<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>বাংলা ও অসমিয়া</strong>। এর কারণ হলো ভাষাতাত্ত্বিক বিচারে এই দুটি ভাষাই একই উৎস থেকে এসেছে।</p>
<ul>
<li>বাংলা ও অসমিয়া উভয়ই ইন্দো-আর্য ভাষাগোষ্ঠীর অন্তর্ভুক্ত।</li>
<li>এদের মূল উৎস হলো মাগধী প্রাকৃত এবং অপভ্রংশ।</li>
<li>ঐতিহাসিকভাবে এই দুই ভাষার বিবর্তন একই ধারায় ঘটেছে, তাই এদের <strong>সহোদর বা আপন ভাই</strong> বলা হয়।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, এদের ব্যাকরণগত গঠন এবং শব্দভাণ্ডারের মধ্যে যে গভীর মিল রয়েছে, তা অন্য ভাষার তুলনায় অনেক বেশি। তাই ভাষাবিজ্ঞানীরা এদের একই পরিবারের সদস্য হিসেবে গণ্য করেন।</p>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>বাংলা ও ফারসি</strong>। বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ, কারণ শব্দটির গঠন বিশ্লেষণ করলেই এর উৎস পরিষ্কার হয়ে যায়:</p>
<ul>
<li><strong>হাট:</strong> এটি একটি খাঁটি <strong>বাংলা</strong> শব্দ।</li>
<li><strong>বাজার:</strong> এটি একটি <strong>ফারসি</strong> শব্দ।</li>
</ul>
<p>এই দুটি ভিন্ন ভাষার শব্দ মিলে তৈরি হয়েছে একটি মিশ্র শব্দ, যাকে আমরা বলি 'হাটবাজার'। ব্যাকরণের ভাষায় একে বলা হয় মিশ্র শব্দ বা সংকর শব্দ। এভাবে মনে রাখলে পরীক্ষার হলে আর ভুল হওয়ার সুযোগ থাকবে না!</p>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>সাধু ও চলিত ভাষার মিশ্রণ</strong>। বিষয়টি খুব সহজভাবে মনে রাখা যায় এভাবে:</p>
<ul>
<li>বাংলা ভাষায় সাধু ও চলিত—এই দুই রীতির নিজস্ব ব্যাকরণগত কাঠামো ও শব্দচয়ন রয়েছে।</li>
<li>যখন একটি বাক্যের মধ্যে সাধু ভাষার ক্রিয়াপদ বা সর্বনামের সাথে চলিত ভাষার রূপ মিশিয়ে ফেলা হয়, তখন ভাষার স্বাভাবিক ছন্দ ও শ্রুতিমধুরতা নষ্ট হয়।</li>
<li>এই অসামঞ্জস্যপূর্ণ মিশ্রণকেই ব্যাকরণের ভাষায় <strong>‘গুরুচণ্ডালী দোষ’</strong> বলা হয়।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, একই বাক্যে দুই রীতির শব্দ ব্যবহার করলে তা শুনতে বেমানান লাগে, আর এই ভুলটিই হলো গুরুচণ্ডালী দোষ।</p>
<p>‘সুনজর’ শব্দটিতে ব্যবহৃত ‘সু’ হলো একটি <strong>বাংলা উপসর্গ</strong>। বিষয়টি খুব সহজভাবে মনে রাখার জন্য নিচের ধাপগুলো খেয়াল করুন:</p>
<ul>
<li>বাংলা ভাষায় ‘সু’ উপসর্গটি তৎসম এবং বাংলা উভয় ক্ষেত্রেই ব্যবহৃত হয়।</li>
<li>তবে যখন ‘সু’ উপসর্গটি কোনো খাঁটি বাংলা শব্দের আগে বসে নতুন অর্থ তৈরি করে, তখন তাকে বাংলা উপসর্গ হিসেবে গণ্য করা হয়।</li>
<li>‘সুনজর’ শব্দে ‘নজর’ শব্দটি ফারসি হলেও, বাংলা ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী ‘সু’ এখানে বাংলা উপসর্গ হিসেবেই ব্যবহৃত হয়েছে, যা বিশেষ্য বা বিশেষণ পদের আগে বসে সুন্দর বা উত্তম অর্থ প্রকাশ করে।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, বাংলা ভাষায় ব্যবহৃত খাঁটি বাংলা উপসর্গগুলোর তালিকায় ‘সু’ একটি অন্যতম প্রধান উপসর্গ। তাই এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>বাংলা উপসর্গ</strong>।</p>
২৫২৫
“কবিতায় আর কি লিখব? যখন বুকের রক্তে লিখেছি একটি নাম বাংলাদেশ।” উল্লেখিত কবিতাংশটি কোন কবিতার অংশ?
