<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>শ্বাপদসংকুল</strong>। বিষয়টি খুব সহজভাবে মনে রাখা যায় এভাবে:</p>
<ul>
<li><strong>শ্বাপদ</strong> শব্দের অর্থ হলো হিংস্র বা শিকারি প্রাণী।</li>
<li><strong>সংকুল</strong> শব্দের অর্থ হলো পরিপূর্ণ বা ঠাসা।</li>
<li>তাই যে বন হিংস্র জন্তুতে পরিপূর্ণ, তাকে এক কথায় বলা হয় <strong>শ্বাপদসংকুল</strong>।</li>
</ul>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>প্রবণ</strong>। বাংলা ব্যাকরণের <strong>ণ-ত্ব বিধি</strong> অনুযায়ী, সাধারণত ঋ, র, ষ-এর পরে দন্ত্য-ন (ন) মূর্ধন্য-ণ (ণ)-এ পরিণত হয়।</p>
<ul>
<li>শব্দটি বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়: <strong>প্র + বণ</strong>।</li>
<li>এখানে 'প্র' উপসর্গের 'র' ধ্বনিটির প্রভাবে পরবর্তী 'ন' পরিবর্তিত হয়ে <strong>ণ</strong> হয়েছে।</li>
<li>সহজ কথায়, শব্দের শুরুতে বা মাঝে 'র' বা 'র-ফলা' থাকলে তার পরবর্তী 'ন' সাধারণত <strong>ণ</strong> হয়ে যায়।</li>
</ul>
<p>তাই নিয়ম অনুযায়ী <strong>প্রবণ</strong> শব্দটি সঠিক।</p>
২৩৪৩
নিচের কোন পদে ণত্ব বিধি অনুসারে ‘ণ’ ব্যবহার হয়েছে?
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>প্রবণ</strong>। ণত্ব বিধানের নিয়ম অনুযায়ী, কোনো শব্দের শুরুতে যদি <strong>প্র</strong> উপসর্গ থাকে, তবে তার পরবর্তী দন্ত্য-ন (ন) মূর্ধন্য-ণ (ণ)-এ পরিণত হয়।</p>
<p>সহজভাবে মনে রাখার উপায়:</p>
<ul>
<li><strong>প্র</strong> উপসর্গের সাথে যখন কোনো ধাতু বা শব্দ যুক্ত হয়, তখন নিয়ম মেনে 'ন' পরিবর্তিত হয়ে 'ণ' হয়ে যায়।</li>
<li>যেমন: <strong>প্র + বণ = প্রবণ</strong>।</li>
</ul>
<p>এই নিয়মটি মনে রাখলে খুব সহজেই আপনি বুঝতে পারবেন কেন এখানে 'ণ' ব্যবহৃত হয়েছে। এটি বাংলা বানানের একটি মৌলিক ও গুরুত্বপূর্ণ নিয়ম।</p>
<p>'ঔদ্ধত্য' শব্দের সঠিক বিপরীতার্থক শব্দ হলো <strong>বিনয়</strong>।</p>
<p>বিষয়টা খুব সহজভাবে মনে রাখা যায়:</p>
<ul>
<li><strong>ঔদ্ধত্য</strong> বলতে বোঝায় অহংকার, উদ্ধত আচরণ বা দম্ভ প্রকাশ করা।</li>
<li>অন্যদিকে, <strong>বিনয়</strong> হলো নম্রতা বা ভদ্রতা, যা ঔদ্ধত্যের ঠিক উল্টো একটি গুণ।</li>
</ul>
<p>তাই যখনই কোনো উদ্ধত আচরণের বিপরীত কিছু খুঁজতে বলা হবে, তখন চোখ বন্ধ করে 'বিনয়' বেছে নেওয়াটাই সবচেয়ে বুদ্ধিমানের কাজ!</p>
<p>‘নষ্ট হওয়া স্বভাব যার’—এক কথায় একে বলা হয় <strong>নশ্বর</strong>। বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ:</p>
<ul>
<li><strong>নশ্বর</strong> শব্দটি এসেছে ‘নশ’ ধাতু থেকে, যার অর্থ হলো যা ধ্বংসশীল বা যা একদিন শেষ হয়ে যাবে।</li>
