<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>বাহুল্য দোষ</strong>। বিষয়টি খুব সহজ, একটু খেয়াল করলেই বুঝতে পারবে:</p>
<ul>
<li>বাংলা ব্যাকরণ অনুযায়ী, 'আলেম' শব্দটি নিজেই বহুবচন বা সমষ্টিবাচক অর্থ প্রকাশ করে।</li>
<li>এর সাথে আবার 'গণ' প্রত্যয় যোগ করে বহুবচন করা মানেই অতিরিক্ত বা অপ্রয়োজনীয় শব্দের ব্যবহার।</li>
<li>যেহেতু 'আলেম' বললেই অনেককে বোঝায়, তাই আলাদা করে 'গণ' ব্যবহারের কোনো প্রয়োজন নেই।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, একটি শব্দের মধ্যে যখন বহুবচনের অর্থ লুকিয়ে থাকে, তখন তার সাথে বাড়তি বহুবচন চিহ্ন যোগ করলে বাক্যে <strong>বাহুল্য দোষ</strong> তৈরি হয়।</p>
২৩৭২
যেসব শব্দ সংস্কৃত ভাষা থেকে সোজাসুজি বাংলায় এসেছে এবং যাদের রূপ অপরিবর্তিত রয়েছে, সেসব শব্দকে বলে?
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>তৎসম শব্দ</strong>। বিষয়টি মনে রাখা খুবই সহজ:</p>
<ul>
<li><strong>তৎ</strong> মানে 'তার' (অর্থাৎ সংস্কৃতের) এবং <strong>সম</strong> মানে 'সমান'।</li>
<li>সহজ কথায়, যেসব শব্দ সংস্কৃত ভাষা থেকে সরাসরি বাংলায় এসেছে এবং যাদের বানানে বা রূপে কোনো পরিবর্তন হয়নি, সেগুলোই হলো তৎসম শব্দ।</li>
<li>যেমন: চন্দ্র, সূর্য, নক্ষত্র, ভবন ইত্যাদি। এগুলো সংস্কৃত ভাষায় যেভাবে ব্যবহৃত হয়, বাংলাতেও ঠিক সেভাবেই ব্যবহৃত হচ্ছে।</li>
</ul>
<p>তাই যখনই দেখবেন কোনো শব্দ হুবহু সংস্কৃতের মতো দেখাচ্ছে, চোখ বন্ধ করে সেটিকে তৎসম শব্দ হিসেবে চিহ্নিত করতে পারেন!</p>
২৩৭৩
বাংলাদেশের আদিম অধিবাসী অনার্যদের ভাষা ও সংস্কৃতির কিছু কিছু শব্দ বাংলা ভাষায় রক্ষিত আছে, সেগুলোকে কি শব্দ নামে অভিহিত করা যায়?
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>দেশী শব্দ</strong>। বিষয়টি খুব সহজভাবে মনে রাখা যায়:</p>
<ul>
<li>আমাদের এই অঞ্চলের আদিম অধিবাসী যেমন— কোল, ভিল, মুণ্ডা বা অনার্যদের ব্যবহৃত যেসব শব্দ বাংলা ভাষায় টিকে আছে, সেগুলোকে ভাষাবিজ্ঞানের ভাষায় <strong>দেশী শব্দ</strong> বলা হয়।</li>
<li>সহজ কথায়, যেসব শব্দের উৎস বা মূল ভাষা খুঁজে পাওয়া যায় না, কিন্তু দীর্ঘদিন ধরে আমাদের লোকজ ভাষায় ব্যবহৃত হয়ে আসছে, সেগুলোই দেশী শব্দ।</li>
<li>যেমন: কুলা, ডাব, টোপর, ঝোল, পেট—এগুলো সবই আমাদের নিজস্ব ঐতিহ্যের অংশ, তাই এগুলো দেশী শব্দ।</li>
</ul>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>সংস্কৃত ধাতু</strong>। বিষয়টি খুব সহজভাবে মনে রাখা যায় এভাবে:</p>
<ul>
<li>বাংলা ভাষায় যেসব ধাতু সংস্কৃত থেকে সরাসরি অপরিবর্তিত অবস্থায় এসেছে, সেগুলোকে সংস্কৃত ধাতু বা তৎসম ধাতু বলা হয়।</li>
<li>'অঙ্ক' শব্দটি সংস্কৃত 'অঙ্ক' ধাতু থেকেই এসেছে, যার অর্থ চিহ্ন বা দাগ দেওয়া।</li>
<li>বাংলা ব্যাকরণে যেসব ধাতু সংস্কৃত থেকে হুবহু চলে এসেছে, সেগুলোর সাথে সাধারণত কোনো বিভক্তি যুক্ত থাকে না এবং এগুলো মূল ধাতু হিসেবেই ব্যবহৃত হয়।</li>
</ul>
<p>তাই, যেহেতু 'অঙ্ক' শব্দটি সংস্কৃত ভাষা থেকে সরাসরি বাংলায় এসেছে, তাই এটি একটি <strong>সংস্কৃত ধাতু</strong>।</p>
২৩৭৫
ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহর মতে ভাটিয়ালী ও মরফতী গান এখন ভাষার গান বলে বিবেচিত হওয়ার কারণ কি?
