<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>বাগান</strong>। বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ, কারণ বাংলা সাহিত্যে বা কাব্যিক ভাষায় 'নিকুঞ্জ' শব্দটি মূলত সুশোভিত বা সুন্দর কোনো বাগান বা উপবন বোঝাতে ব্যবহৃত হয়।</p>
<ul>
<li><strong>নিকুঞ্জ</strong> শব্দের আভিধানিক অর্থ হলো লতা-পাতায় ঘেরা ছায়াচ্ছন্ন স্থান বা বাগান।</li>
<li>সহজ কথায়, যেখানে গাছপালা ও লতাগুল্মের সমারোহ থাকে, তাকেই আমরা নিকুঞ্জ বলি।</li>
</ul>
<p>তাই পরীক্ষার খাতায় এই শব্দটি দেখলে সরাসরি <strong>বাগান</strong> অপশনটি বেছে নিতে পারেন। এটি একটি চমৎকার শব্দভাণ্ডার সমৃদ্ধকারী শব্দ!</p>
২৪৭৭
গরুর শকট, মড়াদাহ, শবপোড়া- এই শব্দগুলো কোন দোষে দুষ্ট?
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>গুরুচণ্ডালী দোষে</strong>। বিষয়টি খুব সহজ, একটু খেয়াল করলেই বুঝতে পারবেন:</p>
<ul>
<li>বাংলা ভাষায় সাধু ও চলিত রীতির মিশ্রণ ঘটলে তাকে <strong>গুরুচণ্ডালী দোষ</strong> বলা হয়।</li>
<li>'গরু' শব্দটি চলিত রূপ, কিন্তু 'শকট' শব্দটি তৎসম বা সাধু রীতির। একইভাবে 'মড়া' চলিত এবং 'দাহ' সাধু, আবার 'শব' সাধু এবং 'পোড়া' চলিত শব্দ।</li>
<li>যখন একই শব্দগুচ্ছে সাধু ও চলিত রীতির এমন অসামঞ্জস্যপূর্ণ ব্যবহার হয়, তখন শ্রুতিকটু শোনায় এবং ব্যাকরণ অনুযায়ী একে গুরুচণ্ডালী দোষ হিসেবে গণ্য করা হয়।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, সাধু ও চলিত রীতির এই খিচুড়ি পাকানোই হলো এই দোষের মূল কারণ।</p>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>সমাস</strong>। বিষয়টি খুব সহজভাবে মনে রাখা যায় এভাবে:</p>
<ul>
<li><strong>সমাস</strong> শব্দের অর্থই হলো সংক্ষেপণ বা মিলন।</li>
<li>যখন দুই বা ততোধিক পদ মিলে একটি নতুন পদ তৈরি করে, তখন তাকে সমাস বলে।</li>
<li>যেমন: 'সিংহ চিহ্নিত আসন' থেকে হয় 'সিংহাসন'। এখানে তিনটি আলাদা পদ মিলে একটি পদে পরিণত হয়েছে।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, বড় কোনো বাক্য বা শব্দগুচ্ছকে ছোট করে একটি মাত্র পদে রূপান্তর করার প্রক্রিয়াই হলো সমাস।</p>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>আলোছায়া</strong>। দ্বন্দ্ব সমাস চেনার সবচেয়ে সহজ উপায় হলো এর গঠন। যে সমাসে উভয় পদের অর্থের প্রাধান্য থাকে এবং ব্যাসবাক্য করার সময় 'ও', 'এবং' বা 'আর' অব্যয় ব্যবহৃত হয়, তাকেই দ্বন্দ্ব সমাস বলে।</p>
<ul>
<li><strong>আলোছায়া</strong> শব্দটিকে ভাঙলে আমরা পাই: <strong>আলো ও ছায়া</strong>।</li>
<li>এখানে 'আলো' এবং 'ছায়া'—উভয় পদের অর্থই সমানভাবে গুরুত্বপূর্ণ।</li>
<li>যেহেতু মাঝখানে 'ও' অব্যয়টি যুক্ত হয়েছে, তাই এটি খুব সহজেই দ্বন্দ্ব সমাসের অন্তর্ভুক্ত।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, যখনই কোনো শব্দে দুটি বিপরীত বা সমার্থক পদের মিলন ঘটে এবং মাঝখানে 'ও' বা 'এবং' লুকিয়ে থাকে, চোখ বন্ধ করে তাকে দ্বন্দ্ব সমাস হিসেবে চিহ্নিত করা যায়।</p>
<p>অনুসর্গ ব্যাকরণের একটি চমৎকার অংশ, যা মূলত শব্দের পরে বসে বাক্যের অর্থকে স্পষ্ট করে। এর কাজ হলো বিশেষ্য বা সর্বনাম পদের সাথে সম্পর্ক তৈরি করা। সহজভাবে মনে রাখার উপায় হলো:</p>
<ul>
<li>অনুসর্গ সবসময় শব্দের <strong>পরে</strong> বা শেষে বসে।</li>
<li>এটি স্বাধীনভাবে বসে শব্দের সাথে বিভক্তির মতো কাজ করে।</li>
<li>যেমন: 'বইটি টেবিলের <strong>উপরে</strong> আছে' — এখানে 'উপরে' শব্দটি 'টেবিল' শব্দের পরে বসে অবস্থান বোঝাচ্ছে।</li>
</ul>
<p>তাই মনে রাখবেন, অনুসর্গ মানেই শব্দের পেছনে অবস্থান।</p>
২৪৮১
বাক্যের ‘মাধুর্য গুণ’ বাক্যকে কি বৈশিষ্ট্যমণ্ডিত করে?
