশেষণ পদ তৈরি করেছে।</li>
</ul>
<p>তাই, যেহেতু ‘সই’ একটি বিদেশি শব্দ থেকে আগত প্রত্যয়, তাই এটি নিঃসন্দেহে বিদেশি তদ্ধিত প্রত্যয়ের অন্তর্ভুক্ত।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>সংস্কৃত উপসর্গ</strong>। বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ, কারণ বাংলা ব্যাকরণে মোট ২০টি সংস্কৃত বা তৎসম উপসর্গ রয়েছে যা আমরা শব্দ গঠনের সময় সরাসরি ব্যবহার করি।</p>
<p>সহজে মনে রাখার জন্য এই ছোট কৌশলটি খেয়াল করুন:</p>
<ul>
<li><strong>প্র, পরা, অপ, সম, নি, অনু, অব, নির, দূর, বি, অধি, সু, উৎ, পরি, প্রতি, অতি, অপি, অভি, উপ, আ</strong> — এই ২০টি হলো সংস্কৃত উপসর্গ।</li>
<li>যেহেতু প্রশ্নে উল্লেখিত 'প্র', 'পরা' এবং 'অপ' এই তালিকার অন্তর্ভুক্ত, তাই চোখ বন্ধ করেই বলা যায় এগুলো সংস্কৃত উপসর্গ।</li>
</ul>
<p>পরীক্ষায় এই ধরনের প্রশ্ন আসলে শুধু এই ২০টির তালিকাটি মাথায় রাখলেই আপনি দ্রুত উত্তর দিতে পারবেন।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>অর্ধ-তৎসম</strong>। বিষয়টি খুব সহজভাবে মনে রাখা যায় এভাবে:</p>
<ul>
<li>সংস্কৃত শব্দ 'গৃহিণী' থেকে প্রাকৃত বা অপভ্রংশের পরিবর্তনের ধারায় শব্দটি প্রথমে 'গহিণী' এবং পরবর্তীতে বাংলায় 'গিন্নি' রূপ নিয়েছে।</li>
<li>যেসব সংস্কৃত শব্দ কিছুটা পরিবর্তিত হয়ে বাংলায় এসেছে, সেগুলোকে ব্যাকরণের ভাষায় <strong>অর্ধ-তৎসম</strong> শব্দ বলা হয়।</li>
<li>সহজ কথায়, 'গিন্নি' শব্দটি পুরোপুরি খাঁটি বাংলাও নয়, আবার হুবহু সংস্কৃতও নয়; তাই এটি অর্ধ-তৎসম শ্রেণির অন্তর্ভুক্ত।</li>
</ul>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>তৎসম</strong>। বিষয়টি খুব সহজভাবে মনে রাখা যায়:</p>
<ul>
<li>সংস্কৃত ভাষা থেকে যে শব্দগুলো সরাসরি বাংলা ভাষায় কোনো পরিবর্তন ছাড়াই চলে এসেছে, সেগুলোকে আমরা তৎসম শব্দ বলি।</li>
<li>'নারিকেল' শব্দটি সংস্কৃত 'নারিকেল' থেকেই সরাসরি বাংলায় এসেছে।</li>
<li>সহজ কথায়, যে শব্দের বানান ও রূপ সংস্কৃতের সাথে হুবহু মিলে যায়, সেগুলোই তৎসম শব্দ। তাই নারিকেল একটি তৎসম শব্দ।</li>
</ul>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>তৎসম</strong> শব্দ। বিষয়টি খুব সহজ, কারণ ণ-ত্ব বিধি মূলত সংস্কৃত ব্যাকরণের নিয়ম মেনে চলে।</p>
<ul>
<li>বাংলা ভাষায় যেসব শব্দ সরাসরি সংস্কৃত ভাষা থেকে এসেছে, সেগুলোকে <strong>তৎসম শব্দ</strong> বলা হয়।</li>
<li>ণ-ত্ব বিধির মূল উদ্দেশ্যই হলো সংস্কৃত শব্দের বানানে মূর্ধন্য-ণ (ণ) এর সঠিক ব্যবহার নিশ্চিত করা।</li>
<li>দেশি, তদ্ভব বা বিদেশি শব্দের ক্ষেত্রে এই নিয়ম সাধারণত খাটে না, তাই শুধুমাত্র তৎসম শব্দের ক্ষেত্রেই ণ-ত্ব বিধি কার্যকর হয়।</li>
</ul>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>তৎসম</strong> শব্দ। বিষয়টি মনে রাখা খুবই সহজ:</p>
<ul>
<li>বাংলা ভাষায় <strong>ণত্ব বিধান</strong> এবং <strong>ষত্ব বিধান</strong> মূলত সংস্কৃত ভাষা থেকে আসা শব্দের ক্ষেত্রে কার্যকর হয়।</li>
<li>যেসব শব্দ সরাসরি সংস্কৃত থেকে বাংলা ভাষায় এসেছে, তাদেরই আমরা <strong>তৎসম</strong> শব্দ বলি।</li>
