eProstuti
স্বাগতম শিক্ষার্থী!

অনলাইন কোর্স ও পরীক্ষায় অংশ নিতে লগইন করুন

লগইন / রেজিস্টার
ওয়েবসাইট মেন্যু

এসএসসি ২০২৬ এর রেজাল্ট সবার আগে পেতে এখনই বুকিং করো

বুক করো
MCQ: ৩৪৫১৩ টি
সকল বিষয়
বাংলা
সঠিক উত্তর বাছাই করে আপনার প্রস্তুতি যাচাই করুন
২৪৬১

নিচের কোন বানানের স্বভাবতই ‘মূর্ধন্য’ (ণ) হয়?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
বাণ
ব্যাখ্যা:
<p>বাংলা ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী, কিছু শব্দে কোনো কারণ ছাড়াই স্বভাবতই <strong>‘ণ’</strong> ব্যবহৃত হয়। একে বলা হয় নত্ব বিধানের স্বভাবত ‘ণ’ হওয়ার নিয়ম।</p>

<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>বাণ</strong>। এর কারণগুলো নিচে দেওয়া হলো:</p>

<ul>
<li>বাংলা ভাষায় এমন কিছু শব্দ আছে যা কোনো বিশেষ নিয়ম ছাড়াই সবসময় <strong>‘ণ’</strong> দিয়ে লেখা হয়।</li>
<li>এই শব্দগুলোর মধ্যে অন্যতম হলো: চাণক্য, মাণিক্য, গণ, বাণিজ্য, লবণ, অণু, বেণু, বীণা, কঙ্কণ, কণিকা, কল্যাণ, শাণ, বিপণি, গণিকা, আপন, লাবণ্য, এবং <strong>বাণ</strong>।</li>
<li>যেহেতু <strong>বাণ</strong> শব্দটি এই তালিকার অন্তর্ভুক্ত, তাই এখানে স্বভাবতই <strong>‘ণ’</strong> ব্যবহৃত হয়েছে।</li>
</ul>
২৪৬২

নিচের কোনটি তৎসম শব্দ?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
লতা
ব্যাখ্যা:
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>লতা</strong>। বিষয়টি খুব সহজ, কারণ তৎসম শব্দ চেনার একটি দারুণ উপায় হলো শব্দের গঠন।</p>

<ul>
<li>তৎসম শব্দ মানেই হলো সংস্কৃত ভাষা থেকে সরাসরি আসা শব্দ, যা হুবহু বাংলায় ব্যবহৃত হয়।</li>
<li><strong>লতা</strong> শব্দটি সংস্কৃত ভাষায় একইভাবে ব্যবহৃত হয় এবং এর গঠনশৈলীও সংস্কৃত ব্যাকরণ অনুযায়ী নিখুঁত।</li>
<li>অন্যান্য শব্দগুলো (যেমন: হাত, ডিম, বাড়ি) মূলত তদ্ভব বা দেশি শব্দ, যা সময়ের সাথে পরিবর্তিত হয়ে আজকের রূপ পেয়েছে।</li>
</ul>

<p>সহজ কথায়, যে শব্দগুলো দেখলে মনে হয় এগুলো প্রাচীন সংস্কৃত শ্লোক বা বইয়ের ভাষা, সেগুলোই সাধারণত তৎসম শব্দ। তাই <strong>লতা</strong> এখানে নির্ভুল উত্তর।</p>
২৪৬৩

'লঙ্কা বাটা' এর সঠিক ব্যাসবাক্য কোনটি?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
যা লঙ্কা তাই বাটা
ব্যাখ্যা:
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>যা লঙ্কা তাই বাটা</strong>। কারণ এটি একটি কর্মধারয় সমাসের উদাহরণ।</p>

<p>সহজভাবে মনে রাখার উপায়:</p>
<ul>
<li>যখন কোনো বিশেষ্য বা বিশেষণ পদের সাথে অন্য একটি পদের অভেদ কল্পনা করা হয়, তখন তাকে কর্মধারয় সমাস বলে।</li>
<li>এখানে 'লঙ্কা' এবং 'বাটা' আলাদা কিছু নয়, বরং লঙ্কাটিই বাটা হয়েছে। অর্থাৎ, লঙ্কার যে অবস্থা বা গুণ, সেটিই এখানে প্রধান।</li>
<li>এই ধরনের সমাসের ক্ষেত্রে ব্যাসবাক্য করার সময় <strong>'যা... তাই...'</strong> কাঠামোটি ব্যবহার করা হয়, যা বস্তু বা গুণের অভিন্নতা প্রকাশ করে।</li>
</ul>
২৪৬৪