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>বাক্যকে হৃদয়গ্রাহী করে তোলে</strong>।</p>
<p>বিষয়টা খুব সহজভাবে ভাবলে দেখবেন, অলঙ্কার বা গুণের কাজই হলো কোনো কিছুকে সুন্দর ও আকর্ষণীয় করে তোলা। ভাষার ক্ষেত্রে 'মাধুর্য গুণ' ঠিক সেই কাজটিই করে:</p>
<ul>
<li>এটি বাক্যের শব্দচয়ন ও বিন্যাসকে এমনভাবে সাজায় যা পাঠকের মনে এক ধরনের আনন্দ বা প্রশান্তি তৈরি করে।</li>
<li>সহজ কথায়, যে গুণটি থাকার কারণে একটি সাধারণ বাক্যও শুনতে শ্রুতিমধুর এবং চিত্তাকর্ষক মনে হয়, তাকেই আমরা মাধুর্য গুণ বলি।</li>
<li>এটি মূলত বাক্যের ভাবকে আরও বেশি হৃদয়গ্রাহী ও উপভোগ্য করে তোলে, ফলে পাঠক সহজেই সেই বাক্যের সাথে একাত্ম হতে পারেন।</li>
</ul>
<p>অনুসর্গ মূলত বাক্যের ভেতরের বিভিন্ন পদের মধ্যে সম্পর্ক তৈরি করে বাক্যের অর্থকে পূর্ণতা দেয়। সহজ কথায়, এটি ছাড়া বাক্যের গঠন অসম্পূর্ণ মনে হয়। এর কাজগুলো নিচে দেওয়া হলো:</p>
<ul>
<li>অনুসর্গ বাক্যের বিশেষ্য বা সর্বনাম পদের পরে বসে পদের কারক বা বিভক্তি নির্দেশ করতে সাহায্য করে।</li>
<li>এটি বাক্যের বিভিন্ন শব্দের মধ্যে পারস্পরিক সম্পর্ক স্থাপন করে, যার ফলে পুরো বাক্যের অর্থ স্পষ্টভাবে ফুটে ওঠে।</li>
<li>উদাহরণস্বরূপ, "মাথা<strong>র</strong> উপর ছাদ"—এখানে 'উপর' অনুসর্গটি না থাকলে বাক্যের অর্থ অস্পষ্ট থেকে যেত।</li>
</ul>
<p>তাই বলা যায়, বাক্যের অর্থ সঠিকভাবে প্রকাশ করার জন্য অনুসর্গ একটি অপরিহার্য উপাদান।</p>
২৪৮৩
ধাতু বা শব্দের শেষে প্রত্যয় যুক্ত করার উদ্দেশ্য কি ?
