<p>বাংলা ভাষায় রামায়ণ অনুবাদের জন্য অমর হয়ে আছেন <strong>কৃত্তিবাস ওঝা</strong>। মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যের অন্যতম শ্রেষ্ঠ নিদর্শন হলো তাঁর অনূদিত এই রামায়ণ, যা 'কৃত্তিবাসী রামায়ণ' নামে পরিচিত।</p>
<p>সহজভাবে মনে রাখার কিছু বিষয়:</p>
<ul>
<li>মূল রামায়ণ সংস্কৃত ভাষায় লিখেছিলেন ঋষি বাল্মীকি।</li>
<li>কিন্তু সাধারণ বাঙালির কাছে রামায়ণের কাহিনী সহজবোধ্য করে তুলেছিলেন <strong>কৃত্তিবাস ওঝা</strong>।</li>
<li>তিনি কেবল অনুবাদই করেননি, বরং রামায়ণের চরিত্রগুলোকে বাঙালির ঘরের মানুষের মতো করে ফুটিয়ে তুলেছিলেন, যার ফলে এটি আজও অত্যন্ত জনপ্রিয়।</li>
</ul>
<p>বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ। বাংলা ব্যাকরণে কোনো নির্দিষ্ট জয় বা সাফল্যের স্মারক হিসেবে পালিত উৎসবকে এক কথায় <strong>জয়ন্তী</strong> বলা হয়। যেমন: রজত জয়ন্তী বা সুবর্ণ জয়ন্তী। এখানে মূল শব্দটিই হলো জয়ন্তী, যা জয়ের উৎসব বা বিশেষ বার্ষিকীকে নির্দেশ করে।</p>
<ul>
<li><strong>জয়</strong> + <strong>অন্তি</strong> (প্রত্যয়) মিলে তৈরি হয়েছে <strong>জয়ন্তী</strong>।</li>
<li>এটি মূলত জয়ের স্মৃতিবিজড়িত উৎসব বা বার্ষিকীকে বোঝাতে ব্যবহৃত হয়।</li>
</ul>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>জয়ন্তী</strong>। বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ।</p>
<ul>
<li>বাংলা ব্যাকরণে কোনো নির্দিষ্ট জয় বা সাফল্যের স্মারক হিসেবে পালিত উৎসবকে এক কথায় <strong>জয়ন্তী</strong> বলা হয়।</li>
<li>যেমন: কোনো প্রতিষ্ঠানের ৫০ বছর পূর্তিকে আমরা 'সুবর্ণ জয়ন্তী' বলি।</li>
<li>বানানটি খেয়াল রাখবেন, এখানে 'জয়ন্তী' শব্দটিতে দীর্ঘ-ঈ কার (ী) ব্যবহৃত হয়, যা শুদ্ধ রূপ।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, জয়ের আনন্দ বা উৎসব বোঝাতে <strong>জয়ন্তী</strong> শব্দটিই সবচেয়ে উপযুক্ত এবং ব্যাকরণগতভাবে সঠিক।</p>
<p>আবুল ফজলের আত্মকাহিনীমূলক রচনার নাম হলো <strong>রেখাচিত্র</strong>। এটি মূলত লেখকের স্মৃতিকথা বা আত্মজীবনীমূলক একটি গ্রন্থ।</p>
<p>সহজভাবে মনে রাখার উপায়:</p>
<ul>
<li><strong>রেখাচিত্র</strong> গ্রন্থটিতে লেখক তার জীবনের বিভিন্ন ঘটনা, অভিজ্ঞতা এবং স্মৃতির প্রতিফলন ঘটিয়েছেন।</li>
<li>সাহিত্যিক আবুল ফজলের জীবন ও দর্শনের এক চমৎকার সংমিশ্রণ পাওয়া যায় এই বইটিতে, যা একে একটি আত্মজীবনীমূলক বা আত্মকাহিনীমূলক রচনার মর্যাদা দিয়েছে।</li>
</ul>
<p>আহমদ শরীফ রচিত প্রবন্ধগ্রন্থ হলো <strong>বিচিত্র চিন্তা</strong>। তিনি মূলত একজন প্রাবন্ধিক ও চিন্তাবিদ হিসেবে বাংলা সাহিত্যে পরিচিত। তাঁর লেখায় সমাজ, সংস্কৃতি ও মানবতাবাদের গভীর বিশ্লেষণ ফুটে ওঠে।</p>
