eProstuti
স্বাগতম শিক্ষার্থী!

অনলাইন কোর্স ও পরীক্ষায় অংশ নিতে লগইন করুন

লগইন / রেজিস্টার
ওয়েবসাইট মেন্যু

এসএসসি ২০২৬ এর রেজাল্ট সবার আগে পেতে এখনই বুকিং করো

বুক করো
MCQ: ৩৪৫১৩ টি
সকল বিষয়
বাংলা
সঠিক উত্তর বাছাই করে আপনার প্রস্তুতি যাচাই করুন
২৪৯১

সন্ধি ব্যাকরণের কোন অংশের আলোচ্য বিষয়?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
ধ্বনিতত্ত্ব
ব্যাখ্যা:
ধ্বনিতত্ত্বে আলোচিত হয় - ধ্বনি,সন্ধি, ণত্ব - ষত্ব বিধান; রূপ বা শব্দতত্ত্বে আলোচিত হয় - লিঙ্গ, পুরুষ, সমাস,বচন,কারক ও বিভক্তি; বাক্যতত্ত্বে - পদ বিন্যাস, বাক্য ও বাক্য বিন্যাস।
২৪৯২

সন্ধির প্রধান কাজ কী?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
ধ্বনি পরিবর্তন
ব্যাখ্যা:
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>ধ্বনি পরিবর্তন</strong>। বিষয়টি খুব সহজ, কারণ সন্ধি মূলত পাশাপাশি থাকা দুটি ধ্বনির মিলন ঘটায়।</p>

<ul>
<li>সন্ধির মূল উদ্দেশ্য হলো উচ্চারণের সুবিধা এবং সাবলীলতা।</li>
<li>যখন দুটি ধ্বনি একে অপরের সাথে মিশে যায়, তখন নতুন একটি ধ্বনি তৈরি হয় বা আগের ধ্বনির রূপ বদলে যায়।</li>
<li>যেমন: 'বিদ্যা' + 'আলয়' = 'বিদ্যালয়'। এখানে 'আ' + 'আ' মিলে একটি 'আ' ধ্বনি তৈরি হয়েছে, যা মূলত ধ্বনিরই পরিবর্তন।</li>
</ul>

<p>সহজ কথায়, সন্ধি মানেই হলো ধ্বনির মিলন বা রূপান্তর, যা শব্দকে উচ্চারণের জন্য আরও সহজ করে তোলে।</p>
২৪৯৩

সন্ধি ব্যাকরণের কোন অংশের আলোচ্য বিষয়?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
ধ্বনিতত্ত্ব
ব্যাখ্যা:
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>ধ্বনি তত্ত্ব</strong>। বিষয়টি খুব সহজভাবে মনে রাখা যায় এভাবে:</p>

<ul>
<li>সন্ধি মানেই হলো পাশাপাশি দুটি ধ্বনির মিলন।</li>
<li>যেহেতু সন্ধি তৈরির প্রক্রিয়ায় ধ্বনির পরিবর্তন, লোপ বা নতুন ধ্বনির আগমন ঘটে, তাই এটি সরাসরি ধ্বনিতত্ত্বের আলোচনার বিষয়।</li>
<li>সহজ কথায়, যেখানেই ধ্বনি নিয়ে কাজ বা পরিবর্তনের কারসাজি থাকে, সেটিই ধ্বনিতত্ত্বের অন্তর্ভুক্ত।</li>
</ul>

<p>তাই ব্যাকরণের যে শাখায় ধ্বনির উচ্চারণ ও পরিবর্তন নিয়ে আলোচনা করা হয়, সন্ধি সেখানেই স্থান পায়।</p>
২৪৯৪

ভাষার মূল উপাদান হচ্ছে -

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
ধ্বনি
ব্যাখ্যা:
<p>ভাষার মূল উপাদান হলো <strong>ধ্বনি</strong>। বিষয়টি খুব সহজভাবে এভাবে বোঝা যায়:</p>

<ul>
<li>আমরা যখন কথা বলি, তখন মুখ দিয়ে যে সূক্ষ্ম আওয়াজ বের হয়, সেটাই হলো ধ্বনি।</li>
<li>এই ধ্বনিগুলোই যখন অর্থপূর্ণভাবে একে অপরের সাথে যুক্ত হয়, তখন তৈরি হয় শব্দ।</li>
<li>শব্দ থেকে বাক্য এবং সবশেষে পূর্ণাঙ্গ ভাষা গঠিত হয়।</li>
</ul>