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>শহীদ স্মরণে</strong>। এই বিখ্যাত পঙ্ক্তিটি কবি <strong>রফিক আজাদ</strong>-এর লেখা ‘শহীদ স্মরণে’ কবিতার অংশ।</p>
<p>সহজভাবে মনে রাখার উপায়:</p>
<ul>
<li>কবিতাটির মূল ভাব হলো ভাষা শহীদদের আত্মত্যাগের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করা।</li>
<li>যেখানে কবি বলছেন, বুকের রক্ত দিয়ে লেখা সেই নামটিই হলো আমাদের প্রিয় <strong>বাংলাদেশ</strong>।</li>
<li>এই আবেগঘন পঙ্ক্তিটি মূলত ভাষা আন্দোলনের শহীদদের স্মৃতির উদ্দেশ্যে রচিত, তাই এটি ‘শহীদ স্মরণে’ কবিতার সাথে সরাসরি সম্পর্কিত।</li>
</ul>
<p>বিষয়টি মনে রাখা খুবই সহজ। ফারসি ভাষা থেকে আমাদের বাংলা ভাষায় অনেক শব্দ এসেছে যা আমরা প্রতিদিন ব্যবহার করি। ‘খোদা’ শব্দটি মূলত একটি ফারসি শব্দ, যার অর্থ হলো ঈশ্বর বা সৃষ্টিকর্তা।</p>
<p>সহজ কিছু টিপস:</p>
<ul>
<li>ফারসি শব্দ চেনার উপায় হলো এর উচ্চারণ ও গঠনশৈলী।</li>
<li>‘খোদা’ ছাড়াও নামাজ, রোজা, গুনাহ, এবং জান্নাতের মতো পরিচিত শব্দগুলোও ফারসি ভাষা থেকে এসেছে।</li>
<li>পরীক্ষায় এই ধরনের শব্দগুলো বারবার আসে, তাই এই সাধারণ ফারসি শব্দগুলো আলাদা করে মনে রাখলে খুব সহজেই উত্তর দেওয়া সম্ভব।</li>
</ul>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>দেশী</strong>। বিষয়টি খুব সহজভাবে মনে রাখা যায় এভাবে:</p>
<ul>
<li>আমাদের এই ভূখণ্ডে আর্যরা আসার অনেক আগে থেকেই বিভিন্ন আদিবাসী বা অনার্য জাতি বসবাস করত।</li>
<li>তাদের ব্যবহৃত যেসব শব্দ কালক্রমে বাংলা ভাষার শব্দভাণ্ডারে মিশে গেছে, সেগুলোকে ভাষাবিজ্ঞানের ভাষায় <strong>দেশী শব্দ</strong> বলা হয়।</li>
<li>সহজ কথায়, যেসব শব্দের মূল উৎস বা সংস্কৃত রূপ খুঁজে পাওয়া যায় না এবং যেগুলো এদেশের প্রাচীন জনগোষ্ঠীর ভাষা থেকে এসেছে, সেগুলোই দেশী শব্দ। যেমন: কুলা, ডাব, ঢেঁকি, পেট ইত্যাদি।</li>
</ul>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>বর্মি</strong>। বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ।</p>
<ul>
<li>‘লুঙ্গি’ শব্দটি মূলত মিয়ানমারের (তৎকালীন বার্মা) ঐতিহ্যবাহী পোশাক থেকে এসেছে।</li>
<li>ভাষাতাত্ত্বিক বিচারে এটি একটি বিদেশি শব্দ, যা বর্মি ভাষা থেকে সরাসরি বাংলা ভাষায় গৃহীত হয়েছে।</li>
