eProstuti
স্বাগতম শিক্ষার্থী!

অনলাইন কোর্স ও পরীক্ষায় অংশ নিতে লগইন করুন

লগইন / রেজিস্টার
ওয়েবসাইট মেন্যু

এসএসসি ২০২৬ এর রেজাল্ট সবার আগে পেতে এখনই বুকিং করো

বুক করো
MCQ: ৩৪৫১৩ টি
সকল বিষয়
বাংলা
সঠিক উত্তর বাছাই করে আপনার প্রস্তুতি যাচাই করুন
২৪১৬

‘ব্যাকরণ’ শব্দের সন্ধি বিচ্ছেদ কী?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
বি + আ + কৃ + অন
ব্যাখ্যা:
<p>‘ব্যাকরণ’ শব্দের সঠিক সন্ধি বিচ্ছেদ হলো <strong>বি + আ + কৃ + অন</strong>। এটি মূলত সংস্কৃত ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী গঠিত একটি শব্দ। বিষয়টি সহজভাবে বোঝার জন্য নিচের ধাপগুলো দেখুন:</p>

<ul>
<li>এখানে <strong>বি</strong> এবং <strong>আ</strong> হলো উপসর্গ।</li>
<li><strong>কৃ</strong> হলো ধাতু বা মূল অংশ।</li>
<li><strong>অন</strong> হলো প্রত্যয়, যা শব্দের শেষে যুক্ত হয়ে পদটিকে পূর্ণতা দেয়।</li>
</ul>

<p>সহজ কথায়, শব্দটিকে ভাঙলে আমরা পাই: $বি + আ + কৃ + অন = ব্যাকরণ$। সন্ধির নিয়ম অনুযায়ী এখানে 'ই' এবং 'আ' মিলে 'য' ফলা তৈরি হয়েছে, যা শব্দটিকে ব্যাকরণ হিসেবে গঠন করেছে।</p>
২৪১৭

‘কাপুড়ে বাবু’ বাগধারার অর্থ?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
ভণ্ড
ব্যাখ্যা:
<p>‘কাপুড়ে বাবু’ বাগধারাটির সঠিক অর্থ হলো <strong>ভণ্ড</strong>।</p>

<p>সহজভাবে মনে রাখার উপায়:</p>
<ul>
<li>বাঙালি সমাজে একসময় যারা বাইরের সাজপোশাক বা চাকচিক্য দিয়ে নিজেকে খুব ভদ্র বা বড় মানুষ হিসেবে জাহির করত, কিন্তু ভেতরে আসলে তেমনটা ছিল না, তাদেরই ব্যঙ্গ করে ‘কাপুড়ে বাবু’ বলা হতো।</li>
<li>অর্থাৎ, যার বাইরের সাজসজ্জা খুব জমকালো কিন্তু চরিত্রের কোনো ভিত্তি নেই, তাকেই আমরা এক কথায় <strong>ভণ্ড</strong> বলে থাকি।</li>
</ul>
২৪১৮

“আমার হৃদয় মন্দিরে আশার বীজ উপ্ত হইল”-বাক্যটিতে কোন দোষ আছে?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
উপমার ভুল প্রয়োগ
ব্যাখ্যা:
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>উপমার ভুল প্রয়োগ</strong>। বিষয়টি খুব সহজ—বাক্যটিতে 'হৃদয়' এবং 'মন্দির' শব্দ দুটিকে যেভাবে ব্যবহার করা হয়েছে, তা যৌক্তিকভাবে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়।</p>

<ul>
<li>সাধারণত 'হৃদয়' একটি আবেগীয় স্থান এবং 'মন্দির' একটি পবিত্র উপাসনালয়।</li>
<li>'হৃদয় মন্দির' বলতে হৃদয়ের পবিত্রতাকে বোঝানো হয়, কিন্তু সেখানে 'আশার বীজ' বপন করা বা 'উপ্ত' হওয়া একটি কৃষিভিত্তিক রূপক।</li>
<li>হৃদয়কে মন্দিরের সাথে তুলনা করে সেখানে বীজ বপনের কথা বলাটা একটি অসংগত বা ভুল উপমা।</li>
</ul>