<p>সহজ কথায়, ধ্বনি হলো ভাষার ক্ষুদ্রতম একক বা ভিত্তি। তাই ধ্বনি ছাড়া কোনো ভাষার অস্তিত্ব কল্পনা করা সম্ভব নয়।</p>
২৪৯৫

ভাষার ক্ষুদ্রতম উপাদান কোনটি?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
ধ্বনি
ব্যাখ্যা:
<p>ভাষার ক্ষুদ্রতম উপাদান হলো <strong>ধ্বনি</strong>। বিষয়টি খুব সহজভাবে এভাবে বোঝা যায়:</p>

<ul>
<li>আমরা যখন কথা বলি, তখন মুখ দিয়ে যে অবিভাজ্য আওয়াজ বের হয়, তাকেই ধ্বনি বলে।</li>
<li>ভাষার একদম গোড়ার দিকের একক হলো এই ধ্বনি, যা কান দিয়ে শোনা যায়।</li>
<li>ধ্বনি যখন লিখিত রূপ পায়, তখন তাকে আমরা বলি বর্ণ। কিন্তু ভাষার মৌলিক বা ক্ষুদ্রতম একক হিসেবে ধ্বনিই সবার আগে আসে।</li>
</ul>

<p>সহজ কথায়, ধ্বনি ছাড়া কোনো শব্দ বা বাক্য তৈরি হওয়া সম্ভব নয়, তাই ধ্বনিই ভাষার সবচেয়ে ছোট একক।</p>
২৪৯৬

‘ধ্বনি দিয়ে আঁট বাধা শব্দই ভাষার ইট।’ এ ‘ইট’কে বাংলা ভাষায় কী বলে?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
বর্ণ
ব্যাখ্যা:
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>বর্ণ</strong>। বিষয়টি খুব সহজভাবে এভাবে ভাবা যায়:</p>

<ul>
<li>একটি বাড়ি তৈরি করতে যেমন অনেকগুলো ইটের প্রয়োজন হয়, তেমনি আমাদের ভাষার প্রতিটি শব্দ তৈরি হয় ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র ধ্বনি বা বর্ণের সমন্বয়ে।</li>
<li>ভাষার ক্ষুদ্রতম একক হলো ধ্বনি, আর এই ধ্বনির লিখিত রূপই হলো <strong>বর্ণ</strong>।</li>
<li>তাই ভাষাবিজ্ঞানের ভাষায়, ধ্বনি বা বর্ণকে ভাষার মূল ভিত্তি বা 'ইট' হিসেবে বিবেচনা করা হয়, যা দিয়ে আমরা শব্দ ও বাক্য গঠন করি।</li>
</ul>
২৪৯৭

বাক্যের ক্ষুদ্রতম একক হচ্ছে -

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
শব্দ
ব্যাখ্যা:
<p>বাক্যের ক্ষুদ্রতম একক হলো <strong>শব্দ</strong>। বিষয়টি খুব সহজভাবে এভাবে বোঝা যায়:</p>

<ul>
<li>আমরা যখন কথা বলি বা লিখি, তখন কতগুলো অর্থবোধক ধ্বনি বা বর্ণ মিলে একটি <strong>শব্দ</strong> তৈরি হয়।</li>
<li>এই শব্দগুলো যখন সুশৃঙ্খলভাবে সাজিয়ে মনের ভাব প্রকাশ করা হয়, তখনই তা একটি <strong>বাক্য</strong> গঠন করে।</li>
<li>অর্থাৎ, একটি পূর্ণাঙ্গ বাক্যের গাঠনিক উপাদান বা ক্ষুদ্রতম একক হিসেবে আমরা শব্দকেই বিবেচনা করি, কারণ শব্দ ছাড়া বাক্য গঠন করা অসম্ভব।</li>
</ul>

<p>সহজ কথায়, শব্দের সমষ্টিই হলো বাক্য, তাই বাক্যের ক্ষুদ্রতম একক হিসেবে <strong>শব্দ</strong>-ই সঠিক উত্তর।</p>
২৪৯৮