<p>ধাতু বা শব্দের শেষে প্রত্যয় যুক্ত করার মূল উদ্দেশ্য হলো <strong>নতুন শব্দ গঠন</strong> করা। বিষয়টি খুব সহজ, নিচে এর কারণগুলো দেওয়া হলো:</p>
<ul>
<li>প্রত্যয় যুক্ত হওয়ার ফলে মূল শব্দের অর্থের পরিবর্তন ঘটে এবং একটি সম্পূর্ণ নতুন অর্থবোধক শব্দ তৈরি হয়।</li>
<li>যেমন, 'চল্' ধাতুর সাথে 'অন্ত' প্রত্যয় যুক্ত হয়ে তৈরি হয় 'চলন্ত', যা একটি নতুন শব্দ।</li>
<li>এভাবে ভাষার শব্দভাণ্ডার সমৃদ্ধ হয় এবং আমরা মনের ভাব প্রকাশের জন্য আরও বেশি শব্দ ব্যবহারের সুযোগ পাই।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, ভাষার শব্দ সংখ্যা বাড়িয়ে ভাষাকে আরও গতিশীল ও বৈচিত্র্যময় করে তোলাই হলো প্রত্যয় যুক্ত করার প্রধান কাজ।</p>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>ধ্বনি তত্ত্ব</strong>। বিষয়টি খুব সহজভাবে মনে রাখা যায় এভাবে:</p>
<ul>
<li>সন্ধি মানে হলো দুটি ধ্বনির মিলন। যেমন: 'বিদ্যা + আলয় = বিদ্যালয়'। এখানে 'আ' এবং 'আ' মিলে একটি ধ্বনি তৈরি করছে।</li>
<li>ব্যাকরণের যে অংশে ধ্বনি, ধ্বনির পরিবর্তন, উচ্চারণ বা ধ্বনির মিলন নিয়ে আলোচনা করা হয়, তাকেই <strong>ধ্বনি তত্ত্ব</strong> বলা হয়।</li>
<li>যেহেতু সন্ধি সরাসরি ধ্বনির পরিবর্তনের সাথে যুক্ত, তাই এটি ধ্বনি তত্ত্বের আলোচ্য বিষয়।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, যেখানেই ধ্বনির কারসাজি দেখবেন, চোখ বন্ধ করে ধরে নেবেন সেটি ধ্বনি তত্ত্বের অংশ!</p>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>ধ্বনিতত্ত্বে</strong>। বিষয়টি খুব সহজভাবে মনে রাখা যায় এভাবে:</p>
<ul>
<li><strong>সন্ধি</strong> মানে হলো পাশাপাশি দুটি ধ্বনির মিলন।</li>
<li>যেহেতু সন্ধির মূল কাজই হলো ধ্বনি নিয়ে কাজ করা বা ধ্বনির পরিবর্তন ঘটানো, তাই এটি ব্যাকরণের <strong>ধ্বনিতত্ত্ব</strong> অংশের আলোচ্য বিষয়।</li>
<li>সহজ কথায়, যেখানেই ধ্বনি বা বর্ণের মিলন ও পরিবর্তনের প্রসঙ্গ আসবে, চোখ বন্ধ করে সেটাকে ধ্বনিতত্ত্বের অংশ হিসেবে ধরে নিতে পারেন।</li>
</ul>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>বাক্যতত্ত্বে</strong>। বিষয়টি খুব সহজভাবে মনে রাখা যায় এভাবে:</p>
<ul>
<li>বাগধারা হলো এমন কিছু শব্দসমষ্টি যা সাধারণ অর্থ প্রকাশ না করে একটি বিশেষ বা গূঢ় অর্থ প্রকাশ করে।</li>
<li>ব্যাকরণের যে অংশে বাক্যের গঠন, পদবিন্যাস এবং বাক্যের অর্থ নিয়ে আলোচনা করা হয়, তাকেই <strong>বাক্যতত্ত্ব</strong> বা পদক্রম বলা হয়।</li>
<li>যেহেতু বাগধারা বাক্যের মধ্যে বসে একটি বিশেষ অর্থ তৈরি করে এবং এর প্রয়োগ সরাসরি বাক্যের কাঠামোর সাথে যুক্ত, তাই এটি ব্যাকরণের <strong>বাক্যতত্ত্ব</strong> অংশের আলোচ্য বিষয়।</li>
</ul>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>ধ্বনি তত্ত্ব</strong>। বিষয়টি খুব সহজভাবে মনে রাখা যায় এভাবে:</p>
<ul>
<li>সন্ধি মানেই হলো পাশাপাশি অবস্থিত দুটি ধ্বনির মিলন।</li>
<li>যেহেতু সন্ধিতে ধ্বনির পরিবর্তন, লোপ বা নতুন ধ্বনির আগমন ঘটে, তাই এটি সরাসরি ধ্বনি সংক্রান্ত আলোচনার বিষয়।</li>
<li>ব্যাকরণের যে অংশে ধ্বনি, বর্ণ, উচ্চারণ ও সন্ধি নিয়ে আলোচনা করা হয়, তাকেই আমরা <strong>ধ্বনি তত্ত্ব</strong> বলি।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, সন্ধি যেহেতু ধ্বনি পরিবর্তনের সাথে সম্পর্কিত, তাই এটি ব্যাকরণের ধ্বনি তত্ত্বের অবিচ্ছেদ্য অংশ।</p>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>অভিধানতত্ত্ব</strong>। বিষয়টি মনে রাখা খুবই সহজ:</p>