<li>পৃথিবীর যেকোনো বস্তু বা প্রাণ যার স্থায়িত্ব চিরস্থায়ী নয়, তাকেই আমরা নশ্বর বলি।</li>
<li>সহজ কথায়, যার বিনাশ বা ধ্বংস হওয়াটা স্বাভাবিক, সেটিই হলো নশ্বর।</li>
</ul>
<p>তাই পরীক্ষার খাতায় এমন প্রশ্ন দেখলে চোখ বন্ধ করে <strong>নশ্বর</strong> দাগিয়ে দেবেন, কারণ এটিই এর সঠিক ও প্রচলিত পারিভাষিক শব্দ।</p>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>নশ্বর</strong>। বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ:</p>
<ul>
<li>বাংলা ব্যাকরণে কোনো কিছু যা সময়ের সাথে হারিয়ে যায় বা যার ধ্বংস অনিবার্য, তাকে এক কথায় <strong>নশ্বর</strong> বলা হয়।</li>
<li>সহজ কথায়, যার বিনাশ আছে বা যা চিরস্থায়ী নয়, সেটিই নশ্বর।</li>
<li>পরীক্ষায় এই ধরনের প্রশ্ন আসলে মনে রাখবেন, 'নষ্ট' থেকে 'নশ্বর' শব্দটি এসেছে, যা খুব সহজেই মনে রাখা যায়।</li>
</ul>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>নশ্বর</strong>। বিষয়টি খুব সহজভাবে মনে রাখা যায় এভাবে:</p>
<ul>
<li>বাংলা ব্যাকরণে 'নশ্বর' শব্দটি এমন কিছু বোঝাতে ব্যবহৃত হয় যা সময়ের সাথে শেষ হয়ে যায় বা ধ্বংসপ্রাপ্ত হয়।</li>
<li>প্রশ্নে বলা হয়েছে 'নষ্ট হওয়ার স্বভাব যার', অর্থাৎ যা টিকে থাকে না বা ক্ষণস্থায়ী।</li>
<li>সহজ কথায়, যা ধ্বংসের দিকে ধাবিত হয় বা যার বিনাশ অনিবার্য, তাকেই এক কথায় <strong>নশ্বর</strong> বলা হয়।</li>
</ul>
<p>তাই পরীক্ষার খাতায় এমন প্রশ্ন দেখলে সরাসরি 'নশ্বর' উত্তরটি বেছে নেবেন, কারণ এটিই এর সবচেয়ে উপযুক্ত পারিভাষিক শব্দ।</p>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>নশ্বর</strong>। বিষয়টি খুব সহজ, বাংলা ব্যাকরণে এক কথায় প্রকাশের ক্ষেত্রে এই শব্দটির ব্যবহার নিয়মিত হয়।</p>
<ul>
<li>যে কোনো বস্তু বা প্রাণীর ধ্বংস হওয়ার বা শেষ হয়ে যাওয়ার যে স্বাভাবিক প্রবণতা থাকে, তাকেই এক কথায় <strong>নশ্বর</strong> বলা হয়।</li>
<li>সহজ কথায়, যা চিরস্থায়ী নয় বা যার বিনাশ নিশ্চিত, সেটিই নশ্বর।</li>
</ul>
<p>তাই পরীক্ষার খাতায় বা সাধারণ আলোচনায় 'নষ্ট হওয়ার স্বভাব যার' বোঝাতে আমরা সরাসরি <strong>নশ্বর</strong> শব্দটি ব্যবহার করি।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>বিনয়ী</strong>। বিষয়টি খুব সহজ, কারণ ‘ধৃষ্ট’ শব্দটির অর্থ হলো উদ্ধত বা অহংকারী আচরণ করা।</p>
<p>সহজভাবে মনে রাখার উপায়:</p>
<ul>
<li><strong>ধৃষ্ট</strong> মানে হলো যে ব্যক্তি খুব বেশি উদ্ধত বা বেয়াদব প্রকৃতির।</li>
<li>এর ঠিক বিপরীত বা উল্টো স্বভাবের মানুষ হলো যে খুব নম্র বা ভদ্র।</li>