<p>সহজ কথায়, মন্দিরের পবিত্রতার সাথে বীজ বপনের মতো পার্থিব কাজের তুলনাটি এখানে যথাযথভাবে খাপ খায়নি, তাই এটি উপমার ভুল প্রয়োগজনিত দোষে দুষ্ট।</p>
২৪১৯

‘সকল শিক্ষকগণ আজ উপস্থিত’ - বাক্যটি কোন দোষে দুষ্ট?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
বাহুল্য দোষ
ব্যাখ্যা:
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>বাহুল্য দোষ</strong>। বিষয়টি খুব সহজ, একটু খেয়াল করলেই বুঝতে পারবেন:</p>

<ul>
<li>বাংলা ব্যাকরণ অনুযায়ী, 'সকল' শব্দটি নিজেই বহুবচন নির্দেশ করে।</li>
<li>আবার 'গণ' প্রত্যয়টিও বহুবচন বোঝাতে ব্যবহৃত হয়।</li>
<li>একটি বাক্যে একই সাথে দুটি বহুবচনবাচক শব্দ ব্যবহার করার কোনো প্রয়োজন নেই।</li>
</ul>

<p>যখন কোনো বাক্যে প্রয়োজনের অতিরিক্ত শব্দ ব্যবহার করা হয়, তখন তাকেই <strong>বাহুল্য দোষ</strong> বলা হয়। তাই 'সকল শিক্ষকগণ' না লিখে যেকোনো একটি ব্যবহার করলেই বাক্যটি শুদ্ধ হতো।</p>
২৪২০

ভাব-সম্প্রসারণে কোনটি আশা করা যায়?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
আবশ্যকীয় দৈর্ঘ্য
ব্যাখ্যা:
<p>ভাব-সম্প্রসারণের মূল উদ্দেশ্য হলো কোনো ছোট ভাব বা উক্তিকে সহজ ও সাবলীল ভাষায় বিস্তারিতভাবে ফুটিয়ে তোলা। এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>আবশ্যকীয় দৈর্ঘ্য</strong>, কারণ:</p>

<ul>
<li>ভাব-সম্প্রসারণে মূল ভাবটি স্পষ্টভাবে বোঝানোর জন্য যতটুকু ব্যাখ্যা প্রয়োজন, ঠিক ততটুকুই লিখতে হয়।</li>
<li>অপ্রয়োজনীয় কথা বা বাহুল্য বর্জন করে বিষয়টিকে যৌক্তিক ও অর্থবহ করে তোলাই এর প্রধান বৈশিষ্ট্য।</li>
<li>লেখার দৈর্ঘ্য এমন হতে হবে যেন তা মূল ভাবকে পূর্ণতা দেয়, কিন্তু কোনোভাবেই যেন তা অহেতুক দীর্ঘ বা অসম্পূর্ণ না হয়।</li>
</ul>

<p>সহজ কথায়, ভাব-সম্প্রসারণে অপ্রয়োজনীয় শব্দ বাদ দিয়ে প্রয়োজনীয় ও প্রাসঙ্গিক তথ্যের ভারসাম্য বজায় রাখাই হলো আসল দক্ষতা।</p>
২৪২১

আমাদের কাল বার্ষিক পরীক্ষা শুরু। বাক্যের গুণ বিচারে এখানে কোন বৈশিষ্ট্যের অভাব লক্ষ করা যায়?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
আসত্তি
ব্যাখ্যা:
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>আসত্তি</strong>। কারণটা খুব সহজ—একটি সার্থক বাক্যের অর্থ পুরোপুরি বোঝার জন্য পদগুলোকে সঠিক জায়গায় বা ক্রমানুসারে সাজানো প্রয়োজন।</p>

<p>বাক্যটিতে শব্দের বিন্যাস এলোমেলো হওয়ার কারণে এর অর্থ পরিষ্কারভাবে বোঝা যাচ্ছে না। আসত্তি বলতে বোঝায় বাক্যের পদগুলোকে এমনভাবে সাজানো যাতে বক্তার মনোভাব স্পষ্টভাবে প্রকাশ পায়। এখানে সঠিক বিন্যাসটি হওয়া উচিত ছিল: <strong>"আগামীকাল আমাদের বার্ষিক পরীক্ষা শুরু।"</strong></p>