<p>সহজভাবে মনে রাখার কৌশল:</p>
<ul>
<li>আহমদ শরীফের প্রবন্ধের মূল বৈশিষ্ট্য হলো যুক্তিনির্ভর ও মুক্তবুদ্ধির চর্চা।</li>
<li>তাঁর বিখ্যাত প্রবন্ধগ্রন্থগুলোর মধ্যে <strong>বিচিত্র চিন্তা</strong> অন্যতম, যা তাঁর চিন্তাশীলতার পরিচয় বহন করে।</li>
<li>পরীক্ষায় মনে রাখার জন্য তাঁর নামের সাথে 'চিন্তা' বা 'সংস্কৃতি' বিষয়ক শিরোনামগুলো মিলিয়ে নিতে পারেন।</li>
</ul>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>সচিবালয়</strong>। পারিভাষিক শব্দ চেনার সবচেয়ে সহজ উপায় হলো এর গঠন ও অর্থ খেয়াল করা।</p>
<ul>
<li><strong>সচিবালয়</strong> শব্দটি ইংরেজি 'Secretariat' শব্দের ভাবানুবাদ বা পারিভাষিক রূপ।</li>
<li>যেসব শব্দ বিদেশি শব্দের হুবহু অনুবাদ না হয়ে ভাবার্থ প্রকাশ করে এবং প্রশাসনিক বা দাপ্তরিক কাজে সুনির্দিষ্ট অর্থে ব্যবহৃত হয়, সেগুলোই পারিভাষিক শব্দ।</li>
<li>বাকি অপশনগুলো (হিমালয়, মেঘালয়, বিচারালয়) মূলত সাধারণ সন্ধিজাত বা যৌগিক শব্দ, যা কোনো নির্দিষ্ট বিদেশি শব্দের পারিভাষিক রূপ হিসেবে তৈরি হয়নি।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, দাপ্তরিক বা প্রাতিষ্ঠানিক পরিভাষায় যে শব্দগুলো নির্দিষ্ট অর্থ বহন করে, সেগুলোই পারিভাষিক শব্দ। তাই এখানে <strong>সচিবালয়</strong>-ই সঠিক উত্তর।</p>
২৪০৮
‘পরাভব’ শব্দে ‘পরা’ উপসর্গটি কোন অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে?
<p>‘পরাভব’ শব্দে ‘পরা’ উপসর্গটি <strong>বিপরীত</strong> অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে। বিষয়টি খুব সহজভাবে বোঝা যায় এভাবে:</p>
<ul>
<li>‘ভব’ শব্দের অর্থ হলো হওয়া বা অস্তিত্ব।</li>
<li>এর আগে যখন ‘পরা’ উপসর্গটি যুক্ত হয়, তখন এটি মূল শব্দের অর্থের উল্টো বা বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে।</li>
<li>অর্থাৎ, ‘পরাভব’ মানে হলো পরাজয় বা হেরে যাওয়া, যা জয়ের ঠিক বিপরীত অবস্থা।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, এখানে ‘পরা’ উপসর্গটি মূল শব্দের গতিরোধ করে বা তার বিপরীতমুখী অর্থ তৈরি করে বলেই এটি সঠিক উত্তর।</p>
<p>”বিকৃত” শব্দের সঠিক প্রকৃতি ও প্রত্যয় হলো <strong>বি+কৃ+ত</strong>। বিষয়টি খুব সহজভাবে এভাবে বোঝা যায়:</p>
<ul>
<li>এখানে <strong>বি</strong> হলো একটি উপসর্গ।</li>
<li><strong>কৃ</strong> হলো ধাতু বা প্রকৃতি, যা কোনো কাজের মূল নির্দেশ করে।</li>
<li>শেষে যুক্ত হওয়া <strong>ত</strong> হলো কৃৎ প্রত্যয়, যা ধাতুর সাথে যুক্ত হয়ে বিশেষণ তৈরি করেছে।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, কৃ ধাতুর সাথে বি উপসর্গ এবং ত প্রত্যয় যুক্ত হয়েই শব্দটি গঠিত হয়েছে। তাই ব্যাকরণগতভাবে এর বিশ্লেষণ হলো: $বি + কৃ + ত = বিকৃত$।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>বিকিরণ</strong>। বাংলা বানানের নিয়ম অনুযায়ী, কোনো শব্দের শেষে বা মাঝে 'ণ' বা 'ন' ব্যবহারের ক্ষেত্রে কিছু সাধারণ নিয়ম মেনে চলতে হয়।</p>