কোনটি কৃৎ প্রত্যয় সাধিত শব্দ নয়?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
বাচ্য
ব্যাখ্যা:
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>বাচ্য</strong>। বিষয়টি খুব সহজভাবে বোঝা যায় এভাবে:</p>

<ul>
<li><strong>কৃৎ প্রত্যয়</strong> মূলত ধাতুর সাথে যুক্ত হয়ে নতুন শব্দ তৈরি করে।</li>
<li>'বাচ্য' শব্দটি গঠিত হয়েছে 'বচ্' ধাতুর সাথে 'য' প্রত্যয় যুক্ত হয়ে। কিন্তু ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী, এটি তদ্ধিত প্রত্যয়জাত শব্দ হিসেবে গণ্য হয় কারণ এটি কর্মবাচ্যের অর্থ প্রকাশ করে।</li>
<li>সহজ কথায়, কৃৎ প্রত্যয় সবসময় ক্রিয়াবাচক শব্দের সাথে যুক্ত হয়, কিন্তু 'বাচ্য' শব্দটি এখানে বিশেষ্য বা বিশেষণ পদ হিসেবে ব্যবহৃত হওয়ায় এটি কৃৎ প্রত্যয় সাধিত শব্দের তালিকায় পড়ে না।</li>
</ul>

<p>তাই মনে রাখার সহজ উপায় হলো, যে শব্দগুলো সরাসরি ধাতুর সাথে যুক্ত হয়ে ক্রিয়া বা ক্রিয়াবাচক বিশেষ্য তৈরি করে না, সেগুলো কৃৎ প্রত্যয় নয়।</p>
২৪৬৫

অর্থসঙ্গতি বিশিষ্ট একাধিক পদের একপদে পরিণত হওয়ার নাম কি ?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
সমাস
ব্যাখ্যা:
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>সমাস</strong>। বিষয়টি খুব সহজভাবে মনে রাখা যায় এভাবে:</p>

<ul>
<li><strong>সমাস</strong> শব্দের আক্ষরিক অর্থই হলো সংক্ষেপণ বা মিলন।</li>
<li>যখন দুই বা ততোধিক পদ মিলে একটি নতুন পদ তৈরি করে এবং তাদের অর্থের মিলন ঘটে, তখন তাকে সমাস বলে।</li>
<li>যেমন: 'সিংহ চিহ্নিত আসন' থেকে 'সিংহাসন'। এখানে তিনটি আলাদা পদ মিলে একটি পদে পরিণত হয়েছে, যা সমাসের মূল বৈশিষ্ট্য।</li>
</ul>

<p>সহজ কথায়, বড় কোনো বাক্য বা শব্দগুচ্ছকে ছোট করে একটি মাত্র পদে নিয়ে আসার প্রক্রিয়াটিই হলো সমাস।</p>
২৪৬৬

'মুখচোরা' বাগধারাটির অর্থ কি?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
লাজুক
ব্যাখ্যা:
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>লাজুক</strong>। বিষয়টি খুব সহজ, কারণ 'মুখচোরা' শব্দটি সাধারণত এমন কাউকে বোঝাতে ব্যবহৃত হয় যে মানুষের সামনে কথা বলতে লজ্জা পায় বা সংকোচ বোধ করে।</p>

<ul>
<li>'মুখচোরা' মানে হলো যে ব্যক্তি সহজে কারো সাথে মিশতে পারে না বা কথা বলতে লজ্জা পায়।</li>
<li>সহজ কথায়, যে লাজুক স্বভাবের মানুষ, তাকেই আমরা বাগধারার ভাষায় 'মুখচোরা' বলে থাকি।</li>
</ul>
২৪৬৭