<ul>
<li><strong>আসত্তি:</strong> বাক্যের পদগুলোর সুশৃঙ্খল বিন্যাস।</li>
<li>যেহেতু এখানে শব্দের ক্রম ঠিক নেই, তাই এখানে আসত্তির অভাব ঘটেছে।</li>
</ul>
২৪২২

‘মুক্ত’ এর বিপরীতার্থক শব্দ-

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
বদ্ধ
ব্যাখ্যা:
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>বদ্ধ</strong>। বিষয়টি খুব সহজ, কারণ ‘মুক্ত’ শব্দটির অর্থ হলো যা খোলা বা স্বাধীন অবস্থায় আছে। এর বিপরীত বা উল্টো অবস্থা বোঝাতে আমরা এমন কিছু খুঁজি যা আটকে আছে বা খোলা নেই।</p>

<ul>
<li><strong>মুক্ত:</strong> যা কোনো কিছুর দ্বারা বাধাগ্রস্ত নয় বা খোলা অবস্থায় আছে।</li>
<li><strong>বদ্ধ:</strong> যা কোনো কিছুর ভেতরে আটকে আছে বা বন্ধ অবস্থায় আছে।</li>
</ul>

<p>সহজ কথায়, কোনো কিছু খুলে দেওয়া মানে ‘মুক্ত’ করা, আর আটকে দেওয়া বা বন্ধ করে দেওয়া মানেই হলো ‘বদ্ধ’ করা। তাই ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী মুক্তর বিপরীত শব্দ হিসেবে বদ্ধই সবচেয়ে মানানসই।</p>
২৪২৩

কোন ই/ঈ প্রত্যয় বৃত্তি বা পেশা অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
রাখালি
ব্যাখ্যা:
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>রাখালি</strong>। বিষয়টি খুব সহজ, একটু খেয়াল করলেই বুঝতে পারবেন:</p>

<ul>
<li>'রাখালি' শব্দটি গঠিত হয়েছে 'রাখাল' শব্দের সাথে 'ই' প্রত্যয় যোগ করে।</li>
<li>এখানে 'রাখাল' বলতে একজন ব্যক্তিকে বোঝায় এবং 'রাখালি' বলতে তার পেশা বা কাজকে বোঝানো হয়েছে।</li>
<li>বাংলা ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী, যখন কোনো শব্দের শেষে 'ই' বা 'ঈ' প্রত্যয় যুক্ত হয়ে কোনো নির্দিষ্ট কাজ বা বৃত্তিকে নির্দেশ করে, তখন তাকে বৃত্তি বা পেশা অর্থে ব্যবহৃত প্রত্যয় বলা হয়।</li>
</ul>

<p>সহজ কথায়, রাখালের কাজ বা পেশাই হলো রাখালি, তাই এটিই সঠিক উত্তর।</p>
২৪২৪

‘পদ্মাবতী’ কাব্যের রচয়িতা কে?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
আলাওল
ব্যাখ্যা:
<p>‘পদ্মাবতী’ কাব্যের রচয়িতা হলেন <strong>আলাওল</strong>। মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যের অন্যতম শ্রেষ্ঠ কবি আলাওল আরাকান রাজসভার আশ্রয়ে থেকে এই অমর কাব্যটি রচনা করেন।</p>

<p>সহজে মনে রাখার জন্য কিছু তথ্য:</p>
<ul>
<li><strong>মূল উৎস:</strong> এটি মূলত হিন্দি কবি মালিক মুহম্মদ জায়সীর ‘পদুমাবৎ’ অবলম্বনে রচিত।</li>
<li><strong>সময়কাল:</strong> সপ্তদশ শতাব্দীর মাঝামাঝি সময়ে তিনি এটি অনুবাদ ও রূপান্তর করেন।</li>
<li><strong>বৈশিষ্ট্য:</strong> আলাওলের পাণ্ডিত্য এবং কাব্যশৈলীর কারণে এটি বাংলা সাহিত্যের একটি কালজয়ী সম্পদ হিসেবে গণ্য হয়।</li>
</ul>

<p>পরীক্ষায় মনে রাখার সহজ উপায় হলো, মধ্যযুগের রোমান্টিক প্রণয়োপাখ্যানের কথা শুনলেই আমাদের মাথায় সবার আগে <strong>আলাওল</strong>-এর নাম আসা উচিত, কারণ তাঁর লেখনীতেই এই ধারাটি সবচেয়ে বেশি সমৃদ্ধ হয়েছে।</p>
২৪২৫