কতগুলো পদ একত্রিত হয়ে বক্তার মনের ভাব সম্পূর্ণরূপে প্রকাশ করলে তাকে কি বলে?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
বাক্য
ব্যাখ্যা:
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>বাক্য</strong>। বিষয়টি খুব সহজ—যখন কতগুলো শব্দ বা পদ পাশাপাশি বসে কোনো নির্দিষ্ট অর্থ প্রকাশ করে এবং বক্তার মনের ভাব পুরোপুরি বুঝিয়ে দেয়, তখনই তাকে ব্যাকরণের ভাষায় বাক্য বলা হয়।</p>

<p>সহজভাবে মনে রাখার উপায়:</p>
<ul>
<li><strong>পদ:</strong> বাক্যের অন্তর্গত প্রতিটি শব্দই এক একটি পদ।</li>
<li><strong>সার্থকতা:</strong> যখন এই পদগুলো সুবিন্যস্ত হয়ে একটি পূর্ণাঙ্গ অর্থ তৈরি করে, তখনই তা <strong>বাক্য</strong> হিসেবে গণ্য হয়।</li>
<li><strong>উদাহরণ:</strong> যেমন, "আমি ভাত খাই" — এখানে তিনটি পদ মিলে একটি সম্পূর্ণ মনের ভাব প্রকাশ করছে, তাই এটি একটি বাক্য।</li>
</ul>
২৪৯৯

‘বাগদান’-এর সন্ধি বিচ্ছেদ কি?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
বাক্+দান
ব্যাখ্যা:
<p>‘বাগদান’-এর সঠিক সন্ধি বিচ্ছেদ হলো <strong>বাক্+দান</strong>। এটি ব্যঞ্জনসন্ধির একটি চমৎকার উদাহরণ। বিষয়টি খুব সহজে মনে রাখার জন্য নিচের ধাপগুলো খেয়াল করো:</p>

<ul>
<li>সন্ধির নিয়ম অনুযায়ী, বর্গের প্রথম ধ্বনির (ক, চ, ট, ত, প) পরে যদি কোনো ঘোষ ধ্বনি থাকে, তবে প্রথম ধ্বনিটি তার বর্গের তৃতীয় ধ্বনিতে পরিণত হয়।</li>
<li>এখানে ‘বাক্’ শব্দের শেষে থাকা <strong>ক</strong>-এর সাথে ‘দান’ শব্দের <strong>দ</strong> যুক্ত হয়েছে।</li>
<li>নিয়ম অনুযায়ী, <strong>ক</strong> পরিবর্তিত হয়ে <strong>গ</strong>-তে রূপ নিয়েছে।</li>
<li>অর্থাৎ, $ক + দ = গ + দ$।</li>
</ul>

<p>এভাবেই ‘বাক্+দান’ মিলে ‘বাগদান’ শব্দটি গঠিত হয়েছে। মনে রাখা সহজ—ক-এর জায়গায় গ বসিয়ে দিলেই সন্ধিটি মিলে যায়!</p>
২৫০০

কোন সন্ধিটি নিপাতনে সিদ্ধ?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
ষট্ + দশ = ষোড়শ
ব্যাখ্যা:
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>ষট্ + দশ = ষোড়শ</strong>। এটি নিপাতনে সিদ্ধ সন্ধির একটি চমৎকার উদাহরণ।</p>

<p>নিপাতনে সিদ্ধ সন্ধি চেনার সহজ উপায় হলো:</p>
<ul>
<li>যেসব সন্ধি ব্যাকরণের সাধারণ নিয়ম বা সূত্র মেনে চলে না, তাদেরই নিপাতনে সিদ্ধ সন্ধি বলে।</li>
<li>সাধারণত ব্যঞ্জনসন্ধির ক্ষেত্রে আমরা দেখি যে, নির্দিষ্ট নিয়মে বর্ণ পরিবর্তিত হয়। কিন্তু <strong>ষট্ + দশ = ষোড়শ</strong>-এর ক্ষেত্রে কোনো সাধারণ নিয়ম কাজ করে না, এটি সরাসরি মুখস্থ রাখার মতো একটি শব্দ।</li>
<li>পরীক্ষায় মনে রাখার জন্য শুধু এই বিশেষ শব্দগুলো আলাদাভাবে খেয়াল রাখলেই হয়, কারণ এগুলোর কোনো নির্দিষ্ট সূত্র নেই।</li>
</ul>
২৫০১