‘বাচস্পতি’ শব্দের সন্ধি বিচ্ছেদ কোনটি?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
বাচঃ + পতি
ব্যাখ্যা:
<p>‘বাচস্পতি’ শব্দের সঠিক সন্ধি বিচ্ছেদ হলো <strong>বাচঃ + পতি</strong>। এটি একটি বিসর্গ সন্ধির উদাহরণ। বিষয়টি খুব সহজে মনে রাখার জন্য নিচের নিয়মটি খেয়াল করুন:</p>

<ul>
<li>সংস্কৃত ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী, বিসর্গের পর যদি ‘প’ বা ‘ফ’ থাকে, তবে বিসর্গটি অনেক সময় ‘স’ বা ‘ষ’ এ পরিণত হয়।</li>
<li>এখানে <strong>বাচঃ</strong> পদের বিসর্গটি সন্ধির সময় <strong>স</strong>-এ রূপান্তরিত হয়ে ‘বাচস্পতি’ শব্দটি গঠন করেছে।</li>
<li>সহজ কথায়, বিসর্গ সন্ধির নিয়ম মেনে <strong>বাচঃ</strong> এর সাথে <strong>পতি</strong> যুক্ত হয়েই বাচস্পতি হয়েছে।</li>
</ul>

<p>তাই পরীক্ষার খাতায় এমন শব্দ দেখলে সরাসরি বিসর্গযুক্ত অংশটি বেছে নেওয়াই বুদ্ধিমানের কাজ!</p>
২৪৬৮

কোন শব্দ বহুব্রীহি সমাসে নিষ্পন্ন?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
বীণাপাণি
ব্যাখ্যা:
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>বীণাপাণি</strong>। বহুব্রীহি সমাস চেনার সবচেয়ে সহজ উপায় হলো এটি এমন একটি সমাস, যেখানে সমাসবদ্ধ পদটি কোনো পূর্বপদ বা পরপদের অর্থ না বুঝিয়ে সম্পূর্ণ নতুন একটি অর্থ প্রকাশ করে।</p>

<ul>
<li><strong>বীণাপাণি</strong> শব্দটির ব্যাসবাক্য হলো: বীণা পাণিতে (হাতে) যাহার।</li>
<li>এখানে 'বীণা' বা 'পাণি' কোনোটির অর্থ প্রধান নয়, বরং এই শব্দ দিয়ে দেবী সরস্বতীকে বোঝানো হচ্ছে।</li>
<li>যেহেতু সমাসবদ্ধ পদটি অন্য কোনো ব্যক্তি বা বস্তুকে নির্দেশ করছে, তাই এটি বহুব্রীহি সমাসের অন্তর্ভুক্ত।</li>
</ul>
২৪৬৯

ড. সুকুমার সেনের লেখা গ্রন্থ কোনটি?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
বাঙ্গালা সাহিত্যের ইতিহাস
ব্যাখ্যা:
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>বাঙ্গালা সাহিত্যের ইতিহাস</strong>। ড. সুকুমার সেন বাংলা সাহিত্যের গবেষণায় একজন দিকপাল ব্যক্তিত্ব। তাঁর এই বিখ্যাত গ্রন্থটি বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসের ওপর লেখা সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য ও প্রামাণ্য কাজগুলোর একটি হিসেবে বিবেচিত হয়।</p>

<p>সহজভাবে মনে রাখার উপায়:</p>
<ul>
<li>ড. সুকুমার সেনের গবেষণার মূল ক্ষেত্রই ছিল বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস।</li>
<li>তাঁর লেখা এই বিশাল গ্রন্থটি কয়েক খণ্ডে প্রকাশিত হয়েছে, যা বাংলা সাহিত্যের শিক্ষার্থীদের জন্য একটি অপরিহার্য রেফারেন্স বই।</li>
<li>অন্যান্য অপশনগুলো অন্য লেখকদের লেখা, তাই বিভ্রান্ত না হয়ে মনে রাখবেন—<strong>বাঙ্গালা সাহিত্যের ইতিহাস</strong> মানেই ড. সুকুমার সেনের কালজয়ী সৃষ্টি।</li>
</ul>
২৪৭০

এস ওয়াজেদ আলী রচিত গ্রন্থ কোনটি?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
ভবিষ্যতের বাঙালি
ব্যাখ্যা:
<p>এস ওয়াজেদ আলীর লেখা বিখ্যাত গ্রন্থ হলো <strong>ভবিষ্যতের বাঙালি</strong>। তিনি মূলত একজন প্রাবন্ধিক ও গল্পকার হিসেবে পরিচিত ছিলেন। তার লেখায় বাঙালি সমাজের সংস্কার ও ভবিষ্যৎ নিয়ে গভীর চিন্তা ফুটে উঠত।</p>