‘নীর’ শব্দের অর্থ কি?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
পানি
ব্যাখ্যা:
<p>‘নীর’ শব্দের সঠিক অর্থ হলো <strong>পানি</strong>। বাংলা সাহিত্যে বা কবিতায় পানির সমার্থক শব্দ হিসেবে ‘নীর’ শব্দটি প্রায়ই ব্যবহৃত হয়। বিষয়টি মনে রাখার সবচেয়ে সহজ উপায় হলো এর সাথে সম্পর্কিত অন্যান্য শব্দগুলো খেয়াল করা:</p>

<ul>
<li>‘নীর’ মানে পানি।</li>
<li>‘নীরদ’ মানে মেঘ (যে পানি দেয়)।</li>
<li>‘নীরজ’ মানে পদ্ম (যা পানিতে জন্মায়)।</li>
</ul>

<p>সহজ কথায়, যেখানেই ‘নীর’ দেখবেন, ধরে নেবেন এটি পানির কথা বলছে। তাই সঠিক উত্তরটি হলো <strong>পানি</strong>।</p>
২৪২৬

ড. দীনেশচন্দ্র সেন কতজন মনসা কবির কথা উল্লেখ করেছেন?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
বাষটি
ব্যাখ্যা:
<p>ড. দীনেশচন্দ্র সেন তাঁর গবেষণায় মনসা মঙ্গল কাব্যের কবিদের নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেছেন। বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসের এই তথ্যটি মনে রাখা বেশ সহজ:</p>

<ul>
<li>ড. দীনেশচন্দ্র সেন তাঁর বিখ্যাত গ্রন্থে মোট <strong>৬২</strong> জন মনসা কবির নাম ও পরিচয় উল্লেখ করেছেন।</li>
<li>সংখ্যাটি মনে রাখার জন্য এভাবে ভাবতে পারেন: মনসা দেবীর মাহাত্ম্য প্রচার করতে গিয়ে তিনি বিশাল এক তালিকা তৈরি করেছিলেন, যার মোট সংখ্যা হলো <strong>৬২</strong>।</li>
</ul>

<p>অর্থাৎ, সঠিক উত্তর হলো <strong>বাষটি</strong>। এটি বাংলা সাহিত্যের মধ্যযুগের মঙ্গলকাব্য ধারার একটি গুরুত্বপূর্ণ তথ্য যা বিভিন্ন প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই আসে।</p>
২৪২৭

নিচের কোন বানানটি শুদ্ধ?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
বাল্মীকি
ব্যাখ্যা:
<p>বাংলা বানানের নিয়ম অনুযায়ী, মহাকবি <strong>বাল্মীকি</strong>-এর নামের বানানটি বেশ গুরুত্বপূর্ণ। এটি মনে রাখার সবচেয়ে সহজ উপায় হলো এর গঠনটি খেয়াল করা:</p>

<ul>
<li>শব্দটির শুরুতে 'বা' এবং শেষে 'কি' থাকলেও, মাঝখানের বর্ণটিতে দীর্ঘ-ইকার ব্যবহার করা হয়।</li>
<li>অর্থাৎ, <strong>বাল্মীকি</strong> শব্দটিতে ল-এর সাথে ম-ফলা এবং ম-এর ওপর দীর্ঘ-ইকার (ী) বসে।</li>
<li>সহজ কথায়, বানানটি হলো: <strong>ব + া + ল + ্ম + ী + ক + ি</strong>।</li>
</ul>

<p>একটু খেয়াল করলেই দেখবেন, এই বানানে দীর্ঘ-ইকার (ী) এবং হ্রস্ব-ইকার (ি) এর সঠিক ব্যবহারই একে শুদ্ধ করে তোলে। তাই সবসময় মনে রাখবেন, মহাকবির নামের ক্ষেত্রে দীর্ঘ-ইকার আগে এবং হ্রস্ব-ইকার পরে বসে।</p>
২৪২৮

কোন বানানটি সঠিক?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
বাল্মীকি
ব্যাখ্যা:
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>বাল্মীকি</strong>। বানানটি মনে রাখার জন্য একটি সহজ কৌশল মাথায় রাখতে পারেন:</p>