বাগাড়ম্বর শব্দের সন্ধি-বিচ্ছেদ-

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
বাক্ + আড়ম্বর
ব্যাখ্যা:
ক, চ, ট, ত, প থাকলে এবং তাদের পরে স্বরধ্বনি থাকলে সেগুলো যথাক্রমে গ, জ, ড (ড়), দ, ব হয়। অর্থাৎ অঘোষ অল্পপ্রাণ ধ্বনির (ক, চ, ট, ত, প) পরে স্বরধ্বনি থাকলে সেগুলো ঘোষ অল্পপ্রাণ ধ্বনি (গ, জ, ড (ড়), দ, ব) হয়ে যায়। অর্থাৎ কোনো বর্গের প্রথম ধ্বনির (ক, চ, ট, ত, প) পরে স্বরধ্বনি থাকলে সেগুলো সেই বর্গের তৃতীয় ধ্বনি (গ, জ, ড (ড়), দ, ব) হয়ে যায়। যেমন - ক্ + অ = গ + অদিক্ + অন্ত = দিগন্ত ক্ + আ = গ + আবাক্ + আড়ম্বর = বাগাড়ম্বর ক্ + ঈ = গ + ঈবাক্ + ঈশ = বাগীশ চ্ + অ = জ + অণিচ্ + অন্ত = ণিজন্ত ট্ + আ = ড + আষট্ + আনন = ষড়ানন ত্ + অ = দ + অতৎ + অবধি = তদবধিকৃৎ + অন্ত = কৃদন্ত ত্ + আ = দ + আসৎ + আনন্দ = সদানন্দ ত্ + ই = দ + ইজগৎ + ইন্দ্র = জগদিন্দ্র ত্ + উ = দ + উসৎ + উপায় = সদুপায়সৎ + উপদেশ = সদুপদেশ প্ + অ = ব + অসুপ্ + অন্ত = সুবন্ত
২৫০২

বাগাড়স্বর শব্দের সন্ধিবিচ্ছেদ

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
বাক্ + আড়ম্বর
ব্যাখ্যা:
<p>বাগাড়ম্বর শব্দের সঠিক সন্ধিবিচ্ছেদ হলো <strong>বাক্ + আড়ম্বর</strong>। বিষয়টি খুব সহজভাবে মনে রাখা যায় এভাবে:</p>

<ul>
<li>ব্যঞ্জনসন্ধির নিয়ম অনুযায়ী, বর্গের প্রথম বর্ণের (ক, চ, ট, ত, প) পরে যদি স্বরবর্ণ থাকে, তবে প্রথম বর্ণটি তার বর্গের তৃতীয় বর্ণে (গ, জ, ড, দ, ব) রূপান্তরিত হয়।</li>
<li>এখানে <strong>ক্</strong>-এর সাথে <strong>আ</strong> যুক্ত হওয়ায় সেটি <strong>গা</strong>-তে পরিণত হয়েছে।</li>
<li>অর্থাৎ, সন্ধিটি কাজ করে এভাবে: <strong>ক্ + আ = গা</strong>।</li>
</ul>

<p>তাই <strong>বাক্</strong> এবং <strong>আড়ম্বর</strong> মিলে তৈরি হয় <strong>বাগাড়ম্বর</strong>।</p>
২৫০৩

বাগাড়ম্বর শব্দের সন্ধিবিচ্ছেদ-

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
বাক্ + আড়ম্বর
ব্যাখ্যা:
<p>বাগাড়ম্বর শব্দের সঠিক সন্ধিবিচ্ছেদ হলো <strong>বাক্ + আড়ম্বর</strong>। বিষয়টি খুব সহজভাবে বোঝার জন্য নিচের নিয়মটি খেয়াল করুন:</p>

<ul>
<li>সন্ধির নিয়ম অনুযায়ী, বর্গের প্রথম বর্ণ (ক, চ, ট, ত, প) এর পরে যদি কোনো স্বরবর্ণ থাকে, তবে প্রথম বর্ণটি তার বর্গের তৃতীয় বর্ণে পরিণত হয়।</li>
<li>এখানে 'বাক্' শব্দের শেষে থাকা 'ক' বর্ণটি পরের শব্দের 'আ' স্বরবর্ণের সাথে যুক্ত হয়ে 'গ' (গ + আ = গা) এ রূপান্তরিত হয়েছে।</li>
<li>অর্থাৎ, গাণিতিক যুক্তিতে বিষয়টি এমন:
$$ক + আ = গা$$</li>
<li>এই নিয়ম মেনেই 'বাক্ + আড়ম্বর' মিলে তৈরি হয়েছে 'বাগাড়ম্বর'।</li>
</ul>
২৫০৪