<p>ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহর মতে ভাটিয়ালী ও মরফতী গান এখন ভাষার গান হিসেবে বিবেচিত হওয়ার পেছনে মূল কারণ হলো <strong>শহুরে গানের প্রভাব</strong>। বিষয়টি খুব সহজভাবে বোঝা যায়:</p>
<ul>
<li>ভাটিয়ালী ও মরফতী গান মূলত গ্রামবাংলার মানুষের প্রাণের সুর ও লোকজ সংস্কৃতির অংশ।</li>
<li>সময়ের সাথে সাথে নগরায়ণ ও শহুরে সংস্কৃতির প্রসারের ফলে এই গানগুলো নতুন আঙ্গিকে এবং আধুনিক বাদ্যযন্ত্রের সংমিশ্রণে শহরকেন্দ্রিক শ্রোতাদের কাছে জনপ্রিয় হয়ে ওঠে।</li>
<li>শহুরে গানের এই ব্যাপক প্রভাবের কারণেই লোকজ সুরগুলো এখন কেবল গ্রামেই সীমাবদ্ধ নেই, বরং তা বৃহত্তর জনগোষ্ঠীর কাছে ভাষার গান বা আধুনিক গানের একটি অংশ হিসেবে জায়গা করে নিয়েছে।</li>
</ul>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>বিদেশী উপসর্গ</strong>। বিষয়টি খুব সহজভাবে মনে রাখা যায় এভাবে:</p>
<ul>
<li>বাংলা ভাষায় ব্যবহৃত 'গর', 'দর', 'হর', 'বে', 'বদ্', 'কম'—এই জাতীয় শব্দগুলো মূলত ফারসি বা আরবি ভাষা থেকে এসেছে।</li>
<li>যেহেতু এই উপসর্গগুলো অন্য ভাষা থেকে আমাদের ভাষায় এসেছে, তাই ব্যাকরণের ভাষায় এদের <strong>বিদেশী উপসর্গ</strong> বলা হয়।</li>
<li>সহজ ট্রিক: যদি দেখেন কোনো শব্দের শুরুতে 'গর' (যেমন: গরহাজির) বা 'দর' (যেমন: দরপত্তনি) যুক্ত আছে, তবে চোখ বন্ধ করে ধরে নেবেন এটি একটি বিদেশী উপসর্গ।</li>
</ul>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>অর্ধ-তৎসম</strong>। বিষয়টি খুব সহজভাবে মনে রাখা যায়:</p>
<ul>
<li>সংস্কৃত শব্দগুলো যখন প্রাকৃত বা অপভ্রংশের মাধ্যমে কিছুটা পরিবর্তিত হয়ে বাংলায় আসে, তখন সেগুলোকে আমরা অর্ধ-তৎসম বলি।</li>
<li>'গিন্নী' শব্দটি এসেছে সংস্কৃত 'গৃহিণী' থেকে এবং 'কেষ্ট' শব্দটি এসেছে 'কৃষ্ণ' থেকে।</li>
<li>যেহেতু এই শব্দগুলো পুরোপুরি তৎসম (সংস্কৃত) নয়, আবার পুরোপুরি তদ্ভবও নয়, তাই এগুলোকে আমরা অনায়াসেই অর্ধ-তৎসম শব্দ হিসেবে চিহ্নিত করতে পারি।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, মূল সংস্কৃত শব্দের রূপ যখন কিছুটা বিকৃত হয়ে আমাদের মুখে প্রচলিত হয়, সেটাই অর্ধ-তৎসম।</p>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>বিদেশী</strong>। কারণ বিষয়টি বেশ সহজ— ‘জানাযা’ শব্দটি মূলত আরবি ভাষা থেকে আমাদের ভাষায় এসেছে।</p>
<p>সহজে মনে রাখার উপায়:</p>
<ul>
<li>বাংলা ভাষায় যেসব শব্দ অন্য কোনো ভাষা (যেমন: আরবি, ফারসি, ইংরেজি) থেকে সরাসরি এসেছে, সেগুলোকে আমরা <strong>বিদেশী শব্দ</strong> বলি।</li>
<li>‘জানাযা’ শব্দটি একটি ধর্মীয় ও সামাজিক পরিভাষা যা আরবি <strong>'জানাযাহ' (Janazah)</strong> থেকে এসেছে।</li>
