<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>সুগঠিত</strong>। বিষয়টি খুব সহজ, এখানে মূলত শব্দের অর্থের মিল বা সমার্থক শব্দ ব্যবহার করা হয়েছে।</p>
<ul>
<li><strong>বিভা</strong> শব্দের অর্থ হলো কিরণ বা আলো। অর্থাৎ, এখানে প্রথম জোড়াটি সমার্থক শব্দ।</li>
<li>একইভাবে, <strong>সুবলিত</strong> শব্দের অর্থ হলো যার গঠন খুব সুন্দর বা সুঠাম।</li>
<li>এর সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ শব্দ হলো <strong>সুগঠিত</strong>, যার অর্থও সুন্দরভাবে গঠিত বা সুঠাম।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, শব্দগুলোর অর্থের গভীরতা এবং গঠনগত মিলের কারণেই সুবলিত-এর সঠিক প্রতিশব্দ হিসেবে সুগঠিত বেছে নেওয়া হয়েছে।</p>
<p>'Code' শব্দের সঠিক পরিভাষা হলো <strong>সংকেত</strong>।</p>
<p>সহজ কথায়, কোনো তথ্য বা বার্তাকে গোপন রাখতে বা সংক্ষেপে প্রকাশ করার জন্য যে বিশেষ চিহ্ন বা প্রতীক ব্যবহার করা হয়, তাকেই সংকেত বা কোড বলা হয়। দৈনন্দিন জীবনে আমরা যখন কোনো গোপন বার্তা বা কম্পিউটারের প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজ নিয়ে কাজ করি, তখন এই সংকেত পদ্ধতিই মূল ভিত্তি হিসেবে কাজ করে। তাই 'Code' এর যথার্থ বাংলা প্রতিশব্দ হিসেবে <strong>সংকেত</strong> সবচেয়ে উপযুক্ত।</p>
২৩৫৮
‘ধর্ম ও ন্যায়ের পথে চলো।’ - কী অর্থে অনুজ্ঞার ব্যবহার হয়েছে?
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>উপদেশ</strong>। কারণ, যখন কোনো বাক্য দিয়ে কাউকে ভালো বা কল্যাণকর কোনো কাজ করার পরামর্শ দেওয়া হয়, তখন সেটি উপদেশ হিসেবে গণ্য হয়।</p>
<ul>
<li>বাক্যটিতে ‘ধর্ম ও ন্যায়ের পথে চলো’ বলতে মূলত জীবন পরিচালনার একটি ভালো দিকনির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।</li>
<li>এটি কোনো কঠোর আদেশ বা সাধারণ অনুরোধ নয়, বরং একজন মানুষকে সঠিক পথে চলার জন্য উৎসাহিত করা হচ্ছে।</li>
<li>ব্যাকরণ অনুযায়ী, যখন কোনো কিছু করার পেছনে কল্যাণকর উদ্দেশ্য থাকে, তখন অনুজ্ঞার এই ব্যবহারকে <strong>উপদেশ</strong> বলা হয়।</li>
</ul>
<p>বিষয়টা খুব সহজ! বাংলা সাহিত্যে বা ব্যাকরণে 'দামিনী' শব্দটি মূলত বিদ্যুতের সমার্থক শব্দ হিসেবে ব্যবহৃত হয়। মনে রাখার জন্য একটি ছোট কৌশল ব্যবহার করতে পারেন:</p>
<ul>
<li>মেঘের গর্জন আর চমকানো আলোর কথা ভাবলেই 'দামিনী' নামটি মাথায় চলে আসে।</li>
<li>কবি-সাহিত্যিকরা মেঘের বুক চিরে যে আলোর রেখা ফুটে ওঠে, তাকেই কাব্যিক ভাষায় 'দামিনী' বলে সম্বোধন করেন।</li>
</ul>
<p>তাই যখনই কোথাও 'দামিনী' শব্দটি দেখবেন, চোখ বন্ধ করে ধরে নেবেন এটি <strong>বিদ্যুৎ</strong> বা বিজলিকেই বোঝানো হচ্ছে।</p>
<p>শেখ ফজলল করিমের উপাধি হলো <strong>সাহিত্য বিশারদ</strong>। তিনি মূলত একজন খ্যাতিমান বাঙালি কবি ও সাহিত্যিক ছিলেন। তাঁর সাহিত্যকর্মের স্বীকৃতিস্বরূপ তাঁকে এই বিশেষ উপাধিতে ভূষিত করা হয়। বিষয়টি মনে রাখার জন্য নিচের তথ্যটি খেয়াল রাখতে পারেন:</p>
<ul>