<p>সহজভাবে মনে রাখার জন্য:</p>
<ul>
<li><strong>ভবিষ্যতের বাঙালি</strong> গ্রন্থটি এস ওয়াজেদ আলীর একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ প্রবন্ধ সংকলন।</li>
<li>পরীক্ষায় প্রায়ই এই প্রশ্নটি আসে, তাই লেখকের নাম ও বইয়ের নাম একসাথে মনে রাখা জরুরি।</li>
</ul>
২৪৭১

বাংলা উপন্যাসের প্রাথমিক পর্যায়ে কোন বিষয়টি বিশেষ প্রাধান্য বিস্তার করেছিল?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
সমাজের রঙ্গরসাত্মক চিত্র
ব্যাখ্যা:
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>সমাজের রঙ্গরসাত্মক চিত্র</strong>। বাংলা উপন্যাসের শুরুর দিকে লেখকরা তৎকালীন সমাজের অসঙ্গতি ও ত্রুটিগুলোকে তুলে ধরার জন্য ব্যঙ্গ বা রঙ্গরসাত্মক ঢং বেছে নিয়েছিলেন।</p>

<p>বিষয়টি সহজভাবে বুঝতে নিচের পয়েন্টগুলো দেখুন:</p>
<ul>
<li>বাংলা উপন্যাসের একদম শুরুর দিকে প্যারীচাঁদ মিত্রের 'আলালের ঘরের দুলাল' বা কালীপ্রসন্ন সিংহের 'হুতোম প্যাঁচার নকশা'-র মতো বইগুলো বেশ জনপ্রিয় ছিল।</li>
<li>এই বইগুলোতে তৎকালীন সমাজের ভণ্ডামি, কুসংস্কার এবং বাবু সমাজের অদ্ভুত সব কর্মকাণ্ডকে হাস্যরসের মাধ্যমে ফুটিয়ে তোলা হতো।</li>
<li>গল্পের ছলে সমাজকে আয়নার মতো পরিষ্কার করে দেখানোর এই কৌশলটিই তখন উপন্যাসের প্রধান বৈশিষ্ট্য হয়ে দাঁড়িয়েছিল।</li>
</ul>
২৪৭২

্তারি1. কোনটি কাব্যগ্রন্থ?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
কয়েকটি কবিতা
ব্যাখ্যা:
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>কয়েকটি কবিতা</strong>। এটি কবি জীবনানন্দ দাশের একটি বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ।</p>

<p>সহজভাবে মনে রাখার উপায়:</p>
<ul>
<li>বইয়ের নাম বা কাব্যগ্রন্থ চেনার জন্য মূল লেখকের কাজের তালিকাটি একবার দেখে নেওয়া ভালো।</li>
<li>এখানে <strong>কয়েকটি কবিতা</strong> সরাসরি একটি কাব্যগ্রন্থের নাম হিসেবে স্বীকৃত।</li>
<li>অন্যান্য অপশনগুলো কাব্যগ্রন্থের নাম নয়, বরং কবিতার সাধারণ বিষয় বা আলোচনা নির্দেশ করে।</li>
</ul>
২৪৭৩

ড. আব্দুল্লাহ আল মুতী শরফুদ্দীন রচিত বই--

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
সাগরের রহস্যপুরী
ব্যাখ্যা:
<p>ড. আব্দুল্লাহ আল মুতী শরফুদ্দীন ছিলেন বিজ্ঞানমনস্ক লেখক ও শিক্ষাবিদ। তার লেখা অন্যতম জনপ্রিয় ও তথ্যবহুল বই হলো <strong>সাগরের রহস্যপুরী</strong>।</p>

