<p>বাংলা সাহিত্যের প্রাচীনতম নিদর্শন হলো <strong>চর্যাপদ</strong>। এটি মূলত বৌদ্ধ সিদ্ধাচার্যদের সাধন সংগীতের সংকলন। বিষয়টিকে সহজে মনে রাখার জন্য নিচের পয়েন্টগুলো খেয়াল করুন:</p>
<ul>
<li><strong>সময়কাল:</strong> এটি আনুমানিক ৬৫০ থেকে ১২০০ খ্রিস্টাব্দের মধ্যে রচিত হয়েছে, যা বাংলা ভাষার আদি রূপ।</li>
<li><strong>আবিষ্কার:</strong> ১৯০৭ সালে মহামহোপাধ্যায় হরপ্রসাদ শাস্ত্রী নেপালের রাজদরবারের গ্রন্থাগার থেকে এই পুঁথিটি উদ্ধার করেন।</li>
<li><strong>গুরুত্ব:</strong> চর্যাপদ শুধু সাহিত্যের প্রাচীনতম নিদর্শনই নয়, এটি বাংলা ভাষার উৎপত্তির অকাট্য প্রমাণ।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসের একদম শুরুর দিকের একমাত্র নির্ভরযোগ্য দলিল হলো এই চর্যাপদ। তাই যেকোনো প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এটিই সঠিক উত্তর হিসেবে গণ্য হয়।</p>
<p>বাংলা উপসর্গ মোট <strong>একুশটি</strong>। ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী এই উপসর্গগুলো শব্দের শুরুতে বসে নতুন অর্থ তৈরি করে। মনে রাখার সুবিধার্থে আপনি নিচের তালিকাটি একবার দেখে নিতে পারেন:</p>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>মনীষা মঞ্জুষা</strong>। ড. মুহম্মদ এনামূল হক বাংলা ভাষা ও সাহিত্যের একজন প্রখ্যাত গবেষক এবং ভাষাবিদ। তাঁর পাণ্ডিত্যপূর্ণ রচনার মধ্যে <strong>মনীষা মঞ্জুষা</strong> অন্যতম।</p>
<ul>
<li>এই গ্রন্থটি মূলত তাঁর বিভিন্ন সময়ে লেখা প্রবন্ধ ও গবেষণামূলক নিবন্ধের সংকলন।</li>
<li>ড. মুহম্মদ এনামূল হক তাঁর দীর্ঘ কর্মজীবনে বাংলা ভাষার ইতিহাস ও বিবর্তন নিয়ে যে গভীর গবেষণা করেছেন, তার একটি চমৎকার প্রতিফলন এই বইটিতে পাওয়া যায়।</li>
<li>সাহিত্য ও ভাষাতত্ত্বের প্রতি তাঁর গভীর অনুরাগের কারণেই তিনি এমন সমৃদ্ধ একটি গ্রন্থ উপহার দিতে পেরেছেন।</li>
</ul>
২৫১০
১৯৮৮ সালের সমীক্ষায় জনপ্রতি বিদ্যুৎ খরচ সবচেয়ে বেশি কোন দেশে?
<p>১৯৮৮ সালের সেই সময়ের অর্থনৈতিক সমীক্ষা অনুযায়ী, দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে জনপ্রতি বিদ্যুৎ খরচের দিক থেকে <strong>পাকিস্তান</strong> সবার চেয়ে এগিয়ে ছিল।</p>
<p>বিষয়টি মনে রাখার সহজ উপায় হলো:</p>
<ul>
<li>সেই সময়ে পাকিস্তানের শিল্পায়ন এবং বিদ্যুৎ উৎপাদন অবকাঠামো প্রতিবেশী দেশগুলোর তুলনায় কিছুটা দ্রুতগতিতে বৃদ্ধি পেয়েছিল।</li>
<li>জনপ্রতি বিদ্যুৎ খরচের হিসাবটি মূলত মোট বিদ্যুৎ উৎপাদনকে দেশের মোট জনসংখ্যা দিয়ে ভাগ করে পাওয়া যায়, অর্থাৎ:
$$\text{জনপ্রতি বিদ্যুৎ খরচ} = \frac{\text{মোট বিদ্যুৎ উৎপাদন}}{\text{মোট জনসংখ্যা}}$$</li>
<li>সেই নির্দিষ্ট বছরে পাকিস্তানের মাথাপিছু বিদ্যুৎ ব্যবহারের হার ছিল প্রায় $250$ থেকে $300$ কিলোওয়াট-ঘণ্টার কাছাকাছি, যা ওই অঞ্চলের অন্যান্য দেশের তুলনায় ছিল সর্বোচ্চ।</li>
</ul>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>তার সকল চেষ্টা ব্যর্থ হয়েছে</strong>। বাক্যটি ব্যাকরণগতভাবে সম্পূর্ণ শুদ্ধ এবং এর অর্থ একদম পরিষ্কার।</p>