নিচের কোনটি 'বাগদত্তা' শব্দের সঠিক ব্যাসবাক্য ?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
বাক্ দ্বারা দত্তা
ব্যাখ্যা:
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>বাক্ দ্বারা দত্তা</strong>। এটি একটি তৎপুরুষ সমাসের উদাহরণ। বিষয়টি খুব সহজভাবে মনে রাখা যায়:</p>

<ul>
<li>'বাগদত্তা' শব্দটির অর্থ হলো যাকে কথা দিয়ে দান করা হয়েছে বা যার বিয়ের কথা পাকাপাকি হয়েছে।</li>
<li>এখানে 'বাক্' (কথা) এর সাথে 'দত্তা' (দান করা) পদের সম্পর্ক বোঝাতে 'দ্বারা' বিভক্তি বা অনুসর্গটি ব্যবহৃত হয়েছে।</li>
<li>যেহেতু এখানে 'দ্বারা' (তৃতীয়া বিভক্তি) যুক্ত হয়েছে, তাই এটি <strong>তৃতীয়া তৎপুরুষ সমাস</strong>।</li>
</ul>

<p>সহজ কথায়, কথা বা বাক্যের মাধ্যমে যা দান করা হয়, তাকেই এক কথায় বলা হয় <strong>বাক্ দ্বারা দত্তা</strong>।</p>
২৫০৫

'বাগদত্তা' এর সন্ধি বিচ্ছেদ -

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
বাক + দত্তা
ব্যাখ্যা:
<p>‘বাগদত্তা’ শব্দের সঠিক সন্ধি বিচ্ছেদ হলো <strong>বাক + দত্তা</strong>। এটি ব্যঞ্জনসন্ধির একটি সহজ নিয়ম মেনে চলে। নিয়মটি হলো:</p>

<ul>
<li>বর্গীয় ধ্বনির প্রথম বর্ণের সাথে কোনো ঘোষ ধ্বনির মিলন হলে প্রথম বর্ণটি তার নিজ বর্গের তৃতীয় বর্ণে পরিণত হয়।</li>
<li>এখানে <strong>ক্</strong> (প্রথম বর্ণ) এর সাথে <strong>দ্</strong> (ঘোষ ধ্বনি) যুক্ত হওয়ার ফলে <strong>ক্</strong> পরিবর্তিত হয়ে <strong>গ্</strong>-এ রূপ নিয়েছে।</li>
<li>সহজ কথায়: <strong>বাক + দত্তা = বাগদত্তা</strong>।</li>
</ul>

<p>অর্থাৎ, সন্ধির নিয়মানুযায়ী <strong>ক্ + দ = গ্দ</strong> এই প্রক্রিয়ায় শব্দটি গঠিত হয়েছে। তাই মনে রাখা সহজ যে, সন্ধি বিচ্ছেদের সময় <strong>গ্</strong>-কে পুনরায় তার আদি রূপ <strong>ক্</strong>-এ ফিরিয়ে আনলেই সঠিক উত্তরটি পাওয়া যায়।</p>
Support
Curiosity AI Assistant
24/7 লাইভ
eProstuti ডেটাবেস ও অটোমেশন ইঞ্জিন
এআই চ্যাট WhatsApp Messenger Instagram
👋 আসসালামু আলাইকুম শিক্ষার্থী !

আমি eProstuti Curiosity AI। আমাদের সকল লাইভ কোর্স, মডেল টেস্ট, ই-বুক, নোটিশ এবং পেমেন্ট সংক্রান্ত তথ্য নিমেষেই জানতে পারবেন।

দ্রুত উত্তরের জন্য নিচের টপিক চাপুন অথবা নিচে লিখুন:

উত্তরের তথ্য বিশ্লেষণ করা হচ্ছে...
eProstuti AI সহকারী
সার্বক্ষণিক সহায়তায় প্রস্তুত
লগইন আবশ্যক

ব্যক্তিগত সহায়তা এবং আপনার কোর্স, পরীক্ষা ও পেমেন্ট হিস্ট্রি দেখতে অ্যাকাউন্টে লগইন করুন।

* চ্যাটবট সরাসরি অ্যাকাউন্ট তৈরি বা লগইন করতে পারে না।