<ul>
<li>বাংলা ভাষায় তৎসম বা সংস্কৃত শব্দে সাধারণত 'ণ' ব্যবহৃত হয়।</li>
<li>'বিকিরণ' একটি সংস্কৃত শব্দ, যেখানে 'র' বা 'ঋ' বর্ণের পর 'ণ' হওয়ার নিয়মটি কার্যকর হয়েছে।</li>
<li>সহজ কথায়, এই শব্দটিতে দন্ত্য-ন (ন) এর পরিবর্তে মূর্ধন্য-ণ (ণ) ব্যবহার করাই ব্যাকরণগতভাবে শুদ্ধ।</li>
</ul>
<p>তাই মনে রাখার সহজ উপায় হলো, শব্দটির শেষে সবসময় <strong>ণ</strong> ব্যবহার করতে হবে।</p>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>বিকিরণ</strong>। বাংলা বানানের নিয়ম অনুযায়ী, সাধারণত শব্দের শেষে বা মাঝে 'ণ' এবং 'ন'-এর ব্যবহারের ক্ষেত্রে তৎসম শব্দের মূল রূপটি খেয়াল রাখতে হয়।</p>
<ul>
<li>সংস্কৃত থেকে আসা অনেক শব্দে 'ণ' ব্যবহৃত হয়।</li>
<li>'বিকিরণ' শব্দটি একটি তৎসম শব্দ, যেখানে 'ণ' ব্যবহার করা ব্যাকরণগতভাবে শুদ্ধ।</li>
<li>সহজ কথায়, এই শব্দটির সঠিক গঠন হলো <strong>বি + কৃ + অন</strong>, যা সন্ধি ও প্রত্যয়ের নিয়মে 'বিকিরণ' হিসেবেই প্রতিষ্ঠিত।</li>
</ul>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>বিরতি</strong>। এটি প্রত্যয়যোগে গঠিত হওয়ার কারণ খুব সহজ:</p>
<ul>
<li>শব্দটির মূল অংশ হলো <strong>বি + রম্</strong> ধাতু।</li>
<li>এর সাথে <strong>ক্তি</strong> প্রত্যয় যুক্ত হয়ে শব্দটি গঠিত হয়েছে: <strong>রম্ + ক্তি = রতি</strong>।</li>
<li>পরবর্তীতে উপসর্গ ও প্রত্যয়ের সমন্বয়ে এটি <strong>বিরতি</strong> শব্দে রূপ নিয়েছে।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, কোনো শব্দের শেষে যখন নতুন কোনো বর্ণ বা বর্ণসমষ্টি যুক্ত হয়ে নতুন অর্থ তৈরি করে, তখন তাকে প্রত্যয় বলে। এখানে <strong>ক্তি</strong> প্রত্যয়টি যুক্ত হয়েই মূল ধাতুর সাথে নতুন একটি বিশেষ্য পদ তৈরি করেছে।</p>
<p>‘বিচ্ছেদ’ শব্দের সঠিক সন্ধিবিচ্ছেদ হলো <strong>বি + ছেদ</strong>। এটি ব্যঞ্জনসন্ধির একটি চমৎকার নিয়ম। নিয়মটি খুব সহজ:</p>
<ul>
<li>স্বরবর্ণের পর যদি <strong>ছ</strong> থাকে, তবে সন্ধি করার সময় <strong>ছ</strong>-এর আগে একটি <strong>চ</strong> যুক্ত হয়ে যায়।</li>
<li>অর্থাৎ, এখানে <strong>বি</strong> (স্বরবর্ণ ‘ই’ দিয়ে শেষ) + <strong>ছেদ</strong> মিলে তৈরি হয়েছে <strong>বিচ্ছেদ</strong>।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, যখনই কোনো শব্দের মাঝে এমন ‘চ্ছ’ দেখবেন, তখন মনে রাখবেন সেখানে একটি <strong>চ</strong> বাড়তি এসেছে। তাই মূল শব্দ খুঁজে বের করাই এখানে আসল কৌশল!</p>