<li>শেখ ফজলল করিমের সাহিত্যিক অবদানের জন্য তাঁকে <strong>সাহিত্য বিশারদ</strong> উপাধি দেওয়া হয়েছিল।</li>
<li>তিনি মূলত তাঁর কাব্যগ্রন্থ এবং বিভিন্ন সৃজনশীল রচনার জন্য বাংলা সাহিত্যে বিশেষভাবে সমাদৃত।</li>
</ul>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>বিদ্যাপতি</strong>। বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ:</p>
<ul>
<li>বৈষ্ণব পদাবলীর অধিকাংশ কবিই বাঙালি ছিলেন, কিন্তু <strong>বিদ্যাপতি</strong> ছিলেন মৈথিলি ভাষার কবি।</li>
<li>তিনি মিথিলার অধিবাসী ছিলেন বলে তাকে 'মৈথিল কোকিল' বলা হয়।</li>
<li>বাংলা ভাষায় পদ রচনা করলেও তাঁর মাতৃভাষা ছিল মৈথিলি, তাই তিনিই একমাত্র প্রধান কবি যিনি অবাঙালি হয়েও বৈষ্ণব পদাবলীতে অমর হয়ে আছেন।</li>
</ul>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>বিদ্যাপতি</strong>। বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ, কারণ বিদ্যাপতি তাঁর অসাধারণ পদাবলির জন্য বিখ্যাত।</p>
<ul>
<li>বিদ্যাপতি মূলত মৈথিলি ভাষায় কবিতা লিখতেন, কিন্তু তাঁর রাধা-কৃষ্ণের প্রেমলীলা বিষয়ক পদগুলো বাংলা সাহিত্যে ব্যাপক প্রভাব ফেলে।</li>
<li>সংস্কৃত কবি জয়দেবের 'গীতগোবিন্দ' কাব্যের মধুর ও অলংকারবহুল রচনার সাথে বিদ্যাপতির কাব্যশৈলীর অদ্ভুত মিল পাওয়া যায়।</li>
<li>এই বিশেষ কাব্যগুণের কারণেই তাঁকে <strong>'অভিনব জয়দেব'</strong> বা 'নতুন জয়দেব' উপাধিতে ভূষিত করা হয়েছে।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, জয়দেবের মতো চমৎকার কাব্যশৈলী ও অলংকারের ব্যবহারের কারণেই বিদ্যাপতি এই উপাধিটি পেয়েছেন।</p>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>মালাধর বসু</strong>। বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ:</p>
<ul>
<li>মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যের অন্যতম শ্রেষ্ঠ কবি মালাধর বসু সুলতান রুকনউদ্দিন বারবক শাহের রাজদরবারের একজন সম্মানিত ব্যক্তি ছিলেন।</li>
<li>তিনি বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ <strong>'শ্রীকৃষ্ণবিজয়'</strong> রচনা করেছিলেন।</li>
<li>তার এই অসাধারণ পাণ্ডিত্য এবং কাব্যপ্রতিভার স্বীকৃতিস্বরূপ সুলতান তাকে <strong>'গুণরাজ খান'</strong> উপাধিতে ভূষিত করেন।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, সুলতানের দরবারে তার বিশেষ সম্মানের কারণেই তিনি ইতিহাসে 'গুণরাজ খান' হিসেবে পরিচিতি পান।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>বিদ্বান ব্যক্তিগণ দারিদ্র্যের শিকার হন</strong>। বাংলা বানানের নিয়ম অনুযায়ী এই বাক্যটি কেন শুদ্ধ, তা নিচে সহজভাবে দেওয়া হলো:</p>
<ul>
<li><strong>বিদ্বান:</strong> 'বিদ্যা' শব্দের সাথে 'বান' প্রত্যয় যুক্ত হয়ে 'বিদ্বান' শব্দটি গঠিত হয়, যা একজন জ্ঞানী ব্যক্তিকে বোঝায়। তাই 'বিদ্যান' বানানটি ভুল।</li>