<p>অন্যান্য অপশনগুলো কেন ভুল, তা খুব সহজে বোঝা যায়:</p>
<ul>
<li>'সবচেয়ে' এবং 'শ্রেষ্ঠতম' শব্দ দুটি একসাথে ব্যবহার করা বাহুল্য, কারণ 'শ্রেষ্ঠ' নিজেই একটি সর্বোচ্চ পর্যায়।</li>
<li>'অনুষ্ঠান চলাকালে' এর পরিবর্তে 'অনুষ্ঠান চলাকালীন' ব্যবহার করা বেশি শ্রুতিমধুর।</li>
<li>'সমৃদ্ধশালী' শব্দটি ভুল; সঠিক শব্দটি হবে 'সমৃদ্ধ' বা 'সমৃদ্ধিশালী'।</li>
</ul>
<p>তাই, গঠন এবং অর্থের দিক থেকে <strong>তার সকল চেষ্টা ব্যর্থ হয়েছে</strong> বাক্যটিই নির্ভুল।</p>
২৫১২
কোন প্রতিষ্ঠানের উদ্যোগে ‘বাংলা পিডিয়া’ প্রকাশিত হয়েছিল?
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>বাংলাদেশ এশিয়াটিক সোসাইটি</strong>। বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ:</p>
<ul>
<li>বাংলাদেশের জাতীয় জ্ঞানকোষ হিসেবে পরিচিত <strong>‘বাংলা পিডিয়া’</strong> তৈরির বিশাল কর্মযজ্ঞটি পরিচালনা করেছিল বাংলাদেশ এশিয়াটিক সোসাইটি।</li>
<li>২০০৩ সালে এটি প্রথম প্রকাশিত হয়।</li>
<li>গবেষণামূলক এবং তথ্যবহুল এই প্রকল্পটি বাস্তবায়নে এশিয়াটিক সোসাইটির অবদানই ছিল প্রধান।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, বাংলা পিডিয়া মানেই বাংলাদেশ এশিয়াটিক সোসাইটির একটি অনন্য উদ্যোগ।</p>
২৫১৩
'ঐতিহাসিক অভিধান' বাংলাদেশের কোন প্রতিষ্ঠান থেকে প্রকাশিত হয়?
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>বাংলা একাডেমী</strong>। বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ, কারণ বাংলা ভাষার মানসম্মত অভিধান বা ঐতিহাসিক শব্দভাণ্ডার তৈরির মূল দায়িত্বটি বাংলা একাডেমীই পালন করে থাকে।</p>
<ul>
<li>বাংলা একাডেমী মূলত বাংলা ভাষার গবেষণা, সংরক্ষণ এবং প্রসারের জন্য কাজ করে।</li>
<li>ভাষা ও সাহিত্যের ঐতিহাসিক দলিল বা অভিধান প্রকাশের ক্ষেত্রে এটিই বাংলাদেশের প্রধান ও নির্ভরযোগ্য প্রতিষ্ঠান।</li>
<li>তাই যেকোনো গুরুত্বপূর্ণ ভাষাতাত্ত্বিক বা ঐতিহাসিক অভিধানের কথা শুনলেই আমাদের মাথায় সবার আগে বাংলা একাডেমীর নাম আসাটাই স্বাভাবিক।</li>
</ul>
২৫১৪
ডঃ মুহম্মদ শহীদুল্লাহর বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস গ্রন্থের নাম-
<p>ডঃ মুহম্মদ শহীদুল্লাহর লেখা বিখ্যাত বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস গ্রন্থের নাম হলো <strong>বাংলা সাহিত্যের কথা</strong>। এটি মূলত দুই খণ্ডে প্রকাশিত একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ গ্রন্থ।</p>
<p>সহজে মনে রাখার জন্য কিছু তথ্য:</p>
<ul>
<li><strong>বাংলা সাহিত্যের কথা</strong> গ্রন্থটি ডঃ মুহম্মদ শহীদুল্লাহর পাণ্ডিত্যপূর্ণ গবেষণার ফসল।</li>
<li>তিনি এই গ্রন্থে বাংলা ভাষার উৎপত্তি ও ক্রমবিকাশকে অত্যন্ত চমৎকারভাবে তুলে ধরেছেন।</li>
<li>পরীক্ষায় প্রায়ই এই প্রশ্নটি আসে, তাই নামটা মনে রাখা জরুরি।</li>
</ul>
<p>অজিত দত্তের একমাত্র গবেষণাগ্রন্থ হলো <strong>বাংলা সাহিত্যে হাস্যরস</strong>। বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ, কারণ তিনি মূলত কবি হিসেবে পরিচিত হলেও তার পাণ্ডিত্যপূর্ণ কাজের মধ্যে এটিই একমাত্র গবেষণামূলক কাজ হিসেবে স্বীকৃত।</p>