<p>সহজে মনে রাখার জন্য কিছু তথ্য:</p>
<ul>
<li>এই বইটিতে তিনি সমুদ্রের তলদেশের অজানা জগত এবং সামুদ্রিক প্রাণীদের রহস্যময় জীবন নিয়ে চমৎকারভাবে আলোচনা করেছেন।</li>
<li>তার অন্যান্য বিখ্যাত বইগুলোর মধ্যে রয়েছে 'আবিষ্কারের নেশায়', 'বিজ্ঞানের রাজ্যে' এবং 'আইনস্টাইন'।</li>
<li>পরীক্ষায় বারবার আসা এই প্রশ্নটি মনে রাখতে চাইলে, সমুদ্র বা বিজ্ঞানের রহস্য নিয়ে তার লেখা বইগুলোর তালিকার সাথে এটি মিলিয়ে নিতে পারেন।</li>
</ul>
২৪৭৪

‘সন্ধি’ ব্যাকরণের কোন অংশে আলোচিত হয়?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
ধ্বনিতত্ত্ব
ব্যাখ্যা:
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>ধ্বনি তত্ত্ব</strong>। বিষয়টি খুব সহজভাবে মনে রাখা যায়:</p>

<ul>
<li>ব্যাকরণের যে অংশে ধ্বনি বা বর্ণের পরিবর্তন, মিলন বা লোপ নিয়ে আলোচনা করা হয়, তাকেই ধ্বনিতত্ত্ব বলে।</li>
<li>সন্ধির মূল কাজই হলো পাশাপাশি থাকা দুটি ধ্বনির মিলন ঘটিয়ে উচ্চারণ সহজ করা।</li>
<li>যেহেতু সন্ধি সরাসরি ধ্বনির পরিবর্তনের সাথে যুক্ত, তাই এটি ব্যাকরণের <strong>ধ্বনি তত্ত্বের</strong> আলোচ্য বিষয়।</li>
</ul>

<p>সহজ কথায়, যেখানেই ধ্বনির কারসাজি, সেখানেই ধ্বনিতত্ত্ব!</p>
২৪৭৫

বাংলা ভাষায় আরবি থেকে আগত শব্দটি হলো -

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
খবর
ব্যাখ্যা:
<p>বাংলা ভাষায় ব্যবহৃত <strong>খবর</strong> শব্দটি আরবি ভাষা থেকে এসেছে। আমাদের দৈনন্দিন জীবনে আমরা যে শব্দগুলো ব্যবহার করি, তার অনেকগুলোই অন্য ভাষা থেকে বাংলায় মিশে গেছে।</p>

<p>সহজে মনে রাখার উপায়:</p>
<ul>
<li>আরবি শব্দ চেনার একটি সহজ কৌশল হলো ধর্মীয় বা প্রশাসনিক শব্দগুলোর দিকে খেয়াল করা।</li>
<li><strong>খবর</strong> শব্দটি মূলত আরবি 'খবর' (خبر) থেকেই সরাসরি বাংলায় এসেছে।</li>
<li>এটি একটি বিশেষ্য পদ, যা আমরা প্রতিদিনের কথোপকথনে তথ্য বা সংবাদ বোঝাতে ব্যবহার করি।</li>
</ul>

<p>তাই, শব্দতত্ত্বের নিয়ম অনুযায়ী <strong>খবর</strong> হলো একটি খাঁটি আরবি শব্দ।</p>
Support
Curiosity AI Assistant
24/7 লাইভ
eProstuti ডেটাবেস ও অটোমেশন ইঞ্জিন
এআই চ্যাট WhatsApp Messenger Instagram
👋 আসসালামু আলাইকুম শিক্ষার্থী !

আমি eProstuti Curiosity AI। আমাদের সকল লাইভ কোর্স, মডেল টেস্ট, ই-বুক, নোটিশ এবং পেমেন্ট সংক্রান্ত তথ্য নিমেষেই জানতে পারবেন।

দ্রুত উত্তরের জন্য নিচের টপিক চাপুন অথবা নিচে লিখুন:

উত্তরের তথ্য বিশ্লেষণ করা হচ্ছে...
eProstuti AI সহকারী
সার্বক্ষণিক সহায়তায় প্রস্তুত
লগইন আবশ্যক

ব্যক্তিগত সহায়তা এবং আপনার কোর্স, পরীক্ষা ও পেমেন্ট হিস্ট্রি দেখতে অ্যাকাউন্টে লগইন করুন।

* চ্যাটবট সরাসরি অ্যাকাউন্ট তৈরি বা লগইন করতে পারে না।