<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>বিহগ</strong>। খুব সহজভাবে মনে রাখার উপায় হলো, 'বিহগ' শব্দটি এসেছে 'বিহ' (আকাশ) এবং 'গ' (গমনকারী) থেকে। অর্থাৎ, যে আকাশে বিচরণ করে বা উড়ে বেড়ায়, তাকেই বিহগ বলা হয়।</p>
<ul>
<li><strong>বিহগ</strong> মানেই হলো পাখি।</li>
<li>বাংলা ব্যাকরণে প্রতিশব্দ মনে রাখার সবচেয়ে ভালো উপায় হলো শব্দের মূল অর্থ বা ব্যুৎপত্তি বুঝে নেওয়া।</li>
<li>যেহেতু পাখি আকাশে ওড়ে, তাই আকাশচারী বা বিহগ শব্দটি পাখির সাথে সরাসরি সম্পর্কিত।</li>
</ul>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>ব্রজবিলাস</strong>। কারণ এটি প্যারীচাঁদ মিত্রের লেখা নয়, বরং এটি বিখ্যাত লেখক <strong>কালীপ্রসন্ন সিংহ</strong>-এর একটি ব্যঙ্গাত্মক রচনা।</p>
<p>সহজভাবে মনে রাখার উপায়:</p>
<ul>
<li>প্যারীচাঁদ মিত্র বাংলা সাহিত্যের প্রথম উপন্যাসের রচয়িতা হিসেবে পরিচিত।</li>
<li>তার উল্লেখযোগ্য গ্রন্থগুলোর মধ্যে রয়েছে <em>আলালের ঘরের দুলাল</em>, <em>মদ খাওয়া বড় দায় জাত থাকার কি উপায়</em>, <em>বামারঞ্জিকা</em> এবং <em>বামাতোষিণী</em>।</li>
<li>অন্যদিকে, <em>ব্রজবিলাস</em> কালীপ্রসন্ন সিংহের <em>হুতোম প্যাঁচার নকশা</em> ধারার একটি লেখা, তাই এটি প্যারীচাঁদ মিত্রের তালিকার অন্তর্ভুক্ত নয়।</li>
</ul>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>আত্মজ</strong>। বিষয়টি খুব সহজ, কারণ শব্দটির গঠন বিশ্লেষণ করলেই এর অর্থ পরিষ্কার হয়ে যায়।</p>
<ul>
<li>‘আত্ম’ মানে হলো ‘নিজ’ বা ‘আমি’ এবং ‘জ’ মানে হলো ‘জাত’ বা ‘জন্ম নেওয়া’।</li>
<li>অর্থাৎ, যে নিজের দেহ থেকে জন্ম নিয়েছে বা নিজের সন্তান, তাকেই বলা হয় <strong>আত্মজ</strong>।</li>
<li>সহজ কথায়, ‘পুত্র’ বা ‘ছেলে’ বোঝাতে ‘আত্মজ’ শব্দটি ব্যবহার করা হয়।</li>
</ul>
<p>তাই মনে রাখার সহজ কৌশল হলো: নিজের থেকে যে জন্ম নেয়, সেই হলো <strong>আত্মজ</strong> বা পুত্র।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>সুত</strong>। বিষয়টি খুব সহজ, কারণ বাকি শব্দগুলো মূলত 'স্ত্রী' বা 'নারী'বাচক শব্দকে নির্দেশ করে, কিন্তু 'সুত' শব্দটির অর্থ ভিন্ন।</p>
<ul>
<li><strong>কান্তা</strong>, <strong>রামা</strong> এবং <strong>বামা</strong>—এই তিনটি শব্দই 'স্ত্রী' বা 'রমণী'র প্রতিশব্দ হিসেবে ব্যবহৃত হয়।</li>
<li>অন্যদিকে, <strong>সুত</strong> শব্দের অর্থ হলো 'পুত্র' বা 'ছেলে'।</li>
</ul>
<p>যেহেতু প্রশ্নটিতে জানতে চাওয়া হয়েছে কোনটি প্রতিশব্দ নয়, তাই অর্থের দিক থেকে আলাদা হওয়ায় <strong>সুত</strong>-ই এখানে সঠিক উত্তর।</p>
<p>শব্দটির গঠন বিশ্লেষণ করলে বিষয়টি খুব সহজে বোঝা যায়:</p>
<ul>
<li><strong>বামেতর</strong> শব্দটিকে ভাঙলে পাওয়া যায়: <strong>বাম + ইতর</strong>।</li>