<ul>
<li>ইংরেজি শব্দ <strong>Lexicography</strong> এসেছে গ্রিক শব্দ 'Lexicon' থেকে, যার অর্থ হলো অভিধান বা শব্দকোষ।</li>
<li>যে বিদ্যা বা শাস্ত্রের মাধ্যমে অভিধান সংকলন, এর গঠন এবং শব্দ নির্বাচনের নিয়মাবলি নিয়ে আলোচনা করা হয়, তাকেই বাংলায় <strong>অভিধানতত্ত্ব</strong> বলা হয়।</li>
<li>সহজ কথায়, অভিধান তৈরির বিজ্ঞান বা শিল্পই হলো Lexicography।</li>
</ul>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>বাক্যটি দুর্বোধ্যতা দোষে দুষ্ট হয়</strong>। এর কারণটা খুব সহজ:</p>
<ul>
<li>আমরা যখন কোনো বাক্যে এমন সব শব্দ ব্যবহার করি যা সচরাচর ব্যবহৃত হয় না বা যার অর্থ সাধারণ মানুষের কাছে পরিচিত নয়, তখন পাঠক বা শ্রোতা সেই বাক্যের মূল অর্থ বুঝতে হিমশিম খান।</li>
<li>ভাষার প্রধান উদ্দেশ্য হলো মনের ভাব স্পষ্টভাবে প্রকাশ করা। অপ্রচলিত বা কঠিন শব্দ ব্যবহারের ফলে বাক্যের সহজবোধ্যতা নষ্ট হয়, যাকে ব্যাকরণের ভাষায় <strong>দুর্বোধ্যতা দোষ</strong> বলা হয়।</li>
<li>সহজ কথায়, শব্দ যদি পরিচিত না হয়, তবে পুরো বাক্যটিই অর্থহীন বা জটিল মনে হয়, আর এ কারণেই এটি দুর্বোধ্যতা দোষে দুষ্ট হয়।</li>
</ul>
২৪৯০
কোন বাক্যের মাধুর্য গুণ বাক্যকে কি বৈশিষ্ট্যমণ্ডিত করে?
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>বাক্যকে হৃদয়গ্রাহী করে তোলে</strong>। বিষয়টি একদম সহজ—কোনো বাক্যে যখন মাধুর্য গুণ থাকে, তখন তা পড়ার সময় আমাদের মনে এক ধরনের ভালো লাগা বা তৃপ্তি কাজ করে।</p>
<p>সহজ কথায় এর কারণগুলো হলো:</p>
<ul>
<li>মাধুর্য গুণ বাক্যের শব্দচয়নকে শ্রুতিমধুর করে তোলে, যা পাঠকের মনে দ্রুত গেঁথে যায়।</li>
<li>এটি বাক্যের কঠোরতা কমিয়ে তাকে কোমল ও আকর্ষণীয় করে তোলে।</li>
<li>এর ফলে বাক্যটি কেবল অর্থ প্রকাশ করে না, বরং পাঠকের হৃদয়ে এক ধরনের আবেগের সৃষ্টি করে, যা বাক্যকে করে তোলে হৃদয়গ্রাহী।</li>
</ul>
MCQ পরীক্ষা সেটিংস
বাংলা
eProstuti
সহজ ও দ্রুত ক্লাস করতে অ্যাপটি ইনস্টল করুন
iPhone / iPad এ ইনস্টল করুন
eProstuti
১Safari ব্রাউজারের নিচে থাকা Share ( ) বাটনে চাপ দিন।
২নিচের দিকে স্ক্রোল করে 'Add to Home Screen' ( ) নির্বাচন করুন।
৩উপরে ডানে থাকা 'Add' বাটনে ট্যাপ করুন।
Android এ অ্যাপ ইনস্টল করুন
eProstuti
১Chrome ব্রাউজারের উপরে ডানে থাকা থ্রি-ডট ( ) মেনু চাপুন।
২তালিকায় 'Install app' বা 'Add to Home screen' ( ) এ ট্যাপ করুন।
ডাউনলোড সম্পন্ন হলে ফাইলটি ওপেন করে Install চাপুন।
যদি "Install unknown apps" বা "Unknown sources" অনুমতি চায়, তাহলে সেটি Allow করে আবার ইনস্টল করুন।
ইনস্টল শেষ হলে অ্যাপটি খুলে আপনার অ্যাকাউন্টে লগইন করুন।
অ্যাপের সুবিধা:
সকল লাইভ ক্লাস
রেকর্ডেড ক্লাস
অনলাইন পরীক্ষা
ই-বুক ও নোটিশ
সবকিছু এক জায়গা থেকেই সহজে ব্যবহার করুন!
ব্রাউজারে খুলুন
⚠️ মনে হচ্ছে আপনি এই ওয়েবসাইটটি ফেসবুক বা অন্য কোনো অ্যাপের ভেতরের ব্রাউজার থেকে খুলেছেন।
ভালোভাবে কাজ করার জন্য দয়া করে এটি আপনার মূল ব্রাউজারে (যেমন Chrome) খুলুন।
👉 উপরে থাকা ⋮ বা ••• বাটনে চাপ দিন → তারপর “Open in Browser” সিলেক্ট করুন।