<p>‘বৈঠক’ শব্দের সঠিক সন্ধি-বিচ্ছেদ হলো <strong>বৈঠ + ক</strong>। এটি মূলত একটি বিশেষ নিয়মে গঠিত শব্দ। সন্ধি বিচ্ছেদের ক্ষেত্রে আমাদের শব্দের মূল অংশ বা প্রকৃতি খুঁজে বের করতে হয়। এখানে:</p>
<ul>
<li><strong>বৈঠ</strong> হলো মূল শব্দ বা ধাতু, যা বসার স্থান বা বসার ভঙ্গি নির্দেশ করে।</li>
<li>এর সাথে <strong>ক</strong> প্রত্যয় বা অংশ যুক্ত হয়ে ‘বৈঠক’ শব্দটি গঠিত হয়েছে।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, শব্দটিকে ভাঙলে আমরা পাই <strong>বৈঠ + ক</strong>, যা ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী সঠিক। তাই পরীক্ষার খাতায় নির্ভুলভাবে উত্তর দিতে এই মূল অংশটি মনে রাখলেই চলবে।</p>
<p>‘রবীন্দ্র’ শব্দটির সঠিক সন্ধি বিচ্ছেদ হলো <strong>রবি + ইন্দ্র</strong>। এটি মূলত স্বরসন্ধির একটি সহজ নিয়ম মেনে চলে। বিষয়টি বোঝার জন্য নিচের ধাপগুলো দেখুন:</p>
<ul>
<li>সন্ধির নিয়ম অনুযায়ী, শব্দের শেষে যদি হ্রস্ব-ই (ি) বা দীর্ঘ-ঈ (ী) থাকে এবং তার সাথে যদি আবার হ্রস্ব-ই (ি) বা দীর্ঘ-ঈ (ী) যুক্ত হয়, তবে উভয় মিলে দীর্ঘ-ঈ (ী) হয়ে যায়।</li>
<li>এখানে, রবি শব্দের শেষে আছে হ্রস্ব-ই (ি) এবং ইন্দ্র শব্দের শুরুতে আছে হ্রস্ব-ই (ি)।</li>
<li>গাণিতিক বা লজিক্যাল সমীকরণটি হলো: $ই + ই = ঈ$।</li>
<li>অর্থাৎ, <strong>রবি (ই) + ইন্দ্র (ই) = রবীন্দ্র (ঈ)</strong>।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, দুটি ছোট 'ই' মিলে একটি বড় 'ঈ' তৈরি করেছে, যা রবীন্দ্র শব্দের মাঝখানে যুক্ত হয়েছে।</p>
MCQ পরীক্ষা সেটিংস
বাংলা
eProstuti
সহজ ও দ্রুত ক্লাস করতে অ্যাপটি ইনস্টল করুন
iPhone / iPad এ ইনস্টল করুন
eProstuti
১Safari ব্রাউজারের নিচে থাকা Share ( ) বাটনে চাপ দিন।
২নিচের দিকে স্ক্রোল করে 'Add to Home Screen' ( ) নির্বাচন করুন।
৩উপরে ডানে থাকা 'Add' বাটনে ট্যাপ করুন।
Android এ অ্যাপ ইনস্টল করুন
eProstuti
১Chrome ব্রাউজারের উপরে ডানে থাকা থ্রি-ডট ( ) মেনু চাপুন।
২তালিকায় 'Install app' বা 'Add to Home screen' ( ) এ ট্যাপ করুন।
ডাউনলোড সম্পন্ন হলে ফাইলটি ওপেন করে Install চাপুন।
যদি "Install unknown apps" বা "Unknown sources" অনুমতি চায়, তাহলে সেটি Allow করে আবার ইনস্টল করুন।
ইনস্টল শেষ হলে অ্যাপটি খুলে আপনার অ্যাকাউন্টে লগইন করুন।
অ্যাপের সুবিধা:
সকল লাইভ ক্লাস
রেকর্ডেড ক্লাস
অনলাইন পরীক্ষা
ই-বুক ও নোটিশ
সবকিছু এক জায়গা থেকেই সহজে ব্যবহার করুন!
ব্রাউজারে খুলুন
⚠️ মনে হচ্ছে আপনি এই ওয়েবসাইটটি ফেসবুক বা অন্য কোনো অ্যাপের ভেতরের ব্রাউজার থেকে খুলেছেন।
ভালোভাবে কাজ করার জন্য দয়া করে এটি আপনার মূল ব্রাউজারে (যেমন Chrome) খুলুন।
👉 উপরে থাকা ⋮ বা ••• বাটনে চাপ দিন → তারপর “Open in Browser” সিলেক্ট করুন।