<ul>
<li>সংস্কৃত থেকে আসা অনেক শব্দের ক্ষেত্রে দীর্ঘ ঈ-কার ব্যবহারের প্রবণতা থাকে।</li>
<li>'বাল্মীকি' শব্দটিতে ল-এর নিচে ম-ফলা এবং ম-এর সাথে দীর্ঘ ঈ-কার (ী) যুক্ত হয়।</li>
<li>বানানটি হলো: <strong>ব + া + ল + ্ম + ী + ক + ি</strong>।</li>
</ul>

<p>সহজ কথায়, শব্দের শেষে দীর্ঘ ঈ-কার এবং মাঝখানে ম-ফলা ব্যবহারের নিয়মটি খেয়াল রাখলেই এই বানানটি আর ভুল হবে না।</p>
২৪২৯

'উপাধান' এর সমার্থক শব্দ কোনটি?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
বালিশ
ব্যাখ্যা:
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>বালিশ</strong>। বিষয়টি খুব সহজ, কারণ বাংলা ব্যাকরণে 'উপাধান' শব্দটি মূলত মাথার নিচে রাখার বস্তু বা বালিশকে বোঝাতে ব্যবহৃত হয়।</p>

<ul>
<li>'উপ' মানে নিচে এবং 'ধান' বা 'ধানি' বলতে ধারণকারী কিছুকে বোঝায়।</li>
<li>সহজ কথায়, ঘুমানোর সময় মাথার নিচে যা রাখা হয়, তাকেই শুদ্ধ বাংলায় <strong>উপাধান</strong> বলা হয়।</li>
</ul>

<p>তাই পরীক্ষার খাতায় বা যেকোনো জায়গায় এই শব্দটি দেখলে সরাসরি 'বালিশ' দাগিয়ে দেবেন, কারণ এটিই এর সবচেয়ে নির্ভুল সমার্থক শব্দ।</p>
২৪৩০

‘সাজাহান’ নাটকের প্রথম রচয়িতা কে?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
দ্বিজেন্দ্রলাল রায়
ব্যাখ্যা:
<p>‘সাজাহান’ নাটকের রচয়িতা হলেন <strong>দ্বিজেন্দ্রলাল রায়</strong>। বাংলা নাট্যসাহিত্যের ইতিহাসে এটি একটি অত্যন্ত জনপ্রিয় ও কালজয়ী নাটক।</p>

<p>সহজভাবে মনে রাখার জন্য নিচের বিষয়গুলো খেয়াল করুন:</p>

<ul>
<li>দ্বিজেন্দ্রলাল রায়ের ঐতিহাসিক নাটকের মধ্যে ‘সাজাহান’ সবচেয়ে বেশি খ্যাতি অর্জন করেছে।</li>
<li>নাটকটি ১৯০৯ সালে প্রকাশিত হয় এবং এতে মুঘল সম্রাট সাজাহানের জীবনের শেষ দিনগুলোর করুণ পরিণতি চমৎকারভাবে ফুটে উঠেছে।</li>
<li>সাহিত্যিক ও ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপটে এই নাটকটি বাংলা নাটকের ধারায় একটি মাইলফলক হিসেবে বিবেচিত হয়।</li>
</ul>
Support
Curiosity AI Assistant
24/7 লাইভ
eProstuti ডেটাবেস ও অটোমেশন ইঞ্জিন
এআই চ্যাট WhatsApp Messenger Instagram
👋 আসসালামু আলাইকুম শিক্ষার্থী !

আমি eProstuti Curiosity AI। আমাদের সকল লাইভ কোর্স, মডেল টেস্ট, ই-বুক, নোটিশ এবং পেমেন্ট সংক্রান্ত তথ্য নিমেষেই জানতে পারবেন।

দ্রুত উত্তরের জন্য নিচের টপিক চাপুন অথবা নিচে লিখুন:

উত্তরের তথ্য বিশ্লেষণ করা হচ্ছে...
eProstuti AI সহকারী
সার্বক্ষণিক সহায়তায় প্রস্তুত
লগইন আবশ্যক

ব্যক্তিগত সহায়তা এবং আপনার কোর্স, পরীক্ষা ও পেমেন্ট হিস্ট্রি দেখতে অ্যাকাউন্টে লগইন করুন।

* চ্যাটবট সরাসরি অ্যাকাউন্ট তৈরি বা লগইন করতে পারে না।