<li>এখানে 'ইতর' শব্দের অর্থ হলো 'অন্য' বা 'ভিন্ন'।</li>
<li>অর্থাৎ, 'বামেতর' মানে হলো 'বাম নয় এমন' বা 'বামের বিপরীত'।</li>
<li>যেহেতু বামের বিপরীত দিকটি হলো <strong>ডান</strong>, তাই এই শব্দটি দিয়ে ডান দিককেই বোঝানো হয়।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, কোনো কিছুর বাম দিকের বিপরীত দিকটিই হলো বামেতর বা ডান দিক।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>হস্তী</strong>। বিষয়টি খুব সহজ, কারণ রূঢ় শব্দ চেনার একটি দারুণ কৌশল আছে।</p>
<ul>
<li>যেসব শব্দকে ভাঙলে বা বিশ্লেষণ করলে আলাদা কোনো অর্থ পাওয়া যায় না, তাদেরই রূঢ় শব্দ বলে।</li>
<li><strong>হস্তী</strong> শব্দটিকে ভাঙলে 'হস্ত' + 'ঈ' পাওয়া যায়, কিন্তু এর অর্থ মূল শব্দের সাথে সরাসরি সম্পর্কিত নয়।</li>
<li>সহজ কথায়, যে শব্দের প্রকৃতি ও প্রত্যয়জাত অর্থ মূল শব্দের অর্থের অনুগামী হয় না, সেটিই রূঢ় শব্দ।</li>
</ul>
<p>তাই ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী, <strong>হস্তী</strong> একটি রূঢ় শব্দের চমৎকার উদাহরণ।</p>
২৪৫৩
"আগে কি সুন্দর দিন কাটাইতাম"-- এই গানটির সুরকার কে?
<p>এই কালজয়ী গানটির রচয়িতা ও সুরকার হলেন বাউল সম্রাট <strong>শাহ আবদুল করিম</strong>। তিনি তাঁর সহজ-সরল কথা ও সুরের জাদুতে গ্রামীণ জীবন ও মানুষের আবেগকে অসাধারণভাবে ফুটিয়ে তুলেছেন।</p>
<p>গানটির পেছনের মূল বিষয়টি হলো:</p>
<ul>
<li><strong>শাহ আবদুল করিম</strong> ভাটি অঞ্চলের মানুষের সুখ-দুঃখের কথা তাঁর গানে তুলে ধরতেন।</li>
<li>'আগে কি সুন্দর দিন কাটাইতাম' গানটি মূলত তাঁরই সৃষ্টি, যা আজও মানুষের মুখে মুখে ফেরে।</li>
<li>তাঁর গানের সুর ও কথা এতই সাবলীল যে, এটি খুব দ্রুত মানুষের হৃদয়ে জায়গা করে নেয়।</li>
</ul>
<p>‘বন্ধন’ শব্দটির সঠিক অক্ষর বিন্যাস হলো <strong>বন্+ধন্</strong>। এটি মূলত শব্দের উচ্চারণের ওপর ভিত্তি করে তৈরি। আমরা যখন শব্দটি উচ্চারণ করি, তখন খেয়াল করলে দেখবেন এটি দুটি প্রধান অংশে বিভক্ত হয়ে যায়:</p>
<ul>
<li>প্রথম অংশ: <strong>বন্</strong> (যেখানে 'ব'-এর সাথে 'ন' যুক্ত হয়ে একটি ধ্বনি তৈরি করছে)।</li>
<li>দ্বিতীয় অংশ: <strong>ধন্</strong> (যেখানে 'ধ'-এর সাথে 'ন' যুক্ত হয়ে শেষ অংশটি পূর্ণ করছে)।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, শব্দটিকে ভেঙে উচ্চারণ করলে আমরা পাই <strong>বন্</strong> এবং <strong>ধন্</strong>। এই দুটি অংশ যোগ করলেই তৈরি হয় ‘বন্ধন’। তাই ব্যাকরণগত ও উচ্চারণগত দিক থেকে এই বিন্যাসটিই সবচেয়ে সঠিক।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>হাতি</strong>।</p>
<p>শব্দার্থের ক্ষেত্রে অনেক সময় বানানের সামান্য পার্থক্যে অর্থের বড় পরিবর্তন ঘটে। বিষয়টি মনে রাখার সহজ উপায় হলো:</p>
<ul>