<li>তাই ব্যাকরণ অনুযায়ী, ধৃষ্টের বিপরীত শব্দ হিসেবে <strong>বিনয়ী</strong> সবচেয়ে উপযুক্ত।</li>
</ul>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>সরল উদ্দেশ্য</strong>। বিষয়টি খুব সহজভাবে মনে রাখা যায় এভাবে:</p>
<ul>
<li>বাক্যের যে অংশটি সম্পর্কে কিছু বলা হয়, তাকেই বলা হয় <strong>উদ্দেশ্য</strong>।</li>
<li>যখন এই উদ্দেশ্যটি কেবল একটি মাত্র পদ বা শব্দ দিয়ে গঠিত হয়, তখন তাকে ব্যাকরণের ভাষায় <strong>সরল উদ্দেশ্য</strong> বলা হয়।</li>
<li>যেমন: "<strong>রহিম</strong> বই পড়ছে" — এখানে 'রহিম' একটি মাত্র পদ, তাই এটি সরল উদ্দেশ্য।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, উদ্দেশ্য যখন কোনো বিশেষণ বা অতিরিক্ত শব্দ ছাড়াই একা বসে, তখনই তা সরল উদ্দেশ্য হিসেবে গণ্য হয়।</p>
২৩৫১
‘অশ্ব দ্রুত চলে’-এ বাক্যে বিধেয়-সম্প্রসারণ ঘটেছে কিভাবে?
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>ক্রিয়া বিশেষণ যোগে</strong>। বিষয়টি খুব সহজভাবে বোঝা যায় এভাবে:</p>
<ul>
<li>বাক্যটিতে মূল ক্রিয়া হলো <strong>'চলে'</strong>।</li>
<li>এই 'চলে' ক্রিয়াটি কীভাবে বা কেমন করে ঘটছে, তা প্রকাশ করছে <strong>'দ্রুত'</strong> শব্দটি।</li>
<li>যেহেতু 'দ্রুত' শব্দটি ক্রিয়ার কাজ সম্পাদনের ধরণ বা বৈশিষ্ট্য বোঝাচ্ছে, তাই ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী এটি একটি <strong>ক্রিয়া বিশেষণ</strong>।</li>
<li>মূল বিধেয় 'চলে'-এর সাথে 'দ্রুত' যুক্ত হয়ে বিধেয় অংশটিকে বড় বা সম্প্রসারিত করেছে, তাই একে বলা হয় <strong>ক্রিয়া বিশেষণ যোগে বিধেয়-সম্প্রসারণ</strong>।</li>
</ul>
২৩৫২
‘এ মাটি সোনার বাড়া’ - এ উদ্ধৃতিতে ‘সোনা’ কোন অর্থে ব্যবহার করা হয়েছে?
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>বিশেষণের অতিশায়ন</strong>। বিষয়টি খুব সহজভাবে বোঝা যায় এভাবে:</p>
<ul>
<li>যখন কোনো কিছুর গুণ বা মানকে অন্য কোনো কিছুর সাথে তুলনা করে তার উৎকর্ষ বা শ্রেষ্ঠত্ব বোঝানো হয়, তখন তাকে বিশেষণের অতিশায়ন বলা হয়।</li>
<li>এখানে মাটির গুণমানকে 'সোনার' সাথে তুলনা করা হয়েছে। অর্থাৎ, মাটির মান সোনার চেয়েও বেশি বা সোনার সমান মূল্যবান—এই যে শ্রেষ্ঠত্ব প্রকাশ করা হলো, এটাই হলো অতিশায়ন।</li>
<li>সহজ কথায়, যখন কোনো সাধারণ বস্তুকে অন্য কিছুর মানদণ্ডে অনেক বেশি মূল্যবান বা শ্রেষ্ঠ হিসেবে দেখানো হয়, তখনই তা বিশেষণের অতিশায়নের উদাহরণ হয়ে দাঁড়ায়।</li>
</ul>
<p>‘অশ্রু’ শব্দের সঠিক প্রতিশব্দ হলো <strong>লোর</strong>। বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ, কারণ বাংলা সাহিত্যে বা কাব্যিক ভাষায় চোখের জল বা অশ্রুকে বোঝাতে ‘লোর’ শব্দটি ব্যবহার করা হয়।</p>