<li><strong>দারিদ্র্য:</strong> 'দরিদ্র' শব্দের সাথে 'য' প্রত্যয় যুক্ত হয়ে 'দারিদ্র্য' শব্দটি গঠিত হয়। 'দারিদ্রতা' বা 'দরিদ্রতা' শব্দগুলো ব্যাকরণগতভাবে অশুদ্ধ, কারণ 'দরিদ্র' শব্দের সাথে 'তা' প্রত্যয় যুক্ত হয় না।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, শুদ্ধ শব্দগুলো হলো <strong>বিদ্বান</strong> এবং <strong>দারিদ্র্য</strong>। তাই এই দুটি শব্দ ব্যবহার করে গঠিত বাক্যটিই সঠিক।</p>
<p>‘বিদ্যালয়’ শব্দটির সঠিক সন্ধি বিচ্ছেদ হলো <strong>বিদ্যা + আলয়</strong>। সন্ধির নিয়ম অনুযায়ী এটি খুব সহজেই বোঝা যায়:</p>
<ul>
<li>এখানে প্রথম শব্দের শেষে আছে 'আ' (বিদ্য<strong>া</strong>) এবং দ্বিতীয় শব্দের শুরুতে আছে 'আ' (<strong>আ</strong>লয়)।</li>
<li>ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী, অ বা আ-এর সাথে অ বা আ মিলে সবসময় 'আ' হয়।</li>
<li>অর্থাৎ, $$আ + আ = আ$$।</li>
</ul>
<p>এই নিয়ম মেনেই ‘বিদ্যা’ এবং ‘আলয়’ যুক্ত হয়ে ‘বিদ্যালয়’ শব্দটি গঠিত হয়েছে। তাই সঠিক উত্তরটি হলো <strong>বিদ্যা + আলয়</strong>।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>বিদ্বান</strong>। বাংলা বানানের নিয়ম অনুযায়ী, 'বিদ্বান' শব্দটির মূল গঠন হলো 'বিৎ' + 'বৎ' প্রত্যয়।</p>
<ul>
<li>সংস্কৃত ব্যাকরণ অনুযায়ী, 'বিৎ' শব্দের সাথে 'বৎ' প্রত্যয় যুক্ত হয়ে 'বিদ্বৎ' গঠিত হয়, যা পরবর্তীতে 'বিদ্বান' হিসেবে ব্যবহৃত হয়।</li>
<li>অনেকে ভুল করে 'বিদ্যান' বা 'বিদ্ব্যান' লিখে ফেলেন, কিন্তু শুদ্ধ বানানে 'দ'-এর নিচে 'ব' যুক্ত হয়ে 'দ্ব' হয় এবং শেষে 'ন' ব্যবহৃত হয়।</li>
<li>সহজ কথায়, এটি একটি বিশেষ্য পদ যা জ্ঞানী ব্যক্তিকে বোঝায় এবং এর সঠিক রূপটি হলো <strong>বিদ্বান</strong>।</li>
</ul>
<p>বাংলা ব্যাকরণ ও বানানের নিয়ম অনুযায়ী সঠিক বাক্যটি হলো: <strong>বিদ্বান মূর্খ অপেক্ষা শ্রেষ্ঠ</strong>। এখানে কেন এই রূপটি সঠিক, তা নিচে সহজভাবে দেওয়া হলো:</p>
<ul>
<li><strong>বানান শুদ্ধি:</strong> 'বিদ্যান' শব্দটি ভুল, সঠিক বানান হলো <strong>বিদ্বান</strong> (যার অর্থ জ্ঞানী)। আবার 'মুর্খ' নয়, সঠিক বানান হলো <strong>মূর্খ</strong>।</li>
<li><strong>শব্দ চয়ন:</strong> 'শ্রেষ্ঠতর' শব্দটি তখনই ব্যবহার করা হয় যখন দুইয়ের মধ্যে তুলনা করা হয়। কিন্তু 'অপেক্ষা' শব্দটি নিজেই তুলনার কাজ করছে। তাই 'অপেক্ষা' এবং 'শ্রেষ্ঠতর' একসাথে বসানো বাহুল্য দোষ বা বাহুল্য দোষের অন্তর্ভুক্ত।</li>
<li><strong>সহজ যুক্তি:</strong> যেহেতু 'অপেক্ষা' দিয়ে তুলনা বোঝানো হচ্ছে, তাই এর সাথে 'শ্রেষ্ঠ' ব্যবহার করাই যথেষ্ট।</li>
</ul>
<p>সঠিক উত্তর হলো: <strong>বিদ্বান ব্যক্তিগণ দরিদ্রতার স্বীকার হন।</strong></p>
<p>বাক্যটি শুদ্ধ হওয়ার পেছনে মূল কারণগুলো নিচে সহজভাবে দেওয়া হলো:</p>
<ul>
<li><strong>বিদ্বান:</strong> 'বিদ্যা' শব্দের সাথে 'বান' প্রত্যয় যুক্ত হয়ে 'বিদ্বান' শব্দটি গঠিত হয়, যা বানানগতভাবে সঠিক।</li>
<li><strong>দরিদ্রতা:</strong> 'দরিদ্র' শব্দের সাথে 'তা' প্রত্যয় যুক্ত হয়ে 'দরিদ্রতা' শব্দটি তৈরি হয়, যা এখানে যথাযথ।</li>