<li><strong>দ্বিপ</strong> (দ-য়-ব-প): এর অর্থ হলো <strong>হাতি</strong>। কারণ, হাতির দুটি দাঁত থাকে, তাই একে 'দ্বিপ' বা দুই দাঁতবিশিষ্ট বলা হয়।</li>
<li><strong>দ্বীপ</strong> (দ-য়-ব-প-এর নিচে দীর্ঘ-ঈকার): এর অর্থ হলো <strong>জলবেষ্টিত স্থান</strong>।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, বানানে দীর্ঘ-ঈকার থাকলে সেটি জলবেষ্টিত স্থান বোঝায়, আর হ্রস্ব-ইকার থাকলে সেটি হাতিকে নির্দেশ করে।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>বাতাস</strong>। বিষয়টি খুব সহজ, কারণ বাংলা অভিধান অনুযায়ী ‘সমীর’ শব্দটি মূলত বাতাসের একটি প্রতিশব্দ হিসেবে ব্যবহৃত হয়।</p>
<p>সহজে মনে রাখার জন্য কিছু টিপস:</p>
<ul>
<li>‘সমীর’ বা ‘সমীরণ’—এই শব্দগুলো শুনলেই বাতাসের মৃদু প্রবাহ বা বায়ুর কথা মাথায় আনবেন।</li>
<li>কবিতা বা সাহিত্যে বাতাস বোঝাতে কবিরা প্রায়ই এই সুন্দর শব্দটি ব্যবহার করে থাকেন।</li>
</ul>
<p>তাই যখনই ‘সমীর’ শব্দটি দেখবেন, চোখ বন্ধ করে ধরে নেবেন এটি <strong>বাতাস</strong> বা বায়ুকেই নির্দেশ করছে।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>অগ্নি</strong>। বিষয়টি মনে রাখা খুবই সহজ:</p>
<ul>
<li>'পাবক' শব্দটির আক্ষরিক অর্থ হলো যা সবকিছু পবিত্র বা শুদ্ধ করে দেয়।</li>
<li>পৌরাণিক ও সাহিত্যিক প্রেক্ষাপটে আগুন বা অগ্নিকে পবিত্রতার প্রতীক হিসেবে ধরা হয়, তাই আগুনের একটি অন্যতম নাম হলো পাবক।</li>
<li>সহজ কথায়, অগ্নি, অনল, দহন বা পাবক—এগুলো সবই আগুনের সমার্থক শব্দ।</li>
</ul>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>অগ্নি</strong>। বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ, কারণ 'পাবক' শব্দের আক্ষরিক অর্থ হলো যা পবিত্র করে বা যা শুদ্ধ করে।</p>
<ul>
<li>পুরাণ এবং বাংলা সাহিত্যে অগ্নিকে পবিত্রতার প্রতীক হিসেবে ধরা হয়।</li>
<li>অগ্নি সবকিছু পুড়িয়ে শুদ্ধ করে দেয় বলেই একে 'পাবক' বলা হয়।</li>
<li>সহজ কথায়, আগুনের যতগুলো প্রতিশব্দ আছে, তার মধ্যে 'পাবক' অন্যতম একটি জনপ্রিয় শব্দ।</li>
</ul>
<p>তাই পরীক্ষার খাতায় 'পাবক' দেখলেই চোখ বন্ধ করে <strong>অগ্নি</strong> দাগিয়ে দিতে পারেন!</p>
ডাউনলোড সম্পন্ন হলে ফাইলটি ওপেন করে Install চাপুন।
যদি "Install unknown apps" বা "Unknown sources" অনুমতি চায়, তাহলে সেটি Allow করে আবার ইনস্টল করুন।
ইনস্টল শেষ হলে অ্যাপটি খুলে আপনার অ্যাকাউন্টে লগইন করুন।
অ্যাপের সুবিধা:
সকল লাইভ ক্লাস
রেকর্ডেড ক্লাস
অনলাইন পরীক্ষা
ই-বুক ও নোটিশ
সবকিছু এক জায়গা থেকেই সহজে ব্যবহার করুন!
ব্রাউজারে খুলুন
⚠️ মনে হচ্ছে আপনি এই ওয়েবসাইটটি ফেসবুক বা অন্য কোনো অ্যাপের ভেতরের ব্রাউজার থেকে খুলেছেন।
ভালোভাবে কাজ করার জন্য দয়া করে এটি আপনার মূল ব্রাউজারে (যেমন Chrome) খুলুন।
👉 উপরে থাকা ⋮ বা ••• বাটনে চাপ দিন → তারপর “Open in Browser” সিলেক্ট করুন।