<ul>
<li><strong>অশ্রু</strong> মানে হলো চোখের পানি বা জল।</li>
<li>পুরানো বা কাব্যিক বাংলায় চোখের জলকে অনেক সময় <strong>লোর</strong> বা <strong>লোচনজল</strong> বলা হয়।</li>
<li>তাই পরীক্ষার খাতায় ‘অশ্রু’ দেখলে চোখ বন্ধ করে ‘লোর’ বেছে নিতে পারেন, এটিই এর সবচেয়ে প্রচলিত প্রতিশব্দ।</li>
</ul>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>লোর</strong>। ‘অশ্রু’ বা চোখের জল বোঝাতে বাংলা সাহিত্যে ও অভিধানে ‘লোর’ শব্দটি একটি চমৎকার প্রতিশব্দ হিসেবে ব্যবহৃত হয়।</p>
<p>সহজে মনে রাখার জন্য কিছু বিষয় খেয়াল করুন:</p>
<ul>
<li>‘লোর’ শব্দটি মূলত সংস্কৃত থেকে আগত, যা সরাসরি চোখের জল বা অশ্রুকে নির্দেশ করে।</li>
<li>অনেক সময় কাব্যিক ভাষায় বা পুরনো বাংলা সাহিত্যে অশ্রুর পরিবর্তে লোর শব্দটি ব্যবহার করা হয়, তাই এটি মনে রাখা বেশ সহজ।</li>
</ul>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>ঊর্মি</strong>। কারণ বিষয়টি খুব সহজ—</p>
<ul>
<li><strong>ঊর্মি</strong> শব্দের অর্থ হলো ঢেউ বা তরঙ্গ, এটি কোনোভাবেই চন্দ্রের সাথে সম্পর্কিত নয়।</li>
<li>অন্যদিকে, হিমাংশু, ইন্দু এবং বিধু—এই তিনটি শব্দই চন্দ্র বা চাঁদের সমার্থক শব্দ হিসেবে ব্যবহৃত হয়।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, চন্দ্রের প্রতিশব্দগুলো সাধারণত শীতলতা বা আলোর সাথে যুক্ত থাকে, কিন্তু ঊর্মি সম্পূর্ণ ভিন্ন একটি অর্থ বহন করে।</p>
MCQ পরীক্ষা সেটিংস
বাংলা
eProstuti
সহজ ও দ্রুত ক্লাস করতে অ্যাপটি ইনস্টল করুন
iPhone / iPad এ ইনস্টল করুন
eProstuti
১Safari ব্রাউজারের নিচে থাকা Share ( ) বাটনে চাপ দিন।
২নিচের দিকে স্ক্রোল করে 'Add to Home Screen' ( ) নির্বাচন করুন।
৩উপরে ডানে থাকা 'Add' বাটনে ট্যাপ করুন।
Android এ অ্যাপ ইনস্টল করুন
eProstuti
১Chrome ব্রাউজারের উপরে ডানে থাকা থ্রি-ডট ( ) মেনু চাপুন।
২তালিকায় 'Install app' বা 'Add to Home screen' ( ) এ ট্যাপ করুন।
ডাউনলোড সম্পন্ন হলে ফাইলটি ওপেন করে Install চাপুন।
যদি "Install unknown apps" বা "Unknown sources" অনুমতি চায়, তাহলে সেটি Allow করে আবার ইনস্টল করুন।
ইনস্টল শেষ হলে অ্যাপটি খুলে আপনার অ্যাকাউন্টে লগইন করুন।
অ্যাপের সুবিধা:
সকল লাইভ ক্লাস
রেকর্ডেড ক্লাস
অনলাইন পরীক্ষা
ই-বুক ও নোটিশ
সবকিছু এক জায়গা থেকেই সহজে ব্যবহার করুন!
ব্রাউজারে খুলুন
⚠️ মনে হচ্ছে আপনি এই ওয়েবসাইটটি ফেসবুক বা অন্য কোনো অ্যাপের ভেতরের ব্রাউজার থেকে খুলেছেন।
ভালোভাবে কাজ করার জন্য দয়া করে এটি আপনার মূল ব্রাউজারে (যেমন Chrome) খুলুন।
👉 উপরে থাকা ⋮ বা ••• বাটনে চাপ দিন → তারপর “Open in Browser” সিলেক্ট করুন।