<li>আমাদের দৈনন্দিন জীবনে ব্যবহৃত অনেক শব্দই পার্শ্ববর্তী দেশগুলোর ভাষা থেকে এসেছে, যার মধ্যে ‘লুঙ্গি’ অন্যতম।</li>
</ul>
<p>তাই পরীক্ষার জন্য মনে রাখবেন, লুঙ্গি শব্দটি একটি <strong>বর্মি</strong> শব্দ।</p>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>তুর্কি</strong>। বাংলা ভাষায় ব্যবহৃত অনেক শব্দই তুর্কি ভাষা থেকে সরাসরি এসেছে, যার মধ্যে 'কুলি' একটি অন্যতম শব্দ।</p>
<p>সহজে মনে রাখার জন্য একটি ছোট কৌশল ব্যবহার করতে পারেন:</p>
<ul>
<li>তুর্কি শব্দগুলো মনে রাখার একটি জনপ্রিয় ছন্দ হলো: <strong>"বাবুর্চি ও বেগম সাহেব চাকরকে নিয়ে কুলি দিয়ে তোপ দাগালেন।"</strong></li>
<li>এই ছন্দের প্রতিটি শব্দই তুর্কি ভাষার। তাই খুব সহজেই মনে রাখা যায় যে, 'কুলি' শব্দটি তুর্কি ভাষা থেকে আগত।</li>
</ul>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>চীনা</strong>। বিষয়টি মনে রাখা খুবই সহজ।</p>
<p>চা শব্দটি মূলত একটি চীনা শব্দ। এর পেছনের কারণ ও ইতিহাস বেশ মজার:</p>
<ul>
<li>চা পান করার সংস্কৃতি প্রথম শুরু হয়েছিল চীনে।</li>
<li>চীনা ভাষায় 'চা' (Cha) শব্দটি থেকেই এটি বিশ্বজুড়ে ছড়িয়ে পড়েছে।</li>
<li>বাংলা ভাষায় আমরা যে 'চা' শব্দটি ব্যবহার করি, তা সরাসরি চীনা ভাষা থেকেই এসেছে।</li>
</ul>
<p>তাই পরীক্ষার খাতায় এই প্রশ্নটি দেখলে চোখ বন্ধ করে <strong>চীনা</strong> উত্তরটি বেছে নিতে পারেন। এটি মনে রাখার জন্য শুধু মনে রাখুন, চা মানেই চীন!</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>বাংলা</strong>। বিষয়টি খুব সহজভাবে মনে রাখা যায়:</p>
<ul>
<li>'অজ' একটি খাঁটি বাংলা উপসর্গ, যা সাধারণত কোনো শব্দের আগে বসে সেটিকে নিন্দিত বা নিকৃষ্ট অর্থে প্রকাশ করে।</li>
<li>যেমন: 'অজ' + 'মূর্খ' = 'অজমূর্খ', যার অর্থ হলো যে চরম বা নিরেট মূর্খ।</li>
<li>একইভাবে 'অজ' উপসর্গ যোগে আরও কিছু শব্দ হলো: 'অজপাড়াগাঁ' (যে গ্রামটি খুব অনুন্নত) বা 'অজপুকুর'।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, যখনই কোনো শব্দের শুরুতে 'অজ' যুক্ত হয়ে সেটির নেতিবাচক বা নিকৃষ্ট অর্থ বোঝায়, তখন চোখ বন্ধ করে সেটিকে <strong>বাংলা উপসর্গ</strong> হিসেবে চিহ্নিত করা যায়।</p>
২৫৩৩
'সুখের লাগিয়া এ ঘর বাঁধিনু' - এ বাক্যে কোনটি অনুসর্গবাচক শব্দ ?