<li>যেহেতু এটি বাংলা ভাষার নিজস্ব শব্দ নয় বা সংস্কৃত থেকে বিবর্তিত হয়ে আসেনি, তাই এটি নির্দ্বিধায় বিদেশী শব্দের অন্তর্ভুক্ত।</li>
</ul>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>দেশী</strong>। বিষয়টি খুব সহজভাবে মনে রাখা যায় এভাবে:</p>
<ul>
<li>আমাদের এই ভূখণ্ডে আর্যরা আসার অনেক আগে থেকেই যারা বসবাস করতেন, তাদের বলা হয় অনার্য।</li>
<li>অনার্য জাতিগোষ্ঠীর ব্যবহৃত ভাষা বা শব্দগুলোই কালক্রমে বাংলা ভাষার নিজস্ব সম্পদ হিসেবে গণ্য হয়।</li>
<li>যেহেতু এই শব্দগুলো আমাদের দেশের আদিম অধিবাসীদের কাছ থেকে এসেছে, তাই ভাষাবিজ্ঞানের ভাষায় এদের <strong>দেশী শব্দ</strong> বলা হয়।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, যেসব শব্দের মূল বা উৎস খুঁজে পাওয়া যায় না কিন্তু বহুকাল ধরে আমাদের ভাষায় ব্যবহৃত হয়ে আসছে, সেগুলোই দেশী শব্দ। যেমন: কুলা, ডাব, ঢেঁকি ইত্যাদি।</p>
<p>‘অনুকার’ শব্দটি মূলত সংস্কৃত ভাষা থেকে সরাসরি বাংলায় এসেছে, তাই এটি একটি <strong>তৎসম</strong> শব্দ। ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী, যেসব শব্দ সংস্কৃত ভাষা থেকে কোনো পরিবর্তন ছাড়াই সরাসরি বাংলায় ব্যবহৃত হয়, সেগুলোকে তৎসম শব্দ বলা হয়।</p>
<p>সহজভাবে মনে রাখার উপায়:</p>
<ul>
<li><strong>তৎ</strong> মানে 'তার' (সংস্কৃতের) এবং <strong>সম</strong> মানে 'সমান'। অর্থাৎ, যা সংস্কৃতের সমান।</li>
<li>‘অনুকার’ শব্দটি সংস্কৃত ব্যাকরণ ও সাহিত্যে একইভাবে প্রচলিত, তাই এটি তৎসম শব্দের অন্তর্ভুক্ত।</li>
</ul>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>সংস্কৃত</strong>। বিষয়টি খুব সহজ, কারণ ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী শব্দটির গঠন বিশ্লেষণ করলেই এর উৎস বোঝা যায়।</p>
<ul>
<li><strong>পাঠক</strong> শব্দটি গঠিত হয়েছে সংস্কৃত ধাতু <strong>√পঠ্</strong>-এর সাথে <strong>-অক</strong> প্রত্যয় যুক্ত হয়ে।</li>
<li>সংস্কৃত ভাষা থেকে সরাসরি আসা এই ধরনের শব্দকে আমরা তৎসম শব্দ বলি, যা সংস্কৃত ধাতু থেকেই উদ্ভূত।</li>
<li>সহজ কথায়, যে শব্দগুলোর মূলে সংস্কৃত ধাতু থাকে, সেগুলো সংস্কৃত শ্রেণীর ধাতু থেকেই গঠিত হয়।</li>
</ul>
<p><strong>INDIGENOUS</strong> শব্দটির অর্থ হলো <strong>স্বদেশী</strong> বা স্থানীয়। সহজ কথায়, কোনো নির্দিষ্ট অঞ্চলের বা দেশের নিজস্ব কোনো কিছুকে বোঝাতে এই শব্দটি ব্যবহার করা হয়।</p>
<p>মনে রাখার সহজ উপায়:</p>
<ul>
<li><strong>INDI-</strong> অংশটি মনে রাখতে পারেন 'ইন্ডিয়া' বা নিজের দেশের সাথে মিলিয়ে।</li>