<ul>
<li><strong>লেখক:</strong> অজিত দত্ত।</li>
<li><strong>ধরন:</strong> গবেষণামূলক প্রবন্ধগ্রন্থ।</li>
<li><strong>মূল বৈশিষ্ট্য:</strong> বাংলা সাহিত্যে হাস্যরসের বিবর্তন ও স্বরূপ নিয়ে তিনি এই বইটিতে বিস্তারিত আলোচনা করেছেন।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, অজিত দত্তের কাব্যগ্রন্থগুলোর ভিড়ে এই বইটি তার গবেষণাধর্মী মননশীলতার এক অনন্য পরিচয় বহন করে। তাই পরীক্ষার জন্য এই তথ্যটি মনে রাখা জরুরি।</p>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>বঙ্গভাষা ও সাহিত্য</strong>। এটি বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসের অন্যতম প্রধান ও নির্ভরযোগ্য গ্রন্থ হিসেবে বিবেচিত হয়।</p>
<p>সহজভাবে মনে রাখার উপায়:</p>
<ul>
<li>এই কালজয়ী গ্রন্থটি রচনা করেছেন বিশিষ্ট পণ্ডিত <strong>দীনেশচন্দ্র সেন</strong>।</li>
<li>বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসের ধারাকে সুশৃঙ্খলভাবে তুলে ধরার ক্ষেত্রে এই বইটির ভূমিকা অপরিসীম।</li>
<li>বাংলা সাহিত্যের গবেষণামূলক কাজের ক্ষেত্রে এটি একটি মাইলফলক, তাই যেকোনো প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এটি বারবার আসে।</li>
</ul>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>সংস্কৃত তদ্ধিত প্রত্যয়</strong>। বিষয়টি খুব সহজভাবে বোঝার জন্য নিচের ধাপগুলো খেয়াল করুন:</p>
<ul>
<li>'মানব' শব্দটি গঠিত হয়েছে <strong>মনু + অ (ষ্ণ)</strong> প্রত্যয় যোগে।</li>
<li>এখানে 'মনু' হলো একটি বিশেষ্য পদ (নামবাচক শব্দ)।</li>
<li>ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী, যখন কোনো নামবাচক শব্দের সাথে প্রত্যয় যুক্ত হয়ে নতুন শব্দ তৈরি হয়, তখন তাকে <strong>তদ্ধিত প্রত্যয়</strong> বলা হয়।</li>
<li>যেহেতু 'মনু' একটি সংস্কৃত শব্দ এবং এর সাথে যুক্ত 'অ' প্রত্যয়টিও সংস্কৃত ব্যাকরণ অনুযায়ী এসেছে, তাই এটি একটি <strong>সংস্কৃত তদ্ধিত প্রত্যয়</strong>।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, শব্দের মূল অংশটি যদি বিশেষ্য হয় এবং সেটি সংস্কৃত থেকে এসে থাকে, তবে চোখ বন্ধ করে একে সংস্কৃত তদ্ধিত প্রত্যয় হিসেবে চিহ্নিত করা যায়।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>সংস্কৃত তদ্ধিত প্রত্যয়</strong>। বিষয়টি খুব সহজভাবে মনে রাখা যায়:</p>
<ul>
<li>‘মানব’ শব্দটি গঠিত হয়েছে <strong>মনু + অ (ষ্ণ)</strong> প্রত্যয় যোগে।</li>
<li>যেহেতু ‘মনু’ একটি বিশেষ্য পদ এবং এর সাথে ‘অ’ প্রত্যয় যুক্ত হয়ে নতুন শব্দ তৈরি হয়েছে, তাই এটি একটি <strong>তদ্ধিত প্রত্যয়</strong>।</li>