<li>তদ্ভব, দেশি বা বিদেশি শব্দের ক্ষেত্রে এই নিয়মগুলো সাধারণত খাটে না। তাই মনে রাখবেন, যেখানেই 'ণ' বা 'ষ'-এর ব্যবহারের নিয়ম আসবে, সেখানেই চোখ বন্ধ করে উত্তর হবে <strong>তৎসম</strong> শব্দ।</li>
</ul>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>বি + ছিন্ন</strong>। সন্ধির নিয়ম অনুযায়ী এটি খুব সহজেই বোঝা যায়:</p>
<ul>
<li>ব্যঞ্জনসন্ধির নিয়ম অনুসারে, স্বরবর্ণের পর যদি <strong>ছ</strong> থাকে, তবে সেই <strong>ছ</strong>-এর আগে একটি <strong>চ</strong> যুক্ত হয়।</li>
<li>এখানে <strong>বি</strong> শব্দের শেষে একটি স্বরবর্ণ (ই-কার) আছে এবং তার ঠিক পরেই <strong>ছিন্ন</strong> শব্দটি যুক্ত হয়েছে।</li>
<li>নিয়ম অনুযায়ী, এই <strong>ছ</strong>-এর আগে একটি <strong>চ</strong> চলে আসবে, ফলে শব্দটি হবে: <strong>বি + ছিন্ন = বিচ্ছিন্ন</strong>।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, স্বরবর্ণের সাথে <strong>ছ</strong>-এর মিলনে মাঝখানে একটি <strong>চ</strong> চলে আসে, আর এভাবেই সন্ধিটি গঠিত হয়।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>কলাপী</strong>। কারণটা খুব সহজ, শব্দার্থের দিকে একটু খেয়াল করলেই বিষয়টি পরিষ্কার হয়ে যায়:</p>
<ul>
<li>‘বৃক্ষ’ শব্দের অর্থ হলো গাছ। অটবি, পল্লবী এবং বিটপী—এই তিনটি শব্দই গাছের বিভিন্ন প্রতিশব্দ হিসেবে ব্যবহৃত হয়।</li>
<li>অন্যদিকে, <strong>কলাপী</strong> শব্দের অর্থ হলো ময়ূর। এটি কোনোভাবেই গাছের সাথে সম্পর্কিত নয়।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, যেহেতু ময়ূর একটি পাখি, তাই এটি বৃক্ষ বা গাছের প্রতিশব্দ হওয়ার কোনো সুযোগই নেই। তাই পরীক্ষায় এমন প্রশ্ন আসলে শব্দের মূল অর্থটি মনে রাখলেই উত্তর দেওয়া খুব সহজ হয়ে যায়।</p>
MCQ পরীক্ষা সেটিংস
বাংলা
eProstuti
সহজ ও দ্রুত ক্লাস করতে অ্যাপটি ইনস্টল করুন
iPhone / iPad এ ইনস্টল করুন
eProstuti
১Safari ব্রাউজারের নিচে থাকা Share ( ) বাটনে চাপ দিন।
২নিচের দিকে স্ক্রোল করে 'Add to Home Screen' ( ) নির্বাচন করুন।
৩উপরে ডানে থাকা 'Add' বাটনে ট্যাপ করুন।
Android এ অ্যাপ ইনস্টল করুন
eProstuti
১Chrome ব্রাউজারের উপরে ডানে থাকা থ্রি-ডট ( ) মেনু চাপুন।
২তালিকায় 'Install app' বা 'Add to Home screen' ( ) এ ট্যাপ করুন।
ডাউনলোড সম্পন্ন হলে ফাইলটি ওপেন করে Install চাপুন।
যদি "Install unknown apps" বা "Unknown sources" অনুমতি চায়, তাহলে সেটি Allow করে আবার ইনস্টল করুন।
ইনস্টল শেষ হলে অ্যাপটি খুলে আপনার অ্যাকাউন্টে লগইন করুন।
অ্যাপের সুবিধা:
সকল লাইভ ক্লাস
রেকর্ডেড ক্লাস
অনলাইন পরীক্ষা
ই-বুক ও নোটিশ
সবকিছু এক জায়গা থেকেই সহজে ব্যবহার করুন!
ব্রাউজারে খুলুন
⚠️ মনে হচ্ছে আপনি এই ওয়েবসাইটটি ফেসবুক বা অন্য কোনো অ্যাপের ভেতরের ব্রাউজার থেকে খুলেছেন।
ভালোভাবে কাজ করার জন্য দয়া করে এটি আপনার মূল ব্রাউজারে (যেমন Chrome) খুলুন।
👉 উপরে থাকা ⋮ বা ••• বাটনে চাপ দিন → তারপর “Open in Browser” সিলেক্ট করুন।