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>লাগিয়া</strong>। বিষয়টি একদম সহজ!</p>
<p>অনুসর্গ হলো এমন কিছু শব্দ বা শব্দাংশ যা বিশেষ্য বা সর্বনাম পদের পরে বসে বিভক্তির মতো কাজ করে এবং বাক্যের অর্থ স্পষ্ট করে। এই বাক্যে:</p>
<ul>
<li>'লাগিয়া' শব্দটি 'সুখের' পদের পরে বসে একটি সম্পর্কের সৃষ্টি করেছে।</li>
<li>এটি এখানে 'জন্য' বা 'উদ্দেশ্যে' অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে, যা অনুসর্গের প্রধান কাজ।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, কোনো শব্দের সাথে যুক্ত হয়ে বা আলাদাভাবে বসে যখন সেটি বাক্যের অন্য পদের সাথে সম্পর্ক তৈরি করে, তখনই তাকে অনুসর্গ বলা হয়। তাই এখানে 'লাগিয়া'ই হলো সঠিক অনুসর্গ।</p>
<p>বাংলা সাহিত্যের প্রথম সার্থক উপন্যাস হলো <strong>দুর্গেশনন্দিনী</strong>। বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের হাত ধরে ১৮৬৫ সালে এই উপন্যাসটি প্রকাশিত হয়।</p>
<p>কেন এটি সার্থক উপন্যাস হিসেবে পরিচিত, তার কারণগুলো খুব সহজ:</p>
<ul>
<li><strong>উপন্যাসিক গুণাবলী:</strong> এর আগে বাংলা সাহিত্যে গদ্যের প্রচলন থাকলেও, উপন্যাসের যে সুনির্দিষ্ট কাঠামো—যেমন চরিত্র চিত্রণ, কাহিনি বিন্যাস এবং ভাষার শৈল্পিক ব্যবহার—তা প্রথম এই বইটিতেই পূর্ণতা পায়।</li>
<li><strong>ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট:</strong> বঙ্কিমচন্দ্র ইতিহাসের সাথে কল্পনার এক চমৎকার মিশেল ঘটিয়েছিলেন, যা তৎকালীন পাঠকদের দারুণভাবে আকৃষ্ট করে।</li>
<li><strong>সাহিত্যের মোড় পরিবর্তন:</strong> এই উপন্যাসের মাধ্যমেই বাংলা সাহিত্যে আধুনিক উপন্যাসের ধারার সূচনা হয়, তাই একেই বাংলা ভাষার প্রথম সার্থক উপন্যাস বলা হয়।</li>
</ul>
<p>‘অয়োময়’ শব্দটির সঠিক অর্থ হলো <strong>লৌহময়</strong>।</p>
<p>সহজভাবে মনে রাখার উপায়:</p>
<ul>
<li>বাংলা ব্যাকরণ অনুযায়ী, ‘অয়’ শব্দের অর্থ হলো লোহা বা আয়রন।</li>
<li>এর সাথে ‘ময়’ প্রত্যয় যুক্ত হয়ে গঠিত হয়েছে ‘অয়োময়’, যার অর্থ দাঁড়ায় যা লোহা দিয়ে তৈরি বা লোহাময়।</li>
</ul>
<p>তাই যখনই কোথাও ‘অয়োময়’ শব্দটি দেখবেন, চোখ বন্ধ করে ধরে নেবেন এর সম্পর্ক লোহার সাথে!</p>
MCQ পরীক্ষা সেটিংস
বাংলা
eProstuti
সহজ ও দ্রুত ক্লাস করতে অ্যাপটি ইনস্টল করুন
iPhone / iPad এ ইনস্টল করুন
eProstuti
১Safari ব্রাউজারের নিচে থাকা Share ( ) বাটনে চাপ দিন।
২নিচের দিকে স্ক্রোল করে 'Add to Home Screen' ( ) নির্বাচন করুন।
৩উপরে ডানে থাকা 'Add' বাটনে ট্যাপ করুন।
Android এ অ্যাপ ইনস্টল করুন
eProstuti
১Chrome ব্রাউজারের উপরে ডানে থাকা থ্রি-ডট ( ) মেনু চাপুন।
২তালিকায় 'Install app' বা 'Add to Home screen' ( ) এ ট্যাপ করুন।
ডাউনলোড সম্পন্ন হলে ফাইলটি ওপেন করে Install চাপুন।
যদি "Install unknown apps" বা "Unknown sources" অনুমতি চায়, তাহলে সেটি Allow করে আবার ইনস্টল করুন।
ইনস্টল শেষ হলে অ্যাপটি খুলে আপনার অ্যাকাউন্টে লগইন করুন।
অ্যাপের সুবিধা:
সকল লাইভ ক্লাস
রেকর্ডেড ক্লাস
অনলাইন পরীক্ষা
ই-বুক ও নোটিশ
সবকিছু এক জায়গা থেকেই সহজে ব্যবহার করুন!
ব্রাউজারে খুলুন
⚠️ মনে হচ্ছে আপনি এই ওয়েবসাইটটি ফেসবুক বা অন্য কোনো অ্যাপের ভেতরের ব্রাউজার থেকে খুলেছেন।
ভালোভাবে কাজ করার জন্য দয়া করে এটি আপনার মূল ব্রাউজারে (যেমন Chrome) খুলুন।
👉 উপরে থাকা ⋮ বা ••• বাটনে চাপ দিন → তারপর “Open in Browser” সিলেক্ট করুন।