<li>ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী, সংস্কৃত শব্দ ‘মনু’-এর সাথে সংস্কৃত প্রত্যয় যুক্ত হয়েই ‘মানব’ শব্দটি এসেছে, তাই এটি <strong>সংস্কৃত তদ্ধিত প্রত্যয়</strong> হিসেবে গণ্য হয়।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, শব্দের শেষে ‘অ’ প্রত্যয় যুক্ত হয়ে যদি কোনো বিশেষ্য বা বিশেষণ পদ তৈরি হয় এবং মূল শব্দটি সংস্কৃত হয়, তবে চোখ বন্ধ করে সেটিকে সংস্কৃত তদ্ধিত প্রত্যয় বলে ধরে নেওয়া যায়।</p>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>সংস্কৃত তদ্ধিত প্রত্যয়</strong>। বিষয়টি খুব সহজভাবে বোঝা যায় এভাবে:</p>
<ul>
<li>'মানব' শব্দটি গঠিত হয়েছে <strong>মনু + অ (ষ্ণ)</strong> এই প্রক্রিয়ায়।</li>
<li>এখানে 'মনু' হলো একটি বিশেষ্য পদ (নামবাচক শব্দ)।</li>
<li>ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী, কোনো বিশেষ্য বা সর্বনাম পদের সাথে যে প্রত্যয় যুক্ত হয়, তাকে <strong>তদ্ধিত প্রত্যয়</strong> বলে।</li>
<li>যেহেতু 'মনু' একটি সংস্কৃত শব্দ এবং এর সাথে যুক্ত 'অ' প্রত্যয়টিও সংস্কৃত ব্যাকরণ অনুযায়ী এসেছে, তাই এটি একটি <strong>সংস্কৃত তদ্ধিত প্রত্যয়</strong>।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, শব্দের শেষে যদি এমন কোনো অংশ থাকে যা মূল বিশেষ্য শব্দের সাথে যুক্ত হয়ে নতুন অর্থ তৈরি করে, তবেই তা তদ্ধিত প্রত্যয়। এখানে 'মনু' থেকে 'মানব' হওয়ার প্রক্রিয়াটি ঠিক এই নিয়মেই কাজ করে।</p>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>মৈথিলী ও বাংলা</strong>। বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ:</p>
<ul>
<li>ব্রজবুলি মূলত মধ্যযুগের বৈষ্ণব পদাবলিতে ব্যবহৃত একটি কৃত্রিম কাব্যভাষা।</li>
<li>কবি বিদ্যাপতি এই ভাষার জনক, যিনি মৈথিলী ভাষায় পারদর্শী ছিলেন।</li>
<li>পরবর্তীতে বাংলা কবিরা এই ভাষার আদলে পদ রচনা করতে গিয়ে মৈথিলী শব্দের সাথে বাংলার সংমিশ্রণ ঘটান।</li>
<li>সহজ কথায়, মৈথিলী ভাষার ব্যাকরণ ও শব্দভাণ্ডারের সাথে বাংলার মেলবন্ধনেই তৈরি হয়েছে এই মিষ্টি কাব্যভাষা।</li>
</ul>
MCQ পরীক্ষা সেটিংস
বাংলা
eProstuti
সহজ ও দ্রুত ক্লাস করতে অ্যাপটি ইনস্টল করুন
iPhone / iPad এ ইনস্টল করুন
eProstuti
১Safari ব্রাউজারের নিচে থাকা Share ( ) বাটনে চাপ দিন।
২নিচের দিকে স্ক্রোল করে 'Add to Home Screen' ( ) নির্বাচন করুন।
৩উপরে ডানে থাকা 'Add' বাটনে ট্যাপ করুন।
Android এ অ্যাপ ইনস্টল করুন
eProstuti
১Chrome ব্রাউজারের উপরে ডানে থাকা থ্রি-ডট ( ) মেনু চাপুন।
২তালিকায় 'Install app' বা 'Add to Home screen' ( ) এ ট্যাপ করুন।
ডাউনলোড সম্পন্ন হলে ফাইলটি ওপেন করে Install চাপুন।
যদি "Install unknown apps" বা "Unknown sources" অনুমতি চায়, তাহলে সেটি Allow করে আবার ইনস্টল করুন।
ইনস্টল শেষ হলে অ্যাপটি খুলে আপনার অ্যাকাউন্টে লগইন করুন।
অ্যাপের সুবিধা:
সকল লাইভ ক্লাস
রেকর্ডেড ক্লাস
অনলাইন পরীক্ষা
ই-বুক ও নোটিশ
সবকিছু এক জায়গা থেকেই সহজে ব্যবহার করুন!
ব্রাউজারে খুলুন
⚠️ মনে হচ্ছে আপনি এই ওয়েবসাইটটি ফেসবুক বা অন্য কোনো অ্যাপের ভেতরের ব্রাউজার থেকে খুলেছেন।
ভালোভাবে কাজ করার জন্য দয়া করে এটি আপনার মূল ব্রাউজারে (যেমন Chrome) খুলুন।
👉 উপরে থাকা ⋮ বা ••• বাটনে চাপ দিন → তারপর “Open in Browser” সিলেক্ট করুন।