<li><strong>স্বীকার:</strong> কোনো কিছু মেনে নেওয়া বা কোনো পরিস্থিতির সম্মুখীন হওয়া অর্থে 'স্বীকার' শব্দটি সঠিক।</li>
</ul>
<p>অন্যান্য অপশনগুলোতে বানানের ভুল বা শব্দের প্রয়োগগত অসামঞ্জস্য রয়েছে, কিন্তু এই বাক্যটি ব্যাকরণগতভাবে সম্পূর্ণ নির্ভুল।</p>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>বিদ্বৎ + জন</strong>। সন্ধি বিচ্ছেদের এই নিয়মটি মনে রাখা খুব সহজ:</p>
<ul>
<li>ব্যঞ্জনসন্ধির নিয়ম অনুযায়ী, পদের শেষে যদি <strong>ৎ</strong> থাকে এবং তার পরে <strong>জ</strong> থাকে, তবে সেই <strong>ৎ</strong> পরিবর্তিত হয়ে <strong>জ</strong>-এ পরিণত হয়।</li>
<li>এখানে <strong>বিদ্বৎ</strong> শব্দের শেষে থাকা <strong>ৎ</strong> এবং <strong>জন</strong> শব্দের শুরুতে থাকা <strong>জ</strong> মিলে যুক্তবর্ণ <strong>জ্জ</strong> তৈরি করেছে।</li>
<li>সহজ কথায়, শব্দটিকে ভাঙলে আমরা পাই: <strong>বিদ্বৎ + জন = বিদ্বজ্জন</strong>।</li>
</ul>
<p>এভাবে মনে রাখলে যেকোনো সময় খুব দ্রুত সঠিক উত্তরটি বের করা সম্ভব!</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>বাহুল্য দোষে</strong>। বিষয়টি খুব সহজ, একটু খেয়াল করলেই বুঝতে পারবেন:</p>
<ul>
<li>বাংলা ব্যাকরণে <strong>'সকল'</strong> শব্দটি নিজেই বহুবচন নির্দেশ করে।</li>
<li>আবার <strong>'আলেমগণ'</strong> শব্দটিতে 'গণ' প্রত্যয় যোগ করেও বহুবচন বোঝানো হয়েছে।</li>
<li>একই বাক্যে দুইবার বহুবচন ব্যবহার করার প্রয়োজন নেই, কারণ এটি অপ্রয়োজনীয়।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, যখন কোনো বাক্যে প্রয়োজনের চেয়ে বেশি শব্দ ব্যবহার করা হয়, তখন তাকেই <strong>বাহুল্য দোষ</strong> বলা হয়। এখানে 'সকল আলেম' অথবা 'আলেমগণ'—যেকোনো একটি ব্যবহার করলেই বাক্যটি শুদ্ধ হতো।</p>
MCQ পরীক্ষা সেটিংস
বাংলা
eProstuti
সহজ ও দ্রুত ক্লাস করতে অ্যাপটি ইনস্টল করুন
iPhone / iPad এ ইনস্টল করুন
eProstuti
১Safari ব্রাউজারের নিচে থাকা Share ( ) বাটনে চাপ দিন।
২নিচের দিকে স্ক্রোল করে 'Add to Home Screen' ( ) নির্বাচন করুন।
৩উপরে ডানে থাকা 'Add' বাটনে ট্যাপ করুন।
Android এ অ্যাপ ইনস্টল করুন
eProstuti
১Chrome ব্রাউজারের উপরে ডানে থাকা থ্রি-ডট ( ) মেনু চাপুন।
২তালিকায় 'Install app' বা 'Add to Home screen' ( ) এ ট্যাপ করুন।
ডাউনলোড সম্পন্ন হলে ফাইলটি ওপেন করে Install চাপুন।
যদি "Install unknown apps" বা "Unknown sources" অনুমতি চায়, তাহলে সেটি Allow করে আবার ইনস্টল করুন।
ইনস্টল শেষ হলে অ্যাপটি খুলে আপনার অ্যাকাউন্টে লগইন করুন।
অ্যাপের সুবিধা:
সকল লাইভ ক্লাস
রেকর্ডেড ক্লাস
অনলাইন পরীক্ষা
ই-বুক ও নোটিশ
সবকিছু এক জায়গা থেকেই সহজে ব্যবহার করুন!
ব্রাউজারে খুলুন
⚠️ মনে হচ্ছে আপনি এই ওয়েবসাইটটি ফেসবুক বা অন্য কোনো অ্যাপের ভেতরের ব্রাউজার থেকে খুলেছেন।
ভালোভাবে কাজ করার জন্য দয়া করে এটি আপনার মূল ব্রাউজারে (যেমন Chrome) খুলুন।
👉 উপরে থাকা ⋮ বা ••• বাটনে চাপ দিন → তারপর “Open in Browser” সিলেক্ট করুন।