<li>যেহেতু এটি কোনো নির্দিষ্ট স্থানের আদি বা নিজস্ব সত্তাকে বোঝায়, তাই এর সঠিক অর্থ হবে <strong>স্বদেশী</strong>।</li>
</ul>
<p>ইংরেজি পরীক্ষায় এই শব্দটি প্রায়ই আসে, তাই এটি মনে রাখা খুব জরুরি। কোনো কিছুর উৎস যদি সেই দেশ বা মাটি থেকেই হয়, তবেই আমরা তাকে <strong>INDIGENOUS</strong> বা স্বদেশী বলতে পারি।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>কিংবদন্তি</strong>। বানানটি মনে রাখার জন্য খুব সহজ একটি কৌশল আছে:</p>
<ul>
<li>শব্দটি হলো 'কিং' + 'বদন্তি'।</li>
<li>'কিং' অংশে অনুস্বার (ং) বসে এবং 'বদন্তি' অংশে দন্ত-ন (ন) এর সাথে ত-ফলা যুক্ত হয়।</li>
<li>সাধারণত অনেক সময় আমরা ভুল করে 'কিংবদন্তী' (দীর্ঘ-ঈ কার দিয়ে) লিখে ফেলি, কিন্তু শুদ্ধ বানানে সবসময় হ্রস্ব-ই কার (ি) ব্যবহার করতে হয়।</li>
</ul>
<p>তাই মনে রাখবেন, কিংবদন্তি শব্দে শেষে সবসময় <strong>-তি</strong> হয়, <strong>-তী</strong> নয়।</p>
<p>‘বর’ হলো একটি <strong>বিদেশী</strong> উপসর্গ। এটি মূলত ফারসি ভাষা থেকে বাংলা ভাষায় এসেছে।</p>
<p>সহজে মনে রাখার উপায়:</p>
<ul>
<li>বাংলা ব্যাকরণে ‘বর’ উপসর্গটি সাধারণত ফারসি শব্দে ব্যবহৃত হয়।</li>
<li>যেমন: ‘বরখাস্ত’, ‘বরদাস্ত’—এই শব্দগুলোতে ‘বর’ উপসর্গটি যুক্ত হয়ে নতুন অর্থ তৈরি করেছে।</li>
<li>যেহেতু এটি ফারসি থেকে আগত, তাই ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী এটি <strong>বিদেশী</strong> উপসর্গের অন্তর্ভুক্ত।</li>
</ul>
MCQ পরীক্ষা সেটিংস
বাংলা
eProstuti
সহজ ও দ্রুত ক্লাস করতে অ্যাপটি ইনস্টল করুন
iPhone / iPad এ ইনস্টল করুন
eProstuti
১Safari ব্রাউজারের নিচে থাকা Share ( ) বাটনে চাপ দিন।
২নিচের দিকে স্ক্রোল করে 'Add to Home Screen' ( ) নির্বাচন করুন।
৩উপরে ডানে থাকা 'Add' বাটনে ট্যাপ করুন।
Android এ অ্যাপ ইনস্টল করুন
eProstuti
১Chrome ব্রাউজারের উপরে ডানে থাকা থ্রি-ডট ( ) মেনু চাপুন।
২তালিকায় 'Install app' বা 'Add to Home screen' ( ) এ ট্যাপ করুন।
ডাউনলোড সম্পন্ন হলে ফাইলটি ওপেন করে Install চাপুন।
যদি "Install unknown apps" বা "Unknown sources" অনুমতি চায়, তাহলে সেটি Allow করে আবার ইনস্টল করুন।
ইনস্টল শেষ হলে অ্যাপটি খুলে আপনার অ্যাকাউন্টে লগইন করুন।
অ্যাপের সুবিধা:
সকল লাইভ ক্লাস
রেকর্ডেড ক্লাস
অনলাইন পরীক্ষা
ই-বুক ও নোটিশ
সবকিছু এক জায়গা থেকেই সহজে ব্যবহার করুন!
ব্রাউজারে খুলুন
⚠️ মনে হচ্ছে আপনি এই ওয়েবসাইটটি ফেসবুক বা অন্য কোনো অ্যাপের ভেতরের ব্রাউজার থেকে খুলেছেন।
ভালোভাবে কাজ করার জন্য দয়া করে এটি আপনার মূল ব্রাউজারে (যেমন Chrome) খুলুন।
👉 উপরে থাকা ⋮ বা ••• বাটনে চাপ দিন → তারপর “Open in Browser” সিলেক্ট করুন।